| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গতকাল দুটো সংবাদ চোখে পড়লো যার মূল কথা সনদ জালিয়াতি ! একটা খবরে জানা যায় ৪ জন ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে বরখাস্ত করা হয়েছে জাল জন্ম মৃত্যু সনদ দেয়ার জন্য, আরেকটি খবরে বলা হয়েছে জাল সনদের ভিত্তিতে চাকরি ও এমপিও ভুক্তি এবং টাকা নেয়ার জন্য প্রায় ৮০০ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ( নিচে দেয়া লিংকে দেখতে পারেন )
সনদ জাল দুই ধরণের হতে পারে:
প্রথমত, পুরো সনদটিই জাল, যেমন কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দিয়ে ফকিরাপুলের এক ছাপাখানা থেকে একজন এম এ পাশের একটা সার্টিফিকেট সংগ্রহ করলো। খেয়াল করলে দেখা যায় এ ধরনের সার্টিফিকেটে অনেকসময় টাইপো, ভুল বানান, ব্যাকরণগত ভুল, ফন্টে অমিল, ইত্যাদি থাকে।
দ্বিতীয়ত হতে পারে, সার্টিফিকেট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ ঠিকই আছে তবে তথ্যগত জালিয়াতি। যেমন ইউনিয়ন অফিসে টাকা দিয়ে একজন তার বয়স ৪০ এর জায়গায় ৩২ লিখিয়ে আনলো। এগুলো তাৎক্ষণিকভাবে ভিজুয়ালি দেখে যাচাই করা কঠিন।
একসময় চাকরির দরখাস্ত করতে শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমান হিসাবে দরখাস্তের সাথে সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হতো। সত্যায়িত করাতে হতো একজন ক্লাস ওয়ান গ্যাজাটেড সরকারি অফিসার দ্বারা। তিনি আসল সার্টিফিকেটের সাথে কপি মিলিয়ে দেখে সই করে দিতেন যে এটি ঠিক। এ ছিল অনেকের জন্য এক বড় বিড়ম্বনা। অনেকেরই একজন এপ্রোচ করার মত পরিচিত সেই মাপের অফিসার ছিল না, এর জন্য একে ওকে ধরে করাতে হতো। ফলে কেউ কেউ হয়তো সময় মত দরখাস্তই করতে বার্থ হতো। জানিনা এখনো সে রীতি চালু আছে কিনা।
এখনকার দিনে এ ব্যবস্থা চালু থাকার কোন যুক্তি নেই। দরখাস্তের সাথে কপি দিলে এবং যাচাই করার জন্য ইন্টারভিউর সময় আসল সার্টিফিকেট নিয়ে যেতে বললেই এ ঝামেলা এড়ানো সম্ভব। অফার দেয়ার আগে চাকরির জন্য শুধুমাত্র নির্বাচিত প্রার্থীর সার্টিফিকেটগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে যাচাই করে দেখলেই এ জালিয়াতি রোধ করা সম্ভব।
যেখানে স্বয়ং কর্তৃপক্ষ দুর্নীতির মাধ্যমে তথ্যগত জালিয়াতি করেন সে যাচাই করা কঠিন। তবে, যদি সন্দেহ হয় এবং বিষয়টি তেমন গুরুত্বপূর্ণ হয় (যেমন চাকরি, আইনি বিষয়), তাহলে পেশাদার ব্যাকগ্রাউন্ড চেক সংস্থা, এমনকি ক্ষেত্র বিশেষে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাহায্য নেওয়ার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে। তারা জাল সনদ শনাক্ত করতে বিশেষজ্ঞ।
https://bdtoday.net/national/109877#google_vignette
https://www.dainikshiksha.com/bn/news/800-fake-teachers-identified-mpo-closed-money-returned-case-ordered-370387
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা মে, ২০২৬ রাত ৮:৩৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: জাল সনদের ভিত্তিতে চাকরি ও এমপিও ভুক্তি এবং টাকা নেয়ার জন্য
প্রায় ৮০০ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
............................................................................................
যে দেশে সরকার প্রধান ( ইন্ট্রীম সরকার ) নিজে নিজ কর মওকুফ করে,
ট্যাক্স না দেবার জন্য ফন্দি ফিকার করে,
নিজ ভার্সিটীর অনুমোদন দেয়;
নোবেল বিজয়ের টাকার ট্যাক্স না দেবার জন্য
কর কমিশনকে নির্দেশনা দেয় !
সে দেশে নৈতিকতা বা আদর্শ বলে কি কিছু
অবশিষ্ট আছে ???