| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাওন হাওরের বর্গাচাষি আলী আকবর। কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ কৃষিকাজ করি খালি বাঁইচ্যা থাকার লাগি। কোনো লাভ নাই।’ হিসাব কষে বলেন, এখন এক বিঘা জমি আবাদ করতে শ্রমিক, সার, বীজ ও কীটনাশক মিলিয়ে খরচ পড়ে প্রায় পাঁচ হাজার টাকা। এরপর এক বিঘা জমির ধান কাটাতে শ্রমিক লাগে চারজন। শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। এরপর আছে মেশিনে মাড়াই। এক বিঘায় ধান হয় ১২ থেকে ১৪ মণ। সব খরচ বাদে ধান যা থাকে, তাতে কোনোরকমে চলতে হয়।" (প্রথম আলো, নিচে লিংকে দেখুন।)
আলী আকবরের মত কৃষকদের অবস্থা প্রায় একই রকম সারা দেশে। নিত্তপ্রয়োজনীও জিনিসপত্রের মূল্য বৃদ্ধি ওদের বেঁচে থাকার যুদ্ধকে আরো করেছে কঠিন। সেদিন আরেকটা খবরে দেখলাম, কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকার কৃষকেরও একই অভিযোগ। ধানের বর্তমান বাজার মূল্য কম, একজন শ্রমিকের দৈনিক মুজুরি যেখানে ৯০০ টাকা সেখানে ধান ৭০০ -৮০০ টাকা মণে বিক্রি করে কৃষকের লাভ থাকে না।
ভয় হলো, কৃষক যদি ধান চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে দেশে মানুষ খাবে কি ? দেশ এমনিতেই খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ না, এমতাবস্থায় এ সমস্যার একটা আশু সমাধান না হলে পাট চাষের মতো ধান চাষও না কৃষকের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ায় !
সহজ সমাধান ধানের দাম বাড়ানো, কিন্তু এর সাথে সাথে চালের দাম বেড়ে যেতে বাধ্য, যা সাধারণ মানুষের জীবনকে করে তুলবে আরো অসহনীয়, দেশে সৃষ্টি হবে অস্থিরতা। এ দুইয়ের সমন্বয় কিভাবে সম্ভব, কিভাবে কৃষকও বাঁচবে, চালের দামও সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার মাঝে থাকবে এ নিয়ে ভাবতে হবে। যারা কৃষি, অর্থনীতি, বাজার, ব্যবসা ইত্যাদি বিষয়ে অভিজ্ঞ, গবেষণা করেন, তারা এ নিয়ে ভাববেন আশা করি।
https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/72l3jdnadh
https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/ex5ftqf70n
©somewhere in net ltd.