নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

গালুমগিরি করছি ভেউ এর ধারে!

আমারে পাইবেন এই ঠিকানায়[email protected]

ঢালী!

ঢালী! › বিস্তারিত পোস্টঃ

স্বল্প পুঁজিতে কাগজের প্যাকেট তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ

৩০ শে জুন, ২০০৭ সকাল ৯:১১



কাগজের ঠোঙ্গার সঙ্গে সবাই পরিচিত। এক সময় ঠোঙ্গা কেবল ছোট-খাট সদাইয়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। তখন চটের থলের বহুল প্রচলন ছিল। কিš' এখন বাজার করতে হাতে চটের থলে নিয়ে যাওয়া এক রকম উঠেই গিয়েছে। মোটামুটি সবাই ছোট-খাট সদাই থেকে শুরু করে পাঁচ থেকে দশ কেজি চাল পর্যন্ত ক্রেতা এখন কাগজের প্যাকেটে করে নিয়ে আসে। দশ কেজি চালের জন্য ব্যবহৃত প্যাকেটের ওজন কম করে হলেও পনের থেকে বিশ গ্রাম। ওজন দেওয়ার সময় প্যাকেটের সম ওজনের চাল থেকে ক্রেতা বঞ্চিত হবেন। বিক্রেতাকে বিশ গ্রাম চাল বেশি দিতে বললে বলবে, আমরা প্যাকেটটাও টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে আসি।

কামাল আতাতুর্ক এভিনিউর ‘যাত্রা’ নামের বহুল পরিচিত হ্যান্ডিক্র্যাফ্রের দোকান থেকে কোন কিছু কিনলে আপনাকে কোন ঝকঝকে চকচকে প্যাকেট দেয়া হবে না। দৈনিক পত্রিকা দিয়ে তৈরি একটা প্যাকেটে করে পণ্যটি ধরিয়ে দেয়া হবে। এটা যাত্রার একটা স্বকীয়তা। যাত্রার মত আরও অনেক দোকানেই এখন পেপার দিয়ে তৈরি প্যাকেটে পণ্য সামগ্রী ক্রেতার হাতে দেয়া হয়।

বিভিন্ন দোকানে ব্যবহৃত এসব কাগজের প্যাকেট তৈরির জন্য এক শ্রেণীর নির্মাতা রয়েছে। তারা বাড়ি বাড়ি ঘুরে জমানো দৈনিক পত্রিকা এবং পুরাতন বই-পত্র কেজি দরে কিনে নিয়ে আসে। তারপর ঘরে বসে কাগজ কেটে গাম লাগিয়ে বিভিন্ন সাইজের প্যাকেট তৈরি করে। বিভিন্ন মুদি দোকানে তারা অর্ডার ভিত্তিক এসব প্যাকেট শ হিসেবে বিক্রি করে।

চালের মত ভারি দ্রব্য বহনের জন্য শক্ত কাগজের প্যাকেট দরকার হয়। এসব প্যাকেট তৈরি করা হয় সিমেণ্টের প্যাকেটের কাগজ দিয়ে। সিমেন্টের প্যাকেটের কাগজ দিয়ে চিঠির খাম সাইজ, এ-ফোর সাইজ বা তার চেয়ে বড় আকারের খাম তৈরি করা হয়।

বিল্ডিং কন্সট্রাকশন শেষে প্রচুর সিমেন্টের প্যাকেট জমা পড়ে। প্যাকেট নির্মাতারা কন্ডাক্টরের কাছ থেকে এসব প্যাকেট কিনে নিয়ে।

পুরাতন ঢাকা, টঙ্গীর বোর্ড বাজার, আজম পুর এবং আব্দুল্লাহ পুরের মত অনেক জায়গায় বহু লোক কাগজের প্যাকেট তৈরি করে ভাল আয়-রোজগার করতে সমর্থ হচ্ছে। ঘরে বসে কাগজ কেটে প্যাকেট তৈরির জন্য একজনের স্বল্প পুঁজিই যথেষ্ট। কম দামে কাগজ সংগ্রহ করাটাই একটু পরিশ্রমের কাজ। এছাড়া বিভিন্ন দোকানের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রাখতে হয়। অর্ডার দিলেই তারা নির্দিষ্ট মূল্যে বিভিন্ন সাইজের খাম এবং প্যাকেট দিয়ে আসে। এটা তাদের একটা ভাল আয়ের মাধ্যম হয়ে উঠেছে। প্যাকেট তৈরির কাজটা ঘরে বসে মেয়েরাই করে থাকে। পুরুষরা শুধু দোকানে দোকানে গিয়ে এসব খাম এবং প্যাকেট দিয়ে আসে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.