নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

আইন শৃংখলা বাহিনীর প্রফেশনালিজম !!!

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৩৬





করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে লকডাউন কার্যকর করতে রাস্তায় মুভমেন্ট পাস ব্যবহারের এর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ভাল উদ্যোগ সন্দেহ নাই। কিন্ত তা কি জায়গামত প্রয়োগ হচ্ছে? ডাক্তার স্টিকার লাগানো গাড়ী এবং ডাক্তারি এপ্রন পড়া একজন একজন মহিলা হয়ত ভুলবশত মুভমেন্ট পাস বাসায় ফেলে এসেছেন। কিন্ত কোন প্রকার শিক্ষা দীক্ষা না থাকা মানূষের পক্ষেও বোঝা সম্ভব যে ওই ভদ্রমহিলা ভুয়া ডাক্তারি এপ্রন পড়ে এই সংকটকালীন সময়ে হাওয়া খেতে নিশ্চই বের হননি। ফ্রন্টলাইনে চাকুরিরত এই ভদ্রমহিলাকে আটকে ঝগড়া বাধিয়ে আমাদের পুলিশ বাহিনী তাদের কোন পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছে? ঝগড়া বাধার পর হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে কে কোন ভাষায় কথা বলেছে তা কোন অবস্থাতেই বিবেচ্য নয়। যদিও সেটাই বেশি আলোচনা হচ্ছে। কারন আমাদের দেশের মানুষ ঝগড়া করতে, দেখতে এবং শুনে তা নিয়ে সমালোচনা করতে ভালবাসে। আমি বরং ভিডিওটিতে দেখলাম এই ঝগড়া দেখতে পুলিশির ইউনিফর্ম পরা ও না পরা প্রচুর মানুষ ভীড় জমিয়েছে এবং তারা কেউই সোস্যাল ডিস্টেন্স মেনে দাড়ায়নি!! স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়ন করতে যাদের রাস্তায় নামানো হয়েছে , তাদের নিজেদেরই সে সম্পর্কে কোন ধারনা আছে বলে মনে হল না।

দুই নাম্বার ছবিটি আজকের দৈনিক একটি পত্রিকা থেকে নেয়া। মুভমেন্ট পাস যদি সত্য সত্যই এতটা কড়াকড়ি করে চেক করা হয়, তাহলে কি রাস্তায় এত গাড়ী বা মানুষ থাকার কথা? যারাই রাস্তায় কোন প্রয়োজনে বের হচ্ছে, তারা বলছে যে রাস্তায় এখনও প্রচুর মানুষ। পুলিশ চেকিং চোখেই পড়ছে না।

আমাদের পুলিশ বাহিনী রাস্তায় প্রফেশোনালিজমের পরিচয় না দিলে , করোনা সংক্রমন ঠেকাতে লকডাউন, মুভমেন্ট পাস কোন উদ্যোগই সফল হবে না।

মন্তব্য ৫৭ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৫৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১১

চাঁদগাজী বলেছেন:



দেশ ইয়েমেনের মতো চলছে।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫১

ঢাবিয়ান বলেছেন: নষ্টদের দখলে চলে গেছে সব।

২| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২২

জুন বলেছেন: উনি ন্যাশনাল আইডি কার্ডও দেখাতে পারেনি , বাসায় রেখে আসছে। এই জরুরী অবস্থায় যা সাথে থাকা উচিত ছিল। বাংলাদেশের অনেক মানুষ এত প্রতারনার আশ্রয় নেয় যে মানুষ মানুষের প্রতি বিশ্বাসই উঠে যাচ্ছে। ১০০ বছরের পুরানো প্রেসক্রিপশন নিয়ে বলছে ঔষধ কিনতে যাই আমার বারান্দা থেকে নিজ চোখে দেখা। মানুষ নিজেরা সচেতন না হলে কোন লাভ নেই ।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপু, ১০০ বছরের পুরানো প্রেসক্রিপশন নিয়ে ঔষধ কিনতে যাওয়া আর একজন ডাক্তারী এপ্রন পরা ভদ্রমহিলার মাঝে পার্থক্যটা অনেক বেশি। পুলিশ বাহিনী যেখানে যেটা করা দরকার সেখানে চোখ বুজে থাকে এবং যেখানে দরকার নাই সেখানে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বেড়ায়। এটা নতুন কিছু নয়, বহুকাল ধরেই এ ধরনের আনপ্রফেশনাল ও প্রশ্নবিদ্ধ আমাদের আইন শৃংখলা বাহিনীর কর্মকান্ড।

৩| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৩৩

জিকোব্লগ বলেছেন:



মুভমেন্ট পাসকে কেন্দ্র করে পুলিশ প্রতিনিয়ত জরুরী স্বাস্থ্য সেবায়
নিয়োজিত কর্মীদের হয়রানি করছে। ভদ্রমহিলা যা করেছেন তা খুব
ভালো করেছেন।কারণ উনার মতন ক্ষমতাবান ব্যক্তি ব্যতীত কেউই
পুলিশকে উপযুক্ত বাঁকা কথা বলার দেওয়ার সাহস রাখে না।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:০১

ঢাবিয়ান বলেছেন: ভদ্রমহিলা রেগে গিয়ে যেসব বলেছেন তা হয়ত উনার উচিত হয়নি। তবে অপ্রীতিকর এই ঘটনাটির পুরো দায় আইন শৃংখলা বাহিনীর।

৪| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫২

নজসু বলেছেন:



দু্ঃখ হয় ভাই।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:০২

ঢাবিয়ান বলেছেন: সেটাই। যার যা দ্বায়িত্ব সেটা ঠিকভাবে পালন হয় না আমাদের দেশে।

৫| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫২

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:


১৯ সেকেন্ডের অনেক সুন্দর একটা ভিডিও!
মন্তব্য করার পূর্বে দেখে নিতে পারেন। মন্তব্যে সহায়ক হবে বলতে পারি ;)




২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:০৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমি ঝগড়া শুনতে আগ্রহী নই। পুলিশ পেশাদারিত্বের পরিচয় দিলে এমন ঘটনা ঘটার সুযোগই হত না।

৬| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৩

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:




https://youtu.be/1VtYVsG1X9E

৭| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:০১

সোহানী বলেছেন: তুলনা করতে চাই না তারপরও তুলনা করতে হয়। কানাডার ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কাররা যেকোন দোকানে সরাসরি ঢুকতে পারে যেখানে আমরা সাধারনের অন্তত ৩০ মিনিট লাইনে থাকতে হয়। তাদের সাধারন আইডি বা ড্রেসই বলে দেয় তাদের প্রফেশন। কেউই কোন আপত্তি করে না। এমন কি আমরাও যদি তাদেরকে দেখি অনুরোধ করি সামনে যেতে। কারন অনেকে এ এডভান্টেজটা নিতে চায় না।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:০৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ আপু। করোনার এই সংকট্কালে ফ্রন্ট লাইনে চাকুরিরতদের যে কি পরিমান সম্মান, শ্রদ্ধা দেয়া হচ্ছে উন্নত দেশগুলোতে , বলে শেষ করা যাবে না। আর আমাদের দেশে শুনি, বাড়ীওলারা তাড়িয়ে দিচ্ছে, মানুষজন এড়িয়ে চলছে সম্মান শ্রদ্ধা দেখানোতো অনেক দুরের ব্যপার।

৮| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:০৮

জুন বলেছেন: ঢাবিয়ান আমাদের দেশে মানুষ নকল ডেথ সার্টিফিকেট বের করতে পারে , রিজেন্টের শাহেদের কথা কি ভুলে গেছেন ? যে পয়সার বিনিময়ে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট দিতো ?? জিনিসটা কতটা ভয়াবহ ?? আর এপ্রন আর স্টিকার আলা গাড়িতো কোন ব্যাপারই না ।
@ কিন্ত সোহানী গত পরশু আমাদের ভ্যাক্সিন সেন্টারে ডাক্তাররা আগে ভ্যাক্সিন নিবে বলে এক গাদা ফর্মের ভেতর ভলিন্টিয়ার যারা আমাদের নাম ডাকছিল তাদের দিয়ে ফর্ম খুযে বের করার জন্য আমাদের ৩০/৪৫ মিনিট দেরী করালো । তারা ভ্যাক্সিন নিতে এসেছে দিতে না । যদি সিরিয়ালি ডাকতে দিতো তাহলে ১০ মিনিটে সবাই ভেতরে যেতে পারতো ।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:১৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: জুন আপু, আমি সাম্প্রতিক এই ঘটনাটি কেবল বিশ্লেষন করছি। অসাধু, অসৎ , অনৈতিক সব ডাক্তারদের কর্মকান্ডের সাফাই দিতে এই পোস্ট দেইনি।

৯| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:১০

বিদ্রোহী সিপাহী বলেছেন: এদেশে প্রফেশনালিজম শেষ হয়ে গেছে কিংবা শুরুই হয়নি

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:১৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: ভাল প্রশ্ন। হয়ত আগেও এরকমই ছিল। তবে আজকের উন্মুক্ত সোস্যাল মিডিয়ার যুগে , অন্য আর দশটা দেশের সাথে ফারাকটা বড় দৃষ্টিকটু লাগে।

১০| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:১৫

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: গাড়ির স্টিকার আর আপ্রনের নাম, লোগো যদি ভুয়া হতে পারে তাহলে বাংলাদেশে আইডি কার্ডও ভুয়া হতে পারে। পুলিশ কেন বিকল্প আই ডি প্রদর্শন করার পরও ঐ মহিলা ডাক্তারকে এভাবে চার্জ করবে। পুলিশের একজন কনস্টেবল করলে এক কথা। কিন্তু সেখানে একজন বিসিএস পাস করা ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশের একজন ইন্সপেকর ছিলেন। পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট যদি মেধাবী হতো তাহলে পানি এতো ঘোলা করার আগেই ওনাকে ছেড়ে দিত। আর মহিলা যদি আইন ভেঙ্গেই থাকেন তাহলে পুলিশ কেন শেষ পর্যন্ত ওনাকে ছেড়ে দিল। পুলিশের উচিত ছিল ওনাকে জরিমান করে নজির সৃষ্টি করা। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ ওনাকে শাস্তি না দিয়ে ছেড়ে দিল কেন। একজন আম জনতা হলে তাকে ছাড়া হতো। তারমানে বাংলাদেশে আপনাকে জোর খাটিয়ে আইনের হাত থেকে বাঁচতে হবে। মহিলা নমনীয় হলে ওনাকে আরও ভোগান্তি পোহাতে হতো। পুলিশ আর ম্যাজিস্ট্রেটের আচরণ পরে কেন পরিবর্তন হোল। আম জনতা হলে এই পরিবর্তন কি হতো। একটা কথা আছে 'যশ্মিন দেশে যদাচার'। ঐ ডাক্তার মহিলা তাই করেছেন। উন্নত বিশ্বের সাথে বাংলাদেশের মিলবে না। মোবাইল কোর্টে ম্যাজিস্ট্রেট অনেক কিছু নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। কিন্তু ঐ ম্যাজিস্ট্রেট অদক্ষ ছিল বলে সে পানি ঘোলা করে পরিস্থিতি খারাপ করেছে। পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটের আরও ট্রেনিং প্রয়োজন। ঐ মহিলা ডাক্তারের বয়স ও পদবিও খেয়াল করা উচিত ছিল। উনি একজন জয়েন্ট সেক্রেটারি পর্যায়ের কর্মকর্তা। ওনার সাথে এতো বাড়াবাড়ি পুলিশ কেন করলো। মহিলা উত্তেজিত হয়ে অনেক অদরকারী কথা বলেছেন। উত্তেজিত হলে আমরা সবাইই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলি।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:২৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: ব্লগার চাঁদগাজীর কথা ধার করে বলতে চাই, খুব সম্ভবত ওই বিসিএস পাস ম্যাজিস্ট্রেট ফাশ করা প্রশ্নপত্র নিয়ে পরীক্ষা দিয়ে আজকের অবস্থানে এসেছে। সোজা পথে ম্যজিস্ট্রেট হলে এতটা আনপ্রফেশনাল আচরন করতে পারতো না।

১১| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:১৯

সোহানী বলেছেন: জুন আপু, এরকম কিছু ঘটনার জন্য তাদের কঠোর পরিশ্রম এ ভয়াবহ সময়ে অস্বীকার করছি আমরা। তাদের যে অমানুষিক পরিশ্রম তা আমি খুব কাছ থেকে দেখছি। শুধু ট্রিটমেন্টই নয় যে মানসিক চাপের মাঝে ওরা আছে তা বলে বোঝানো যাবে না। অক্সিজেন এর অভাব, বেডের অভাব, চিকিৎসকের অভাব তাদেরকে মানসিকভাবে বিদ্ধস্ত করে দিচ্ছে। ওদের সামনে একের পর এক মৃত্যুু ওরা সহ্য করতে পারছে না। সে কষ্টটা আমরা দেখছি যারা প্রতিদিন তাদের সাথে চলছি।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:২৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: জুন আপু শাহেদ সাব্রিনার সাথে ঘটনাটা গুলায়ে ফেলেছে। শাহ্রদ সাব্রিনার মত অসৎ , লোভী ডাক্তার যেমন আছে তেমনি এই সংকটকালে নিজের জীবন বাজি রেখে রোগীদের নিরলস সেবা দেয়া ডাক্তারও আছে। আমাদের মত দেশে যেখানে উন্নত চিকিতসা ব্যবস্থা নাই তারপরেও প্রচুর মানুষ করোনাকে জয় করে সুস্থ হচ্ছে দেশীয় ডাক্তারদের চিকিতসা সেবা পেয়েই।

১২| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৩৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: ফেনীর ছেলেটাকে ভালো মানুষ পাগল বানিয়ে ছাড়তে হলো কারণ সে সরকারী দলের

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৩৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: এইটা আবার কোন ঘটনা? আইনশৃংখলা বাহীনির কাজকারবার দেখলে মনে হয় মগের মুল্লুকে আছি।

১৩| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৪৭

জুন বলেছেন: ঢাবিয়ান আমি কিছুর সাথে কিছুই গুলাই নাই।
আমি বলতে চাচ্ছি আইন অমান্য করার প্রবনতা আমাদের আপামর সবার মাঝে প্রকট।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৯:৫৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপু ওই ডাক্তার মহিলা কোন আইন অমান্য করে নাই। মুভমেন্ট পাস কোন আইন নয়। সাথে না আনার ভুল হতেই পারে। তাই বলে এভাবে হ্যরাস্মেন্ট কোন অবস্থাতেই গ্রহনযোগ্য নয়। আমাদের আইন শৃংখলা বাহিনী যেখানে প্রয়োজন সেখানে আইনের বা নিয়মের প্রয়োগ করে না।এই ঘটনাকে প্রশ্রয় দেয়া হলে অযথাই পুলিশকে বেজায়গায় ক্ষমতার দাপট দেখানোর প্রক্রিয়াকে সাধুবাদ জানানো হবে।

১৪| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:২১

সভ্য বলেছেন: সব কথার শেষ কথা এই যে সব দোষ কিন্তু আমাদের ও যেমন আছে তেমনি নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশের ও আছে.এটা নুতন কথা নয় যে আমরা কিছুদিন আগেও আইন না মানার রের্কড করেছি.মাস্ক লাগাচ্ছি না।বার বার বলা হচ্ছিলো মাস্ক পড়ুন, আমি মনে পিটানো দরকার, মাস্ক ছাড়া বের হলে এবং কেনো বের হয়েছে সে কারণ বলতে না পারলে ফাইন টাইন না, জাষ্ট মাইর, কারণ কথায় আছে মাইরের উপরে আর কোনো ঔষুধ নাই।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১০:০০

ঢাবিয়ান বলেছেন: সেটাই যেখানে দরকার সেখানে পুলিশ কোন ব্যবস্থাই নিচ্ছে না। এখনো রাস্তা ঘাটে, কর্মক্ষেত্রে মাস্ক ছাড়া প্রচুর মানুষ ঘুরে বেড়াচ্ছে।

১৫| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:২৪

আমি সাজিদ বলেছেন: রিজেন্টের শাহেদ ডাক্তার ছিল না। এমন অবৈধ ব্যবসায়ীরা প্রাইভেট ক্লিনিক হস্পিটাল খুলে কতো ডাক্তারদের পকেটে রাখে। আর ডাক্তারকে যদি আগে ভ্যাক্সিন না দিত ব্লগে বলা হতো রোগী ফেলে ডাক্তার লাইনে দাঁড়িয়েছে, ফাঁকি দিচ্ছে :P

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১০:০৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: যাক ফিরা আসছেন দেখে খুশি হলাম। ডাক্তার হিসেবে করোনার লড়াই নিয়ে পোস্ট দিন।

১৬| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:২৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: প্রফেশনালিজম? এইটা আবার কি জিনিস......খায় না পিন্দে? তাও বাংলাদেশে? ;)

আমাদের পুলিশদের মতো ফাউল পুলিশ এই দুনিয়াতে নাই। আর ডাক্তারদের কথা আর কি বলবো! যাইহোক, একজন সিনিয়র ডাক্তারের এই রকমের ভাষা যেমন কাম্য না, তেমনি পুলিশের ফুলিশ হওয়াও কাম্য না।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১০:০৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: সোহানী আপু উপড়ে কি কইসে একটু শুনেন। দিনরাত করোনার রোগীদের যারা চিকিতসা সেবা দিচ্ছে তাদের শারিরীক ও মানসিক অবস্থার কথা আমরা এতটূকু চিন্তা করতে চাই না। পুলিশ যেই ধরনের অযৌক্তিক ও আনপ্রফেশনাল আচরন করেছে, ডাক্তার মহিলার উত্তেজিত হয়ে হিতাহিত জ্ঞান হারানোর জন্য তাকে দোষ দেয়া যায় না।

১৭| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:২৯

আমি নই বলেছেন: ঘটনাটা দৃষ্টিকটু হলেও দরকার ছিল, সাধারন মানুষের পক্ষে এভাবে প্রতিবাদ কখনই সম্ভব ছিলনা। আর ঐ মহিলা যদি অপরাধীই হবে তাহলে এত জল ঘোলা করার পরেও ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব ছেরে দিলেন কেন?

তবে একটু মজাও পাইছি, সবাই মুক্তিযোদ্ধার সন্তান...

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১০:১৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: পুলিশের আচরন মনে হচ্ছে ডাক্তার মহিলা ভয়ঙ্কর কোন অপরাধ করেছে। অথচ আসল অপরাধীদের সাথে আমাদের পুলিশের আচরন যে কি ধরনের হয় তা -------

১৮| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৩৭

শাহ আজিজ বলেছেন: হারামজাদা গাল দেওয়ার পর মহিলার কুইক ট্রায়ালে ১ মাস জেল না দেওয়ার ব্যার্থতা পুলিশের । আমি হলে দিতাম ।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১০:১৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: দিতেই পারেন। কারন দেশটা বাংলাদেশ।

১৯| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:৪৭

ওমেরা বলেছেন: ভাইয়া আমাদের দেশে কেউই ভালো।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপু, বেশিরভাগ মানুষই ভাল।। আসলে খারাপ কাজকে এদেশের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে উতসাহ দেয়া হয়। মুল সমস্য সেখানে।

২০| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১২:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্ট এবং সকলের মন্তব্য গুলো ভালো লেগেছে।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনে কবে পোস্ট এর বিষয়ে প্রাসঙ্গিক কমেন্ট করা শিখবেন?

২১| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১২:২৬

সিগনেচার নসিব বলেছেন: সাধারণ আইন ঠিকমতো বাস্তবায়ন হলেও এসব ঘটনা অনেক কমে যেত। দেশের আইন- শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর জবাবদিহিতা নেই ! আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে বুদ্ধি বিবেচনা বাসায় রেখে আসলে এমন কমেডি চলতেই থাকবে। সিস্টেমের গোড়ায় গলদ।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৩০

ঢাবিয়ান বলেছেন: একেবারে সঠিক চিত্র তুলে ধরেছেন তিন লাইনে।

২২| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১২:৩৭

আমি সাজিদ বলেছেন: প্রথমত আইনত মুভমেন্ট পাসের কোন ভিত্তি নেই। এর জন্য জরিমানারও কোন ভিত্তি নেই। এখন দেখি হারামজাদা বলার জন্যও জেল দিতে চান অনেক সহ ব্লগার, তাও এক মাসের জন্য। কিছু বিষয়ে আমাদের চিন্তা নিরপেক্ষ হচ্ছে না। যে ক্ষমতার দম্ভ নিয়ে আমরা এই ডাক্তার পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটকে দোষ দিচ্ছি, একই ধরনের ক্ষমতার প্রয়োগ করে তাদের শাস্তি দেওয়ার চিন্তাও আমাদের চিন্তায় ও মন্তব্যে ফুটে উঠছে। আশা করি সব পেশাজীবিরাই সহনশীল হবেন।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৩৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: অবাক হবেন না। যারা পুলিশের চুরান্ত আনপ্রফেশনাল ও বাজে আচরনের দিকে এতটুকু দৃষ্টিপাত না করে ওই ডাক্তার মহিলার বিচার চাইছেন, এই তারাই যখন একদিন এই দেশের দুই নাম্বারি পুলিশিের কঠিন প্যাচে পড়বে সেদিন আবার উল্টো সুরে গান গাইবে। আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ নিজের ওপড় সমস্যা না এসে পড়লে তার গুরুত্ব বুঝতে পারে না।

২৩| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:১২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
কেউ আইনের উর্ধে না।
উনি প্রতিষ্ঠানিক আইডি এমনকি আইডি ন্যাশনাল আইডি কার্ডও দেখাতে পারেনি, বা থাকলেও দেখাতে চাননি দাম্ভিকতা দেখাতে।

বাংলাদেশের অনেক মানুষ প্রতারনার আশ্রয় নেয় । সাদা এপ্রন দোকানেই পাওয়া যায়, ১০ বছরের পুরানো প্রেসক্রিপশন নিয়ে বলছে ঔষধ কিনতে যাই, এম্বুলেন্সে যাত্রী নেয়া হয় .. . না না প্রতারনা।

আমার মতামত - শাহ আজিজ ভাই দিয়ে দিয়েছে কর্তব্যরত পুলিশ ও ম্যাজিষ্ট্রেটকে 'হারামজাদা' গাল দেওয়ার অপরাধে মহিলার কুইক ট্রায়ালে ১ মাস জেল না দেওয়ার ব্যার্থতা পুলিশের । আমি হলে দিতাম ।

ওনাকে তো মারধর করেনি, হাতকড়া লাগায়নি।- এরপরও গালাগাল করা।
আমেরিকায় পুলিশের সাথে আইডি না দেখিয়ে অসহযোগিতা করলে, হাতপা ছুড়ে তর্ক করলে পুলিশ কম সংখায় থাকলে বিনা দ্বিধায় গুলি করে। ডাইরেক্ট ফায়ার। পুলিশ পর্যাপ্ত (৩-৪ জন) থাকলে পিটিয়ে শুইয়ে হাতকড়া লাগায়।
এই ২০২০ সালে আমেরিকায় পুলিশের হাতে হাজারের উপর মারা গেছে, বেশিরভাগই গুলিতে।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫১

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনার ভাষ্যমতে ওই মহিলা মুভমেন্ট পাস না দেখিয়ে অসহযোগিতার কারনে কারনে তাকে গুলি করার অধিকার পুলিশের আছে?

২৪| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:৩৯

আমি সাজিদ বলেছেন: হাসান ভাই উনাকে দেখতে কি চোর ডাকাত মনে হয়? এরপর উনার গাড়িতে বিএসএমএমইউর স্টিকার ছিল, উনার বিএসএমএমইউ এর পাস ছিল। এরপরও বিশ্বাস না হলে, উনি ডাক্তার কিনা সেটা ক্রসচেক করার জন্য বিএমডিসির ওয়েবসাইটে ঢুকে উনার রেজিঃ নম্বর দিয়ে সব যাচাই করা যেত৷ একটা মানুষ কখন এমন আচরণ করে? নিশ্চয়ই গাড়িতে বসা অবস্থায় কিছু বলা হয়েছে যার পরিপ্রেক্ষিতে এমন ঘটনা ঘটেছে। আমি এরপর মহিলা ডাক্তারকেও দোষ দিব উনি প্রয়োজনের চেয়ে বেশী বলে ফেলেছেন। আপনি ঘটনাটা অন্যভাবে দেখুন, যার এই মহিলা ডাক্তারের মতোন এমন জ্যাক নেই বা বড় পরিচয় নেই, তিনি এই অবস্থায় হলে পুলিশের দুই একটা কটু কথা শুনে নিশ্চয়ই ওখান থেকে যেতেন, এর আগে ডাক্তার ব্যাংকার নিরীহ কয়েকজনকে জরিমানা করেছে, যেখানে ডাক্তার থেকে শুরু করে নগরের রাস্তা পরিষ্কার করার লোক পরযন্ত সবাইকে পাস ছাড়াই মুভমেন্ট করতে দেওয়া উচিত৷

আমার আপনার সেই পোস্টটির কথা মনে পড়ে হাসান ভাই৷ নিশ্চয়ই মেজর সিনহা মেরিন ড্রাইভে এই ভদ্রমহিলার মতো আচরন করেছিল, তাই না? আপনি সেই গুলি করাকেও সঠিক বলেছিলেন সে সময়।


আমেরিকায় আমারও বন্ধু বান্ধব বা লতায় পাতায় লোকজন থাকে। আপনার কথা সত্যি হলে সেখানে কথায় কথায় পুলিশ গুলি করে। আমি যা বিশ্বাস করি না। সেদিনও টিজার গানের বদলে রিভালবারে শুট করায় এক টিনেজার মারা গেল, দুই দশক ধরে চাকরি করা পুলিশ অফিসারটার ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেল। যারা পুলিশের হাতে সেখানে মারা গেছেন এদের মধ্যে কতোজন বন্দুকবাজি করছিলেন আর কতোজন আইডি কার্ডের জন্য বা একটা বাজে শব্দের জন্য গুলি খেয়েছেন?

হাসান ভাই, আপনার মতামত এরচেয়েও নিরপেক্ষ ও সঠিক হবে আমি আশা করি।

ব্লগে এই ঘটনায় অনেকে শুধু এক পক্ষকে দোষ দিচ্ছেন। বিষয়টা কিছুটা দৃষ্টিকটু।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: কেন শুধুশুধু উলবনে মুক্তা ছড়াচ্ছেন? ব্লগার কাল্ববৈশাখির মতে মেজর সিনহা অপরাধি, ওই ডাক্তার মহিলা বিড়াট অপরাধী। গুলি করে তাদের মারাই যায়। এতবড় স্টেটমেন্ট এর পর আর কি বলার থাকতে পারে?

২৫| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:৪৮

জিকোব্লগ বলেছেন:



যেসব ব্লগার হারামজাদা বলার জন্যও জেল দিতে চান,
তাদের কে বলি, পুলিশ সবাইকে তুই হারামজাদা করে
বলে বেড়াবে এটা তাদের জাতীয় অধিকার আর পুলিশকে
তুই হারামজাদা বলাতে আপনাদের খুব গায়ে লেগে গেছে।
যে পুলিশ সারাজীবন অন্যকে তুই তুকারি বলে আজ পুলিশ
নিজে সেই সম্মানে ভূষিত হয়ে মনঃকষ্ট পেয়েছে । পুলিশ
যখন তার বাবার দাদার বয়সের গরিব লোককে তুই তুকারি
হারামজাদা বলে তখন আপনারা কোথায় থাকেন ?

এক পুলিশ বললো, কত পাপিয়া আইলো গেলো। বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সহযোগী
অধ্যাপককে পাপিয়ার সাথে তুলনা করার জন্য পুলিশের
কানের গোড়ায় দুটা চর মেরে দিলে আরো বেশি ভালো হত।

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:২১

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমরা হলাম সেই দেশের মানুষ যেখানে জীবনে সফল উদ্দ্বল মানুষের দুর্দশা দেখলে আনন্দে অভিভুত হয়ে পড়ি। ওই ডাক্তার মহিলার জেল না দিয়ে পুলিশ কত যে মানুষের আনন্দ হারাম করল!!

২৬| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৩:৪৯

মাকার মাহিতা বলেছেন: আমার বাবা একজন মুক্তিযুদ্ধা।

২৭| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৬:০৪

মেহবুবা বলেছেন: অনেক কিছু বলবার ইচ্ছে হচ্ছে, বলছি না।
চিকিৎসক কে পথ আটকে verify করবার উদ্যোগ দেখে মুগ্ধ হই, যখন রাস্তা ঘাট lock down এ জন মানব শূন্য !!!
উনি যেই হন না কেন গাড়ী ভর্তি করে আর এপ্রোনের পকেট ভর্তি করে করোনা ভাইরাস বহন করে রাস্তায় ছড়িয়ে দিচ্ছেন এই সন্দেহ থেকে ওনাকে এত জন পুলিশ এবং সেই সাথে ম্যাজিসেট্রট ঘিরে দাড়িয়েছিলেন এবং যাচাই করতে চাইছিলেন!
কি যাচাই হচ্ছিল সেটা আংশিক ভিডিও দেখে এবং শুনে বোধগম্য হলো না।

সোহানী, জিকো ব্লগ কে এবং ঢাবিয়ান কে ধন্যবাদ এবং পরিশেষে বলতে চাই যে কথা সে কথা বলে কোন লাভ নাই, তাই বলছি না।
তার চেয়ে ছোট্ট একটা গটনা :
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাকা ওবামা ওনার শাসনামলে একবার অসুস্থ হলেন, আমার কন্যা বলল, "দেখ আম্মু ওবামা কত ক্ষমতাবান অথচ এখন অসুস্থ অবস্থায় ওনার কাছে ডাক্তারকে next to God মনে হচ্ছে তাই না !"
আমার মেয়ে তখন অনেক ছোট ছিল তাই এমনটি বলতেই পারে!

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:২৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ । এই দেশ সাগর রুনী মত আরো হাজারো খুনের আসামী্রা হাওয়া খেয়ে বেড়ায় আর আর খেটে খাওয়া মানুষের পান থেকে চুম খসলে সেটা অপরাধ হিসেবে হাইলাইট হয়।

২৮| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১০:১২

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: যারা সত্যিকার প্রয়োজনেই বের হয় পুলিশ শুধু তাদেরকেই দেখে এছাড়া যারা অপ্রয়োজনে এই লকডাউনে রাস্তায় জ্যাম সৃষ্টি করছে তাদেরকে দেখেনা এটাই বাংলাদেশ!!

২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:২৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: সেটাই

২৯| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১০:২০

শাহ আজিজ বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী সঠিক বলেছেন । আমেরিকায় এরকম আচরনে টেনে হিঁচড়ে হ্যান্ড কাফ লাগিয়ে তারপর বাতচিত । মহিলার আচরন নমনীয় হলে ব্যাপারটা ওখানে শেষ হতো । আল্লাই জানে বীরবিক্রমের মাইয়া তার ঘরের ব্যাডারে কি ধোলাই না দেয় ।

৩০| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১২:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। সবার মন্তব্য গুলোতে চোখ বুলাতে।

৩১| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ২:২৫

নতুন বলেছেন: আমাদের পুলিশের সমস্যা আছে তারা বিষয়টা ঠিক মতন হ্যান্ডল করেনাই।

কিন্তু ঐ ডাক্তার ও অহংকারী, দাম্ভক তাই তিনিও তার আচরন করেনাই।

দেশে আমাকে চেনস এটা তো খুবই কমন একটা ডাইলোগ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.