| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জলদস্যু
আটপৌরে বাংলাদেশি।
নিজেকে বাংলাদেশি বলে পরিচয় দিতে ভালোবাসি।
চিন্তা-ভাবনায় থাকে বাংলাদেশ
পছন্দ করি রিকশায় চড়তে, আড্ডা দিতে, ঢাকার জীবনে অভ্যস্ত
অস্বস্তিতে থাকি সবসময়, অপছন্দ ভিনদেশী কালচার।
মাঝে মাঝে নিজেকে মনে হয় জীবনযুদ্ধে পরাজিত এক সৈনিক
অর্থহীন এই ক্ষুদ্র জীবনে তাই হারিয়ে খুঁজি নিজেকে........
ধর্ম বিষয়ক ব্যাপারে বাংলাদেশীদের বাটপারীর জুড়ি মেলা ভার।অবশ্য অনেকেই ধর্ম সম্পর্কে ভাল জানেন এবং মন্তব্য করেন জেনে শুনে।কিন্তু বেশীরভাগই না জেনে খামাখা ফতোয়াবাজি করেন। এদেশে যেসব বাংলাদেশী থাকেন তাদের মাঝে আমি মোটামুটি এই দুই প্রকার মানুষ দেখেছি । সবচেয়ে বেশি ঝামেলা হয় হালাল-হারাম খাবার নিয়ে। এই বিষয় নিয়ে বিতর্কের সীমা নেই।
এদেশে সুপারমার্কেটের গরু-মুরগী বাংলাদেশীরা খান না। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী এগুলো হারাম। আমি খুব বেশি ধামির্ক বলে নিজেকে দাবি করি না। তবে আমার কাছে এটা মনে মনে হয় যে এগুলো মাকরুহ তে পারে, কিন্তু হারাম নয়। অনেকেই এই নিয়ে চেঁচামেচি করেন। আমি এ জাতীয় লোকদের কথা শুনলেই বুঝি যে ইনারা দেশের তথাকথিত আলালের ঘরের দুলাল, যারা আগোরা জাতীয় দোকান থেকে জীবনে হয়তো 2/1 বার বাজার করেছেন।
আমি কারওয়ান বাজার থেকে দীর্ঘ 8 বছর বাজার করেছি দেশে থাকাকালীন সময়ে এবং যারা করেছেন তারা জানেন যে মুরগী জবাই করার সময় বেশীরভাগ ক্ষেত্রে দোকানীরা ছুরি চালানোর পর ঘাড় মটকে মুরগী হত্যা করেন। আর এর প্রতিবাদ করেও খুব একটা লাভ হয় না। শুধু তাই নয় কোরবানীর সময় হুজুরদের জবাইয়ের পর কসা ইদের ছুরি দিয়ে গুঁতোগুঁতি করার বিষয় আমরা সবাই কম-বেশি জানি। আর ঢাকার ফাস্টফুড/হোটেলে কি মাংস পরিবেশন করা হয় তা তো সবারই জানা । ওগুলো আমরা নিদ্্বর্িধায় খেয়ে ফেললেও এখানে সুপারমার্কেটের মাংস খেতে আপত্তি কোথায় আমি বুঝি না।
এখানে টার্কিশ বুচার থেকে সবাই মাংস কেনেন। কিন্তু তারা কি জানেন মুরগীগুলো মেশিনে জবাই দেয়া হয় আর টেপরেকডর্ারে "আল্লাহু আকবার" চালানো হয়। আমার এক আত্নীয় বাংলাদেশে আফতাব পোলট্রিইন্ডাস্টৃতে চাকরি করেন , উনার কাছে আমি শুনেছি সেখানেও এই একই প্রথায় মুরগী জবাই দেয়া হয় যা আগোরা ও অন্যান্য সুপারমার্কেটে সরবরাহ করা হয়।
আবার চিংড়ি মাছ খাওয়া নাকি মাকরুহ। সেই হিসাবে কাঁকড়া, অক্টোপাস বা স্কুইড খাওয়া মাকরুহ হবার কথা। কিন্তু অধিকাংশ বাংলাদেশীর মতে এগুলো নাকি হারাম। কোন হিসাবে এগুলো হারাম তার ব্যাখ্যা কেউ দিতে পারবে বলে মনে হয় না। আমি এতোকিছু মেনে চলি না। তাই মোটামুটি শুয়োর বাদে সবই খাই। এজন্য বাংলাদেশী কমিউনিটিতে আমার বিশেষ বদনাম আছে। অনেকেই আমাকে বলেন "আপনার তো ভাই কোনকিছুতেই সমস্যা নেই"। অযথা মানুষকে উত্ত্যক্ত করা জাতি হিসাবে আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে আছে সেটা তো নিজেদের আর অজানা না!! তাই চুপ করে হজম করি অম্লবাণীগুলো।
ইদানিং নব্য তৃতীয় শ্রেনীর আমদানী ঘটেছে। এই শ্রেনীর ফতোয়াবাজদের মতে অনেক অপরিহার্যরন্ধন লিকুইড যেমন সয়াসসে নাকি এমন প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয় যা হারাম।বাংলািেদশ ী কমিউনিটি মসজিদে নামাযের পর ফ্রিলিস্ট ধরিয়ে দে য়া হয় হারাম-হালালের প্রোডাক্ট আই ডিসহ। আমি মনে মনে হাসি আর ভাবি "সাত কোটি সন্তানের হে মুগ্ধ জননী, রেখেছ বাঙালী করে মানুষ কর নি"
২|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:০৩
অতিথি বলেছেন: শুয়োর থেকে দূরে থেকেন তাহলেই হবে। তবে না জেনে খেয়ে ফেললে অসুবিধা নেই।
আমি কয়দিন আগে কাঁচা ঝিনুক খেলাম লেবু চিপা দিয়ে। নট ব্যাড। ![]()
৩|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:১১
সুমন বলেছেন: আমার কোন সমস্যা নাই খাওয়ার ব্যাপারে শুয়োরসহ যে সব প্রাণী দেখতে খারাপ তা বাদে। হারাম হালাল ব্যাপার না।
শালার কিংফিসার, বাডওয়াইজার টানতে সমস্যা নাই সুপার মার্কেটের চিকেনে তাদের সমস্যা হয় তাও ম্যাকের টা হলে সব ঠিক! আজিব!!
৪|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:১২
মাহবুব সুমন বলেছেন: কাকড়া,ঝিনুক , শামুক,অক্টোপাস, স্কুইড খাইসি। ক্যাংগারুও ভালো, এমু খাইলাম সেই দিন, এ নিয়া আমার একটা পোস্ট আছে, টাইম পাইলে দেইখেন, আর কিছু খাওয়ার ইচ্ছা নাই।
৫|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:১৯
অতিথি বলেছেন: পুরা ঠিকাছে।
হালাল হারাম প্রসঙ্গে কুরআন খুব স্পষ্ট এবং খুব সহজ। তারপরেও হয় আন্ধা মোছলমান মোল্লার কাছে দৌড়াইবো, নাইলে বানাইন্না রীতি নীতি ফলো করবো।
হালাল হারাম প্রসঙ্গে অন্য কয়েকটা আয়াত ছাড়াও কুরআনের এই আয়াতটা খুব স্পষ্ট 002.173
He hath only forbidden you dead meat, and blood, and the flesh of swine, and that on which any other name hath been invoked besides that of Allah. But if one is forced by necessity, without wilful disobedience, nor transgressing due limits,- then is he guiltless. For Allah is Oft-forgiving Most Merciful.
খুউব খেয়াল কইরা দেখনের মতো জায়গা এইটা: But if one is forced by necessity, without wilful disobedience, nor transgressing due limits,- then is he guiltless. For Allah is Oft-forgiving Most Merciful.
প্রয়োজন, অসুবিধা, খোদারে অমান্য না করার ইচ্ছা না থাকলে এবং শুধু শুধু সুবিধা থাকা সত্বেও সীমালঙ্ঘন না করার ঘটনা না ঘটলে - খাবারের ক্ষেত্রে একজনে দোষী না। এইটাই শেষ অংশের সোজাসুজি অর্থ।
ধর্ম সহজ। কঠিন কইরা মনোপলি করে কাঠ মোল্লারা।
৬|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:১৯
অতিথি বলেছেন: সুমন ভাই আসলে ভালো বলেছেন, আমি ম্যাক কেএফসির ব্যাপারে িলখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু বড় হয়ে যাবে বলে লিখি নাই। বড় হলে মানুষজন আবার পড়ে না।
৭|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:২২
অতিথি বলেছেন: শাকিরের অনুবাদটা আরেকটু সহজ হয়তো অনেকের কাছে।
He has only forbidden you what dies of itself, and blood, and flesh of swine, and that over which any other (name) than (that of) Allah has been invoked; but whoever is driven to necessity, not desiring, nor exceeding the limit, no sin shall be upon him; surely Allah is Forgiving, Merciful.
৮|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:২৫
অতিথি বলেছেন: থ্যাঙ্ক ইউ সাদিক ভাই। ব্যাটা মোলখাদের এবার পেয়ে নেই.।খবর করে দেব।
৯|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৩৪
অতিথি বলেছেন: শিউর।
১০|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৫:০০
অতিথি বলেছেন: কি ভেজাল!
সাদিক মোহাম্মদ আলম:
আচ্ছা, মাছ কি এই সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে? মানে বলতে চাচ্ছি যে, সাধারণত তো মরা মাছই কিনি সবসময় .... ....
আর, খাদ্য সংক্রান্ত অন্য আয়াতগুলি কি কি? শুধু আয়াত নাম্বার দিলেই চলবে।
১১|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৫:৩১
হযবরল বলেছেন: স্টিং রে ফিশ খাইয়া দেখেন খুব মজা। স্কুইড , অক্টো শুরু কইরা দেন , তাইলে জলদস্যু নামটা যথার্থ হয়ে যাবে।
১২|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১২:৩৭
অতিথি বলেছেন: হযবরল, জলদস্যু নাম রাখার আগেই যাবতীয় সামুদ্্রিক প্রাণী খেয়ে ফেলেছি। আর স্টিং রের লেজ দিয়ে একটা সুশি তৈরি হয়, ওটাও খেয়েছি। মন্দ নয়।
১৩|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৪:৫৬
অতিথি বলেছেন: সামুদ্রিক সব খাবারই মজা। অক্টোপাস, স্কুইড, ঝিনুক পর্যন্ত দেঁৗড় আপাতত। স্টিং রে যেহেতু স্টিভ আরউইনকে মারলো, ওইটার সাথে কথা নাই। তবে খাওয়া যেতে পারে
সাদিকের সাথে একমত।
মিমুহো এর জন্য:
To hunt and to eat the creatures of the sea is made lawful for you, a provision for you and for seafarers; but to hunt on land is forbidden you so long as ye are on the pilgrimage. Be mindful of your duty to Allah, unto Whom ye will be gathered. (5:96)
আমি এখান থেকে বুঝি, সামুদ্রিক সব প্রানীই হালাল। মাকরুহ টাকরুহ মাথায় ঢুকে না।
১৪|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৫:০৬
অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ @ আস্তমেয়ে।
১৫|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৬:০৭
অতিথি বলেছেন: আগেই বলেছি শুয়োর বিনা আমার সবকিছু চলে। তবে আয়াতটার জন্য আস্তমেয়ে ধন্যবাদ পাবে।
১৬|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৬:২৯
অতিথি বলেছেন: সাদিক ভাই,আস্তমেয়ে,
আমার একটা ছোট্ট ডাউট আসে।শাকিরের অনুবাদের এই অংশটা দ্যাখেন
but whoever is driven to necessity, not desiring, nor exceeding the limit,
আমার ডাউট হইলো,যদি আমার আশেপাশে হালাল ফুড যোগাড় করার ব্যবস্থা থাকে, কিন্তু আমি মজা লাগে দেইখা ম্যাক-কেএফসি তে খাই-তবুও কি আমি driven to necessity, not desiring, এর আওতায় পড়বো?
১৭|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:৪৩
অতিথি বলেছেন: চামেলী,
দুই এক্সট্রিমেই ব্যাখ্যা হইতে পারে। কেউ কইতে পারে, শহরে (কোন জায়গায়) হালাল থাকতে তুই হারাম (!) খাইতেই পারছ না। লাগলে বাজার থেইকা কিন্না, রাইন্ধা খা।
আরেক দিকে থাকতে পারে, অতো কষ্টে কাম নাই, যে দোকানে ঢুকছস, ওইখানে যা আছে তাই খা। খোদা মেহেরবান।
যদি আমার ব্যক্তিগত কথা জিগান তাইলে আমি কমু, এক্সট্রিমে না যাইয়া মধ্যপন্থা গ্রহনডাই ভালা। আর এই ক্ষেত্রে স্ক্রিপচারের (কুরআন হাদীস) জ্ঞানের লগে নিজের বিচার বুদ্ধি খাটাইলে দোষের কিছু নাই।
এই বিচার বুদ্ধির ক্ষমতাটারে কুরআনে বলা হইছে ন্যাচারাল ডিসপোজিশন।
Set your face steadfastly towards the faith, turning away from all that is false, in accordance with the natural disposition which God has instilled into man: not to allow any change to corrupt what God has thus created this is the ever-true faith; but most people know it not. -Quran (30:30)
আর নবীর এথিকসে যদি যাই তাইলে তিনি সবসময়েই ধর্ম পালনে বাড়াবাড়ি করতে মানা করছে। বিদেশে থাইকা, হালাল হারাম নিয়া ছুতাবুতা করাডা অনেক সময়ে বাড়াবাড়ি হইতেই পারে।
সেই হিসাবে সাকিরের এই আয়াতের nor exceeding limit জায়গাটারে আমি বুঝদার মানুষের বিবেকের উপরে ছাইড়া দেওনের পক্ষপাতী।
( খুব চলতি ভাষায় লিখছি বইলা মাফ কইরেন। )
১৮|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:০৩
অতিথি বলেছেন: থ্যাংকস।বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর..
১৯|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:০৭
অতিথি বলেছেন: চা.হা.নি.মা:
কেএফসি হালাল না!
থাইল্যান্ডের কেএফসি গুলা হালাল হালাল বলে বিজনেস করে। সব অ্যারাবিক টু্যরিস্ট দেখি ঐখানে দৌড়ায় ...
২০|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:২৭
অতিথি বলেছেন: থাইল্যান্ডে হালাল হইতে পারে,কিন্তু আমাদের এইখানে হালাল না..
আমি যদ্দূর জানি,বাংলাদেশেরটাও হালাল না..
২১|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৩০
চিরকালই গাধা বলেছেন: আরে আরে তোমার নাম জলদসু্য রাখলা, ক্যান? তোমার তো ভালো জ্ঞান-বুদ্ধি (পোস্ট পইড়া মনে হইল)। কিন্তু নিক-টা এ রকম রাখলা ক্যান।
২২|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৫১
অতিথি বলেছেন: ভাই গাধা নামের ইতিহাস আরেকদিন বলব। অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। পাবলিকের দাবি তো মানা লাগবে। পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
২৩|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৫৮
অতিথি বলেছেন: চামেলী হাতের মানুষ,
সরি, আপনার প্রশ্নটা আগে চোখে পড়ে নি। ওরকম মানুষ দেখেছি অনেক। সেটা কি করে হালাল হয়? নিজের কাছে সৎ থাকতে হবে তো, কারণ আল্লাহ দেখবেন মানুষ কতটা চেষ্টা করছে গাইডলাইন মেনে চলার ব্যাপারে। 'ড্রিভেন বাই নেসেসিটি'... সে তো প্রান বাঁচানো নিয়ে টানা টানি পড়লে!
একটা ব্যাপারে আমি 100% কনভিনসড, এই পশ্চিমা বিশ্বে হারাম খাবার খাওয়ার মত সিচুয়েশন আমাদের আসবে না আলহামদুলিল্লাহ। কারণ, 'কোশের' (ইহুদীদের জবাই করা গোশত) খাবারও আমাদের জন্য হালাল। ইহুদীরা এখন সব জায়গায়, তাই কোশের খাবার পাওয়া যায় না এমন যায়গা পাওয়া কঠিন। কয়েক দিনের জন্য গোশত না খেলে এমন আহামরি কিছু হয়ে যায় না, সামুদ্রিক যে কোন প্রানী বা মাছ, এবং ডিম দিয়ে নিজের শরীরের আমিষের অভাব কাটানো যায়। আপনি যা বললেন, তা যারা বলে, তারা আসলে নিজেদের কাজটা জাস্টিফাই করার জন্য কোরআনের আয়াত ব্যবহার করছে, যেটা ভয়ংকর ফেনোমেনা
আনোয়ার সাদাত শিমুল,
কেএফসির একটা শাখা আছে সিডনীতে যেটা হালাল। ম্যাকেস এরও তাই। ওদের কাছে চাইলে ওরা কাগজ পত্র দেখায়, যেই হালাল দোকান থেকে গোশত কিনে তার। তাছাড়া ওখানে আপনি হ্যাম দিয়ে তৈরি কিছু পাবেন না। থাইল্যান্ডে বোধ হয় তাই হয়।
২৪|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:১১
অতিথি বলেছেন: ভালো লিখা।
২৫|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:৩৩
যীশূ বলেছেন: 'পাপ পূণ্যের কথা আমি কারে শুধাই.........।'
২৬|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:৩৬
অতিথি বলেছেন: হারাম হালাল নিয়ে কত হিপোক্রেসি হয়। শুকর খাওয়া ইহুদিদের জন্যে হারাম। অথচ ওরা কোন ধরনের শোরগোল মাচায় না এ নিয়ে।
কিছু বাঙালী মুসলমান বিদেশী কোন ডিনারে গেলে শুকর আছে কিনা শোরগোল তুলবে। মাংসের আইটেমগুলো বাদ দিলেই হয়। কেউতো ফোর্স করছে না। ওয়াইনের সাথে অন্য অপশন ও থাকে। কাজেই আমি খাইনা এটা সবাইকে না জানিয়ে নিজেই অন্যকিছু চুজ করে নেয়া বেটার না?
এক দেশী সরকারী কর্মচারীর সঙে দেখা হলো তিনি হালাল হারাম সম্পর্কে খুবই নাক উচু ইউরোপে আসলে বাইরে কোথাও কিছু খাননা, সবখানেই হারামের গন্ধ পান। অথচ আমি জানি প্রকারান্তরে ঘুষ খাওয়াটাকে উনি চমৎকার ভাবে লিগালাইজড করে নিয়েছেন।
এইসব লোকেরা মুসলমানদের সম্পর্কেভাল ধারনাতো লোককে দিচ্ছেন না।
২৭|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:৩০
অতিথি বলেছেন: আস্ত আপনি বাংলাদেশে যে মাংস খান, তা কি হালাল না হারাম কোনদিন চিন্তা করে দেখেছেন?
২৮|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৬
অতিথি বলেছেন: রেজওয়ান,
একমত।
জলদস্যু,
আমি আগে ভাবি নি কখনও। এখন ভেবেছি। কিন্তু সত্যি কথা হলো, আমি সন্দেহবাদী হতে পারি না। কেউ যদি দাবী করে কিছু হালাল, তারপরে তাকে প্রমান ছাড়া কেবল সন্দেহের ভিত্তিতে চ্যালেঞ্জ করার মানে হয় না। আমার যতটুকু করা সম্ভব, ততটুকু ইনকোয়ারির পরে যথাসম্ভব শোরগোল ছাড়া সিদ্ধান্ত নেই খাবো কি খাবো না। সন্দেহ হলে খাই না। তবে অন্য কেউ খেলে আমি বাঁধা দেই না!
২৯|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:৪০
মাহবুব সুমন বলেছেন: তবে আমি চিন্তা করি @ জল দস্যু
৩০|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৩
অতিথি বলেছেন: সুমন ভাই চিন্তা এক কালে করতাম এখন করি না। আর ওই যে বললাম শূয়োর, মদ ছাড়া সবই আমার পেটে ঢুকে।![]()
আস্ত, এত সহজে কথাটা স্বীকার করে নিলেন। একবার ভাবুন বাংলাদেশে হোটেলে খাসির মাংসের নামে কুকুরের মাংস মানুষকে খাওয়ানোর রেকর্ড আছে।
৩১|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৮
মাহবুব সুমন বলেছেন: তবে, আগে ও বর্তমানে । সব সময় ই হারাম হালাল বুঝে চলেছি।
৩২|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:০১
অতিথি বলেছেন: খাইছে যে পরিমান হাদিসের ব্যাখ্যা আইতাছে পোস্ট কি নিয়া সেইটাই তো ভুইলা গেছি মনে হয়!
তা পাইরেটস ভাই বেবী অক্টিপাস খাইছেন নি? ক্র্যাব ফ্রাই! দুইটাই আগুনের লাহান স্বাদ, একবার খাইলে আবার খাইতে মন চাইবো...।
৩৩|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:০৭
অতিথি বলেছেন: ধূ.গো. 2 টাই খেয়েছি। মন্দ না।ক্র্যাব ফ্রাইটা জোস।
সুমন ভাই, তাহলে তো ভালই। আমি আগেই বলেছি এটা খুবই বিতর্কিত বিষয়, তাই এ নিয়ে আর কথা না বলাই ভালো। নাহলে কিছুক্ষন পরে আপনারা বলবেন আমি মুসলমান না। ![]()
![]()
৩৪|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:১২
মাহবুব সুমন বলেছেন: আমি আমার মতো চলি, কে আামাকে মুসলমানের সার্টিফিকেট দিল কি দিল না সেটা আমি কেয়ার ও করি না ভাবিও না,
বেবি অক্টোপাস খাইসে বার কি কিউ করে, ক্রাব ফ্রাই খাইসি একটা চাইনিজে। ফাটা ফাটি।
৩৫|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:১৩
মাহবুব সুমন বলেছেন: বেবি অক্টোপাস চুই ং গামের মতো , তেমন ভালো লাগে নাই।
৩৬|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:৩০
অতিথি বলেছেন: আবার দেখি এই লিখা সামনে চলে আসছে। এইবার কমেন্ট না করে পারছি না।
সুপার মার্কেটের মুরগী খওয়া কি হালাল? শুনছি ঐ গুলারে গুল্লি কইরা/ইলেকট্রিক শক দিয়া মারে! এট্ লিস্ট, কল্লা পুরা কাইটা আলাদা করে ফালায়। এই মুরগী কি খাওয়া উচিত? বিশেষজ্ঞের মতামত চাই।
৩৭|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:৪৪
অতিথি বলেছেন: আরেকটা ব্যাপার জলদস্যুকে বলি। মেশিনে জবাই করার সময় যদি যন্ত্রে "আল্লাহু আকবার" বলা হয়, (যেটা আফতাবে করে বলে আপনি লিখসেন), তাতে কি কোন সমস্যা দেখতেসেন? রেকর্ডেড আল্লাহু আকবার আর বেতার/টিভির রেকর্ডেড আযানে কিন্তু সামন্জস্য আছে......তাই বলে নিশ্চয় বলবেন না যে বেতার/টিভির আযান শুনে নামায পড়া যাবে না!!!
৩৮|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:৫৩
অতিথি বলেছেন: আচ্ছা, মুরগী কেমনে কাটতে হবে, এই ব্যাপারে ইসলামে কি কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম আছে?
৩৯|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:০১
অতিথি বলেছেন: দস্যু, একইরকম কমেন্ট দুবার লিখে ফেলসি, কারিগরি সমস্যা ছিল, একটা মুছে দিয়েন।
চোর, ইসলামের নিয়ম এক্সাক্টলি জানি না। তবে এটা জানি, বিনা কারণে পশুকে কষ্ট দেয়া যায় না। জবাই-এর ব্যাপারটা মনে হয় ওখান থেকেই আসছে। জবাইতে নাকি কষ্ট সবচেয়ে কম হয়। কল্লা ফলে দিলে/শক দিলে/ ইন্জেকশন দিয়ে মারলে নাকি অনেক কষ্ট হয়, কোনো একটা আর্টিকেলে পড়সিলাম।
৪০|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:০৪
অতিথি বলেছেন: এই দিক দিয়া বৌদ্ধধর্মই বেস্ট ![]()
৪১|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:১০
অতিথি বলেছেন: হুম, কিন্তু সমস্যা আছে। সে সময় মানুষ ভাবত, উদ্ভিদের প্রাণ নাই। সেজন্য তারা উদ্ভিদ খাইত খালি। কিন্তু মানুষ এখন জানে, যে উদ্ভিদেরও প্রাণ আছে। এটা জানার পর কি উদ্ভিদ খাওয়া বন্ধ করবে বৌদ্ধধর্ম?
তবে অন্যদিকদিয়ে, বৌদ্ধধর্মের "জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক"-এই কথাটা বিটিভিতে যতবার শুনছি, ততবারই ভাল্লাগসে।
৪২|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:২০
অতিথি বলেছেন: বায়েজীদ ঘাড় মটকানো মুরগী বা কুরবানীর কসাইয়ের খোঁচা দিয়ে জীবনহরণকারী প্রাণী যখন দেশে খেয়েছেন, তখন কি ঐ প্রাণীর কষ্ট হয় নি? আর ইসলামের নীতি অনুযায়ী সাড়ে তিন পোঁচে জবাই করা প্রানী বেশি কষ্ট পায়।
৪৩|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:২১
অতিথি বলেছেন: ও মেশিনে নিশ্চয়ই ইসলামিক রীতি অনুযায়ী জবাই কারা হয় না, নাকি হয়?
৪৪|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:৩২
অতিথি বলেছেন: দস্যু, ঘাড় মটকানো মুরগী আমি আমার জানামতে খাই নাই। মুরগীর দোকানে জবাই করার সময় খেয়াল করে দেখছি অনেকবার, মনে হয় না ঘাড় মটকাইতো। আর মটকাইয়া থাকলেও ঐটা জবাইকারীর দোষ, ওর দোষ নিয়া আমি টেনশান করি না।
আর মেশিনে জবাই-এর ব্যাপারটা যেটুকু বুঝি, কল্লা পুরা কেটে ফেলাটা মনে হয় ঠিক না। কিছু মেশিন একটা নির্দিষ্ট পুরুত্ব পর্যন্ত জবাই করে। আফতাবের মেশিন পুরো কল্লা ফেলে না দিলে ওটা মোটামোটি ঠিক আছে বলেই তো মনে হয়।
৪৫|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:০৬
অতিথি বলেছেন: আপনার কি মনে হয় মেশিনে কাটার সময় পুরা কল্লা আলাদা করা হয় না। তাহলে আপনার জানাতে ভুল আছে। আর যে যুক্তিতে আপনি বাংলাদেশে খান সেটা খুবই খোঁড়া একটা যুক্তি। বাঙ্গালীর স্বভাব আপনার অজানা থাকার কথা নয়।
৪৬|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:১৫
অতিথি বলেছেন: আপনেগো খাইয়া দাইয়া কাম নাই ?
৪৭|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:১৬
অতিথি বলেছেন: ইসলামী আইন অনুযায়ী আমি যা বুঝি প্রথমেই যেভাবে শাহী রগ কাটা হয়, তাতে সারা শরীরের সমস্ত নার্ভের সাথে মাথার সংযোগ বিচিছন্ন হয়ে যায়। হার্টের সাথে মস্তিষ্কের সংযোগ বিচ্ছিন্ন, তাই তাকে আর জীবিত বলা চলে না। আর শরীরের সব নার্ভের সাথে মাথা বিচ্ছিন্ন, তাই সত্যিই, প্রানীটা সব কষ্টের উধের্্ব। আমরা যা নাড়া চাড়া দেখতে পাই, সেটা মেরুদন্ড থেকে আসে, মস্তিষ্ক থেকে না। ব্যাথা কিন্তু প্রানীটা পায় না। তাছাড়া, ওভাবে কাটার ফলে খুব দ্রুত শরীর থেকে রক্ত বের হয়ে যায়, যেটা ইলেক্ট্রিক্যাল শকে হওয়ার উপায় নেই।
৪৮|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:৪১
অতিথি বলেছেন: দস্যু, অন্যের দোষের ভাগ নিতে আমি রাজি নই।
যে জিনিস হালাল বলে তুর্কিশ দোকানে বিক্রি করা হয়, সেটা যদি বাস্তবে হালাল নাও হয়, তার দায় কিন্তু আমার না। যতদিন তুর্কিশ দোকানের মাংস কেনার সামর্থ আমার থাকবে, আমি ততদিন এটাকেই সুপার মার্কেটের চেয়ে প্রেফার করব।
ঢাকার হোটেল বা আফতাবের মত দোকানের মাংস আমরা হালাল মনে করেই খাই। সেটা হালাল না হয়ে থাকলে সেটা ঐ ব্যবসায়ীর প্রতারণা বলেই মনে করি আমি।
৪৯|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:৪৪
অতিথি বলেছেন: খাইয়া কমুন লাগে ইটা হইলো অআসল
৫০|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:৫০
অতিথি বলেছেন: সাধু, হারাম জিনিস নাকি খাইতে মজা। যে কোন খাওনে একটু মদ মিশাইলে নাকি টেস্ট দ্্বিগুণ হয়। রক্ত খওয়া হারাম কেন, এইটার উত্তরে আমাগো এক ফেরেন্ড কইসিলো, রক্ত খাইতে নাকি হেভি মজা (হে কৈথ্যেকা রক্ত টেস্ট করসিলো, জিগাই নাই)।
৫১|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১২:১৬
অতিথি বলেছেন: ভাই এই জিনিসটা বাদ দেন। মিথিলা কেসের থেকেও পচে গেছে। এক একজনের কাছে ধর্ম এক এক রকম। যাকে যার যার মত থাকতে দিন। তবে লেখাটার শুরুতে যে মন্তব্য করেছিলাম সেটা সত্য প্রমান হলো। ধর্ম নিয়ে বাঙ্গালীর বাটপারির সীমা নেই। মু........হা.........হা.........
বায়েজীদ, ক্লোটেড ব্লাড একবার খেয়েছিলাম চাইনিজ দোকানে। খেতে কলিজার মত। কোন পার্থক্য নেই। তবে খাবারটা টেস্টি না হওয়ায় খেতে পারি নি পুরোটা।
)
আর সুপার মার্কেটে অ্যালকোহলবিহীন ওয়াইন পাওয়া যায়। ঐ টা খাবারে মিশায়ে টেস্ট করে দেখেন, খুব বেশি ইচ্ছা করলে... মু.........হা...........হা........(ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারোর হাসি)
৫২|
৩০ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ৩:৫১
ফরিদ বলেছেন: বসেরে দেইখা আমিও একখান পোস্ট দিসিলাম একটা চান্সে পইড়া নিয়েন
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:৫৪
মাহবুব সুমন বলেছেন: আমি আপনার মতই,
কয়দিন আগে কুমিরের মাংস খেলাম না বুঝেই।