নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একটু..

একটু.. › বিস্তারিত পোস্টঃ

পতিতাবৃত্তি : শিশুর অধিকার সংরক্ষণে রাষ্ট্রের দায়

২৫ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:২০

পতিতাবৃত্তি নিঃসন্দেহে একটা অমানবিক বৃত্তি। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রচুর শিশু বাধ্যতামূলকভাবে পতিতাবৃত্তিতে জড়িত। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে হাজার হাজার মেয়ে শিশু এ জাতীয় অমানবিক পেশায় নিয়োজিত রয়েছে। সেসব মেয়ে শিশু পায় না লেখাপড়া ও খেলাধুলাসহ অন্যান্য সুযোগ। বড় হওয়ার আগেই তারা বাধ্যতামূলকভাবে জড়িয়ে পড়ে পতিতাবৃত্তির মতো অমানবিক পেশায়। পরিবর্তনের আজকের দিনে সেসব ভাগ্যাহত মেয়ে শিশুদের জীবন-জীবিকা নিয়ে ভাববার অবকাশ সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের রাষ্ট্রকে তাদের অধিকার নিয়ে ভাবতে হবে। বাংলাদেশ একটি সভ্য রাষ্ট্র হিসেবে কোনোভাবেই তাদের অধিকারের বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পারে না। শিশু সম্পর্কে আমাদের অনেকের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। শিশু কাদের বলা হয় সে বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া জরুরি। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শিশু অধিকার সনদের বিধানমতে, শিশু বলতে বুঝায় ১৮ বছরের নিচের বয়সের যে কোনো ছেলে ও মেয়ে। আমরা আজকের লেখায় যেসব মেয়ে শিশু পতিতার অধিকার নিয়ে আলোচনা করছি তারা প্রত্যেকে ১৮ বছরের নিচে।

প্রতিদিন সূর্যের আলো নিভে গেলে রাজধানী ঢাকার নিয়ন আলোয় রাস্তার ফুটপাতে আলো-আঁধারে শুরু হয় দেহ বেচাকেনার অমানবিক ব্যস্ততা। জীবন-জীবিকার তাগিদে এসব মেয়ে শিশু পতিতাবৃত্তি করতে বাধ্য হচ্ছে। এ যেন নগর জীবনের এক চরম বাস্তবতা। ব্যস্ত ঢাকার কোলাহল থেমে যখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ে তখনই শুরু হয় এসব মেয়ে শিশুদের অমানবিক, অপরিহার্য শ্রম। এসব যৌন সেবাদানকারী ভাসমান পতিতাদের মধ্যে একটা বিশাল অংশ অল্প বয়সী মেয়েশিশু। যারা স্বীকৃতিবিহীন জীবন নিয়ে বেঁচে আছেন। অল্প বয়সে শিশু অবস্থায় এ জাতীয় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে যৌন শোষণের শিকার মেয়ে শিশুরা চরমভাবে ভোগান্তির মুখোমুখি। আইন এখানে অসহায়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সব মেয়েশিশুর বিষয়ে বাংলাদেশ দায়বদ্ধ থাকার পরও রাষ্ট্রযন্ত্র এ বিষয়ে নীরব। চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে টিকে থাকতে হয় তাদের।

বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি কর্তৃক প্রকাশিত প্রতিবেদন ‘সার্ভে ইন দি এরিয়া অব চাইল্ড অ্যান্ড উইমেন ট্রাফিকিং’র তথ্য মতে, মেয়েশিশুদের বিক্রয় করা হয় পতিতাবৃত্তিতে নিয়োগের জন্য। সাম্প্রতিক সময়ের তথ্য আমাদের বলে ভারতের বিভিন্ন পতিতালয়ে ৩,০০,০০০ বাংলাদেশী শিশু যৌনকর্মী বাধ্যতামূলক পতিতাবৃত্তিতে রয়েছে। পাচার হয়ে যাওয়া শিশুদের মধ্যে যারা পতিতালয়ে প্রবেশ করে তাদের সঠিক সংখ্যা বের করা খুব শক্ত কাজ। তবে বিভিন্ন সূত্রের হিসাব থেকে এর একটি গড় হিসাব প্রদান করা সম্ভব। একটি সূত্র মতে, বিগত ২০ বছরে প্রায় ২,০০,০০০ মহিলা ও শিশু বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে পাচার হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী প্রচুর মেয়েশিশু ভাসমান পতিতা হয়ে পতিতাবৃত্তিতে নিয়োজিত রয়েছে। রাজধানী ঢাকা শহরের বিশেষ কিছু স্থানে যথা—ফার্মগেট, হাইকোর্ট, রমনাপার্ক, শিশুপার্ক ইত্যাদি স্থানে তাদের অবাধ বিচরণ লক্ষ্য করা যায়। এছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন সিনেমা হল, বিমানবন্দর, কমলাপুর রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল, ফেরিঘাটে এদের সহজে দেখা যায়।

বাংলাদেশে শিশু পতিতা নতুন কোনো বিষয় নয়, বরং দেড়শ’ বছর আগেও এ জনপদে শিশু পতিতার প্রচলন ছিল, তার দালিলিক প্রমাণ রয়েছে। সে সময় বাংলাদেশে শিশু পতিতা ছিল ভয়াবহ উদ্বেগের বিষয়। বলতে দ্বিধা নেই, শিশু পতিতা তত্কালীন সরকারের জন্য বিশাল চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দেয়। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করণীয় নির্ধারণে সরকার ১৮৭২ সালে একটি কমিশন গঠন করে। কমিশন সমগ্র বাংলা থেকে মতামত গ্রহণের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবেদন পেশ করে সরকারের কাছে। ১৮৫৭ সালের ‘সংবাদ প্রভাকর’র সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছিল, ‘এই কলিকাতার রাজধানীর প্রজাদিগের বসতি শৃংখলা কিছুই নাই, যেখানে বাজার সেইখানে ভদ্রলোকের বাস। বিশেষত বেশ্যারা ইচ্ছানুসারে সকল স্থানে বাস করিবার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হওয়াতে আরও মন্দ হইয়াছে। তাহাতে অনেকে সুপথ পরিহারপূর্বক তাহাদিগের কুহুক চঞ্চে পতিত হইয়াছে। এই রাজধানীতে শিশু পতিতা ক্রমে যে রূপ প্রবল হইয়া উঠিয়াছে তাহাতে বিজ্ঞ লোক মাত্রেরই অন্তঃকরণে ভয় জন্মিয়াছে। এমন পথ বা গলি নাই যে স্থানে বারবিলাসিনীদিগের আবাসস্থান দৃষ্টিগোচর না হয়।’

ঢাকার সে সময়কার পরিস্থিতির কথা বর্ণনা করতে গিয়ে ১৯৬৪ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত একটি পত্রিকা উল্লেখ করে ছিল যে, ‘ঢাকায় ক্রমেই বেশ্যার সংখ্যা অত্যন্ত বাড়িয়া উঠিয়াছে। বিগত ১০ বছর পূর্বে এখানে যে পরিমাণ বেশ্যা ছিল বর্তমানে তাহার চতুর্গুণ বৃদ্ধি পাইয়াছে বললেও অত্যুক্তি হইবে না। সদর বাড়ার উভয় পাশে উত্তম যেসব একতলা ও দোতলা দালান আছে, তাহার সমুদয় বেশ্যাপূর্ণ হইয়াছে। ১৯০১ সালের সরকারি হিসাব মতে, ঢাকায় বারাঙ্গনার সংখ্যা ছিল ২১৬৪ জন, আর শহরের মোট লোকসংখ্যা ছিল ৯০,৫৪২ জন।’ চট্টগ্রামের কমিশনার এইচ হসকিংয়ের প্রতিবেদন মতে, সমগ্র দেশেই শিশু পতিতাবৃত্তি ছিল ব্যাপক। প্রতিবেদনে বলা হয়, আইন করে শিশু পতিতাবৃত্তি রদ করা যায় বটে কিন্তু তাতে ঝামেলা প্রচুর। বালিকারা যারা পতিতাদের খপ্পরে পড়ে বা আশ্রয় পায় তারা প্রধানত প্রতারিত হয়েই আসে। ভাবতে অবাক লাগে, গ্রামাঞ্চলে প্রায় সব গঞ্জেই পতিতালয় ছিল। ক্ষেত্র বিশেষে জমিদার বা গঞ্জের মালিকরাই কয়েক ঘর পতিতা এনে বসাতো গঞ্জে, যাতে করে পতিতাদের টানে হাটে লোক সমাগম হয়।

বাংলাদেশে কী পরিমাণ মেয়ে শিশু বাধ্যতামূলকভাবে পতিতাবৃত্তিতে জড়িত তার যথাযথ পরিসংখ্যান প্রদান করা সহজ বিষয় নয়। বিভিন্ন সংস্থার পরিসংখ্যানের মধ্যে অসামঞ্জ্যপূর্ণ হিসাবে লক্ষ্য করা যায়। ঞযব এষড়নধষ সধত্পয ধমধরহংঃ পযরষফ ষধনড়ঁত্-এর বাংলাদেশের শিশু পতিতা সংক্রান্ত প্রতিবেদনে পরিষ্কার উল্লেখ রয়েছে, বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর হিসাব মতে, ১৫,০০০ থেকে ২০,০০০ মেয়েশিশু ভাসমান পতিতা, যারা রাস্তায় থাকে। প্রায় ১০,০০০ মেয়েশিশু দেশের অভ্যন্তরে সক্রিয় যৌনকর্মী। প্রায় ৪০,০০০ মেয়েশিশু পাচারের শিকার হয়ে পাকিস্তানের বাণিজ্যিক যৌন পল্লীতে বাধ্যতামূলক পতিতাবৃত্তিতে নিয়োজিত, যারা প্রতিনিয়ত যৌন শোষণের শিকার হয়ে চরম উত্কণ্ঠার মধ্যে দিনাতিপাত করছেন। এছাড়াও আরও ১০,০০০ মেয়েশিশু যারা কিনা ভারতের বিভিন্ন পতিতালয়ে নিয়োজিত। যেসব পতিতালয়ে পাচার হয়ে যাওয়া মেয়েশিশু অমানবিকভাবে শরীর বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে তারা সবাই কোন একজন মহিলার তত্ত্বাবধানে থাকে। উল্লেখিত মহিলা সর্দারনী হিসেবে পরিচিত। সর্দারনী মেয়েশিশু পতিতাদের কন্যা বলে পরিচয় প্রদান করে পুলিশ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে। পাশাপাশি এসব মেয়েশিশুও বাধ্য হয় সর্দারনীকে মা বলে পরিচয় দিতে। একটা বিশাল চক্র বিদ্যমান যেখানে দালাল ও কিছু অসাধু আইনজীবীও বিদ্যমান, যারা শুধু টাকার জন্য পাচার হয়ে যাওয়া অপরিচিত মেয়েশিশুদের মিথ্যা পরিচয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক দেখিয়ে পতিতাবৃত্তির জন্য হলফনামা তৈরি করে দিচ্ছে। পতিতাদের সর্দারনী ও তাদের পুরুষ রক্ষকদের সঙ্গে সর্বপ্রকার সহায়তা চালিয়ে যাচ্ছে। জেলহাজত থেকে মুক্ত করে আবারও নতুন করে দেহ ব্যবসায় প্রবেশ করাতে এরা বেশ দক্ষ।

পতিতাদের জীবন তো আর জীবন নয়, এ যেন নির্মম বাস্তবতার সঙ্গে মৃত্যু অবধি ধারাবাহিক সংগ্রামের অসমাপ্ত কাহিনী। এশিয়ার মধ্যে আনুমানিক দশ লাখেরও বেশি পতিতা বিদ্যমান, যারা পতিতালয়ে বা ম্যাসেজ পার্লারে বাধ্যতামূলক দেহ ব্যবসায় নিয়োজিত। পতিতাবৃত্তিতে নিয়োজিত মেয়ে শিশুদের সঠিক সংখ্যা সম্পর্কে ভালোভাবে রের্কড করা কোনো পরিসংখ্যান নেই। থাইল্যান্ডভিত্তিক একটি সংগঠনের হিসাব মতে, বর্তমানে থাইল্যান্ডে ১,০০,০০০ পতিতা রয়েছে। ভারতের পতিতালয়ে অনূর্ধ্ব ১৬ বছর বয়সী অন্তত ১,৫০,০০০ নেপালী বালিকা রয়েছে। অন্যদিকে প্রচুর পরিমাণে বাঙালি শিশু পতিতা রয়েছে। পাকিস্তানের পতিতালয়েও বাধ্যতামূলক দেহ ব্যবসায় প্রচুর বাংলাদেশী মেয়েশিশু রয়েছে, যারা প্রতিনিয়ত অমানবিকভাবে যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদের ২ নং উপ-অনুচ্ছেদে অঙ্গীকার করা হয়েছে যে, রাষ্ট্র পতিতাবৃত্তি নিরোধের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। ৪০ নং অনুচ্ছেদ মতে, আইনের দ্বারা আরোপিত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে কোনো পেশা বা বৃত্তি গ্রহণের দ্বারা কোনো যোগ্যতা নির্ধারণ হয়ে থাকলে অনুরূপ যোগ্যতার প্রত্যেক নাগরিকের যে কোনো আইন সংক্রান্ত পেশা বা বৃত্তি গ্রহণের অধিকার থাকবে। উপরে উল্লেখিত সংবিধানের দুটো অনুচ্ছেদ মতে, পতিতাবৃত্তি একদিকে রাষ্ট্র নিরোধ করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলা হয়েছে, অন্যদিকে পতিতাবৃত্তি একটি অনৈতিক পেশা ও বৃত্তি সে ব্যাপারেও বলা হচ্ছে। রাষ্ট্র যেখানে এটা নিরোধের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা উল্লেখ করেছে সে ক্ষেত্রে কোনো মেয়ে পতিতাবৃত্তি করার জন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হলফনামা সম্পাদন করতে পারে না। আমাদের দেশে মেয়ে শিশুদের পতিতাবৃত্তি থেকে বাঁচানোর জন্য আইন রয়েছে। পাশাপাশি পাচারকারীদের জন্য শাস্তির বিধান সংক্রান্ত রাষ্ট্রীয় আইন রয়েছে। দণ্ডবিধি আইন, ১৮৬০-এর ধারা : ৩৬৬, ৩৭২, ২৬৬, ৩৭৩ এ অপরাধীদের শাস্তির কথা উল্লেখ রয়েছে। অন্যদিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা : ৫, ৬, ৭-এর জন্য যথাক্রমে পতিতাবৃত্তি বেআইনি বা নীতি বিগর্হিত কোনো কাজে নিয়োজিত করার জন্য কোনো মেয়েকে বিদেশে পাচার বা বিদেশ থেকে আনয়ন করা বা পতিতালয়ে ক্রয়-বিক্রয়, হস্তান্তর, ভাড়ায় বা দখলে রাখার অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান এই ধারায় রয়েছে। সর্বোচ্চ ২০ বছর ও সর্বনিম্ন ১০ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। অন্যদিকে শিশু অধিকার আইন ১৯৭৪-এর ১৭ ধারায় এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শিশু অধিকার সনদ ১৯৮১ এবং অনুচ্ছেদ ১৯ ও ৩৪-এ মেয়ে শিশুদের সুরক্ষার কথা উল্লেখ রয়েছে। শিশু অধিকার সনদের ৩৪ ধারায় সরকারগুলোকে পতিতালয়ে মেয়ে শিশুদের শোষণমূলক ব্যবহার যা অন্যান্য বেআইনি যৌনাচারের অবসান সুনির্দিষ্টভাবে অনুমোদন করতে বলা হয়েছে।

পতিতাবৃত্তির বিষয়ে বাংলাদেশ সংবিধানে বৈরীভাব সুস্পষ্ট। আমাদের দেশে পতিতাদের স্বীকৃতি তো দূরের কথা, বরং তাদের এ পেশাই সমাজের চোখে মারাত্মক ঘৃণ্য বলে বিবেচিত। পতিতাদের মৃত্যৃতে শুধু তার সহকর্মীরাই তার দেহ স্পর্শ করে থাকে। মৃত পতিতাকে কোনো সাধারণ সার্বজনীন গোরস্তানে দাফন করতে দেয়া হয় না। আমাদের সরকারের উচিত তাদের কল্যাণে কাজ করা। তাদের সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার লক্ষ্যে বিকল্প কাজের ব্যবস্থা করা। মানুষ হিসেবে তাদের মাথা উঁচু করে বাঁচার যে অধিকার রয়েছে রাষ্ট্র সে দায়কে অগ্রাহ্য করতে পারে না।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.