| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রমজান মাসে আমাদের অনেকেই যাকাত দিয়ে থাকি। আমাদের সকলেরই কিছু আত্মীয়স্বজন আছেন যারা গরিব। তাদেরকে জাকাত দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নির্দেশনা অনুসরণ করা জরুরি । ইসলামে যোগ্য আত্মীয়স্বজনকে যাকাত দেওয়া অত্যন্ত উৎসাহিত করা হয়েছে। এটি দ্বিগুণ সওয়াবের কাজ হিসেবে বিবেচিত—একদিকে দান‑সদকার ফরজ আদায় হয়, অন্যদিকে আত্মীয়তার সম্পর্ক মজবুত হয়।
মাতা–পিতা বা নিজের সন্তানকে যাকাত দেওয়া যায় না, কারণ তাদের ভরণ-পোষণ আপনার ফরজ দায়িত্ব।
স্বামী তার স্ত্রীকে যাকাত দিতে পারে না, একই কারণে। কিন্তু ধনী স্ত্রী তার গরিব স্বামীকে যাকাত দিতে পারেন।
গরিব ও আলাদা পরিবারে বসবাসকারী ভাই–বোনকে যাকাত দেওয়া যায়।
অন্যান্য আত্মীয়স্বজনদেরও যাকাত দেওয়া যায়, যদি তারা গরিব হয় এবং আপনি জানেন যে তারা যাকাত গ্রহণ করে।
আপনি নিশ্চিত না হলে আগে জিজ্ঞাসা করা উচিত। যদি তারা যাকাত নিতে না চান, তবে অন্যত্র প্রদান করবেন।
আপনি যদি উল্লেখ না করেন যে এটি যাকাত, তবে গ্রহণকারী মনে করতে পারেন আপনি তাকে বিশেষ অনুগ্রহ বা উপকার করছেন, আর সে ক্ষেত্রে আল্লাহর কাছে এটি যাকাত হিসেবে গ্রহণ না হতে পারে।
যাকাত প্রদান করা আপনার ফরজ দায়িত্ব, আর আত্মীয়কে উপকার করা নফল। না জানায়ে দেয়া যাকাত আদায় হবে কিনা সন্দেহ থেকে যাবে, তাই যাকাত বললে নিবে না তেমন কাউকে না দিয়ে যাকাত পাওয়ার যোগ্য একজনকে দিয়ে যাকাত আদায় সম্বন্ধে নিশ্চিত হওয়া জরুরি।
০৩ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:২২
ঢাকার লোক বলেছেন: আমাদের সমাজে যাকাত সধারনত দরিদ্র ঋণগ্রস্থ আত্মীয়স্বজন, ফকির মিসকিনরাই অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে, যদিও আরো কিছু বিশেষ ক্ষেত্র কোরানে উল্লেখ আছে যেখানে যাকাত দেয়া যাবে। মসজিদ মাদ্রাসা তৈরী বা রক্ষনাবেক্ষন বা পরিচালনার জন্য যাকাত দেয়া যাবে না সে বিষয়ে সবাই একমত। তবে মসজিদের ইমাম সাহেব বা মাদ্রাসা শিক্ষক গরিব হলে তাকে জাকাত দিতে কোনো বাধা নেই।
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
২|
০৩ রা মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:২৮
রাজীব নুর বলেছেন: আপনারা জাকাত দেন। কিন্তু খেয়াল রাখিবেন জাকাত নিতে গিয়ে কেউ যেন পায়ের চাপায় মারা না যায়।
০৩ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০৩
ঢাকার লোক বলেছেন: আমাদের দেশে বড়োলোকের ঘটা করে যাকাত দিতে গিয়ে এমন দুর্ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে , সে সত্যি দুর্ভাগ্যজনক। তবে সারা দেশে সাধারণ লোকজন যেভাবে যাকাত দেন তাতে এ ধরনের ঘটনা বিরল। তবে এমন দুর্ঘটনা যেন না ঘটে সতর্ক থাকা অবশ্যই ভালো। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
৩|
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:৪২
রাজীব নুর বলেছেন: ব্যাক্তিগত ভাবে আমাদের বাসার জাকাত টাকাত কে দেয় আমি জানি না। জানতে চাই-ও না।
৪|
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:৫০
খায়রুল আহসান বলেছেন: 'জাকাত' উল্লেখ করে গরীব আত্মীয় স্বজনকে জাকাত দেয়াটা সহীহ কিনা সে ব্যাপারে আমার একটু সন্দেহ ছিল। কারণ, এতে গরীব আত্মীয় স্বজনের মনে একটু হলেও আঘাত লাগতে পারে, ধনী আত্মীয় স্বজনের সামনে তাদের মনটা ছোট হয়ে যেতে পারে। আবার আপনি যেটা বলেছেন, সেটাও যুক্তিযুক্ত।
শেষ থেকে দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ প্রসঙ্গে আমার মনে হয়, গরীব আত্মীয় স্বজন যাই মনে করুক না কেন, আমার মনে কী আছে সেটা তো আল্লাহতা'লাই ভালো জানেন, আর কেউ নয়। তাই গরীব আত্মীয় স্বজনদের মনে "ছোট" বোধ জাগ্রত হবার সুযোগ না দিয়ে তারা যদি জাকাত গ্রহণের উপযুক্ত হয়ে থাকে, তবে চুপচাপ দিয়ে ফেলাই উত্তম বলে আমার মনে হয়। এ ব্যাপারে ফতোয়া কী, সে ব্যাপারে অবশ্য আমি অবহিত নই।
১৪ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:০১
ঢাকার লোক বলেছেন: "যদি জাকাত গ্রহণের উপযুক্ত হয়ে থাকে, তবে চুপচাপ দিয়ে ফেলাই উত্তম বলে আমার মনে হয়।"
আমি আপনার সাথে একমত ! আলেমদেরও তাই মত।
এখানে যাকাত পাওয়ার যোগ্যতা বিচারই প্রধান। আপনি যখন নিশ্চিত, যাকে দিচ্ছেন সে আত্মীয়ই হোক বা অন্য কেউ হোক, সে জাকাত পাওয়ার যোগ্য, তখন আর তাকে বলার দরকার নেই। পাওয়ার যোগ্যতা নিশ্চিত না হলে, সন্দেহ হলে, আপনার যাকাতের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতেই শুধু জানানো দরকার।
এই লিংকে দেখতে পারেন,
https://islamqa.info/en/answers/33777/it-is-not-essential-to-tell-the-person-who-is-entitled-to-zakah-that-the-money-is-zakah
ধন্যবাদ আপনাকে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৪২
কিরকুট বলেছেন: যাকাতের ক্ষেত্রে আমার একটাই বক্তব্য। যাকাত একমাত্র আপনার গরীব অসহায় প্রতিবন্ধী আত্মীয় স্বজন ও প্রতিবেশীদের প্রাপ্য। কোন মাদ্রাসা বা মসজিদের ইমামের নয়।