নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নাইল্যাকাডা

দিনমজুর

নাইল্যাকাডা ১ম বর্ষ, ২য় সংখ্যার প্রাপ্তিস্থানঃ আজিজ সুপার মার্কেট ১। বইপত্র/ ২। জনান্তিক/ ৩। শ্রাবণ/ ৪। প্রথমা (একুশে)/ ৫। তক্ষশীলা/ ৬। লিটল ম্যাগ প্রাঙ্গন লোক/ ৭। বিদিত/ ৮। পলল/ ৯।পাঠশালা মুক্তিভবন (পুরানা পল্টন) ১০। জাতীয় সাহিত্য প্রকাশন

দিনমজুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

গুলশান মহাখালী অবরোধ: কড়াইল বস্তিবাসীর দাবী

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ১:৫৪

আপডেট: আন্দোলনকারীরা সরকারের পক্ষ থেকে আর কোন ঘর ভাঙা হবে না মর্মে আশ্বাস পেয়ে আপাতত অবরোধ প্রত্যাহার করেছে।



গুলশান লেকপাড় থেকে ২০ ফুটের মতো জায়গা দখল মুক্ত করার অযুহাত দিয়ে গতকাল ৪ এপ্রিল কড়াইল বস্তি এলাকা থেকে শত শত ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করা হয়েছে, ভেঙে দেয়া হয়েছে গোডাউন বস্তি, এরশাদ নগর বস্তির একটা বড় অংশ। বিনা নোটিশে এই বস্তি উচ্ছেদের সময় গার্মেন্টস শ্রমিক, হকার, কাজের বুয়া, রিকশা চালক সহ কর্মজীবী নারী-পুরুষের অনুপস্থিতেই তাদের ঘরবাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এমনকি ঘরে তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকা দুটি শিশুকে বুলডোজার দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে হত্যা করার অভিযোগ করেছেন গুলশান-মহাখালী লিংক রোড অবরোধ করে রাখা ক্ষুব্ধ বস্তিবাসী। আশ্রয়হীন হয়ে তারা খোলা আকাশের নীচে রাত যাপন করেছেন, কেউ কেউ টিএনটি কলোনির মাঠে এসে উঠেছেন। তাদের একটাই দাবী পুর্নবাসন ছাড়া যেন তাদেরকে উচ্ছেদ করা না হয়।



ছবি: মহাখালী ফ্লাইওভারের নীচে আমতলী অবরোধ





ছবি: প্রধানমন্ত্রীকে তার কোন এক সময় দেয়া "প্রতিশ্রুতি" স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে এক বিক্ষোভকারী





ছবি: মহাখালী ওয়্যারলেস এলাকায় বৈশাখী টেলিভিশনের সামনে মিডিয়ার কাভারেজের দাবী জানাচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা





ছবি: মহাখালী ওয়ারলেস এলাকা অবরোধ



পুজিবাদি অর্থনীতির থাবায় ক্ষত-বিক্ষত গ্রামীণ কৃষি অর্থনীতি থেকে উচ্ছেদকৃত ভূমিহীন-কর্মহীন মানুষেরা ক্রমাগত জড় হয় মেট্রোপলিটন ঢাকায়- কোন রকমে জীবন ধারণের আশায়। কপাল ভালো হলে এদের কেউ কেউ ঢুকে যেতে পারে কলকারখানার ন্যূনতম মজুরীর জীবনে আর বেশির ভাগই উপচে পড়ে ভেসে যায় নানান আনুষ্টানিক খাতের অনিশ্চিত স্রোতে- কেউ রিকশা-ভ্যান চালায়, কেউ ফুটপাতে হকারি করে, কেউবা নির্মাণ শ্রমিক, কুলি, মজুর, সবজি-বিক্রেতা, ফেরীওয়ালা, বস্তির মাদক বিক্রেতা, বাসাবাড়ির কাজের লোক-বুয়া-দারোয়ান, পতিতা-পতিতার দালাল কিংবা ভিক্ষুকে পরিণত হয়।এই নিম্ন আয়ের মানুষরা থাকবে কোথায়? বস্তির এক দেড় হাজার টাকার ঘর ভাড়া ছাড়া আর কোথায় তাদের মাথা গোজার ঠাই হতে পারে? বস্তিতে তো এরা রাজার হালে থাকে না, শখ করেও থাকে না।গুলশান বনানী বারিধারাকে সার্ভিস দিতে হলে, হকারী, মজুরী করে জীবন যাপন করতে হলে আর কোথায়ই বা থাকবে তারা? তাই এরা হলো কসমোপলিটান ঢাকার নেসেসারি ইভিল, গুলশান-বনানি-বাড়িধারার নান্দনিক ইমেজের ব্যাকগ্রাউন্ড ।



আবার এরা সময় সময় মুনাফার ওলা ওঠার কালে শাসক শ্রেণী বেমালুম ভুলে যায় নেসেসারি ইভিলদের নেসেসারি বা প্রয়োজনীয় অংশটুকুর কথা, ভুলে যায় কোন পরিস্থিতিতে পুজিবাদের অর্থনৈতিক উদ্বাস্তু এই মানুষগুলো মানবেতর বস্তি জীবন যাপন করে।কড়াইল বস্তি এলাকার ১২০ একর জমিতে ৩ লক্ষাধিক বস্তিবাসীর কোন রকম মাথা গুজে থাকার চেয়ে মাল্টিষ্টোরিড বিল্ডিং, শপিং কমপ্লেক্স কিংবা অন্য যে কোন কিছু্ই বেশি গুরুত্বপূর্ণ! ফলে লেকের সৌন্দর্য বর্ধন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাস দমন ইত্যাদি নানান অযুহাতে এখন কড়াইল বস্তি উচ্ছেদ জরুরী হয়ে পড়েছে।



আমরা কড়াইল বস্তিবাসীর আন্দোলনের সাথে সংহতি প্রকাশ করে পুনর্বসান ছাড়াই বস্তি উচ্ছেদের বিরোধীতা করছি, দাবী করছি রাষ্ট্রীয় ব্যাবস্থাপনায় এই খেটে খাওয়া মানুষগুলোর আবাসনের ব্যাবস্থা করা হউক।



বস্তিবাসীদের পক্ষ থেকে প্রচারিত একটি লিফলেট এর বক্তব্য এখানে তুলে ধরা হলো:



কড়াইল বস্তিবাসীর দাবী

১) কড়াইল বস্তিবাসীর দাবী “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য” পূর্নবাসন ছাড়া বস্তি উচ্ছেদ চলবে না।

২)মহামান্য হাইকোর্টের লেকপার বস্তি উচ্ছেদ রায়কে সন্মানের সহিত শ্রদ্ধার সাথে সন্মান জ্ঞাপন করতেছি।

৩) ১৫-০১-০৯ তারিখে মহামান্য হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী পূর্নবাসন ছাড়া কড়াইল বস্তি উচ্ছেদ চলবে না।

৪) কড়াইল বস্তিবাসী বসবাসরত (তিন লক্ষ মানুষ) সকলের প্রাণের দাবী পূর্নবাসন করে বস্তি উচ্ছেদ করুন।

৫) কড়াইল বস্তিতে আমরা প্রায় তিন লক্ষ লোক ত্রিশ বছর যাবৎ বসবাস করিয়া আসেতিছি।

৬) বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইস্তেহার অনুযায়ী পূর্নবাসন ছাড়া বস্তি উচ্ছেদ চলবে না।



নিবেদক,

কড়াইল বস্তিবাসী সর্বস্তরের জনগণ



ছবি: বিক্ষোভকারীদের দাবী নামা

মন্তব্য ১১৫ টি রেটিং +২৪/-০

মন্তব্য (১১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:০৩

খালি ব্যান খাই বলেছেন: হুমম... তাদের কথা ভালভাবে ভাবা উচিত সরকারকে

২| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:০৫

লুকার বলেছেন:
হায় হায় দিনমজুর ভায়া, খোঁজখবর না নিয়াই কি সংহতি প্রকাশ করলেন? সরকারি জায়গা সিবিএ, ট্রেড ইউনিয়ন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় লালিত গ্রুপ, স্থানীয় মাস্তান, গডফাদার এরা বিলি বন্টন করে ভাল ব্যবসা করে। ইদানিং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সরকারী জায়গা দখল ও 'বিক্রি' ও হয়ে গেছে। বস্তিবাসীদের থাকার ব্যবস্থা অবশ্যই করতে হবে, কিন্তু এভাবে নয়। আর ঐ মাস্তানদের ধরাও জরুরী।

বাংলাদেশে ট্রেড ইউনিয়ন সন্ত্রাস নিয়ে ভবিষ্যতে একটা লেখা দিবেন আশা করছি!

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:১৬

দিনমজুর বলেছেন: সরকারী জায়গা বিভিন্ন প্রভাবশালীরা দখল নিয়ে ঘর প্রতি এক দেড় হাজার টাকা করে ভাড়া দিচ্ছে। বস্তিবাসীরা সেখানে থাকছে বাধ্য হয়ে কারণ তাদের সামনে কোন বিকল্প নাই। তাহলে দখল মুক্ত করতে হলে বস্তিবাসীকে কেন উচ্ছেদ করতে হবে? সরকারী জমি প্রভাবশালীদের হাত থেকে মুক্ত করে রাষ্ট্রীয় ভাবে বস্তিবাসীদেরকে বন্দোবস্ত দেয়ার কোন পরিকল্পনা হচ্ছে না কেন?

৩| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:০৮

অর্ণব আর্ক বলেছেন: অনলাইন একটিভিস্টদের আন্দোলনে আবার শুরু হোক।
বিদ্যুতের অসহনীয়তা মাত্রা ছাড়িয়েছে আর কতদিন।
আর এই মাস্তানি ও অসহ্য।
ধন্যবাদ কল্লোলদাকে।

৪| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:১১

জেনারেশন সুপারস্টার বলেছেন: আপনার কথাগুলো দারুণ লাগে।সামাজিক নির্বিচার অন্যায়জুলুমগুলো তুলে ধরেন।শুভকামনা।

৫| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:১৩

নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন: হাইকোর্টের যেই বিচারক বস্তি উচ্ছেদের আদেশ দিলেন, তিনি কি একবারের জন্য ও ভেবেছিলেন উচ্ছেদের পর এই মানুষ (!) গুলো কোথায় থাকবে? অবশ্য তারা একেকজন জমিদারের মত বিশাল বিশ্লা জায়গা নিয়ে প্রাসাদোপম বাড়িতে থাকেন , তারা কেন চিন্তা করবেন বস্তিবাসীর কথা! আজ এই অবরোধের কারনে অনেক এইসছ এস সি পরীক্ষাররথী সময়মত হলে যেতে পারেনি। বিষয়টা কল্পনা করে কি যে খারাপ লাগল। একটা ছাত্র বসে আছে অসহায় হয়ে, তার পরীক্ষার সময় চলে যাচ্ছে, কিন্তু সে হলে যেতে পারছে না। এই ঘটনার জন্য আজ যদি একটা ছাত্রের ও জীবনে বিপর্যয় নামে তার জন্য কে দায়ী হবে? আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে যে কেউ ঘরে না থাকা অবস্থায় তার ঘর গুঁড়িয়ে দেয়া যেতে পারে। হায় দেশ! হায় সভ্যতা! গরীব অসহায় মানুষের ঘর এখানে রাষ্ট্র গুঁড়িয়ে দেয় প্রবল প্রতাপে কিন্তু বুড়িগঙ্গার তীরের , কল্যানপুরের খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গেলে ক্ষমতাসীনের হাতে লাঞ্চিত হন ম্যাজিস্ট্রেট। আমাদের ঘুম ভাঙ্গবে কবে?

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:২১

দিনমজুর বলেছেন: ভালো বলেছেন- তারা জনগণের অর্থে বানানো প্রাসাদে বসে জনগণকে আশ্রয়হীন করার রায় দেয়! অবরোধের কারণে এইচ এসসি পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতে সমস্যা হয়েছে।সেটা নিশ্চয়ই একটা ভয়ংকর অভিজ্ঞতা। ভাবুন তো বস্তী উচ্ছেদের কারণে বস্তিতে বসবাসকারী এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কি অবস্থার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে? হ্যা এইচএসসি পরীক্ষার্থীরাও উচ্ছেদ করা বস্তিতে ছিল...তাদের দুর্দশার কথাও বিক্ষোভকারীরা বলছিলেন...

৬| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:২৯

শরৎ চৌধুরী বলেছেন: শিরোনামের মহাকালী কি ইচ্ছাকৃত? তা না হলে একটু পরিবর্তন করে দিন।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:১৩

দিনমজুর বলেছেন: ইচ্ছাকৃত না, অসাবধানত ভুল।

৭| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:৩১

শরৎ চৌধুরী বলেছেন: শিরোনাম সংশোধিত হলে এই পোষ্ট স্টিকি হবার দাবী রাখে।

৮| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:৩৫

একাকী বালক বলেছেন: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: শিরোনামের মহাকালী কি ইচ্ছাকৃত? তা না হলে একটু পরিবর্তন করে দিন।

>>> মহাখালী নামটা হবার কারণ যা জানি তা হল ওই এলাকায় একটা বড় কালী মন্দির ছিল। এবং শুরুতে নাম "মহাকালী" ই ছিল বলে শুনছিলাম। :)

৯| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:৩৭

একাকী বালক বলেছেন: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: শিরোনাম সংশোধিত হলে এই পোষ্ট স্টিকি হবার দাবী রাখে।

>>> এই ব্যাপারে পক্ষে বিপক্ষে আলোচনা করে এইটা টেকসই সিদ্ধান্তে আসার সময় হয়েছে এই জাতির।

১০| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:৩৭

ওঙ্কার বলেছেন: মহাকালী!!!!

১১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:৫২

লিন্‌কিন পার্ক বলেছেন: এমনকি ঘরে তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকা দুটি শিশুকে বুলডোজার দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে হত্যা করার অভিযোগ করেছেন !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

১২| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:৫২

স্বপ্নডানা বলেছেন: শালারা থাকে বস্তিতে, একেকটার কম করে হলেও পাঁচ ছয়টা করে বাচ্চা। (এনজিওর কাজে করাইল বস্তিতে গেছি কয়েকবার)। এত লোককে কোথায় পুনর্বাসন করবে? জায়গা কি বানায় লইবে? যতসব!

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:১৫

দিনমজুর বলেছেন: তাইলে এই মানসিকতা নিয়া এনজিও ওলারা দারিদ্র "বিমোচন" করছে! যতসব!

১৩| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:৫২

এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: সবাই এটাকে মহাখালীই বলে, লেখে।

১৪| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:৫৩

মাথা খারপ মানুষ বলেছেন: সমর্থন রইল

১৫| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:০১

গ্যাম্বলার বলেছেন: ধন্যবাদ। এই মুহুর্তে ঢাকায় ২ জায়গায় অবরোধ চলছে । একদল মানুষ সব হারিয়ে মহাখালীর রাস্তায়। আমি ঐ বস্তি উচ্ছেদের পক্ষে, তবে পুনর্বাসন করে এবং যথেস্ট সময় দিয়ে। ঐ মানুষগুলোকে বস্তিতে এনে দীর্ঘ ৩০ বছর ব্যবসা করছে প্রভাবশালি রাজনীতিকরা ।

আর একদল আছে সাতক্ষীরার ঘটনার প্রতিবাদে শাহবাগে। আমি এদের প‌্যাদানী দেয়ার পক্ষে। হল থেকে বেরিয়ে রাস্তা ব্লক করে তারা প্রতাবাদের নামে আরও বড় অপরাধ করছে। X( । মানুষের ভোগান্তি কোন মাথা ব্যথা নেই। শ্রষ্ঠবিদ্যাপীঠের এই সৈনিকেরাই দেখি সমাবর্তনের মাল লুট করে । হায়রে দেশ!!!!!!! :(

১৬| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:০১

দিদারুল জান্নাত বলেছেন: এই সব লোক গুলা'কে নিয়ন্ত্রন করার কেউ নেই। আজকে তারা যেই পরিমান তান্ডব ছালিয়েছে ঢাকা শহরে, পুরো ঢাকাকে অচল করে দিয়েছে তার দায় ভার কি আপনি নিবেন ...? কোন কিছুকে উস্কে দেয়ার আগে ভেবে দেখবেন....!

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:২৩

দিনমজুর বলেছেন: এর দায় শাসক গোষ্ঠীর কারণ তারাই এইরকম মরিয়া হতে বাধ্য করেছে জনগণকে।

১৭| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:০১

মাহফুজার রহমান বলেছেন: অনিশ্চিত স্রোতে- কেউ রিকশা-ভ্যান চালায়, কেউ ফুটপাতে হকারি করে, কেউবা নির্মাণ শ্রমিক, কুলি, মজুর, সবজি-বিক্রেতা, ফেরীওয়ালা, বস্তির মাদক বিক্রেতা, বাসাবাড়ির কাজের লোক-বুয়া-দারোয়ান, পতিতা-পতিতার দালাল কিংবা ভিক্ষুক

ভাই যে সব পেশার কথা বলছেন তারা সবাই এ রাজধানীটাকেই একটা বস্তি বানাচ্ছে।
আপনি আপনার পেশাজীবি মা-বাবা বা অভিভাবকের আয়কৃত বৈধ অর্থে সরকারের অনুদানে সর্বোচ্চ শিক্ষাপীঠ থেকে শিক্ষিত হয়েও সঠিক পেশা না শ্রমের মূল্য পাচ্ছেন না এদের কারণেই। এই বস্তির নিয়ন্ত্রকরাই আপনার প্রতিষ্ঠানের মালিক একসময় সংসদের এমপি। এসব ভোট ব্যাংক নিয়ে যারা খেলছে তাদের স্বার্থেই এখন সড়ক অবরোধ। বিষয়ের গভীরে গিয়ে সহমত হলে একটি সত্য আপনার লেখা থেকে হারিয়ে যেত না। অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত গুলশান বনানীর তথাকথিত বিত্তশালীদের সুবিধার্থে বস্তি সৃষ্টি এবং সরকারি ভূমি দখলের এসব অভিনব পদ্ধাতি পৃথিবীর কোন দেশে প্রচলিত নেই।
আবেগের বশবর্তী হয়ে একটি অন্যায়কে আড়ল করে নতুন একটি বড় অন্যায়ের সুযোগ করে দিচ্ছেন?
আদালদের রায় কার্যকর করার আন্দোলন বা দুস্থ পুর্নবাসন দাবী আদায় কোনটাই নয় পেছনে রয়েছে নোংরা রাজনীতি।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:৩০

দিনমজুর বলেছেন: আপনি ভেবে বলেছেন তো কথা গুলো? এই শ্রমিক শ্রেণীর লোকদের কারণেই ভদ্রলোকেরা শ্রমের মূল্য পাচ্ছেন না, নাকি আপনার আমার মতো এলিট ভদ্রলোকদের কারণেই শ্রমিক শ্রেণী তার শ্রমের মূল্য পাচ্ছেন না- কোন টা? একটু ভেবে দেখেছেন- এই বস্তিবাসীরা কেন ঢাকায় আসে, কেন বস্তিতে মানবেতর জীবন যাপন করে? সরকারী জায়গায় বসবাস করাটা যদি অন্যায় হয়, তাহলে যে সিস্টেমের মাধ্যমে নিয়মিত ভাবে ঢাকার বস্তিতে সস্তা শ্রম সরবরাহের ব্যাবস্থা টিকিয়ে রেখেছে সেটা কি?

এই সব প্রশ্ন আড়াল করে ন্যায় অন্যায় খুজতে যাওয়াটা সবচেয়ে বড় নোংরামি- যা দ্বারা এদেশের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত-উচ্চবিত্ত রীতিমত মাখামাখি হয়ে আছে।

১৮| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:০৩

অর্ফিয়াস বলেছেন: ষ্টিকি পোষ্ট এর মিরোনাম এ বানান ভুল থাকাটা দৃষ্টিকটু। অতএব, বানানটা ঠিক করে দিন দয়া করে।

১৯| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:০৪

মাহীন jm বলেছেন: কিছুদিন আগে মিরপুরের রুপনগরে একটি বস্তি উচ্ছেদ করা হয়। এখানকার বস্তিবাসী কিছুই করতে পারেনি । যে প্রতিবাদ করতে গেছে তাকেই পুলিশ আটক করেছে । এখন তারা কোথায় আছে । সরকার তার কোন খবরই রাখেনি ।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:৩১

দিনমজুর বলেছেন: বস্তি উচ্ছেদের সময় বড় জোর পুনর্বাসন করা উচিত ছিল জাতীয় দুর্বল কথা শোনা যায়, তারপর আর সেই বস্তিবাসীদের কোন খবর কেউ রাখে না।

২০| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:০৪

সাইমনরকস বলেছেন: আমিও সমর্থন করলাম।

২১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:০৮

মাইনাস এইটিন_পন্ডিত বলেছেন: সংহতি প্রকাশ করছি।

২২| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:০৯

দিবা স্বপ্ন বলেছেন: আমাদের দেশের বস্তীগুলো হলো মাদক এবং অপরাধের আখরা। ঢাকা শহরকে মোটামোটি বাসযোগ্য করতে হলে অবশ্যই বস্তীগুলো নিয়ে প্রশাসনকে নতুন করে চিন্তা ভাবনা করতে হবে। সরকারের উচিত গরীব এইসব মানুষগুলোকে ঢাকায় আসা নিরৎসাহীত করে গ্রামে যেন স্বাভাবিকভাবে জীবন যাপন করতে পারে সেই ব্যবস্হা করা। তবে কোন রকম পুর্নবাসন না করে এইভাবে উচ্ছেদ কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:৩২

দিনমজুর বলেছেন: গ্রামে স্বাভাবিক জীবন যাপনের বাস্তবতা থাকলে এই মানুষগুলো সাধের ঢাকা শহরে এসে সাধের বস্তি জীবন যাপন করতো না।

২৩| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:১১

নিমচাঁদ বলেছেন: ছবির পূবালী বাঙ্কের ঠিক এই এলাকায় আমার বাসা । সকাল থেকেই আমরা অবরুদ্ধ ছিলাম । কড়াইল বস্তিটি আমাদের চোখের সামনে গড়ে উঠেছে ।ঢাকার নিম্ন আয়ের মানুষ দের এই বস্তিটি একটা বড় আশ্রয় স্থল ছিলো ।সমস্যা হলো , এটা ধীরে ধীরে এক শ্রেণীর অপরাধী দের আস্তানা হয়ে উঠেছিলো । এই এলাকায় মাদক বিস্তারের মূলে ও কিন্তু এই বস্তিটি , কিন্তু তারপর ও মানবতার কথা থেকে যায় । এদের দায়িত্ব সরকারের , পুনর্বাসনের কথা চিন্তা করেই , বস্তিটা উচ্ছেদ যুক্তিযুক্ত ছিলো । সরকার অনেক কিছুই করতে পারে , কিন্তু কিছুই করে না , অনেক সদিচ্ছার অভাবে ।
এদের জন্য সহমর্মিতা প্রকাশ ছাড়া কিছুই করার নেই ।

আর মহাখালি বানান টা ঠিক করে দিয়েন , অনেকের বুঝতে সমস্যা হতে পারে।

২৪| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:১২

চাঁপাডাঙার চান্দু বলেছেন: এভাবে মানুষজনকে উচ্ছেদ করাটা আসলেই অন্যায়।

তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা সরকারের অবশ্যই করা উচিত কিন্তু অনুরোধ যেন এই পুনর্বাসনটা ঢাকায় না করে বাহিরে কোথাও করা হয়। আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত ঢাকা শহর, একে বাসযোগ্য করার জন্য এখান হতে জনসংখ্যার চাপ কমানো ছাড়া উপায় নেই।

২৫| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:১৩

শিক কাবাব বলেছেন: ৩ লক্ষ মানুষের পুনর্বাসন ! তার মানে আমরা গ্রামে গ্রামে বাচ্চা জন্ম দিবো আর ঢাকা শহরে বস্তি বানিয়ে বস্তিতে অবস্থান করবো, আর সরকার আমাদের বস্তিবাসীর দুঃখে দুঃখিত হয়ে আমাদের একেক জনকে এককটা করে ফ্লাট দিবে। অথবা ফ্লাট না দিলেও সরকারী জায়গায় টিনের ঘর করে দিবে। এভাবে চললেতো সরকারের দেড় লক্ষ কোটি টাকা বার্ষিক বাজেট পুরাটাই এর পেছনে ঢাললেওতো যথেষ্ট হবে না।

থাকার জায়গা নাই, বাপ দাদার ভিটা নাই, বাচ্চা জন্মইছো ক্যান? ভেঙ্গে ফেল ঢাকা শহরের সমস্ত বস্তি। ঢাকার রাজপথ হবে জঞ্জালমুক্ত।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:৪১

দিনমজুর বলেছেন: তার আগে বলেন- থাকার জায়গা নাই কেন? বাপ দাদার ভিটা নাই কেন? গ্রামে গ্রামে কৃষকের জীবন কেমনে চলে? ক্ষুদ্র ঋণ দিয়া দারিদ্র বিমোচনের সফল ব্যাবসার পরও গ্রাম থেকে ক্যান শহরে আসে মানুষ জন? রাষ্ট্রের দ্বায়িত্ব নাগরিকের খাদ্য-বস্ত্র-শিক্ষা-চিকিৎসা-বাসস্থানের ব্যাবস্থা করা- সেই দ্বায়িত্ব পালন করতো পারোনা তাইলে রাষ্ট্রের দ্বায়িত্ব নিছো ক্যান?

২৬| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:১৬

মোঃমোজাম হক বলেছেন: আগে বড় দখলবাজদের উচ্ছেদ করুন তারপর এই গরীব দুখীদের কথা ভাবুন।আজকাল বিচারকেরা মালটেনে রায় দেয় কিনা সন্দেহ হয় :(

কি জানি এই গরিবলোকদের আন্দোলন আবার যুদ্ধপরাধীদের ফসল না হয়ে যায়!

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:৪২

দিনমজুর বলেছেন: ভালো বলেছেন। ধন্যবাদ।

২৭| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:১৮

বলাক০৪ বলেছেন: শিককাবাব কি বলতে চান উনিই ভালো জানবেন। কিন্তু যেহেতু আমরা আরামে থাকি, বুয়া বা দারোয়ান নই, বাচ্চা বাসায় রেখে ভোরে অন্যের বাড়িতে ডিউটিতে আসিনি আজ সকালে, সেহেতু এরকম একপেশে মন্তব্য করা জায়েজ বলে মনে করিনা।

২৮| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:১৯

ওঙ্কার বলেছেন: বামদের এই সিলেক্টিভ কথাবার্তা একটু ইন্টারেস্টিং...

পুরো দায়ভার তারা নেবে না, নিতে চায়ও না, তাতে আরামের ব্যঘাত ঘটবে।

(আমি সেসব গডফাদারদেরও সমর্থন করছি না,যারা এসব বস্তি সংরক্ষণ করে মাদক ও অপরাধের কারনে)

কিন্তু বামদের নজর থাকে এই দরিদ্র ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী কখন ক্ষেপে উঠবে তখনই তারা হাজির হবে প্রতিবাদের বাণী নিয়ে।

বামদের যদি ইন্টেলেকচুয়ালি কাজ করতে হয়, তবে তাদের উচিত সমস্যার গোড়া নিয়ে কাজ করা, কথা বলা।

বস্তিগুলি কেন ঢাকায়? স্রোতের মতো কিসের টানে এই লোকগুলি আজ শহরে আসে?

গ্রামগুলিতে কি নেই.. ? কেন নেই?

শুধুমাত্র সমস্যা হলেই দৌড় দিয়ে এসে পোস্ট দেয়ার চাইতে বাকি সময়গুলিতে তাদের সাহায্যের জন্য কি করছেন সে বিষয়ের পজিটিভ পোস্টও আমাদের জানায় থাকলে ভালো।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:৪৪

দিনমজুর বলেছেন: বামদের উপর আপনার অনেক ভরসা!

তা বামদের সমালোচনার পাশাপাশি আমরা নিজেরাও তো এই প্রশ্ন গুলা নিয়ে কাজ করতে পারি, তাই না?

২৯| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:১৯

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: ১) রাস্তা অবরোধ না করে হাইকোর্ট অবরোধ করেন। কারণ বস্তি উচ্ছেদ করতে বলছে হাইকোর্ট, রাজপথ নয়।

২) সব দায়িত্ব রাষ্ট্রের হাতে দিয়ে দিলেতো চলবেনা। রাষ্ট্রের সামর্থ্য আছে দুই টাকা দেওয়ার, আর সব সময় আপনি দাবি করেন ৫ টাকা। রাষ্ট্র কোথা থেকে আনবে টাকাটা? সব সময়ই গণ প্রতিষ্ঠানের থাইকা কম টাকায় বেশি সেবা নেওয়ার সেকেলে মানসিকতা আপনার মাঝে সদা বিরাজমান। সরকারি বিশ্বদ্যিালয়ের সাথে সাথে বেসরকারি বেশ্যাবিদ্যালয়ের টিউশন ফি নিয়া্ও একটু ভাইবেন।

৩) কিছু দায়িত্ব আপনেরও আছে, সব রাষ্ট্রের না। ঐ তিন লক্ষ লোকের অন্তত তিনজনকে নিজের বাসায় তুলেন বা দায়িত্ব নেন।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:৫৭

দিনমজুর বলেছেন: ১) হাইকোর্টকেও মোকাবিলা দরকার। কিন্তু হাইকোর্ট বলে, আর রাষ্ট্র করে। কাজেই হাইকোর্ট ওলাদের যেমন ধরা দরকার তেমনি রাষ্ট্রকেও বাধ্য করা দরকার যেন না করে। আবার দেখেন হাইকোর্ট যা যা বলে, রাষ্ট্র কি সব ঠিক ঠাক করে? আবার হাইকোর্ট ও কি সব বিষয়ে ঠিক ঠাক বলে? রাস্তা অবরোধ না করলে, সুশীল সুশীল ভাব নিয়ে হাইকোর্টের সামনে মানব বন্ধন করলে আর যাই হোক দাবী সাময়িক ভাবে হলেও যে আশ্বাস পাওয়া গেছে সেটাও হতো না।

২) কে বললো, রাষ্ট্রের হাতে সব দ্বায়িত্ব দিয়ে দিলে চলবে না? কে দিল এই ফতোয়া। রাষ্ট্রের কাজই তো এই দ্বায়িত্বগুলো পালন করা। রাষ্ট্রের হাতে ২ টাকা আছে আর বস্তিবাসীরা ৫টাকা দাবী করছে- এই হিসেবটা কে ঠিক করলো? যদি বলি, জনগণের কাছ থেকে রাষ্ট্র নিচ্ছে ১০০ টাকা, ৫% এর স্বার্থে খরচ করছে ৯৫ টাকা, আর ৯৫% এর জন্য খরচ করছে ৫ টাকা? গণ প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কম টাকায় না, বিনা টাকায় সেবা পেতে চাই, কারণ গণ প্রতিষ্ঠান গণের ট্যাক্স-ভ্যাটের টাকাতেই চলে।

৩) ব্যাক্তিগত ভাবে কে কয়জনকে কার বাসায় তুললো তাতে কিছুই যায় আসে না। রাষ্ট্র একদিকে মানুষকে ভূমিহীন সহায় সম্বলহীন করতে থাকবে, কর্মসংস্থানের কোন ব্যাবস্থা করবে না- আর অন্যদিকে সেই অসহায় মানুষগুলো বস্তিতে থেকে হকারি করে কোন রকমে দিনগুজরান করতে চাইবে সেইটাও করতে দেয়া হবে না, বারবার উচ্ছেদ করবে এমনটা তো চলতে দেয়া যায় না।

৩০| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:২৫

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: বিঃদ্রঃ বেসরকারি বেশ্যাবিদ্যালয় বলাটা ইচ্ছাকৃত। কেউ আঘাত পেয়ে থাকলে নিজ দায়িত্বে পাবেন।

এই ব্লগেই দেখছি বেসরকারি বেশ্যাবিদ্যালয়ের ছাত্র মহোদয় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি নিয়ে ব্লগ গরম করছেন। অথচ নিজে পড়ছেন মাসে ১৫-২০ হাজার টাকার টিউশন ফি দিয়ে বেসরকারি বেশ্যাবিদ্যালয়ে। কখনও ভাবেনকি যে আমার এই টাকা দিয়ে কমপক্ষে বিশজন ছাত্র পড়ালেখা করতে পারে। কখনও কি ঐ প্রাইভেট বেশ্যাবিদ্যালয়ের কোন ক্লাশরুম বা অফিস ভাংচুর করেছেন টিউশন ফি কমানোর জন্য যাতে গরীবের ছেলেরাও সেখানে পড়তে পারেন। না তা করেননি, বরং সুবোধ বালকের মতো নির্বিঘ্নে সেখানে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছেন আর অবরোধ বা বন্ধের আন্দোলন করছেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি নিয়ে।

৩১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:৩৯

খান মেহেদী ইমাম বলেছেন: ভাই আমার কথা হল ঢাকার বাহিরে যেমন গাজিপুর অ অনান্য জাগায় সরকার এর যেসব খাস জমি আছে তা দখল মুক্ত করে তাতে তাদের পুনর্বাসন করুক কিন্তু তারা জানি তাদের কর্ম না হারায় তার জন্য অই পুনর্বাসিত স্থান থেকে নিয়মিত শহরে রেল যোগাযোগ এর বেবস্তা করা উচিত তাহলে দাকার চাপ কিছুটা কমবে। যেমন কলকাতা কলকাতার মানুষ বেশির ভাগ শহরের বাহিরে থেকে আসে কাজ এর জন্য। আমাদের রেল যোগাযোগ উন্নয়ন ছাড়া কোন বিকল্প বেবস্থা নেই। আর সরকার এর পরিকল্পনা কারী নামের ছাগল গুলা রে বাদ দিতে হবে।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৫:০৪

দিনমজুর বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো বলেছেন: সরকার সকল খাসজমি দখল মুক্ত করুক এবং তাতে ভূমিহীনদের পুনর্বাসন করুক এবং তারা যেন কর্মসংস্থান না হারায় সে জন্য ওই পুনর্বাসিত স্থান থেকে নিয়মিত শহরে রেল যোগাযোগ এর ব্যাবস্থা করুক।

৩২| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:৪৮

ওঙ্কার বলেছেন: @খান মেহেদী ইমাম আপনি জায়গামতো ধরেছেন।

বিশ্বের যেকোনো শহরেই মানুষ 'বসবাস' করে শহরের বাইরে, কিন্তু উন্নত রেল যোগাযোগের মাধ্যমে তারা প্রতিদিন 'কমিউট' বা আসা-যাওয়া করে।

শহরের ভেতরে মানবেতর জীবন সমর্থন ও গ্লোরিফাই করাটা কি তাহলে অসুস্থতা নয়?


আমাদের বামদের যে বিশাল 'ইন্টলেক্ট' সেটা দিয়ে তারা ফোরাম গঠন করে সরকারকে 'বাধ্য' করতে পারেন না কেন যুগোপযোগী যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করতে??

এইসব দিনমজুর টাইপ চরিত্রের হ্যালির ধুমকেতু উদয় ঘটে শুধুমাত্র সিলেক্টিভ কিছু 'আনরেস্ট' ঘটলে..

আসল কাজ করুন, পাবলিকের সমর্থন পাবেন, নয়তো আপনাদের কর্মকান্ড নিয়ে সবাই সন্দিহান হয়ে থাকবেন।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৫:০৭

দিনমজুর বলেছেন: মানবেতর জীবন যাপন কে কেউ গ্লোরিফাই করছে না। মানবতের জীবন যাপন করছে বলে তাদেরকে উচ্ছেদ করে চোখের সামনে থেকে সরিয়ে দেয়ার ব্যাবস্থা করাটাই অসুস্থতা।

আর সবার সন্দেহের কথা বাদ দিন, আপনার কি সন্দেহ বলে ফেলেন..

৩৩| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:০১

নদ বলেছেন: আমি মনে করি , তাদের উচ্ছেদ করাই উচিত । ৩০ বছর যাবৎ বস্তিতে অবৈধভাবে বসবাস করেছে, এটাই বেশী । যতযাই হোক অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদ করা খুবই যুক্তিযুক্ত । ভাল কাজ হলেও এতে কেউ ক্ষতইগ্রস্ত হবেই এটাই স্বাভাবিক । শহরের মধ্য এমন অনেক বস্তি আছে যেখানে মদ, ইয়াবা জুয়া ছাড়াও নানা অসামাজিক কার্যকলাপ হয়ে থাকে । তাই এগুলো উচ্ছেদ হলে অনেকাংশে ভালই হবে ।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৫:৫২

দিনমজুর বলেছেন: যেই দেশে হাজার কোটি টাকা লুট করা অবৈধ না, হাজার কোটি টাকার ঋণ খেলাপ করা অবৈধ না, কৃষককে ফসলের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত করা অবৈধ না, কৃষককে নানান ভাবে ভূমি হীন সম্বল করে উচ্ছেদ করে মজুরে পরিণত করে শহরে ঠেলে দেয়া অবৈধ না, দেশের হাজার কোটি টাকার সম্পদ বহুজাতিক কোম্পানির হাতে তুলে দেয়া অবৈধ না, সেই দেশে জনগণের জমিতে জনগণের থাকা তো মহা অবৈধ!!!

৩৪| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:০১

চাটিকিয়াং রুমান বলেছেন: বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইস্তেহার অনুযায়ী পূর্নবাসন ছাড়া বস্তি উচ্ছেদ চলবে না।

৩৫| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:০৮

মমিত_লিতু বলেছেন: এদের জন্য কস্ট লাগে আবার রাগও লাগে।
কিন্তু মানবতার খাতিরে বলতে চাই ওদের জন্য কিছুটা হলেও সরকার কে করা উচিৎ ।
@খান মেহেদী ইমাম এর সমাধানই সবথেকে ভাল উপায় আমার মনে হয়।

৩৬| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:০৮

বাদ দেন বলেছেন: চিন্তায় পড়লাম, ওদিকে আমার বুয়ার বাসা, তারে উচ্ছেদ কইরা দিলে , কাইলকা থেইকা আমার শার্ট ধুইয়া দিব কে, বাথরুম বা পরিষ্কার করব কেডা?

আমার কাপড় ধুয়ার এবং বাথরুম পরিষ্কার রাখবার জন্য তাদের দাবী মাইনা নাও

৩৭| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:১২

লক্ষ্যভেদী বলেছেন: এরা সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে সরকারকে ব্লাক মেইল করছে। এদেরকে কেউ ঢাকায় দাওয়াত দিয়ে আনেনি। যেভাবে এসেছে সেভাবেই গ্রামে চলে যাক।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১১

দিনমজুর বলেছেন: দাওয়াত দিয়ে আনে নি, রীতিমত বাধ্য করেছে।

৩৮| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:১৬

নদ বলেছেন: সহমত @ লক্ষ্যভেদী

৩৯| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:১৭

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: ৩ লক্ষ মানুষের এই আবাসস্থল কোন রকমের বিবেচনাতেই এভাবে ধ্বংস করে দেয়া যায় না! সরকার, সরকার প্রধান এবং কোর্টের রায়ের প্রতিফলন মানে এদের জন্য পূণর্বাসন ব্যবস্থা না করে এদের উচ্ছেদ করলে মানবতা'র চুড়ান্ত অবমাননা হবে।

যদি এই বস্তিবাসীর সমস্যা সমাধান না হয়, তবে তা হবে শুধুমাত্র তাদের সামাজিক স্ট্যাটাসের কারনে।

বড়লোকের এলাকায় ২০ ফুট জায়গা দখলমুক্ত করতে ১৭ কোটি মানুষের চোখের সামনে দিয়ে এদের বাসস্থান থেকে উচ্ছেদ করলে আমাদের সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা বহু পিছিয়ে যাবে।

অন্যান্য সরকারী জমিতে অবৈধ কল-কারখানা স্থাপনার সুষ্ঠ উচ্ছেদের আগে এবং গরীবদের থাকার ব্যাবস্থা করার আগে কোন হিসাবেই এই ধরনের "অবৈধ দখল উচ্ছেদ" কার্যক্রম সমর্থনযোগ্য নয়!


আসুন সবাই মিলে ৩ লক্ষ মানুষের বিপর্যয় ঠেকাই! এটাই মানুষের জন্য মানুষের মানবিক দায়!

৪০| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:২১

সোহানী বলেছেন: এত মানুষ, কোথায় পুনর্বাসন করবে? জায়গা কোথায়? এতটুকু একটা দেশে কোটি কোটি মানুষ, কিভাবে পুনর্বাসন সম্ভব। সবার আগে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রন করতে হবে।.....একটু ভেবে দেখবেন কি?

৪১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:৩০

জানপরী বলেছেন: আইন সবার জন্য সমান এ কথা এখন সঠিক নয়। এখন জোর যার দেশ তার! পিটানি আগে উপর মহল থেকে শুরু করলে সব ঠিক হয়ে যাবে।

৪২| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:৩৩

খান মেহেদী ইমাম বলেছেন: লক্ষ্যভেদী অবিচক এর মত কথা বইলেন না। এদের কেউ দাওয়াত কইরা আনে নাই। আমাদের ও কেউ ঢাকায় ৪০ বছর আগে দাওয়াত কইরা আনে নাই। আমরা যারা ঢাকাইয়া না তারা সবাই কর্মের জন্য ঢাকায় আসছি দেন আমাদের জেলায় আমাদের কাজ দেন আমরা এই শহরে থাকব না। আর এরা চইলা গেলে আপনারা রিকশা চালাই অফিস এ যাইবেন নিজের সব কাজ নিজেকেই তখন করতে হবে। আসেন আমরা একটাই দাবি জানাই উন্নত জোগাজগ বেবস্থার যাতে মানুষ দরকার হলে বাইরে থেকে এসে কাজ করতে পারে। যেমন ধরেন কুমিল্লা নারায়নগঞ্জ গাজিপুর এই সব জাগাতে যদি উন্নত যোগাযোগ বেবস্থা থাকত তাহলে ওখানকার লোকদের ঢাকায় বাসা ভারা দিয়ে থাকতে হত না। আর আমাদের দেশ সব সময় ধনীদের পাশে ছিল। ধনীদের জন্য আবাসিক এলাকা কই গরিব্দের জন্যতো আমাদের দেশ এ কোন বিশেষ বেবস্থা নাই। তাহলে কি গরীব হয়ে জন্মানো টা অপরাধ ?

৪৩| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:৩৫

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: একটা ছোট্ট প্রশ্ন: আপনি সরকার প্রধান হলে কীভাবে সমাধান করতেন?

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৫:৪১

দিনমজুর বলেছেন: একেবারে সাদামাটা করে বললে ভূমি সংস্কার করে ভূমিহীনদের কৃষিভিত্তিক স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থা করলে এবং শিল্প ভিত্তিক কর্মসংস্থান সহ সহল নাগরিক সুযোগ সুবিধাকে ঢাকা থেকে বিকেন্দ্রী করণ করে সারা দেশের গ্রাম শহরে ছড়িয়ে দিতে হবে।

কিন্তু এই বিষয়টা কেবল সরকার প্রধানের বিষয় না, যে রাষ্ট্র ব্যাবস্থা ধনীক শ্রেণীর স্বার্থ দেখে সেই রাষ্ট্র ব্যাবস্থার আমূল পরিবর্তন ছাড়া এই সমস্যার পুরোপুরি সমাধান সম্ভব নয়।

৪৪| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:৪১

বৃক্ষ বলেছেন: স্টিকি পোষ্টের বড়ই অভাব আজকাল । **ছাল পোষ্ট ও দেখি স্টিকি হয় । আগারগাও এর বস্তি উচ্ছেদ করার সময়ও এরকম বহুৎ কুম্ভীরাশ্রু মার্কা পোষ্ট তৎকালীন পত্র- পত্রিকায় দেখেছিলাম ।

৪৫| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:৪৩

সরলতা বলেছেন: কত সমস্যাতে জর্জরিত আমার স্বদেশ! সামুতে বসেই সমস্যার সমাধান ও বের হয়ে যাচ্ছে কিন্তু তারপর ও 'যেই লাউ সেই কদু'! এই 'যেই লাউ সেই কদু' সমস্যার সমাধান কি? :(

৪৬| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:৫৬

জুল ভার্ন বলেছেন: প্রিয় দিন মজুর ভাই, আমি আপনার লেখার একজন একনিষ্ঠ ভক্ত-যা আপনি ইতোমধ্যেই লক্ষ করে থাকবেন। কিন্তু আজকের পোস্ট প্রসংগে আমি দ্বিমত করছি কঠোর ভাবে।

প্রথম কারন, যারা বস্তিতে আছেন-তাদেরকে কিন্তু "পোষা" হয় ক্ষমতাসীন ব্যাক্তি/গোষ্ঠীর কায়েমী স্বার্থে। তারা বস্তী বাসী হতে উতসাহি হয় আমাদেরমত মানুষের প্রচ্ছন্ন সমর্থনে।

২য়ত, যারা বস্তীবাসী হয়েছেন-তারা শুধুই কর্ম হীন হয়ে শহরে আসেননি। তারা শহরে এসেছেন শহরবাসী হবার জন্যই।

ব্যাক্তিগত ভাবে আমি জানি-গ্রামে এখন শ্রমিকের অভাবে হাজার হাজার একর জমিতে চাষাবাদ করা যাচ্ছেনা। ঢাকায় একজন শ্রমিকের দৈনিক মজুরী ৩ শত টাকা।এখানে একজন শ্রমিক সপ্তাহে ৪ দিনের বেশী কাজ পায়না। তবুও তারা "ঢাকা থাকবেন"!

অন্যদিকে গ্রামে দৈনিক ৪শত টাকা মজুরী দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যায়না। গ্রামে এখনও শুধু কৃষি সেক্টরেই ১২ মাস কাজ পাওয়া য়ায়। তারপরেও গ্রাম থেকে শ্রমিক বানের পানিরমত শহরমূখী হচ্ছে। যার অন্যতম কারন উচ্চাভিলাষ বললে ভুল বলা হবেনা।

শহরে অনেক ক্ষেত্রেই কাজ থাকলেও কাজ করতে চায়না-তেমন প্রমান আমার নিজেরই দেখা আছে।অথচ এখনও শুধু মাত্র কৃষি সেক্টরেই কমপক্ষে এক কোটি লোকের কর্ম সংস্থানের সুযোগ রয়েছে।অবকাঠামোগত কারনে আমাদের দেশে অল্প শিক্ষিত, শিক্ষিত লোকদের কর্ম সংস্থানের অভাব আছে সত্য কিন্তু শ্রমিক ভাইদের কর্মের সুযোগ রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমানে।

যাদের জন্য এই পোস্ট লিখেছেন, যাদের জন্য হা হুতাশ করছেন-তারা আমাদেরই স্বজন-তাঁদের গ্রামে ফিরে যেতে উতসাহি করুণ। সেখানে কাজ আছে, শ্রমের মূল্য আছে। নিজ ভিটেমাটিতে থেকে কাজ করায় অস্মমান নেই। বরং অন্যের জমি দখল করে ব্যাক্তি, সমাজ রাস্ট্রকে জিম্মী করে এবং পূলিশের ধাওয়া খাওয়াই অপমানকর-সেই সচেতনতা তাদের মধ্যে জাগ্রত করেন।


ধন্যবাদ।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৫:২৮

দিনমজুর বলেছেন: প্রথমত, একবার কি ভেবে দেখেছেন- কেউ আপনাকে পুষতে চাইলেই কি আপনি পোষ মানবেন? বস্তিবাসীরা কেন একবার আওয়ামিলীগ একবার বিএনপি'র পোষ মানে, টাকার বিনিময়ে ভোট দেয়, মিছিলের ভাড়া খাটে, ভোট ব্যাংক হিসেবে কাজ করে? এটাকি ঐ মানুষগুলোর জেনেটিক সমস্যা নাকি আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাদেরকে আপনার ভাষায় পোষ মানার অবস্থায় ঠেলে দেয়? আপনাকে কেউ হাজার উৎসাহ দিলেও কি আপনি বস্তিতে গিয়ে থাকবেন? ভাই উৎসাহ দেয়া লাগে না, পরিস্থিতিতে পরলে আপনি আমি সবাই বস্তিতে গিয়ে অবৈধ দখলদার হিসেবে থাকতে বাধ্য হব।

দ্বিতীয়ত, কর্মহীনতা বিষয়টা একটু পরিস্কার করা দরকার। কর্মের সাথে কর্মের মজুরী, কর্মের নিশ্চয়তা, কর্মের কোয়ালিটি ইত্যাদি বিষয়ও যুক্ত। ফসল লাগানো কিংবা কাটার মৌসুমে মজুরের বাড়তি চাহিদা থাকলেও অফ সিজনে সেই মজুরকে কেউ বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াবে না। তাকে কর্মসংস্থানের খোজে ঢাকায় বা অন্য কোন শহরে আসতে হয় যেখানে রিকশা-ভ্যান চালিয়ে, হকারি করে কর্মহীনতার সময়টা পার করতে পারে। তাই কর্মের সুযোগ থাকাটাই যথেষ্ট নয়, সাময়িক ভাবে উচ্চ মজুরী থাকাটাই যথেষ্ট নয়, কোন একটি এলাকায় শ্রমিকরা স্থায়ী ভাবে থাকবেন কি-না তা নির্ভর করে সারা বছর কাজের নিশ্চয়তা ও শ্রমের কোয়ালিটির উপর ভিত্তি করে। সেই হিসেবে শহরে থাকা খাওয়া অধিকতর কঠিন হলেও, খরচ বেশি হলেও, কাজ পাওয়ার অনিশ্চয়তা থাকলেও গ্রামের মতো অন্তত বছরের অর্ধেক সময় পুরোপুরি বেকার থাকতে হবে না- এরকম একটা আশা থেকেই শহরে ছুটে আসে শ্রমিকেরা।

এর সাথে উচ্চাভিলাষের কোন সম্পর্ক নেই- উচ্চাভিলাষের কারণে আসলে দুদিনেই তার উচ্চাভিলাষ হাওয়ায় মিলিয়ে যেত, পুলিশের ধাওয়া লাগতো না, নিজেরাই বস্তিবাসীর অবমাননাকর জীবনকে লাথি মেরে চলে যেত।

৪৭| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৫:১১

ধৈঞ্চা বলেছেন:
এখানে সরকারের নমনীয় হলে চলবে না, এটা নিয়ে কোন রাজনীতি হোক তাও চাই না। এধরণের উদ্ধার অভিযান আরো আগেই শুরু করা উচিৎ ছিল। আজ সরকার ব্যার্থ হলে পরবর্তীতে এরকম উদ্ধার অভিযানে আরো সমস্যার সম্মুখীন হবে তখন সরকারী সম্পত্তি দখলের মহোৎসব শুরু হবে।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০০

দিনমজুর বলেছেন: হ্যা এইখানে সরকারের নমনীয় হইলে চলবে না, এইখানে নমনীয় হইলে সরকারের নমনীয়তা ফুরিয়ে যাবে, তখন সরকার ভারতের সাথে ট্রানজিট চুক্তির বেলায়, আমেরিকার সাথে টিফা চুক্তির বেলায়, মার্কিন কোম্পানি কনোকোফিলিপস এর হাতে দেশের তেল-গ্যাস তুলে দেয়ার বেলায়, শেয়ার বাজারের হাজার হাজার কোটি টাকা মারনেওয়ালাদের বেলায়, বসুন্ধরার মতো ভূমি দস্যুদের বেলায়....কেমনে নমনীয় হইবে!!

৪৮| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৫:১১

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: @ জুল ভার্ন ভাই, আপনার দ্বিমতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি,

৩ লক্ষ মানুষকে এভাবে এ্যাট এ টাইম ঘর থেকে উচ্ছেদ করার নানা কারন তুলে ধরা যেতেই পারে কিন্তু সল্প বা দীর্ঘমেয়াদী বিষয়গুলোর চেয়ে কি ৩ লক্ষ মানুষের থাকার জায়গা নিশ্চিত করা জরুরী। নয় কি ?

ওদের মোটিভেট করে গ্রামে পাঠাতে বা শহরে আসা ঠেকাতে টাইম ও এনার্জি প্রয়োজন। ততক্ষন তো নিশ্চয় ৩ লাখ মানুষকে পথে নামিয়ে দেয়া যায় না! এটা সম্পুর্ণ অমানবিক!

সংখ্যাটা কিন্তু ৩০০০০০ মানুষ!



গরীব - অশিক্ষিত মানুষগুলোর "মাইন্ডসেট" বদলানোর চেয়ে বড়লোকদের দ্বারা গঠিত সরকারের মাধ্যমে কিছু পদক্ষেপ নিয়ে একটা সিস্টেম তৈরী করা সহজ। আমাদের কি প্রথমেই সেদিকে নজর দেয়া উচিত নয়?

সরকার ঢাকায় নতুন বস্তি তৈরী বন্ধ করুক। নতুন করে ভাসমান নগরবাসী যেন তৈরী না হয় সেই ব্যাবস্থা করুক। সেসব করলে সমর্থনযোগ্য কিন্তু ব্যবস্থা নেবার আগেই ৩ লাখ মানুষকে পথে নামিয়ে দেয়া সমর্থনযোগ্য হয় না!

কোন যুক্তি বা বিবেচনাতেই সমর্থনযোগ্য নয়।

৪৯| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৫:১৬

খান মেহেদী ইমাম বলেছেন: জুল ভার্ন ভাই কৃষি খাতে পুর বছর জুরেই কাজ থাকে না বছর এর অনেক সময় বসে থাকতে হয়। আর আমি ভাই এগুলো নিয়ে আপনার সাথে তরকে জাব না কারন আপনার কথা আমিও কিছুটা সমর্থন করি। তবে ভাই যদি উন্নত জোগাজগ বেবস্থার মাধ্যমে শহরের বাইরের মানুষ এসে কাজ করার সুযোগ পায় তাহলে ঢাকার ওপর ছাপ অনেক অংশেই কমবে। আমদের যেটা সবচে দরকার টা হল ঢাকা কে বিকেন্দ্রি করন। যদি করতে পারি তাহলে এত সম্যসা থাকবে না। যেমন চিটাগং এ সব আছে তাই কিন্তু চিটাগং এর মানুষ ঢাকায় কম আসে। ঠিক এইরক্ম ভাবে ৬টি বিভাগিয় শহর কে গুরুতপূর্ণ করে তুললে আত্ম সম্যসা থাকবে না। আর সবচে আগে দরকার উন্নত যোগাযোগ।

৫০| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৫:১৮

মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: হুমম... পূনর্বাসন বা বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়া উচ্ছেদ ঠিক নয়, কিন্তু এদের পূনর্বাসনও কোন দিন হবে না, কারণ সরকারের সেদিকে কোন খেয়াল নেই।

আর জুলভার্ণ ভাই এর মন্তব্যের সাথেও আমি একমত।

৫১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৫:২২

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: @ জুল ভার্ন ভাই, এটুকু বলে রাখা দরকার, আপনার বক্তব্যও সমর্থনযোগ্য এবং আপনার বিশ্লেষনও যথাযত।

কিন্তু এখানে বিষয়টা ইমিডিয়েট ক্রাইসিস। সেজন্যই আপাত ব্যবস্থা নেবার কথা মাথায় রেখে দ্বিমত পোষন করেছি।

নইলে, @ খান মেহেদী ইমামের মত আমারও মত, ডিসেন্ট্রালাইজেশন ছাড়া নগরবাসীর মুক্তির কোন পথ নাই! কিন্তু এসব হচ্ছে শাষকগোষ্ঠির দায়িত্ব। তারা এই ব্যবস্থা তৈরীর আগ পর্যন্ত গরীবের মৌলিক অধিকারগুলো অগ্রাহ্য করার কোন উপায় নেই।

অনেক কিছুই হতে পারতো বা আগামীতে হতে পারে, কিন্তু বর্তমানে ৩ লাখ মানুষ গৃহহারা হয়ে গেছে। ওদের সমস্যার ইমিডিয়েট সমাধান করাটাই আমাদের সবার দায়িত্ব।

৫২| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৫:৪২

গ্রামের মানুষ বলেছেন:
শহরে আপনারা যারা শহরালী আছেন শুধু তারাই থাকবেন! আমাগো মত গাইয়া ভুতগোরে ঢুকতেও দিবেন না!!

গেরামের পতি যদি আপনেদের এতই মোহব্বোত থাকে তাইলে পরে গেরামে না গিয়া আপনেরা কার পাছায় আঙ্গুল দেয়ার জইন্য শহরে বইয়া রইছেন? শহরে যখন আইয়াই পরছি তখন আবার পাছায় লাতি দিয়া খেদায়া দিতাছেন!!?? আমগো ঠ্যাং -চ্যাং ধইরা কেউ কি ভোট চায় নাই?

চুরি বড়লোকেরা করে না? মদ, গাজা, হিরুইন বড়লোকেরা খায় না? মালের ব্যবসা বড়লোকেরা করে না? বড়লোকেরা সন্ত্রাস করে না? মাগীবাজী করে না? ১ জন ২ জনের জইন্য প্রাইবেট কার হাগাইয়া রাস্তায় জাম লাগায় না, পরিবেশ নষ্ট করে না?

হে রা হক্কলে ধোয়া তুলসী পাতা আর যত দোষ এই বস্তীর লোকজনের!

তাইলে আইন কইরা দেক, শহরে শুধু বড়লোকেরাই থাকবো, গরীবরা না।

মধ্যবিত্ত শ্রেণী নিজের সুবিদায় টান পরলে কতডা লেংটা হইতে পারে তার জ্বলন্ত প্রমাণ হিসেবে থাকবে এই পোষ্টের কিছু মন্তব্য

পূণঃবাসন না হোক অন্ততঃ দীর্ঘ মেয়াদী নোটিশ দেওন ছাড়া এই উচ্ছেদ আর বদমাসীর চুড়ান্ত করন - এই ২টার মইদ্দে আমি কুনু পার্তক্য দেহি না!!

আরেকখান জরুরী কথা, ঘরের মাঝে থাকা দুইটা শিশুর জীবন্ত বুলডোজার চাপা পড়নের হিসাবটা কিন্তু আমরা চাই ই চাই। আইজ স্বাধীন বাংলা আর পরাধীন ফিলিস্তিনের লগে আমাগো পার্থক্যডা কোথায় কেউ দয়া কইরা আমারে বুঝাইয়া কইবেন কি?

ডিসক্লেইমারঃ গেরামের মুখ্যু সুখ্যু মানুষ, আপনাদের মত সুন্দর কইরা কথা কইতে পারি না! কি কইতে কি কইয়া ফালাইছি!! ভুল ত্রুটি হইলে ক্ষমা-ঘেন্না কইরা দিয়েন।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০৩

দিনমজুর বলেছেন: দারুণ বলেছেন! আহ! আপনের মতো "গেরামের মুখ্যু সুখ্যু মানুষ"দেরই তো এখন বেশি করে দরকার।

৫৩| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৫:৪৫

সািকল খান বলেছেন: সংহতি প্রকাশ করছি।

ঘরে তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকা দুটি শিশুকে বুলডোজার দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে হত্যা করার অভিযোগ যদি সত্যি হয় তাহলে কে দেবে এই জীবন!!!!!!!!!!

৫৪| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমাদের দেশের নৈতিকতা বোধ হারিয়ে গেছে অনেক আগেই এখন আমাদের পুরোপুরি পচে যাবার সময়। একসময় শিক্ষিত মানুষ দেখলে মানুষ আদর্শবাদী মানুষের কথা যে আদর্শবাদী এমন আদর্শের কথাই বলবে যেখানে থাকবে মানবিকতা বোধ, সত্য আর ন্যায়ের পথে কথা বলার সচল শক্তি! কিন্তু হায়! আস্তে আস্তে দেশের সবাই পচে গেছে আজ!

আমাদের দেশের বামরা হলো সুবিধা না পাওয়া লোক। দেশের স্বাধীনতার পর থেকেই কিছু কিছু লোক আদর্শ আদর্শ করেও যখন ক্ষমতায় উঠতে পারলো না তখন তারা শুরু করলো লেজুড়বৃত্তি। যারা ক্ষমতার লোভ পেল তারা এমন কিছু নিকৃষ্ট কাজ করতে লাগলো যা দেখে মনে হয় উচু মানুষ উচু লেভেলের দুর্নীতি করে কিন্তু ফকিরনীর দল সেই লেভেলে দুর্নীতি করে।

পোস্ট পড়ে সেরকম একজনের ছায়া দেখতে পেলাম। আদতে আমি দুয়েকটা পোস্ট বাদ দিলে এই ব্লগে এই ফকিরনী মার্কা দুর্নীতির কথা বলতেই শুনি!


বামদের উপর রাগ কেন করা উচিত উপরে অনেকেই বলেছে। যেসব দেশে দারিদ্রতা নেই সেসব দেশে বামেদের ভাত নেই, এমনকি বামেদের দেশেও বামেরা আস্তাকুড়ে! এক পুজিবাদী কথা বলে আর কতদিন চলে বলেন? অবশ্য বামরা ইদানিং মেধাহীনতায়ও ভুগছে কারন এ পর্যন্ত কোনো টেকনিক্যাল বক্তব্যে পিওর টেকনিক্যাল লোকের স্বাধ পেলাম না!

আমাদের রাষ্ট্র একদিন উন্নত হবে, উন্নতীর মডেলটা কি হবে সেটা আমার জানা নেই। হতে পারে ভারতের মডেল অথবা হতে পারে ইন্দোনেশীয় বা ভিয়েতনামী মডেল। পুরো পুরো চকচকে উন্নত দেশ সম্ভব না কারন হলো এতবড় জন গোষ্ঠী আর স্বল্প ভূমি আর গবেষনায় আমাদের পশ্চাদপদতা। দুর্নীতী আমার কাছে এখন আর বড় ফ্যাক্টর মনে হয় না কারন পৃথিবীতে সব দেশেই দুর্নীতি বিদ্যমান, চাই সুইডেন বা নরওয়ে হোক অথবা আমেরিকা!

সরকার এই জমি চাচ্ছে কারন এর উদ্দেশ্য স্পষ্ট। আশুলিয়ার জমি সরকার ফেরত পেয়েছে কিন্তু সরকার তার আগের রূপ ফিরিয়ে না এনে নিজেই দখল করে বসে আছে। আস্তে আস্তে এটা অন্য মানুষও বৈধ উপায়ে দখল করবে!

এমন করে সরকার আজ পর্যন্ত যতগুলো খাস জমি বেদখল করেছে সেগুলো পরে বৈধ উপায়ে অন্য কেউ দখল করেছে যেমন কল্যানপুরের লেকের কিছু অংশ, আমিনবাজার- মাজার রোডের বিপরীতে বিশাল খাল।

সরকারের এটাই উদ্দেশ্য।

ধরা যাক আমি আদর্শবাদী, তাহলে আপনি কি করবেন?

আপনি বস্তিবাদীদের উচ্ছেদের বিপক্ষে তাহলে আপনি চাদাবাজ স হ সন্ত্রাসীদের পক্ষে, কারন বস্তী থাকলে সবচেয়ে বেশী লাভবান এরাই!

আবার আপনি কখনোই এসব চাদাবাজদের ব্যাপারে কথা বলেন নাই, আমি কথা বলতে শুনি নাই, তাই বলে এটাও না যে আপনি এ দলের লোক, আবার হতেও পারে!

আবার আমি যখন এ কথা বললাম তখন আপনি অবশ্যই বলবেন আমি কি করছি এই বস্তিবাসীদের জন্য।

কথা ঠিক আমি কিছুই করি নাই! কারন আমি কোনো দলীয় কর্মকান্ডের অন্তর্ভূক্ত লোক না। মূলত এটা আমার কাজ না। আমার কাজ নির্দিষ্ট পরিমন্ডলে। এখন আপনার কথা মতো সকল ডাক্তার আন্দোলনে যুক্ত হলো, তাহলে কি হবে? আপনার মা অসুস্হ হয়ে হাসপাতালে গেলে ডাক্তার পাওয়া যাবে না, কারন তারা সবাই আপনার মতো আণ্দোলনে ঢুকে গেছে।

সকল ইন্জ্ঞিনিয়ার আন্দোলনে যুক্ত হলে আর পাওয়ার স্টেশন চলবে না, কারন সবাই আপনার সাথে আন্দোলন করছে!

কথাটা আসলেই ইলজিক্যাল। ডাক্তার ইন্জ্ঞিনিয়ার সর্বোপরি সবাই তাদের নিজ নিজ অবস্হানে কাজ করে যাচ্ছে যেটা আপনার মত তথাকথিত মহান মানুষ জানবার কথা না। উপরে যাদেরকে এই কথা গুলো বললেন তারা কি কাজ করে যাচ্ছে সেটাও জানার কথা না। আর এসব কথা তখনই বলে মানুষ যখন মানুষের যুক্তিগুলোকে হেয় করে দেখা হয়!

এটাই এখনকার বামদের সবচেয়ে দুর্বলতা। নিজেদের মেধাহীনতা ঢাকতে এসব মেধাহীন কথা বলাটা আগেই দেখেছি। মেনন ইনু তো চোর চোট্টা। শেষে যদি রাস্তাঘাটের কমরেডদেরও ক্ষমতায় বসাই তাহলে আর কিছু করা লাগবে না, ফকীরনিমার্কা আকামে দেশ ভরে যাবে!

আর বস্তি উচ্ছেদের কথা বলছেন আবার অন্যদিকে ন গর বিকেন্দ্রীকরনের কথা ঠিকই বলা হয়!

এক্ষেত্রে বামরা কিছুই বলে না, বললেও স্পষ্ট করে কিছুই বলে না। একটা সময় পর্যন্ত আমি বামদের লেখা পড়তাম। কিন্তু যখন ব্যাপারগুলো গভীর থেকে বুঝা শুরু করলাম তখন মনে হলো বামরা হলো শতাব্দীর বড় বুর্জোয়া। কারন তারা নিজেরা এখনো পর্যন্ত কোনো ফ্রেমওয়ার্ক দাড়া করাতে পারেনি আমাদের দেশটাকে কিভাবে পরিশুদ্ধ করা যায়!


যদি সাহস থাকে আমাকে বোঝানোর আহবান জানাচ্ছি। ইকোয়েশন থেকে শুরু করে যেকোনো অর্থনীতির এলগরিদম নিয়ে কথা বলতে আগ্রহী। দেখি আপনাদের ফ্রেমওয়ার্ক কতটা টেকসই!

যেকোনো পোস্ট দিতে পারেন, আপনিও ব্যাস্ত আপনার চেয়ে বেশী ব্যাস্ত আমি। তবু দেশের ভালোর জন্য একটা ডিবেট, সকল শিক্ষিত ব্লগার সেখানে অংশগ্রহন করুক!

দেখান আপনাদের তত্ব গুলোর ভায়েবিলিটি কত?

আর এসব হাবিজাবী লেখায় কমেন্ট করতেও রুচীতে বাধে ইদানিং!

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০৮

দিনমজুর বলেছেন: হাবিজাবী লেখায় রুচীর বাধা অতিক্রম করে মন্তব্য করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

৫৫| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১৩

চাঁন মিঞা সরদার বলেছেন:
চাদাবাজ-সন্ত্রাস-মাদক-ছিনতাই-অপহরন ইত্যাদির ভয়ানক স্বর্গ রাজ্য হলো সব ধরনের বস্তি। এই সব বস্তিকে ঢাকার মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা হোক।

X(( X(( X(( X(( X(( X(( X(( X(( X(( X((

আর যেই সব বস্তিবাসী রাস্তা অবরোধ করেছে তাদের কে থাপরাইতে থাপরাইতে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়া হোক। X( X( X( X( X(

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৩

দিনমজুর বলেছেন: হুম, বস্তিই সকল সমস্যার মূল.. বস্তি উচ্ছেদ করলেই ঢাকা শহর স্বর্গ হয়ে যাবে!

৫৬| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১৪

জুল ভার্ন বলেছেন: দিন মজুর ভাই,পৃথিবীর অনেক দেশের মতই বাংলাদেশেও এখন কৃষি শুধু মাত্র ধান উতপাদন নির্ভর এক/দুই ফসলী নয়। এখন সারা বছরই কৃষি কাজ হয় সিজন ওয়াইজ।কাজেই ৬ মাস কৃষকদের কর্মহীন থাকার দিন শেষ।কাজ করার ইচ্ছা থাকলে কাজের অভাব বাংলাদেশে নাই।

@প্রজন্ম৮৬, কতজন/কত লক্ষ লোককে গৃহ হারা হতে হবে-সেটা মূখ্য বিষয় নয়। কারন, একজনের মাথা গোজার যায়গাটুকু হারানোই অনেক কষ্টের। যিনি হারান-তিনিই তা সবার থেকে বেশী অনূভব করেন, তেমনি প্রতিটি বিবেকবান মানুষই তা অনূভব করবেন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে-আমি কার যায়গায় থাকবো? কে আমাকে থাকতে দেবে? কে আমাকে, আপনাকে থাকতে দিয়েছিল? এই কথাগুলোর উত্তর আমি আপনি দিন মজুর ভাই সবাই জানি.......। কাজেই বড় জোড় তাদেরকে সময় বেধে দেয়া যেতে পারে-কিন্তু বেধে দেয়া সময়ের মধ্যে কিম্বা আদৌ আজ পর্যন্ত একটা অবৈধ বস্তীও খালি করা সম্ভব হয়েছে? এইযে সময় চাওয়া-এর অর্থ হচ্ছে সময় নিয়ে সংঘবদ্ধ হওয়া......আরো শক্তি সঞ্চয় করে আরো দখল করা! ফলাফল-কয়েকটি রাজনৈতিক দলের ফায়দা নেওয়া......।

যে তিন লক্ষ লোকের বাসস্থানের ব্যাবস্থা করা উচুত-তারা কিন্তু সহজেই সেই দায়িত্ব নিজেরাই বহন করতে পারেন। আপনি খেয়াল করে থাকবেন-দুই ঈদের সময় বস্তীগুলোও প্রায় ফাঁকা হয়ে য়ায়। অর্থাৎ ঢাকা থেকে কম পক্ষে ৩০ লক্ষ মানুষ নিজ নিজ গ্রামে চলে য়ায়। তারা গ্রামে গিয়ে কিন্তু নিজ নিজ বাড়িতেই থাকেন।গ্রামে তাদের বাড়ি/ঘর আছে।এখনও তারা গ্রামে চলে গিয়ে উদ্ভূত এই সমস্যার সমাধানে সহযোগীতা করতে পারেন। কিন্তু আমরা তাদেরকে "মানবতার" খাতিরে আশ্রয় প্রশ্রয়, সমর্থন দিয়ে-ভুল পথে পরিচালিত করছি।
মনে রাখতে হবে-এখনও বাংলাদেশ সম্পূর্নই ঢাকা কেন্দ্রীক রাস্ট্র। কাজেও ঢাকা বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। ১৬ কোটি মানুষ বাঁচবে।

@ খান মেহেদী ইমাম, অনেষ্টলী বলছি এবং আমার সম্পর্কে যাদের ধারনা/জানা আছে-তারা ভাল করেই জানেন আমি অসহায় মানুষের উচ্ছেদের পক্ষপাতি নই। কিন্তু এভাবে আর কতদিন? বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক অবস্থান মোটেই তেমন পর্যায়ে নেই-যে একন একটা সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর দ্বায় দ্বায়িত্ব সরকার গ্রহন করতে পারে। তবে সকারের কিছু সুদুর প্রশারি পরিকল্পনায় কিছুটা সফলতা আসতে পারে। সেজন্য চাই সমন্বীত কার্যক্রম। আমিও আপনার সাথে সম্পূর্ণ একমত হয়েই বলছি- সবার আগে সরকারকে ডিসেন্ট্রালাইজেশন করতে হবে।

ধন্যবাদ সবাইকে।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৬

দিনমজুর বলেছেন: আপনার অনেষ্টলী বলা কথা অনুসারে গ্রাম বাঙলায় কোন অভাব নাই, বৈষম্য নাই, সবার সব কিছু আছে, তাও কেবল সখ করে গ্রামের বোকা লোক জন ঢাকা শহরে এসে বস্তিতে ধুকছে!!!

"এভাবে আর কতদিন? বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক অবস্থান মোটেই তেমন পর্যায়ে নেই-যে একন একটা সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর দ্বায় দ্বায়িত্ব সরকার গ্রহন করতে পারে।"

এভাবে আর কতদিন মানে? কোন দিন কোন সরকার সংখ্যা গরিষ্ঠের প্রতি তার দ্বায়িত্ব পালন করেছে!! সংখ্যা গরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর প্রতি সাংবাধানিক দায় সরকার বহন করলে সংখ্যা গরিষ্ঠ মানুষের এই দুর্দশা তো ঘটার কথা না। সরকারের কাজই হলো জনগণের প্রতি তার দ্বায়িত্ব পালন করা। এর কোন কয় দিন, কত দিন বলে কোন কথা নাই।

৫৭| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:২০

মশিউর মামা ১ বলেছেন: আলোচনার ইচ্ছা আছে ,

কিন্তু আগে বলেন আপনে কি বাম রাজনীতির আদর্শে বিশ্বাসী ?

এর পর বাকি কথন ..........................

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৯

দিনমজুর বলেছেন: বাম রাজনীতি করি কি করি না সেটা আগে জেনে নিতে হবে কেন?

৫৮| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:২৫

রামন বলেছেন:
আমার মনে হয় ঢাকা শহর ও তার আশপাশের ৩০ শতাংশ জমি ( খাল, লেক , নদী ) ভূমিদস্যুদের দখলে চলে গেছে । এটা বরই অন্যায় করা হবে এসব দখলকৃত জমি বড় বড় রাঘব বোয়াল ও ভূমি দস্যুদের হাত থেকে উদ্ধার না করে দখলকৃত জমির উপর বসবাসরত ভিটামাটিহীন দরিদ্রদের উচ্ছেদ করা হলে । তবে উচ্ছেদ প্রকল্প যদি এখান থেকেই শুরু করা হয় সেটি ভিন্ন কথা ।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫০

দিনমজুর বলেছেন: এই উচ্ছেদ করার উদ্দেশ্য হলো বড় দখল দারদের হাতে জমি তুলে দেয়া...

৫৯| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৫

ডাঃ মোঃ কায়েস হায়দার চৌধুরী বলেছেন: এই বস্তির কারনে ঐখানে যে কি পরিমান ছিনতাই হয়....শুধু এটা যারা ঐখানে থাকে তারাই জানে।...........এই বস্তি এরা কোথা থেকে জমি পাইছে ? এইখানে সন্ত্রাসীর প্রথমে জমি দখল করছে তারপর ওরা এইখানে বস্তি বানাইছে।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫২

দিনমজুর বলেছেন: হুম বস্তিই সকল সমস্যার মূল.. বস্তি উচ্ছেদ করলেই ঢাকা শহর স্বর্গ হয়ে যাবে!

৬০| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৫

জারনো বলেছেন:
নতুন কিছু সৃষ্টির জন্য পুরাতনকে বিদায় নিতে হয়।
আমরা বস্তি চাইনা, এখানে সুবিশাল আকাশ ছোঁয়া
দৃষ্টি নন্দন সপিং মল ও বাণিজ্যিক ইমারত দেখতে
চাই।

৬১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩২

বাংলিক বলেছেন: বস্তিওয়ালা জাগো...........................।

৬২| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৩

পাস্ট পারফেক্ট বলেছেন: ৩ লাখ মানুষ? ওরে বাব্বা! সেনাবাহিনীকে কেন খবর দেওয়া হইলো না? ট্যাংক কামান লাগতো আজকা।

৬৩| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫০

প্রবাসীআমি বলেছেন: govt hav to think about it

৬৪| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫০

প্রবাসীআমি বলেছেন: govt hav to think about it

৬৫| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৯

শিক কাবাব বলেছেন:
ওকে, ঠিক আছে। সরকার ৩ লক্ষ বস্তিবাসকে পুনর্বাসন করে দিল। কালকে আবার ঢাকা শহরের অন্যত্র বস্তি গড়ে উঠবে। আবার পুনর্বাসন। আবার গড়ে উঠবে, আবার পুনর্বাসন।

এখাবে পুনর্বাসন দিতে থাকলে .......। যারা বস্তি ভাঙ্গার বিপক্ষে তারা একটু বুদ্ধি খাটান। সরকারের উপর দায়িত্ব ফালান ক্যান? জীবনেতো অনেক কামাইছেন। দেন না একেক জনে মাত্র ২০/২৫ হাজার টাকা করে। তারা একটু গরু কিনুক, একটা মুদি দোকান দিক। পারবেন? পারবেন না। তাই, যা জানেন না জানবেন না তা নিয়ে কথা বলবেন না, যা পারবেন না তা অপরকে পারতে বলবেন না।

৬৬| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ৮:১২

মশিউর মামা ১ বলেছেন: 'বাম রাজনীতি করি কি করি না সেটা আগে জেনে নিতে হবে কেন?'-

কারণ আপনারা ভার্সিটির বেতন ১০ টাকা থেকে ১৫ টাকা করলে বেনসন সিগারেট খেতে খেতে আন্দোলন করেন আর এই আন্দোলনের ফলে ভার্সিটি ৬ মাসের জন্য বন্ধ হয়ে যায় | ৬ মাস পর এসে গর্বিত গলায় দাবি করেন আমাদের মাসে ৫ টাকা করে বাচিয়ে দিয়েছেন , কিন্তু জীবন থেকে ৬ মাস সময় যে চলে গেল এটা আপনাদের কাছে কিছুই না |
( আপনি বাম রাজনীতি না করলে উপরের মন্তব্য আপনার জন্য না )

৬৭| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ৯:০৩

খান মেহেদী ইমাম বলেছেন: ভাই সবাই আমরা ডান বাম কেনও চিন্তা করছি। যারা রাজনীতি করে কেউ মাইনসের ............ না। সে দান হক আর বাম হক।

এখন আসি আসল কথায় এই ৩০০০০০ লোক এর পুনর্বাসন কোন সমাধান না। আমাদের এই সম্যসা সমাধান এর স্থায়ী চিন্তা করতে হবে। যেমন আমি দুবাই থাকি এখানে পরিকল্পনার বাইরে কোন বিল্ডিং হলে পানি আর বিদ্যুৎ দেয় না। এখানে প্রায় সব কিছু পরিকল্পনা করে করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু আমাদের সরকার নামের গণতন্ত্রের অবৈধ সন্তানরা নিজের স্বার্থে দেশ এর ..... মারে। আমারা ভাই ঝগরা বাদ দেই আসেন চিন্তা করি এদের পুনর্বাসন ও এই বস্তি সম্যসার স্থায়ী সমাধান কিভাবে করা যায়।
আমাদের ভাল পরিকল্পনা মিডিয়া কাছে তুলে ধরার দায়িত সামু আর সামুর সাংবাদিক ব্লগার ভাইদের।

৬৮| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ৯:১০

ক্ষুধিত পাষাণ বলেছেন: এই পোস্টের কন্টেন্টের চরম বিরোধীতা করছি। ঢাকা সিটিতে সকল অপরাধের হোতা এই আন্দোলন কারীরা-যা আজকে ওদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপেই প্রমানিত হয়। এই পোস্ট কোনো ভাবেই স্টিকি হবার যোগ্য নয়।

৬৯| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ৯:২৫

সৈয়দ ইবনে রহমত বলেছেন: দেশটাই যখন ক্ষমতার বুলডজারের চাপায় পিষ্ট, তখন বস্তিবাসী দুইটা শিশু কিংবা তিন লাখ বস্তিবাসীর জন্য চিন্তা করার দরকার কি?

আর শুধু পুনর্বাসনেই কি সমাধান পাওয়া যাবে? মোটেই না। তাই পুনর্বাসনের পাশাপাশি মানুষকে যেন আবার কোনো বস্তির আশ্রয় খুঁজতে না হয় সেই উদ্যোগ নিতে হবে। উপদেশটা তো আমিই দিতে পারলাম, কিন্তু বাস্তবায়ন করবে কে? যাদের বাস্তবায়ন করার কথা তাদের কি এইসব নিয়া ভাবার অবসর আছে?

৭০| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ১০:২৮

আমি মেসি বলছি বলেছেন: যত পার শুধু গরিব কে মারাতে পারলে যারা রাঘব বোয়াল তাদেরকে কিছু করে দেখাও ওদের পুনর্বাসন না করে কেন উচ্ছেদ করা হল ...... পারলে বসুন্ধারার একটা ঘাস ছিরে দেখাক :@ :@ :@

৭১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ১০:২৯

সিলেটি জামান বলেছেন: সৈয়দ ইবনে রহমত বলেছেন: দেশটাই যখন ক্ষমতার বুলডজারের চাপায় পিষ্ট, তখন বস্তিবাসী দুইটা শিশু কিংবা তিন লাখ বস্তিবাসীর জন্য চিন্তা করার দরকার কি?

আর শুধু পুনর্বাসনেই কি সমাধান পাওয়া যাবে? মোটেই না। তাই পুনর্বাসনের পাশাপাশি মানুষকে যেন আবার কোনো বস্তির আশ্রয় খুঁজতে না হয় সেই উদ্যোগ নিতে হবে।---সহমত।

অবশ্যই বস্তি বাসীর পুনর্বাসন দরকার। ঢাকা শহরের বড় লোকেরা টিকে আছে এই বস্তি বাসীর জন্যই। গার্মেন্টস শিল্প, কলখারখানা সব কিছুতেই এই বস্তি বাসীর অবদান আছে। কোটি টাকার মালিক তাও এই বস্তি বাসীর অবদান।

তবে এই ভাবে অপরিকল্পিত বস্তির উচ্ছেদ দরকার এবং অবশ্যই পুনর্বাসন সহ। ঢাকার সব অপকর্মের জন্য বস্তিবাসী দায়ী নয়। দায়ী হচ্ছে আমাদের রাজনীতি, দায়ী হচ্ছে আমাদের সরকার। এই বস্তি গুলাও রাজনীতির ফসল।

আর দেশের ভূমি দস্যুরা দেশের অর্ধেক জায়গা দখল করে বানিজ্য করতেছে সরকার তাদের **ছিড়তে পারছেনা। যত দোষ বস্তিবাসীর X( X(

৭২| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ১০:৩২

স্বপ্নরাজ বলেছেন: চমৎকার একটা আলোচনা চলছে।

অনেকেই বলছেন যে কোর্ট থেকে রায় এসেছে , বস্তি অবৈধ ইত্যাদি। তাদের কাছে সবিনয় প্রশ্ন থাকে এই অবৈধ বস্তি উচ্ছেদ করলে কোর্টের রায় বাস্তবায়ন হয় বটে কিন্ত হটাৎ করে কিছু মানুষ যে আশ্রয়হীন, ঠিকানা হীন হয়ে যায় সেটা কোন মানবতায় যায়?

লোভী আর ভয়ংকর মানুষগুলো ঢাকার খাল বিল সবকিছু দখল করে নিচ্ছে সেগুলো উচ্ছেদের কোন দায় নাই সরকারের? গরীব মানুষগুলোকে বাস্তুচ্যুত করলেই আইন প্রতিস্ঠা হয়ে যায় ..এমন আইন দেশে শুধু ভয়ংকর শ্রেনীবৈষম্যই তৈরী করবে। এবং একদিন হয়ত এর পরিনতি চরম হবে।

দারুন পোস্টের জন্য ধন্যবাদ দিনমজুর । তবে

অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: শিরোনাম সংশোধিত হলে এই পোষ্ট স্টিকি হবার দাবী রাখে।


শুনেছিলাম মডারেশনে আছেন শরৎ.... সত্যিই মজা পেলাম।

৭৩| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ১০:৪৭

হাবিব০৪২০০২ বলেছেন: লেখক বলেছেন:সরকারী জমি প্রভাবশালীদের হাত থেকে মুক্ত করে রাষ্ট্রীয় ভাবে বস্তিবাসীদেরকে বন্দোবস্ত দেয়ার কোন পরিকল্পনা হচ্ছে না কেন?

৭৪| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ১১:০৭

সত্যান্বেষী বলেছেন: পোস্ট এবং বিশেষ করে কমেন্টগুলি পড়লাম। দেশের অধিকাংশ মানুষই যে ছোট ছোট হাসিনা, খালেদা, এরশাদ, নিজামি - একথা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। এবং এই কারনেই ঘুরে ফিরে এরা নিজেদের বৃহত্তর সংস্করণগুলিকেই ভোট দেয়, ক্ষমতায় আনে। ফলাফল: একটা অসীম দুর্ভোগের বৃত্তে ঘুরপাক খেতে থাকি আমরা সবাই।

ঘুরে ফিরে বেশীর ভাগ কমেন্টদাতাই বস্তি উচ্ছেদের পক্ষে। এই লোকগুলো এখন কোথায় দাড়াবে, কি খাবে, কি করবে - এদিকে বিন্দুমাত্র ভ্রক্ষেপ নেই কারোর। এখনো আমরা সমাজের দলিত, পিষ্ট, সবকিছু কেড়ে নেয়াদেরকে সেই শত শত বছর আগের হাবশি কৃতদাসের অধিক কিছু ভাবতে শিখলাম না! মানুষের যে একটা ন্যূনতম অধিকার থাকে মানুষের মতো বেঁচে থাকার তাও শিখলাম না। আরে ১০০ খুনের আসামীকেও তো রাস্তায় খোলা আকাশের নিচে সহায়-সম্বলহীনভাবে ফেলে রাখে না কোন দেশ! সবদিক থেকে বঞ্চিত বস্তির এই তদরিদ্র মানুষগুলোরও যে মাথা গোজার আশ্রয় একটা অধিকার বেশির ভাগ কমেন্টদাতার কথা থেকে তা বোঝা যায় না।

আমরা তথা আম-জনতাই সবচেয়ে বড় চুতিয়া। আমরাই ছোট ছোট হাসিনা, খালেদা, এরশাদ, নিজামি।

৭৫| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ১১:১৮

একলা বগ বলেছেন: ১/১১ এর সরকারের উচ্ছেদের ফলাফল কি হইছিল জানেন, বহু মানুষ যাদের ফুটপাথে ছোট্ট একটা হকারি দোকান ছিল, বা এইরকম সাধারন কোন কিছুর উপর ভিত্তি করে যাদের জীবিকা নির্বাহ চলত এদের অনেকেই ক্ষুধার জ্বালা সহ্য করতে না পেরে চুরি ছিনতাই করতে বাধ্য হত।

ওহে নীল রক্তের সুবিধাবাদি সুশীলরা, আজকে আপনি যেই বস্তি,সন্ত্রাস, চাঁদাবাজির কথা বলিতেছেন? সেইটার মূল কারন নিয়ে কতটুকু চিন্তা করছেন।

হায় আফসোস, এদের কথা শুনে মনে হচ্ছে যেহেতু এই দুপেয়ে গুলি গরীব, যেহেতু এদের স্থায়ী কোন থাকার যায়গা নাই, যেহেতু এদের শিক্ষা নাই, যেহেতু এদের বুদ্ধিবৃত্তি নিম্নস্তরের কাজেই এই ধরনের লোকেদের বেঁচে থাকার জন্য নুন্যতম একটা আবাসস্থলের কোন প্রয়োজন নাই।

উপরে উদাসী স্বপ্ন নামের বিদেশগামী, পিএইচডি করে জাতে উঠার তালে মগ্ন এক বদগন্ধ যুক্ত অহংকারী ছাগলের মন্তব্য দেখেন। ছাগলটা কখনো সাধারন মানুষের সমস্যা নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করছে বলে মনে হয় না। যেই ছাগলটার অতিরিক্ত জ্ঞান উপচিয়ে পড়া অহংকারী পোষ্টগুলোর মোটিভ থাকে সবসময় নিজেকে কাবিল প্রমান করা, সেই নিকৃষ্ট ছাগলটা নাকি আজকাল অরুচিতে ভুগতেছে, সাধারন মানুষের নীড় ধ্বংস হয়ে যাওয়ার কথা নিয়ে লেখা সাদামাটা ব্লগপোষ্টে সে নাকি রুচি পায় না।

ছাগলটার এবং তার যেই সমস্ত জ্ঞাতিগোষ্ঠি আজকে এই পোষ্টের বিরোধিতা করতেছে, তাদের মুখে থুতু দিতেও ঘৃনা করতেছে।

৭৬| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ১১:২৩

হাবিব০৪২০০২ বলেছেন: গ্রামের মানুষ বলেছেন: চুরি বড়লোকেরা করে না? মদ, গাজা, হিরুইন বড়লোকেরা খায় না? মালের ব্যবসা বড়লোকেরা করে না? বড়লোকেরা সন্ত্রাস করে না? মাগীবাজী করে না? ১ জন ২ জনের জইন্য প্রাইবেট কার হাগাইয়া রাস্তায় জাম লাগায় না, পরিবেশ নষ্ট করে না?

হে রা হক্কলে ধোয়া তুলসী পাতা আর যত দোষ এই বস্তীর লোকজনের!

৭৭| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ১১:৪১

হাবিব০৪২০০২ বলেছেন: হঠাৎ করে কোন পুর্নবাসন ছাড়াই তাদেরকে উচ্ছেদ করার ফলে তারা বাধ্য হবে চুরি,ছিনতাই,রাহাজানি করতে- আর এতে পয়সাওয়ালা লোকরা যখন চুরি,ছিনতাই,রাহাজানির শিকার হবেন তখন টের পাবেন পুর্নবাসন ছাড়াই তাদেরকে উচ্ছেদ করার ফলাফল। অবশ্য তখন বিরোধীদল বলবে রাষ্ট্রীয় মদদে সন্ত্রাস বেড়ে গেছে, সরকার যখন বিরোধীদলে যাবে তারাও একই কথা বলবে- সমস্যার সমাধান কেউ করবে না- মাঝখান থেকে ঢাকাবাসী ছিনতাই এর শিকার হতেই থাকবে.....হতেই থাকবে

৭৮| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ১২:১১

গ্রামের মানুষ বলেছেন:
সত্যান্বেষী বলেছেন: ...........আমরা তথা আম-জনতাই সবচেয়ে বড় চুতিয়া। আমরাই ছোট ছোট হাসিনা, খালেদা, এরশাদ, নিজামি।

সহমত। এবং আমার মতে এটাই দেশের উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা - আম জনতার অনুন্নত মানসিকতা। বিমানে উঠলে অন্য জাতির লোকদের সাথে আমাদের বাঙ্গালী ভাইদের আচরণ তুলনা করে দেখলে লজ্জায় পড়ে যাই

যে মানুষগুলোর মাথার উপর থেকে ছাদ সরে গেল নিজেকে তাদের স্থানে চিন্তা করেন। যে শিশুগুলো অনাহারে অবুঝ চোখে এদিক ওদিক তাকাচ্ছে তাদের কথা ভাবুন।

আপনাদের মত এরিস্টটল কিংবা কবি নজরুল আমাদের ভাত যোগায় না, যোগায় এইসব খেটে খাওয়া মানুষেরাই। ঢাকা শহরে আপনার চেয়ে এদের অবদানই বেশী।

রিক্সাওয়ালা, মাছ-তরকারী বিক্রেতা, বুয়া, নির্মাণ শ্রমিক, হোটেল-রেস্টুরেন্টের বয়-বাবুর্চি, দোকান কর্মচারী ----- এরা কেউই আপনাদের মত বড় বড় এপার্টমেন্টে বসে কফি খেতে খেতে ল্যাপটপ দিয়ে ব্লগিং করে না। সুতরাং নির্ভয়ে রাজা-উজির পিটায়া মাইরা ফেলেন, ভয় নেই, বস্তির কেউ এসে আপনাদের কে সিন্ডিকেটবাজী করে ক্যাচালেও ফেলবে না, কোন ট্যাগিংও করবে না!

তাই মর্দ জোয়ান হও আগুয়ান, পিডায়া খেদাও ফকিন্নী গো, হিরক রাজ্যে ভূখা-নাঙ্গা! এমন কিছু মানায় কি গো!!!

৭৯| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ১২:৩৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: বস্তিবাসীদের বর্তমান বস্তি থেকে উচ্ছেদ করে ঢাকা শহরের অন্যত্র পুনর্বাসনের কোনো সুযোগ নেই, কারণ, সে পরিমাণ জায়গার সংকুলান নেই ঢাকা শহরে। মানুষ ক্রমাগত ঢাকামুখি। মানুষ ঢাকামুখি না হয়ে যাতে অন্যান্য শহরের দিকেও ধাবিত হতে পারে কর্মসংস্থানের জন্য, সরকারকে সেরকম বৃহৎ ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। এর আগে প্রয়োজন মানুষ যেন তাঁদের জন্মগত বাস্তুভিটা ছেড়ে শহরমুখি না হয়, সে উদ্দেশে গ্রামীণ অর্থনীতিকে বেগবান ও কার্যকরী করা।

গুলশান লেকপাড়ে যে-পরিমাণ জায়গায় উদ্বাস্তুরা বস্তি গড়েছে, খোঁজ নিলে হয়তো জানা যাবে এরচেয়ে বহুগুণ বিস্তৃত খাস জায়গা বহুকাল ধরে সরকারের হাতছাড়া হয়ে বসে আছে। সে জায়গা থেকে দখলদারকে উচ্ছেদ করা অসম্ভব।

বস্তিবাসীকে স্বল্পমূল্যে বর্তমান জায়গা লিজ দিয়ে দেয়ার পক্ষে আমি। ফলে এ জায়গায় বসবাসের একটা অথোরিটি পাবে তারা। তখন নিজেরাই নিজ নিজ বাসস্থান আরেকটু গুছিয়ে গড়ে নিতে পারবে তারা নিজেরাই। এটা বলছি এ কারণে যে এদেরকে অন্যত্র পুনর্বাসনের পরিকল্পনা একটা প্রহসন মাত্র, অবাস্তব, অসম্ভব।

কোনো বস্তির ছেলে হয়তো কোনোদিন ব্লগ লিখবার সুযোগ পাবে না, আর আমরা বুঝতে পারবো না নিজের খুপরি কেউ ভেঙে ফেললে তার বেদনা কতো মর্মন্তুদ হয়।



৮০| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ১:০৪

Palol বলেছেন: পূর্ণবাসন ছাড়া বস্তি উচ্ছেদ আইন করে নিষিদ্ধ করতে হবে। এভাবে বস্তি উচ্ছেদের বিরুদ্ধে ব্লগাদের পক্ষ থেকে কিছু একটা করা জরুরি। প্লিজ একট উদ্যেগ নিন। আমরা পাশে থাকব। রাষ্ট্রের কাড়ি কাড়ি টাকা মেরে যারা খায় তাদের ব্যাপারে রাষ্ট্রের নিশ্চুপ থাকাটা কোনো মতেই সমর্থন করা যায় না। বিজেএমইএ'র ভবনও ( হোটেল সোনার গাওয়ররে কাছে) অবৈধ, অথচ সেটাকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে না। কারণ ওই ভবন উদ্বোধন ও ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছেন হাসিনা ও খালেদা।

৮১| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ১:১৬

খান মেহেদী ইমাম বলেছেন: আমরা আজও পরিবর্তন হলাম না যা তাই আছি। আমরা একটা বিষয় পাইছি আর ঝগড়া শুরু কইরা দিছি। আরে ভাই সবাই পক্ষে বিপক্ষে যুক্তি দেখাইছি। কিন্তু কেউতো কোনও বুদ্ধি দিল না। আরে ভাই আপনারা আত্ম জ্ঞান নিয়া যদি ঝগড়া করেন তাহলে মূর্খ মানুষ খুন খারাবি করতেই পারে। আরে ভাই বস্তির লোকরে অনেকক্ষণ জাবত সন্ত্রসি কইতাছে আরে মিয়ারা জাইনা রাখেন যত নেশা আছে হিরোইন কন ইয়াবা কন সব বড়লোকরাই শুরু করছে আর এখন গরিবগো দোষ।

৮২| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ১:১৯

খান মেহেদী ইমাম বলেছেন: Palol ভাই আমাদের করার সময় কই আমরা তো ঝগড়া কইরাই হয়রান। ভাই আমাদের যত মেধাবী ব্লগার আছে তারা কি পারে না সরকার এর কাছে একটা পরিকল্পনা তুলে ধরতে। পারে কিন্তু কেউ করবে না।

৮৩| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ২:২৫

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: খান মেহেদী ভাই, সমাধান খুবই সোজা! কিন্তু এইটা কেউ করবে না!


শুনতে চাইলে একখান পোস্ট দেন! ঐখানে যে যার সমাধান দিয়া যাক। পরে ঐটা এডিট কইরা যেইখানে ইচ্ছা সেইখানে পাঠান!

৮৪| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১২ সকাল ৯:৫৫

রিনকু১৯৭৭ বলেছেন: সরকার সবকিছুতেই দেশের মানুষের বারটা বাজাতে চাচ্ছে। সরকার আসলে কাদের হয়ে কাজ করছে???

৮৫| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১২ সকাল ১০:৩৩

মোহাম্মদহারুন বলেছেন: একটি বড় শহরের মাঝে এই রকম বস্তি শহরের নিরাপত্তার ও জন্য হুমকি । এখানে আগুন লাগতে পারে কিন্তু আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য তেমন কোন ভাল ব্যবস্থা নেই। তাছাড়া একটি রাজধানীতে এই রকম বস্তি শহরের সৌন্দর্যের ব্যপার ও জড়ীত। যদিও আমরা গরীব।

যাই হোক ভবিষ্যতে সবার নজর রাখতে হতে নতুন করে যেন আর কোন বস্তি গড়ে উঠতে না পারে।

৮৬| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১২ সকাল ১১:৪৯

ধীবর বলেছেন: আমার বাবার মতে যে কয়টি কারণে বাংলাদেশে বাম রাজনীতি সফল হয়নি, তার মধ্যে একটি হলো, জনগণকে অধিকার আদায়ের জন্য উস্কে দিলেও পথ নির্দেশনা দিতে তাদের ব্যার্থতা। মানে গাছে উঠিয়ে মই সরিয়ে নেয়া। এই জন্য সাধারণ মানুষ বামদের আস্থায় নেয়না। উল্লেখ্য তিনি একজন প্রাক্তন বামপন্থি।

বস্তিবাসীদের হঠাৎ উচ্ছেদ যেমন নিন্দনীয়, তেমনি সাধারণ মানুষকে বস্তিবাসি বানানোর যে সামাজিক অর্থনৈতিক এবং রাস্ট্রিয় ব্যাবস্থা চালু আছে, সেটা নিয়েও গর্বের কিছু নেই। বস্তিবাসিদের পুনর্বাসন ন্য়, চাই এমন ব্যাবস্থা যাতে স্বাধীন বাংলাদেশে কেউ বস্তিবাসি হতে বাধ্য না হয়।

৮৭| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ১২:১৮

যুক্তিপ্রাজ্ঞ বলেছেন: বাংলাদেশের তুলনামূলক সবচে কম ঘনবসতিপূর্ণ পার্বত্য চট্টগ্রামে বস্তিবাসী ও বাস্তুহারাদের সরকারি খাস জমিতে পূনর্বাসন করা যেতে পারে. একই সাথে তাদের জীবিকার জন্য সেখানে শিল্প ও কৃষিতে বিশেষ বিনিযোগ করা যেতে পারে.

৮৮| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৫:৫২

মাহফুজার রহমান বলেছেন: এই শ্রমিক শ্রেণীর লোকদের কারণেই ভদ্রলোকেরা শ্রমের মূল্য পাচ্ছেন না, নাকি আপনার আমার মতো এলিট ভদ্রলোকদের কারণেই শ্রমিক শ্রেণী তার শ্রমের মূল্য পাচ্ছেন না- কোন টা?
যদি প্রশ্নের উত্তর চান, তবে রাষ্ট্রিয় বাজেট, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পড়ে দেখবেন। সবই যে তাদের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য ওয়াদা করে সেটা করে না সে জন্য আমি আপনি কেন শাস্তি ভোগ করবো। কোন মন্ত্রিীর ছেলে অপহৃত হয়েছে, কোন নেতা বা কমিশনার ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছে? নাকি আমার আপনার কোন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের নাম মাত্র কর্মচারি ঐ বস্তির বাসিন্দা? পুরো সিস্টেমকে ঢেলে সাজানো প্রয়োজন সত্যি তবে চোর না খেয়ে থাকবে এই চিন্তা করে আপনি কি আমাকে দরজা খোলা রাখার পরামর্শ দেবেন?
চোর সৃষ্টির কারন যদি দারিদ্র হয় তবে শিল্পপতি বা ভূমিদস্যুদের কি বলবেন? আপনি আমি যে স্তরে বাস করি সেখানে নিজের প্রাপ্য নাগরিক অধিকারটুকু নিশ্চিত করাই কঠিন। দেশের সব এলাকায় গরিব-ধনীর বাস আছে। কিন্তু রাষ্ট্রের দায়িত্ব গরিবদের ভাগ্য উন্নয়ন, সেটা আমার অংশে শুধু রাষ্ট্রিয় কর দেয়া। কিন্তু আমি নিয়মিত বাড়ি ভাড়া দিয়ে, গাড়ি ভাড়া দিয়ে, রাস্তা উন্নয়ন ফি, নগর উন্নয়ন ফি দিয়েও বিনিময়ে নিশ্চিত ঘুমাতে পারছি?
ভাই আবেগে যে ভিক্ষুককে দান করছেন, সেটা তার পুজি হয়ে যাচ্ছে রাষ্ট্রের কোন কাজে আসছে না।
আমি রাজধানীতে থাকি বলেই রাজধানীর যাবতীয় কর পরিশোধ করেই নিজের প্রাপ্যটুকু দাবী করছি।সেটা অবশ্যই অন্যায় নয়।
জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে যখন প্রেসক্লাবে প্লেকার্ড নিয়ে দাড়াবো তখন সমর্থন দেবেন আর অবৈধ বস্তি উচ্ছেদের প্রসঙ্গ উঠলেই গরিবদরদী সেজে সত্য আড়াল করবেন তা কি ঠিক?
ছোট অপরাধ এড়িয়ে যাওয়া মানেই বড় অপরাধ সংগঠনের সুযোগ করে দেয়া।
চট্টগ্রামে যখন গরিব গৃহহীন নিয়ে পুর্নবাসন করা হলো বললেন ওখানকার জাতি গোস্টির ক্ষতি হয়েছে বলে আপনারাই চিৎকার করলেন। এখন রাজধানীর অধিবাসীদের প্রাপ্য অধিকার দেবার কথা উঠলেই বলছেন এভাবে বস্তি উচ্ছেদ সঠিক নয়। শুধু সমস্যা না দেখিয়ে সমাধান মূলক পোস্ট দিন।
হকার উচ্ছেদের মাধ্যমে ফুটপাতের দখল উচ্ছেদ করার প্রচেষ্টা কার্যকর হলে আজ অফিসে আসার পথে দেড়-দু ঘন্টা নষ্ট হতো না। ঐ গরিবরাই আমার বৈধ আয়ের অংশ কর থেকে পুর্নবাসনের সুবিধা পেত। আমি গ্রামে নিজ জমিতে কিছু লোককে কাজ দিতে পারতাম। বাসার কেয়ার টেকার পেতাম।
প্লিজ যুক্তিবাদী হোন।

৮৯| ২৪ শে মে, ২০১২ ভোর ৪:৫৭

রাগ ইমন বলেছেন: বহুদিন পরে ব্লগে এলাম। শুভেচ্ছা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.