| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অরণ্যে রোদন...
লেখক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে (লিখিত) এই ব্লগের কোন কন্টেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিক অন্যত্র ব্যাবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ফেসবুকঃ https://www.facebook.com/dr.saiful.bd
কালরাতে ইন্ডিপেনডেন্ট চ্যানেলে রাত বারোটার আজকের বাংলাদেশ অনুষ্ঠানটি দেখছিলাম। কথা হচ্ছিল মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার প্রসঙ্গে। অথিতি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহোদয়, বিএমএ সভাপতি, ডাঃ আব্দুন নূর তুষার এবং আরেকজন সাংবাদিক। ওনাদের কথাবার্তায় যা বুঝলাম তা হল বোঝার মত এখানে কিছু নেই আসলে কারন ওনারা নিজেরাই এখনো ঠিকমতো বুঝেছেন বলে মনে হল না।
যখন জানতে চাওয়া হল যে জিপিএ ৫ পাওয়া দশ হাজারের উপর স্টুডেন্টের মাঝ থেকে কিভাবে তিন হাজার আলাদা করা হবে তাঁরা কেউই যুতসই কোন জবাব দিতে পারেন নি। লাগাতার এলোমেলো কথা বলে গেছেন। প্রথমে বললেন চতুর্থ বিষয় বাদ দিয়ে যারা ভাল করবে তাদের নেয়া হবে। তারপরও যদি অনেক প্রার্থী থেকে যায় তবে যারা পদার্থ, রসায়নের চেয়ে জীববিজ্ঞানে ভাল করবে তারা অগ্রাধিকার পাবে, ইংরেজিতেও ভাল করতে হবে ... প্যাঁক প্যাঁক প্যাঁক ... দু একবার কোটা প্রসঙ্গেও বলা হল।
যেভাবে তারা ফাইনালি ক্যান্ডিডেট বাছাই করবে বলে বলছেন তেমন লেজে গোবরে অবস্থার উপর কোন ভাবেই আস্থা রাখা যাচ্ছে না। মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার মত স্বচ্ছ ব্যাপার এটি মোটেও নয়।
এই সিদ্ধান্তটি কেন নেয়া হল সে প্রসঙ্গে তাঁদের আলোচনায় যে প্রসঙ্গ গুলো উঠে আসল সেগুলো হলঃ
১। কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করা।
** শুধু কি মেডিক্যালে ভর্তির জন্য কোচিং সেন্টার চালু আছে? বুয়েট, ভার্সিটির জন্য নেই?
** কোচিং সেন্টারের লাইসেন্স বাতিল করতে পারেন না অথচ এতোগুলো জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়ে এতো বছর ধরে চলে আসা নির্ভরশীল একটা সিস্টেম হুট করে তুলে দিলেন?
২। ভর্তি পরীক্ষা ফাঁস হওয়া বন্ধ করার লক্ষ্যে।
** মাথা ব্যথা উঠল আর অমনি সেটা কেটে বাদ দিতে হবে? যারা এসব করে এসেছে অতীতে তাদের খুঁজে বের করে উপযুক্ত শাস্তি দিতে পারেননি এই ব্যার্থতা কাদের? আপনাদের। আর সেই দায়ভার কিনা কিছু সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীর উপর চাপিয়ে দিচ্ছেন? আপনাদের ব্যার্থতার প্রায়শ্চিত্ত তারা কেন করবে? এখন থেকে যে ভার্সিটি, বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হবে না সেই নিশ্চয়তা কে দিবে?
৩। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার গুরুত্ব আরও বৃদ্ধির জন্য।
** যতোই চেষ্টা করা হোক না কেন ময়ূরের পুচ্ছ কাকের পেছনে লাগালেই সেটা ময়ূর হয়ে যায় না। তেমনি গাধা দিয়েও হাল চাষ করা যায় না। আমাদের দেশে বোর্ড পরীক্ষায় অসংখ্য অসঙ্গতি রয়ে গেছে যেগুলো নিয়ে বলতে গেলে শেষ হবে না। এখনো পর্যন্ত আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা সেই মানে পৌঁছায়নি যে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক এই পরীক্ষা দুটির উপর আস্থা রেখেই নিশ্চিন্তে দেশের সেরা উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে।
*** এই নতুন পদ্ধতিতে যে সকল সমস্যা বা অসঙ্গতি রয়েছে বলে মনে করি-
১। প্রথমত এর স্বচ্ছতার অভাব। সবারই জানা আছে আমাদের হল চোর স্বভাব। সামান্য সুযোগ পেলেই আমরা চুরি করি। তাই স্বচ্ছতা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ মেডিক্যালের মত একটা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ব্যাপারে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক মিলিয়ে এবারে জিপিএ পাঁচের সংখ্যা সর্বমোট প্রায় ৭০ হাজার, এর মাঝে প্রায় ১০ হাজার ডাবল গোল্ডেন! এই অসংখ্য জিপিএ পাঁচের ভিতর থেকে মাত্র হাজার তিনেক আসনের জন্য কিভাবে শিক্ষার্থী বাছাই করা হবে?
মনে করলাম অপশনাল(চতুর্থ) বিষয়টা বাদ দিয়ে যে ভাল করবে তাকে প্রাধান্য দেয়া হবে। তাহলে কারো যদি বায়োলজি তথা জীববিজ্ঞানই থাকে চতুর্থ বিষয় এবং সেটাতে সে খুব ভাল নাম্বারধারী হয় তাকে তো অবহেলা করা হল। আবার আরেকজন গণিতে খুব ভাল বায়োলজিতে খুব দুর্বল সে ভর্তি হয়ে গেল ডাক্তারি পড়তে। এটাতো কাম্য না।
ঠিক আছে চতুর্থ বিষয় বাদ দিয়ে না হয় সংখ্যাটা কমিয়ে আনা গেল ত্রিশ হাজারের মত। এবারে এখান থেকে কিভাবে বাকি প্রায় সাইত্রিশ হাজার শিক্ষার্থীকে বাদ দেয়া হবে? উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তির মত বয়স নিয়ে টানা হেঁচড়া শুরু করা হবে নাতো আবার? কি অদ্ভুত নিয়ম দেখেন একজনের বয়স ১৯ বছর আরেক জনের ১৮ , দুজনের একই রেজাল্ট কিন্তু চান্স দেয়া হবে বড় জনকে! অর্থাৎ যে ছেলে বা মেয়েটা বয়সে ছোট হয়েও তার চেয়ে সিনিয়র একজনের সাথে প্রতিযোগিতা করে সমমানের রেজাল্ট করল তাকে এখানে ঠকানো হল।
বয়সের পর আসুন কোটা পদ্ধতিতে। কেউ কি বলতে পারবেন এই পদ্ধতি কিভাবে কাজ করে? কোন জেলা থেকে কাকে সিলেক্ট করা হচ্ছে এটা কে ঠিক করছে? এর কি কোন স্বচ্ছতা আছে? নেই। আর তার মানেই এখানে সুযোগ থেকে যায় টেবিলের নীচের কর্মকাণ্ডের।
সরকার কেবল বলেছে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে না কিন্তু ঠিক কোন কোন নীতিমালার উপর ভিত্তি করে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর মাঝ থেকে তিন হাজারের মত আসনের জন্যে ক্যান্ডিডেট বাছাই করা হবে সেটা তারা প্রকাশ করছে না। তাহলে কিভাবে নিশ্চিত হব যে এখানে লক্ষ কোটি টাকার বাণিজ্য হবে না সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে?
২। তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নিই যে ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি বাতিল একটি সঠিক সিদ্ধান্ত তবুও কথা থেকে যাচ্ছে। সিদ্ধান্তটা ভর্তি পরীক্ষার মাস খানেক আগে কেন নেয়া হল হুট করে? প্রথমেই কেন নেয়া হল না? এতদিনে যে সব শিক্ষার্থী ত্রিশ পঁয়ত্রিশ হাজার টাকা খরচ করে কোচিং করে ফেলেছে তাদের কি হবে? অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা প্রাইভেট টিউশানি করে এই টাকা যোগাড় করেছে, তাদের এই সময় আর পরিশ্রমের মূল্য কে দেবে?
অনেক শিক্ষার্থী গত বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ নামী অনেক প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েও ভর্তি হয়নি কেবল মাত্র ডাক্তার হবার স্বপ্ন লালন করে আসছে বলে। জীবন থেকে একটি মূল্যবান বছর তারা ত্যাগ করে অমানুষিক পরিশ্রম করে আসছিল এবারের মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় ভাল কিছু করার আশায়, তাদের কি হবে? তারা তো এখন চাইলে আর গত বছরে সুযোগ পাওয়া কোন ভার্সিটিতেও ভর্তি হতে পারবে না। নতুন করে পরীক্ষা দিয়ে টিকতে হবে। এই জীবনগুলোর দায়িত্ব কে নিবে?
৩। যারা কোচিং করাতে জানে তারা বসে থাকবে না। তারা এখন HSC এর জন্য কোচিং খুলে বসবে। স্কুল কলেজে যে সব শিক্ষকদের হাতে প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষার নাম্বার থাকবে তাদের বাড়িতে শিক্ষার্থীদের লম্বা লাইন লেগে যাবে প্রাইভেট পড়ার জন্য। অনেক শিক্ষক এই নিয়ে ব্যাবসা শুরু করবেন। এসবের কি হবে?
৪। ভর্তি পরীক্ষা বাতিল হয়ে যাবার কারনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার নাম্বারই এখন সব। কিন্তু দেশের সব জায়গায় একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেয়া হয় না। কোন বোর্ডে অপেক্ষাকৃত সহজ কোনটাতে কঠিন। উত্তরপত্র যাচাইয়ের বেলায় থাকে তারতম্য। শিক্ষকের মন মর্জির উপর অনেক সময় একটা ছাত্রের ভাগ্য নির্ভর করে। বেখেয়ালে একটা ছাত্রকে পাঁচ নাম্বার কম দেয়া হলে আগের নিয়মে হয়তো সেটা ভয়াবহ ক্ষতির কারন হতনা কারন ভর্তি পরীক্ষাগুলিতে সেসব পুষিয়ে নেয়ার সুযোগ পেত কিন্তু এখন? এখন এই সামান্য গাফিলতিই হয়তো একটা মূল্যবান জীবনের উত্থান পতন নির্ধারন করে দেবে।
৫। প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষার দুই-চার নাম্বারও এখন আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে। আমি জোর গলায় বলতে পারি আমাদের দেশে অতি স্বল্প সংখ্যক স্কুল কলেজ ব্যতীত বাকি সবগুলোতেই ব্যাবহারিক ক্লাস ঠিকমতো নেয়া হয় না। এমনকি ক্লাসরুমে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদিও নেই। কিন্তু বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানেই দেখা যায় পরীক্ষার সময় এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ২৫ এর মাঝে ২৫ নাম্বার পেয়ে যায়। অথচ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টানা দু'বছর গাধার খাটুনি খেটে ব্যবহারিক ক্লাস করে, খাতা তৈরি করে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় পূর্ণ নাম্বারটা পায় না।
এখানে একটু নিজের কথা বলতে চাই- আমি এমন একটি কলেজে পড়েছিলাম যেখানে জীববিজ্ঞান ব্যবহারিক ক্লাসের শেষে সেখানে বসেই ছবিটি আঁকা শেষ করে সই-সিল নিয়ে যেতে হত। এভাবে পুরো দুবছর শেষে প্রতিটি ক্লাসে শেষ করা একেকটি ছবি ও লেখা একসাথে করে আমাদের খাতা প্রস্তুত হত ফাইনাল পরীক্ষার জন্য। পদার্থ আর রসায়নের কথা মনে করলে চোখে প্রায় পানি চলে আসার মত অবস্থা হয়। অথচ বেশীরভাগ প্রতিষ্ঠানেই বছর শেষে পরীক্ষার আগে আগে একটা খাতা অন্য যে কাউকে দিয়ে আঁকিয়ে ও লিখিয়ে জমা দিলেই কেল্লা ফতে। পরীক্ষার দিন কেউ সেটা খুলেও দেখেনা । নতুন নিয়মে যে ছেলেটা সারা বছর পরিশ্রম করল তারই প্রতারিত হবার সম্ভাবনা বেশি। সেটা না হলেও তার শ্রমকে অবশ্যই অবমূল্যায়ন করা হল।
৬। বোর্ড পরীক্ষায় ভাল করতে হলে ভাল মেধাবী হতে হবেই এমন কোন কথা অন্তত আমাদের দেশে নেই। মনে করুন একটা গণিত বইয়ের ৬ নং অনুচ্ছেদে তিনটি অনুশীলনী আছে যেমন ৬.১, ৬.২, ৬.৩ বোর্ড পরীক্ষায় নিয়ম হল ৬.১ থেকে একটি প্রশ্ন থাকবে এবং ৬.২, ৬.৩ থেকে থাকবে একটি। এদের ভিতর যে কোন একটির উত্তর দিতে হবে। কোন ছাত্র যদি ৬.১ খুব ভাল করে আত্মস্থ করে তবে তার অন্য দুটি না করলেও চলবে। রেজাল্ট কিন্তু তার ভালই হবে অথচ ভিতরে অনেক খামতি রয়ে গেল। একইভাবে বেছে বেছে সাজেশনমত পড়েও অনেকে সর্বোচ্চ রেজাল্ট জিপিএ ৫ পেয়ে যাচ্ছে। অথচ একটা মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রতিটি শিক্ষার্থীকে পাঠ্যবইয়ের প্রতিটা লাইন খুঁটিয়ে পড়তে হত। এই ভাবে পরীক্ষার ভিতর দিয়ে যাদেরকে বাছাই করা হয়ে থাকে তাদের 'বেসিক' অনেক বেশি পরিপক্ক থাকে। যা কিনা তাদের পরবর্তী উচ্চশিক্ষাকে অনেকাংশে সহজ করে দেয়। সরকার এই নিয়ম করে প্রকৃত অর্থে যারা যোগ্য তাদেরকেই হারিয়ে ফেলার সম্ভাবনা তৈরি করে দিল।
এভাবে যদি বলতে থাকি তবে অনেক বলা যাবে, কথা ফুরোবে না। আমি বলতে চাই যারা এই মুহূর্তে স্বাস্থ্য খাত চালাচ্ছেন তাদের পেশাগত জীবনে অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতার হয়তো ঘাটতি নেই কিন্তু স্বাস্থ্য প্রশাসন চালানোর মত যোগ্যতার সুনিশ্চিত ঘাটতি আছে। আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রীমহোদয় ব্যাক্তিগত জীবনে খুব খ্যাতিমান একজন ডাক্তার(অর্থোপেডিশিয়ান) হলেও ভাল মানের একজন মন্ত্রী তথা রাজনীতিবিদ হতে পারেননি। তিনি কেবল তাঁর নেত্রীর প্রিয়পাত্র হবার চেষ্টায় লিপ্ত আছেন সর্বদা। আর আমাদের চিকিৎসক নেতাদের যোগ্যতা নিয়ে কিছু বলার রুচি নেই। লবিং আর তেলবাজি করে উঁচু পদে আরোহণ করে তা হয়তো ধরে রাখা যায় কিন্তু তাতে দেশের বা মানুষের ভাগ্যের কোন সুপরিবর্তন করা যায়না।
একটা কথা আমি খুব বিশ্বাস করি- রাজনীতি রাজনীতিবিদের হাতেই থাকা উচিৎ অন্য কোন পেশার মানুষের হাতে না। তাতে পদে পদে ক্ষতি। আমাদের দেশে রাজনীতি চলে গেছে মূলত ব্যবসায়ী, আইনজীবী এবং অন্য কিছু পেশাজীবী লোকের হাতে। রাজনৈতিক কলা কৌশল এদের চেয়ে আমলারা অনেক বেশি বোঝে। তাই এইসব অথর্ব রাজনীতিবিদ মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে গুলি করতে সচিব উপসচিবেরা অনেক বেশি ওস্তাদ। আড়ালে থেকে কলকাঠি সব এরাই নাড়ে বলে আমার বিশ্বাস। মেডিক্যালের ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের এই সিদ্ধান্ত পিছন থেকে এদেরই কাজ কিনা খতিয়ে দেখার আছে। কারন যত বেশি ফাঁক ফোকর থাকবে নিয়মের ভিতর তত বেশি টাকার বান্ডেল সেই ফাঁক দিয়ে তাদের পকেটে ঢুকবে। কয়েকটা দিন আগেই পত্রিকায় পড়লাম বর্তমান সময়ের প্রায় আট দশজন সচিব নাকি গত ছয় মাসের মধ্যে আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড আর মালয়শিয়াতে বাড়ি কিনেছে এবং ইতোমধ্যে তাদের পরিবারের সদস্যদেরকে সেখানে পাঠিয়েও দিয়েছে! এই সরকারের আর বছর খানেক সময় বাকি এরই মাঝে আরেকটি বড় বাজেটের রোজগার করার লক্ষ্যেই কি তবে তড়িঘড়ি করে এই নতুন নিয়ম? তারপর উন্নত কোন দেশে সুখের নিবাস গড়ার ধান্দা? নতুন নিয়মটা যদি খুব দরকারও হয়ে থাকে এইবারটা অন্তত বাদ দিয়ে সামনের বছর থেকে করা যেতো না?
সব কেমন যেন খাপছাড়া লাগছে। কে জানে? হয়তো আমার দুর্বল মগজের দোষ!
১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৫৯
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: এই সিদ্ধান্ত লোকগুলো যে কারনেই নিয়ে থাকুক ভয়ঙ্কর একটা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। ভয়াবহ।
২|
১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:০২
খান মোহাম্মদ বলেছেন: তাদের বলে কি লাভ।তাদের আন্ডা বাচ্চা তো সব পড়ে বিদেশে আর নাহয় নামকরা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে।সাধারন মানুষের পোলাপান হলো তাদের কাছে গিনিপিগ।হায়রে বাংলাদেশ
১৪ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৩:০৫
অরণ্যে রোদন... বলেছেন:
৩|
১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:২১
বেদনা বলেছেন: Nicely Written ......
১৪ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৩:০৬
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: Hugely thanked ....
৪|
১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:২২
ব্লাক সেপ্টেম্বর বলেছেন: গুড পোস্ট।
১৪ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৩:০৮
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ধন্যবাদ ।
৫|
১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৩১
অরূপ_কুমার বলেছেন: খুবই আগ্রহ ও মনোযোগ সহকারে আপনার পোস্ট টা পড়লাম। পোস্টে আপনি খুব সুন্দর করে কতকগুলো সত্যি কথা বলেছেন ।
ধন্যবাদ আপনাকে।
১৪ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৩:১০
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আপনার মাঝে আগ্রহ তৈরি করতে পেরে ধন্য হলাম আর আপনি মনোযোগ সহকারে লেখাটি পড়েছেন বলে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ভাল থাকবেন। অসংখ্য ধন্যবাদ।
৬|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৩:৪৬
রাশান শাহরিয়ান নিপুন বলেছেন: বরাবরের ন্যায় একমত।
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ৯:৪৮
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ... এবং ধন্যবাদ
৭|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:২৩
সাজজ্াদ রানা বলেছেন: এমন অযোগ্য মন্ত্রীসভা স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে কখনো ছিল বলে মনে হয় না, আর এত অল্প সময়ে এতগুলো জনবিরোধী সিদ্ধান্ত, আর কোন সরকার নিয়েছে কি না জানি না। সেই ডে টাইম সেভিং, ঢাকা ভাগ থেকে শুরু করে এখন মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষা বাতিল পর্যন্ত অদ্ভুত সব সিদ্ধান্তে জনদুর্ভোগ মাত্রা ছাড়িয়েছে।
চমৎকার যুক্তি দিয়ে সুন্দরভাবে বিষয়টি তুলে ধরেছেন। সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:২৩
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: সেই ডে টাইম সেভিং, ঢাকা ভাগ থেকে শুরু করে এখন মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষা বাতিল পর্যন্ত অদ্ভুত সব সিদ্ধান্তে জনদুর্ভোগ মাত্রা ছাড়িয়েছে একমত আপনার সাথে। ধন্যবাদ আপনার কমেন্টের জন্য। ভাল থাকবেন।
৮|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:২৪
মোঃ শাব্বির আহমাদ বলেছেন: খুব ভাল লিখেছেন। কিন্তু এ কথা গুলো তাদের কানে যাবে না। কারন বড়বড় কোন পত্রিকাতেই এটা ছাপানো হচ্ছে না।
আমিও গতকাল একটা এই বিষয়ক পোস্ট দিয়েছিলাম। কিন্তু কথা গুলো কিভাবে তাদের কানে ঢুকাব আমার জানা নেই।
কেন জিপিএ'র ভিত্তিতে মেডিকেল ভর্তি নেওয়া যুক্তি সঙ্গত না?- পড়ার জন্য নিচে ক্লিক করুন।
Click This Link
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:৩২
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আপনার পোস্টে কমেন্ট করেছি। উত্তর দিয়েন।
৯|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:২৮
রিমন রনবীর বলেছেন:
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:৩৩
অরণ্যে রোদন... বলেছেন:
১০|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:২৮
আলী রুশফি বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন... দৈনিক কোন পত্রিকায় আপনার এই লেখাটা প্রকাশ করা যায় কিনা সেই চেষ্টা করুন...
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:৩৫
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাই আমার তো কোন জানাশোনা নেই। আর আজকাল জানাশোনা ছাড়া কোন লেখা পত্রিকায় ঠিক ঠাক ছাপা হওয়া প্রায় অসম্ভব।
এখানে যদি কোন সাংবাদিক ভাই থেকে থাকেন তবে তাকে/তাদেরকে অনুরোধ করব একবার বিষয়টা ভেবে দেখতে।
১১|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:৩০
বিডি আমিনুর বলেছেন:
আগামী নির্বাচনী বাজেট সংগ্রহের নয়া কৌশল ।
BLএর মন্ত্রীরা সব গুলা আবুল মার্কা ।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:৩৭
অরণ্যে রোদন... বলেছেন:
১২|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:৪২
মা-বাবার বেকার সন্তান বলেছেন: তাদের অসুখ হলে তারা সিকিৎসা করবে বিদশে গিয়ে আমদের কি হবে এই হাতুরি মারকা ডাক্তার দিয়ে সিকিৎসা করে কি জীবনটা বিলেয়ে দেব........................
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:৩৮
অরণ্যে রোদন... বলেছেন:
১৩|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:৪৬
অচিন্ত্য বলেছেন: কোচিং বন্ধ করার চিন্তাটা কি আমাদের দেশের পটভূমিতে বাস্তবসম্মত? যে উজির নাজিররা কোচিং বন্ধের জিহাদে নেমেছে তাদের ছেলেমেয়েরা কি একজনও পাবলিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পড়ে? উত্তর - না। তার মানে কী দাঁড়ায়, যে শিক্ষাব্যবস্থায় আপনার নিজেরই আস্থা নেই, তা আপনি জোর করে সবার উপর চাপিয়ে দেবেন। এবং এই শিক্ষা ব্যবস্থায় বীতশ্রদ্ধ হয়ে যারা কোচিংগুলো থেকে উপকৃত হওয়ার চেষ্টা করছে, তাদেরকে সেই সুযোগ থেকেও বঞ্চিত করার মানে হচ্ছে শিক্ষাকে একটি বিশেষ শ্রেণীর কুক্ষিগত করে রাখার চেষ্টা। আপনার অর্থ আছে বলে আপনি প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে প্রাইভেট প্রতিষ্টান অথবা বিদেশী প্রতিষ্টানকে বেছে নিয়েছেন। যার সেই অর্থ নেই, তার কাছে তো একমাত্র বিকল্প কোচিং। উজির নাজিরগণের কাছে আবেদন; দয়া করুন। দরিদ্রদের উপর দয়া করুন। আপনাদের দয়ার উপরেই গণতন্ত্রের ভবিষ্যত নির্ভর করছে। কারণ গণতন্ত্র একটি দয়া নির্ভর দাতব্য প্রতিষ্টান।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:৩৯
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ভাই আপনার কমেন্টে ঝাঝা লাইক দিলাম !
১৪|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:৪৮
প্রশাসন বলেছেন: আমাদের শিক্ষাব্বস্থা ধ্বংসের জন্য সব প্রস্তুত এখন শুধু সময়ের ব্যপার মাত্র। ২০০৩ সালে আমাদের এইচ এস সির ব্যাচ এ সারা বাংলাদেশে ২০ জন এ+ পায়। আর সময়ের ব্যবধানে ২০১২ সালে পায় ৬০/৭০ হাজার। এটা কি ভাবে সম্ভব????? এখানে মুল গলদটা কোথায়? এম বি এ শেষ করে প্রবাস জীবনেও এগুলা দেখলে কষ্টের শেষ থাকেনা। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের হাত থেকে বাচাতে জনগন কেই এগিয়ে আসতে হবে। ধন্যবাদ আপনার পোষ্ট এর জন্য।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:৪২
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: "আমাদের শিক্ষাব্বস্থা ধ্বংসের জন্য সব প্রস্তুত এখন শুধু সময়ের ব্যপার মাত্র"---- ভাল বলেছেন। সময় থাকতে যদি সাবধান না হওয়া যায় তবে সামনে ঘর অন্ধকার।
১৫|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:৫৯
মেনােশদাস বলেছেন: আর কতো ধান্ধার শিকার হতে হবে আমাদের। ধান্দাবাজদের ঠেকানোর কৌশল বের করতে হবে।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:৪৪
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: সমস্যা হল আমাদের দেশে উচ্চ পর্যায়গুলোতে ভুল জায়গায় সব ভুল মানুষ বসে আছে। ভাল কিছু এদের কাছ থেকে আশা করা যায় না। আমূল পরিবর্তন চাই।
১৬|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:৫৯
বিবেকহীন বলেছেন: পয়েন্ট সমৃদ্ধ দারুন পোস্ট। ভর্তি কোচিং বন্ধ করার লক্ষ্যে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল, এরচেয়ে হাস্যকর বিষয় আর কি হতে পারে!! উচ্চ-মাধ্যমিকে কোচিং সহযোগে প্রচলিত পড়াশুনার ধরনের চেয়ে মেডিকেল-ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি কোচিং এ তুলনামূলক বেশি নলেজ ডেভেলভমেন্ট হয়।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:৪৬
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: একমত আপনার সাথে। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্যে। ভাল থাকবেন।
১৭|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:০১
নেপোলিয়ন বলেছেন: ৪র্থ পেপার বিষয়ে আমার একটা প্রশ্ন ছিল। ধরুন আমি রাজশাহী বোর্ডে মেরিটে ১০০ হলাম। এখন আমার জীব ৪র্থ এন্ড ম্যাথ মেইন। জীবে পেলাম ৯৫, ম্যাথে ১০০. আর একজনের জীব মেইন। সে এতে ৯৮ পেল। ম্যাথে পেল ৯৮. অর্থাত ৪র্থ বাদ দিলে মেইনে আমি পেলাম ১০০, সে পেল ৯৮. এতে কি আমি তার উপরে থাকব? বিষয়টা ক্লিয়ার করলে উপকার হত...মানে জীব ৪র্থ হলে প্রব্লেম আছে? আমি ত জানতাম জীব বিষয়টা থাকলেই হয়...
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১:৫৯
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: নতুন নিয়ম বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং বিএমএ মহাসচিব যা বললেন ঐ অনুষ্ঠানে তাতে আপনি দুর্ভাগা। কারন এ+ পাওয়া সবার মাঝে প্রথমেই তারা চতুর্থ বিষয় বাদ দিয়ে হিসেব করবে। সেক্ষেত্রে আপনি বিপদে পড়ে যেতে পারেন
১৮|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:০৬
নেপোলিয়ন বলেছেন: someone please answer my question.
১৯|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:০৯
আধারের কবি বলেছেন: মূল কারন হইলো ভর্তি বানিজ্যের মাধ্যমে আগামি নির্বাচনের টাকা জমা করা।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:৪৯
অরণ্যে রোদন... বলেছেন:
২০|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৩১
সালমান ফার্সী বলেছেন: কোচিং সেন্টারগুলো এই বছর যা কামানোর তা কামিয়ে ফেলেছে। এখন ওদের বাড়তি লাভ হবে এই যে, যারা মেডিকেলের জন্য কোচিং করছিল (টাকা কিন্তু সবই দেয়া হয়ে গেসে), তারা এখন ঢাবির ক বা ঘ ইউনিটের জন্য নতুন করে কোচিং করতে বাধ্য হবে। মানে ডাবল কোচিং এবং ডাবল খরচ। কেউই কিন্তু নিশ্চিত না যে তার মেডিকেলে চান্স হচ্ছে। আসলে কোপ টা কোচিং সেন্টারগুলোর উপর পরতেসে না পরতেসে ছাত্রদের উপর। তাও ডাবল কোপ...............
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:৫১
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ১০০% একমত। যত দুর্ভোগ স্টুডেন্টদের উপর।
২১|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৩৪
মোঃ শাব্বির আহমাদ বলেছেন: ভাই, একটু ইনফরমেশন ঠিক করুন। এস এসসি ও এইস এসসি জিপিএ ৫ প্রাপ্ত সংখ্যা দুই বছর মিলিয়ে ৭০,০০০ এর উপর। কারন শুধু এ বছর এইস এসসি তে এ+ পেয়েছে ৬১,০০০ এর উপরে। আর এস এসসি ও এইস এসসি দুই পরীক্ষাতেই গোল্ডেন এ+ পেয়েছে প্রায় ১০,০০০ শিক্ষার্থী। এই দশ হাজার ডবল গোল্ডেন এর ভিতর থেকে কিভাবে ৩,০০০ শিক্ষার্থী বাছাই করা হবে আমার জানা নেই।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ২:০৩
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আসলে লেখার সময় এমনই রাগ হচ্ছিল যে স্পেসিফিক ফিগার টা খুঁজে নিয়ে লিখার মত ব্যাপার ছিল না। নামাজ পড়ে এসে কিছুটা ক্লান্ত। পড়ে ঠিক করে দিব। আসলে ব্যাপারটা হল কি সাগর থেকে এক বালতি পানি তুলে নেয়ার মত। এদের আজগুবি নিয়মে ১০ হাজার আর ৬০ হাজার সব একই। তবু আপনার কথাই ঠিক। আমি কারেকশন করে দিব। ধন্যবাদ
২২|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৩৭
মোঃ শাব্বির আহমাদ বলেছেন: ভাই, নেপোলিয়ন, আপনার প্রশ্নের উত্তর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বাদে আর কেউ জানে না। তবে যে টাকা বেশি দিবে সে উপরে থাকবে এটা নিশ্চিত।
২৩|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৫৮
প্রকৌশলী আতিক বলেছেন: যাহাদের নাকে-মুখে টাকার গন্ধ, তাহারা চোখ থাকিতেও অন্ধ
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:৫৩
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: জটিল বলেছেন আতিক ভাই। কেমন আছেন আপনি? ঈদের শুভেচ্ছা রইলো।
২৪|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৫৯
মেনােশদাস বলেছেন: গায়ে মানে না আপনি মোড়ল।এই মোড়লগিড়ির উদ্দেশ্যটা পরিস্কার করেন। তাহলেই বেরিয়ে আসবে রহস্যের দ্বার।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:২৬
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: হুম সেটাই।
২৫|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:০৩
তামিম ইবনে আমান বলেছেন:
এম্নিতেই টাকা পয়সার টানাটানি যাচ্ছে। ডিস্টার্ব করবেন না
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:২৭
অরণ্যে রোদন... বলেছেন:
২৬|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:১৩
অবাক-পৃথিবী বলেছেন: সরকার আসল জায়গায় হাত দেয়না , কোচিং সেন্টারগুলো বন্ধ করে দিলেইতো হয়। কিন্তু তা না করে এত গুলো জীবন নিয়ে এভাবে নগ্নভাবে খেলা করার অধিকার তাদের নেই।
সালমান ফার্সী বলেছেন: কোচিং সেন্টারগুলো এই বছর যা কামানোর তা কামিয়ে ফেলেছে। এখন ওদের বাড়তি লাভ হবে এই যে, যারা মেডিকেলের জন্য কোচিং করছিল (টাকা কিন্তু সবই দেয়া হয়ে গেসে), তারা এখন ঢাবির ক বা ঘ ইউনিটের জন্য নতুন করে কোচিং করতে বাধ্য হবে। মানে ডাবল কোচিং এবং ডাবল খরচ। কেউই কিন্তু নিশ্চিত না যে তার মেডিকেলে চান্স হচ্ছে। আসলে কোপ টা কোচিং সেন্টারগুলোর উপর পরতেসে না পরতেসে ছাত্রদের উপর। তাও ডাবল কোপ...............
ঠিক বলেছেন আপনি
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:২৮
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ভাল থাকবেন।
২৭|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:১৬
আমিনুল ইসলাম বলেছেন: এইসব কথা তাদের কানে যাবে না এইটাই ফ্যাক্ট। আমরা কেবল লিখেই যাবো। খুব একটা লাভ তাতে হবে বলে মনে হয় না। টাকার কাছে এ দেশে সবই তুচ্ছ।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৩০
অরণ্যে রোদন... বলেছেন:
২৮|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:১৭
অসামাজিক ০০৭০০৭ বলেছেন: পরীক্ষা নাই-মুড়ি খাওঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৩৪
অরণ্যে রোদন... বলেছেন:
২৯|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:২৬
ছোট নদী বলেছেন: GOOD POST!
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৪১
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: Thanks !
৩০|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:২৭
আমি সাজিদ বলেছেন: ভাই, কিছু মানুষ যারা এতদিন আমার চোখে অনেক সম্মানিত ছিলেন তাদের একজন রাশেদা ম্যাম।উনি বিডি নিউস ২৪ কে উনার মতমত দিসেন - দেখেন
//গত বছর মেডিকেল ভর্তিপরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৫১ হাজার শিক্ষার্থী। এরা সবাই কিন্তু মেডিকেলে পড়ছে। কেউ তাদের স্বপ্ন থেকে দূরে নয়। কীভাবে এটা সম্ভব হয়েছে? পাবলিক মেডিকেল কলেজগুলোতে যারা সুযোগ পায়নি তারা বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়েছে - রাশেদা কে চৌধুরী//
গতবছর পরীক্ষা দেওয়া ৫০ হাজার জন নাকি সবাই মেডিক্যালে পরতেসে!উনি জানেন না,সিট কয়টা আছে!কিন্তু তিনিও জ্ঞানী সাজার চেষ্টা করলেন এই বিষয়ে।লিঙ্ক দেখুন-
রাশেদা ম্যাম জানেন না কয় জন মেডিক্যালে চান্স পায়।তারপরঅ উনি তাঁর মতমত দিয়ে দিলেন।হাস্যকর!
আজকে বিডি নিউস ২৪ এ শুধুমাত্র এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মানে ডাক্তারদের মতামত নেওয়া হইসে।তারা অবশ্যই পরীক্ষার পক্ষে।ঢাকা ইয়ুনিভার্সিটির ফয়েজ স্যার পরীক্ষার পক্ষে।সাধারণ মানুষ পরীক্ষার পক্ষে।লিঙ্ক দেখুন-মেডিকেল ভর্তি: পুনর্ভাবনার আহ্বান বিশেষজ্ঞদের
এখন আসি কারা ভর্তি পরীক্ষার বিপক্ষে? প্রথম বারের স্টুডেন্টরা যারা গোল্ডেন পাইসে তারা বিপক্ষে কারন তাদের এক্সাম দিতে হবে না।মাগনা চান্স পাওয়ার পক্ষে ।যদি এক্সাম হয়ও তবে,এই ছাত্রদের মধ্যে যারা মেডিক্যালের জন্য পড়সে অনেক ভালভাবে,তারা পরীক্ষা দিতে চাইবে।কিন্তু কিছু আছে,ডাক্তার হইতে চায় কিন্তু চামের উপরে গোল্ডেন পাইসে।অ্যাডমিশনের জন্য পড়ে নাই ভালভাবে,পরীক্ষা দিলে বাপের জন্মে চান্স পাবে না জানে,তারা এক্সাম বিরোধিতা করতেসে।
প্রথম বার বা দ্বিতীয় বারের যাদের এক বিষয়ের জন্য গোল্ডেন নাই এবং আরও যারা ৪,৮ বা ৪,৯ এ আটকে গেছে,তাদের মধ্যে যারা ভালো পড়াশুনা করসে,তারা পরীক্ষা দিতে চায়।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৫৩
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আপনার দেয়া প্রথম লিংকটা সম্পর্কে বলব আমার মতে এই মহিলা বুঝেও না বোঝার ভান করছে, সরকারের চামচামি করার জন্য ভাড়া করাও হতে পারে। প্রতিটি যুক্তি খোঁড়া - ফালতু।
আর দ্বিতীয় যে লিংক দিয়েছেন সেটা পরে ভাল লাগলো বেশ। ধন্যবাদ আপনাকে।
৩১|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:৫৩
রীতিমত লিয়া বলেছেন: প্রার্থনা করি আমাদের সকলের এই অনুরোধ যেন অরন্যে রোদন না হয়ে যায়
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৫৯
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আমিন !
৩২|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৩৯
এম এস জুলহাস বলেছেন:
ধুররর মিয়া ১৫/২০ হাজার গোল্লায় যাক। বড় কর্তাদের কোঠার ২/৪ শ' ভর্তি'র পর কে ভর্তি হতে পারলো আর না পারলো সেটা দেখার তাদের প্রয়োজন কী ?
আবার তাদের কোঠা'র গুলা ভর্তি করার পরই শুরু হবে গ্রাম কোঠা কিংবা আমাদের মতো আম জনতাদের জন্য ১০/২০ লাখ টাকার ডোনেশন কোঠা। মন্দ কী ? ? ?
আহা বাবুদের কতই না সূক্ষ্ণ বুদ্ধি ! আগে কী-ই না চিকনে এতগুলা পোলাপাইনরে জিপিএ-৫ পাওয়ালো। আর এখন আবার তাদেরকে ডাংতার বানানোর জন্য . . .।
তাদেরকে জিপিএ-৫ পাওয়াতে কী যে চিকন প্যাঁচ ছিলো মা-গো আর কেউ না জানলেও খাতা মূল্যায়ণকারী অন্ততঃ আমার মতো কিছু নাদান মুখবন্ধ হ্যবলাকান্তরা কিন্তু ঠিক-ই জানি। আর দিও না মা, উপরওয়ালায় কিন্তু সইবে না মা . . . ও আমার দেশ মা . . .
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:০১
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: এরা সবকিছু ঘাড়ে ঠেলে নিয়ে যেতে চায়। খুবই হতাশা ও দুঃখজনক।
৩৩|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৪৮
বিডি বয়েস বলেছেন: বৈধ চাঁদাবাজির নতুন মাধ্যম।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:০২
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: অনেকটা !
৩৪|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:০০
অন্ধকার অবচেতন বলেছেন: পোস্টে প্লাস!!! এই সরকার কি পরিমাণ আজাইরা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না দেখলে বিশ্বাস করা সম্ভব না।
ফেবুতে শেয়ার করতে পারি?
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:০৪
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ধন্যবাদ। কেন নয় ? সানন্দে শেয়ার করুন।
৩৫|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:১৮
ঘাস ফরিং বলেছেন: আমাদের দেশে ভাল ডাক্তারের পাশাপাশি অনেক কদম আলী মার্কা ডাক্তার আছেন। যদি ভর্তি পরীক্ষার মতো একটি বিশেষ পরীক্ষার দ্বারা মেধা যাচাই না করে এম বি বি এস-এ ভর্তি করা হয় তাহলে কদম আলী মার্কা ডাক্তারদের সংখ্যা আরও বেড়ে যাবে।
ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করতে হলে সকল উচ্চ শিক্ষাদানকারী প্রতিষ্ঠান থেকেই বাতিল করা হোক। শুধু মেডিকেল থেকে কেন ?
এম বি বি এস কোর্সে ভর্তির ব্যাপারে আমার ব্যাক্তিগত একটি ভাবনা আছে। সেটি হলো, শিশুরা যখন শিশু , নার্সারি কিংবা প্লে শ্রেনীতে পড়ে তখন তাদের স্মরনশক্তি খুব প্রবল থাকে ( এটি আমার ধারনা কারন এ সময় শিশুরা খুব তাড়াতাড়ি যে কোন ধরনের আগডুম বাগডুম জাতীয় ছড়া গড়গড় করে দ্রুত মুখস্ত করে ফেলে )। তাই বলছিলাম কি, শিশু , নার্সারি কিংবা প্লে শ্রেনীর একাডেমিক রেজাল্টের ভিত্তিতে যদি ডাক্তারিতে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, তবে হয়ত এ দেশ ভর্তি কোচিং চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যেত। যারা ভর্তি কোচিং বাণিজ্যের সাথে জড়িত তারা নার্সারি শ্রেনীর শিশুদেরকে নিয়ে নতুন করে কোন কোচিং চালুর দু:সাহস দেখাবে বলে মনে হয় না । কারন, নার্সারি পড়ুয়াদের হাগু মুতু করার বাড়তি একটা সমস্যা আছে। এই সমস্যা কোচিং ওয়ালারা মোকাবেলা করার সাহস আছে বলে মনে হয় না ---
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:০৫
অরণ্যে রোদন... বলেছেন:
৩৬|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৩৭
sajidboss বলেছেন: খুবই ভয়াবহো একটা সিদ্ধান্ত
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:০৬
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: নিঃসন্দেহে।
৩৭|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৫৩
নিষ্কর্মা বলেছেন:
মদন বলেছেন: মূল কারন হইলো ভর্তি বানিজ্যের মাধ্যমে আগামি নির্বাচনের টাকা জমা করা।
চ্রম সত্য কথা। এবং সহমত।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:০৯
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: টাকার লোভ এদের কোনোদিন যাবেনা। টাকার জন্য নিজের বাপ মাকেও এরা বেচে দিতে পারে।
৩৮|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৩:০১
কাব্য সৈনিক বলেছেন: কি আর বলি ভাই এরই নাম ডিজি-টাল আগেতো শুধু পরেরটা ছিলো এখন প্রযুক্তি আর গাধার মিলনে এমন নতুন নতুন বুদ্ধি প্রসব করছে কিছু দুর্নীতিবাজ মন্ত্রী প্রশাসনিক নিতীনির্ধারক এবং বিষয় সম্পর্কীত বুদ্ধিজীবি ব্যাক্তিবর্গ ।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:১৫
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: রাগ হয় ভাই। খুব রাগ হয়। মন চায়...
৩৯|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৩:০১
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: স্বল্পশিক্ষিত রাজনীতিবিদ ও ডাক্তার স্বাস্থ্যমন্ত্রী একই শ্রেণীতে পড়েন বিধায় নিউটনের একটা সূত্র মনে করিয়ে দেয়ার প্রয়োজন বোধ করছি।
পদার্থবিদ্যায়: 'প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া আছে।'
বাস্তবতাবিদ্যায়: 'প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি অ্যাম্প্লিফাইড/প্রলম্বিত ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া আছে।'
যদি ক্ষমতাবানরা মনে করে থাকেন যে, শাহবাগ মোড় ঘেরাও পর্যন্তই শেষ। তাহলে ভুল করবেন।
আর খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে আজকাল আমরা আরো বেশি বেশি ভুলে যাই।
নতুন ভোটারদের ভোটে আলীগ এসেছিল।
৪০|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৩:২৪
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: তাই এইসব অথর্ব রাজনীতিবিদ মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে গুলি করতে সচিব উপসচিবেরা অনেক বেশি ওস্তাদ। আড়ালে থেকে কলকাঠি সব এরাই নাড়ে বলে আমার বিশ্বাস। মেডিক্যালের ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের এই সিদ্ধান্ত পিছন থেকে এদেরই কাজ কিনা খতিয়ে দেখার আছে। কারন যত বেশি ফাঁক ফোকর থাকবে নিয়মের ভিতর তত বেশি টাকার বান্ডেল সেই ফাঁক দিয়ে তাদের পকেটে ঢুকবে।
প্লাস সহ প্রিয়তে।
ধন্যবাদ অসাধারণ দৃষ্টিভঙ্গির জন্য। আর চমৎকার করে একটা পোস্টকে স্টিকি করার জন্য।
যদিও কিছু কথা থেকে যায়:
১. জিপিএ পদ্ধতি থেকে শুরু করে সবই একই রকম থাক।
২. কমপক্ষে তিন বছর আগে থেকে জানানো হোক যে আমাদের দেশে আর ভার্সিটি-বুয়েট-মেডিক্যালে ভর্তি পরীক্ষা হবে না। সবাই এসএসসি থেকে ভালমত পড়ো। স্কুল কলেজ শিক্ষকদের প্রাইভেট হারাম।
৩. কোন ধানাই পানাই না। চতুর্থ বিষয় সহ স-ব মিলিয়ে সর্ব্বোচ্চ নাম্বার যারা যারা পাবে, এসএসসি ও এইচএসসিতে, তারাই যেখানে খুশি সেখানে চান্স পাবে। তবে শুধু সংশ্লিষ্ট বিষয়ের নাম্বারটা প্রাধান্য পাবে যদি দুজনের স্কোর একই হয়।
৪. প্রতিটা ভার্সিটি-প্রতিষ্ঠানে কোটা থাকবে জাতীয় ভিত্তিক + বোর্ডভিত্তিক। আর কোন অঞ্চলভিত্তিক নয়।
৫. প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর স্বচ্ছ্ব ট্রান্সক্রিপ্ট পুরো মার্ক সহ শুরুতেই জানিয়ে দেয়া হবে।
তাহলে সর্ববাণিজ্যের মুখে তালা মারা হবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:২৫
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আপনার চমৎকার কমেন্টের জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। অগ্রিম ঈদ শুভেচ্ছাও থাকল।
৪১|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৩:২৬
কাজল কািন্ত কর বলেছেন: আমার মনে হয়, সরকারের বর্তমান সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ সঠিক।তবে এই সিদ্ধান্ত আরো আগে নেওয়া উচিত ছিল। তাহলে বর্তমান পরীক্ষার্ত্রীরা সর্ম্পর্ণ মনোযোগ সহকারে এইচএসসি ফলাফলের দিকে নজর দিতে পারত। আমি নুরুল ইসলাম নাহিদের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:২৭
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আমি আপনার কথার সাথে সম্পূর্ণ ভিন্নমত পোষণ করি, আমার কোন যুক্তিগুলো আপনার কাছে ভুল মনে হল দয়া করে বলবেন। তখন আপনার কথা শুনবো, এর আগে না।
৪২|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৩:৩৪
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
এর আগের ভর্তি পরিক্ষা কোনটাই দুর্নিতির অভিযোগ থেকে মুক্ত ছিলনা। ভাইবাতেও দুর্নিতির অভিযোগ ছিল। প্রশ্ন আঊট করে বানিজ্য করা হত। শিবির নিয়ন্ত্রিত কোচিং সেন্টার গুলোই প্রশ্ন আউট করতো। পাঁচলক্ষ টাকার চুক্তি মাফিক ভর্তির গ্যারান্টি দিত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অনৈতিক কোচিং ব্যবস্থা + ভর্তি বানিজ্য ধিরে ধিরে তুলে তুলে দেয়াই এ সরকারের নীতি। যা শিক্ষামন্ত্রী বহুবার বলেছেন। এব্যবস্থা সরকারের ধারাবাহিক প্রকৃয়ার একটি অংশ।
একটি মৌলবাদি চালিত কোচিং সেন্টার পরিকল্পিত ভাবে বিক্ষোবকারিদের sms এর মাধ্যমে উষ্কে দেয়া এবং ইফতার সরবরাহ করার সুস্পষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শিক্ষাবোর্ড দুর্নিতির বাহিরে একথা বলছি না। তবে সেখানে খাতা জালিয়াতি করা কঠিন ব্যাপার।খাতা খুজে পেয়ে জালিয়াতি প্রায় আসম্ভব। খাতা শর্টি কোড কঠিন পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত থাকে, মার্ক জালিয়াতি সম্পুর্ন অসম্ভব।
প্রকৃত GPAর একচুয়াল মার্ক বোর্ডের কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে সংরক্ষিত আছে। সেই অনুযায়ী মার্ক যাচাই করে মেরিট লিষ্ট মতাবেক এবার ভর্তিচ্ছু সিলেক্ট করা হবে।
এখানে বানিজ্য অসম্ভব, মার্ক জালিয়াতি অসম্ভব। মার্কস উম্মুক্ত না থাকলেও যে কোন অসন্তুষ্ট প্রার্থি নির্দিষ্ট ফির বিনিময়ে মার্কস চ্যালেঞ্জ করতে পারবে।
এভাবেই মেরিট লিষ্ট মতাবেক ssc pas দের এবার বোর্ড মারফত সকল কলেজে ভর্তি সম্পন্ন হয়েছে, কোন পরিক্ষা ছাড়াই, কোন বিতর্ক ছাড়াই। কোন দুই নম্বরির অভিযোগ পাওয়া যায় নাই ।
এক ঘন্টার পরীক্ষা কোন অবস্থাতেই ভর্তির মানদন্ড হতে পারেনা।
চার বছর পড়াশোনা করে প্রস্তুতি নিয়ে, নকলমুক্ত জালপ্রশ্নপত্র মুক্ত প্রতিটি সাবব্জেক্টে দুই পর্বের + প্রাক্টিক্যাল সহ মোট ৮১ ঘন্টার পরিক্ষা, মোগস্তবিদ্যার(কোচি সেন্টার প্রোভাইডেড) ১ঘন্টার ভর্তি পরীক্ষার চেয়ে অনেক বেশী গ্রহনযোগ্য।
ভর্তি বানিজ্য ও অকারন অর্থ ও সময় নষ্ট রোধ করার এ আপাত সমাধান। সরকারের কোন দুরভিসন্ধি নেই। সরকারের সদিচ্ছাকে স্বাগত জানানো উচিত।
সরকারকে শক্ত পদক্ষেপ নিয়ে রিট স্থগিত করাতে হবে।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:৩৯
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আপনার কমেন্টটি পড়ে অসম্ভব বিরক্ত হলাম। কিছু মগবাজারি ছাগু যেমন পেইড ব্লগার হিসেবে আছে এবং নানা পোস্টে যেয়ে কিছু না দেখে না শুনেই ল্যাদাতে শুরু করে আপনি সরকার দলীয় তেমন একজন।
আপনার প্রতি আমার কিছু প্রশ্নঃ
১। আপনার বয়স কত?
২। পড়াশোনা কোন পর্যায় পর্যন্ত?
৩।এই লেখাটা কি সেইভ করে রাখছেন। যেখানেই এই জাতীয় প্রসঙ্গ পাচ্ছেন সেখানেই এটা পেস্ট মেরে দিচ্ছেন?
এক ঘন্টার পরীক্ষা কোন অবস্থাতেই ভর্তির মানদন্ড হতে পারেনা।
চার বছর পড়াশোনা করে প্রস্তুতি নিয়ে, নকলমুক্ত জালপ্রশ্নপত্র মুক্ত প্রতিটি সাবব্জেক্টে দুই পর্বের + প্রাক্টিক্যাল সহ মোট ৮১ ঘন্টার পরিক্ষা, মোগস্তবিদ্যার(কোচি সেন্টার প্রোভাইডেড) ১ঘন্টার ভর্তি পরীক্ষার চেয়ে অনেক বেশী গ্রহনযোগ্য। কোন গ্রহে বাস করেন আপনি? দুনিয়ার খোঁজ খবর রাখেন কিছু? এজন্যেই আপনাকে জিজ্ঞেস করেছি আপনার পড়ালেখা কোন পর্যন্ত।
আমার লেখাটা পুরো পড়ুন মন দিয়ে। কোন যুক্তি খণ্ডন করার থাকলে সানন্দে করতে পারেন কিন্তু অযৌক্তিক কথা বলে সময় নষ্ট করবেন না।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:৫৭
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: বোঝাই যাচ্ছে আপনি রেটিনা কোচিং প্রসঙ্গে বলছেন। রেটিনা সম্পর্কে আমার বেশ ভাল একটা ধারনা আছে তা নিয়ে সামুতে আগে একটা পোস্টও দিয়েছি। যেভাবে আপাত নিরীহ ছেলেগুলোকে কারখানায় ঢুকিয়ে একেকটি উন্মাদ ধর্মান্ধ বানানো হয়
আমার ব্লগের সবগুলো পোস্টের শিরোনাম দেখেন, আমার ব্লগ মটো দেখেন বুঝতে পারবেন আমি কোন মানসিকতার মানুষ। কিন্তু তাই বলে কোন রকম চোখকান বোজা অন্ধ অযৌক্তিক সমর্থন করার কোনই কারন নেই। একটা রাজনৈতিক দল আপনার প্রিয় হতেই পারে কিন্তু তার মানে এই না যে তার সব সিদ্ধান্ত সঠিক হবে আর আপনাকেও হুররে হুররে করে লাফ ঝাঁপ দিতে হবে। আশা করি বুঝতে পারবেন।
৪৩|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৩:৫১
প্লাটো বলেছেন: বেশ যুক্তি দিয়ে বলেছেন। দেখি কাউন্টার লজিক কি আসে।
পোস্টের প্রথম অংশে এসেছে কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও সে প্রসঙ্গে আপনার যুক্তি খন্ডন । এবং দ্বিতীয় অংশে এসেছে আপনি যেগুলোকে সমস্যা ও অপ্রাসঙ্গিক বলে মনে করেন এবং কেন মনে করেন। ওকে।
আচ্ছা এই দুটি অংশকে আরেকটু স্পেস, বোল্ড হরফ বা অন্য কোনভাবে আলাদা করে দেয়া যায়না? দ্বিতীয় অংশ খুব কাছা কাছি শুরু হয়ে গেছে। এতে পাঠক প্রথম অংশ শেষ করে একটু শ্বাস নিয়ে পরের অংশ শুরু করতে পারতো। কারন পাঠক মাত্রই অমনোযোগী। প্রথমের ১ থেকে ৩ এবং পরে আবার ১ থেকে ৬ পয়েন্টের ধারাবাহিকতা তার কাছে কনফিঊজিং মনে হতে পারে।
প্লাস।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:৪১
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: কিছুটা ঠিক করার চেষ্টা করলাম আপনার কথা মত। এবার দেখে মতামত জানাবেন প্লীজ। ধন্যবাদ।
৪৪|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:০০
সুপারনোভা ০০৭ বলেছেন: আমি ভাত খেতে পারব না বলে, আসো আমাদের হাত কেটে ফেলি। ব্যাপার হচ্ছে এই রকম। কবে যে এদের মাথায় বুদ্ধি উদয় হবে।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:৪৪
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: সেটাই।
৪৫|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:১৭
আব্দু্ল্লাহ আল নোমান বলেছেন: আপনার পোষ্ট টি ভাল লেগেছে।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:৪৬
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আপনার কমেন্টটিও আমার ভাল লেগেছে :-)
৪৬|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:১০
ইমনতামী বলেছেন: গত বছর গেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে, আর এবার শুরু করল মেডিকেল নিয়ে। কে জানে কবে কোথায় কেনটা দিয়ে এসব অনিয়ম শেষ হবে।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:৪৭
অরণ্যে রোদন... বলেছেন:
৪৭|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:১৩
অনুপ_13 বলেছেন: লেখক এবং হাসান কাল বৈশাখী দুইজন এ ভাল বলেছেন। কাউকে ছোট না করে যুক্তি সম্মত উপস্থাপন।
কিছু কিছু অশিক্ষিত কুলাঙ্গার কে দেখি মা বাপ তুলে গালাগালি করে। ওই গুলো যে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখে সেটাই ভয়ানক। পোস্টে প্লাস। ![]()
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:৫৯
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ধন্যবাদ
৪৮|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:১৪
জিনিয়ো বলেছেন: হাসান বাল বৈশাখী ইস হেয়ার
শুরু হইল আওমিলিগ রে চাটা
ওহে বাল বৈশাখী তোমাদের এক মন্ত্রী বলে প্রশ্ন ফাস হয় দেখে পরীক্ষা তুলে দিলাম
ভাল কথা
কিন্তু স্বাস্থ্য মন্ত্রী তো বলে প্রশ্ন ফাস হয় না
কনটা বিশ্বাস করব??
আর প্রশ্ন তো কোচিং সেন্টার করে না
প্রশ্ন তো স্বাস্থ্য মন্ত্রীর লোকজন করে রাত জেগে
তারা যদি প্রশ্ন বিক্রি না করে তাইলে কি শিবির পীর বাবা দিয়ে প্রশ্ন আনায়??
কোচিং সেন্টারে তালা ঝুলায়ে দিলেই তো হয়
বাবা বাল বৈশাখী প্রস্নের জবাব দেন
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:০৩
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: প্লীজ, এটি একটি গুরুতর সমস্যা। অনেকগুলো জীবন এই ডিসিশনের উপর নির্ভর করে আছে। আমরা বরং যার যার জায়গা থেকে একটু চেষ্টা করে দেখি জনগণের চাওয়া যুক্তিসঙ্গত ভাবে উপরমহলে পৌঁছান যায় কিনা। কিছু একটা ভাল করা যায় কিনা।
ঝগড়া ঝাটির দিকে না যাই।
৪৯|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:১৮
রেজা ঘটক বলেছেন: লেখককে ধন্যবাদ অনেক সুন্দর একটি লেখার জন্য। মেডিকেল ভর্তি নিয়ে চলমান বিষয়ে খোলা মনে কয়েকটি কথা বলতে চাই।
আমাদের দেশের কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান ছাড়া ইতোমধ্যে প্রায় সর্বত্র ভেজাল ঢুকে গেছে। আমাদের স্বাধীনতার ৪১ বছর পার হলেও এখনো একটি মৌলিক শিক্ষা নীতি নেই। একটি স্বাস্থ্য নীতি নেই। একটি পরিবেশ নীতি নেই। একটি স্বচ্ছ নিয়োগ নীতি নেই। আমাদের চারপাশে শুধু নেই আর নেই।
কিন্তু আমাদের রাজনীতিবিদরা আছেন। আমাদের আন্দোলন আছে। আমাদের চোর বাটপার আছে। আমাদের কালোবাজারী আছে। আমাদের কালো টাকা আছে। আমাদের সবকিছুতে ভেজাল আছে। আমাদের মন্ত্রী এমপি সচিব ব্যবসায়ীদের ছেলেমেয়দের বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে টাকার জোরে পড়ার সুযোগ আছে। আমাদের পেশীর জোর আছে। আমাদের চোখ রাঙানি আছে। আমাদের হরতাল আছে। আমাদের খুন গুম ধর্ষণ আছে। আমাদের কন্ট্রাকটর আছে। আমাদের চাঁদাবাজী আছে। আমাদের মিছিল মিটিং ভাংচুর আছে। আমাদের বিদেশে টাকা পাঠানোর কৌশলবো জানা আছে। আমাদের ঘুষ দুর্নীতি সবকিছুই বহাল তবিয়তে আছে। শুধুমাত্র আমাদের কোনো নীতি নেই।
গুটিকয়েক প্রতিষ্ঠান কিছু নিয়ম কানুন এখনো মানে। যেমন বুয়েট ভর্তি, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, মেডিকেল ভর্তি। যদিও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা এখন অনেকটা নিয়ম জয়ে গেছে। এসবের মধ্যেও আমরা বসবাস করি। স্বপ্ন দেখি।
সেই স্বপ্নেও যারা বেঘাত করতে চায়, বুঝতে হবে এরা দেশের মঙ্গল চায় না। কোনো দুরভিসন্ধি আছে এর পেছনে। এই ভর্তি ব্যবস্থাও যদি পেছনের দরজার ব্যাপার বানানো যায়, তাহলে টাকা কামানোর রাস্তা আরো সোজা হয়।
দেশের সকল প্রতিষ্ঠান ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত এইসব অসৎ অপকর্ম চলতেই থাকবে। আর মুখে বলবে আমারা জনগণের সেবা করছি। গ্রামের মেম্বার চেয়ারম্যানরা এরকম মন্ত্রীর চেয়ে বেশি যোগ্যতা রাখেন। ছাগল দিয়ে হাল চাষ হয় না, হয় না, হয় না।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:০৬
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: চমৎকার! খুবই চমৎকার মন্তব্য আপনার। অনেক ধন্যবাদ।
৫০|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:২২
আমরা তোমাদের ভুলব না বলেছেন: মেডিক্যালের ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের এই সিদ্ধান্ত পিছন থেকে এদেরই কাজ কিনা খতিয়ে দেখার আছে। কারন যত বেশি ফাঁক ফোকর থাকবে নিয়মের ভিতর তত বেশি টাকার বান্ডেল সেই ফাঁক দিয়ে তাদের পকেটে ঢুকবে++++++++++++++++++++++++++++
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:০৮
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ধন্যবাদ (যতগুলা প্লাস দিয়েছেন তার চেয়ে একশোটা বেশি দিলাম)
৫১|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:২৮
হাবিব০৪২০০২ বলেছেন: আজ আদালত আদেশ দিলে কাল থেকেই কোচিং সেন্টারগুলো বন্ধ হতে বাধ্য। তা না করে কোচিং সেন্টার, প্রশ্ন ফাঁসের যে খোড়া যুক্তিগুলো দেখানো হচ্ছে এর আসল কারন সবাই বুঝে।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:১৫
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: সহমত।
৫২|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:৩১
জিনিয়ো বলেছেন: আর সব কয়টা ৮১ ঘণ্টার বাল পরীক্ষা নিয়ে পইড়া আছে
যদি একজন ৮১ ঘণ্টার পরীক্ষায় আগে ২০% শিখে পরীক্ষা দেয় আর ১ ঘণ্টার পরীক্ষার আগে ১০০% বই শিখে পরীক্ষা দেয় তাইলে কোনটা ভাল???
আর ১ ঘণ্টার জায়গায় ১০ ঘণ্টা পরীক্ষা নাও
পোলাপান দিতে তো রাজি আছে
আর অনুপ_13 তুমি তো বাপের টাকায় জার্মানিতে বইসা লেদাইতেস
যে পোলা রিকশাওয়ালার ঘরে জন্মাইচে, এ+ পায় নাই সে কি ডাক্তার হবে না?? আমার এই প্রস্নের জবাব দিও
আগের বার এর মত উধাও হয়ে জাইও না
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:২২
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: পরীক্ষা পঞ্চাশ ঘণ্টার হল নাকি পাঁচ মিনিটের সেটা গুরুত্বপূর্ণ না। পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে যেয়ে স্টুডেন্টকে কি পরিমান পড়তে হল, কত বেশি জানা হল সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।
সারা পৃথিবীতেই এখন পরীক্ষা ছোট হয়ে আসছে। সব খানেই এখন mcq চলে আসছে। কিন্তু সেসব পরীক্ষায় ভাল করতে হোলে পুরো বই সম্পর্কে ধারনা থাকা লাগে, যেমনটা লাগতো মেডিক্যাল এ ভর্তির জন্য।
এই বিষয়টা যে বুঝতে চাবে না তার সাথে তর্ক করা পুরোপুরি বৃথা।
৫৩|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:৪২
হাবিব০৪২০০২ বলেছেন: জাতীয় দৈনিকগুলা কি আর মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার পক্ষে বলবে! তারা বলবে কোচিং এর বিরুদ্ধে যদি এই ফাঁকতালে কোচিং গুলো থেকে একটা বড়দান মারতে পারে!!! কোচিং গুলো পয়সা দিলেই কেবল তখন মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার পক্ষে বলবে। হলুদ সাংবাদিকতা
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:২৪
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: মিডিয়া দেখে কোনটা লিখলে পাবলিক আগ্রহ নিয়ে পড়বে, কোন এঙ্গেল থেকে লিখতে ব্যাংক ব্যালেন্স মোটা হবে...
৫৪|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:৪৮
লেজকাটা বান্দর বলেছেন: চেক করে দেখতে পারেন
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:২৮
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: দেখলুম, পড়লুম, লিখলুম।
৫৫|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০১
তাসনুভা সাখাওয়াত বীথি বলেছেন: এট লাস্ট পোস্ট স্টিকি হল
নাইচলি রিটেন । পোস্ট এ +++ ![]()
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:২৯
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ধন্যবাদ আপু। হ্যাঁ অবশেষে কিভাবে যেন হয়ে গেল
৫৬|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১২
েরাজানা বলেছেন: খুব সুন্দর কোরে পয়েন্ট বাই পয়েন্ট লিখেছেন...
মাথা ব্যাথায় মাথা না কেটে সমস্যা সোলভ করা উচিত।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:২৯
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ধন্যবাদ।
৫৭|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১৩
বরফ শীতল বলেছেন: প্রথমেই বলি কেউ যদি সরকার সমর্থক বলে গালি দেয় তার জন্য একটা কথাই সরকারের গোয়ার্তুকির জন্য আমার প্রতিষ্ঠান যথেষ্ট এফেক্টেড । সো প্লিজ অন্য কিছু থাকলে বলেন ।আর গালাগালি না করার অনুরোধ করব ।
খুব ভাল একটা প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায় দিয়েছে আমাদের সরকার । আমরা আনন্দিত হয় যখন দেখি এত্ত এত্ত এ+ । ব্লগে ব্লগে ভার্চুয়াল মিষ্টি পর্যন্ত খাওয়ায় সবাই তাদের। আবার মিষ্টির দোকানে সেদিন রাতে গেলে কোন মিষ্টি পাওয়া যায় না । টিভিতে ৪৫ মিনিট খবরের ২০ মিনিট শুধু রেসাল্টের দিনের নর্তন-কুর্তন,আর কলেজ গুলার খবর শুনতে শুনতে শেষ । এইচ এস সি পরিক্ষা কাদের জন্য ? মিষ্টি ব্যবসায়িদের জন্য নাকি কিছু লুল পুরুষদের জন্য যারা পেপার-পত্রিকার ছবি দেখে লুল হর্ষক কমেন্টস দেয় তাদের জন্য । আমার প্রশ্ন এইচ এস সি পরিক্ষাতে যদি সাজেসটিভ কিছু পড়ে তথাকথিত এ+ পাওয়া যায় যা ভবিষ্যতে কোন কাজেই আসবে না তাহলে এমন দেড় মাস ব্যাপী পরিক্ষা আয়োজনের দরকার কি ? এতে ছাত্রদের যেমন কষ্ট,অভিভাবকদের কষ্ট আর সরকারের টাইম-মানি সবি লস ।
এবার আপনার পোস্টের প্রসংগে বলি-
১। একটা জিনিস কেন বুঝছেন না । আইন করে কোচিং বন্ধ মানে কোচিং এর রেট বাড়াই দেয়া । তখন খালি টাকাওয়ালারাই কোচিং করবে গরীবের ভাগ্যে তাও জুটবে না ।
২। প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে গত বছর হল এক তুঘলকি কান্ড । আমি যতদূর জানি প্রশ্ন যেখানে ছাপা হয় সেকানে কর্মচারিদের আগে তাদের জামা-কাপড় খুলে ওখাঙ্কার একটা নির্দিষ্ট পোষাক পড়তে হয় যাতে কোন পকেট থাকে না । কেঊ যদি এই প্রসেসের মধ্যে গিয়ে প্রশ্ন কুচি কুচি করে কেটে তারপর তার উরুতে বেধে নিয়া আসে তাহলে কিভাবে আটকাবেন আপনি ? গতবছর নিতান্ত ভাগ্যের জোরে সরকার সহ আমরা এই অভিনব প্রসেস সম্বন্ধে জানতে পারছি ।
৩। আমার এই জিনিস বোধগম্য না কেন সরকার এইচ এস সিতে অব্জেকটিভ রাখে না । তাইলে এস এস সির মত অন্তত পুরো বই বুঝ না বুঝ অন্তত একবার রিডীং পড়তে হত ,মেডিকেল ওইয়ালারা তাই চায় ।
হাস্যকর একটা কথা বলব এখন –আমি যে জায়গায় পড়ি সেখানেও কেন জানি ফুল বই ( বইয়ের ১ম পাতা থেকে শেষ পাতা ) পড়ানো হয় না; খুবি ফানি।স্যার ক্লাসে যা পড়াই সেগুলো পড়েই পরিক্ষা দিই ।
লুপ হোল গুলো নিয়ে কথা ; যদিও আমি মনে করি এটা নিয়ে একটু অপেক্ষা করা দরকার কারণ সরকার এখনো ১২ ধাপ এর কথা পরিষ্কার করে নাই ।
১। এই ক্ষেত্রে যাদের চতুর্থ বিষয় বায়োলজি থাকবে তাদের প্রথমেই বাদ দিতে হবে ।যাদের ডাক্তারি পড়ার সত্যিকারের ইচ্ছা তারা কখনোই বায়োলজি ৪র্থ বিষয় হিসেবে নিবে না ।
বয়স কখনো মান্দন্ড হতে পারে না । আমি নিজে বয়সের জন্য এফেক্টেড ।ব্য়স ,তথাকথিত সোনা/প্লাটিনাম আর টোটাল নম্বর না দেখে বায়োলজি,কেমেস্ট্রি,ফিজিক্স আর ইংরেজির নম্বর দেখা অনেক যুক্তি সংগত ।
মেডিকেল,বিসিএসে তো এখনো কোটা পদ্ধতি চলে আসছে , এটার জন্য সবাই এখনো যথেষ্ট এফেক্টেড।এমন কি বুয়েটে চলছে উপজাতি কোটা ।পুরাই ভুদাই একটা প্রসেস ।
২। এ দেশে শিক্ষা খাতে যত সিদ্ধান্ত নেয়া হ্যছে সব ধর,মার কাট টাইপের সিদ্ধান্ত । কোন সিদ্ধান্তটা আমজনতার সাথে আলোচনা করে নেয়া হল বলতে পারেন ? আর এ পর্যন্ত প্রত্যেক সিদ্ধান্তের এগেইন্সটে আন্দোলন হয়েছে ।
২য় বারের পরীক্ষার্থীদের সুযোগ দেশের ইনজিনিয়ারিং ইউনিগুলো অনেক আগেই বন্ধ করে দিয়েছে সেখানে মেডিকেল কেন চালু রাখলো তাও একটা প্রশ্ন বটে । তবে যখনি এই সুযোগ বন্ধ করে দেয়া হবে তখনি একটা ব্যাচ অবশ্যি ক্ষতিগ্রস্ত হবে । আমার উপর অনেকে ক্ষেপে যেতে পারে তবে যে হারে পাস করছে আর তথাকথিত এ+ পাচ্ছে এ জিনিস্টা আরেকবার চিন্তা করা দরকার । কেন আগের বারের জন্য ফ্রেশার রা ক্ষতিগ্রস্ত হবে ?
খুব খুব খারাপ শোনাবে কথাটা যারা কোচিং করছে তারা কি স্রকারি আদেশে করছে ? ৩০-৩৫ হাজার গ্রামের লোকের জন্য কি পরিমাণ মূল্য তা কি জানা আছে ?
৩। কোচিং ব্যবসা চলছে চলবে , এটা বন্ধ করার সাধ্য কোন সরকারের নাই ।
৪। প্রশ্ন সোজা কঠিন এই ব্যাপারে বলব সাজেস টিভ পড়লেন প্রশ্ন একটু ঘুরালেই ধরা খাবেন । তাই ফুল বই পড়েন কেন সাজেস্টিভ পড়বেন আর প্রশ্নকর্তার জন্য হা করে চেয়ে থাকবেন ।
আপনি নম্বর কম দেয়ার কথা বললেন । আপনার কাছে আমার প্রশ্ন এই একই ব্যাপার কি যে কোন পরিক্ষার ক্ষেত্রেই ঘটতে পারে না ? আপনি ঘোড়ার মত মুখস্ত করে চারটার মধ্যে একটা বেছে নেয়াও যেম্ন লাক তেমনি এটাও এক্টা লাক । আর যাদের বেশি খারাপ হবে তাদের জন্য রিচেক তো আছেই ।
বুয়েট সিস্টেমে লিখিত পরীক্ষার কথা বলা হচ্ছে সেক্ষত্রে ৬০০০০+ খাতা কয়জন দেখবে আর তাতেও আপনার মতে ডিস্ক্রিমিনেশ্নের সুযোগ আছে কিনা সেটাও কি দেখার দরকার না ।
৫। প্রাক্টিক্যাল এডুকেশন সিস্টেমের আরেকটা বাজে জিনিস । ঢাল নাই তলোয়ার নাই রাণী আমার লাগবেই এই টাইপের আচরণ । এটা নিয়েও একটা কথাই বানিজ্য চলছিল,চলছে এবং চলবেই ।কি করলে উন্নতি হবে সেটা সবাই যানে কিন্তু দেখার কেউ নাই ।
৬।সাজেস্টিভ পড়া নিয়ে প্রথমেই বললাম এইচ এস সি তুলে দেন কারো যেহেতু এই পরীক্ষার উপর ফেইথ নাই ।
একটা কথাই বলি মেডিকেল যেহেতু মুখস্ত বিদ্যার উপ্রে চলে আর আমাদের যে প্রসেস যেখানে জ্যামিতি মুখস্ত করে পার পাওয়া যায় তাদের ক্ষেত্রে কোন সমস্যা হবে না। সবি তো মুখস্তের লীলা খেলা ।
এবার আমার কিছু কথা বলি –
আমি গত বছরের কথাটা বলতে পারছি না। বৃত্তি আর ভর্তি তুলে দিয়ে সরকার যে পি এস সি চালু করল সেখানে আমাদের শুহুরে কেউ প্রথম হয়েছে কিনা খেয়াল করে দেখবেন । সবার তো ডাক্তারি পড়ার ইচ্ছা না অনেকের বুয়েটে পড়ার ইচ্ছা আর নম্বর পরিবর্ত্নের যে কথা সবাই আশংকা করছে সেটা তো বূয়েট ভর্তি ইচ্ছুক রা এখোনি করতে পারে ,তাই নয় কি ? বাস্তব দিক থেকে দেখলে এই জিনিস কতটা সহজলোভ্য বলে আপনি মনে করেন?
সবশেষ একটা কথাই বলব জাতীয় নতুন আব্বা যেহেতু বল কোর্টে নিয়ে গেছে তাই কোর্ট যা বলবে তার বাইরে স্টুডেন্ট-সরকার-আমার-আপনার কারো কিছু বলার ক্ষমতা নাই ।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৫৭
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: হুম.... কষ্ট করে অনেক বড় একটি লেখা লিখেছেন আপনি সেজন্য আপনার একটি ধন্যবাদ পাওনা আছে।
দুঃখিত, আপনার কিছু কিছু কথার সাথে একমত হতে পারলাম না।
একটা স্বাধীন দেশের সরকার যদি বলে আমরা কোচিং ব্যবসা বন্ধ করতে পারব না তবে তো আর কোন কথারই দরকার নেই। শুরুতেই বারুদ ভেজা হয়ে গেল, বাকি আর কিছু শোনার দরকারই নেই।
দ্বিতীয়ত এগুলো আপনি কি সব যুক্তি দেখালেন যে সরকারী প্রেস থেকে প্রশ্ন চুরি নাকি কোন ভাবেই ঠেকানোই যাবে না? তাহলে তো আমাদের দেশের কিছুই নিরাপদ না। যখন তখন যে কোন মূল্যবান কাগজপত্র লাপাত্তা হয়ে যেতে পারে। সেগুলো নাকি সরকার নিরাপদে হেফাজত করতে পারবে না!!
চতুর্থ বিষয় ! চতুর্থ বিষয়!! এটা নিয়ে পরিস্থিতি তো ভাই এতো জটিল করার কিছু নেই?
একজন ভাল স্টুডেন্ট কোন বিষয়কেই অবহেলা করেনা। আমি নিশ্চয়ই ধরে নিতে পারি যারা মেডিক্যালে ভর্তি হতে চায় তারা প্রথম শ্রেণীর স্টুডেন্ট। তবে তাঁদের কাছে আবার অপশনাল বিষয় কি? মেডিক্যাল এ পড়তে হলে জীববিজ্ঞান মূল বিষয় নিতে হবে এমন কোন কথা তো নেই। কেন নিতে হবে?
মাধ্যমিকের শুরুতেই কি কেউ শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারে যে সে নিশ্চিত মেডিক্যাল বা বুয়েটে পড়বে? পারে না। এদেশের বাস্তবতা অন্য রকম। এখানে সম্ভাব্য সব রকম অপশন হাতে রাখতেই হবে আপনাকে।
আমি নটরডেম কলেজ থেকে পাশ করেছিলাম। সে সময় আমাদের কলেজে যে সকল ছাত্রের জীববিজ্ঞান ছিল তাঁদের শতকরা একশ ভাগেরই তা ছিল অপশনাল বিষয় হিসেবে, কিন্তু কই কোনোদিন একটা স্টুডেন্টকেও তো দেখলাম না এটাকে আলাদা করে মূল্যায়ন করতে? বললে হয়তো বলবেন বাড়িয়ে বলছি, ভাব দেখাচ্ছি কিন্তু এটাই সত্য যে আমার মাঝে মাঝে মনেই থাকতো না যে চতুর্থ বিষয় বলে একটা কিছু আলাদা আছে। মাধ্যমিকে আমার চতুর্থ বিষয় ছিল উচ্চতর গণিত, সেটাতেই আমার ছিল সর্বোচ্চ নাম্বার ৯৫ আর উচ্চ মাধ্যমিকে জীববিজ্ঞান, তাতে দুই পেপার মিলিয়ে পেয়েছিলাম ১৭১। আমার সময় জিপিএ সিস্টেম ছিলনা, তখন এমন গণ্ডায় গণ্ডায় নাম্বার দেয়া হতোনা। আমার মতে এই জিপিএ সিস্টেমের কারনে ছেলেমেয়েরা আরও বেশি ফাঁকিবাজি করার সুযোগ পাচ্ছে কখনো কখনো। চতুর্থ বিষয়কে সৎ মায়ের মত চোখে দেখাটা এখান থেকেই শুরু। অথচ এই রকম মানসিকতা একজন ভাল স্টুডেন্টের কাছ থেকে কখনোই কাম্য নয়।
৫৮|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:২০
অনুপ_13 বলেছেন: হম পৃথিবীতে যারা প্রকৃত মেধাবী তারা মারা যাবার আগ হলে ও তাদের মেধা প্রকাশিত হবেই। আইনস্টাইন জার্মানি র University of ULM থেকে পড়াশুনা করেন,কই উনার ত নাম্বার ওয়ান ভার্সিটিতে না পড়াতে কিছু আশে যায় নাই! উনাকে দিয়া ই ULM চিনে , উনি কিন্তু হার্ভার্ড , এম আই টি তে ও পড়ে নাই। আরও হাজার হাজার এরকম পাওয়া জাবে,গরিব,দিনে তিন বেলা খাবার জুটে না,এমন কোন হেন কাজ নাই যে বেচে থাকার তাগিদে তারা করে নাই। কে শুনতে চাও? স্টিভ জবস, হেনরি ফোরড , মারিও পূয , এরিক মারিয়া রেমারক আরও কত!!কই ওদের ত মেধা দেখানোর জন্য ঢাকা মেডিকেল এ পড়া লাগে নাই!খাইতেই পায় নাই ,আবার পড়া!!!মেধাবী র অর্থ এই না যে তুমি প্রত্যেক পরিক্ষায় প্রথম হবা। মেধাবী র অর্থ হচ্ছে তুমি হুমায়ুন আহমেদ এর মত রসায়ন এ পড়ে ,সাহিতের নতুন দ্বার খুলে দিবে।জাফর ইকবাল এর মত পদার্থ এবং গণিতে পড়ে তথ্য প্রযুক্তি খাতে সেরা হবে। তোমরা মেধা'র যে সংজ্ঞা দাও তাতে মনে হয়, স্টিভ জবস আর কিসের কি!এম আই টি এর প্রফেসর ই তার থেকে ভাল কারন তার Versity ত বিশ্ব সেরা!! তারপর তোমাদের কথা অনুযায়ী হিসাব করলে আমার শ্রদ্ধেয় কায়কোবাদ সার ও কিছু না!কারন উনি ত আর হার্ভার্ড থেকে পাস করে নি!
কিন্তু, ওইটাই ত প্রকৃত মেধা!এবং তাদের সার্টিফিকেট থরাই লাগে।। তারা এমনিতেই বড় হবেই,এবার রিকশাওয়ালা র ছেলে হক,অথবা স্টিভে জবসের মত গ্যারেজ এ কাজ করুক। তাদের তোমার মত রাস্তায় গিয়ে চিল্লানো লাগে না,ব্লগে ফলাফল নিয়ে মাতামাতি করা লাগে না। কারন, কায়কবাদ,জাফর ইকবাল,হুমায়ুন আহমেদ,স্টিভ জবস,মারিয় পূয উনারা জানতই উনারা কি পারেন,উনাদের তোমাদের মত ধাক-ঢোল পিটিয়ে ওইটা মানুষ কে বুঝানোর দরকার হয় নাই যে উনারা "বেপক মেধাবী",উনাদের এটা বুঝানো লাগে নাই রাস্তায় নাইমা যে দেখেন আমার চারপাশ থেকে মেধা বাইয়া বাইয়া পরতাসে কিন্তু। মন্তব্য দেখলে মনে হয় সব বিজ্ঞানী রা আইসা পরছে,উনাদের মত "বেপক মেধাবী" আর দুনিয়াতে দ্বিতীয় টা সম্ভব ই না। @নেপলিয়ান।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:০৭
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: তর্ক হইতে বিনোদন লাভ করিতেছি কিন্তু খেয়াল রাখবেন যেন ভাষা তার শালীনতা হারিয়ে না বসে। চালিয়ে যান।
৫৯|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:২৬
অনুপ_13 বলেছেন: ভুলে নেপলিয়ান লিখে ফেলসি,সরি ভাইয়া। কমেন্ট টা জিনিয় এর জন্য। @ জিনিয়।
৬০|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫২
জিনিয়ো বলেছেন: তমারে তো আমি মহত্ত্ব এই শিরোনামে রচনা লিখতে কই নাই
তুমি আমারে শুধু এইটা কউ যেই পোলা গরিব এবং এ+ পায় নাই সেই পোলা কি মেডিকেলে পড়বে না??
শুধু এইটার এন্সার দাও
আর দুই দিন আগে তুমি কইসিলা পেপারে যারা স্যাট নিয়ে লেখতেসে তারা গাধা
তোমার গ্যানের জন্য কই স্যাট নিয়ে প্রথমে লিখসেন কায়কোবাদ স্যার
উনি ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার পক্ষে
আমার প্রশ্নের জবাব দিও @ অনুপ
৬১|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২০
সারথী মন বলেছেন: ভর্তি বানিজ্যে একচেটিয়া আওয়ামী দূর্ণীতির নতুন পদ্ধতি।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:০৮
অরণ্যে রোদন... বলেছেন:
৬২|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৫
ferdous বলেছেন: খুবই ভয়াবহো একটা সিদ্ধান্ত
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:০৮
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আমারও তাই মনে হয়।
৬৩|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৬
অনুপ_13 বলেছেন: ওহ!!!!!কায়কোবাদ সার এর এইগুলো নিয়ে ও ভাবার সময় আছে!!গত বছর থেকে সার তার নতুন রিসার্চ প্রোজেক্ট নিয়ে সব ভার্সিটি গুলোতে গিয়ে সেমিনার করছেন। কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর একটি এরর। আমার ত তোমার কথা শুনে মনে হচ্ছে তার সাথে তোমার প্রাইভেট সম্পর্ক আছে,তোমাকে ই শুধু ফোন দিয়ে বলছে,আমি কিন্তু তোমার পক্ষে।যতসব।সারের সাথে প্রোগ্রামিং এরর নিয়ে অনেক কথা হয়েছিল আই ইউ টি তে।সার কেমন মানুষ খুব ভাল করেই জানি,তোমার থেকে তার সম্পর্কে আমার জানা লাগবে না।
আসি পরের কোথায়,গরিব ছেলেরা কোচিং এর পিছনে যে টাকা দেয় সেটা কে দিবে?তুমি?আর এখান থেকে যারা ভাল ফলাফল করেছে তারা ত চান্স পাবেই।যেমন এবার একটা খবর পরেছিলাম যে রিকশাওয়ালা র ছেলে গোল্ডেন পেয়েছে।ওই ছেলের যেমন তোমার মত নিজেকে "বেপক মেধাবী" প্রমানের কোন দরকার নেই।সে গরিব হলে ও সে সেরা রেসাল্ট করেছে,তার আরও ভাল যে তার বড়লোকের ছেলে মেয়েদের মত ২-৩ টা কোচিং এ ১০০০০ টাকা করে দেওয়া লাগলো না।সুতরাং,যারা ওইরকম রেসাল্ট করেছে তারা গরিব,না মধ্যবিত্ত ,না বিত্তবান (যদি ও আমি নিজে খুব কম বড়লোকের ছেলে মেয়েকে ডাবল গোল্ডেন পাইতে দেখছি) সেটা নিয়ে তোমার গবেষণা না করলে ও হবে। ওই সব খেটে খাওয়া মেধাবীদের কোচিং এর টাকা ও বাঁচল,আবার চান্স ত তারা পাবেই।অদের দুই দিক দিয়েই লাভ। আর এবার যেভাবে এটা প্রচারিত হইছে এবার কোন পাগল ও দুর্নীতি করবে না,করার সাহস ই পাবে না,কারন সারা দেশ তাকায়া ই থাকবে তাদের খুত ধরার জন্য।সুতরাং ,ওই গরিব ডাবল গোল্ডেন পাওয়া ছেলেরাই সব থেকে উপকৃত হবে।কারন তারা ত খেটে খাওয়া মেধাবি,তোমাদের মত "বেপক মেধাবী" না।
৬৪|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৬
বায়স বলেছেন: সবচেয়ে খারাপ হচ্ছে প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া গোটা ব্যাপারটাকে নিরপেক্ষ এবং সঠিক দৃষ্টিভঙ্গীতে প্রকাশ না করে এমনভাবে প্রকাশ করছে যে মনে হচ্ছে মাত্র কয়েকশো শিক্ষার্থী ব্যাপারটা মেনে নিতে পারছে না , এবং এরা সবাই কোচিং সেন্টার গুলোর মদদপুষ্ট হয়েই এসব করছে ; নইলে করতো না । এ ধরণের চামচামি মার্কা দুধের মাছি মিডিয়াগুলোকে ঠান্ডা করতে আরো বিপুল উদ্যমে সত্য প্রকাশ করা উচিত । পোস্টে সমস্ত যুক্তি সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ; পোস্ট চমতকার হয়েছে ।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:১০
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: মিডিয়ার প্রসঙ্গ আসলে আমার মাথা গরম হয়ে যায় ভাই। বইলেন না। আমার অভিজ্ঞতা অতি তিক্ত।
৬৫|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৮
সত্যান্বেষ১২৩ বলেছেন: দেশ ও জাতিকে কত সামান্য মূল্যে এরা বিক্রি করে দিল!!! অথচ মুখে মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে!!!
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:১২
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে সেজন্যে সাধুবাদ। কিন্তু গবেটের মত একেকটা সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয় সেজন্য চোরবাদ !
৬৬|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:১৬
জিনিয়ো বলেছেন: তুমি কি বলতে চাও তোমার সাথে স্যার এর ব্যাক্তিগত সম্পর্ক আছে??
স্যার ওইটা প্রথম আলো তে লিখসিলেন
Click This Link
লিঙ্ক দিলাম
আশা করি এইবার তোমার মুখ বন্ধ হবে
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:১৩
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আপনার লিংকটা মনে হয় ঠিকমতো দেয়া হয়নি।
৬৭|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৪৮
মেডিকেলবাসিনী দুরদানা বলেছেন: ১০ হাজার কিভাবে জিপিএ ৫ হয়? আমার জানামতে এইবার তার ছয়গুন বেশি পেয়েছে।
এরকম ঘৃণ্য পদ্ধতি চালু করলে দেখা যাবে যে, ঢাকা থেকে পাওয়া ৯-১০ হাজার শিক্ষার্থী দিয়েই মেডিকেল কলেজ পুর্ণ হয়ে গেছে, আর বাদবাকি দেশের কথা বাদই দিলাম।
তার চেয়ে বড় কথা যদি কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করার উদ্দেশ্যেই এটি করা হয়, তাহলে তো খুব একটা লাভ হবে না। কোচিং সেন্টারগুলো তো আগেই টাকা নিয়ে ফেলেছে!!
যারা অন্য জায়গায় ভর্তি বাতিল করে ২য় বারের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, তাদের কি হবে??
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ২:৩১
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আমি লেখার সময় একজ্যাক্ট ফিগার টা খুঁজে নিয়ে লিখিনি। অনেক বড় লেখাতো! এখন ঠিক করে দিয়েছি।
৬৮|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:২৪
আজমান আন্দালিব বলেছেন: বাংলাদেশে শুধু এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার রেজাল্টের উপর ভিত্তি করে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করা...উচ্চশিক্ষার জন্য খুবই ভয়াবহ হবে। হোক সেটা মেডিক্যাল, বুয়েট কিংবা ভার্সিটি।
বিত্তবানের সন্তান যারা ১০ বিষয়ে ১০ শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়ে ভালো জিপিএ পেয়েছে তারা যদি প্রফেশনাল এ বিষয়গুলোতে শুধু নাম্বারের কারণে চান্স পায় তাহলে উচ্চশিক্ষার কি হবে তা ভাবতেই গা কাঁপছে।
ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি পরিবর্তন করা হোক। কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু কোনোক্রমেই শুধু এসএসসি কিংবা এইচএসসি নাম্বারের ভিত্তিতে মেডিক্যালে ভর্তি করানোর এই সিদ্ধান্ত নিবেন না। প্রফেশনাল শিক্ষায় স্রেফ অরাজকতা লেগে যাবে।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:১৪
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আমি আপনার সাথে সম্পূর্ণ একমত।
৬৯|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:২৬
তাহাসিন আহমেদ বলেছেন: 'এদেশের কয়েক হাজার ছাত্রছাত্রী ১৫ মাস ধরে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। শুধুমাত্র মেডিকেল এর জন্যই। অনেকেরই জিপিএ কম ছিল। তারা কথায় যাবে? কাকে মুখ দেখাবে? কার কাছে বিচার চাইবে? এটাই তাদের জীবনের শেষ ভরসা বলে তারা শুধু মানে তা নয়, মনে প্রাণে বিশ্বাস করে।
ভার্সিটির পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি তাদের নেই।ইঞ্জিনিয়ারিং এ পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ গত বছর হারিয়েছে।
তাদের জীবন আজ এই একটি সিদ্ধান্তের উপর দাঁড়িয়ে আছে।''
-সাব্বির আহমেদ ,২য় বার মেডিকেলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী
----------------
> জিপিএ'র ভিত্তিতে মেডিকেলে ভর্তি নিলে ভর্তি বাণিজ্যের মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা ঘুষ বাণিজ্য হবে
> বাদ পড়বে গ্রামের মেধাবি শিক্ষার্থীরা
>এস.এস.সি বা এইচ.এস.সির জিপিএ কোনোভাবেই ভর্তি পরীক্ষার মানদন্ড হতে পারে না
>যারা গতবছর পরীক্ষা দিয়ে ব্যর্থ হয়েছে এবং এবার আবার দিচ্ছে তাদের পরিণতি কি হবে?
>প্রশ্নপত্র ফাঁস করার প্রলোভন দেখিয়ে আদায় করা হত জনপ্রতি ৫ লাখ করে
>শেষ ভরসা মহামান্য হাইকোর্ট
> ৬২,৪২৬ ছাত্রছাত্রীর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় আলাদাভাবে জিপিএ-৫ রয়েছে
>প্রায় ২৩,২১৫ জন ছাত্রছাত্রীর সব বিষয়ে জিপিএ ৫ রয়েছে,যার মধ্যে প্রায় ২১,৫৬২ জনই মাধ্যমিক পরীক্ষায় সব বিষয়ে জিপিএ ৫ পেয়েছিল
>মোট জিপিএ ৮ রয়েছে ১ লাখ ২০ হাজারের বেশী
>গত বছর সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোয় সাত হাজার ৫৬টি আসনের বিপরীতে পরীক্ষা দেন প্রায় ৪০ হাজার ছাত্রছাত্রী
>বাংলাদেশের সবগুলো মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ মিলিয়ে মোট ৮ হাজার ৪৯৩টি আসন রয়েছে
>এর মধ্যে ২২টি সরকারি মেডিকেল কলেজে আসন সংখ্যা ২ হাজার ৮১১টি
>৫৩টি বেসরকারি মেডিকেলে ৪ হাজার ২৪৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ রয়েছে
>৯টি ‘পাবলিক’ ডেন্টাল কলেজ ও মেডিকেল কলেজের ডেন্টাল ইউনিটে ৫৬৭টি আসন রয়েছে
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:২২
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: .................................................
৭০|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:১৮
মারুফ হায়দার নিপু বলেছেন: দেশে যেনো শান্তি বজায় থাকে;
মেডিকেলের এডমিশন নিয়ে আমার একান্ত ব্যক্তিগত মতামত
২৭% নেয়া হোক এস.এস.সি+এইচ.এস.সি বোথ গোল্ডেন থেকে লটারিতে।
১৫% নেয়া হোক জিপিএ-যোগফল ১০ (নট বোথ গোল্ডেন) থেকে লটারিতে।
৮% নেয়া হোক জিপিএ-যোগফল ৯ থেকে লটারিতে।
১০% মুক্তিযোদ্ধার পোষ্য কোটায় (জিপিএ-যোগফল ৮.৫) হতে লটারিতে।
২৫% জেলা কোটায় (জেলা জনসংখ্যার অনুপাতে) [জিপিএ যোগফল ৯] লটারিতে।
১০% মন্ত্রী/এমপি'র সুপারিশে [জিপিএ যোগফল ৯ হতে হবে] লটারিতে।
৫% মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের সুপারিশে [জিপিএ যোগফল ৯ হতে হবে] লটারিতে।
আর যারা মেডিকেলে ভর্তি হয়েও পরে অন্য কোথাও চলে যাবে,
সেইসব ফাকাস্থানে স্বাচিপ/ড্যাবের সুপারিশে এডমিশন চলবে।
স্বাচিপ/ড্যাবের ভাগাভাগির হিসাব:
যারা ক্ষমতায় থাকবে তাদের পক্ষে ৯০:১০ এই রেশিওতে ভাগ হবে!!
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:২৪
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: চ্রম হইছে
৭১|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:৫৮
মলাই মিয়া বলেছেন: চমৎকার একটি লেখা। কিছু কিছু কমেন্ট পড়ে বুঝলাম, সামু তে এমন ব্লগার ও আছেন যারা সলিড ঘাস খেয়ে বড় হয়েছেন। কতটুকু নির্লজ্জ হলে এতো সস্তা তেল্বাজি করে সম্ভব এই বুড়ার মাথায় ঢুকেনা।
আর কিছু বলদা এমন আজব আজব যুক্তি দেখাইচে যে, হাস্মু না কান্মু বুজলাম না
এক বলদা কয় শিবির কোচিং বেবসা করে তাই নাকি এইডা বন্ধ করতে হবে।
শিবির বদনা দিয়া হাগে ,তাই অহন আমরা বদনা দিয়া হাগুম না?
সাধারন শিক্ষার্থীদের জান যায় যায় আর এর মধ্যে কোনও যুক্তি না মাইনা যা কইছি তাই ঠিক, এইডা কিমুন মানসিকতা ?
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:২৫
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আপনি স্রেফ আমার মনের কথাটা বলেছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ।
৭২|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৫৪
লগারিদম বলেছেন: একজন দেখি আইনস্টাইন আর স্টিভ জবসরে মিলায়ে মিশায়ে একটা বিশাল আলোচনা কইরা ফেলল। তাকে একটা তথ্য দিতে চাই: আইনস্টাইন কিন্তু পদার্থ আর গণিত বাদে বাকি সব পরীক্ষায় ফেল করেছিলেন। (মানে আইনস্টাইনও বাংলায় (মানে জার্মান ভাষায়) এ প্লাস পায় নাই )
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:২৬
অরণ্যে রোদন... বলেছেন:
৭৩|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৫৮
লগারিদম বলেছেন: ঐ লেখককে আরো অনেক কিছু জানাইতে পারতাম কিন্তু আর ভালো লাগেনা। জবাব দিলে জবাব দিয়ে আর শেষ করা যায়না।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:২৭
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: রমজান মাস ভাই। আর কত কন? আমারেই দেখেন রিপ্লাই দিতে দিতে রোযা মাথায় যেয়ে উঠছে, নাড়িভুঁড়ি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করে দিছে
৭৪|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৪২
জাহিদ হাসান বলেছেন: +++++
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:২৮
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ধন্যবাদ!
৭৫|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১:২৯
শাহরিয়ার উসামা বলেছেন: স্বাচিপ আর সোনার ছেলে দিয়ে মেডিকেল প্রাঙ্গণ স্বর্ণ মণ্ডিত করতেই এই পদক্ষেপ। আর কিছু নয়।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:২৮
অরণ্যে রোদন... বলেছেন:
৭৬|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১:৩৭
চেয়ারম্যান০০৭ বলেছেন: 
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ২:৩৫
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: চেয়ারম্যান সাব। অনেক অনেক ধইন্যা আপনারে। বস্ আমিতো এই gullee পোস্ট করতে পারি না। আমারে কিঞ্চিত দীক্ষা দিয়েন এই ব্যাপারে।
৭৭|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১:৪১
মশিকুর বলেছেন: আপনার মাথায় যেই বুদ্ধি তার ২০% থাকলেই এই সিদ্ধান্ত জাতির শুনতে হত না। ওরা তো চিকিৎসা করাবে সিঙ্গাপুর, আমেরিকায়। কিন্তু আমাদের ভরসা তো এই মেধাবী স্টুডেন্ট গুলা যারা ভবিষ্যতে ডাক্তার হবে।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:২৯
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: সেটাই। আমরা যেন গাঙ্গের ওয়াটারে ভাইস্যা আসছি :-<
৭৮|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১:৪৬
রাহি বলেছেন: গতবার মেডিকেলে চান্স পায়নাই বলে আমার বোনকে এইবারের জন্যও প্রস্তুত করেছিলাম। স্বপ্ন বিধায় অন্য কোনো ইউনিতে ভর্তি করিনি প্রস্তুতি মনমতো হবে না বলে। স্বপ্ন রুপান্তরিত হলো বিষাদে! গন্ডারের মত চামড়ার বর্ম ভেদ করে এই বিষাদ মন্ত্রীদের হৃদয়ে পৌছাবেনা। কানে তুলা গুঁজে থাকা মন্ত্রীদের কানে আমাদের হাহাকার পৌছাবেনা।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ২:৪০
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: রাহি ভাই, আমি কিন্তু স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুহুল হক স্যারকে ভাল লোক বলেই জানতাম এবং এখনো জানি। পেশাগত কারনে তাঁর সেমিনারে সশরীরে উপস্থিত থাকার সৌভাগ্য হয়েছিল ইন্টার্নশিপ করার সময়। তখন তাঁর কথাবার্তা আমার বেশ ভালই মনে হয়েছিল। কিন্তু এখন কি হল বুঝতে পারছি না। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা আমার জানামতে একটা মূর্তিমান সমস্যা। আর ডি.জি মহোদয়ও খুব ঘাড় ত্যাড়া। এরা যখন কোন সিদ্ধান্ত নেয় তখন নিজের গোঁয়ার্তুমি কেই আগে প্রাধান্য দেয়।
আপনার বোনের জন্য দুঃখ হচ্ছে। সত্যি বলছি, আমি জানি এই প্রস্তুতি নেয়াটা কতটা কষ্টের
৭৯|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১:৪৯
জিনিয়ো বলেছেন: কানা কে কানা আর খোঁড়া কে খোঁড়া বলতে হয় না কিন্তু "মহা গ্যানি" অনুপ_13 আর হাসান কাল বৈশাখী রে বলদ আশা করি
বলা যায়
৮০|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১:৫০
জিনিয়ো বলেছেন: আপনার বোনকে কে দেখা স্বাস্থ্য মন্ত্রীর দায়িত্ব না
উনার দায়িত্ব নিজের স্বাস্থ্য ঠিক রাখা
আর ঘোঁত ঘোঁত করা
৮১|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ২:০৮
তানিয়া হাসান খান বলেছেন: দুর্দান্ত পোষ্ট।++++ প্রিয়তে....
স্বেচ্ছাচারী সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। দেশের প্রকৃত মেধাবীরাই দেশের হাল ধরার সুযোগ পাক। দেশের গুরুত্বপূর্ণ পদ গুলি থেকে মেধা শূন্য লোকজন বিদায় হোক।
ক্বদরের রাতে এই দোয়া করলাম।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৩০
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আপনাকে পোক্ত একটা ধন্যবাদ! ভাল থাকবেন।
৮২|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ২:১৪
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: সবার উদ্দেশ্যে কিছু দুটি কথা বলি ভাই বোনেরা। আমি আজ সারাদিন ব্লগে আসতে পারি নাই। একটু আগে ফেসবুকে আমার প্রিয় একজন সামু ব্লগার রাশান শাহরিয়ান নিপুন আমাকে জানাল যে আমার একটা পোস্ট নাকি স্টিকি করা হয়েছে। আমি ব্লগে এসে হতভম্ব। ঘটনা দেখি সত্য! আমার ব্লগ লাইফের এটি সেরা পাওয়া। আমি ইনশাল্লাহ সকলের কমেন্টের জবাব দিব। সবাইকে হাজার ধন্যবাদ। মোডারেটর প্যানেলের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা।
৮৩|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ২:৩১
সান্তনু অাহেমদ বলেছেন: সহমত।+
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৩১
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ধন্যবাদ
৮৪|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ২:৪০
বুিড়20আমি বলেছেন: ami ata fb a share korte parsi na kano?? plz fix that.
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ২:৫২
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আমি তো বুঝতে পারছিনা ! মোডারেটরদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
৮৫|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৩:৩৪
ইভা লুসি সেন বলেছেন:
মানণীয় মন্ত্রিী মহোদয় ও প্রসাশন ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন কোন বছরই ধরে রাখতে পারছে না । ফাস হচ্ছেই । অথচ সিডিয়াতে হলাও করে প্রচার হচ্ছে ফাস হয়ে যাওয়া প্রশ্নের নাথে মূল প্রশ্নের কোন মিল নেই ।
তাদের ব্যার্থতা তারা অন্য দিগ দিয়ে ঢাকতে চেষ্টা করছে । ভর্তির সময়টাতে অনেক টাকা উড়ে । প্রসাসনের নজার এবার এই কাচা টাকায় ।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৩৩
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ভাবে তো তাই মনে হচ্ছে। তবে আমি কইলাম কোন প্রশ্ন পাইনাইক্যা
কপালে চান্স পাইচিলাম। অনেক দিন আগের কথা।
৮৬|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:৪৭
সূর্য বলেছেন: আমাদের দেশে দাবী-দাওয়ার জন্য লেখালেখি, আলোচনা করে কোনদিন দাবী আদায় হয়নি। এদেশের রাজনীতিকরা শুধুমাত্র রাস্তার আ্ন্দোলন, ভাঙচুর ছাড়া কিছু বোঝে না। তারা জোড়ের যুক্তি বোঝে, যুক্তির জোড় বোঝে না। আপনার লেখা অসম্ভব যুক্তিপূর্ণ কিন্তু তাতে তাদের কিছুই নড়বে না কারণ তারা মানুষের জন্য না।
কাজেই যতক্ষণ আপনারা রাস্তায় নেমে রক্ত দিয়ে জীবন উৎসর্গ না করছেন ততক্ষণ এই সরকার নামক দানব আর রাজনীতিবিদ নামক পিচাশদের রক্তের পিপাসা শেষ হবে না। আপনাদের, ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের, রক্ত দিয়ে গোসল না হলে তারা হুঁশ ফিরে পাবে না।
হায় আমার দেশ!
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৩৫
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: তারা জোড়ের যুক্তি বোঝে, যুক্তির জোড় বোঝে না।--- অসাধারন বলেছেন ভাই।
৮৭|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ ভোর ৫:৪৪
চুয়েট পেইন বলেছেন: চমৎকার পোস্ট ।সহমত।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৩৫
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।
৮৮|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ৮:৫১
আলাপন বলেছেন: যেকোন বিবেচনাতেই হোক ভর্তি পরীক্ষার মাত্র কিছুদিন আগে সরকারের এই স্বিদ্ধান্তকে প্রত্যাখান করছি।
আশাকরি সরকার বিষয়টি পুনঃমুল্যায়ন করবে।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:২১
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আমিও আশা করি তাই হবে। চাই তাই হোক। আপনাকে ধন্যবাদ কমেন্টের জন্য
৮৯|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ৯:৫৫
আমি আবির বলেছেন: Abdun Noor Tushar এর ফেসবুক স্টেটাস
সারা পৃথিবীতে প্রি মেডিকেল বলে যা আছে, সেটা হলো মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় বসার প্রাক যোগ্যতা, ইউ এস এ তে এমসিএটি নামে একটি পরীক্ষা দিয়ে মেডিকেল শিক্ষায় ভর্তি হতে হয়, ভারতেও পরীক্ষা আছে, ....ইউকে তেও আছে... আমাদের দেশে যা হচ্ছে সেটা হলো সঠিকভাবে পরীক্ষা নিতে ব্যর্থ কিছু মানুষের হযবরল কিসসা....
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:২২
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আমিও একটু আগেই দেখলাম তাঁর স্ট্যাটাসটা। পুরো একমত এই কথার সাথে।
৯০|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:৪৯
আমি একজন যন্ত্রমানব বলেছেন: ভাই দেশের সমস্যা নিয়ে আমি কখোনো ভাবি না কারন আমি জানি এই দেশে সাধারন মানুষের সুবিধা চিন্তা করে কোন কিছু হয় না। অনিয়ম আর দুর্নীতি ই হল নিয়ম। কিন্তু আপ্নার লেখাটা অসাধারন হয়ছে। পড়ে খুব খুব ভালো লেগেছে। আপনার আকুতি মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে পৌছাবে কি না জানি না তবে বড় ধরনের বিপর্যয় হবে জিপিএ র ভিত্তিতে ভর্তি করলে।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৩৮
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ভাল লাগলো আপনার কমেন্ট পড়ে। তবে আপনাকে বলব, আসুন আমরা কেবল নিজেদের কাজটুকু সততার সাথে করে যাই দেখবেন একসময় বদলাবেই সব অনিয়ম।
অসংখ্য ধন্যবাদ।
৯১|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:২২
আবু সালেহ বলেছেন: সময়উপযোগী এবং যথাযথ পোস্ট......
সরকার তো এটা করেছে টেবিলের নিচের কার্য হাসিলের মাধ্যমে নিজেদের পেট ভারী করার জন্য.....
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৩৮
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
৯২|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৪৮
রুদ্রদেব৭১ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই..
অসাধারন একটা লেখা ।
প্রর্থনা করি যেন এইসব আবুলদের টনক নরে ।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৪০
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আমিও একই প্রার্থনারত ভাই। প্রার্থনা কবুল না হলে বড় বিপদ।
৯৩|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:১২
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: এমনিতে দ্বিতীয় টাইমারদের জন্য আমার তেমন কোন সহানুভূতি নাই......কারণ আমি নিজে ট্রাই করিনাই, ট্রাই করলে আমার কোথাও না কোথাও চান্স পাওয়ার ভাল সুযোগ ছিল.... আমার জায়গায় অন্য কোন সেকেন্ড টাইমার হয়ত এখন সরকারীতে পড়ে..কিন্তু এখন যা হল, পোলাপান এতদিন ধরে কষ্ট করেছে, তাদের এমনে পথে নামানোটা পুরাই ফাইজলামি......নিয়ম করলেই হয় না, এমন নিয়ম করা উচিত না যা কর্তাপিপলদের ছাগলাপনার ইঙ্গিত দেয়............
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৪৮
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: সেকেন্ড টাইমাররা এক্সট্রা সুবিধা পায় কথাটা সত্যি কারন তারা একই পড়া দুইবার পড়ার সুযোগ পায়, আর প্রথমবারের অভিজ্ঞতা থেকে তারা নতুনদের থেকে বেশ খানিকটা এগিয়েই থাকে। তবে এটাও ঠিক অসুস্থতা, পারিবারিক বা অন্য কোন দুর্যোগের কারনে যদি কেউ একবার পরীক্ষা মিস করে তার আরেকবার সুযোগ পাওয়া উচিৎ।
কিন্তু সেখেত্রে আমার সাজেশন হল আগের নিয়মে সে স্কোরিং এর ব্যাপার ছিল সেটাতে বোর্ড পরীক্ষার স্কোর থেকে তাদের স্কোর একটা নির্দিষ্ট হারে কমিয়ে নিয়ে কাউন্ট করতে।
তবুও যদি বলা হয় সেকেন্ড টাইমাররা বাদ পড়বে, সেটা মেনে নেয়া যায় কিন্তু এভাবে না। বললে শুরু থেকেই বলে দিতে হবে যে মেডিক্যাল এ দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা দেয়া যাবে না, পরীক্ষার এক দেড় মাস আগে বলে এদেরকে এভাবে বিপদে ফেলার কোন মানে হয় না।
৯৪|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:৫৬
mezba016 বলেছেন: ami r noton kore ki komu, onekei amar moner kotha koia dise.
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৪৯
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: তাইলে আর কি? আসেন দুইজন মিলে বাকি কমেন্তগুলা পড়তে থাকি
৯৫|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:১৮
দূর্যোধন বলেছেন: এমন বিশ্লেষনমূলক পোস্টই আলোচনার জন্য যথোপযুক্ত।মডারেশনকে ও লেখককে ধন্যবাদ ।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৫৬
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আর লেখকের তরফ থেকে আপনার জন্যে ধন্যবাদ
৯৬|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৩০
রমিত বলেছেন: আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের
মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল! ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
মেজাজ ঠিক রাখতে পারছিনা। দেশে যা ঘটছে, মেজাজ ঠিক রাখা মুশকিল। এভাবেই কি চলতে থাকবে? সব কিছুরই তো শেষ আছে। এই সবের শেষ কোথায়? ভাবতে ভাবতে যখন অস্থির হয়ে পরি তখন মনে হয় শেষ ভরসা, আমাদের তরুণরা। এই তরুণরাই এক সময় বিপ্লবীর বেশে বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন করে হটিয়ে দিয়েছিল দুশো বছরের গ্লানি। এই তরুণরাই আন্দোলন করে রক্ষা করেছিল ভাষার মর্যাদা। যার জ্বলজ্বলে স্বাক্ষর হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে শহীদ মিণার। এই তরুণদের অবদান আমাদের আনন্দ-বেদনার মহাকাব্য '৭১-এর মহান বিজয়ের পর্বত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ। এরশাদ বিরোধী আন্দোলন তো আমার স্মৃতিতে এখনও অম্লান।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্র্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৫৭
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আমার অবস্থা অনেকটাই আপনার মত।
৯৭|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৫৪
রুথলেস রাস্টস বলেছেন: সামু মডারেশান প্যানেল ও লেখককে ধন্যবাদ এমন একটি শিশুসুলভ হঠকারিতার প্রতিবাদ করার জন্য
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৫৮
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
৯৮|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:০৮
রাশান শাহরিয়ান নিপুন বলেছেন: প্রতিটা স্টিকি পোস্টের ন্যায়, আপনার পোষ্টেও ক্যাচাল শুরু হয়ে গেছে।
এইটা একটা ভালো দিক। চালিয়ে যান। ![]()
ধন্যবাদ।
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৫৯
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: গাঁটের পয়সা খরচ করে নেট ব্যবহার করতে এসে একটু বিনুদুন না হলে কি চলে বল?
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৪০
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আমার পোস্ট স্টিকি হওয়ার পিছনে যে তোমার অবদান আছে জানো?
অনুমান কর দেখি
৯৯|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:১৩
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আপনি কি ডাক্তার না পশু ডাক্তার!!
আমার যুক্তির কোন জবাব না দিয়েই আমাকে অকথ্য ভাষায় অশিক্ষিত আখ্যা দিলেন!
আর আমাকে গালিদেয়া গালিবাজদের দাঁত কেলিয়ে হেসে হেসে জবাব দিলেন।
তাহলে এই পোষ্টের শুরুতেই বলে দিতেন,
"আমার লেখার এক লাইনও বিরোধিতা করা যাবে না"।
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:১৭
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: *ভাই আমি আপনার ডাক্তার।
*আমি আপনাকে করা কমেন্টে কোন অকথ্য ভাষা ব্যবহার করিনি। আপনি চাইলে আরেকবার চেক করে দেখেন।
*যারাই গালি দিয়েছে বা ভাষা বাউন্ডারি ক্রস করার চেষ্টা করেছে তাদেরকেই আমি ভাল ভাবে বারন করেছি
*আপনি আমার কোন কথার বিরোধিতা আসলে করেন নাই কারন আমার মনে হয় না আপনি আমার লেখাটা পড়ে দেখেছেন। যদি মন দিয়ে পড়তেন তবে আপনি যে যুক্তি দেখিয়েছেন সেসব দেখাতেন না। কারন আপনার কথার জবাব আমার লেখাটার মাঝেই দেয়া আছে।
* আপনি মনে করেন আশি নব্বই ঘণ্টার বোর্ড পরীক্ষা দিয়ে আবার এক ঘণ্টার পরীক্ষার কি দরকার?
আমি আপনাকে বলি? নব্বই ঘণ্টা পরীক্ষা দিয়ে আপনি যা শিখলেন তার সত্যিকারের প্রমাণ দিতে মাত্র এক ঘণ্টা পরীক্ষা দিতে আপত্তি কেন?
আমাদের দেশে মেডিক্যাল এডুকেশন পুরোপুরি ব্রিটিশ ধাঁচ অনুসরণ করে চলে। PLEBS পরীক্ষা কি জানেন? ওটা ঐ দেশে ডাক্তারি করতে হলে পাস করা লাগে রেজিস্ট্রেশনের জন্য। সে পরীক্ষা কিভাবে হয় জানেন। স্বল্প সময়ের MCQ সিস্টেমে।
আম্রেরিকার USMLE, অস্ট্রেলিয়ার AMC সব পরীক্ষা হয় এক ঘণ্টার MCQ.
মানুষ দিনে দিনে আগানোর চেষ্টা করে আর আমাদের সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পেছানোর। এখানেই বিপত্তি।
*আপনার প্রথম কমেন্ট টি আসলে সেভ করা একটা লেখা। কোন পোস্টের ভিতরে যাই লেখা থাকুক শুধু বিষয়বস্তু মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা হলেই আপনি এই কমেন্ট পেস্ট করে দিচ্ছেন। আমি এই বিষয়ক আরও একটি লেখায় হুবহু এই কমেন্ট করতে দেখেছি আপনাকে।
*আপনাকে কোথাও অশিক্ষিত বলা হয়নি, ইঙ্গিত করা হয়েছে আপনি এই বিষয়ক জ্ঞানের অপ্রতুলতার দিকে। আমাদের সমস্যা কি জানেন? আমরা সব বিষয়েই জ্ঞান জাহির করতে যাই। অন্য কেউ যে একটা সুনির্দিষ্ট বিষয়ে আমাদের চেয়ে বেশি ধারনা ও অভিজ্ঞতা ধারন করতে পারে সেটা হয় ভুলে যাই নয়তো ইচ্ছে করেই অস্বীকার করে তর্ক করতে নেমে পরি।
আপনাকে আর বলার কিছু নেই আমার। এতক্ষণে যদি বুঝতে পেরে থাকেন তবে ভাল যদি নাও বোঝেন তবুও আমার কিছু বলার ইচ্ছে নাই। কারন আপনি বিচার মানলেও তাল গাছ না ছাড়া ঘরানার মানুষ। তর্কে আপনাকে জিততেই হবে। যান আপনাকে জিতিয়ে দিলাম। এখন খুশি? তাহলে সুন্দর করে একটা হাসি দেন প্লীজ। ধন্যবাদ আপনাকে আলোচনায় অংশগ্রহণ করার জন্যে। ভাল থাকবেন। ঈদ মোবারক।
১০০|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:১৯
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: এই পোস্টের শুরুতে লেখা উচিত ছিল "এই পোস্ট রাজন্যবর্গের নির্বোধ চামচাদের জন্য নহে ।"
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:১৯
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।
১০১|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:৪০
কৃষকবাবু বলেছেন: এটা আমার বাংলাদেশ রে ভাই, এখানে সবই হয়...........
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:২০
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: তাই তো দেখছিরে ভাই
১০২|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১০
বরফ শীতল বলেছেন: একটা স্বাধীন দেশের সরকার যদি বলে আমরা কোচিং ব্যবসা বন্ধ করতে পারব না তবে তো আর কোন কথারই দরকার নেই। শুরুতেই বারুদ ভেজা হয়ে গেল, বাকি আর কিছু শোনার দরকারই নেই।
হা হা । সরকার কেন পারবে না । অবশ্যি পারবে । কেন আমাদের চিকা মারা মন্ত্রী স্কুলের কোচিং বন্ধ করল না । শুধু তার এই ঘোষণার জন্য আমার বন্ধুর বাবার পকেট থেকে ৩০০ টাকা বেশি খরচ হচ্ছে । কারণ যার কাছে বন্ধুর ভাই পড়ত তিনি নাকি টিউশন ফি বাড়ায় দিছেন ।এদেশে সবি সম্ভব ।
আমিও এখন কোচিং করায় । আমারটা কিভাবে বন্ধ করবে আল্লাহ মালুম ।
এবার আসি প্রশ্ন চুরির ব্যাপারে। যে ঘটনা বললাম সেটা কি আপনি জানতেন না ? কারো সামনে ১ লাখ টাকা রাখলে সে নৈতিকতার জন্য কোন খারাপ কাজ করবে না আবার কেঊ অনেক কিছুই করে ফেলতে পারে । আর এই ঘটনার পরে সেখানের নিরাপত্তার ব্যাপারে আমার এক বন্ধু বলছিল সেখানে এক লোক রাখা দরকার সে প্রতিদিন নুড মানুষ দেখবে । তার কাজই হবে নুড মানুষ দেখা ।
বললে হয়তো বলবেন বাড়িয়ে বলছি, ভাব দেখাচ্ছি কিন্তু এটাই সত্য যে আমার মাঝে মাঝে মনেই থাকতো না যে চতুর্থ বিষয় বলে একটা কিছু আলাদা আছে।
এক্কেবারে ১০০% খাটি কথা বলছেন । প্রত্যেক বিষয়ে ভাল করার মানসিক্তা থাকতে হবে এবং এটা সব ভাল স্টুডেণ্টের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ।
আর একটু যোগ করি । ২ টাইপের মানুষ আছে –
১। আমার ডাক্তার হবার ইচ্ছা । তাই আমি মেডিকেল বা ঐ রিলেটেড কোন সাব্জেক্টে পড়ব ।
২। ডাক্তার না হলে ইঞ্জিনিয়ার হব ।
১ম টা হলে লাল সালাম ।
২ টা হলে পাছায় লাথি ।এদের শুধু টাকা কামানোর মেশিন দরকার । এরা পলিটিক্সে ঢুকলেই পারে।
প্রশ্ন উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ার সময় কারো এইম থাকতে হবে সে কোথায় পড়বে নাকি পরীক্ষার পরে কোচিং এ ভর্তির আগে ?
মেডিক্যাল এ পড়তে হলে জীববিজ্ঞান মূল বিষয় নিতে হবে এমন কোন কথা তো নেই। কেন নিতে হবে?
না এমন কেতাবী নিয়ম তো কেউ দেয় নাই । তবে ট্রেডিশন বলে একটা জিনিস আছে ।রেজির সময় কোন স্যারের কাছে যদি পরামর্শ চাওয়া হয় তিনি সাধারণত কি বলেন সেটা নিশ্চয় জানেন । আমি ঐচ্ছিক বিষয়কে গোনায় আনছি রিজেকশনের একটা ধাপ হিসেবে ।
সরকার যদি তার সিদ্ধান্তে অটল থাকে তবে আমার মতে কি করলে ভাল হবে তা আগেই বলছি ।
আর যদি পরীক্ষা চালু থাকে তবে সেটার আমূল পরিবর্তন দরকার । ৪ টার থেকে একটা বেছে নেয়া কখোন প্রতিযোগিতা হতে পারে না (ডাক্তার দের জন্য) । এক্ষেত্রে রিটেন টেস্টও থাকতে হবে । এটা ৬০-৪০ বা ৫০-৫০ হতে পারে ।আর বায়োলজির ড্রইং তো মাস্ট । যাদের ডাক্তারি পড়ার ইচ্ছা তাদের ড্রইং খুব ভাল ।
অট ঃ রিটেন নিলে আবার চিল্লায়েন না এত্তগুলা খাতা এত্তগুলা টিচারে কাটলে যদি ৫ নম্বর কম দিয়ে দেয় ।
আপনার লেখাটা অনেক ভাল হইয়ছে । আর প্লিজ অসুস্থতা ,সরকার পারে না কেন এ টাইপের সস্তা সেন্টিমেন্টাল কথা বলিয়েন না ।
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৩০
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: 'বলিয়েন না!' আপনার এই কথাটা পড়ে মজা পেলাম। অফ টপিক একটা কথা জিজ্ঞেস করি? আপনার বাড়ি কি রংপুরে? ওখানকার আমার এক ছাত্রী ঠিক এভাবে বলত, তাই জিজ্ঞেস করলাম।
এবারে কাজের কোথায় আসি। আপনার যুক্তি উপস্থাপনের ধাঁচ সুন্দর। ভাল লাগল। প্রশ্ন ফাঁস এবং কোচিং বন্ধের ব্যাপারে যা বললেন সে প্রসঙ্গে একটি কথাই বলব- মানুষের যদি নৈতিকতার চূড়ান্ত অবক্ষয় হয় তবে তাদের ভিড়ে ভাল কিছু করতে যাওয়া খুব দুঃসাধ্য। তবু আমাদের কে চেষ্টা অবশ্যই করতে হবে।
তবে মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার ব্যাপারে আপনি যা বললেন তার ব্যাপারে আমি দ্বিমত পোষণ করি। প্রাক্তন একজন মেডিক্যাল স্টুডেন্ট, বর্তমান একজন চিকিৎসক হিসেবে বলতে পারি লিখিত পরীক্ষার চেয়ে MCQ হাজার গুনে ভাল। কারন মেডিক্যাল MCQ প্রশ্ন এমন ভাবে করা হয় যে আপনি একটি প্রশ্নে ক্যান্ডিডেটের পাঁচটি বা কখনো তারও বেশি বিষয়ে বেসিক কনসেপশন যাচাই করতে পারবেন এবং লিখিত পরীক্ষায় খাতা দেখার ঝামেলা থাকে এবং অনেক সময় সাপেক্ষ। তাছাড়া শিক্ষক ভেদে খাতার নম্বরেও তারতম্য হয় যা আমি মূল লেখায় বলেছি। বর্তমান বিশ্বে মেডিক্যাল রিলেটেড যে কোন পরীক্ষা পুরোপুরি mcq নির্ভর।
১০৩|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:২৫
গাধা মানব বলেছেন: ++++++++
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৩১
অরণ্যে রোদন... বলেছেন:
১০৪|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:৩৩
েমাহাম্মদ আশরাফুজ্জামান জাহেদ বলেছেন: The greatest problem is that, result in our country can't pick up the talents at all. Most importantly, it will certainly open up a new horizon of corruption for teachers whenever all students are crazy for full marks in practical examination. Apart from this, we cant sneer at this while test examination is taken in developed countries like USA, Australia especially for medical study . . .
Thanks for such a splendid writing. . .
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৩৩
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: I do agree with you. Thoroughly .
Thanks for your wonderful comment.
১০৫|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:২৯
স্বাধীন শোয়েব বলেছেন: মাধ্যমিক এ যেমন আগে অবজেক্টিভ নেয়া হত এই রকম পরীক্ষা উচ্চ মাধ্যমিক এও নেয়া হোক।
৪০% ভাগ থেকে এবং উচ্চমাধ্যমিক থেকে নেয়া হোক ( পদার্থ, রসায়ন, জীব বিজ্ঞান এবং গনিত)। আমরা ২ টা বছর পড়ব উচ্চ শিক্ষায় নিজেদের প্রস্তুত করতে। অথচ উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য গত দুই বছরের কারিকুলামের কোন ভুমিকাই থাকবেনা এটা কি রকম মুর্খামি।
এই টোটাল অবজেক্টিভ মার্কস এর উপর ভিত্তি করে মেধা তালিকা করা হোক। যা দিয়ে কেবল মেডিক্যাল না, আমাদের শাবিপ্রবি সহ ঢাবি, চবি, রাবির অনেক বিভাগেই ভর্তি করা সম্ভব।
এর পরেও বাছাই করনের জন্য অনেক পদ্ধতি অবলম্বন করা যায়। অবশ্যই কোটা পদ্ধতি নয়।
শিক্ষা নীতি সম্পর্কিত কোন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অন্তত ৩ বছর আগে জন সাধারনের কাছে জানান উচিৎ।
আমার কষ্ট এখানেই হাজার গোল্ডেন এ+ পাওয়া ছাত্রই ভাত পাবেনা বরতমান সিস্টেমে। এটা দুরনিতির নতুন দুয়ার খুলে দেবে।
১০৬|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৩৯
স্বাধীন শোয়েব বলেছেন: আমার কমেন্টের দ্বিতীয় প্যরা টা নিম্নরুপ হবে।
৪০% ভাগ মাধ্যমিক থেকে এবং ৬০% উচ্চমাধ্যমিক থেকে নেয়া হোক ( ইংরেজি, পদার্থ, রসায়ন, জীব বিজ্ঞান )।
এই নম্বরের আবার নিম্ন রুপ ভাগ করা যেতে পারেঃ
ইংরেজি ৩০%
পদার্থ ২০%
রসায়ন ২০%
জীব বিজ্ঞান ৩০%
আমরা ২ টা বছর পড়ব উচ্চ শিক্ষায় নিজেদের প্রস্তুত করতে। অথচ উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য গত দুই বছরের কারিকুলামের কোন ভুমিকাই থাকবেনা এটা কি রকম মুর্খামি।
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৩৭
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: স্বাধীন শোয়েব! কেমন আছেন আপনি? চিনতে পেরেছেন আমাকে?
আপনি কি শাবিপ্রবি'র ছাত্র? আমি সিলেটে এক বছর চাকরি করেছি
আপনার চিন্তা ভাবনা খুবই যুক্তিযুক্ত। আমার সমর্থন আছে আপনার প্রতি।
১০৭|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৩০
রাসেল হোসেন বলেছেন: ক্যাওয়াজ সবই ক্যাওয়াজ
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৩৭
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: কালে কালে আর কত দেখব?
১০৮|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৫২
স্বাধীন শোয়েব বলেছেন: আপনাকে ভাই বলব নাকি আঙ্কেল বলব
হুম মনে আছে আপনাকে।
আমি যেভাবে প্রস্তাব দিয়েছি ওভাবে করলে শুধু মেডিকেল না সাথে আরও অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এর বিভিন্ন বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার দরকার হবে না।
আমার ধারনা নীতি নির্ধারণ করার পর্যায়ে যারা আছেন তারাই এই জিনিসটার ব্যাপারে অবগত। আমি বলতে পারছি, তারা পারেন নাই কারন তাদের অনেক রকম স্বার্থ নিয়ে ভাবতে হয়। আমার তো সেই রকম ভাবনা বা পিছু টান নাই।
১০৯|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৫৪
স্বাধীন শোয়েব বলেছেন: আমার শাবিপ্রবি কাল প্রায় শেষের পথে। থিসিস নিয়ে দৌড়ের উপর আছি। সিলেট শহর কে আমি আজীবন মিস করব। সিলেটে কোথায় জব করতেন?
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১:১৩
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।
আমার অ্যাভাটার দেখে কি মনে হয়? কি ডাকা উচিৎ?
১১০|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১:২৪
নয়ন দাশ বলেছেন: যারা চোখ বন্ধ করে ঘুমায় তাদের ঘুম কখনো ভাঙ্গে না।
তবে সহসা আসিবে তাদের বোধ, আশা রাখি।
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:০৮
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আমিও সেই আসা রাখি।
১১১|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১:৫৫
রাশান শাহরিয়ান নিপুন বলেছেন: বুঝবার পারছি। ![]()
আমারে না খালি। নাফিজ মুনতাসির ভাইএর ও যথেষ্ট অবদান।
তবে শুইনা ভালো ঠেকল।
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:০৯
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: হ্যাঁ। ওনারও অবদান আছে। অনুসরন করলাম ওনাকে। মনে হচ্ছে আমার মনের মত পোস্ট দেন উনি। কারন আমি একজন সিনেমা খোর আর উনিও তাই।
১১২|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ২:০০
বরফ শীতল বলেছেন: আপনাকে বর্তমান মেডিকেল MCQ এর মত একটা প্রশ্ন করি ।
সঠিক উত্তরটি কমেন্ট এর ঘরে লিখুন ।
আপনি কি মনে করেন বর্তমানে আমাদের দেশে প্রচলিত MCQ পদ্ধতি (অন্যান্য উন্নত দেশ UK,USA, Australia,Germany এর আলোকে)একজন ভবিষ্যত ডাক্তার বাছাই এর জন্য যথোপযুক্ত ?
ক) হ্যাঁ খ) না গ) উত্তর ক ঘ) উত্তর খ
[ ইচ্ছা করেই কোনটিই নয় আর উভয়ই অপশন ২ টা রাখলাম না । ও হ্যাঁ লাইফে ক্খনো রংপুরে যাবার সুযোগ হবে কিনা বলতে পারি না ।]
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:১৪
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: প্রথমে আপনাকে উল্লেখ করতে হবে আপনি কোন MCQ পরীক্ষার কথা বলছেন। মাধ্যমিক নাকি মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা? যদি মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা হয়ে থাকে তবে উত্তর (ক) হ্যাঁ। ১০০ নাম্বার আসবে বোর্ড পরীক্ষার স্কোর থেকে এবং বাকি ১০০ এর জন্য ১০০ MCQ এর পরীক্ষা হবে।
এবং আমি মনে করি উচ্চ মাধ্যমিকেও MCQ পদ্ধতি থাকা উচিৎ।
১১৩|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৩:১৬
তাশা বলেছেন: আমার জীবনের গতিপথ যদি আরেকজনে ঠিক করে দেয় তাহলে লাগবে না আমার এই তথাকথিত উচ্চশিক্ষা...............
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:১৫
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: খুব ভাল কথা বলেছেন
১১৪|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৩:১৮
আদরেজহক বলেছেন: একটা কথা বলি আমাদের জীবন টা হল এয়াটেল সিম এর মতন .।.।.। যখন যার ইচ্ছে হল প্যার্টন চেজ্ঞ করল আবার যখন ইচ্ছে হল তখন বাঁশ দিয়ে দিলো। আমাদের জীবন তা নিয়ে কুত কুত আর পুতুল নাচ এর খেলা খেলছে। আমাদের কে কি বা দিবে যদি দিত তা হলে এটা অনেক আগেই হত এখন চিল্লানি যতই করি তাতে নষ্ট আমাদের এই কথা আর এই পরিশ্রম আর মূল্যবান সময়।
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:১৫
অরণ্যে রোদন... বলেছেন:
১১৫|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ৮:০১
কাঙাল বলেছেন: প্যাক প্যাক প্যাক
ভালই বলেছেন
এই শুকরছানারা ছাত্রছাত্রীদের জীবন নিয়ে এখনো ছিনিমিনি খেলেই চলছে। কবে যে শেষ হবে!!!!!!
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৪৭
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: এদের কথাবার্তা শুনলে মনে হয় জেগে আছি নাকি ঘুমিয়ে ? দুঃস্বপ্ন দেখছি নাতো?
১১৬|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ৮:০৪
কাঙাল বলেছেন: ভাইজানকে একটা প্রশ্ন করি,
বর্তমান পরীক্ষা পদ্ধতিতে কোন প্রকারে মার্কশীট পাওয়া কি সম্ভব?
মার্কশীট পাইলেই কেবল ভর্তি পরীক্ষা ছাড়া সম্ভব, অন্যথায় নয়,
এটা নিয়ে কেউ যদি আর্গুমেন্ট করে তাহলে থাবরিয়ে দাঁত ফেলে দেয়া দরকার।
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৫০
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আমি যতদূর জানি সম্ভব না। তবে এই ব্যাপারে যারা বোর্ড সংশ্লিষ্ট তারা আরও ভাল বলতে পারবেন।
আপনার কমেন্টের দ্বিতীয় অংশের ব্যাপারে বলব--- কিছু মানুষ আছে কিছুতেই কিছু মানতে চায় না। ঠিকটা জানার পরও অনেকসময় কেবল তর্কে জেতার জন্য এই কাজ করে।
১১৭|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ৮:১২
কাঙাল বলেছেন: গত প্রায ১০ বছর ধরে জিপিএ-৫ খেলা চলছে।
প্রথমবার উচ্চ মাধ্যমিকে সম্ভবত ২৩০ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল, এবার পেল ৬২,০০০
বলুন সকলে মাশাল্লাহ
আমাদের চিন্তাবিদ আর শিক্ষাবিদদের মতে, শিক্ষার্থীরা সবাই ভাল করছে....
আমার ক্ষমতা থাকলে শিক্ষামন্ত্রীকে বাঁ হাত দিয়ে একটা চড় মেরে প্রশ্ন করতাম, পৃথিবীর কোন দেশে তিনি দেখেছেন জিপিএ-৫ পাঁচজন শিক্ষার্থী পায়?
এটা অসম্ভব
সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশে্ই কেবল এটা সম্ভব
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৫৩
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: সলিড কথা। এই দুঃখের কথা কাউকে বলতে পারি না। বললেই অনেকে ফালতু ক্যাচাল শুরু করে দেয়, বিরক্তিকর
১১৮|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১২:৫১
রিয়াদ০০৭ বলেছেন: কোন একজন ভাল ছাত্র যদি দুর্ঘটনা বসত কোন একটা বিষয়ে A+ না পায় তার মানে কি এই যে তার মেডিকেলে পড়ার যোগ্যতা নেই !!! শুধু গোল্ডেন যারা পায় তারাই কি শুধু মেডিকেলে chance পায় ??? সত্যিই অবাক না হয়ে আর পারছি না ! result এর ভিত্তিতে করলে practical এর ক্ষেত্রে যে কি পরিমান দুর্নীতি হবে সেটা আর বলার অপেক্ষায় রাখে না । আমার মনে হয় আপনি যে কলেজ থেকে HSC pass করেছেন আমি ও সেই কলেজ থেকেই pass করেছি । বলতে অনেক খারাপ লাগে যে সারা বছর এত কষ্ট করে practical করার পরও এই practical এর জন্যই অনেক বিষয়ে A+ miss করেছি । অথচ দুই বছর যেভাবে practical শিখেছি তাতে করে মনে হয় অনেক কলেজের স্যার কে শিখাতে পারব !
আর একটা বিষয় লক্ষণীয় যে GPA এর ভিত্তিতে হলে বোর্ডের ভেতরের দুর্নীতিগুলো সবার অগোচরেই থেকে যাবে এবং তা বহুগুনে বেড়ে যাবে ! কোঠার ক্ষেত্রেও ঠিক একই ভাবে দুর্নীতির সীমা ছাড়িয়ে যাবে ! যাই হোক অনেক সুন্দর লিখেছেন । লেখাটা পড়ে এবং আপনার চিন্তাগুলো দেখে অনেক ভাল লাগল ।
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৪৬
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: কঠিন ভাবে একমত আপনার সাথে। তবে আমি কিন্তু ভাই একটা কমেন্টে বলে ফেলেছি কোন কলেজ থেকে পাস করেছি । মিলিয়ে দেখতে পারেন চাইলে।
১১৯|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:১৯
মোঃ শাব্বির আহমাদ বলেছেন: কাফনের কাপড় পরে রাস্তায় শুয়ে আছে মেডিকেল ভর্তিচ্ছুরা।
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৪৯
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ছবিটা দেখে আমি অত্যন্ত আনন্দিত এবং তৃপ্ত। সেই সাথে গর্বিত।
১২০|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৪৭
জিনিয়ো বলেছেন: স্বাস্থ্য মন্ত্রীর এই ডিসিশন এর পর এক ছেলে ৯ টা ট্যাবলেট খায়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করছে
মেডিকেলে নিসিল দেখে বাইচা গ্যাসে
Click This Link
১২ নাম্বার পেজ এ নীচে লেখসে কায়কোবাদ স্যার
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৫০
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: অত্যন্ত দুঃখজনক। তবু যদি তাঁদের একটু আক্কেল হয়!
১২১|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:১০
মেঘনা পাড়ের ছেলে বলেছেন: "আম্রিকায় ডাক্তার হওয়া একটা সাধনার ব্যাপার। এখানে যাদের মেডিকেলে পড়ার ইচ্ছা তাদের হাই-স্কুল বা কলেজ পাশ করার পরে আগে প্রি-মেডিকেলে ব্যাচেলর করতে হয় (অর্থাৎ বায়োলজি, নার্সিং ইত্যাদি বিষয়ে)। তারপর তারা মেডিকেল কলেজ এডমিশন টেস্ট বা MCAT দেয়। প্রি-মেডিকেল আর এমক্যাটের কমবাইন্ড রেজাল্ট যাদের ভালো তারাই শুধু মেডিকেল স্কুলে ভর...্তির সুযোগ পায়। চার বছর প্রি-মেডিকেল, চার বছর মেডিকেল স্কুল এবং তারপর আরো তিন বছর রেসিডেন্সি বা ইন্টার্নশীপ করার পর তারা যখন নামের পাশে ডক্টর বা এমডি (ডক্টর অফ মেডিসিন) লেখে তখন তারা আসলেই একজন ডক্টরেট বা পিএইচডির সমতুল্য। আমি মনে করি যারা মানুষ নিয়ে কাটা-ছেঁড়া বা চিকিৎসা করবে তাদের এমন যাচাই-বাছাই ও প্রশিক্ষণের দরকার আছে। আম্রিকায় তো রিসোর্সের অভাব নাই। তারা গণ্ডায় গণ্ডায় হাইস্কুল পাশ ছেলেমেয়ে মেডিকেল স্কুলে ঢুকায়ে ডাক্তার বানায়ে আনতে পারত। কিন্তু এটার লেভেল উঁচুতে রাখা প্রয়োজন দেখেই সেটা রাখা হয়েছে। আর আমরা সেখানে এখন হাইস্কুলের জিপিএর ভিত্তিতে ডাক্তার বানাবো তাও যদি আবার মেডিকেলে আসনসংখ্যা বাড়ত কিন্তু সে অনুপাতে প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না তেমন পরিস্থিতি হলে একটা কথা ছিলো। নিজেদের লেভেল নিজেরাই আরো নিচে নামায় আনতে আমরা সবসময় ওস্তাদ এবং এ কাজটাই যে আমরা সবচেয়ে ভালো পারি তার প্রমাণ বারবার দিয়ে যাচ্ছি"
ফেসবুকে এক বন্ধু এ স্ট্যাটাস দিয়েছে, তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার্থে লিংক ও নাম দিলাম না। একই মত আমারও। সরকার এর কর্তাব্যাক্তিদের চোখে আর কত আঙ্গুল দিয়ে দেখাতে হবে ?
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৫২
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: কথাগুলো আমার জানা ছিল। কিন্তু আপনি শেয়ার করায় সবাই জানার সুজগ পেল। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
১২২|
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:৩৭
মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেছেন: +++ Thanks.
I'm medical student, I cant accept this decision.
Read this:
m.somewhereinblog.net/blog/aamctg/29655923
১৭ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:৫৩
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: Tons of thanks brother.
১২৩|
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ২:৪৪
রিয়াদ০০৭ বলেছেন: বায়োলজি practical class এর system শুনেই আমি বুঝেছি যে আপনি X Notredamian !!! After all জাত ভাই বলে কথা !!! আচ্ছা আপনি কোন ব্যাচের ভাইয়া ??? আমি '১০ ব্যাচের । সম্ভবত আপনি আমার ৯-১০ ব্যাচ senior হবেন । খুব ভাল লাগল আপনার সাথে এখানে পরিচিত হয়ে । ভাল থাকবেন ।
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:২৯
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: আমারও খুব ভাল লাগল ভাই। আমি নম্বর সিস্টেমের সর্বশেষ ব্যাচ। ২০০২ । এরপর থেকেই জিপিএ চালু হয়েছিল সম্ভবত। ভাল থেকো। ফেসবুকে facebook.com/dr.saiful.bd তে আমাকে পাবে। ওখানে আরও ভাল যোগাযোগ হবে। ভাল থেকো।
১২৪|
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৩:২৪
মুফতি তামিমুল কমর আহমদ বলেছেন: শুধু কোচিং বন্ধের জন্য মেডিকেলে ভর্তির এমন সিদ্ধান্ত সত্যিই উদ্ভট, click here Click This Link
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:৩০
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: সত্যিই উদ্ভট।
১২৫|
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৩:২৫
মুফতি তামিমুল কমর আহমদ বলেছেন: http://www.somewhereinblog.net/mtq1/29655794
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:৩০
অরণ্যে রোদন... বলেছেন:
১২৬|
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ ভোর ৬:০০
রিয়াদ০০৭ বলেছেন: Thnx vaia!
fb te amr id hocce Durbin Riyadh ![]()
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৪৪
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: Added bro! Cheers!
১২৭|
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ৮:৫৭
ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন: Bolar slo onk ksu. Mbl e parc na. Post e plus.
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৪৫
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। ভাল থাকবেন। ঈদ মুবারক।
১২৮|
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:২৫
খাইয়া কামনাই বলেছেন: PEEEELUUSSS.......AM WITH YA
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৪৫
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: Thanks!
১২৯|
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৪৩
আরাফাত শাহরিয়র বলেছেন:
৬। বোর্ড পরীক্ষায় ভাল করতে হলে ভাল মেধাবী হতে হবেই এমন কোন কথা অন্তত আমাদের দেশে নেই। মনে করুন একটা গণিত বইয়ের ৬ নং অনুচ্ছেদে তিনটি অনুশীলনী আছে যেমন ৬.১, ৬.২, ৬.৩ বোর্ড পরীক্ষায় নিয়ম হল ৬.১ থেকে একটি প্রশ্ন থাকবে এবং ৬.২, ৬.৩ থেকে থাকবে একটি। এদের ভিতর যে কোন একটির উত্তর দিতে হবে। কোন ছাত্র যদি ৬.১ খুব ভাল করে আত্মস্থ করে তবে তার অন্য দুটি না করলেও চলবে। রেজাল্ট কিন্তু তার ভালই হবে অথচ ভিতরে অনেক খামতি রয়ে গেল। একইভাবে বেছে বেছে সাজেশনমত পড়েও অনেকে সর্বোচ্চ রেজাল্ট জিপিএ ৫ পেয়ে যাচ্ছে। অথচ একটা মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রতিটি শিক্ষার্থীকে পাঠ্যবইয়ের প্রতিটা লাইন খুঁটিয়ে পড়তে হত। এই ভাবে পরীক্ষার ভিতর দিয়ে যাদেরকে বাছাই করা হয়ে থাকে তাদের 'বেসিক' অনেক বেশি পরিপক্ক থাকে। যা কিনা তাদের পরবর্তী উচ্চশিক্ষাকে অনেকাংশে সহজ করে দেয়। সরকার এই নিয়ম করে প্রকৃত অর্থে যারা যোগ্য তাদেরকেই হারিয়ে ফেলার সম্ভাবনা তৈরি করে দিল।
১৩০|
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৪৮
আরাফাত শাহরিয়র বলেছেন: উপরোক্ত লাইন লেখক বলেছেন, আরাফাত শাহরিয়র নয়। উল্লেখ করতে না করতে পোষ্ট করে দিয়েছি! এখনতো আর ডিলেট করতে পারি না! কি যন্ত্রণা! :ী
এই অংশটার সাথে সবচেয়ে বেশি গভীরভাবে একমত। আর অন্যন্য বক্তব্যের সাথে একমত গভীরভাবে।
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:১২
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: হা হা হা ব্যাপার না। ধন্যবাদ।
১৩১|
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:১৫
অপাংক্তেয় বলেছেন: Click This Link
ফেসবুকে এই গ্রুপের মধ্যে কিছু কিছু কমেন্ট দেখে অবাক না হয়ে পারলাম না। এইচ এস সি পাশ করেই যদি মেন্টালিটি এমন হয়, আর এরাই যদি ডাক্তার হয়, না জানি কি করবে!
অবশ্য সম্ভবত এই ধরনের পোলাপানই পরে মন্ত্রণালয়ে যায় আর এমন এমন আজগুবি সিস্টেম পয়দা করে।
১৮ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:১৩
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: এই বেকুবগুলারে জিজ্ঞেস করেন সে যে জিপিএ ৫ পেয়ে ভর্তি হতে পারবেই তার নিশ্চয়তা কোথায় পেল? যতোসব আহাম্মকের দল।
১৩২|
১৯ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:০১
সবুজ পাওয়ার বলেছেন: নচিকেতার “আমি মূর্খ সূর্খ মানুষ বাবু কিছুই জানিনা, এই এদেশের রং তামাশা কিছুই বুঝিনা” গানটা সার্থক ( সরকারের বিরুদ্ধে গানটা গেয়ে জেল খেটেছিলো নচিকেতা )
গানটা এখানে
১৯ শে আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:০৫
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: গানটার জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ।
১৩৩|
১৯ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৪১
অনুপ_13 বলেছেন: আমি নিজেই জি পি এ তে মেডিকেল এ ভর্তি' র পক্ষে এতদিন ছিলাম। কিন্তু, অপাংক্তেয় ভাই এর দেওয়া লিংক টা দেখে আর ঠিক থাকতে পারলাম না। দুই টা গোল্ডেন পেয়ে এত ভাবের আছে টা কি!! এখন, ত সব যুক্তি ই আমার কাছে নিরর্থক লাগছে।অহংকারীর পতন অনিবার্য তা কি ওই ছেলেরা জানে না?উলটাই য়া ফালাইছে একদম দুইটা গোল্ডেন পেয়ে!!খুব ই দুঃখজনক। ![]()
১৯ শে আগস্ট, ২০১২ ভোর ৪:০৬
অরণ্যে রোদন... বলেছেন: ভাল লাগল। খুব ভাল লাগল আপনার মন্তব্য।
১৩৪|
১৯ শে আগস্ট, ২০১২ ভোর ৫:৫৭
মাসুদ রবি বলেছেন: আজই জেনারেল হলাম। আমার প্রথম মন্তব্য এমন একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ পোস্টে করতে পেরে ভাল লাগছে। আমার মেডিকেলে পড়ার ইচ্ছা না থাকলেও ১০২ ডিগ্রি জ্বর নিয়ে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিলাম। এই বছর সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেখে অনেক অবাক হলাম। এটা মোটেও ঠিক হয়নি। আমি আমার এক বন্ধুর গল্প বলি। আমার ছোটবেলার এক বন্ধু এসএসসি এবং এইচএসসি কোনটাতেই গোল্ডেন পায়নি। কিন্তু মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় সে হয়েছিল ৩৮ তম। এটা থেকেই প্রমাণ হয় যে মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা কত। আর মেডিকেলে ভর্তির জন্য যে অনেক ভাল প্রস্তুতি আর পড়াশুনার চর্চা থাকতে হয় সেটাও এই বন্ধুর মাধ্যমে আমি বুঝতে পেরেছি। তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার মা তাকে বুয়েটে ভর্তি করায়। সে অনেক কষ্টে তার মাকে রাজি করিয়ে পরের বছর আবার মেডিকেলে পরীক্ষা দেয়। এবার তার পজিশন ছিল ৬০০০ এর দিকে। এটা থেকেই প্রমাণিত হয় যে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ষ্ট্যাণ্ডার্ড কত বেশি। যদিও আমি মনে করি সাধারণ জ্ঞান অংশ বাদ দেয়া উচিত এবং আরও বেশি সময় নিয়ে (কমপক্ষে ৩ ঘণ্টা) পরীক্ষা নেয়া উচিত।
১৩৫|
১৯ শে আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৩:৩৪
স্বাধীন খান বলেছেন: ......
১৩৬|
২৩ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ২:৫৮
তাশা বলেছেন: কাহিনী তো আরো আছে............ দেখেন এইখানে........... গত দুইদিন ধইরা চিল্লায়া যাইতাসি............. না পাইরা দুই তিনখান পোস্ট মুইছা দিসে............ আর এহন আমারে মা বাপ তুইলা গাইল দিতাসে............
১৩৭|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫০
আরজু পনি বলেছেন:
মিস হয়ে যাওয়ায় দুঃখিত। এ্যাড করে নিলাম।
অনেক কৃতজ্ঞতা রইলো।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪৯
অরণ্যে রোদন... বলেছেন:
১৩৮|
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৫
দেশের_কথা বলেছেন: অভিনন্দন আপনাকে।
আমার গত মাসের পছন্দের তালিকায় আপনার এই পোস্টটি স্থান পেয়েছে। সংকলন নয়। আগস্ট ২০১২ তে আমার ভাল লাগা'র কিছু পোস্ট ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৪৪
মদন বলেছেন: মূল কারন হইলো ভর্তি বানিজ্যের মাধ্যমে আগামি নির্বাচনের টাকা জমা করা।