নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি মুহাম্মদ এনামুল হক আপনাদেরই লোক

ঢাকার লোক

বাংলা ভালোবাসি

ঢাকার লোক › বিস্তারিত পোস্টঃ

সনদ জালিয়াতি

০১ লা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫২


গতকাল দুটো সংবাদ চোখে পড়লো যার মূল কথা সনদ জালিয়াতি ! একটা খবরে জানা যায় ৪ জন ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে বরখাস্ত করা হয়েছে জাল জন্ম মৃত্যু সনদ দেয়ার জন্য, আরেকটি খবরে বলা হয়েছে জাল সনদের ভিত্তিতে চাকরি ও এমপিও ভুক্তি এবং টাকা নেয়ার জন্য প্রায় ৮০০ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ( নিচে দেয়া লিংকে দেখতে পারেন )

সনদ জাল দুই ধরণের হতে পারে:

প্রথমত, পুরো সনদটিই জাল, যেমন কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দিয়ে ফকিরাপুলের এক ছাপাখানা থেকে একজন এম এ পাশের একটা সার্টিফিকেট সংগ্রহ করলো। খেয়াল করলে দেখা যায় এ ধরনের সার্টিফিকেটে অনেকসময় টাইপো, ভুল বানান, ব্যাকরণগত ভুল, ফন্টে অমিল, ইত্যাদি থাকে।

দ্বিতীয়ত হতে পারে, সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ ঠিকই আছে তবে তথ্যগত জালিয়াতি। যেমন ইউনিয়ন অফিসে টাকা দিয়ে একজন তার বয়স ৪০ এর জায়গায় ৩২ লিখিয়ে আনলো। এগুলো তাৎক্ষণিকভাবে ভিজুয়ালি দেখে যাচাই করা কঠিন।

একসময় চাকরির দরখাস্ত করতে শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমান হিসাবে দরখাস্তের সাথে সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হতো। সত্যায়িত করাতে হতো একজন ক্লাস ওয়ান গ্যাজাটেড সরকারি অফিসার দ্বারা। তিনি আসল সার্টিফিকেটের সাথে কপি মিলিয়ে দেখে সই করে দিতেন যে এটি ঠিক। এ ছিল অনেকের জন্য এক বড় বিড়ম্বনা। অনেকেরই একজন এপ্রোচ করার মত পরিচিত সেই মাপের অফিসার ছিল না, এর জন্য একে ওকে ধরে করাতে হতো। ফলে কেউ কেউ হয়তো সময় মত দরখাস্তই করতে বার্থ হতো। জানিনা এখনো সে রীতি চালু আছে কিনা।

এখনকার দিনে এ ব্যবস্থা চালু থাকার কোন যুক্তি নেই। দরখাস্তের সাথে কপি দিলে এবং যাচাই করার জন্য ইন্টারভিউর সময় আসল সার্টিফিকেট নিয়ে যেতে বললেই এ ঝামেলা এড়ানো সম্ভব। অফার দেয়ার আগে চাকরির জন্য শুধুমাত্র নির্বাচিত প্রার্থীর সার্টিফিকেটগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে যাচাই করে দেখলেই এ জালিয়াতি রোধ করা সম্ভব।

যেখানে স্বয়ং কর্তৃপক্ষ দুর্নীতির মাধ্যমে তথ্যগত জালিয়াতি করেন সে যাচাই করা কঠিন। তবে, যদি সন্দেহ হয় এবং বিষয়টি তেমন গুরুত্বপূর্ণ হয় (যেমন চাকরি, আইনি বিষয়), তাহলে পেশাদার ব্যাকগ্রাউন্ড চেক সংস্থা, এমনকি ক্ষেত্র বিশেষে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাহায্য নেওয়ার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে। তারা জাল সনদ শনাক্ত করতে বিশেষজ্ঞ।


https://bdtoday.net/national/109877#google_vignette

https://www.dainikshiksha.com/bn/news/800-fake-teachers-identified-mpo-closed-money-returned-case-ordered-370387

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা মে, ২০২৬ রাত ৮:৩৪

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: জাল সনদের ভিত্তিতে চাকরি ও এমপিও ভুক্তি এবং টাকা নেয়ার জন্য
প্রায় ৮০০ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

............................................................................................
যে দেশে সরকার প্রধান ( ইন্ট্রীম সরকার ) নিজে নিজ কর মওকুফ করে,
ট্যাক্স না দেবার জন্য ফন্দি ফিকার করে,
নিজ ভার্সিটীর অনুমোদন দেয়;
নোবেল বিজয়ের টাকার ট্যাক্স না দেবার জন্য
কর কমিশনকে নির্দেশনা দেয় !
সে দেশে নৈতিকতা বা আদর্শ বলে কি কিছু
অবশিষ্ট আছে ???

০২ রা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩

ঢাকার লোক বলেছেন: একজন অসাধু হওয়া অন্যদের ভালো হওয়ার জন্য কোন বাধা হতে পারে না, সে যেই হোক। দুষ্ট লোকের চেয়ে ভালো লোকের সংখ্যা এখনো সমাজে বেশি, তাই দুর্নীতি দূর করতে চেষ্টা চালু রাখতে হবে, হাল ছেড়ে দিলে চলবে না।
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

২| ০১ লা মে, ২০২৬ রাত ১১:৩২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বর্তমানে সনদ জালিয়াতির চেয়েও ভয়ংকর এক ব্যবসা শুরু হয়েছে : টাকার বিনিময়ে সরাসরি ডিগ্রি কেনা। দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো কিছু প্রতিষ্ঠান এই কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। আমার এক বন্ধুর মামার জন্য সরকারি চাকুরির প্রয়োজনে আমরা ধানমন্ডিতে গিয়েছিলাম এবং মাত্র ২৫,০০০ টাকার বিনিময়ে তিনি ঘরে বসেই লাইব্রেরি সায়েন্সের একটি ডিগ্রি পেয়ে যান। শুধু সাধারণ মানুষই নয়, আমাদের সাবেক জনপ্রশাসন সচিব মোখলেসুর রহমানের মতো উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরাও ভুয়া প্রতিষ্ঠান থেকে পিএইচডি ডিগ্রি কিনে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষক হয়ে গেছেন। হাতেগোনা কয়েকটি বাদে অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এখন শিক্ষার চেয়ে সার্টিফিকেটের ব্যবসাই বেশি করছে। ফলে কষ্ট করে সনদ জালিয়াতি করার চেয়ে টাকা দিয়ে সার্টিফিকেট কিনে নেওয়া এখন অনেক সহজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

০২ রা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২২

ঢাকার লোক বলেছেন: ধন্যবাদ সনদ জালিয়াতির আরো একটা দিক তুলে ধরার জন্য। এটি একটি ভয়ঙ্কর নতুন সংযোজন। আমাদের সময় এত সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না , এ উপসর্গও ছিল না । বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী এ বিষয়টি সম্বন্ধে অবগত কিনা জানিনা, পরীক্ষায় নকলের বিরুদ্ধে তাঁর শক্ত অবস্থানের সাথে এদিকটায়ও নজর দিতে হবে। সুষ্ট তদন্ত এবং প্রমান সাপেক্ষে এ ধরনের তথাকথিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ না করলে দেশে আর পড়াশোনা, পরীক্ষার দরকার হবে না। বিদেশে এসে এ ধরণের কেস ধরা পড়তে থাকলে আমেরিকার ভিসা নিষেধাজ্ঞার মত আমাদের দেশের ভালো ছেলেদেরও বিদেশে পড়তে বা কাজ করতে আসা অচিরেই বন্ধ হয়ে যাবে।

৩| ০২ রা মে, ২০২৬ সকাল ১১:০৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: সর্বাঙ্গে ব্যথা, ঔষধ দিব কোথা?

০২ রা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩১

ঢাকার লোক বলেছেন: জেনুইন প্রশ্ন !
এর উত্তরে বলব, চয়েস আছে দুইটা, এ ব্যাথা নিয়েই ধুঁকে ধুঁকে মরা, অথবা ভালো ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসা করানো!
ডাক্তার ও রোগী দুজনের আলোচনার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার স্থির করতে হবে এবং চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। ব্যাথা দূর হবে একদিন, ইনশাল্লাহ !
ভালো থাকুন নিরন্তর !

৪| ০২ রা মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: জাতিয়াতিতে বাঙ্গালীরা এগিয়ে।

০২ রা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৮

ঢাকার লোক বলেছেন: বাঙালিরা অনেক বিষয়েই এগিয়ে ! কেন পড়েন নি , এক ভারতীয় রাজনীতিবিদের সেই বিখ্যাত উক্তি, হোয়াট বেঙ্গল থিঙ্কস টুডে ---

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.