নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বেশী সুখী

মনের কোঠরে নিভৃত পদচারনা

দিনান্তে

নতুন প্রজন্মের অন্গীকার।

দিনান্তে › বিস্তারিত পোস্টঃ

জমির পরিমাপ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় দলিলপত্র

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৫

বাংলাদেশের বিভিন্ন অন্ঞ্চলে জমিজমা পরিমাপের নানারকম একক ব্যবহৃত হয়। সর্বাধিক প্রচলিত কয়েকটি একক নিম্নরূপ:



১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ

১ বিঘা = ২০ কাঠা

১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ

১ একর = ৬০.৫ কাঠা



১ কাঠা = ৭২১.৪৬ বর্গফুট



জমির চারটি প্রধান ডকুমেন্ট:

১। দলিল এবং বায়া দলিল (বা বিক্রেতার মূল দলিল)

২। খতিয়ান

৩। ডিসিআর (ডুপ্লিকেট কার্বন রিসিট)

৪। খাজনা দাখিলা



১। দলিল এবং বায়া দলিল:

মূল দলিলে মালিকের নাম, এবং কার কাছ থেকে কেনা হয়েছে সেই তথ্য উল্লেখ থাকে। এছাড়া জমির তফসিল পরিচয় বা ঠিকানার বর্ণনা (মৌজা, দাগ নম্বর, জমির চতুর্দিকে সীমানা নির্ধারনী স্থাপনা) উল্লেখ করা হয়।



বায়া দলিল হল জমিটি যার কাছ থেকে ক্রয় করা হয়েছে সেই মালিকের দলিল। বায়া দলিল ছাড়াও সংশ্লিষ্ট জমির পূর্বতন সকল কেনাবেচার দলিল থাকা প্রয়োজন।



২। খতিয়ান:

খতিয়ান বা পর্চা হল জমির মালিকের নাম ও ঠিকানার লিস্ট। অন্যভাবে বলা যায়, জমির স্বত্বাধিকারীর ইতিহাস বা মালিকানার রেকর্ড।



সাধারনত মাঠপর্যায়ের ভূমি জরিপের সময় খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়। তবে, কেনাবেচার পর বা মালিকানা পরিবর্তনের পর নতুন মালিকের নামে মিউটেশন করার পর খতিয়ান জারি করা হয়। বায়া দলিলের মতই, পুরোনো সকল খতিয়ান সংরক্ষণ করা জরুরী।



বাংলাদেশের জন্মের পূর্বলগ্ন থেকে এপর্যন্ত মোট চারটি জরিপ করা হয়েছে। এগুলো হলো সময়ের ক্রমানুসারে:



সিএস: (কেডেস্ট্রাল সার্ভে): ১৮৮৫ সালে শুরু এই জরিপ প্রথম বারের মত জমির রেকর্ড হিসেবে পরিচিত। জরিপ কার্য ১৮৯৮ সালে শেষ হয়।



আরএস: (রিভিশনাল সার্ভে): সিএস এর ভুলত্রুটি সংশোধন করে প্রায় ৫০ বছর পর এই জরিপ খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়।



এস এ (স্টেট একুইজিশন সার্ভে): ১৯৫০ সালে জমিদারি জমি অধিগ্রহনের পর এই জরিপ পরিচালনা করা হয়।



বি এস (বাংলাদেশ সার্ভে): সর্বশেষ এই জরিপ ১৯৯০ সালে পরিচালিত হয়। ঢাকা অণ্চলে মহানগর জরিপ হিসেবেও পরিচিত।



৩। ডিসিআর:

মূল মালিকের নামে খাজনা নির্ধারনের আগে, এই নোটিশ জারি হয়। ডকুমেন্ট এর মূল কপি থাকে ভূমি অফিসে, মালিককে কার্বন কপি দেয়া হয়।



এছাড়া উত্তরাধিকার সূত্রে মালিকানা স্বত্ত্ব দাবি করতে লাগবে সাকসেশন সার্টিফিকেট। বর্তমানে এই সার্টিফিকেট সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কমিশন অফিস থেকে সংগ্রহ করা যায়।





দলিলে ব্যবহৃত কিছু অপ্রচলিত শব্দের অর্থ:

পর্চা: জরিপ চলাকালীন অবস্থায় খতিয়ানের যে খসড়া প্রস্তুত করা হয় তার অনুলিপি।

গং: গয়রহ বা সকল

দোং: পিতা

জং: স্বামী

আং: স্বামী

জমা: খাজনা

কস্য: দলিল মালিকের নামের পরিবর্তে ব্যবহৃত প্রতিশব্দ

তছদিক: প্রমান

ফারায়েজ: মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির ইসলামি নিয়মানুসারে বন্টন

হেবা: দানপত্র



মন্তব্য ৩ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই জুন, ২০১৩ বিকাল ৪:৫০

সিফাতুল্লাহ বলেছেন: চমৎকার উপস্থাপনা। ডি.সি.আর সম্পর্কে জানা ছিলো না। লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ।

২| ১৫ ই জুন, ২০১৩ বিকাল ৫:০১

শিপু ভাই বলেছেন:
+++++++++++প্রিয়তে!!!


অনেক ধন্যবাদ!!!

৩| ১৩ ই জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৪:২৪

এস.কে.ফয়সাল আলম বলেছেন: অনেক কাজের একটা বিষয়,
প্রিয়তে।

++

৪| ০৩ রা জুন, ২০১৪ সকাল ৮:১২

বোকা সোকা বলেছেন: প্রিয়তে রইল সাথে +++

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.