| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ডুজর্য়
আপনারা এখানে কেনো আসছেন ! মজা দেখতে মজা ! ১টা মানুষ, যখন মৃত্যুকে আলিঙন করতে প্রস্তুত হয়, জীবনের সব আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন যখন তার কাছে মিথ্যে মনে হয়। সে মূহুতর্ কি আপনারা বুজতে পারবেন? পারবেন না, কেউ পারবেন না। মৃত্যুকে আলিঙন করা এত সহয না.....কঠিন,অনেক কঠিন।
২০০৯ এর ঘটনা হবে। আমি আর আমার কিছু বন্ধুরা পাশের গ্রামে কি যেনো একটা কাজে গেলাম। গ্রামের রাস্তার পাশে চেয়ারে বসে থাকা এক বৃদ্ধ জিজ্ঞেস করলেন কে তোমরা বাবা ? কোথায় যাচ্ছো? কেউ পাত্তা না দিলেও আমি কেনো যেনো এড়িয়ে যেতে পারলাম না। উনার খুব কাছে গিয়ে পরিচয় দিয়ে কাজের কথাও ব্যাখ্যা করলাম। পরিচয় জানতেই বলতে শুরু করলেন তোমার দাদা আমার বন্ধু ছিলেন। তোমাদের বাড়িতে আমি অনেক বেড়াতাম....ব্লা...ব্লা...ব্লা। এর মাজে আমার বন্ধুরা কাজ শেরে এসে আমাকে ডাকছে ফিরে যাওয়ার জন্য। কিন্তু বৃদ্ধের কথাই শেষ হচ্ছেনা। অনেক কস্স্টে তাকে ফাঁকি দিয়ে আসলাম। কিন্তু মন থেকে তাকে দূরে সরাতে পারছিনা। মনে হল সে পাগল তাই এতো বকবক করছে। আবার মনে হল দাদার বন্ধু তাই এতো গল্প করছে। এমন কিছু প্রশ্ন মনে নিয়ে ওই গ্রামের একজন
কে জিজ্ঞেস করলাম তিনি কি পাগল? উওর শুনে নিজেকে অপরাধী মনে হল,কেনো আর একটু সময় তাকে দিলামনা। উওরটা ছিলো এমন... বুড়ো মানুষ বলে কারোতো সময় হয়না তার সাথে কথা বলার,তাই তিনি চেয়ার নিয়ে রাস্তায় এসে বসে থাকেন কাউকে পেলে মনের জমে থাকা সব আকুতি প্রকাস করার আসায়। কাউকে পেলে আর ছাড়েন না, চলতেই থাকে একটার পর একটা গল্প।
জীবনের প্রয়জনে এখন আমি প্রবাসে। কাছা-কাছি কোন বংজ্ঞালী নেই ২টা কথা বলার।
যখনি কোন বংজ্ঞালীকে পেয়ে যাই, পাগলের মতো কত কথাই না বের হতে থাকে। মনে পরে সেই বৃদ্ধের কথা। ইচ্ছে করে তাকে (বংজ্ঞালীকে)বেতন দিয়ে রেখে দেই শুধু আমার কথা শুনার জন্য। অন্য ভাষায় অতো আবেগ নিয়ে কাউকে মনের সুখ দূঃখ বুজানো মসকিল। আসুন আজ ভাষা দিবসে তাদের জন্য দোয়া করি যারা আমাদের এ ভাষার জন্য প্রান দিয়েছেন।
©somewhere in net ltd.