নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অতি ক্ষুদ্র মানুষ এক তবু স্বপ্নগুলো আকাশ ছোঁয়া!

মনে প্রাণে ঘৃণা করি রাজাকার। পাকিস্তানের দালালি করার শখ থাকলে এখানে ল্যাদাতে না আসার জন্য বলা হচ্ছে।

অরণ্যে রোদন...

লেখক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে (লিখিত) এই ব্লগের কোন কন্টেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিক অন্যত্র ব্যাবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ফেসবুকঃ https://www.facebook.com/dr.saiful.bd

অরণ্যে রোদন... › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমাদের প্রায় সবার মাঝে প্রচলিত স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক কিছু ভুল ধারনা এবং তার ভিতরের সত্য। জানুন, সুস্থ থাকুন।।

১০ ই জুন, ২০১২ সকাল ১১:১৪

দেশের বৈরি অবস্থা নিয়ে তো এই কদিন অনেক লম্ফ ঝম্ফ করলাম। এবার কিছু কাজের কথা বলি যা কিছু মানুষের হলেও উপকারে আসবে। স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ে আমাদের মাঝে বেশ কিছু ভুল ধারণা প্রচলিত আছে যা কখনো কখনো খুব খারাপ পরিনতির কারন হতে পারে। তাই আসুন জেনে নিই কিছু ভিতরের সত্য, সেই সাথে অপরকে জানাই।



১। গ্যাস্ট্রিক/গ্যাসের সমস্যাঃ



আমাদের মাঝে অনেকের ধারনা গ্যাস্ট্রিক বলে একটা রোগ আছে যার লক্ষণ হল পেটে ‘গ্যাস’ হওয়া। যার ফলে পেট ফাঁপা ফাঁপা মনে হয়, মাঝে মাঝে ঢেঁকুর ওঠে এবং পায়ু পথে বায়ু যায় ঘন ঘন /:) । এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে আমরা প্রায় সকলেই Seclo বা Losectil জাতীয় ঔষধ খেয়ে থাকি। আমাদের ধারণা এই ঔষধগুলো 'গ্যাসের' ঔষধ, এরা পেটের গ্যাস কমায়।

এই ধারনাটি অনেকাংশে ভুল। ‘গ্যাস্ট্রিক’ নামে আসলে কোন রোগ নেই। পাকস্থলির আরেকটি নাম হল Gaster বা Gastros. তাই পাকস্থলি বিষয়ক যে কোন কিছু বোঝাতে ইংরেজিতে ব্যবহৃত হয় Gastric শব্দটি। যে কারনে পাকস্থলিতে কোন ক্ষত হলে তাকে বলা হয় Gastric Ulcer, তেমনি এখানে কোন টিউমার হলে Gastric Tumour, পাকস্থলিতে ফুটো হয়ে গেলে বলা হয় Gastric Perforation. আমরা যেমন চীনে তৈরি কোন পণ্যকে বলি চাইনিজ পণ্য, বিক্রমপুরের কোন ব্যাক্তিকে বলি বিক্রমপুরি- এটা অনেকটা সেরকম।



‘গ্যাস্ট্রিক’ বলতে প্রচলিত অর্থে যা বোঝানো হয়ে থাকে তা হল Gastric Ulcer. এই সমস্যা কারো হলে তার বুক জ্বালা-পোড়া করবে, পেটের উপরিভাগে চিনচিনে অথবা তীব্র ব্যাথা হবে (পানি পান করলে এই ব্যথা কিছুটা কমে যায়)। কখনো কখনো বমি ভাব বা বমিও হতে পারে। এই জাতীয় লক্ষণ থাকলেই কেবল আপনি Omeprazole গ্রুপের ঔষধ যেমন Seclo বা Losectil খেয়ে পরিত্রাণ পেতে পারেন। এখানে উল্লেখ্য যে এই জাতীয় ঔষধ খাবার আধঘণ্টা আগে খেতে হয়। এই গ্যাস্ট্রিক আলসার এর সাথে আসলে “গ্যাস” এর কোন সম্পর্ক নেই।









তবে হ্যাঁ, পেট যদি সবসময় ভরা ভরা লাগে, দুর্গন্ধ যুক্ত ঢেঁকুর ওঠে, পায়ু পথে বায়ু যায় অতিরিক্ত তবে আপনি বলতে পারেন যে আপনার পেটে গ্যাস নামক জিনিসটি অতিমাত্রায় তৈরি হচ্ছে। এটি আসলে একধরনের হজমের সমস্যা। এর সাথে আমাদের বহুল প্রচলিত গ্যাস্ট্রিকের কোন সম্পর্ক নেই। সুতরাং বুঝতেই পারছেন এক্ষেত্রে আমাদের অতিচেনা ঔষধ Seclo/Losectil কিংবা Renidin খাওয়ার কোন অর্থ নেই। পেটের এই জাতীয় সমস্যাকে সংক্ষেপে IBS বলা হয়। পুরো নাম Irritable Bowel Syndrome. এটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে তরুণ এবং যুবাদের হয়ে থাকে। নাম থেকেই নিশ্চয় অনেকে বুঝতে পারছেন যে এই রোগ হলে খাদ্যনালী (Bowel) বিরক্ত (Irritable) হয়ে থাকে। যার ফলে আপনি যাই খাবেন সে বিরক্ত হয়ে তার কাজ(হজম করা) না করে উল্টো পাল্টা আচরন করবে। এই জাতীয় সমস্যার চিকিৎসার অনেক নিয়ম কানুন আছে। সঙ্গত কারনেই এখানে সেগুলো আলোচনা করা যাচ্ছে না।





২। মিষ্টি ও ডায়াবেটিসঃ



"বেশি মিষ্টি খেলে ডায়াবেটিস হয়"- এই ভুল ধারনাটি মোটামুটি সকলেরই আছে। এটি নিয়ে অনেক কিছু বলা যায় কিন্তু তাতে বিষয়টি দীর্ঘ ও দুর্বোধ্য হয়ে যাবে। আমি সহজ করে অল্প কথায় বলার চেষ্টা করছি। আমরা যা কিছু খাই খাদ্যনালীতে যেয়ে তা হজম বা পরিপাক হয় এবং প্রতিটি খাবার ভেঙ্গেই তৈরি হয় তিনটি মূল উপাদান- শর্করা (Carbohydrate), আমিষ (Protien), চর্বি (Lipid/Fat)। এছাড়া খাবারের সাথে আরও থাকে ভিটামিন ও মিনারেল (যেমন- ক্যালসিয়াম) যাদের কোন পরিপাকের প্রয়োজন হয় না।



পরিপাক প্রক্রিয়া শেষ হবার পর এই উপাদান গুলি খাদ্যনালী থেকে প্রবেশ করে রক্তে। রক্তের কাজ হল এদেরকে শরীরের সব ধরনের কোষে নিয়ে পৌঁছে দেয়া। শর্করা (মিষ্টি জাতীয় খাদ্যের মূল উপাদান) নামক খাদ্যোপাদানটি রক্ত থেকে দেহের কোষে প্রবেশ করতে হলে একটি হরমোন প্রয়োজন হয় যার নাম “ইনসুলিন”। এই ইনসুলিন আসে পেটের ভিতরে অবস্থিত অগ্নাশয় (Pancreas) নামক অঙ্গ থেকে।







যখন নানা কারনে দেহে পর্যাপ্ত ইনসুলিনের অভাব দেখা দেয় তখনই শর্করা আর রক্ত থেকে দেহের কোষে প্রবেশ করতে পারে না। যার ফলস্বরূপ রক্ত পরীক্ষা করলে তাতে শর্করার(Sugar) পরিমান বেশি পাওয়া যায়। এই পরিস্থিতিটির নামই প্রচলিত ডায়াবেটিস (Diabetes Mellitus)। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে একজন মানুষ যত মিষ্টিই খাক না কেন যতক্ষণ পর্যন্ত তার শরীরে ইনসুলিনের ঘাটতি দেখা না দিবে অথবা নানাবিধ কারনে ইনসুলিন তার কর্মক্ষমতা হারিয়ে না ফেলবে ততক্ষণ পর্যন্ত ডায়াবেটিসের কোন আশঙ্কা নেই। সারকথা হল- মিষ্টি বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয় না কিন্তু ডায়াবেটিস একবার হয়ে গেলে অতিরিক্ত বেশি মিষ্টি খাওয়া যাবে না। তার মানে কিন্তু এই নয় যে অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়া আমি সমর্থন করছি। বেশি মিষ্টি খাওয়ার ফলে আপনার ওজন অতি মাত্রায় বৃদ্ধি পেতে পারে আর স্থুলকায় দেহ বিভিন্ন রোগের রিস্ক ফ্যাক্টর হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে। এখানে এরচেয়ে বেশি আলোচনার উপায় নেই বলে এ প্রসঙ্গে এটুকুই।





৩। ডায়রিয়া ও কিছু ভ্রান্ত ধারণাঃ



ডায়রিয়া হলেই আমরা অনেকে ফাজিল(!) সরি ‘ফ্লাজিল’ এবং ‘ইমোটিল’ নামক ঔষধ সেবন করা শুরু করি। এটি একটি বিপদজনক ভুল কাজ। ফ্লাজিল ঔষধটি Metronidazole গ্রুপের। অনেকেরই জানা নেই যে খুব সস্তা একটি ঔষধ হলেও এটি এক ধরনের এন্টিবায়োটিক। আর যে কোন এন্টিবায়োটিকেরই একটি সুনির্দিষ্ট ডোজ আছে, নির্দিষ্ট সেবন বিধি আছে। নিয়ম মাফিক সেবন না করলে এই জাতীয় ঔষধ আমাদের ক্ষতির কারন হতে পারে যে কোন সময়। তাই ডায়রিয়া হলেই বাড়ির পাশের দোকান থেকে একটি দুটি ‘ফ্লাজিল’ কিনে খেয়ে নেয়া খুব বিপদজনক একটি অভ্যাস। তাছাড়া জেনে রাখা ভাল যে শতকরা ষাট ভাগ ক্ষেত্রেই ডায়রিয়ার কারন হল Rota Virus নামক এক প্রকার ভাইরাস। আর ভাইরাসের কারনে যখন এই সমস্যা হয় তখন এমন কোন ঔষধ নেই যেটা খেলে ডায়রিয়া থেমে যাবে। এক্ষেত্রে অপেক্ষা এবং পর্যাপ্ত পরিমান খাবার স্যালাইনই একমাত্র চিকিৎসা।







আর ‘ইমোটিল’ ঔষধটির গ্রুপের নাম Loperamide। এটি পাতলা পায়খানা হলে ডাক্তাররা খেতে দিয়ে থাকেন ঠিকই তবে তা আমাদের পরিচিত গতানুগতিক ডায়রিয়ার জন্য নয়। বিশেষ ধরনের পেটের সমস্যায় এটি দেয়া হয়ে থাকে যা কেবল একজন চিকিৎসকই ঠিক করতে পারেন। যখন তখন এই ঔষধটি খাওয়া কেমন বিপদজনক একটি উদাহরণ দিয়ে বলা যাক- মনে করুন এটি খ্যাপাটে ষাঁড়ের গলায় একটি রশি বাঁধা আছে, আর সেই রশিটির অপর প্রান্ত আপনি আপনার দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে আছেন! একবার চিন্তা করুন যে কোন মুহূর্তে আপনার দাঁতগুলোর কি করুন পরিণতি হতে পারে! Loperamide (ইমোটিল) জাতীয় ঔষধ খেয়ে পাতলা পায়খানা বন্ধ করতে গেলে আপনার খাদ্যনালীরও ঠিক একই পরিণতি হবার আশঙ্কা থেকে যাবে।

ডায়রিয়ার প্রসঙ্গে ওরস্যালাইন নিয়ে দুএকটি কথা না বললেই নয়। কারো কারো ধারণা আছে যে ডায়রিয়া হলে যদি ওরস্যালাইন খাওয়া হয় তবে তা সেরে যাবে। ভুল ধারনা। পাতলা পায়খানা হলে পর্যাপ্ত পরিমান ওরস্যালাইন আপনাকে অবশ্যই খেতে হবে কিন্তু তা রোগ সারাবে না। বরং পাতলা পায়খানার কারনে অল্প সময়ের ভিতর আমাদের শরীর থেকে যে অতি মূল্যবান লবন ও পানি বের হয়ে যায় তা শরীরে পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়াই স্যালাইন পানের উদ্দেশ্য। তাই ডায়রিয়া হলে ওরস্যালাইন খাওয়া অবশ্যই শুরু করতে হবে তবে এমন আশা করা যাবে না যে পাঁচ দশ প্যাকেট স্যালাইন খেলে আপনার রোগ সেরে যাবে। কিন্তু স্যালাইন খাওয়া থামানো যাবেনা যাতে আপনার শরীরে লবন-পানির ঘাটতি দেখা না দেয়, নতুবা আপনার জীবন হুমকির মুখে পড়ে যেতে পারে।





৪। শারীরিক দুর্বলতা ও ভিটামিনঃ



‘আমার শরীরটা ভীষণ দুর্বল, মুখে একদম রুচি নাই। খুব ভাল ভিটামিন কোনটা খাওয়া যায় বলুন তো?’ – এই কথাটি আমাকে প্রায় প্রতিদিনই শুনতে হয়। বিশ্বাস করুন যখন এমন কথা শুনি তখন আমি নিজের ভিতর এক ধরনের আতংক বোধ করি। আমার মতে কোন বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা না থাকলে সেটা নিয়ে মাথা না ঘামানোই ভাল। আমাদের সমাজে স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কটি ভুল ধারণা অতি মাত্রায় প্রচলিত তার মধ্যে এটি বোধহয় সবার উপরে।





শারীরিক দুর্বলতা বা অবসাদ অনেকগুলো কারনে হতে পারে। ভিটামিন বা খনিজ লবনের (মিনারেলস) অভাব সেই কারনগুলোর তালিকায় বেশ নীচের দিকেই থাকবে। ভিটামিন এমন একটি খাদ্য উপাদান যা খুবই অল্প পরিমানে আমাদের দেহে প্রয়োজন হয় প্রতিদিন। প্রাত্যহিক যতটুকু ভিটামিন আমাদের দেহে প্রয়োজন তার প্রায় পুরোটাই থাকে আমাদের প্রতিদিনের খাবারে। তাই আলাদা করে এই জিনিসটি সেবন করা (চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত) আমাদের দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হয়ে দেখা দিতে পারে। আমরা একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাব যে ভিটামিন শরীরে কমে যাওয়ার দরুন কোন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে এমন উদাহরণ এখন একদমই বিরল। প্রসঙ্গক্রমে কিছু ভিটামিন ঘাটতির উদাহরণ দিয়ে রাখছি- 'রাতকানা' রোগটি ভিটামিন A এর অভাবে হয় এবং এটি মূলত শিশুদের রোগ। যেসব লোকজন একটানা বহুদিন জাহাজে করে ভ্রমন করে তারা অতিরিক্ত টিনজাত খাবার খেয়ে থাকে। তাজা ফলমূল খুব কমই খাবার সুযোগ হয় তাদের। এসমস্ত মানুষদের বেলায় কখনো কখনো ভিটামিন C এর অভাবে Scurvy নামক একটি রোগ হতে পারে। আরেকটি উদাহরণ, এটি কিছুটা স্পর্শকাতর বিষয়। আরব দেশগুলোতে মহিলাদের ক্ষেত্রে একটি ভিটামিনের অভাব দেখা দেয় মাঝে মাঝে। সেটি হল ভিটামিন D । কারন ভিটামিন D আমাদের দেহের ত্বকেই তৈরি হয় আর তা তৈরি হবার জন্য লাগে সূর্যের আলো। ত্বকের ওপর সূর্য রশ্মি যদি অনেক দিন ধরে না পড়ে তবে দেহে পর্যাপ্ত ভিটামিন D তৈরি হতে পারেনা।







আগের প্রসঙ্গে ফিরে আসি। একটি কথা আমরা সকলেই জানি- অতিরিক্ত কোন কিছুই ভাল নয়। আর বিষয়টি যখন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তখন তা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেলস আমাদের প্রতিদিনের খাবারেই থাকে সেহেতু অযথা বাইরে থেকে আলাদা করে এই জিনিস শরীরে দিলে হিতে বিপরীত হবার সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে A,D,E,K নামক ভিটামিনের আধিক্য আপনার আমার শরীরের লিভার, কিডনি এবং অন্যান্য অঙ্গের মারাত্মক ক্ষতির কারন হতে পারে। তাই ‘বেড়ে ওঠার ডোজ রোজ রোজ’ অথবা ‘ ...... আপনাকে বানাবে আরও বেশি বুদ্ধিমান, আরও লম্বা, আরও শক্তিশালী’ – এই জাতীয় বিজ্ঞাপন থেকে কম করে হলেও একশ হাত দূরে থাকুন, সুস্থ থাকুন। বাজারের নানা রকম চটকদার বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট না হয়ে প্রকৃতি প্রদত্ত এই জিনিসগুলোর দিকে আকৃষ্ট হলে অনেক বেশি উপকৃত হবেন ...























কারো মনে যদি এই ধারণা থেকে থাকে যে ভিটামিন বা ক্যালসিয়াম দেহের শক্তি বাড়ানোর ঔষধ তবে তা মাথা থেকে এখুনি ঝেড়ে ফেলুন। কারন- তাই যদি সত্যি হতো তাহলে পৃথিবীর সব ডাক্তারই হতো একেকটি পালোয়ান। আন্ডারটেকার বা জন সিনহার জায়গায় ডাক্তাররা সব রেস্লিং করত!





৫। ঘুমোতে যাবার আগে বেশি করে পানি পানঃ



বেশি বেশি পানি পান করা শরীরের জন্য খুবই উপকারি। কিন্তু তারও একটি নিয়ম আছে। আমরা অনেকে রাতের বেলা ঘুমুতে যাবার ঠিক আগ মুহূর্তে পেট ভরে পানি পান করে থাকি। ছাত্র জীবনে এই কাজটি আমিও করতাম খুব। বিশেষ করে খুব সকালে যদি ঘুম থেকে ওঠার প্রয়োজন পড়ত। আমি নিশ্চিত আপনারাও অনেকেই এই প্রাকৃতিক অ্যালার্ম পদ্ধতিটি কাজে লাগিয়েছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল এই কাজটি আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর। ঘুমুতে যাবার আগে পানি পান করলে রাতে আপনার কিডনি এবং মুত্রথলির উপর চাপ তৈরি হবে। আমার এই লেখার ৩নং অংশে আমি একটি রশি দিয়ে আটকানো একটি খ্যাপাটে ষাঁড়ের উদাহরণ দিয়েছিলাম। ওখানে বলেছি আপনার দাঁতের কি করুন পরিণতি হতে পারে সে প্রসঙ্গে। আবার একটু ভাবুনতো ঐ বেচারা রশিটার কথা। উক্ত ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চাপে যে কোন সময় রশিটির যেমন সলিল সমাধি ঘটতে পারে, ঠিক একই অবস্থা এই ক্ষেত্রে হতে পারে আপনার মূত্রথলির বেলায়ও। তাই রাতে শুতে যাবার আগে যদি বেশি পরিমাণে পানি পান করেন তবে অবশ্যই কিছু সময় অপেক্ষা করে মূত্র বিসর্জনের (3 Idiots সিনেমার কথা মনে পড়ে গেল) কাজটিও সেরে নেবেন। আরেকটি কথা বলে রাখা ভাল- পেট ভরে খাবার খাওয়ার পর পরই গ্লাস ভর্তি করে পানি পান না করাই ভাল। এতে হজম প্রক্রিয়া ব্যহত হয়।



পরিশিষ্টঃ



আমরা সবাই লক্ষ্য করেছি নিশ্চয়ই যে সামান্য একটু সর্দি-জ্বরও আজকাল সহজে ভাল হতে চায় না। ডাক্তারের কাছে গেলে কয়েকশ’ টাকার ঔষধ ধরিয়ে দেয়। এর দায়ভার সকল ক্ষেত্রে ডাক্তারকে দেয়া সম্ভবত ঠিক হবে না। আপনি আমি প্রতিদিন ছোট খাটো সমস্যায় বাড়ির পাশের ঔষধের দোকান থেকে অল্প কিছু ঔষধ কিনে ঝামেলা সেরে ফেলি। ভাল করে খোঁজ নিলে দেখতে পাবেন যে অলিতে গলিতে গজিয়ে ওঠা এইসব ফার্মেসির বেশির ভাগেরই কোন লাইসেন্স নেই, তেমনি নেই ঔষধ বিক্রেতাদের প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাও। এই দোকানগুলোতে মান সম্পন্ন ঔষধ খুব কমই রাখা হয়। আর দোকানদারগুলোও জানে না বেশিরভাগ ঔষধের সঠিক ডোজ ও সেবন বিধি। তারা তাই কেবল তাদের ব্যবসার স্বার্থে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ভুল-ভাল ডোজে আমাদের কাছে ঔষধ বিক্রি করে। বিশেষ করে এন্টিবায়োটিক জাতীয় ঔষধ এভাবে ভুল মাত্রায় ভুল সময় ধরে সেবন করে আমরা কেবল আমাদের নিজেদেরই ক্ষতি করছিনা একই সাথে বিপদে ফেলছি আমাদের পরিবারের অন্য সদস্যদেরও। কিভাবে? একটু ব্যাখ্যা করে বলি। ধরুন আপনি একটি এন্টিবায়োটিক (মনে করা যাক Zimax) ভুল মাত্রায় খেলেন, হয়তো খাওয়া উচিৎ পাঁচ দিন ধরে আপনি খেলেন দুই দিন। এরপর আপনার শরীর ভাল বোধ করায় আপনি আর ঔষধটি খেলেন না। এমতাবস্থায় আপনার শরীরের জীবাণুগুলো পুরোপুরি মারা না যেয়ে কিছুটা আহত হয়ে তাদের কর্মকাণ্ড সাময়িক বন্ধ রাখবে আর একারনেই আপনি কিছুটা সুস্থও বোধ করবেন। কিন্তু এই জীবাণুগুলো একটা সময় পর আবার মাথা চাঁড়া দিয়ে উঠবে! লাভের লাভ যেটা হবে তা হল আপনার এই ঔষধটি আর তাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না। অর্থাৎ আপনি আরও শক্তিশালী একটি জীবাণু তৈরি হতে সাহায্য করলেন! আর এই জীবাণুগুলো যখন আপানর শরীর থেকে বের হয়ে আপনার পরিবারের অন্য কারো শরীরে প্রবেশ করবে তখন তারাও ঐ ঔষধটি খেয়ে সুস্থ হবে না! ব্যাপারটি কতটা ভয়ংকর একবার চিন্তা করুন।











আর এভাবেই দিনের পর দিন আমাদের গাফিলতি, ফার্মেসিগুলোর অনৈতিক ঔষধ ব্যবসা এবং আরও নানা কারনে আমাদের দেশে অনেক বহুল প্রচলিত ও স্বল্পমূল্যের ঔষধ কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলছে। যার ফলে এখন খুব মামুলি রোগ সারাতেও অনেক উপরের শ্রেণীর ঔষধ ব্যবহার করা হচ্ছে। আর এসব ঔষধ স্বাভাবিক ভাবেই অনেক চড়া মূল্যের হয়ে থাকে। যার ফলে চিকিৎসা ব্যয় বাড়ছে প্রতিনিয়ত। নানাবিধ বিপদজনক জীবাণু চোখ রাঙাচ্ছে আমাদের দিকে।



তাই আসুন, সময় থাকতে সবাই মিলে সচেতন হই। নিজে সুস্থ থাকি, অপরকেও সুস্থ রাখি।

মন্তব্য ৬৩ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (৬৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই জুন, ২০১২ সকাল ১১:২৮

বিডি আইডল বলেছেন: দরকারী পোষ্ট....বাংলাদেশের ঔষুদের বহুমাত্রায় অপব্যবহারের কারণে কোন ড্রাগসই এখন আর কাজ করতে চায় না....

আপনি কি ডাক্তার?

১০ ই জুন, ২০১২ সকাল ১১:৩২

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: জি।

২| ১০ ই জুন, ২০১২ সকাল ১১:৩৪

নােয়ফ চৌধুরী বলেছেন: জানতে পারলাম +++

১০ ই জুন, ২০১২ সকাল ১১:৩৬

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩| ১০ ই জুন, ২০১২ সকাল ১১:৩৫

বিডি আইডল বলেছেন: সুপারবাগ নিয়ে মাঝে মাঝেই মিডিয়াতে খবর আসে...সেখানে দেখুন সুপারবাগের ম্যাপ



মূলত কোন প্রচলিত আ্যন্টিবায়োটিক যেটার চিকিৎসা করতে এইরকম ভাইরাস/ব্যাক্টেরিয়াকে সুপারবাগ বলা হয়
বিবিসির একটা নিউজ লিংক

আপনি যেহেতু ডাক্তার আপনার এটা জানা থাকবে...তথ্যটা সাধারণের জন্য দিলাম

১০ ই জুন, ২০১২ সকাল ১১:৩৭

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ভাল একটি কাজ করেছেন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৪| ১০ ই জুন, ২০১২ সকাল ১১:৪০

বীরেনদ্র বলেছেন: রাতে শোয়ার আগে পানি খেলে কিডনী এবং ব্লাডার এর উপর কি ধরনের চাপ পড়তে পারে?
পানি বেশী খেলে প্রস্রাব বেশী হবে আর প্রস্রাব করলেই তো সমস্যা মিটে যাওয়ার কথা।হয়ত তাকে রাতে একবার উঠতে হবে প্রস্রাব করার জন্যে ,এর বেশী কি হতে পারে?

কেউ যদি ৫/৬০০ মিলি পানি খেয়ে ঘুমায় তা হলে তা হলে ঐ পরিমান প্রস্রাব ব্লাডারে জমা হতে কি পরিমান সময় লাগবে? একটা স্বাভাবিক কিডনীর তিনভাগের দুই ভাগ যেখানে প্রয়োজনীয় কাজ করতে যথেস্ট , সেখানে পানি খেয়ে ঘুমালে বেশী চাপ পড়বে কেন? বুঝলাম না

১০ ই জুন, ২০১২ সকাল ১১:৪৫

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আপনার প্রশ্নটা বুঝতে পেরেছি। আমাকে একটু বলবেন কি আপনি কি করেন? তাহলে উত্তর দিতে আমার সুবিধে হবে। ধন্যবাদ।

৫| ১০ ই জুন, ২০১২ দুপুর ১২:৩৪

বিডি আইডল বলেছেন: @লেখক...বীরেন্দ্র সাহেব এককালে ডাক্তার ছিলেন

১০ ই জুন, ২০১২ দুপুর ১২:৩৮

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: বুঝলাম না ! এক কালে ছিলেন তবে এখন কি?

৬| ১০ ই জুন, ২০১২ দুপুর ১২:৫১

bd_harbinger বলেছেন: এক কথায় বুঝ্‌লাম... যা কিছু কর ডাক্তারের সাথে পরমার্শ করে কর.. :) পোস্টে + + + এবং প্রিয়তে..

১০ ই জুন, ২০১২ দুপুর ১:০৩

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইজান :)

১০ ই জুন, ২০১২ দুপুর ১:১২

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: পরামর্শ লাগলে অসুবিধা কি ? আল্লাহ্‌ যদ্দিন হায়াত রাখছে ততদিন তো আছি ইনশাল্লাহ ব্লগে।

৭| ১০ ই জুন, ২০১২ দুপুর ১২:৫৫

রিফাত হোসেন বলেছেন: ++ তবে লেখাগুলি অসম্পূর্ণ লাগল । :(

কেন লাগল বললাম না । :) কারণ আমার দৃষ্টি ভঙ্গি ভিন্ন ছিল ।যেহেতু আমি ডাক্তার না , তাই আর অযথা কথা বারালাম না ।

কিপ ইন আপ, আশা করি আরও ভাল লেখা পাব । :)

আর অরণ্যে রোদন নামে কোন বই বা উপন্যাস থাকতে পারে, কোন বাংলাদেশী লেখকের লেখা মনে হয় । কোথায় যেন পড়েছিলাম । :)

১০ ই জুন, ২০১২ দুপুর ১:১০

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: লেখাটি এমনিতেই বড় হয়ে যাচ্ছিল, তাই অনেক কিছুই অল্প কথায় শেষ করতে হয়েছে। আবার অন্য সমস্যাও ছিল যেহেতু বিষয়গুলো টেকনিক্যাল তাই বাংলায় সহজ ভাবে বোঝাতে গেলে অনেকের কাছে আরও বেশি লেজে গোবরে হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তাছাড়া ছবিগুলোতে ফটোশপ করতেও বেশ খানিকটা সময় দিতে হল!

তবে আপনি যদি আমার সাথে কোন পয়েন্টে ডিফার করেন তবে বলতে পারেন, আমি চেষ্টা করবো সদুত্তর দিতে।

৮| ১০ ই জুন, ২০১২ দুপুর ১২:৫৫

রিফাত হোসেন বলেছেন: কিপ ইট আপ^+

৯| ১০ ই জুন, ২০১২ দুপুর ১:২৯

েমা আশরাফুল আলম বলেছেন: "সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে একজন মানুষ যত মিষ্টিই খাক না কেন যতক্ষণ পর্যন্ত তার শরীরে ইনসুলিনের ঘাটতি দেখা না দিবে ততক্ষণ পর্যন্ত ডায়াবেটিসের কোন আশঙ্কা নেই।"
ভয়মকর কথা বারতা, ইনসুলিনের ঘাটতি হলেই শুধু ডায়াবেটিস হয় না, ওবেসিটি রিলেটেড ডিয়াবেটিসে ইনসুলিনের পরিমান প্লাজমাতে বেশিই থাকে, আর বিটা সেল ম্যাসও বেশি থাকে। ইনসুলিন রেজিসটেন্স থাকলে ইনসুলিনে লাভ কি?
নিয়মিত মিষ্টি বা শরকরা বেশি খেলে ডায়াবেটিস হবে, এটা মোটামুটি সব ধরণের (animal study and human study) experiment এ প্রমানিত। খুব ভালো ভালো য়েপিডিমোলোজীক্যাল study ও এইটা সাপোরট করে।

১০ ই জুন, ২০১২ দুপুর ১:৫০

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: @আশরাফুল আলম- আপনার মন্তব্য পড়ে আমি ধরে নিচ্ছি যে আপনি একজন ডাক্তার অথবা বায়োকেমিস্ট বা এর কাছাকাছি কিছু।
আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন যে আমি বলেছি ইনসুলিনের ঘাটতি নানা কারনে হতে পারে। এই ব্লগেও সবাই নিশ্চয়ই ডাক্তার না, তাইনা? তাই আমাকে কথাটি এভাবেই লিখতে হয়েছে এবং এতে কোন ভুল ও নেই। কারন ইনসুলিন রেজিসটেন্স আলটিমেটলি ইনসুলিনের ঘাটতিই। আমি নিশ্চয়ই এখানে অটো অ্যান্টিবডি, বেটা সেল এই জাতীয় বিষয় ব্যাখ্যা করা শুরু করবোনা? সামুতো কোন মেডিক্যাল জার্নাল না!

obesity related DM - ডায়াবেটিসের এই টাইপ টি আপনি কোথায় পেয়েছেন? রেফারেন্স প্লীজ?
আমি কি কোথাও বলেছি যে বেশি বেশি মিষ্টি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভাল? সেই শর্করা বেশি খাওয়ার ফলে কিভাবে ডায়াবেটিস হয় তার Pathogenesis আমাকে একটু বলুন প্লীজ, এই সুযোগে শিখে নিই। তবে এখানে না - পাবলিক বিরক্ত হবে। [email protected] এ মেইল করে পাঠিয়ে দিবেন প্লীজ।

নিয়মিত মিষ্টি বা শরকরা বেশি খেলে ডায়াবেটিস হবে, এটা মোটামুটি সব ধরণের (animal study and human study) experiment এ প্রমানিত। খুব ভালো ভালো য়েপিডিমোলোজীক্যাল study ও এইটা সাপোরট করে। দুই একটি স্টাডির লিংক দিলে খুব খুশি হতাম।

১০| ১০ ই জুন, ২০১২ দুপুর ২:২৯

েমা আশরাফুল আলম বলেছেন: Animal study
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/20147607
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/11103229
Click This Link
Click This Link
Click This Link
http://www.ajcn.org/content/89/6/1760.short
Click This Link
Click This Link
Click This Link
http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/21469504
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link

Human study
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link

Must read
Click This Link

১০ ই জুন, ২০১২ দুপুর ২:৪৯

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আপনার দেয়া লিংক গুলো দেখলাম। Must read বলে যে লিংকটা দিয়েছেন সেখানে কোথাও সরাসরি বলা নেই যে High intake of carbohydrate causes DM itself. Moreover article is not talking about an established truth yet. They just called it a "Hypothesis". Can u pls give any link of a reference book?

One of your study link is saying- SUMMARY:

Consuming large amounts of fructose can lead to the development of a complete metabolic syndrome in rodents. In humans, fructose consumed in moderate to high quantities in the diet increases plasma triglycerides and alters hepatic glucose homeostasis, but does not appear to cause muscle insulin resistance or high blood pressure in the short term. Further human studies are required to delineate the effects of fructose in humans.

-- i actually have failed to point out where exactly it's saying that- high CHO intake is causing DM directly. Can you pls pont it out for me?


I asked about the Pathogenesis of DM directly caused by high CHO intake? Where's that bro? Pls i need it. Don't you realize that it's gonna knock the hell out of my medical knowledge i've achieved so far. Pls help me.

One more thing? What about Obesity Dependent Diabetes??? Where did you get this classification of Diabetes? Name the book pls for me.

Thanks.

১১| ১০ ই জুন, ২০১২ দুপুর ২:৩৪

েমা আশরাফুল আলম বলেছেন: Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link

১০ ই জুন, ২০১২ দুপুর ২:৫৫

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: Don't just Google and post all the links you find regarding CHO, DM, Obesity. Pls u read them first. And give me the references which are accepted worldwide and specially by WHO. U will do just great if you can post a link of some reference books accepted worldwide.
Thank you.

১২| ১০ ই জুন, ২০১২ বিকাল ৩:১৬

েমা আশরাফুল আলম বলেছেন: ডাক্টার সাহেব এত গুলা রেফারেন্স দিলাম তাও বুঝবার পারলেন না, আর জারনাল লিনক গুলাতো well recognized high impact factor journal.
VI. Human Studies with Fructose

Numerous studies have also examined the short-term effects of sucrose or fructose in humans (reviewed in Refs. 36, 145 and 146). Although marked variability has been reported, in most cases the results are predictable based on the mechanisms we have already elucidated. For example, very high doses of fructose (250 g/d × 7 d) cause insulin resistance in 1 wk (147), whereas slightly lower doses (216 g/d for 4 wk) only induce insulin resistance at sites where fructokinase is highly expressed (liver and adipocyte) (148), and even lower doses (100 g/d × 4 wk) result in no insulin resistance at all (149). In subjects with underlying insulin resistance or obesity, the ability of fructose to induce insulin resistance can be shown with diets as low as 15% fructose (67) or 25% fructose (150). Increased sensitivity to fructose in this latter population would be predicted because underlying endothelial function would be worse compared with healthy subjects and because this group might be expected to have a prior history of fructose exposure and hence higher levels of Glut 5 and fructokinase.

Similarly, most studies show that fructose administered as 17 to 20% of the diet (about 60–70 g of fructose daily) for up to 4 wk raises plasma triglycerides in men (60, 151). In one study of young healthy men (with presumed good endothelial function), the increase in triglycerides was only shown postprandially (152). Young healthy women are more resistant to fructose-induced hypertriglyceridemia, whereas obese or hyperinsulinemic women (51, 69) or men (68) are much more sensitive. Sucrose can also lower HDL cholesterol in young men (153).

Most short-term studies have failed to show an effect on blood pressure, with the exception of two studies using sucrose (59, 154). However, one recent study showed that the effect of acute fructose loading to raise blood pressure is best observed within 1 h of ingestion (155), which is similar to when uric acid increases in the circulation. Interestingly, the administration of an identical dose of glucose had no effect on blood pressure.

The effect of acute fructose administration on weight gain has been more difficult to show. However, three studies have reported that overweight or hyperinsulinemic subjects administered sucrose-based diets have a final weight greater than controls (59, 154, 156), and the effects on weight gain are greater in subjects who were formally obese compared with those who were always lean (156). Likewise, in a recent preliminary study, Stanhope et al. (150) demonstrated that a diet of 25% fructose resulted in increased intraabdominal fat accumulation (documented by computed tomography scan) in obese women compared with similar women administered a 25% glucose-based diet.
One mechanism by which fructose may cause weight gain could be that fructose does not acutely stimulate insulin. Glucose, for example, acutely stimulates insulin release, which causes a downstream stimulation of leptin and an inhibition of ghrelin, all of which signal the satiety centers in the brain with the sensation of fullness. In contrast, fructose does not acutely stimulate insulin and, as a consequence, does not result in as significant a rise in postprandial leptin levels (157). In one study, subjects fed fructose complained of being more hungry and ate more calories the following day compared with a group fed starch (157).

In addition to the acute effects of fructose, it is possible that there could be chronic effects such as those observed in the rat in which leptin resistance develops (91). Because long-term clinical studies with fructose-based diets have not been performed, it is unknown whether this mechanism is operative in humans. However, serum leptin levels were higher in humans given a high fructose diet for 4 wk compared with those placed on a starch-based diet (149).

Finally, there is evidence that administration of 25% fructose-based, but not glucose-based, diets results in a significant increase in circulating soluble intercellular adhesion molecule-1 levels (150), consistent with findings in rats administered a physiologically relevant (20%) fructose diet (45). Sugar or HFCS-containing soft drinks have also been recently associated with an increased risk for renal disease as manifested by albuminuria (158).

Although the evidence is not as compelling as in the rat, one must remember that these are short-term studies. Nevertheless, it is clear that fructose can induce features of the metabolic syndrome in humans. As will be discussed, epidemiological studies suggest that the effects of sugar or fructose may require up to 10 yr before frank obesity and diabetes develop (31). So how good is the epidemiological evidence linking sugar to the development of diabetes?

এইটা তো শুধু text এই লেখা আছে , এই বার একটু রেফারেন্স গুলাওতো চেক করা দরকার নাকি, লিনকতো সাথেই আছে।

obesity related DM - ডায়াবেটিসের এই টাইপ টি আপনি কোথায় পেয়েছেন? রেফারেন্স প্লীজ?

obesity related DM - এইটা আমরা ইদানিং কালে ব্যাভার করা শুরু করছি, পাবমেড লিনক Click This Link related diabetes mellitus,
obesity related diabetes mellitus কি ওয়ারড এ ৪৪৪৬ খান আরটিকেল পাইবেন। এইখানে পাইবেন আমাগো বানানো মডেল
Click This Link
আপনের জন্য আরেকখান নতুন শব্দ cardiometabolic syndrome.

আর ভাইজান বুকস আমাগোর জন্য না, এখনও অনেক কিছুই বই পর্যন্ত যায় নাই, রেফারেন্স হিসাবেও তেমন শক্ত মনে হয় না।















১০ ই জুন, ২০১২ বিকাল ৩:৪২

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: @আশরাফ সাহেব- আমি বুঝতে পারছি আপনি জ্ঞানী মানুষ। অনেক বড় বড় গবেষণায় ব্যস্ত। কিন্তু জ্ঞানী মানুষের চিরাচরিত যে সমস্যা গুলো থাকে আপনার মাঝেও তা দেখতে পাচ্ছি। কোন স্বাভাবিক কথাই তারা পরিস্কার করে বলতে পারে না। একটু আগে দেখলাম কার্বাইড দিয়ে আম পাকানো বিষয়ে এক ব্লগার কে খুব তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করলেন।

আপনাকে লেখা এটাই আমার শেষ মন্তব্য-

১। অতিরিক্ত শর্করা সরাসরি ডায়াবেটিস তৈরি করে-- ক্লিন কাট pathogenesis দিন। আমি যেভাবে লিখছি ঠিক এভাবে। মাথার পিছন দিয়ে ঘুরিয়ে ভাত খেতে আমার ইচ্ছে করছে না।

২। আপনার মত বড় আদমিরা কোন নতুন শব্দ ব্যবহার করেন তা দিয়ে তো ভাই জগত চলবে না। মেডিক্যাল জগত তখনই আপনাদের গবেষণাকে পুঁছবে তখনই যখন World Health Organization তা অনুমোদন দিবে। তার আগ পর্যন্ত কিন্তু তার পাবলিকলি কোন ভ্যআলু নেই।

৩। আপনার পড়াশোনার বিষয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বর্তমান কর্মস্থল জানালে খুশি হতাম।

ভাল থাকবেন। খোদা হাফেজ।

১৩| ১০ ই জুন, ২০১২ বিকাল ৩:৩১

হাসান মাহবুব বলেছেন: প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে সুলিখিত পোস্ট।

১০ ই জুন, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩০

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ধন্যবাদ হাসান ভাই।

১৪| ১০ ই জুন, ২০১২ বিকাল ৩:৪০

েমা আশরাফুল আলম বলেছেন: আর মেকানিজম এর জন্য IV. Mechanism(s) for Fructose-Induced Insulin Resistance (Fig. 3⇓) এইটা, মুসট রোড লিনক।

ধারনা করতেছি ডায়াবেটিস নিয়া কোনো মডেলেই আপনে কাজ করেন নাই, না human, না animal model, শুধু কয়েকটা মেডিসিন, ফিজিওলজী আর ফারমাকোলোজীর text বইই আপনার ডায়াবেটিসের সোরস।

১০ ই জুন, ২০১২ বিকাল ৪:১৬

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আশরাফ সাহেব, আপনি আরও একবার পিছল কাটলেন ভাই। শুনুন, পরিস্থিতি ব্যঙ্গ বিদ্রূপের দিকে টার্ন নিচ্ছে, বাদ দেন।

আপনার লিংক আবারো পড়লাম। একটা প্রসঙ্গ কিন্তু ঘুরে ঘুরে এক জায়গাতেই আসছে - আলটিমেটলি Fructose induced insulin resistance. আমি কিন্তু তাই বলেছি শেষ পর্যন্ত ইনসুলিন ঘাটতি! তাই না?

আমার জ্ঞান কয়টা কি বই থেকে আসছে সেটা আপনার বিচার না করলেও চলবে ভাই সাহেব।

আপনি বোধহয় ভুলে গেছেন গবেষক আর চিকিৎসক এর পার্থক্য। গবেষকরা তাদের গবেষণা লব্ধ জ্ঞান প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে তা বই আকারে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে আর চিকিৎসকরা "reference book" থেকেই reference নিবে,আপনাদের ল্যাবের খাতা পুস্তক থেকে না। Animal or Human model নিয়ে গবেষণা করা ডাক্তারদের কাজের মধ্যে পড়েনা।
আপনার মত বড় আদমিরা কোন নতুন শব্দ ব্যবহার করেন তা দিয়ে তো ভাই জগত চলবে না। মেডিক্যাল জগত তখনই আপনাদের গবেষণাকে পুঁছবে তখনই যখন World Health Organization তা অনুমোদন দিবে। তার আগ পর্যন্ত কিন্তু তার পাবলিকলি কোন ভ্যালু নেই।---- আমার এই কথার কোন জবাব আপনার কাছে নেই।

World Health Organization (WHO) এর মতে ডায়াবেটিস ৩ ধরনের।

1. Type 01 DM
2. Type 02 DM
3. GDM (Gestational Diabetes Mellitus)

আপনি যদি গুলোর বাইরে অন্য কোন টাইপ বলতে চান তবে আপনাকে WHO কে চ্যালেঞ্জ করতে হবে।

১৫| ১০ ই জুন, ২০১২ বিকাল ৪:৩১

অপুসোনামনি বলেছেন: বেশ লাগলো।

১০ ই জুন, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩২

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: :) :) :)

১৬| ১০ ই জুন, ২০১২ বিকাল ৪:৩১

প্রকৌশলী আতিক বলেছেন: ভাই আসলেই অনেক জ্ঞানী মানুষ। সবগুলো পোষ্ট পড়লাম, ইংরেজি আর বাংলার সমন্বয়ে মাথা ঘুরতাছে। ঐ পোষ্ট দেরিতে দেখার কারনে, আলোচনায় অংশ নিলাম না।

ভবিৎষতে দেখা হবে আশা করি।

আপনার পোষ্ট ভাল হয়েছে, ধন্যবাদ। আবাল দের বুঝা উচিত এটা ডাক্তারদের জন্য লেখা পোষ্ট না। সাধারন মানুষ, যাদের বায়োলজিকেল সাইন্সে পদচারনা নাই, তারা উপকৃত হবে।

আমরা যা কিছু খাই খাদ্যনালীতে যেয়ে তা হজম বা পরিপাক হয় এবং প্রতিটি খাবার ভেঙ্গেই তৈরি হয় তিনটি মূল উপাদান- শর্করা (Carbohydrate), আমিষ (Protien), চর্বি (Lipid/Fat)আমরা যা কিছু খাই খাদ্যনালীতে যেয়ে তা হজম বা পরিপাক হয় এবং প্রতিটি খাবার ভেঙ্গেই তৈরি হয় তিনটি মূল উপাদান- শর্করা (Carbohydrate), আমিষ (Protien), চর্বি (Lipid/Fat) এ লাইন টা চেক করেন।

আর আমার সল্প জ্ঞানে যতটুকু যানি ডায়াবেটিসের জন্য আমরা শুধু রিস্ক ফেক্টর বলতে পারি। সে হিসেবে আপনি বলতেই পারেন, মিষ্টি খেলে সমস্যা নেই, যতক্ষন ইনসুলিন দেহে আছে। তবে আমার মতে মনো-স্যাকারাইড কম গ্রহন করাই শ্রেয়।

১০ ই জুন, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৬

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: একজন সুশিক্ষিত ব্যাক্তির মন্তব্য ঠিক এমনটাই হওয়া উচিত। ধন্যবাদ আতিক ভাই। আর আপনি যতটুকু জানেন বলেছেন তার পুরোটাই ঠিক। আমি আশরাফ সাহেবকে একটি কথা বারবার বুঝাতে যেয়ে ব্যর্থ হয়েছি। তা হল -- হাইপথিসিস আর প্রতিষ্ঠিত সত্য এক কথা না। ডাক্তার রা বিভিন্ন ল্যাবের ড্রাফ্‌ট শিট আর ওয়েব সাইটের স্টাডি রেজাল্ট দেখে চিকিৎসা করবে না। তারা দেখবে বিশ্ব স্বাস্থ্ সংস্থা (WHO) অনুমোদিত তথ্য। কারন রোগী মরে গেলে ডাক্তারের নামে মামলা হলে সে ঐসব পরিক্ষনাধিন তথ্যের রেফারেন্স দিয়ে নিজের পিঠ বাঁচাতে পারবে না। উনি শুধু শুধু ওনার নিজের বিষয়ে (সম্ভবত বায়োকেমিস্ট্রি) জ্ঞানের সুপেরিয়রিটি দেখানোর কম্পিটিশনে নামছে। কিছু মানুষ থাকেই এমন।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ লেখাটি সময় নিয়ে পড়ার জন্য। ভাল থাকবেন।

১৭| ১০ ই জুন, ২০১২ বিকাল ৪:৫৪

আহমাদ জাদীদ বলেছেন: তাইলে ডায়রিয়া হইলে কি করা উচিত? মেটড়োনিডাজলে এই প্রবলেম জানতাম না তো......ঝামেলা হইল দেখি...... :-* :-* :-* ধরেন পরীক্ষার সময়......বাকিটা অস্বস্তিকর...... :-&

১০ ই জুন, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৩

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: প্রথমত পরীক্ষার সময় অতিরিক্ত স্নায়ু চাপের কারনে হজমের কিছু সমস্যা হতে পারে। তাই স্নায়ুচাপ কে জয় করা শিখতে হবে।

আর এসময় খাবার দাবার ও অন্যান্য বিষয়ে পারসোনাল হাইজিন পালন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তারপরও যদি এই সমস্যা হয়েই যায় তবে Metronidazole না খাওয়াই ভাল। কারন এটি খাবারের রুচি একদম কমিয়ে দেয়, বমি বমি ভাবের উদ্রেক করে মাঝে মাঝে।

এমন ক্ষেত্রে তুমি Nitazoxanide গ্রুপের ঔষধ যেমন Zox 500mg দিনে দুই বেলা তিনদিন খেতে পার। রেজাল্ট ভাল এটার।

ফার্স্ট প্রফের প্রস্তুতি ভাল করে নাও। শুভ কামনা রইল।

১৮| ১০ ই জুন, ২০১২ বিকাল ৪:৫৪

েমা আশরাফুল আলম বলেছেন: আপনার লিংক আবারো পড়লাম। একটা প্রসঙ্গ কিন্তু ঘুরে ঘুরে এক জায়গাতেই আসছে - আলটিমেটলি Fructose induced insulin resistance. আমি কিন্তু তাই বলেছি শেষ পর্যন্ত ইনসুলিন ঘাটতি! তাই না?

প্রথমে আমি ভাবছিলাম, আপনে একটু Active আলোচনা করবেন, করেন নাই। আপনে ভাবছেন পারসোনাল attack, তা আমি করি নাই, আপনেরে আমি চিনি না জানি না, আপনেরে পারসোনাল attack কইরা লাভ কি?
তবে আপনে নতুন জিনিস যে গ্রহন করতে পারেন না, সেটা বুঝতে পারি নাই।
এখন আসেন, insulin resistance আর ইনসুলিন ঘাটতি কি এক হলো?

এক জিনিস না, ইনসুলিন ঘাটতি হলো pancreas এর বেটা সেল ইনসুলিন বানাতে পারে না বা সিক্রেট করতে পারে না, ফলে, it will decrease the insulin concentration in plasma, that may develop type II diabetes, insulin dependent diabetes. It may be due to the destruction of beta cell in pancreas, so there will be no more beta cell to produce insulin.

on the other hand, in insulin resistance, beta cell in pancreas can produce insulin, even in obesity, they produces more insulin and increased the insulin concentration in plasma, but this insulin is not capable of inducing sugar metabolism, ultimately increases plasma glucose level. This is called insulin resistance which is a common cause of Type II diabetes or non-insulin dependent diabetes.

Now, check your biochemistry, how glucose enter into fructose pathways and follow the pathways described in must read link.


আপনে একটা ভুল ইনফরমেশন দিছেন "একজন মানুষ যত মিষ্টিই খাক না কেন যতক্ষণ পর্যন্ত তার শরীরে ইনসুলিনের ঘাটতি দেখা না দিবে ততক্ষণ পর্যন্ত ডায়াবেটিসের কোন আশঙ্কা নেই"।

মানুষ যত মিষ্টি বা শরকরা জাতীয় খাবার খাবে তার ডায়াবেটিস Type II diabetes হওয়ার চান্স ততই বাড়বে, এইখানে ইনসুলিনের ঘাটতি কোনো ব্যাপারই না।

আপনার জন্য ইনফরমেশন,
when animal, human first faces the increased glucose/ fat load, they increase the insulin secretion and try to cope with the situation to metabolize glucose in plasma. In this progressive way, they also increase the pancreatic mass and islets size, number. This is the general phenomena that we found including other investigators of the world.
It is still obscure when islets degeneration starts in this process.





১০ ই জুন, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৮

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ভাই শুনুন, এবার বাদ দেন। এখানে এই লাইনের প্রফেশনালরা ছাড়াও অনেকে আছেন তারা বিরক্ত হবেন।

আমি খুব ভাল করেই জানি যে চিকিৎসা বিজ্ঞান অন্য যে কোন বিজ্ঞানের শাখার চেয়ে দ্রুত বদলায়। তাই নতুন কিছু আমি অবশ্যই গ্রহন করবো তবে তার রেফেরেন্স সর্বজন গৃহীত হতে হবে।

আমরা এই আলোচনা এখানেই বাদ দিচ্ছি। আমার ই মেইল অ্যাড্রেস তো আপনাকে দিলাম আগের কমেন্টে, এই জাতীয় আলোচনা আমরা নাহয় ওখানেই করবো। সেটাই ভাল হবে।

ভাল থাকবেন। হ্যাপি ব্লগিং।

১৯| ১০ ই জুন, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩১

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: গুড পোস্ট , অনেক এনরিচ একটা লেখা।

১০ ই জুন, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৪

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: :) :) :)

২০| ১০ ই জুন, ২০১২ রাত ৮:১৭

েমা আশরাফুল আলম বলেছেন: আপনে একটা পাবলিক ফোরামে একটা ভুল জিনিস প্রচার করতেছেন আর এই ডিবেট নিতে চান পারসোনাল যোগাযোগে।
আপনি আপনার সাপোরটে একটাও লজিক দিতে পারেন নাই, একটা অপ-বিজ্ঞান প্রচার করতেছেন, এইটা আবার প্রটেস্টও করেন। আপনে নিজে প্রমাণ চাইলেন, আবার দেবার পরে উল্টা পাল্টা বলেন। অবশ্য বাল ওয়ালা প্রকৌশলীই শুধু আপনারে সাপোরট দিবে, তাতে আর সন্দেহ কি।
আপনের ভুল ধরে দেয়া মানে এই নয়, যে আমি আমার জ্ঞান জাহির করতেছি, তবে অপ-বিজ্ঞান প্রচার প্রতিরোধ করা দায়িত্ব বলে মনে করি।
ডাক্টার হইছেন, জেনে বুঝে লেখেন, সাংবাদিকদের মত ভুলভাল লিখেন না, না হলে পাবলিক মিস গাইডেড হইতে পারে। এইটা মনে রেখেন Prevention is better than cure.

আর আমি একজন পিউর Pharmacolgist (major pharmacology and toxicology), কাজ করি ডায়াবেটিস, obesity and cardiovascular diseases নিয়া, আর MBBS, pharmacy থেকে human movement studies এর পোলাপানরে Pharmacology পড়াই, কাজ করি SBMS, UQ, Australia ।

এবার বাদ দেও্য়াই ভালো। আপনে একটু ২। মিষ্টি ও ডায়াবেটিসঃ প্যারাটা ঠিক করেন, এখানে এই লাইনের প্রফেশনালরা ছাড়াও অনেকে আছেন তারা মিসগাইডেড হবেন।

কষ্ট পাইলে দুঃখ প্রকাশ করছি.
ভাল থাকবেন। হ্যাপি ব্লগিং।

১১ ই জুন, ২০১২ রাত ১২:১১

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আমি খুব ভাল করেই জানি যে চিকিৎসা বিজ্ঞান অন্য যে কোন বিজ্ঞানের শাখার চেয়ে দ্রুত বদলায়। তাই নতুন কিছু আমি অবশ্যই গ্রহন করবো তবে তার রেফেরেন্স সর্বজন গৃহীত হতে হবে। এই কথাটা আপনার মাথায় কেন ঢুকছে না বুঝতে পারছি না।

লেখাটার ঐ অংশে সামান্য পরিবর্তন আমি করেছি আগেই, আর আপনি যে পরিবর্তন করতে বলছেন দুঃখিত তা করতে পারছি না।
আগেই বলেছি- কোন হাইপথিসিস পড়ে আমি ধারণা পরিবর্তন করতে পারছিনা, WHO accepted information পেলেই পরিবর্তন করে দিব। আপনার লিংক গুলো রিভাইজ দিচ্ছিলাম। বাসায় এসে Harrison's Internal Med, K&K, Davidson এর লাস্ট এডিশন ঘাঁটলাম। কোথাও পেলাম না নতুন ধরনের ডায়াবেটিস এর ক্লাসিফিকেশন।

শেষ কথাঃ ঝগড়া বিবাদ, আপত্তিকর ভাষা এবং বিনাকারন রেষা রেষি আমি একদম পছন্দ করি না। তাই আমি চাচ্ছি আপনি এরপর থেকে আর এখানে মাথা না ঘামান। কার্বাইড দিয়ে আম পাকানো নিয়ে দেখলাম আপনি এক নতুন ব্লগারকে ধুয়ে দিয়েছেন, বেচারা ব্লগই ছেড়ে দিতে চাচ্ছিল। চাইলে আপনি তার মত আমাকে নিয়েও একটা ব্যঙ্গাত্মক লেখা দিতে পারেন স্ক্রিনশট সহ। কিন্তু কথা সেটাই থাকলো। আর কোন কমেন্ট আমি আপনার কাছ থেকে আশা করছি না। অনর্থক জাবর হয়তো আপনার অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়ায় বসে কাটতে ভাল লাগতে পারে, বাংলাদেশের এই গরমে আমার আর তা লাগছে না।

২১| ১০ ই জুন, ২০১২ রাত ১০:২০

রুদ্রাক্ষী বলেছেন: খুব ভালো পোস্ট ভাইয়া..।আরও অনেক ভুল ধারনা আছে যেমন-যদি বলি আপনার রোগীর স্ট্রোক ----তাহলেই হয়ছে-পরের প্রশ্ন ব্রেন স্ট্রোক না হার্ট স্ট্রোক??????????এরপর বুঝিয়ে বলি.............

আবার ধরেন সিআর এফ ।ডায়ালাইসিস লাগবে...।প্রশ্ন.......দুইটা কিডনিই নষ্ট?????????? আবার কাগজ কলম নিয়ে বুঝাতে বসি...।

এমন আরও আছে..একসময় লিখব এসব নিয়ে...।আপনাকে অভিনন্দন সুন্দর এই পোস্টের জন্য।প্লাস।

১০ ই জুন, ২০১২ রাত ১০:৪১

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। একটা লেখা লিখে ফেলেন এই সংক্রান্ত যা মনে পড়ে তা নিয়ে।

২২| ১০ ই জুন, ২০১২ রাত ১০:২০

যেড ফ্রম এ বলেছেন: আপনার অ্যাটিচুডে সমস্যা আছে ঠিক করেন।

১০ ই জুন, ২০১২ রাত ১০:২৮

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: অনুগ্রহ করে একটু পরিষ্কার করে বলেন ঠিক কোথায় সমস্যা দেখলেন, সত্যি যদি থাকে কেন ঠিক করবো না বলেন?
তবে ভাই কথা কি জানেন? আপনি যেভাবে বললেন আমাকে কথাটা তাতে মনে হল ঝাড়ি মারলেন? এটা কেমন হল ভাই? একটু নরম করে বললেই তো হত!

২৩| ১০ ই জুন, ২০১২ রাত ১০:৪৬

শরীফ মহিউদ্দীন বলেছেন: ভাই আশরাফুল সাহেবের সাথে আপনার ব্যবহার ভালো লাগলোনা। তিনি আপনাকে ইনফো দিয়ে হেল্প করতে চাইলেন কারন তিনি একজন শিক্ষক আপনি প্রতিবারই এড়িয়ে গেলেন না হয় তাকে তাচ্ছিল্য করলেন। একজন ডাক্তার হিসাবে শিক্ষকের প্রতি এমন আচরন মেনে নিতে পারলাম না। আসলে ভাই আমরা ছোট হতে চাইনা অথচ এই অহম কাটিয়ে ঊঠতে পারলে অনেক কিছু শিখতে পারি। আপনি যদি ওনাকে আরো আগ্রহী করতেন তিনি হয়তো আরো ভালো কিছু ইনফো দিতেন আমরা উপকার পেতাম। যাই হোক ভালো থাইকেন

১০ ই জুন, ২০১২ রাত ১১:৫৫

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আপনি যদি আহত হয়ে থাকেন তবে আমি দুঃখিত। আশরাফ সাহেবের এই বিষয়ে জ্ঞানের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি উনি আমার পয়েন্ট টা ধরতে পারেন নি নতুবা ইগ্নর করেছেন। আমি যতদূর জানি আপনিও একজন ডাক্তার। আমি বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করছি আপনি দেখুন আমার ভুল হচ্ছে কোথায় তাহলে আমি অবশ্যই শুধ্রে নেব।
উনি আমাকে কিছু স্টাডিজ এবং হাইপথিসিস এর লিংক দিয়েছেন। আপনি অবশ্যই জানেন বিজ্ঞানে স্টাডিজ ও হাইপথিসিস আর প্রতিষ্ঠিত সত্যের মাঝে অনেক অনেক ফারাক আছে। একটি রিসার্চ এর ফলাফল প্রতিষ্ঠিত না হলে বাকি জগত সেটাকে গ্রহন করবে না। আর মেডিক্যাল এর সকল এই দিকগুলো দেখে WHO এটা আপনি জানেন। আমি তাকে বারবার বলেছি যে আপনি যদি আমাকে WHO রিকমেন্ডেড কোন রেফারেন্স দেখান তবে অবশ্যই আমি আপনার কথা মেনে নিব খুশি মনে, কিন্তু তিনি তা দেখাতে পারেন নি। উল্টো আমার পড়াশোনার সীমাবদ্ধতা নিয়ে ব্যঙ্গ করেছেন। তখনই কেবল আমি তাকে কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছি।
উনি যে লিংক গুলো দিয়েছেন সেগুলো আপনি google করলেই পেয়ে যাবেন। আমি ওনার পড়াশোনা কে সম্মান দিয়েই বলছি ওনার একটা টেন্ডেন্সি আমি দেখেছি অন্যকে ছোট করে কথা বলার। আপনি বিভিন্ন পোস্টে ওনার করা কমেন্ট পড়লে বুঝবেন সেটা। এটা তো ঠিক না ভাই।

তারপরও আমি ব্যাপারটা সিরিয়াসলি নিয়েছি। বাসায় এসে Harrison's Internal Med, K&K, Davidson এর লাস্ট এডিশন ঘেঁটে দেখেছি। উনি বলেছেন Obesity Depended DM এর কথা কিন্তু কোন বইতেই এমন কোন নতুন ট্রেন্ড এর কথা উল্লেখ নেই। আমি আমার এক এন্ডক্রাইনলজি স্যারের সাথে কথা বলেছি , তিনিও এমন কোন বক্তব্যের সাথে একমত হতে পারেননি।

দেখুন আমরা কিন্তু সবাই জানি যে অতিরিক্ত শর্করা মানুষের ওজন বাড়িয়ে দেয়, আর অতিরিক্ত মোটা মানুষ এর ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস হবার ঝুঁকি বেশি থাকে। এই ব্যাপারে কিন্তু আমি মোটেও দ্বিমত পোষণ করছি না। কিন্তু আমার আপত্তিটা ছিল- সরাসরি মিষ্টি জাতীয় খাবার ডায়াবেটিস ঘটায় - এই কথায়। আমি ওনার কাছে এই direct pathogenesis জানতে চেয়েছি কয়েকবার কিন্তু উনি একবার তা আমাকে দেখান নি। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে একটি কথাই এসেছে বার বার যে ওজন বাড়িয়ে দেয়, আর অতিরিক্ত মোটা মানুষ এর ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস হবার ঝুঁকি বেশি থাকে এবং আগেই বলেছি এখানে আমার কোন দ্বিমত নেই।

আশা করি আমার অবস্থানটি আমি তুলে ধরতে পেরেছি, তবু যদি আপনার মনে হয়ে থাকে যে আমি তার সাথে খারাপ কিছু করেছি তবে আমার অ্যাপোলজি গ্রহন করবেন। ভাল থাকবেন।

২৪| ১০ ই জুন, ২০১২ রাত ১১:০৩

আহমাদ জাদীদ বলেছেন: আমি আমার সামান্য জ্ঞান ব্যবহার করে কিছু কথা বলি......টাইপ-১ ডায়াবেটিস যতদূর জানি সরাসরি প্যানক্রিয়ার বিটা সেল ডেস্ট্রাকশনের কারণেই হয় এবং এটা অল্পবয়সী ডায়াবেটিস রোগীদের মাঝে কমন......অন্যদিকে টাইপ-২ ডায়াবেটিস যার মূল কারণ হল, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স......আর এই ইনসুলিন রেজিস্ট্যাস ডেভলপ করাতে কিন্তু অতিরিক্ত ওজন সহায়ক ভূমিকা পালন করে......আর অতিরিক্ত ওজনের অন্যতম কারণ নরমাল ডায়েটের বেশী মিস্টি বা শর্করা গ্রহণ......ডাঃ আশরাফুল সাহেব হয়ত এই কথাটিই সরল ভাষায় বলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ভুল বোঝাবুঝি হয়ে গেছে............

তিনি "ইনসুলিনের ঘাটতি" বিষয়টার সাথে একমত নন......আমিও নই......ভেবে দেখুন, টাইপ-১ এ কিন্তু ইনসুলিন প্লাজমাতে প্রায় থাকেইনা/খুব কম থাকে......কিন্তু টাইপ-২তে থাকলেও কিন্তু সেটা অতিরিক্ত চর্বি-ওজন ও ইনসুলিন রিসেপ্টরের ক্ষয়ের কারণে কোষ পুষ্টি পায় না......কাজেই টাইপ-২ দের ইনসুলিন থাকলেও তা ব্যবহার হতে পারছে না......এইকারণেই হয়ত ডাঃ আশরাফুল সাহেব দ্বিমত করেছেন......

আমার পরামর্শ, পোস্টটা এডিট করে ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে ফেলুন......

১১ ই জুন, ২০১২ রাত ১২:০৭

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: তোমার যুক্তি পুরোপুরি সঠিক। আমিও জানি যে "ইনসুলিনের ঘাটতি" কথাতে কিছুটা খামতি থেকে যায়। কিন্তু খেয়াল করে দেখ আমি কিন্তু বলেছি যে নানা কারনে ইনসুলিনের ঘাটতি হতে পারে, এখানে আমি পুরো ব্যাপারটি এক সাথে বলার চেষ্টা করেছিলাম। Insulin Resistance, Insufficiency of Insulin Receptors এই জাতীয় শব্দ নিয়ে কথা বলতে যেতাম তাহলে লেখাটা আর শেষ করাই যেত না। আর সেইসাথে হয়ে যেত অনেক বেশি দুর্বোধ্য। সবকিছুর পর একটা বিষয়ই কিন্তু মুখ্য এখানে তা হল-- ডায়াবেটিস তখনই হচ্ছে যখন Insulin Action পুরোপুরি অনুপস্থিত বা তার ঘাটতি বিদ্যমান।

তবু তোমার পরামর্শ মেনে নিচ্ছি। যত টুকু পারা যায় আমি চেঞ্জ করে দিলাম।

২৫| ১১ ই জুন, ২০১২ রাত ৩:০৯

রিফাত হোসেন বলেছেন: :)

ok . pora alochona korbo :) , jana joruri-- apnake ontoto amar nährwerteaufpasser banaite pari ;)

age bolan, proshno bashi shunla ki birokti hoben ki ?

tar upor onak kichu nirvor kora :)

১১ ই জুন, ২০১২ দুপুর ১:০৭

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: nährwerteaufpasser ---- মানে তো বুঝতে পারলাম না? :|

২৬| ১১ ই জুন, ২০১২ সকাল ১১:২৯

কালা মনের ধলা মানুষ বলেছেন: ভাই, অনেক সুন্দর পোস্ট। আমাদের মত সাধারন মানুষের জন্য কিছুটা হোলেও উপকারি। কারন, আমি নিজেও ভুল ধারনাতে ছিলাম বেশ কিছু বিষয় নিয়ে।

যেকোন বিষয় নিয়ে লজিক/এন্টি লজিক থাকবেই। এই আলোচোনা গুলো থেকেই বেরিয়ে আসে আর অনেক কিছুই।

কিন্তু আমাদের সবার সমস্যা (অবশ্যই আমারো) হলো, কাউন্টার কোন কিছুই সহ্য করতে পারিনা। একসময় মুখোশ খুলে যায় ভদ্রতার (দেরিতে হলেও)।

একজন শিক্ষক আর একজন ডাক্তার। এ দুজনের তর্ক আরো উপোভোগ্য হওয়া উচিত ছিল।

কিছু মনে করবেন না ভাই। এরকম হলে, আপনি নিজেও এরকম সচেতনতা মূলোক পোস্ট দিতে আগ্রহী হবেন না আর। বঞ্চিত হব তো আমরাই !!

১১ ই জুন, ২০১২ দুপুর ১:০০

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ঠিক আছে ভাই, চেষ্টা করবো আর এমন কিছু যাতে পুনরায় না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে। আমাদের দুজনেরই কিছু দোষ ছিল বুঝতে পারছি।

আপনাকে ধন্যবাদ, লেখাটা পড়ার জন্য, ভাল থাকবেন।

২৭| ১১ ই জুন, ২০১২ দুপুর ২:৩৯

প্রকৌশলী আতিক বলেছেন: বাল ওয়ালা প্রকৌশলী বলে আশরাফ ভাই কি বুঝালেন? আপনাকে আমি ভাই বলে সম্মোধন করলাম আর আপনি বাল ছাল জুরাইয়া দিলেন।

এখন যেখানে মৌলিক লেখার অনেক অভাব, সেই সময়ে লেখকের একটি সুন্দর ও তথ্যবহূল পোষ্টকে উৎসাহ না দিয়ে সেটাকে পচানোর যথেষ্ট চেষ্টা হয়েছে।

ভাই আপনে আগায়া যান, আমাদের সাপোর্ট থাকবে।

১১ ই জুন, ২০১২ বিকাল ৩:৩৬

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: থাক ভাই, মনে কষ্ট নিয়েন না। সবাই একরকম হয় না। এই ব্লগ দুনিয়ায় কত ভিন্ন ভিন্ন প্রকার লোকের আনাগোনা- এই জন্যেই তো আরও বেশি এক্সাইটিং! আপনার জন্য শুভ কামনা রইল।

২৮| ১২ ই জুন, ২০১২ সকাল ১১:৪৫

ব্লগার ইমরান বলেছেন: উপকারী পোস্ট । ধন্যবাদ।

১৪ ই জুন, ২০১২ দুপুর ২:১৫

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: :) :) :)

২৯| ১৪ ই জুন, ২০১২ রাত ১:৩৭

ইমরান০০৭ বলেছেন: উপকারী পোস্ট, অনেক ধন্যবাদ

১৪ ই জুন, ২০১২ দুপুর ২:১৬

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: :) B-) :)

৩০| ১৪ ই জুন, ২০১২ দুপুর ১:৩৩

জামিল আহমেদ জামি বলেছেন: ভালো পোস্ট, + দিলাম।
আর অতীব জ্ঞানীগুণীদের জন্য এই পোস্ট না, সাধারন পাবলিককে বায়োকেমিস্ট্রি আর মেডিসিন পড়াইতে চাওয়া নির্বুদ্ধিতার পরিচয় হবে এটা কেউ কেউ বুঝতে চাচ্ছে না। এটা ব্লগ, কোন মেডিকেল জার্নাল না।
হ্যাপি ব্লগিং।

১৪ ই জুন, ২০১২ দুপুর ২:১৯

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: এই সহজ ব্যাপারটা অনেকে ধরতে পারেন না, এজন্যেই কষ্ট লাগে। এখানে আমি আমার নিজের বিষয়ের জ্ঞান অনেক কপচায় যেতে পারব তেমনি পারবেন বাকি ব্লগাররাও নিজ নিজ বিষয়ে কিন্তু লাভ কি হবে যদি কেউ নাই বুঝতে পারে?

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। হ্যাপি ব্লগিং।

৩১| ২৬ শে জুন, ২০১২ রাত ১২:৪৩

ঔপন্যাসিক সাঃ উঃ জাঃ মোহাম্মদ মোর্শেদুল কুতুব চৌধুরী মজনু বলেছেন: +++++apnar bebohar sotti omayik,eto thanda mejaje sobar prosner jobab dicchen,osadharon.cikitsha bigganer bivinno roog niye post debar sopno onek puranu.somoyer procondo ovab.taai jekhanei cikithsa songkranto post pacci, priyote niye jacchi, jate aro oneke porar sugug paai.kintu apnar e post a priyote niye rakhar option mobile deha jacchena.kal laptop theke try korbo.apnar jonno shuvo kamona.dhonnobaad.

৩২| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১২ সকাল ৮:৫৮

রামন বলেছেন:
মিষ্টি খেলে ডায়াবেটিস হয় এই ভুল কথাটি বিশ্বাস করে আমি সব সময়ই মিষ্টি পরিহার করে এসেছি কিন্তু সেই আমি আজ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। অথচ আমার স্ত্রী সমানে মিষ্টি খেয়ে যাচ্ছেন কিন্তু তার ডায়বেটিস নেই, কোলেস্টেরল একটু বেশি এই যা । আসলে এটি একটি বংশগত রোগ অর্থ্যাত কেউর পিতামাতার এই রোগ থাকলে বংশানুক্রমে রোগটি তাকেও আক্রমন করতে পারে। আমি আপনার সাথে একমত যে, অগ্ন্যাশয়ের অসুস্থতার কারণে যখন খাদ্য গ্রহণ করার পর প্রয়োজনানুযায়ী দেহে ইনসুলিন সরবরাহ করতে পারে না তখন দেহে বিপাকীয় গোলযোগ সৃষ্টি হয় এবং গ্রহনকৃত খাদ্যের শর্করা উপাদান কাঁচের টুকরো আকারে সরাসরি রক্তে চলে আসে। এভাবে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিমান শর্করা দীর্ঘমেয়াদে রক্তে অবস্থান করাকেই ডায়াবেটিস রোগ বলে বিবেচনা করা হয়।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৪৯

অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.