নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

পাসপোর্ট থেকে ইসরাইল বাদ

২৬ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৪০

ব্লগে ইসরাইল নামক একটি টেররিস্ট দেশ এর এর তাবেদারির পক্ষে পোস্ট এবং কমেন্ট এর ফ্লাডিং চলছে।এসব পোস্ট এবং কমেন্ট দেখে বোঝার উপায় নাই যে বাংলাদেশ একটি মুসলিম দেশ । এক ব্লগার বলেছেন যে ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্থাপিত হলে বাংলাদেশী শ্রমিকরা সেখানে কাজ পাবে!! আরেক ব্লগার দাবী করেছেন যে মধ্যপ্রাচ্যের বেশিরভাগ দেশেরই নাকি ইসরাইলের সাথে কুটনৈতিক সম্পর্ক আছে!!! আরেক ব্লগার ফিলিস্তিনীদের উদ্বাস্তু , গুন্ডা বলে অভিহিত করেছেন। যারা ইসরাইলের পক্ষে লেখালেখি করেন তারা খুব সম্ভবত সংবাদপত্র পড়েন না। ঠিক কি উদ্দেশ্যে এবং কেন তারা ইসরাইল এর পক্ষে লেখেন বোধগম্য নয়। অবস্য ব্লগার জটিল ভাই বলেছেন: আপনার পোস্ট পড়ে শুধু এটাই বলবো, যাদের কথা আপনি উল্লেখ করছেন আমার মনে হয়না তারা ফিলিস্তিন বা ইজরাঈলের প্রতি ভালবাসা/বিরোধীতা হতে এমনটা করছে। আমার মনে হচ্ছে এর মূলে রয়েছে গাজাপ্রেম। =p~ আর সেখানে গাজা অবস্থিত তা আপনার পোস্টেও বলা রয়েছে।

ইসরাইল এর সাথে যে সব দেশের কুটনৈতিক সম্পর্ক নাই , সেই দেশগুলো হচ্ছে -
[sb]UN member states that do not have relations with Israel include Algeria, Comoros, Djibouti, Iraq, Kuwait, Lebanon, Libya, Mauritania, Oman, Qatar, Saudi Arabia, Somalia, Syria, Tunisia and Yemen, as well as 10 members of the Organisation of Islamic Cooperation (Afghanistan, Bangladesh, Brunei, Indonesia, Iran, Malaysia, Maldives, Mali, Niger and Pakistan), as well as Cuba, North Korea and Venezuela.[2]

অতি সম্প্রতি হামলায় গাজা ভূখণ্ডে প্রায় দুই হাজার হাউজিং ইউনিট, ৭৪টি সরকারি ভবন, ৩টি মজসিদ পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। এছাড়াও ১৬৮০০ হাউজিং ইউনিট, ৬৬টি স্কুল, ৪০টি মসজিদ আংশিক ধসে গেছে তাদের বোমার আঘাতে। সেখানকার পুলিশ হেড কোয়ার্টারও ধ্বংস হয়ে গেছে। ১৩ তলাবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক মিডিয়া ভবনটি গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ইন্টারনেট সেবাদানকারী বহুতল ভবনটি বোমা মেরে উড়িয়ে দিয়েছে ইসরাইলি হায়েনারা। গাজা ভূখণ্ডে বিশাল এলাকা পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে। বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছে এক লাখ ২০ হাজার মানুষ। অন্যদিকে ২৫৯ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। যাদের ৬৫ জন শিশু, ৩৯ জন নারী এবং ১৭ জন বয়স্ক মানুষ। সমূলে শেষ করে দেওয়া হয়েছে বহু পরিবারকে। আট হাজার লোক আহত হয়েছেন। হাসপাতালগুলো গুঁড়িয়ে দিয়েছে। ইলেকট্রিক পাওয়ার সিস্টেম ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। [sb ইসরাইলের সাম্প্রতিক ধংসযজ্ঞে সাবেক এক ইসরাইলি সেনা কর্মকর্তা কোনো রাখঢাক ছাড়া স্পষ্টই বলেছেন যে, ইসরাইলের সরকার, তার সেনাবাহিনী এবং সেনা কর্মকর্তারা যুদ্ধাপরাধী। তাদের বিচার হওয়া উচিত।
সুত্র ঃ যুগান্তর

ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এখন শুধু মুসলিমরাই নন, মানবতাবাদী ভিন্ন ধর্মের মানুষেরাও সরব। ইসরাইলি সাম্প্রতিক ধংসযজ্ঞের খবরে যখন সারাবিশ্বব্যপী নিন্দার ঝড় উঠেছে, তখন হঠাত করে আমাদের পত্রিকায় খবর আসে যে -বাংলাদেশি পাসপোর্টে ‘ইসরাইল ছাড়া বিশ্বের সব দেশের ক্ষেত্রে বৈধ’ কথাটি আর লেখা থাকছে না। ইসরাইলের গণমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইল ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে বাংলাদেশ। ইসরাইল এই অপ্রত্যাশিত সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। ইসরাইলের জন্য খবরটি অপ্রত্যাশিত, সুখকর এবং চমকপ্রদই বটে! ফিলিস্তিনে তান্ডবলীলা চালানোর এই সময়ে একটি মুসলিম দেশ তাদের সাথে সুসম্পর্ক তৈরী করতে আগ্রহী!!

ঠিক কি কারনে সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা বোধগম্য নয়। ব্লগে ইসরাইল ভ্রমন বা ইসরাইলে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর যে সব আইডিয়াব্যক্ত করা হয়েছে তা কেবল হাস্যকরই নয় , পুরোপুরি আত্মঘাতি। যে কোন মুসলিমেরই ধর্মীয় কারনে জেরুজালেম গেলে আবেগতাড়িত হয়ে পড়া এবং মুসলিমদের দুর্দশা দেখলে ইসরাইলের বিরুদ্ধে অত্যন্ত ক্ষিপ্ত হয়ে পড়া অত্যন্ত স্বাভাবিক। এই অবস্থায় কাজের সন্ধানে যাওয়া বাংলাদেশী শ্রমিকেদের বেশিরভাগেরই হামাসে যোগদান করার সম্ভাবনা প্রবল।আর স্বল্প কিছু ভ্রমন বিলাসিদের জন্য কেন সরকার মুসলিম জাতির শত্রুর সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন করবে?

সরকারের উচিত অবস্থান স্পষ্ট করা। ''আন্তর্জাতিক মানদন্ড বজার রাখার উদ্দেশ্যে '' জাতীয় বায়বীয় বক্তব্য না দিয়ে , সরাসরি বক্তব্য দেয়া ইসরাইল ভ্রমনে নিশেধাজ্ঞা তুলে নেয়া বিষয়ে।

মন্তব্য ৫৬ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৫৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১১

সামছুল মালয়েশিয়া প্রবাসী বলেছেন: ভালো লাগলো, জাযাকাল্লাহ খায়রান।।

২৬ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ

২| ২৬ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বাংলাদেশে সরকার পরিচালিত হয় কিছু ছাগল (আমলা) আর কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব (পাগল) দ্বারা। এদের কাছ থেকে আপনে কি আশা করেন? নাজিরশাইল চাউল থেকে কাটারীভোগের স্বাদ-গন্ধ আশা করলে দোষ কার? নাজিরশাইলের নাকি যে আশা করলো, তার? ;)

আর যে সকল মানুষ 'ক' শুইনাই সেইটারে ''কলিমুদ্দি'' ধইরা নিয়া লাফায়, তাগো পিছে সময় নষ্ট করেন ক্যান? সময়ের মুল্য দিতে কবে শিখবেন? B:-)

২৬ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: কি করুম? কিছু পোস্ট এবং কমেন্ট পড়লে মেজাজ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

৩| ২৬ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৩৪

জটিল ভাই বলেছেন:
আপনার পোস্ট পড়ে শুধু এটাই বলবো, যাদের কথা আপনি উল্লেখ করছেন আমার মনে হয়না তারা ফিলিস্তিন বা ইজরাঈলের প্রতি ভালবাসা/বিরোধীতা হতে এমনটা করছে। আমার মনে হচ্ছে এর মূলে রয়েছে গাজাপ্রেম। আর সেখানে গাজা অবস্থিত তা আপনার পোস্টেও বলা রয়েছে।

২৬ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: হাসতে হাসতে পড়ে গেলাম কমেন্ট পড়ে। যাই হোক আপনার এই দারুন কমেন্টটা পোস্টে সংযুক্ত না করে পারছি না। :)

৪| ২৬ শে মে, ২০২১ রাত ৮:০৯

কামাল১৮ বলেছেন: ভূমধ্যসাগরে কতো বাঙ্গালী ডুবে মরেছে টাকার সন্ধানে গিয়ে।ইসরাইলেও টাকার সন্ধান পেলে বাঙ্গালী ঠিকই যেয়ে হাজির হবে।

২৬ শে মে, ২০২১ রাত ৮:৩০

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনার আগের নিক কি মডু ব্যান করসে? দরিদ্র বাগালীদের নিয়ে দয়া করে উপহাস করবেন না।

৫| ২৬ শে মে, ২০২১ রাত ৮:১৬

জুন বলেছেন: আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছে যারা ইসরায়েল বেড়াইতে যাবে তাদের শাস্তি দেয়া হবে। কি ডিপ্লোম্যাসি আমাদের!! পাসপোর্ট এ ইসরায়েল যাওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ে হলো আর কেউ গেলে তার জন্য শাস্তির ব্যবস্থা। মনে হয় বিডি সরকার আমাদের আক্কেলের উপর বিষয়টি ছেড়ে দিয়েছে, দেখবে এই স্বাধীনতা পেয়ে আমরা বাংলাদেশী জনগণ কি করি :||

২৬ শে মে, ২০২১ রাত ৮:৩৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: জুন আপু, কেমন আছেন? বড় ভাল লাগলো ব্লগে আপনাকে দেখে।

আমাগো বিডি সরকার বরাবরই জনগনরে নিয়ে তামাশা করতে পছন্দ করে। যাওয়ার রাস্তা খুইলা কয় , গেলে শাস্তি :)

৬| ২৬ শে মে, ২০২১ রাত ৮:২২

পদ্মপুকুর বলেছেন: জুন বলেছেন: আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছে যারা ইসরায়েল বেড়াইতে যাবে তাদের শাস্তি দেয়া হবে। কি ডিপ্লোম্যাসি আমাদের!! পাসপোর্ট এ ইসরায়েল যাওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ে হলো আর কেউ গেলে তার জন্য শাস্তির ব্যবস্থা। মনে হয় বিডি সরকার আমাদের আক্কেলের উপর বিষয়টি ছেড়ে দিয়েছে, দেখবে এই স্বাধীনতা পেয়ে আমরা বাংলাদেশী জনগণ কি করি :||


এ কারণেই তো দেখবেন এদেশে রিকশা বা অটোরিকশার পেছনে লেখা থাকে- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আদালতের নাম বিবেক!!!

২৬ শে মে, ২০২১ রাত ৮:৩৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: বিবেক আবার কিডা? কোন জেলায় থাকে?

৭| ২৬ শে মে, ২০২১ রাত ৯:৫৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



পৃথিবীর কোন ধনী দেশে বাংগালী কাজ করছে না? চিটাগং থেকে ট্রলারে মালয়েশিয়া যেতে ও নৌকায় গ্রীক যেতে বাংগালীরা কার পারমিশন নিয়ে যায়?

২৬ শে মে, ২০২১ রাত ১০:০৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: দারিদ্রতার কারনে কাজ পেতে বাঙ্গালী সব দেশেই যেতে রাজী। চিটাগং থেকে ট্রলারে মালয়েশিয়া ও নৌকায় গ্রীক যায়, এখন ইসরাইলও যাবে।

৮| ২৬ শে মে, ২০২১ রাত ১০:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:



লেখক বলেছেন: দারিদ্রতার কারনে কাজ পেতে বাঙ্গালী সব দেশেই যেতে রাজী। চিটাগং থেকে ট্রলারে মালয়েশিয়া ও নৌকায় গ্রীক যায়, এখন ইসরাইলও যাবে।

-আমি ভাবছি, মানুষ ইসরায়েলও যাবে; বিশেষ করে যারা মিশরে, লেবাননে ও জর্ডানে কাজ করেন, তারা ইসরায়েল যেতে পারেন।

৯| ২৬ শে মে, ২০২১ রাত ১০:২৭

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আপনি যেই দেশে থাকেন সেই সিঙ্গাপুরে ইজরায়েলের দূতাবাস আছে।
আপনি কি কোন ইসরাইলি ইহুদির সাথে কথা বলেছেন কখনো?

২৬ শে মে, ২০২১ রাত ১০:৫৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: সিঙ্গাপুর মুসলিম দেশ নয়। তাই এখানে ইজরায়েলের দূতাবাস আছে। একজন ব্যক্তি ইহুদির সাথে আমার কোন দ্বন্দ নাই, একত্রে কাজ করতেও সমস্যা নাই। কিছু লজিকাল জিনিষ বুঝতে না পারাটা বোকামির লক্ষন। আরো বোকামি কাউকে অন্ধভাবে অনুসরন করা।

১০| ২৬ শে মে, ২০২১ রাত ১১:৪০

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: ইসলাম ও কোরআনের মতে ইসরাইলিরা অকৃতজ্ঞ ও অভিশপ্ত জাতী। এবংতার প্রমাণ তারা প্রতিনিয়তোই দিয়ে যাচ্ছে।
আল্লাহ এই জাতীকে সবচেয়ে বেশী নেয়ামত দান করেছিলেন, তাদের জন্য বেহেস্তী খাবারের ব্যবস্থা করেছিলো। সেই বেহেস্তী খাবার বাদ দিয়ে তারা আদা-রসুন-পেঁয়াজের জন্য আবদার করেছিলো। (যারা ইসলাম ও কোরআন মানতে নারাজ তাদের জন্য এই মন্তব্য নয়।) এদের কাছ থেকে খুব ভালো কিছু আশা করা যায় না।

২৭ শে মে, ২০২১ সকাল ৮:১১

ঢাবিয়ান বলেছেন: ইহুদি পুরো জাতি খারাপ নয়। ভাল মানুষ সেখানেও আছে , তবে খারাপদের হাতে ক্ষমতা ।

১১| ২৬ শে মে, ২০২১ রাত ১১:৪৪

ডার্ক ম্যান বলেছেন: ইসরায়েলের সাথে সৌদি আরব আমিরাতের সম্পর্ক আপনি কিভাবে দেখেন?

২৭ শে মে, ২০২১ সকাল ৮:১৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: সোদি, আমিরাত ইত্যাদি দেশগুলোতে ইসরাইল ও পশ্চিমাদের তাবেদারি সরকার বসানো। সুতরাং সম্পর্ক কেমন তাতো বোঝাই যায়। এই ধনী মুসলিম দেশগুলোর তাবেদারী সরকারগুলোর নিরাবতার জন্যইতো মধ্যপ্রাচ্যে এত অশান্তি।

১২| ২৭ শে মে, ২০২১ রাত ১২:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্ট এবং মম্নতব্য গুলো পড়লাম।

ভালো থাকুন।

২৭ শে মে, ২০২১ সকাল ৮:১৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ

১৩| ২৭ শে মে, ২০২১ রাত ৩:২৪

মা.হাসান বলেছেন: ইজরায়েলে বাংলাদেশের নাগরিকদের কাজ করার তেমন একটা সম্ভাবনা দেখি না। ঘাস (grass) লতাপাতার সাথে ইউরিয়া মিশিয়ে খেলে এরকম চিন্তা হতে পারে। ভুয়া ভাইয়ের শেষ পোস্টে এই কথা বলেছি।

মনে রাখবেন , বাংলাদেশ-ইজরায়েল সম্পর্কের অফিশিয়ালি কোনো উন্নতি হয় নি। গত পঞ্চাশ বছরে যা ছিলো, এখনো অফিশিয়ালি তাই আছে। বাংলাদেশ থেকে গত পঞ্চাশ বছরে কাজের সন্ধানে ইজরায়েলে লোক গেছে এমনটা কখনো শুনি নি। কাজেই আজ হঠাৎ করে এই কথা আসছে কেনো যে বাংলাদেশ থেকে লোক ইজরায়েলে কাজ করতে যাবে?

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে- বিনা অনুমতিতে ইজরায়েলে গেলে শাস্তি পেতে হবে। অর্থাৎ অনুমতি নিয়ে যাওয়া যাবে। অনুমতি নিয়ে কে যাবেন ? জেনারেল আজিজ সাহেব? জানতে মন চায়। ইজরায়েলের সাথে ট্রেড করার মত কিছু নাই। কিছু কৃষি পন্য আছে- যা অত্যধিক দামি। এর বাইর নিবর্তনমূলক কিছু সফটওয়্যার আছে। কিছু বাংলাদেশ সরকার কিনেছে, ভবিষ্যতে হয়তো আরো কিছু কিনবে। সম্ভবত এই কারণেই পাসপোর্ট থেকে ওই শব্দ গুলো তুলে দেওয়া হল।

কেন বাংলাদেশিদের ইজরায়েলে কাজ করা সম্ভব না? ইজরায়েলে বাসকারী আরব ইহুদি এবং অর্থোডক্স ইহুদিরা ওই দেশের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক। ওইসিডি দেশগুলোর মধ্যে পোভার্টি লাইন এর নিচে আছে এমন মানুষের গড় সংখ্যা ১১%, কিন্তু ইজরায়েলে এই সংখ্যা ২১%। অধিকাংশ আরব ইহুদি এবং অর্থোডক্স ইহুদি অত্যন্ত গরীব। এরা লেবার হিসেবে কাজ করে। সব ক্ষমতা ইউরোপীয় এবং আমেরিকান ইহুদিদের হাতে। এরা ধনী এবং বিলাসবহুল জীবনযাপন করে। মুসলিমদের কোন নাগরিক সুবিধা নাই, মুসলিমদের নাগরিক হিসেবে গণ্য করা হয় না। ইজরায়েলের যখন দরকার হয় বিনে পয়সায় মুসলমানদেরকে লেবার হিসেবে ব্যবহার করে। (আরব ইহুদি এবং অর্থডক্স ইহুদিরা কিঞ্চিত ভালো অবস্থানে, যখন তখন গুলি খেয়ে মরতে হয় না)। ইজরায়েল পয়সা খরচ করে বাংলাদেশ থেকে কেন লেবার নিবে?

ট্রলারে করে ভেসে যেয়ে ইজরায়েলে ঢোকা অত্যন্ত কঠিন হবে । ইজরায়েলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত শক্তিশালী। ঐ পথে আফ্রিকান লেবাররা ইজরায়েল যায় এমন ঘটনা শোনা যায় না।

যে সমস্ত ফিলিস্তিনি প্রতিদিন ইজরায়েলে কাজ করতে যায়- প্রতিদিন আইডি কার্ড দেখিয়ে ভেতর ঢুকতে হয় এবং আইডি কার্ড দেখিয়ে বাহিরে আসতে হয়। এই আইডি কার্ড ইজরায়েল সরকার ইস্যু করে। আইডি কার্ড ছাড়া ফিলিস্তিন থেকে ইজরায়েলের ভিতরে ঢোকা সম্ভব না। কাজই ফিলিস্তিন হয়ে ইজরায়েলে ঢোকা সম্ভব না।

আকাশ পথে যাওয়া সম্ভব।

বাংলাদেশি পাসপোর্টে ইজরায়েলের ভিসা পাওয়া সম্ভব। অতীতে কেউ কেউ নিয়েছেন বলে শোনা যায়। এটা একটা এক্সট্রা কাগজে দিয়ে দেওয়া হয় , পাসপোর্ট এর সাথে ভিসা সংযুক্ত থাকে না। সেই হিসেবে টুরিস্ট ভিসায় ইজরায়েলে একবার যেয়ে তার পর ইললিগালি সেখানে থেকে যাওয়া সম্ভব। পূর্ব ইউরোপের বিভিন্ন দেশের অনেকে আছে। স্কুল, হাসপাতাল এসব জায়গায় কাজ করে । এরা লেবার না। পুলিশ এদের নিয়ে তেমন একটা ঝামেলা করে না।

ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে বের হওয়ার সময় ইমিগ্রেশনের লোকেরা প্রথমে পাসপোর্ট এবং ভিসা চেক করে। ইজরায়েলের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশ থেকে ইমিগ্রেশন পার হওয়া সম্ভব না। তৃতীয় দেশের ভিসা লাগবে। তৃতীয় দেশ থেকে ফ্লাই করে ইজরায়েল যাওয়া সম্ভব। বিপদ হবে ফেরার সময়ে। ইসরাইল থেকে দেশে ফেরার সময় তৃতীয় দেশ হয়ে আসতে হবে। এই সময় ইমিগ্রেশনে আটকে দেবে। কোথা থেকে আসছে এই প্রশ্নের জবাব দেবে কি ভাবে? তৃতীয় দেশের ভিসা তো স্বল্প মেয়াদের , ওটা দিয়ে তো দীর্ঘ দিন থেকে কাজ করতে পারার কথা না।

পূর্ব ইউরোপ বা ফিলিপিনোদের জন্য ইজরায়েলি পুলিশ কড়াকড়ি করে না, তাই বলে বাংলাদেশি মুসলিম দের জন্য উদার হবে এটা ভাবা ঠিক হবে না। এদের কাছে মুসলিম মানে টেররিস্ট। শিক্ষিত অমুসলিম বাংলাদেশিরা ইজরায়েলে যেতে পারে। ফেরাটা কঠিন হবে। গত ৫০ বছরে এমনটা হয়েছে শুনি নি। এখন হঠাৎ করে হবার কথা না।

আর ইজরায়েল কি এত বেকুব যে বাংলাদেশের লেবারদের জন্য টুরিস্ট ভিসা ইস্যু করবে?



কেউ কেউ বলেছেন বাংলাদেশের পাসপোর্টে 'এক্সেপ্ট পাকিস্তান' বা 'এক্সেপ্ট বার্মা' লেখা নাই। কাজেই 'এক্সেপ্ট ইজরায়েল' লেখার যুক্তি নাই।
বড় অদ্ভুত কথা।
কেন 'এক্সেপ্ট ইজরায়েল' লেখা হয় সেই জিনিসটা বুঝলে এই ধরণের অদ্ভুত কথা ওনারা বলতেন না।

ইজরায়েল নামের দেশটাকে বাংলাদেশে অবৈধ দেশ হিসেবে গণ্য করে। এটা একটা জবরদখলকারী রাষ্ট্র।

আমার বাপ দাদার ভিটা যদি গ্রামের মাতব্বররা দখল করে নেয় , এবং আমাকে বলে এটার প্রতিবাদ করলে মামলা দিয়ে জেলে ঢুকায় দেবে, তাহলে কেমন হবে? এই ঘটনা ঘটছে প্যালেস্টাইনে।

পাকিস্তান, বা বার্মা বা চীন অবৈধ কোন স্টেট না। ওখানে মানবাধিকার অনেক লঙ্ঘিত হচ্ছে। কিন্তু জবরদখল করে তারা কোন স্টেট তৈরি করে নাই। ঐ সমস্ত জায়গায় যে অন্যায় হচ্ছে সে অন্যায়ের আমরা প্রতিবাদ করি, কিন্তু পাকিস্তান বা বার্মা বা চীনের সভেরেইনটি বিষয়ে আমাদের কোনো প্রশ্ন নেই। ইজরায়েললের সভেরিনিটির বিষয়ে আমাদের প্রশ্ন আছে।

যে দেশকে আমরা স্বীকার করি না, তার সঙ্গে পাকিস্তান বা চীন বা বারমার তুলনা করা যায় না।

নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশের একটি জাতীয় পত্রিকায় কিছু দালালের নাম প্রকাশ করে উল্লেখ করে ছিল যে এরা নিয়মিত র এর কাছ থেকে মাসোহারা পান। এখন দেখা যাচ্ছে মোসাদের কাছ থেকে মাসোহারা পায় বাংলাভাষি এমন লোকও আছে।

২৭ শে মে, ২০২১ সকাল ৮:২১

ঢাবিয়ান বলেছেন: এই যে কমেন্টটা লিখলেন এইটাইতো আস্ত একটা পোস্ট। এইটা কি পোস্ট হিসেবে দেয়া যায় না ? কত কিছু আলোচনা করার আছে ব্লগারদের এমন একটা পোস্টে। কমেন্টটা পোস্ট হিসেবে দিন প্লিজ । সকল ব্লগারদের কমেন্ট করার সুযোগ দিন। ইউরিয়া মিশিয়ে ঘাস ভক্ষনকারীদের বিরুদ্ধে এমন পোস্টের বড় প্রয়োজন ব্লগে।

১৪| ২৭ শে মে, ২০২১ ভোর ৫:৪৮

নেওয়াজ আলি বলেছেন: যারা সরকার তথা আওয়ামী লীগকে পছন্দ করে তারা কাজটা সঠিক তা প্রমাণে ব্যস্ত

২৭ শে মে, ২০২১ সকাল ৮:২২

ঢাবিয়ান বলেছেন: এটাই মুল কারন। দলের তাবেদারী।

১৫| ২৭ শে মে, ২০২১ ভোর ৬:০৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: সিঙ্গাপুর মুসলিম দেশ নয়। তাই এখানে ইজরায়েলের দূতাবাস আছে। একজন ব্যক্তি ইহুদির সাথে আমার কোন দ্বন্দ নাই, একত্রে কাজ করতেও সমস্যা নাই। কিছু লজিকাল জিনিষ বুঝতে না পারাটা বোকামির লক্ষন। আরো বোকামি কাউকে অন্ধভাবে অনুসরন করা।

sb]
স্যার, মিশর, তুরস্ক, জর্ডান এগুলো কি মুসলিম দেশ?

২৭ শে মে, ২০২১ সকাল ৮:৫২

ঢাবিয়ান বলেছেন: তুরস্কের কথা আলাদা। কয়েকশ বছরের উসমান সাম্রাজ্য পতনের পর সেখানে পশ্চিমাদের অনুসারী সরকার গঠন হয় । তখন তারা ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়। তুরস্কের বর্তমান সরকারের সাথে ইসরাইলের সম্পর্ক খুবই খারাপ। ফিলিস্তিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মুস্লিম দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সরব তুরস্ক। মিশর, জর্ডানে পশ্চিমাদের তাবেদারী সরকার বসানো। মধ্যপ্রাচ্যের ধর্মীয় দ্বন্দের ইতিহাস হাজার বছরের পুরানো। ধর্মীয় দৃষ্টীকোন বাদ দিলেও দখলদার, সন্ত্রাসি ইসরাইলকে সাপোর্ট করার পেছনে নোংরা স্বার্থ থাকা ছাড়া দ্বীতিয় আর কোন কারন নাই।

১৬| ২৭ শে মে, ২০২১ ভোর ৬:৪৬

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: ফিলিস্তিন রাষ্ট্রদূত তার অবস্থান থেকে যেটা বলেছেন সেটা কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে যেমন ঠিক আছে পররাষ্ট্রমন্তীর বক্তব্যও বাংলাদেশের অবস্থান থেকে সঠিক আছে। যে যার নিজ রাষ্ট্রের স্বার্থ দেখবে এটাই স্বাভাবিক - সেটা যেই দেশই হোক না কেন। কাতার ও সৌদি উভয়েই মুসলিম দেশ হওয়া সত্বেও নিজের স্বার্থ বলি দিয়ে কোনো প্রকার ছাড় দেবে না কেউ কারো জন্য। একই কথা প্রযোজ্য তুরস্কের সাথে সিরিয়ার ক্ষেত্রেও।

বাংলাদেশের সমস্যা হচ্ছে এই দেশে অনেকেই 'বাংলাদেশের দালাল' হওয়ার চাইতে অন্যদেশের দালালিতে অনেকেই বেশি আগ্রহী। এদেশের কেহ কেহ ভারতপন্থী, কেহ পাকি, কেহ সৌদি আবার কেউ ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মতো নিজের দেশের চাইতে অন্য কোনো দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে লম্ফোঝমফ করি। বাংলাদেশের সমস্যা নিয়ে অন্য কোন দেশের নাগরিককে এরকম লম্ফোঝমফ করতে দেখেছেন কখনো ? তুরস্কের, ভারতের বা সৌদি আরবের কাউকে দেখেছেন কখনো বাংলাদেশে বিপুল রোহিঙ্গা শরণার্থী সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে ব্লগ বা মিডিয়া কাঁপিয়ে ফেলতে ?

২৭ শে মে, ২০২১ সকাল ৮:৫১

ঢাবিয়ান বলেছেন: ব্লগ / ফেসবুক মুক্ত আলোচনার প্লাটফর্ম। সমসাময়িক বার্নিং ইস্যূ নিয়ে এখানে আলোচনা হবেই। এটাকে আরেক দেশের দালালি আখ্যা দেয়াটা কোনভাবেই সমর্থন করি না। আমি যে দেশে থাকি সে দেশের বিভিন্ন নিউজ চ্যানেলের ফেসবুক পাব্লিক গ্রপেও চলে মুক্ত আলোচনা। বিভিন্ন জাতি ও ধর্মের মানুষেরা সেসব প্ল্যটফর্মের কমেন্ট সেকশনে নিজস্ব মতামত তুলে ধরে। বার্মার রীহিঙ্গা নির্যাতনের সময়েও , সেই সব নিউজ এর কমেন্ট সেকশনে বিভিন্ন জাতির মানুষকে দেখেছিলাম বার্মার জান্তার সরকারের বিরুদ্ধে কমেন্টের ঝড় তুলতে। বর্তমানে সারা বিশ্বের মানুষের এই ইন্টারাকশন খুবই কমন। আপনি সেটা জানেন না জেনে খুবই বিস্ময়বোধ করছি।

১৭| ২৭ শে মে, ২০২১ সকাল ৯:২৮

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: আপনি আমার মন্তব্য না পড়েই এবং না বুঝেই প্রতিমন্তব্য করেছেন দেখে বিস্ময় বোধ করছি !

১৮| ২৭ শে মে, ২০২১ সকাল ১০:৪১

জটিল ভাই বলেছেন:
আমার ক্ষুদ্র কমেন্টকে মর্যাদা দেওয়ায় আপনাকে জানাই আন্তরিক ভালবাসা। আপনার জন্য আমার তরফ হইতে একখানা ক্ষুদ্র উপহার..... :)

২৮ শে মে, ২০২১ সকাল ১১:৪১

ঢাবিয়ান বলেছেন: :)

১৯| ২৭ শে মে, ২০২১ সকাল ১০:৫৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:


ইসরাইল কি পাকিস্তানের চেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে বাংলাদেশের?

পাকিস্তান তো ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে অমানবিক গণহত্যা চালিয়েছিল। তারপরেও বাংলাদেশের সাথে পাকিস্তানের কূটনীতিক সম্পর্ক আছে। পাকিস্তানে আছে বাংলাদেশের ২ টি দূতাবাস।

২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ইস্রায়েল জাতিসংঘের অন্যান্য ১৯৩ সদস্যের মধ্যে ১৬৪ টি দেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

২০| ২৭ শে মে, ২০২১ সকাল ১১:৩১

রানার ব্লগ বলেছেন: ট্রিপিক্যাল বাঙ্গালী আবেগী পোস্ট !!!

ইজরায়েলে ১৮ লাখ খাঁটি ইজরায়েলী মুসলমান বাস করে তাদের জন্য কি বলবেন আপনি ?

২৮ শে মে, ২০২১ সকাল ১১:৫৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: আবেগ বলেন বা মানবিকতা দুই দিক থেকেই ফিলিস্তিনীদের প্রতি পুর্ন সমর্থন। ইজরাইলি মুসলিম ও ফিলিস্তিনীরা সবাই আরব মুসলিম যারা কয়েক শতাব্দি ধরে সেখানেই বাস করছে। তবে ভাগ্যক্রমে বা অন্য আরো অনেক কারনে কিছু আরব মুসলিম নিজ ভুমি থেকে বিতারিত হয়নি। ইতিহাস জানতে চাইলে গুগল করে দেখতে পারেন।

২১| ২৭ শে মে, ২০২১ সকাল ১১:৫০

এ মামুন মুন্না বলেছেন: পোস্টটা পড়ে খুব ভাল লাগলো, ধন্যবাদ ভ্রাতা । মহান আল্লাহ্ সারা বিশ্বের সকল মুসলমানদের হেফাজত করুন ।

২৮ শে মে, ২০২১ সকাল ১১:৫৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ

২২| ২৭ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:১৯

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: লেখক বলেছেন: ইহুদি পুরো জাতি খারাপ নয়। ভাল মানুষ সেখানেও আছে , তবে খারাপদের হাতে ক্ষমতা ।
অবশ্যই -
মুসা আলাইহিস সালাম তার ভাই হারুন আলাইহিস সালাম এরাও বনি ইসরাইল ছিলেন।

২৮ শে মে, ২০২১ দুপুর ১২:০১

ঢাবিয়ান বলেছেন: সেটাই। সব ধর্মেই ভাল মন্দ উভয় প্রকার মানুষই আছে।

২৩| ২৭ শে মে, ২০২১ বিকাল ৪:৫৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ফিলিস্তিনিদের উপর ইসরায়েল যে নৃশংসতা চালাচ্ছে, তা অতি নিষ্ঠুর ও মানবতা পরিপন্থী। খোদ ইসরায়েলের ভেতরেও এ নিয়ে এখন প্রতিবাদ হচ্ছে। মুসলমান না, একজন 'ধর্মহীন' বা নাস্তিক হিসাবেও ইসরায়েলের এই অমানবিক আচরণ সাপোর্ট করা যায় না। এয়ার বোম্বিং করে শিশুসহ মানুষ মারা হচ্ছে, আর ইসরায়েল বলছে- নিজেদের নিরাপত্তার জন্য তারা বোমা হামলা চালাচ্ছে। কতখানি হঠকারী হলে এমন চাতুর্যপূর্ণ কথা বলতে পারে। তবে, আমার ধারণা, কেউ কেউ মনে মনে ইসরায়েলের এ কাজগুলো ঘৃণা করলেও নানান কারণে প্রকাশ্যে এটাকে সাপোর্ট করে থাকেন। কাজেই, তাদের এই অপ্রত্যাশিত সাপোর্টকে ইগনোর করাই ভালো।

পাসপোর্টের গায়ে 'অল কান্ট্রিজ লেস ইসরায়েল' কথাটা থাকা/না -থাকার সাথে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়ার খুব বেশি সম্পর্ক আছে বলে মনে হয় না। এ কথাটা উঠিয়ে দিলেই আমরা ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়ে দিলাম, ব্যাপারটা তা না। উঠিয়ে দেয়ার অর্থ এইও নয় যে, ইসরায়েলের সাথে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক তৈরি হয়ে গেল। তবে, যেহেতু কথাটা উঠিয়ে দেয়া হয়েছে, বোঝা যাচ্ছে যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে আমাদের 'অনাগ্রহ' চলে গেছে, যদিও পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেছেন, ইসরায়েলের সাথে আমাদের সম্পর্কের কোনো পরিবর্তন হবে না। এ কথাটা বাদ দেয়ায় দেশে এমন প্রতিক্রিয়া হতো না, যদি খবরটা আরো মাস দুই-তিন আগে ফ্ল্যাশ হতো। খুব ক্রিটিক্যাল টাইমে খবরটা আউট হয়েছে, যখন ফিলিস্তিন-ইসরায়েল ইস্যু বিশ্বমিডিয়া দখল করে আছে। কেউ কেউ বলার চেষ্টা করছেন, আরো মাস ছয়েক আগেই এটা করা হয়েছে। যারা এটা বলছেন, তারা না জেনে বলছেন।

কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো, যদি ইসরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের কোনো উদ্দেশ্য না থেকে থাকে, স্বীকৃতি প্রদানেরও কোনো পরিকল্পনা না থেকে থাকে, তাহলে এই আগুন সময়ে এই কাজটা কেন করা হলো? আমার মনে হচ্ছে, ওয়ার্ল্ড ডিপলোমেসিতে নিজেদের আইডেন্টিটিটা একটু রিভিউ/রিনিউ করাই এর মূল উদ্দেশ্য। তবে, টাইমিংটা ঠিক হয় নি। আরো পরে, পরিস্থিতি ঠান্ডা হলে করা উচিত ছিল।

২৮ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:১২

ঢাবিয়ান বলেছেন: ১৩ নং মন্তব্যে ব্লগার ম হাসান এবং ২৪ নং কমেন্টে কাল্পনিক_ভালোবাসা একেবারে পিন পয়েন্টে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন এই ইস্যূ নিয়ে। উনাদের দুজনের কমেন্টই পোস্ট আকারে দেয়া সম্ভব হলে ভাল হত।

২৪| ২৭ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০৪

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশ ইজরায়েলকে কেন স্বীকার করে না ইজরায়েলকে কেন স্বীকার করা উচিত নয় এই ব্যাপারে যারা ভালো জানেন তারাও যেমন মতামত দিয়েছেন। তবে যারা কম জানেন তারাও মতামত দিয়েছেন বলে ব্যক্তি হিসাবে আমি কিছুটা অনুপ্রানিত হলাম।

সরকার কেন এই কাজ করল এই বিষয়টিকে যদি রাজনৈতিক ও অন্যান্য কন্সপিয়েসি তত্ব বাদ দিয়ে আলোচনা করি, তাহলে বলা যায় - মুলত ব্যবসায়িক বা বানিজ্যের উদ্দেশ্যেই সরকার এই কাজটি করেছে। আমি যতদুর জানি যারা ডব্লিউটিও মানে ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের সদস্য তারা কখনই একে অন্যকে সম্পূর্ন রুপে ব্যান করতে পারে না। বেপজার তথ্য অনুসারে বাংলাদেশ ২০১৩-১৪ সালে প্রায় আড়াই হাজার ডলারের পন্য ইজরাইলে রপ্তানি করেছিলো যা বর্তমানে আরো বেশি। সকল পন্য দুবাই বা ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে থার্ড পার্টির মাধ্যমে রপ্তানি হয়।

এছাড়া সম্প্রতি তো বাংলাদেশে ইজরাইলি গোয়েন্দা নজরদারি সংক্রান্ত প্রযুক্তির ক্রয় বিক্রিয়ের ব্যাপারটা আমরা অনেকেই জানি। ইজরাইলি অনেক টেকি পন্য বাংলাদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে, অনেক থার্ড পার্টি বিশেষ করে ভারতের মাধ্যমে কয়েকগুন বেশি দামে এই সকল পন্য আমদানিতে সরকারের গায়ে লাগছে বলেই বিশ্বাস।

এতদিন তো শুধু ফোনালাপ ফাঁস হয়েছে। আশা করছি, আগামিতে আপনি আমি মনে মনে কি ভাবছেন এটাও ফাঁস হয়ে যাবে। ;)

যাইহোক, সরকার এই বিষয়টিকে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট হিসাবে দেখা সুযোগ নেই দাবি করলেও এখানে কিছু সুপ্ত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয় আছে। দিন শেষে বাস্তবতা হচ্ছে - রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা এবং আর্থিক সুবিধার জন্য সকল রাষ্ট্রই সেকুল্যার হয়ে যায়, সেটা হোক সৌদি আরব কিংবা বাংলাদেশ। সাধারন মানুষ ধর্ম নিয়ে যেভাবে চিন্তা করে, রাষ্ট্র সেভাবে চিন্তা করে না।

২৮ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৪৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমার মনে হয় সৌদি রাজতন্ত্র বা বাংলাদেশ সরকার আসলে রাস্ট্রের প্রয়োজনে সেকুল্যার হয়ে যায় না । একটু প্রিসাইসলি বলতে গেলে বলতে হয় যে জোড়পুর্বক ধরে রাখা গদি রক্ষার প্রয়োজনে সেকুল্যার হয়ে যায়।

২৫| ২৭ শে মে, ২০২১ রাত ৯:২৯

মা.হাসান বলেছেন: রুটি-রুজির ধান্দায় ব্যস্ত থাকি, নিজের পুরাতন পোস্টে ডজন খানেক মন্তব্যের জবাব সময়ের অভাবে দিতে পারছি না। মাসের শেষে হামাস, র , নিদেন পক্ষে পাকিস্তান বা ফিলিস্তিনের কাছ থেকে খাম বুঝে পেলে চাকরি বাদ দিয়ে সারাদিন ব্লগে পড়ে থাকা সম্ভব ছিলো। এখন কোনো পোস্ট দেয়ার সময় নাই। বহুদিন পর কালবৈশাখি ভাইয়ের পোস্ট দেখে বাধ্য হয়ে লগইন করেছিলাম লাইক দিতে। আর গাজার ধোয়া নাকে যাওয়ায় আপনার পোস্টে এসেছিলাম।

কমেন্টে একটা তথ্য অসম্পূর্ণ দিয়েয়েছি। ইজরায়েল অস্ত্র উৎপাদন করে, এদের অস্ত্রের চাহিদা সারা বিশ্বে আছে। ক্লোজ রেঞ্জে উজির চেয়ে ভয়ানক অস্ত্র কমই আছে মনে হয়। তবে চাইনিজরা শস্তায় এর কপি বের করেছে। সম্ভবত এম৩২০ নাম। মাইক্রো উজির কপি এসেছে কি না জানা নেই। সফটওয়ারের সাথে সাথে ইজরায়েল থেকে অস্ত্রও কেনা যেতে পারে।

২৮ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৩২

ঢাবিয়ান বলেছেন: ১। ইজরায়েলের সাথে ট্রেড করার মত কিছু নাই। কিছু কৃষি পন্য আছে- যা অত্যধিক দামি। এর বাইর নিবর্তনমূলক কিছু সফটওয়্যার আছে। কিছু বাংলাদেশ সরকার কিনেছে, ভবিষ্যতে হয়তো আরো কিছু কিনবে। সম্ভবত এই কারণেই পাসপোর্ট থেকে ওই শব্দ গুলো তুলে দেওয়া হল।
২।ইজরায়েল অস্ত্র উৎপাদন করে, এদের অস্ত্রের চাহিদা সারা বিশ্বে আছে। ক্লোজ রেঞ্জে উজির চেয়ে ভয়ানক অস্ত্র কমই আছে মনে হয়। তবে চাইনিজরা শস্তায় এর কপি বের করেছে। সম্ভবত এম৩২০ নাম। মাইক্রো উজির কপি এসেছে কি না জানা নেই। সফটওয়ারের সাথে সাথে ইজরায়েল থেকে অস্ত্রও কেনা যেতে পারে।

আপনার কমেন্ট থেকে বাছাই করলাম মুল কারনগুলো । রাস্ট্রীয় ক্ষমতা জোড়পুর্বক ধরে রাখতে উপড়ের দুই পয়েন্টে যে সব জিনিষের লিস্ট দিলেন তা শুধু দরকারীই নয়, একেবারে অপরিহার্য। এই কারনেই পররাস্ট্রমন্ত্রী কইসে যে , ইস্রাইলে কেউ যাওয়ার চেষ্টা করলে শাস্তি পেতে হবে। :) । এর চেয়ে আর কত স্পষ্ট বক্তব্য দেয়া সম্ভব :)

২৬| ২৭ শে মে, ২০২১ রাত ৯:৫৭

মা.হাসান বলেছেন: @স্বামী বিশুদ্ধানন্দ - আপনি কি জেনে মিথ্যা তথ্য দিলেন নাকি না জেনে মিথ্যা তথ্য দিলেন বুঝলাম না।

বাংলাদেশের সমস্যা নিয়ে অন্য কোন দেশের নাগরিককে এরকম লম্ফোঝমফ করতে দেখেছেন কখনো ? তুরস্কের, ভারতের বা সৌদি আরবের কাউকে দেখেছেন কখনো বাংলাদেশে বিপুল রোহিঙ্গা শরণার্থী সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে ব্লগ বা মিডিয়া কাঁপিয়ে ফেলতে ?

১৯৭১ সালে বিশ্ব যদি বলতো -এটা বাংলাদেশে/পাকিস্তানের নিজেদের সমস্যা, আমাদের না- তাহলে কেমন হতো?

স্পেসিফিক পয়েন্টে আসি। সৌদি আরবে কোনো ব্লগ আছে বলে জানা নেই। মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই । ঐ দেশের তথ্য বলতে পারবো না।
তবে তুরস্ক সরকারি ভাবে রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রতিবাদ জানিয়েছে। ত্রান পাঠিয়েছে। তুরস্কে রোহিঙ্গা নিধনের বিরুদ্ধে অনেক প্রতিবাদ হয়েছে। তুরস্কের মিডিয়ায় বিষয়টি অনেক বার বড় আকারে এসেছে। ঐ সময়ের পত্রিকা দেখুন।

গোটা ভারত জুড়ে সচেতন নাগরিকেরা রোহিঙ্গা নিধনের প্রতিবাদ করেছে। মিডিয়ায় বিষয় গুলো এসেছে।

আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি বাংলাদেশ নিজেই ঠিক করতো। বেশ কিছু ঘটনার কারণে এখন প্রশ্ন জাগে- পররাষ্ট্রনীতি এখন কে ঠিক করে।

খবর দেখুন- ২৭ মার্চে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্যারেড অনুষ্ঠানে সব দেশের রাষ্ট্রদূতকে আমন্ত্রন জানানো হলেও চলমান গনহত্যার কারণে মাত্র আটটি দেশ অংশ নেয়, বাকি সকল দেশ বর্জন করে। অংশ নেয়া আট টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশও আছে।
লিংক: https://www.prothomalo.com/bangladesh/যোগ-দিয়ে-সমালোচিত-বাংলাদেশসহ-৮-দেশ

২৭| ২৮ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:১৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আমার কমেন্টটা মনে হয় আপনি পড়েন নাই, বা পড়ে থাকলেও বুঝতে পারেন নাই।

২৮ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৩৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: মন্তব্য পড়েছি। আপনার প্রশ্ন -

কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো, যদি ইসরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের কোনো উদ্দেশ্য না থেকে থাকে, স্বীকৃতি প্রদানেরও কোনো পরিকল্পনা না থেকে থাকে, তাহলে এই আগুন সময়ে এই কাজটা কেন করা হলো? আমার মনে হচ্ছে, ওয়ার্ল্ড ডিপলোমেসিতে নিজেদের আইডেন্টিটিটা একটু রিভিউ/রিনিউ করাই এর মূল উদ্দেশ্য। তবে, টাইমিংটা ঠিক হয় নি। আরো পরে, পরিস্থিতি ঠান্ডা হলে করা উচিত ছিল।

এই প্রশ্নের উত্তরে আসলে বলতে চেয়েছি যে ১৩ এবং ২৪ নং কমেন্টেই পিন পয়েন্টে সব কিছু খোলাশা করে বলা হয়েছে।

২৮| ২৮ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৪২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ঢাবিয়ান ভাই, আবার এলাম আমার আরেকটা মতামত দেয়ার জন্য। পাসপোর্ট থেকে ইসরায়েলকে বাদ কেন দেয়া হয়েছে, সেটার কারণ জানা আছে কেবল সরকার ও সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের। আমরা শুধু আলোচনা/বিশ্লেষণ করে বোঝার চেষ্টা করছি প্রকৃত কারণ কোনটা হতে পারে, কিন্তু কোনটা যে পিন-পয়েন্ট কারণ, সেটা আপনি যেমন জানেন না, আমিও জানি না। আমার মূল পয়েন্ট এটাই।

ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা।

২৮ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৫০

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার কমেন্টের জন্য। আসলে আলোচনার মাধ্যমেই হয়ত বের হয়ে আসে অনেক কিছু যা আমাদের নিয়ন্ত্রিত গনমাধ্যমে আসে না। এর নামইতো ব্লগিং ।

আপনিও ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা।

২৯| ২৯ শে মে, ২০২১ সকাল ১১:৫১

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: @মা. হাসান:

তুরস্কের ব্লগগুলোতে রোহিঙ্গ্যা নিয়ে অনেক প্রতিবাদের রেফারেন্স দিলে ভালো হতো। আমার জানামতে এরদোগানের পত্নীর বাংলাদেশের সফরকালে গণহত্যাকেকে গুরুত্ব দিয়ে তুরস্কের কিছু সংবাদ মাধ্যম তখন এটাকে বড়ো কাভারেজ দেয়। এর পর সর্বস্তরে সেরকম উচ্চবাচ্য শুনা যায় নি।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামের সময় অনেক দেশই পাক হানাদার কর্তৃক গণহত্যাকে এড়িয়ে হয় নীরব থেকেছে অথবা পাকিস্তানকে সমর্থন করেছে সেটাও আপনার না জানার কথা নয়। রাশিয়ার ভেটো ও ভারতের সমর্থন না থাকলে হয়তো আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম অনেক দীর্ঘায়িত হতো, প্রাণ দিতে হতো আরো অগুনিত দেশবাসীকে। ওই সময় তুরস্ক বা ফিলিস্তিনিরা হৈচৈ করেছিল কিনা তথ্য জানা থাকলে দয়া করে শেয়ার করবেন।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কে ঠিক করে সেটা ক্ষমতাসীন লীগ অথবা আপনার মতো সেলিব্রিটি ব্লগারই ভালো বলতে পারবেন। আমি লীগ বা আপনার দলের কোনো বেনিফিশিয়ারি নই, তাই এই তথ্য আমার কাছে নেই।

আপনি উল্লেখ করেছেন "চলমান গনহত্যার কারণে মাত্র আটটি দেশ অংশ নেয়, বাকি সকল দেশ বর্জন করে।
আপনার নিশ্চয় বুঝতে কষ্ট হয় নি যে এই দেশগুলো বর্জন করেছে সু কিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারীদের উপর সামরিক জান্তার নিপীড়ণের প্রতিবাদ হিসাবে - তথাকথিত শান্তির দেবী সুকি ক্ষমতাকালে রোহিঙ্গাদের এথনিক ক্লিন্সিংয়ের প্রতিবাদ হিসাবে নয়।

রোহিঙ্গা গণহত্যার সময় এইসকল প্রতিবাদীরা কোথায় ছিল ?

৩০| ২৯ শে মে, ২০২১ দুপুর ১:৪৮

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: ইসরাইলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দেশের নিকট নজরদারি সরঞ্জাম বিক্রি করে পরে ব্ল্যাকমেইল করে সুবিধা নেবার অনেক অভিযোগ আছে, যদিও আমাদের ব্যাপারটি আমাদের স্বতঃপ্রণোদিত কৌশল বলেই মনে হচ্ছে।

৩১| ৩০ শে মে, ২০২১ সকাল ৭:১০

সোহানী বলেছেন: এর পিছনের উদ্দেশ্য কি তা কি কেউ খোলাসা করবে??? কেন হঠাৎ ইসরায়েলের নাম গায়েব?

৩২| ৩০ শে মে, ২০২১ সকাল ৮:০৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
সোহানী বলেছেন: এর পিছনের উদ্দেশ্য কি তা কি কেউ খোলাসা করবে??? কেন হঠাৎ ইসরায়েলের নাম গায়েব?

ক্যানাডার পাসপোর্টে কি এই জাতীয় কিছু লেখা আছে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.