| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আত্মার দায়
এটি একটি লুতুপুতু প্রেম-ভালবাসাময় ব্লগ, এখানে আপনি রাজনীতি, ধর্ম, দর্শন বা ফ্যাশন কোনটাই পাবেন না। বিষয়বস্তু পছন্দ না হলে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।
এই লেখাটি অত্যন্ত অশ্লীল এবং প্রায় চটি পর্যায়ের। বিশেষ করে যাদের বিবাহ বহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কের ব্যপারে তীব্র আপত্তি আছে, তারা দয়া করে এড়িয়ে যান।
এবং দয়া করে কেউ ধর্ম ও নীতি নিয়ে ক্যাচাবেন না।
গাইনি ক্লাস চলছিলো, টপিক ছিল contraception অর্থাৎ জন্মনিয়ন্ত্রণ। পড়াতে পড়াতে ম্যাডাম বললেন, আজকাল emergency contraceptive এর ব্যবহার খুবই বেড়ে গেছে। সুতরাং এটা ভাল করে পড়বে। ক্লাসে হাসির রোল পড়ে গেলো। ম্যাডাম বললেন, তোমরা হাসছ? এই তোমাদের বয়সী ছেলেমেয়েরাই চেম্বারে এসে এগুলো চায়, আর আজকাল টিভিতে অ্যাড দেখে অনেকেই নিজে নিজে খায়, ডোজ জানেনা, ওষুধ ঠিকমত কাজও করেনা। তোমাদেরই বন্ধু-বান্ধবরা চাইলে তখন কি করবে?
ম্যাডামের কথা যদি সত্যি ধরে নেই, তাহলে এই বিপুল পরিমাণ emergency contraceptive কাদের প্রয়োজন হচ্ছে? বিবাহিত দম্পতিদের অবশ্যই না, অবিবাহিতরাও অধিকাংশই কনডম ব্যবহার করে, তারপরও যারা অতি সাহসী, অ্যাডভেঞ্চারাস বা দুর্ঘটনাবশত ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে তাদেরই এগুলো প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে আমরা কি কল্পনা করতে পারি, ধর্ম ও নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে সমাজের ঠিক কি পরিমাণ মানুষ বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কে আবদ্ধ হচ্ছে? আর এরা যে শুধু তরুণ, কিশোর-কিশোরী বা অবিবাহিত তাও নয়, এদের অনেকেই মধ্যবয়স্ক এবং অন্যত্র বিবাহিত।
আমাদের আশেপাশে চলমান প্রেমের সম্পর্কগুলো একটু ব্যবচ্ছেদ করলে দেখা যায়, একটি ছেলে ও মেয়ের মধ্যে প্রেম হয়, কিছুদিন ভালই চলে, এরপর ছেলেটি, অথবা কোন কোন ক্ষেত্রে মেয়েটি শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের কথা তোলে। যেকোনো এক পক্ষ রাজি না থাকলে শুরু হয় বিভিন্ন অজুহাত, জোরাজুরি ও চাপ প্রয়োগ। এই ভূমিকাটা সাধারণত ছেলেরাই পালন করে! ( যদিও কথাটা একতরফা শোনাচ্ছে, কিন্তু আমার মনে হয় এটাই সত্যি ) বন্ধু বা নিজের খালি বাসা, হোটেল এমনকি জনবহুল রাস্তায় গাড়ির ভেতরেও নিয়মিত সঙ্গম করার কথা শুনেছি আমি। মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীর "লিটনের ফ্ল্যাট" তো আর এমনি এমনি এতো জনপ্রিয়তা পায়নি!
আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এই যে মেয়ে তুমি এইধরনের বিপজ্জনক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছ, তুমি আসলে কি পাচ্ছ? অনেকে প্রেম-ভালবাসার টানাপোড়েনে জড়িয়ে পড়ে, ভাবে শরীর দিলেই ছেলেটি তাকে ভালবাসবে। অথচ এই ধারণাটা যে কত ভুল, তা যদি তারা জানতো! যে ভালবাসার সে এমনিই বাসে, আর যে ভালবাসা পোক্ত করতে শরীরটাকে চায়, তার ভালবাসা কোনদিনই ভালবাসা না, ওটা lust , যাকে অনেক ছেলেও love বলে ভুল করে।
কিছুদিন পড়ে যখন মোহ কেটে যায়, তখন ছেলেটিও কেটে পড়ে। মেয়েটি তীব্র মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করে, সতীত্ব হারায় ( যদি আগে থেকেই হারিয়ে না থাকে ), ঘটনা প্রকাশ পেলে সমাজে, পরিবারে অসম্ভব রকমের লাঞ্ছনা সইতে হয়, আর গোপন ভিডিও কি ছবি বেরোলে তো কথাই নেই। সাথে ভয় আছে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ( যেখান থেকে এই লেখা শুরু করেছিলাম ) বা সংক্রামক যৌনরোগের।
ধরে নেই, এর কোনটাকেই ভয় পাও না মেয়ে তুমি। তোমার যৌন জীবনটাকে উপভোগ করাই তোমার উদ্দেশ্য। প্রেমিকপ্রবর কি তা দিতে পারছে তোমাকে? কয়টা মেয়ে জানে শয্যায় সুখী হওয়া কি জিনিস? বুদ্ধদেব গুহ'র এক লেখায় পরেছিলাম, বাঙ্গালী নারীরা সঙ্গমের সময়টা কড়িকাঠ গুনে আর টিকটিকি দেখে কাটিয়ে দেয়। আজকের যুগে অবস্থার কি খুব পরিবর্তন ঘটেছে? Female orgasm বিষয়ে ধারণা আছে কতজনের? তুমি নিজে কতটুকু জান তোমার শরীর সম্পর্কে? কি করলে তুমি উত্তেজিত হও, কিসে তোমার অস্বস্তি, এগুলো নিয়ে কখনো ভেবেছ? তাহলে তোমার প্রেমিক ভাববে কেন? আর ভাবলেও সে জানবেই বা কি করে? শয্যায় যদি সুখই না পেলে, তবে তোমার যৌন জীবন উপভোগ্য হল কোন দিক দিয়ে? শুধু নিজেকে স্মার্ট প্রমাণ করার জন্য এত ঝুঁকি না নিলেই কি নয়?
ধরে নেই, বিছানায় তুমি অত্যন্ত সাহসী ও দুর্দান্ত খেলোয়ার, সেক্ষেত্রে সঙ্গী তোমার এই পারদর্শিতাকে কোন চোখে দেখে? প্রথমেই তোমাকে সন্দেহের কাতারে ফেলা হয়, আর কতজনের সঙ্গে এগুলো করে এসেছ তুমি? দ্বিতীয়ত, পুরুষ নিজের সুখের বাইরে সঙ্গীর সুখের জন্য কিছু করতে প্রায়সময়ই বিরক্ত বোধ করে, ব্লো-জব পেতে অতি আগ্রহী পুরুষও সঙ্গিনীর যোনীতে একটু ঠোঁট ছোঁয়াতে চায়না, কোন কোন মেয়ে সঙ্গমের সময় ব্যথায় কুঁকড়ে যায়, তবু তার প্রেমিকের সাধ মেটেনা, এরকম হাজারো উদাহরণ দেয়া যায়। কোন সুখটা তুমি পেলে এখান থেকে, মেয়ে?
বোনাস হিসেবে, তুমি উপহার পাবে কিছু গালাগাল। বেশ্যা, মাগী, খানকি, whore, nymphomaniac.... কত সুন্দর সব নামে প্রেমিক তোমার বর্ণনা দেবে বন্ধুদের কাছে। তোমারই শরীরের পুঙ্খানুপুঙ্খ মানচিত্র ভেবে ভেবে তারা মাস্টারবেশন করবে। শরীর তুমি একজনকে দিলেও ভাগ কিন্তু পাবে সবাই। সেটাই কি তুমি চাও?
সবকিছুকে তো আর এক কাতারে ফেলা যায় না, তেমনি এর প্রত্যেকটা ঘটনারই ব্যতিক্রম রয়েছে। অনেক অনেক প্রেম রয়েছে যা মন ও শরীর দুটোর চাহিদাকেই পূর্ণ করে, অনেক ঝড়- ঝঞ্ঝা পেরিয়েও টিকে থাকে, শুভ পরিণতিতে গড়ায়...
কিন্তু এদের বেশিরভাগের শেষটাই আমাদের জানা। মেয়ে, তুমি তখন অসহায়, ভিকটিম সাজার কোন প্রয়াস চালিও না যেন!
কেন মেয়ে? তুমি তো স্বেচ্ছায় গিয়েছিলে তার সাথে? সে তো তোমাকে হাত-পা বেঁধে, ছুরি ঠেকিয়ে বা পিস্তল দেখিয়ে ধরে নিয়ে যায়নি! তুমি তো বান্ধবী, বোন, আত্মীয়াদের মধ্যে কিংবা নিজেরই প্রাক্তন প্রেমে এধরনের ঘটনার পরিণতি দেখেছো। তাহলে কেন সতর্ক হলে না? এ তোমার নিজেরই ভুল, আর মনে রেখো, একই ভুল বারবার করে যারা ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল আশা করে, তারা নির্বোধ ছাড়া আর কিছুই নয়।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:৪১
আত্মার দায় বলেছেন: এতো সহজে কি আর কাউকে সতর্ক করা যায়? সে ছেলে হোক আর মেয়ে হোক... মডু ব্যান করে দিলে কিছু করার নাই, লেখাটার দরকার ছিল বলে মনে করেছি।
আর যারা এই লেখায় ধর্ম আর নৈতিকতা না টেনে মন্তব্য করতে পারবে, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ, কেননা শুরুতেই বলেছি আজকাল ধর্ম আর নীতিকথার ভয় কাউকে আটকাতে পারছে না, প্রয়োজন অনেক অনেক আত্মসম্মানবোধের। নিজেকে ভালবাসতে হবে, তবেই অন্যের ভালবাসা পাওয়া যাবে।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:৫৭
আত্মার দায় বলেছেন: আর পুরুষদের ভাবা উচিত - মেয়েরা সস্তা নয়।
খুবই সুন্দর বলেছেন।
২|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:৪৬
একজন ঘূণপোকা বলেছেন:
অনেক সাহসি এবং যুগোপযুগি লেখা।
সব মেয়ে না কিছু কিছু মেয়ে মনে করে যার তার সাথে শুয়ে পড়াটা একটা ফ্যাশন, যা সমাজের অন্য মেয়েদের জন্য শুভকর নয়।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:৫৫
আত্মার দায় বলেছেন: ধন্যবাদ।
৩|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:৪৯
কালোপাথর বলেছেন: দারুন লাগল লেখাটি পড়ে। বাস্তব সত্য কথা বলেছেন। এভাবে যদি চলতে থকে আমরা যারা এসব কাজের সাথে জড়িত নয় তারা সঙ্গি হিসাবে ভাল মেয়ে খুজে পাব না দেখছি।
খুব ভাববার বিষয়।
আর দয়া করে আমার প্রথম মন্তব্যটি মুছে দিবেন একটু বানানে ভুল রয়েছে। ধন্যবাদ।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:৫৪
আত্মার দায় বলেছেন: বিষয়টা ভাল আর খারাপ মেয়ের না, এই লেখাটা মেয়েদের উদ্দেশ্যে লেখা, তার মানে এই না যে সঙ্গী ছেলেগুলোর কোন দোষ নেই!
সঙ্গিনী বাছাইয়ের সময় তার অতীত নয়, বরং সে আপনাকে কতটুকু ভালবাসে, নিজের ও অন্যের কাছে কতটুকু সৎ, আর তার আত্মসম্মানবোধ কতটা প্রবল সেটা বিচার করা উচিৎ।
ধন্যবাদ।
৪|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১১:১৮
উজবুক ইশতি বলেছেন: নির্মম বাস্তব। নিজের ভালো পাগলেরও বুঝার কথা
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১:১৯
আত্মার দায় বলেছেন: ছেলেদেরও উচিৎ নিজের ভাল বুঝে মেয়েদের প্রাপ্য সম্মান দেয়া!! কেননা, সম্মান করলেই সম্মান পাওয়া যায়।
৫|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১১:২২
রাকিবুল হাসান ২০১০ বলেছেন: লক্ষ্যনীয় বিষয়, বিয়ে করতে গেলে - ভাল কনে পাওয়া যায় না । বাট, বান্ধবী হিসাবে অনেক মেয়েকেই পাই । মেয়েদের এই অবস্থা কেন ? কারা এরজন্য দায়ী ?? দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক দূরাবস্থা - এসবের জন্য দায়ী । সেই সাথে কনট্রাসেপটিভ পিল ও দায়ী । আমি মেয়েদেরকে খুব কাছ থেকে দেখি ।আমি হতাশ মেয়েদেরকে নিয়ে ।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১:২৬
আত্মার দায় বলেছেন: ভাল পাত্র হন, ভাল পাত্রী এমনিই পাবেন, আপনি বন্ধু/প্রেমিক হিসেবে উপরোক্তদের মত, তাই অনেক বান্ধবী পান!!
মেয়েদের অবস্থা নিয়ে না ভেবে, ছেলেরা সব শুধরে যাই, ভাল না বেসে কোন মেয়েকে শয্যাসঙ্গী না করি, আর করলেও তাকেই বিয়ে করি, তাহলেই সমস্যা মিটে যাবে। মেয়েদের নিয়ে হতাশা দেখিয়ে লাভ কি?!!
আর "কনট্রাসেপটিভ পিল ও দায়ী" মানে? !!!
৬|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১১:৪০
উদাস কিশোর বলেছেন: মারাত্বক পোষ্ট ।
অনেক সুন্দরভাবে যে কথা গুলো তুলে ধরেছেন এগুলো মেয়েরা বুঝলেই হলো ।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১:১৩
আত্মার দায় বলেছেন: কথাগুলো মেয়েদের উদ্দেশ্যেই বলা, কিন্তু অপমানটা যে ছেলেদের করেছি, তা কি একজনও বুঝবেনা!!
৭|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১১:৪৩
লুজার ম্যান বলেছেন: খুব ভাল পোস্ট
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:২১
আত্মার দায় বলেছেন: ধন্যবাদ।
৮|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১১:৪৮
অরণ্যতা বলেছেন: এক্কেবারে ঠিক কথা। একজন ছেলে বলছি, মেয়েদের কাছে যেটা আবেগ ছেলেদের কাছে সেটা আনন্দ।
আবেগ দীর্ঘস্থায়ী আর আনন্দ ক্ষণস্থায়ী। পুরাই উল্টা!
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১:১৮
আত্মার দায় বলেছেন: একজন ছেলে বলছি, মেয়েদের কাছে যেটা আবেগ ছেলেদের কাছে সেটা আনন্দ।
আবেগ দীর্ঘস্থায়ী আর আনন্দ ক্ষণস্থায়ী।
এটা কোন গর্বের কথা না, ভাই। মেয়েদের সম্মান করতে না শিখলে ছেলেদের কপালে ক্ষণস্থায়ী আনন্দ ছাড়া আর কিছুই জুটবে না!
৯|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১২:০১
টানিম বলেছেন: ভালো লাগলো ।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:২৫
আত্মার দায় বলেছেন: ধন্যবাদ।
১০|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১২:৪৯
আমি তুমি আমরা বলেছেন: ভাল লাগল।কিছু গুরুত্বপূর্ন প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১১:০৪
আত্মার দায় বলেছেন: হুম...
১১|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১২:৫০
নষ্টছেলে তানিম বলেছেন: যাদের সতর্ক করার জন্য লিখচেন তারা আপনাকে গালি দিচ্ছে নাতো?
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১:২১
আত্মার দায় বলেছেন: লেখাটা মেয়েদের সতর্ক করার জন্য লিখিনি, পরোক্ষভাবে পুরুষদের অপমান করেছি। তারা এটাও বুঝলোনা!!
আর গালিকে ভয় পেলে কি এতো খোলামেলা কথা বলা যায়?
১২|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১:১৪
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
emergency contraceptive সম্মধে জানতে চাই,
এটি কতটুকু কার্যকর? কখন কিভাবে কাজ করে?
১৩|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১:২৮
রাকিবুল হাসান ২০১০ বলেছেন: @@হাসান ভাই, আপনার সেল ফোন জানা থাকলে আমিই আপনাকে emergency contraceptive সম্পর্কে ক্লিয়ার আইডিয়া দিয়ে দিতাম । এ্রখানে লেখা ঠিক হবে না ।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১:৩১
আত্মার দায় বলেছেন: আপনারা সেল ফোনে emergency contraceptive নিয়ে আলাপ করতে চান, আবার কমেন্টে লেখেন "কনট্রাসেপটিভ পিল ও দায়ী"!!! বাহ!!
১৪|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১:৫৮
অরণ্যতা বলেছেন: মেয়েদের কাছে যেটা আবেগ ছেলেদের কাছে সেটা আনন্দ।
আবেগ দীর্ঘস্থায়ী আর আনন্দ ক্ষণস্থায়ী।
মেয়েদের বোঝা উচিত সে যেটাকে ভালবাসার উংশ মনে করছে সেটা আসলে ভালবাসার অংশ নয় সেটা মেয়েটির সম্মান লুটে নেওয়ার একটা কৌশল। তবে মাঝে মাঝে মেয়েদেরকেও ছেলেদের মত কাজ করতে দেখা যায়।
ছেলেদের যদি নিজে প্রেগন্যান্ট হবার ভয় থাকতো তবে সে কোন দিন কোন মেয়ের সাথে হোটেলে যেত না। ছেলেরা এত বোকা না।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১১:২৮
আত্মার দায় বলেছেন: ছেলেরা যে কত চালাক, তা আপনার কমেন্ট পড়েই বোঝা যাচ্ছে!!
কৌশল করে আরেকজন মানুষের সম্মান লুটে নিচ্ছেন, সেটা নিয়ে আবার গর্বও করছেন!!
১৫|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ২:২৯
মুহামমদল হািবব বলেছেন: তবে কিছু কিছু মেয়ে বেশ সেন্টিমেন্টাল হয় এবং তাঁরাই বেশি প্রতরানার স্বীকার হয় ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১১:৩০
আত্মার দায় বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন।
১৬|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ৩:০৫
গ্রীনলাভার বলেছেন: ধরে ধরে ১৮ বছরের মেয়েদের সাথে ২২ বছরের ছেলেদের বিয়ে দিলে কেমন হয়?
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১১:৩১
আত্মার দায় বলেছেন: দিলে তো ভালই হয়। তবে খাওয়া-পরা কে দেবে? গৌরী সেন?
১৭|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ১২:৫৪
গ্রীনলাভার বলেছেন:
এখনও তো না খেয়ে নেই। ফ্যামিলি থেকে কয়েক বছর সাপোর্ট পেলে চলবে না?
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ১:১২
আত্মার দায় বলেছেন: বাবা-মা অনেক কষ্টে সন্তানকে বড় করে, খাওয়ায়, পরায়, দেখাশোনা করে। তারপর যখন সন্তান নিজপায়ে দাঁড়িয়ে যায়, আয়-রোজগার করা শুরু করে তখন সে বিয়ে করে নিজের পরিবার গঠন করে। ( সেটা ছেলে-মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য বলে আমি মনে করি )
শুধুমাত্র শারীরিক চাহিদা পূরণের জন্য তাড়াতাড়ি বিয়ে করে, বাপ-মায়ের ওপর আরেকটি মানুষের দায় চাপিয়ে দেয়াটা স্বার্থপরতা।
তাছাড়া, এত অল্প বয়সে মন-মানসিকতা পরিপক্ব হয়না, সংসার করার জন্য মানুষ তখনও তৈরি হয়না। তাই বিয়েটা আরেকটু পড়ে করাই ভাল।
১৮|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ১:৫৮
গ্রীনলাভার বলেছেন:
১৯|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৩:২৩
আনোয়ার ভাই বলেছেন: দুইজনই ভাল মনের হলে কোন কিছুতেই সমস্যা হয় না। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ছেলেরা ছলচাতুরি করে মেয়েদের জীবন বিষিয়ে তুলে।
আমার মতে, এমন পরিস্থিতিতে মেয়েদেরো ভেঙ্গে পড়া ঠিক না। একটু সোজাভাবে বললে, ছেলেরা ভাবে মেয়েটাকে ভোগ করলাম। মেয়েরা কেন ভাবে না, ছেলেটাকে ভোগ করলাম। কারন লেনদেনতো দুইজনেরই হয়।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:২২
আত্মার দায় বলেছেন: আসলে লেনদেনটা ছেলেদের কাছে শুধুই শারীরিক, কিন্তু মেয়েরা সঙ্গমের সময় শরীর - মন দুটোরই আদান - প্রদান চায়। এটা human psychology.
তারপরও অনেক মেয়ে " ছেলেটাকে ভোগ করলাম " এভাবে ভেবে তৃপ্তি পাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু এটা তো কোন সুস্থ চিন্তা - ভাবনা নয়! তাই আমি একে encourage করতে পারলাম না।
২০|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৩:৫৯
তাসজিদ বলেছেন: আপনার আনালাইসিস ভাল হয়েছে। তারপরও আমি বলব লেখাই অশ্লীল। যদিও তা প্রথমেই উল্লেখ করেছেন।
বিশেষত masterbed, blow job এভয়েড করা যেত।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:২৬
আত্মার দায় বলেছেন: মাস্টারবেশন করার সময় তো কেউ এভয়েড করে না। ব্লো - জব দেয়ানেয়ার সময়ও কেউ এভয়েড করে না। তাহলে লিখতে গেলে আমি এভয়েড করি কেমন করে!!
২১|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:০০
তাসজিদ বলেছেন: আমি বিশ্বাস করি যে মাস্টারবেড ও বো জব বিকৃত রুচিবোধরাই ধারণ করে থাকে।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ১:১৫
আত্মার দায় বলেছেন: সবার চিন্তা-ভাবনা তো আপনার মত পরিশীলিত না। তাদের জন্যই লেখা।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
২২|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৬
মিজানুর রহমান মিলন বলেছেন: অবশ্যই সুন্দর লেখা ! আমার মনে হয় এইসব ক্ষেত্রে ছেলেদের সচেতনতাও বেশি জরুরী আর মেয়েদেরকেও বুঝতে হবে তারা সস্তা নয়।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ১:১৭
আত্মার দায় বলেছেন: "মেয়েদেরকেও বুঝতে হবে তারা সস্তা নয়"
রাইট। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
২৩|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ৮:২৭
কামরুল ইসলাম রুবেল বলেছেন: কাউকেই কম দোষ দিতে পারছিনা। তবে কেন যেন মনে হয় মাল্টিমিডিয়া মোবাইলটাই অনেকদিক থেকে বেশী দায়ী। গত শতাব্দীর শেষভাগেও এমনটা দেখিনি। জীবনে কোন মেয়েকে টিজ করিনি বা করার সাহসও করিনি (বাপের মাইরের ডরে) হায় কপাল আজকাল প্রায়শই মেয়েরা টিজ করে টাখনুর ওপর প্যান্ট পরি বলে, তাও কি; যাতে আবার অশ্লীলতার ছোয়া থাকে প্রায়শই। ভাবি আমি না হয়ে যদি আমার সেই সু(কু)খ্যাত বন্ধু জুয়েল থাকতো (জুয়েল ব্যাপক এক চীজএর নাম), তাহলে কি হতে পারত। জুয়েলের অনেকগুলো ঘটনা আছে, শুনলে চটি ফেল।
দোষটা কার, শুধুই কি জুয়েলের। ভেবে দেখবেন, কারণ পুরোটাই বাস্তব এবং বাস্তবতা থেকে বললাম।
ধন্যবাদ আপনাকে, সুন্দর পোষ্টের জন্য
২৪|
১৩ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১:১১
তৌফিক আনজাম বলেছেন: ভালো লিখেছেন
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:৩৩
রাকিবুল হাসান ২০১০ বলেছেন: শিক্ষনীয় ও জ্ঞান দানের বিষয় - সময়োপযোগী । প্রশ্ন হল , ক’টা মেয়ে আপনার এই পোষ্ট পড়ে সতর্ক হবে ? সকাল বেলায় দেখা যায় গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীর নীচে ব্যবহার করা কনডম পড়ে আছে । আপনার লেখার বিষয়বস্ত কিন্তু বেশ বড় । মডু যদি ব্যান করে দেয় - এই ভয়ে আমি বিস্তারিত লেখলাম না । তবে প্রতিরোধ পদক্ষেপ হিসাবে মেয়েদেরই এগিয়ে আসতে হবে । তুমি মে্য়ে - সস্তা নও , তুমি এটা প্রমান করো । আমি যতই জোরাজুরি করি - তুমি আমার কথায় পটে বিছানায় যাবে না । আর পুরুষদের ভাবা উচিত - মেয়েরা সস্তা নয় ।