নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বান্দর হাটে, বান্দর গায়... সবাই তাকাইয়া দেখে, অবাক হইয়া চায়। মনের দুঃখ চোখের পানি, হারায় সব আনন্দ খেলায়!

উদাসী স্বপ্ন

রক্তের নেশা খুব খারাপ জিনিস, রক্তের পাপ ছাড়ে না কাউকে, এমনকি অনাগত শিশুর রক্তের হিসাবও দিতে হয় এক সময়

উদাসী স্বপ্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

মেটাফিজিক্স আর অথর্ব দর্শন নিয়ে কুলোকুচি

২৩ শে জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:১১

আবিওজেনেসিস বা ঈশ্বরবিহীন জীবনের উদ্ভব নিয়ে যারা লেখা পড়া করেন তারা দর্শনের নানা বিষয় দিয়ে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেন ঈশ্বরের অস্তিত্ব থাকাটা কতটা অপ্রয়োজনীয় (জীবনের উদ্ভব নিয়ে বিষদ পড়তে চাইলে এখানে ক্লিক করতে পারেন)। এই স্বতঃস্ফূর্তভাবে গড়ে ওঠা এই বিস্তৃত মানবসভ্যতা আগামি কয়েক দশক পর পৃথিবীর বাইরে তাদের সভ্যতা বিস্তার করবে। মানবজাতীর অজানাকে জানার এই অদমনীয় আকাঙ্খা তাকে এতদূর টেনে নিয়ে এসেছে এবং আশা করা যায় আজ হতে ৪.৫ মিলিয়ন বছর পর যখন পৃথিবী পুরোপুরি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে তখন মানবজাতী তার নিজের অস্তিত্বকে বাচিয়ে রাখার টেনশন আর করতে হবে না।

আজকের এই পোস্টের মূল আলোচনার বিষয় হলো মেটাফিজিক্স আর আধুনা পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে একটা ভারিক্কী চালের একাডেমিক আলোচনা যদিও আমি কোনো একাডেমিক না এবং মেটাফিজিক্স বা দর্শন আমার কর্মক্ষেত্র নয় বা এর ওপর আমার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাও নাই। তবে আলোচনা করতে তো দোষ নেই। যত বেশী আলোচনা, পড়াশোনা করা হবে ততবেশী এসব সুবিশাল ক্ষেত্র সম্পর্কে আমরা জানতে পারবো। যদিও বর্তমান সমাজের প্রেক্ষাপটে কেউ জেনে কোনো দিন বড় লোক হয় নি।

প্রথমেই আসি মেটাফিজিক্স জিনিসটা কি?

মেটাফিজিক্স বা অধিবিদ্যাকে সংজ্ঞায়িত করা যায় এভাবে যে: আধিবিদ্যা দর্শন সেই বিভাগ যেখানে বাস্তবতা এবং তার অস্তিত্বের মৌলিক প্রকৃতি নিয়ে কাজ করে এবং এর মধ্যে অন্তলোজি, কসমোলজি এবং এপিসটোমোলজি অন্তর্ভূক্ত। এই কসমোলজি নিয়ে আমরা কমবেশী পরিচিত থাকলেও হয়তোবা অন্তলোজী বা এপিসটোমোলজি নিয়ে আমরা খুব বেশী পরিচিত নই। যেই হোক, আগে আমরা মেটাফিজিক্স নিয়ে আরেকটু ক্লিয়ার হই: সহজ ভাষায় দর্শনের এই বিভাগ আমাদের বস্তুবাদী জগতের পারিপার্শ্বিকতা এবং তার অস্তিত্বের মৌলিক প্রকৃতিকে ব্যাখ্যা করে। এখানে কি আছে এবং এটা দেখতেই বা কেমন: এটাই হবে তার জানাশোনার পরিধি।

আরো বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করেন মেটাফিজিক্স সম্পর্জে জানতে।

এখন আসি অন্তলোজী নিয়ে। অন্তোলোজি হলো মেটাফিজিক্সের একটা শাখা। সংজ্ঞায়িত করতে গেলে বলতে হয় এই বিভাগটির দ্বারা আমরা জানার চেষ্টা করি আমাদের সৃষ্ট জগতের উৎস, তার রূপ, তার এমন অস্তিত্ব হবার উদ্দেশ্য ও বিধেয় সমূহের জ্ঞান। সোজা বাংলায় আপনার সামনে যদি একটা আপেল রাখা হয় তাহলে আপনি নিম্ন লিখিত প্রশ্নের উত্তর পারবেন এই বিভাগ থেকে:
১) এই জিনিসটা যে আপেল হইছে তার কি অর্থ বা মানে বা কি তার উদ্দেশ্য?
২) সময়ের পরিক্রমায় এটা কিভাবে টিকে আছে?
৩) সময়ের পরিক্রমায় এর পরিবর্তন কিভাবে হবে?

সংক্ষেপে এটাই অন্তলোজি।

এখন আসি এপিস্টেমোলজি নিয়ে। এই এপিস্টেমোলজিকে সংজ্ঞায়িত করতে হলে বলতে হয় এই বিভাগটি আহরিত জ্ঞানের প্রকৃতি, তার ওপর আনিত বিশ্বাসের পেছনে যুক্তি এবং এর জাস্টিফিকেশন। সহজ ভাষায় আপনার সামনে থাকা আপেলটি সম্পর্কে এসব প্রশ্ন করতে পারেন যার উত্তর এই এপিস্টেমোলজি দিতে পারবে:
১) এইটা যে আপেল এইটা জাইনা আমি কি করবো?
২) এইটা যে আপেল হইছে এর আপেল হবার পেছনে কি সার্থকতা?
৩) আমরা কি নিশ্চিতভাবেই এই আপেল নামের কোনো কিছু সম্পর্কে জানতে পারি?

প্রশ্ন গুলো পাগলাটে লাগলেও এখন আপনি আপেল না বলে স্রস্টা বা আমাদের জীবন বা পৃথিবীর যেকোনো কিছু নিয়ে প্রশ্ন করতে পারবেন। তখন হয়তো আপনাদের কাছে আরও অর্থবহ মনে হতে পারে।

তার মানে দেখা যাচ্ছে অন্তলজি জানতে চাচ্ছে সত্যটা কি আর এপিস্টেমোলজির কাজ হচ্ছে এই সত্যের মানেটা কি!

এখন আসি পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে:

তার আগে কিছু কথা বলে নেই, পৃথিবীর সবচেয়ে আদিমতম জ্ঞান বিদ্যার বিষয় ছিলো এই দর্শন। এই দর্শন থেকেই কিন্তু পৃথিবীর যাবতি জ্ঞানবিভাগের উৎপত্তি। আপনারা যারা প্রকৌশল বিদ্যায় পড়েছেন তারা জেনে থাকবেন সকল প্রকৌশল বিদ্যার আদি বিদ্যা ছিলো পুরকৌশল। সময়ের চাহিদায় আজকে আমরা যন্ত্রবিদ্যা প্রকৌশল, তড়িতবিদ্যা প্রকৌশল, কম্পিউটার প্রকৌশল ইত্যাদির উৎপত্তি। আবার সকল প্রকৌশল বিদ্যার আদি রুপ হলো পদার্থবিজ্ঞান আর গনিতবিদ্যা। আবার ওপরে যে অন্তলোজী নিয়ে কথা বললাম এই অন্তলজীর মধ্যে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে পুরো আইটি বা কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগ। আর মানে দর্শনের মাধ্যমেই মানুষ পদার্থবিদ্যা আর গনিতবিদ্যা ব্যাবহার করে মানুষের বিভিন্ন প্রশ্ন আর সমস্যার সমাধান করেছে।

যাই হোক পদার্থবিদ্যা মানেই হলো প্রাকৃতিক জ্ঞান, তবে পার্থক্যটা হলো এটা প্রকৃতির অন্তর্গত বস্তুসমুহের ভর এবং ক্ষেত্র ও স্হান কাল মাত্রায় পরিক্রমন পথের গতি নির্দেশ করে। তার মধ্যে কি পরিমান শক্তি মজুত আছে এবং তার ওপর কি পরিমান এবং কোন কোন বল ক্রিয়াশীল: মোটকথা আক্ষরিক অর্থে উক্ত বস্তুর যাবতীয় বৈশিষ্ট্যসমূহকে গানিতিক পরিমাপ বা সংখ্যায় ব্যাখ্যা করতে পারি।

এখন প্রশ্ন হলো সব যদি দর্শন থেকেই সৃষ্টি হয় তাহলে পদার্থবিজ্ঞান দর্শন থেকে আলাদা?

এই প্রশ্নটা অনেক সমালোচক বা আলোচক খুব তীব্র ভাবে তুলে ধরেন। আমি সাদামাটা ভাবে যেটা বুঝি যখন দর্শনের ব্যুৎপত্তী হয়েছিলো তখন মানুষ গনিতের ব্যাব হারের চাইতে তার পঞ্চইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে প্রকৃতিকে জানতে চেয়েছিলো। অতিতের পংকিল ও দুর্যোগতম পরিবেশ মানুষ তার বুদ্ধি বৃত্তিক চেতনা খাটাতো তার পঞ্চইন্দ্রিয়ের সাথে খাপ খাইয়ে। কিন্তু যখন মানুষ গননা করতে শিখলো তখন মানুষের জীবন ধারা পাল্টাতে লাগলো। তখন তারা চিন্তা করে দেখলো পঞ্চইন্দ্রিয় ছাড়াও এই গননা দিয়েও প্রকৃতির খুটিনাটি জানা সম্ভব যা তাদের জীবনকে আরো স হজতর করতে লাগলো এবং দিনে দিনে তাদের যন্ত্রের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়তে লাগলো।

এরপর পদার্থবিজ্ঞান ও গনিতের চর্চা যখন ব্যাপকভাবে বিস্তৃতি লাভ করতে লাগলো তখন আমরা বুঝতে পারলাম আমাদের ত্রিমাত্রিক জগতে সময়ের তীর একমুখী। আমরা এর বাইরে ভাবতে পারি না। যখন কোয়ান্টাম ফিজিক্সের ব্যুৎপত্তী শুরু হলো তখন মানুষ জানতে পারলো কোয়ান্টাম স্কেলে আলো কখনো তরঙ্গ কখনো কনিকার আচরন করে। কিন্তু যদি আমরা কোনো নির্দিষ্ট সময়ে এর অবস্থানটা জানতে পারি সেসময়ে তার মোমেন্টাম জানা সম্ভব হবে না। আবার যদি কোনো একটা সময়ে মোমেন্টামের পরিমাপ করতে পারলে অবস্থান জানা সম্ভব না। যখন আরো গভীরে প্রোথীত হতে থাকি তখন আরো জানা গেলো এই কোয়ান্টাম জগতে সময়ের ব্যাপারটা নাই। প্রথম প্রথম চার মাত্রার জগৎ মনে হলেও আসলে ঠিক কতটা জগৎ সেটা এখনো নিশ্চিৎভাবে বলা মুস্কিল।

সমস্যা হলো আমরা আমাদের ইন্দ্রিয়ের ওপর নির্ভর করে যে দর্শন ধারন করেছি তা থেকে উৎপত্তি পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম গুলো দিয়ে খুব বেশী আগানো যাচ্ছে না। তবে গনিত যেখানে কজালিটি বা প্রকৃতির গতিপ্রকৃতি সোজা কথা লোকাল কজালিটির খুব একটা ধার ধারে না সে কিন্তু অবলীলায় কাজ করে যাচ্ছে, যার সবচেয়ে বড় উদাহরন হলো স্ট্যান্ডার্ড মডেল।

আমরা যারা মাধ্যমিক স্তরে ম্যান্ডেলিফের পর্যায় স্মরনী পড়েছি সেখান থেকে জানতে পারি জগতের যাবতীয় বস্তু সমূহ আমরা মাইক্রোস্কোপিক লেভেল ভেঙ্গে ফেলি তাহলে তারা যে মৌলিক পদার্থ সমূহের সৃষ্টি তার সবই এই ম্যান্ডেলিফের পর্যায়স্মরনীর অন্তর্ভুক্ত। এই ১১২ (আরো কম বেশী মৌলিক পদার্থ আবিষ্কার হচ্ছে বা হবে)টি মৌলিক পদার্থ সমূহ দিয়ে জৈবিক অজৈবিক সকল বস্তুসমূহের সৃষ্টি।

আবার এই মৌলিক পদার্থ সমূহের অনুগুলো আবার একটা নিউক্লিয়াস এবং নির্দিস্ট সংখ্যক ইলেক্ট্রনের সম্মিলনে সৃষ্টি। স্টান্ডার্ড মডেল এই চেনা জগতের যাবতীয় পদার্থের অনু সমূহ কি কি সাবএটমিক পার্টিক্যাল এবং বলের সমন্বয়ে সৃষ্টি সেগুলোর ব্যাখ্যা করে। আশ্চর্য্যের ব্যাপার হলো এই যে অতিপারমানবিক কনিকা সমূহ এবং তাদের কমপ্যাক্টিফিকশনের বা আটোসাটো হয়ে থাকার পেছনে যেসব বল সমূহ ক্রিয়াশীল এসব কিছুর অস্তিত্ব সমূহ জানতে পেরেছি গনিতে মাধ্যমে। এবং এখন যখন টাদের অস্তিত্ব সমূহ আবিস্কার হচ্ছে সেটাও আমাদের ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য কোনো শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নয়। আমরা এদের বৈশিষ্ট্যসমুহকে ম্যানিপুলেট করে এদের অস্তিত্বের ঘোষনা দিচ্ছি এবং এসবের অন্তর্নিহিত শক্তি ও বৈশিষ্ট্য কাজে লাগিয়ে আমাদের জীবনযাপনকে যন্ত্রনির্ভর করে তুলছি।

তার মানে দেখা যাচ্ছে এখানে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য চেতনার ভূমিকা খুব একটা কার্যকর নয় যতটা কার্যকর গনিত। আমাদের চেনাজানা দর্শনের যে গ্লোবাল কজালিটি সেটা এই কোয়ান্টাম লেভেলে একটা ধাধার সৃষ্টি করেছে। তাই দর্শন মার খেয়ে গেছে তখনই যখন শ্রোয়েডিঙ্গার তার বিড়ালটাকে বাক্সে পুড়ে আমাদের মধ্যে একটা দার্শনিক ডাইলেমা তৈরী করে দিয়েছেন। আর ঠিক তখনই সেই বিখ্যাত উক্তিটি করা মাইক্রোওয়ার্ল্ডে ম্যাক্রোওয়ার্ল্ডের নিয়ম কানুন কাজ করে না।

এখন আমরা যদি মেটাফিজিক্সের আলোকে বর্তমান পদার্থবিজ্ঞানের মিল খুজতে যাই তাহলে সেটা অনেকটা বোকামী হবে। কারন মেটাফিজিক্সের বিভাগসমূহের কিছু মৌলিক প্রশ্নই এই মিল খুজবার পথে প্রধান অন্তরায়।

১) অন্তলজির পদার্থবিজ্ঞানের যে দর্শন গত পার্থক্য সেটা হল অন্তলজি বস্তু সম্পর্কে জ্ঞান আর তার প্রকৃতি সম্পর্কে জেনেই খালাস। কিন্তু পদার্থবিজ্ঞান সেই জ্ঞানের কার্যকারন, ব্যুৎপত্তি এবং তার প্রভাবটা কি তার ব্যাখ্যা করা। আরো যেটা বিশাল পার্থক্য সেটা হলো অন্তলজি শুধু উপসংহার নিয়ে কাজ করে যাবে কিন্তু উপসংহারটা তৈরী করে দেবে পদার্থবিজ্ঞান।


২) এপিস্টোমোলজীর সাথে পদার্থবিজ্ঞানের যে দর্শন গত ঘটনা বিদ্যমান সেটা হলো এপিস্টোমোলজী আপনাকে একটা জ্ঞান আহরনের যে প্রক্রিয়া সেটাকে সে সংজ্ঞায়িত করবে। সেক্ষেত্রে বলা যায় যেহেতু সে জ্ঞান প্রক্রিয়ার সকল কিছুই সংজ্ঞায়িত করছে সেহেতু এই এপিস্টেমোলজি আপনার জ্ঞানবিদ্যার সকল শাখাতেই অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু আপনি খুব সরাসরি বলতে পারেন না পদার্থবিজ্ঞানটাই এপিস্টোমোলজী। সাধারন এনালজী এরকম আপনি আপনার পিতা মাতার ঔরসে জন্ম নিয়েছেন এবং সকল কিছুর সৃষ্টিকর্তা ঈশ্বর হলে ঈশ্বর আপনার বাবা বা মা নন। এটা ভুল। এটাই হচ্ছে মূল ডায়লেমা।

এখন যদি মেটাফিজিক্সের সূত্রে আসি আমাদের আজকের যে থিওরেটিক্যাল ফিজিক্স এটাকে কতটা সরাসরি এই মেটাফিজিক্সের মধ্যে পড়ে সেটা নিয়ে কথা বলতে গেলে দর্শনের মূল সমূহ যখন কোয়ান্টাম ফিজিক্সে একেবারেই অকার্যকর সেহেতু বলা যায় এটার সাথে মিল খোজাটাও হাস্যকর। এখন মেটাফিজিক্স ফিজিক্সের ওপর কিছুটা নির্ভরশীলতা থাকলেও মোটাদাগে ফিজিক্সের নির্ভরশীলতা মেটাফিজিক্সের ওপর নেই। ফিজিক্স এখন পুরোপুরিই গানিতিম মডেলগুলার উপরই নির্ভরশীল যার সবচেয়ে বড় প্রমান স্ট্যান্ডার্ড মডেল এবং তার এক্সটেনশন সমূহ।

সূত্র:

১) স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির জ্ঞানের রূপ সমূহ এপিস্টেমোলজির ওপর ভিত্তির করে।
২) কোয়ান্টাম ফিজিক্সের তত্ব সমুহের সত্যতাকে কিভাবে এপিস্টেেমোলজি তাদের ব্যাখ্যায় টেনে তুলে এনেছেন তার একটা শিশুতোষ প্রচেষ্টা।
৩) দুটো বস্তু একই সময়ে একই পয়েন্টে থাকতে পারে কিনা তার একটা অধিবিদ্যাগত চিন্তা ভাবনা এবং পুরোপুরি তা পদার্থবিজ্ঞানের কনসেপ্টে কতটা অবাস্তব সে বিষয়ে একটা জার্নাল।


** এখানে ইমানুয়েল কান্ট বা জজ গ্যামো, প্লেটো বা বার্ট্রান্ড রাসেলের কনসেপ্টগুলো নিয়ে বিষদ আলোচনা করা হয় নি কারন তারা কোয়ান্টাম ফিজিক্স নিয়ে খুব বিষদ আলোচনা করতে অক্ষম ছিলেন। তবে কমেন্টে আলোচনা করা যেতে পারে আমার ফেসবুকে বা ব্লগে।

মন্তব্য ৫৪ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৫৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৫৪

বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায় বলেছেন:
হাজিরা দিয়া গেলাম।

পড়ে ভাল করে বুঝি নিয়ে আবার আসতেছি। :)

২৩ শে জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৪৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: অক্কা ফ্রান্স

২| ২৩ শে জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:০৪

মহসিন ৩১ বলেছেন: ----------এবং আশা করা যায় আজ হতে ৪.৫ মিলিয়ন বছর পর যখন পৃথিবী পুরোপুরি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে তখন মানবজাতী তার নিজের অস্তিত্বকে বাচিয়ে রাখার টেনশন আর করতে হবে না।--------
..................................................................................................................................................................
---------তবে পার্থক্যটা হলো এটা প্রকৃতির অন্তর্গত বস্তুসমুহের ভর এবং ক্ষেত্র ও স্হান কাল মাত্রায় পরিক্রমন পথের গতি নির্দেশ করে।-----------

২৩ শে জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: জ্ঞানী কথা

৩| ২৩ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:০১

বিজন রয় বলেছেন: মন দিয়ে পড়তে হবে। এসব বিষয় অবহেলা করা যায় না।

২৩ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:১৫

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: মূল্যবান যুক্তি

৪| ২৩ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:১৯

জেন রসি বলেছেন: জ্ঞানের ব্যাপারে মানুষ আগেও সীমাবদ্ধ ছিল। এখনো সীমাবদ্ধ আছে। এই সীমারেখা টানতে না পারার কারনেই আসলে সমস্যার কিংবা কিছু সংশয় দেখা দিয়েছে। এক সময় দার্শনিকরা জগতকে বোঝার চেষ্টা করত। কিন্তু তারা তাদের ইতিহাস থেকে পাওয়া জ্ঞান এবং পর্যবেক্ষন দিয়ে খুব বেশীদূর যেতে পারতনা। শুধু কিছু ভালো মন্দের একটা কনসেপশন কিংবা মডেল দাঁড়া করাইতে পারত। তৎকালীন সমাজের সাথে সম্পর্কিত কিছু কমন প্যারামিটার থাকত। তবে আসল প্রশ্নের উত্তর তারা খুঁজে পেতনা। তখনই কল্পনার মাধ্যমে একটা মডেল দাঁড়া করানোর চেষ্টা করা হইত। অর্থাৎ সব মেটাফিজিক্সের মধ্যে একটা ব্যাপার কমন। সেটা হচ্ছে একধরনের কাল্পনিক সত্য আরোপ করে দেওয়ার প্রচেষ্টা। বিজ্ঞানের প্রসারের সাথে সাথে দার্শনিকদের এই কাল্পনিক ব্যাখ্যাগুলো বাতিল হতে থাকে। তবে সব দার্শনিকই আরেকটা ব্যাপার নিয়েও কাজ করেছে। সেটা হচ্ছে মানুষের মোরালিটির একটা মানদন্ড তৈরি করা। অর্থাৎ একটা মানদন্ড ব্যবহার করে সমাজ এবং মানুষের জন্য ভালো খারাপ নির্ধারন করে দেওয়া। এই ব্যাপারটা আবার সমাজবিজ্ঞান এবং মনোবিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত মনে হয়।

তাই ফিজিক্স আর মেটাফিজিক্সের কমপেয়ার করলে বলতে হবে ফিজিক্স মেটাফিজিক্স থেকে প্রশ্ন করা কিংবা উত্তর খোঁজার ব্যাপারটা নিয়েছে। তবে একই সাথে কাল্পনিক সত্য আরোপের ব্যাপারটা বাতিল করে দিয়েছে।

এখন পর্যন্ত কিছু স্টাডি কইরা আর ব্যক্তিগত পর্যোবেক্ষন থেকে আমার এমনটাই মনে হইছে।

২৩ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:৪৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: সেইদিন গ্রুপের বিশিস্ট গুগল বিজ্ঞানী স্ট্রিং থিওরী, এম থিওরী, ডি ব্রেন এমনকি টেকিওনিক পার্টিক্যালরে পুরা মেটাফিজিক্স বানায় দিলো সে সম্পর্কে আপনার মতামত কি?

৫| ২৩ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:০৮

জেন রসি বলেছেন: সেদিনের আলোচনার ব্যাপারে আমার নিজস্ব ভাবনা বা যুক্তিগুলো খুব সিম্পল। ধর্মীয় মতবাদে যে ইশ্বরের কথা বলে হয়েছে তা হচ্ছে কাল্পনিক সমাধান। মেটাফিজিক্সের এই বৈশিষ্ট্য ফিজিক্স অনুসরন করেনা। আপনি যে থিয়োরীগুলোর কথা বললেন তা দিয়েও কিন্তু থিয়োরী অব এভরিথিং প্রমানিত হয়নি। বরং এসব দিয়ে একটা সীমাবদ্ধতার দিকে ইংগিত করা হয়েছে। কিন্তু কোন কাল্পনিক সমাধান দেওয়া হয়নি। তাই এগুলো মেটাফিজিক্স না। কিন্তু যদি ইশ্বর আছেই এমন কোন ধারনা এসব থিয়োরী দিয়ে কেই প্রমান করার চেষ্টা করে তখন থিয়োরীগুলো হবে তার জন্য মেটাফিজিক্সের প্যারামিটার। আমার এমনটাই মনে হয়।

২৩ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:১৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনি যদি ফিজিক্স না পড়েই না জেনেই বলেন ওসব থিওরী দিয়ে থিওরী অব এভ্রিথিং প্রমানিত হয়নি তাহলে মনে হয় আলোচনা না বাড়ানোই ভালো

একটু লেখাপড়া করুন

৬| ২৩ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:৪৯

জেন রসি বলেছেন: আমি যতদূর জানি থিয়োরী অব এভরিথিং বলে কিছু প্রমানিত হয়নি। ধারনা অনুমান আর প্রমান একনা। আমি থিয়োরী অব এভরিথিং বলতে বুঝি এমন কিছু যা সব প্রশ্নের উত্তর এবং ব্যাখ্যা দিতে পারবে। আপনি কি এসব থিয়োরী দিয়ে সব প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেছেন?

আমি অনেক কিছুই জানিনা। তবে জানার এবং বোঝার চেষ্টা করি। এই বিষয়ে আরো পড়ালেখা করতে বলেছেন। এটা ভালো সাজেশন। আমি অবশ্যই পড়ালেখা করব। আলোচনা করতেও আগ্রহী । তবে আপনার মতের সাথে দ্বিমত হলেই যদি অশিক্ষিত মনে করেন তবে আর আলোচনা কেন?

আপনাকে ইদানীং মেন্টালি ডিস্টার্বড মনে হয়। তবে আপনার বিজ্ঞানমনস্ক মেন্টালিটির জন্যই আপনাকে পছন্দ করি। আশা করি ভলো থাকবেন সবসময়। শুভকামনা। :)

২৩ শে জুন, ২০১৬ রাত ১০:১৮

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কথা ভুল দিকে নেয়ার কোনো মানে হয় না। আমি আপনাকে অশিক্ষিত বলি নাই। তবে এটা জানি আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড পিওর সায়েন্সের না। তাই না বুঝার ঘাটতি থাকা অস্বাভাবিক না।

কথা না বাড়িয়ে একটা লিংক দিয়ে গেলাম।আর এই পোস্টে পাবেন কিভাবে থিওরী অব এভ্রিথিং ব্যাপারটা ধারনা পাওয়া গেছে।অনেক কথাই বলা যায়, অনেক কিছুই বলা যায়। একটা সময় এসব পোস্টে নানা ব্যাকগ্রাউন্ডের লোক আলোচনা করতো। তখন মজা হতো। হয়তো সময় পাল্টে গেছে। এই পোস্ট যখন ফেসবুকে শেয়ার করলাম আলোচনার বদলে দেখলাম লোকজন বুলীইং করছে।

তাই ইদানিং একাডেমিক আলোচনার পোস্ট কম দেই।

যাই হোক কিছু প্রশ্ন করি আপনাকে:

১) আইনস্টাইনের স্পেশাল থিওরী অব রিলেটিভিটি আমরা ল্যাবে প্রমান করতে পারিনি চাক্ষুষ। তাহলে এটাকে আপনি কি হিসেবে দেখেন?
২) ব্লাক হোল আমরা চাক্ষুষ তো দূর, এর বাস্তবিক পর্যবেক্ষন এখনও সম্ভব হয় নি। তার মানে এটাও প্রমানিত নয়। এটাকে কি বলে দেখেন?
৩) ইলেক্ট্রন একটা কনিকা, এটা আমরা গানিতিক ভাবে এবং কিছু পরীক্ষার ডাটা দিয়ে বুঝতে পারি, সরাসরি আমরা আসলেই জানি না। তার মানে এটাও প্রমানিত নয় যে ইলেক্ট্রন একটা কনিকা। এটা সম্পর্কে আপনার রায় কি?
৪) ডার্ক এনার্জী, ডার্ক ম্যাটার সম্পর্কে আপনার মতামত কি? আমরা এটার ধারনা কিভাবে পেয়েছি?
৫) হিগস কনার পরিচয় আমরা কিভাবে পেয়েছি এবং কত সালে পেয়েছি?
আপাতত আপনারা যারা তত্বীয় পদার্থবিজ্ঞানের সাথে মেটাফিজিক্স মিলিয়ে ফেলছেন বা সন্দেহ প্রকাশ করেন তাদের জন্য এই প্রশ্ন গুলো দিয়ে রাখলাম।

ব্যাক্তিগত ভাবে যারা সরাসরি আলোচনায় না গিয়ে পেচান তখন আমি মেন্টালি ডিস্টার্বড হই। আমি সরাসরি উত্তর এবং সঠিক কনসেপ্ট পছন্দ করি। যদি কারো না জানা থাকে সে যদি বলি তার ধারনা নেই, তাহলেই ল্যাঠা চুকে যায়। কিন্তু সেটা ঢাকবার জন্য এসব কনসেপচুয়াল পোস্টে এসে হাকাও কথা বলে, আপনি আমার জায়গায় হলে কি করবেন?

৭| ২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ১২:৪৩

মহা সমন্বয় বলেছেন: চমৎকার পোস্ট।
অনেক কিছু জানা হল
ভাল লাগল। :)

২৪ শে জুন, ২০১৬ ভোর ৬:৪৮

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তাই নাকি?

৮| ২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ২:০৩

গেম চেঞ্জার বলেছেন: মেটাফিজিক্স এর নামকরণের কারণে এটাকে চিরায়ত পদার্থবিজ্ঞানের অংশ বলে ধরে ফেলে অনেকে। অথচ এটা মৌলিক কিছু অরিজিন/ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করে।

দর্শন ও বিজ্ঞানের সূচনা এক হলেও পথ আলাদা। দর্শন অবস্তু নিয়ে আলোচনা করতে পারলেও বিজ্ঞান তা করতে পারে না কারণ গাণিতিক ভিত্তি হলো বিজ্ঞানের অবলম্বন।

এখন আপনি যদি আগে থেকে মনে প্রাণে বিশ্বাস করে বসে থাকেন, স্রষ্টা আছেন, এটা আমাকে প্রোভ করতেই হবে। সেক্ষেত্রে আপনি মুক্তভাবে চিন্তা করতে পারেন না। এটা আপনার জ্ঞানচর্চার সাফল্যের পথে বিরাট বাঁধা বলেই বিবেচিত হবে।

যাইহোক, অন্যের মত/ভাবনা/দর্শনকে যদি ছোট করে নিজের ভাবনা অভিজাত/ভাল মনে করেন তাহলে সেটা নিতান্তই অপ্রত্যাশিত অমার্জনীয় ব্যাপার। অন্যকে মুল্যায়ণ করতে না জানলে নিজের দৈন্যতাই পরিস্কার প্রকাশ পায়, নিজেকেই ছোট হতে হয় অবচেতনভাবেই।

২৪ শে জুন, ২০১৬ ভোর ৬:৫৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এখন আপনি যদি আগে থেকে মনে প্রাণে বিশ্বাস করে বসে থাকেন, স্রষ্টা আছেন, এটা আমাকে প্রোভ করতেই হবে। সেক্ষেত্রে আপনি মুক্তভাবে চিন্তা করতে পারেন না। এটা আপনার জ্ঞানচর্চার সাফল্যের পথে বিরাট বাঁধা বলেই বিবেচিত হবে।

আমার পোস্টের মূল বক্তব্য হলো মেটাফিজিক্স আর আধুনা তত্বীয় পদার্থবিজ্ঞান এক কিনা এবং কেন এক নয় সেটা নিয়ে। এখানে ঈশ্বরের থাকা না থাকা বিষয়টি কেন আসলো ঠিক বোধগম্য নয়। হতে পারে এই মিসকনসেপশনের সূতপাত ঈশ্বর সম্পর্কিত একটা পোস্ট থেকেই। কিন্তু আপনি বলেন কেউ যদি একটা ব্যাপারে মিসকনসেপশন নিয়ে সেটা নিয়ে আলোচনা কি করা যেতে পারে না?

আপনার আমি যদি কোনো বিষয়ের দর্শন নিয়েই কথা বলতে চাই, তাহলে আপনার কমেন্টের বোল্ড কৃত লাইনের ব্যাপারে এটাও কি বলতে পারি না যে: যদি আপনি ধরেই নেন আমি ঈশ্বর ধারনা প্রতিষ্ঠা করার জন্যই এই পোস্ট লিখেছি এবং আমার ঐশ্বরিক ধারনা ভুল, তাহলে আমি আপনার কাছে কিভাবে আশা করতে পারি আমার আলোচনায় যে ভুল বা মিসকনসেপশন ব্যাপারটাকে তুলে ধরলাম সেটা নিয়ে আপনার নিরপেক্ষ চিন্তা কি! এটা কি আমি করতে পারি না।

যদি মনে নাই করি, তাহলে কি এটা বলবেন যে এসব অধিবিদ্যা বা অন্তলজীর মতো বিষয় প্রতিটা মানুষ কি নিজের মতো ব্যাখ্যা দিয়ে যাবে? তাহলে প্লেটো, কান্ট, সাত্রের দেখানো পথ সমূহ কি ভুল?

যাইহোক, অন্যের মত/ভাবনা/দর্শনকে যদি ছোট করে নিজের ভাবনা অভিজাত/ভাল মনে করেন তাহলে সেটা নিতান্তই অপ্রত্যাশিত অমার্জনীয় ব্যাপার। অন্যকে মুল্যায়ণ করতে না জানলে নিজের দৈন্যতাই পরিস্কার প্রকাশ পায়, নিজেকেই ছোট হতে হয় অবচেতনভাবেই।

আমার লেখাতে যদি তা প্রকাশ পেয়ে থাকে তাহলে সেটার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। কিন্তু তারপরও বলবো এরকম প্রতিষ্ঠিত কোনো বিষয় নিয়ে আমরা যারা নন একাডেমিক, তারা কিভাবে আমাদের চিন্তা ভাবনা চাপিয়ে দিতে পারি?

যেখানে পদার্থবিজ্ঞান নিজের স্বকীয়তা বজায় রাখতে অনেক আগে থেকেই দর্শন বিভাগ থেকে নিজেকে আলাদা করে ফেলেছে সেখানে এই একবিংশ শতাব্দিতে আমরা সেই পুরোনো জিনিস নিয়ে আলোচনা করাই বা কতটা সমীচিন?

৯| ২৪ শে জুন, ২০১৬ দুপুর ১:৪৮

জেন রসি বলেছেন: আপনি যে প্রশ্নগুলো করেছেন সেটা আমারও প্রশ্ন। আপনি নিশ্চিত করে বলতে পারবেন না। অর্থাৎ এখন পর্যন্ত আমাদের জ্ঞান সীমাবদ্ধ। কিন্তু জ্ঞান ব্যাপারটা সীমাহীন কারন জ্ঞানের সীমারেখাও আমরা টানতে পারিনা।

এবার ধরা যাক আমি ছাত্র। আপনি শিক্ষক। আমি কিছুই জানিনা। সহজ সরল মনে আপনাকে কিছু প্রশ্ন করছি।

আমার ব্যাকগ্রাউন্ড সাইন্স না। কলেজ পর্যন্ত ছিল। একাডেমিক পড়ালেখার ব্যাপারে সেই কলেজেই আগ্রহ হারাই। তবে আমি ব্রিফ হিস্টোরি অব টাইম বেশ কয়েকবার পইড়া বোঝার ট্রাই করছি। বিজ্ঞান নিয়ে মিচিও কাকু এবং আরো কয়েকজনের লেখা খুব আগ্রহ নিয়ে পড়ি। এ দেশে এই বিষয়ে আমার প্রিয় লেখক ছিলেন অভিজিত রায়। আর দর্শন কিংবা মেটাফিজিক্স আমার একাডেমিক পড়ার সাথেও যায়। ধর্মগ্রন্থ আর মার্কস হেগেল সার্তে ফুকো সব নিয়েই ঘাটাঘাটি করি। এসব বলছি কারন এইসব পড়তে গিয়ে ইশ্বর সম্পর্কে আমি আমার মত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি। কেন নিয়েছি তার আলোকেই আপনাকে কিছু প্রশ্ন করব।

ধর্মগ্রন্থে যে ইশ্বরের কথা বলা হইছে তা কাল্পনিক সমাধান। এইটা মেটাফিজিক্স। অর্থাৎ বিধানের মাধ্যমে একটা সত্য আরোপ করার চেষ্টা করা হয়েছে। এটা কেমনে বুঝলাম? কারন যেমনে বুঝলাম থর হ্যামার নিয়ে আকাশে ঘুরে বেড়ালে বজ্রপাত হয় এটা মানুষের কল্পনা। এই কল্পনার উপর ভিত্তি কইরাই ইশ্বরকে একটা পরম সত্য হিসাবে ধরা হইছে। একেক ধর্মের একেক টাইপ কনসেপশন। এখন এই ইশ্বরকে বিশ্বাস করার ভিত্তি কি? মেটাফিজিক্স। এইসব মেটাফিজিক্সে বিশ্বাসের মানদন্ড কি? পরম সত্য হিসাবে অন্ধের মত সব মেনে নেওয়া। কারন কল্পনা প্রমান করা যায়না। সেজন্যই সেটা বাস্তব না। সেটা কল্পনা। এখন আমার প্রশ্ন হইলো এই অন্ধের মত মেনে নেওয়া ব্যাপারটা পদার্থ বিজ্ঞান অনুসরন করেনা। আমার এই ধারনা কি ভুল?। ভুল হইলে কেন ভুল ?

আপনি একাডেমিক লাইনের মানুষ। আপনার বিষয় বিজ্ঞান। আপনি খুব ভালো করেই জানেন বিজ্ঞানে পরম সত্য বলে কিছু নাই। যা কিছুর উত্তর পাওয়া গেছে তার চাইতে উত্তর পাওয়া যায় নাই এমন কিছুর সংখ্যাই বেশী। এখন পর্যন্ত মাত্রার সংখ্যা জানা যায়নাই। টাইম স্পেস ব্যাপারটা নিয়েও অনেক সংশয় আছে। বিগ ব্যং এর আগে কি হইছে তাও জানিনা। ব্রিফ হিস্টোরি অব টাইমে পড়েছি থিয়োরী অব এভরিথিং পদার্থের সব সূত্রের ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম হবে। আপনার করা প্রশ্নগুলোই প্রমান করে থিয়োরী অব এভরিথিং বলে কিছু প্রমানিত হয়নি। যেটা হয়েছে তা হচ্ছে একটা ধারনা পাওয়া গেছে। আপনি কি বলতে পারবেন বিজ্ঞান আগামী একশ বছর পর কই গিয়ে দাঁড়াবে। অনুমান কইরা কিছু হয়তো বলতে পারবেন। মানে আমি বুঝাতে চাচ্ছি যতক্ষন পর্যন্ত কিছু প্রমানিত না ততক্ষন পর্যন্ত তা ধারনা বা অনুমান। আবার প্রমানিত হইলে সেটাও পরে ভুল প্রমানিত হইতে পারে। অর্থাৎ সত্য সবসময় আপেক্ষিক। কারন আমরা জ্ঞানের সীমারেখা টানতে পারছিনা। থিয়োরী অব এভরিথিং সে সীমারেখা টেনে দিবে। অর্থাৎ অজানা প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবে। এমনটাই আমি মনে করি। আমার এই মনে করায় কি কোন সমস্যা আছে? যদি না থাকে তাহলে যে বললাম স্ট্রিং থিয়োরী এখনো থিয়োরী অব এভরিথিং বলে প্রমানিত হয়নি তা ভুল কোথায়?আপনার লিংক গুলোতেও তাই আছে। এখন আপনি বলেন সেটাকে এখনই ইশ্বর বলে প্রমান করা ফিজিক্স না মেটাফিজিক্স?


২৪ শে জুন, ২০১৬ দুপুর ২:৩২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনার পুরো কমেন্টের সারমর্ম একটা অনুধাবনমূলক প্রশ্নে বন্দি করছি:

এই পোস্টের লক্ষ্য বা বিষয়বস্তু কি ঈশ্বরের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে?

১০| ২৪ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৩:৩৪

জেন রসি বলেছেন: না। আমার দুটো প্রশ্নের ভিত্তি হচ্ছে ৪ এবং ৫ নং কমেন্টে আপনার রিপ্লাইকে কেন্দ্র করে। স্ট্রিং থিয়োরীকে আমি মেটাফিজিক্স বলনি।
বলেছি কেউ যদি সেটাকে একটা পরম সত্য বলে অথবা ইশ্বর আছে এটার প্রমান হিসাবে অথবা এটাই প্রমানিত থিয়োরী অব এভরিথিং বলার চেষ্টা করে তবে সেটা তার জন্য মেটাফিজিক্স হবে।

আমি কিন্তু মেটাফিজিক্স এবং ফিজিক্স নিয়েই আলোচনা করছি।

২৪ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:৩৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ফার্স্ট অব অল, আবারও ঈশ্বর কেন? ঈশ্বরের নাম গন্ধ এই পোস্টে নাই। ঈশ্বরের কনসেপ্ট দর্শনশাস্ত্রের সাথে গেলেও বিজ্ঞানের কোনো মেথোডোলজি ফ্রেমওয়ার্কেই যায় না। তার ওপর পোস্ট টা হলো আধুনিক তত্বীয় পদার্থবিজ্ঞান মেটাফিজিক্স কিনা!

এই ইস্যুতে আমিই প্রথম নই যে কথা বলেছি। আপনি ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম পড়েছেন। সেই একই লেখকের পরবর্তী বই দ্য গ্রান্ড ডিজাইন পড়েননি। পড়লে জানতে পারতেন দর্শন তো অনেক পড়ে মেটাফিজিক্স বা তার যেকোনো শাখাই যে আধুনা পদার্থবিজ্ঞানীদের কাছে অর্থহীন সেটা তিনি খুব ভালো ভাবেই বলেছেন। খুব অল্প সংখ্যক বিজ্ঞানী যারা মূলত তত্বীয় পদার্থবিজ্ঞানের চেয়ে প্রায়োগিক দিকে মনোনিবেশ করেন তখন তারা দর্শনের কিছু বিভাগের দ্বারস্থ হন তবে সেটা পুরোপুরিই অন্য কারন।

আমি আবারও বলছি ঈশ্বর আপনি উদাহরন টানতে পারেন কিন্তু এটাকে পয়েন্ট ধরতে পারেন না এই পোস্টের পরিপ্রেক্ষিতে কারন এর সবচেয়ে বড় বাধা প্রচলিত সায়েন্টিফিক ম্যাথোডলজী বা যেকোনো ফ্রেমওয়ার্কে ঈশ্বর বা তদ সংশ্লিষ্ট মডেল যায় না।

আমার ৫ নম্বর রিপ্লাইয়ের প্রধান উদ্দেশ্য কি ছিলো তদসংলগ্ন প্রশ্ন গুলো করেছিলাম ৬ নম্বর কমেন্টের রিপ্লাইয়ে। তার আগে একটা কথা বলি, এই একটা জিনিস আস্তিক বা কাঠমোল্লারাও বলে যা মূলত হাস্যকর যে আজকের বিজ্ঞান কখনোই ধ্রুব না। এই তর্কটা বাংলার ওয়েবস্ফিয়ারে প্রায় ৩ বছর পুরোনো ইস্যু। তখন শাহবাগে যারা নাস্তিক এক্টিভিস্ট ছিলেন তাদেরকে নিয়ে ইস্যু এবং আক্রমন করার লক্ষ্যেই এই শিশুসুলভ প্রশ্ন করা হতো এবং এর উত্তর পাড় নাস্তিক এমনকি আপনার অভিজিৎ রা খুব ভালোভাবেই দিয়ে গেছেন। এখন আপনি সেই মুক্তমনা হয়ে যখন আমাকে সেই কথাটা বলেন তখন আসলে কি বলবো ভাষা খুজে পাচ্ছি না। যাই হোক, আমি জানি আপনি প্রচুর পড়ালেখা করেন, এবং আশা করি এর উত্তরটা আপনি নিজেই খুজে নেবেন।

তবে আমি আপনাকে একটা কথা বলি ইলেক্ট্রন আবিস্কার হবার ব হু আগেই ইলিক্ট্রিসিটি আবিস্কার হইছিলো। এই ইলেক্ট্রন নামটা কয়েন আউট যিনি করেন তিনি কিন্তু তার সকল এক্সপেরিমেন্ট এবং বৈজ্ঞানিক কনসেপ্ট থেকে এটা কনিকার নাম করে বলেন এটার নাম ইলেক্ট্রনই হবে। এমনকি এখন যে ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপ তৈরী হয়েছে এটা স্রেফ একটা স্পেকটোমিটার যেখানে দেখা হয় এর প্রবাহের স্পেকট্রাম। এই প্রবাহের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য পরিমাপ করে গানিতিক ভাবে জানতে পেরেছি যে এটা একটা কনিকা। এখন আপনি যদি বিশ্বাস করেন যে আজ হতে ১০০-২০০ বছর পর ইলেক্ট্রন বলতে কিছু নেই এটা প্রমানিত হবে তাহলে বলতে হবে বিজ্ঞানে কিছু জিনিস ধ্রুব হিসেবে ধরে নিয়েই আগায়। আজ হতে ২৫০০ বছর আগের কনা তত্ব কিন্তু এখনো কেউ ভুল প্রমান করেনি। বা নিউট্রনের গ্রাভিটির সুত্র বা তিনটি ল। এগুলো প্রতিষ্ঠিত। আপনাকে যদি বিজ্ঞান চর্চা করতেই হয় তাহলে এসব ধ্রুব সত্য মেনে নিয়েই এগুতে হবে। সত্য কথা বলতে আপনি ঈশ্বরকে অস্বীকার করার বিলাসিতা করতে পারেন কিন্তু এসব মৌলিক তত্ব আপনি ইগনোর করার ঔদ্ধত্য নেই।

এখন আপনি বলতে পারেন স্ট্রিং থিওরী বা থিওরী অব এভ্রিথিং এগুলো কি প্রতিষ্ঠিত? না, এগুলো প্রতিষ্ঠিত সত্য না। তবে এগুলো হচ্ছে আপনার লক্ষ্য যদি আপনি গবেষনাকে পেশা হিসেবে ধরে নিতে চান। আমি জানি অনেক দার্শনিক কোয়ান্টাম ফিজিক্সই স্বীকার করে না কারন দর্শন এখানেই থেমে গেছে, কিন্তু আপনি যখন ইন্টেলের ৭ম জেনারেশনের মাইক্রোচীপের প্রসেসর কেনে সেখানে বেস সাবস্ট্রেটে যাতে সুপারকন্ডাক্টিং হয়ে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য অর্জন করতে পারে সেটাই কাজে লগাচ্ছে। তার মানে আপনি যখন কোনো হাইপোকে সরাসরি ম্যাস লেভেলে কাজে লাগিয়ে নিজের কার্যসিদ্ধি করছেন সেখানে ওটা আর হাইপো থাকে না, তত্বে পরিনত হয়। সুত্র বা ল পরিনত হতে তাকে আরো স হস্র লক্ষবার ঝালাই করে, কাজে লাগিয়ে তারপর সেটাকে ল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয় যাতে এটা টিকে থাকে শুধু ১০০-২০০ বছর না, যতদিন আমরা বেচে আছি ততদিন।

আর থিওরী অব এভ্রিথিং সোজা কথা কম্প্যাক্টিফিকেশনের ফিলোসফিই ছিলো যেহেতু আপনি একজন রক্তমাংসের মানুষ এবং আপনার ভেতর থাকা অগনিত অনু পরমানু আছে এবং এই অনুপরমানুর ভেতর মৌলিক ৪ বা ৫ বল তার সাথে টেকিওনিক কনডেন্সড পাট্রিক্যালের স্ট্যাবল ও পরবর্তী রূপ সাথে আরও জানা অজানা পার্টিক্যাল সমূহ, শুধু এই কারনেই এবং শুধুমাত্র এই কারনেই হিসাবটা মেলানো দরকার।

এটা এমন না যে এই বিগব্যাং হলে কি হবে? এটা এমন যা বিগ ব্যাং এর ফলে যে মহাবিশ্বের সৃষ্টি তাহলে বিগ ব্যাংটাই কিভাবে হয়েছিলো এবং এর মানেই বা কি? থিওরী অব এভ্রিথিং ছিলো আইন্সটাইনের শেষ জীবনের লক্ষ্য ঠিক এ কারনেই এবং এটা মীমাংসা করার জন্য শেষ জীবনে তিনি কালুজা ক্লেইনের গবেষনা পত্রের শরনাপন্ন হয়েছিলান। আর এই যে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের আজ যতটুককু গ্রহনযোগ্য বা ভরের পেছনে হিগস ফিল্ড দায়ী এটা কিন্তু এই স্ট্রিং থিওরী বা থিওরী অব এভ্রিথিং যেভাবে নীর্নিত হয়েছে ঠিক সেভাবেই এসেছে। তার মানে দেখেছেন এটা এপিস্টেেমোলজির নলেজ অব ডিসক্রিপশনে পড়ে গেছে। আশ্চর্য্য না? এবং এখানেই হলো ফ্লুক! যারা প্রোথিতযশা দার্শনিক তাদের অনেকেই বলতেন যে পদার্থবিজ্ঞান আসল দর্শনেরই অংশ। কিন্তু এই ইস্যু অনেক আগেই সলভড। স্টিফেন হকিং তার গ্রান্ড ডিজাই বইটা লিখে এই কফিনের শেষ পেরেকটা মেরে দিয়েছেন, যদিও তিনি ঈশ্বরের অপ্রয়োজনীয়তার কথাটাই উল্লেখ করেছেন।

আশা করি আপনি আপনার উত্তর পেয়েছেন!

২৪ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:৪১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: একটু ভাষাগত সংশোধনী:

***এই প্রবাহের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য পরিমাপ করে গানিতিক ভাবে জানতে পেরেছি যে এটা একটা কনিকা।

শুদ্ধ হবে: এই প্রবাহের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য পরিমাপ করে গানিতিক ভাবে জানতে পারি যে এটা একটা কনিকার ন্যায় আচরন করে।

১১| ২৪ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:০৫

দরবেশমুসাফির বলেছেন: মেটাফিজিক আমার ভালই লাগে। তবে আধুনিক যৌক্তিক দৃস্টবাদী দার্শনিক শ্রেনী মেটাফিজিক্সকে তো দর্শন থেকেই বাদ দিয়ে দিয়েছেন।তাদের মতে ওটা কল্পকাহিনি আলোচনার মত। তারা সাফল্যের সংঙ্গে দেখিয়েছেন যে মেটাফিজিক্স এর আলোচ্য সংশ্লেষ্য বা বিশ্লেষ্য কোন বচনের মধ্যেই পড়ে না।তাই মেটাফিজিক্স ভালোবাসলেও এটা নিয়ে সমস্যায় আছি।

যৌক্তিক দৃস্টবাদী দার্শনিক শ্রেনী যে ধারনা দিয়েছেন সেখানে আমার মতে বচনের বিভক্তিই প্রধান দুর্বলতা।তারা যেভাবে বচনকে ভাগ করেছেন তাতে কোন একটা সমস্যা আছে।মেটাফিজিক্সকে বাঁচাতে হলে ঐ সমস্যা খুঁজে বের করতে হবে।

যৌক্তিক দৃস্টবাদীদের নির্মম আঘাতে মেটাফিজিক্স কিন্তু অলরেডি মৃতপ্রায়।

২৪ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:৩৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমি এটা জানতাম না যে মেটাফিজিক্স খোদ দর্শনের কাছেই অপাংক্তেয়! খুবই সুন্দর একটা পয়েন্ট উল্লেখ করেছেন। কিন্তু অধিবিদ্যাবাদীরা বর্তমান কম্পিউটার সায়েন্স তথা তথ্যপ্রযুক্তিকে তাদের অংশ বলে মনে করেন এবং এর নাম দিয়েছেন অধিবিদ্যা প্রকৌশল। যদিও এই ব্যাপারে আমার ডিটেইলে পড়া হয় নি।

আশা করি আরো আলোচনা হোক এ বিষয়ে।

তবে একটা কথাই বলে রাখি, ঈশ্বর থাকা না থাকা এই পোস্টের কোনো উদ্দেশ্য বা বিধেয় নয়!

১২| ২৪ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৫:৩৪

জেন রসি বলেছেন: আপনি মনে হয় আমার কথা বুঝতে পারেন নাই। ইশ্বর থাকা না থাকা এই পোস্টের মূল উদ্দেশ্য না। এই পোস্টটা ছিল মেটাফিজিক্স এবং ফিজিক্সের পার্থক্য নিয়ে। পার্থক্যটা কি সেটা আমি প্রথম কমেন্টেই বলেছি। একটার মূল ভিত্তি হচ্ছে কাল্পনিক সত্য আরোপ করা। আরেকটার হচ্ছে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালানো। মেটাফিজিক্স এখন কবি আর ধর্মীয় প্রচারকদের চর্চার বিষয়। মূল ধারার বস্তুবাদী দর্শনেও তা বাতিল।

এখন প্রশ্ন হইলো আমি ইশ্বরকে কেন আনলাম। দুইটা কারনে এনেছি। প্রথমত আপনি ফেবুতে চলা বিতর্কে আমার মতামত জানতে চাইছিলেন। সেই বিতর্কটা ইশ্বরকে কেন্দ্র করে স্ট্রিং থিয়োরী তারপর ফিজিক্স এবং মেটাফিজিক্সে এসে দাঁড়ায়। তাই আমি এই ইশ্বরকে দিয়েই একটা উদাহরন দেই। দুইবার বলেছি। আবারো বলছি। স্ট্রিং থিয়োরী মেটাফিজিক্স না। কিন্তু কেউ যদি স্ট্রিং থিয়োরী দিয়ে ইশ্বরের অস্তিত্ব প্রমান করার চেষ্টা করে তবে সেটা তার জন্য ফিজিক্স না। মেটাফিজিক্স। পার্থক্য বুঝানোর জন্যই এই উদাহরনটা দিয়েছি।

কাঠ মোল্লারা একটা মেটাফিজিক্যাল কনসেপ্টকে পরম সত্য ধরে নিয়েই বলেছে যে বিজ্ঞানের কোন সত্য পরম সত্যনা। তারা নিজেরাই নিজেদের অজান্তে তাদের বিশ্বাসকে প্রশ্নবিদ্ধ করে ফেলেছিল। সেই ব্যাপারটাই তাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাইয়া দেওয়া হইছিল। এটার সাথে আমার বলা জ্ঞানের সীমারেখা টানতে না পারার ব্যাপারটা কোন ভাবেই মিলেনা।

বরং জাকির নায়েক টাইপ লোকজন কেমনে ফিজিক্সকে সুকৌশলে মেটাফিজিক্স বানাইয়া মানুষকে বিভ্রান্ত করে এটা নিয়াও আলোচনা করতে পারেন। কারন ব্যাপারটা প্রাসঙ্গিক।




২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:৪৬

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: প্রথমত আপনি ফেবুতে চলা বিতর্কে আমার মতামত জানতে চাইছিলেন।

আমার মনে হয় ওটা ফেসবুকে করলেই ভালো হয়। কারন ফেসবুকে যেসব বলা হইছে সেগুলো ওখানেই কপি পেস্ট করা যেতে পারে। এখন ব্লগটা লেখা হয় বিভিন্ন আইডিয়া থেকে। এই লেখা ফেসবুকে দিতে পারতাম কিন্তু এরকম কোর লেখা ফেসবুকে দিলে তার আলোচনার ব্যাপ্তি প্রসারিত হয় না। ব্লগে এখনও অনেকে আছেন যারা এসব বিষয়ে বলতে ও জানাতে আগ্রহী। কারো যদি সেই অপশন না থাকে তাহলে সে যাতে ফেসবুকে চালাতে পারেন সেজন্যই শেয়ার করা। এজন্যই আমি একটা ফাইন লাইন টেনেছি যেটা পোস্টেও বলেছি।

কিন্তু কেউ যদি স্ট্রিং থিয়োরী দিয়ে ইশ্বরের অস্তিত্ব প্রমান করার চেষ্টা করে তবে সেটা তার জন্য ফিজিক্স না। মেটাফিজিক্স। পার্থক্য বুঝানোর জন্যই এই উদাহরনটা দিয়েছি।

এখানে কেউ স্ট্রিং থিওরী দিয়ে ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমানের চেষ্টা করছে না। আমি ফেসবুকেও করিনি। ওটা প্রসঙ্গত আসছে। আপনি যদি থিওরী অব এভ্রিথিং (এটাকে একটা আল্টিমেট গোল ধরে রাখেন, যাই আবিস্কার করেন এটাই একটা আল্টিমেট গোল হতে হবে, এটা আপনি নিশ্চিত থাকেন যতটা সবাই নিশ্চিত ছিলো হিগসীর ব্যাপারে ভর নিয়ে)। আপনি ইচ্ছা করলে কোয়ান্টাম গ্রাভিটি লুপ বা ইলেক্ট্রিক ইউনিভার্স বা সাদামাটা মেমব্রেন তত্ব বা সুপার সিমেট্রি দিয়েও কথা বলতে পারেন কিন্তু আল্টিমেট আলোচনা ঐ স্বতঃস্ফূর্ততার জন্য যাবে। আপনাকে ঈশ্বর সম্বন্ধিয় যে ডাইলেমা আছে সেটা বোঝার জন্য দ্য গ্রান্ড ডিজাইন বইটা পড়তে অনুরোধ জানালাম যদিও সেটা আপনার এন্টি ফিলোসফি। আর ঈশ্বর নিয়ে ব্লগ লেখার শিশুতোষ এবং ক্যাচাল সৃস্টি কারী মানসিকতা আমার নাই কারন এসব হ্যান্ডেল করার মতো লোকের বেশ অভাব এখানে এখন।

বরং জাকির নায়েক টাইপ লোকজন কেমনে ফিজিক্সকে সুকৌশলে মেটাফিজিক্স বানাইয়া মানুষকে বিভ্রান্ত করে এটা নিয়াও আলোচনা করতে পারেন। কারন ব্যাপারটা প্রাসঙ্গিক।

আপনি হয়তো খেয়াল করেননি এটা নিয়ে আমি ব হু আগেই লেখালেখি শুরু করেছি এবং সেটা আমার রাস্তায়। যেহেতু আমি আস্তিক আর মুসলমান সেহেতু আমি আমার রাস্তা ঠিক রেখেই সেটা নিয়ে আলোচনা করবো এবং ভবিষ্যতে এগুলো নিয়ে আরো বড় পরিসরে আমার কাজ করার ইচ্ছা আছে।

একটা কথা আপনারা বলেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করলে মুক্তমনা হওয়া যায় না। কথাটা শুনে হাসি পেলো কারন আমি ক্লাস এইটে থাকতেই এসব ডিরাইভেশন করা শুরু করেছিলাম কারন ক্যালকুলাস ত্রিকোনোমিতি আমাদের ক্লাসের ৮ এর পাঠ্যসূচী থাকলেও আমি এটা শেষ করি ক্লাস ৭ এ। ক্লাশ ৯ এবং ১০ এ আমি প্রচন্ড নাস্তিকই ছিলাম। আপনারা যারা দর্শন আকড়ে ধরে নাস্তিকতাকে পাথেয় করেছেন তখন আমি পাথেয় করেছিলাম পদার্থ বিজ্ঞানের যাবতীয় কজালিটি আর ফান্ডামেন্টাল ফোর্স আর কোয়ান্টাম ফিজিক্স নিয়ে। তখন আমি তারাপদ স্যারের কাছে পড়তে যেতাম। উনি আমাদের দু জনকে গাইড করতেন কোয়ানটাম ফিজিক্সের কোন কোন থিওরী দেখতে হবে এই যে এতসব এসিম্যাট্রি এগুলো নিয়ে। এমনকি বিভিন্ন পার্টিক্যালের ডিকে চ্যানেল যেগুলো ফাইনম্যানের ডায়াগ্রাম দিয়ে বেশ ভালোভাবেই ব্যাখ্যা করা হইছে তারপরো এতটা অপ্রতিসাম্য কেন হইছে সেগুলোর উত্তর খুজতে সময় যেতো। দর্শন নিয়ে কথা বলে যতদূর বুঝেছিলাম কিছু অরিপক্ক মানুষের নেশাতুর ভাবনা দিয়ে ঈশ্বরের মোকাবেলা বাতুলতা মাত্র কারন এসব ভাবনা শুধু মাত্র পৌনঃপুনিকতার জন্ম দেয়। আপনারা সবকিছু খন্ডাতে পারবেন কিন্তু ভাবার পৌনঃপুনিকতা ঠেকাতে অক্ষম।

ইন্টারে এসে আমি আবার আল্লাহর রাস্তায় ফিরে আসি কারন ৫০-৫০ ব্যাপার নিয়ে রিস্ক নেই নি।

হ্যাপী ব্লগিং

১৩| ২৪ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৫:৩৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



মানুষ খুব সামান্য সময় পায় জ্ঞানচর্চা করার জন্য, এবং এতে সামান্য সংখ্যক মানুষ নিয়োজিত; মানুষ এটা বুঝেছে যে, আমরা যেভাবে আমাদের গ্রহ ও মহাবিশ্বকে বুঝেছি সেটা লজিকয়ালী সঠিক।

২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:৫০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: মানুষ যে সবকিছু বুঝতে পারে, বা তার পক্ষে এটা বোঝঅ যে অসম্ভব সেটাও সে জানে। আর তাই তো সার্ন বলতে বোঝায় আপনার বাসার পাশে থাকা পদার্থবিজ্ঞানে পড়া অনার্সের ছাত্রটিকেও। এখন আপনি যদি বাংলাদেশ বা বোগোটার মতো প্রত্যন্ত জায়গায় থাকেন সেটা কোনো বিষয় নয়।

আর সম্ভব নয় বলে মানুষ কিন্তু বসেও নেই। ৯০ এর দশকে মানুষ তো বলেই ফেলতো এইডসের কারনেই মানবজাতী ধ্বংস হবে, অথচ আমেরিকার এফডিএ আগামী বৎসর এইডসের ভ্যাক্সিনের ছাড়পত্র দিচ্ছে।

এটাই বিজ্ঞান এবং ঠিক এ কারনেই মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব

১৪| ২৪ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৫

আব্দুল্লাহ্ আল আসিফ বলেছেন: পোস্টের চেয়ে কমেন্টেই বেশি তথ্য :)

২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:৫২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমি পোস্ট গুলো এখন এভাবেই দিচ্ছি যাতে করে মানুষ আলোচনায় অংশগ্রহন করতে পারে। আপনি শুধু পড়েই গেলেন, ৩০ মিনিট পর ভুলে যাবেন আপনি কি পড়েছেন। কিন্তু আপনি যদি আলোচনায় অংশগ্রহন করেন বিষয়টা আপনার মনে থাকবে বেশ কিছু দিন।

এজন্য ডাইলের মজা তলেতে, পোস্টের মজা কমেন্টে

১৫| ২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:০২

মহসিন ৩১ বলেছেন: যে কোন existence ই শুধুমাত্র একমাত্রার হতে পারে না সেটা হোক দৃশ্যমান কিংবা অদৃশ্য। বিন্দু বাদে!!!!! । বহমাত্রিক এই ব্রহ্মাণ্ডে ফিজিক্স এর সীমানা বা অন্য কথায় বলতে আগ্রুম বাগ্রুম এর সীমানাও ওই পর্যন্ত। ......... কিন্তু তাই বলে আমরা কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভিজুয়াল বেসিকের মত বাকি সব মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ তথা চিন্তা সূত্রকে, ধর্ষণকে কি মিথ্যা বলতে পারবো ?

২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:৫৫

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: না, চিন্তা সূত্রকে আপনি কখনোই মিথ্যা বলতে পারেন না। বস্তুবাদী জগতের এটা অনন্য এক বৈশিষ্ট্য এবং সৃস্টি যার গোড়া হলো ফ্রি উইল। আমার তো মনে হয় ফ্রি উইলটা আছে বলেই এই মহাবিশ্ব এতো বৈচিত্র্যময়

১৬| ২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:১৪

বিজন রয় বলেছেন: জন রেসি, উদাসী স্বপ্ন আপনাদের ধন্যবাদ।

২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:৫৯

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

১৭| ২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ৮:২৮

মহসিন ৩১ বলেছেন: মানুষ এমন প্রাণী যে তাকে তার সাধ্যের ভিতে রেখেই তার চিন্তার জগতকে যে ইচ্ছা শক্তির জোরে beyond the boundary তে ঠেলে দিয়েছে সেই দর্শনের উৎপত্তি কোথায় ।

২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ১০:০১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এই দর্শনের উৎপত্তি কোথায়....হতে পারে এর উৎপত্তিটা ছিলো স্বতঃস্ফূর্ত। এই দর্শনই আজকের তিলোত্তমা গড়তে স হায়তা করেছে আমরা অস্বীকার করতে পারি না। কিন্তু দর্শন বৃদ্ধ হয়ে গেছে। সময় এসেছে তার অবসরে যাবার, অন্ততপক্ষে পদার্থবিজ্ঞানের মাধ্যমে সৃষ্টি রহস্য খোজার ক্ষেত্রে

১৮| ২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ১০:৩৫

ঈশান আহম্মেদ বলেছেন: বাচ্চাদের এখানে কথা না বলাই শ্রেয়।আপাতত পোস্টটা ফ্লোয়িং। :D বড়রা আলোচনা করুক। তবে এতটুকু জানি,স্টিফেন হকিং বলিয়াছে,দর্শনশাত্রের মৃত্যু ঘটিয়াছে।

২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ১১:২৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এইখানে বাচ্চা বুড়ো বলে কথা নেই। আমি এমনও পোলাপান চিনি যারা ১৫-১৬ বছর বয়সে কান্ট, সাত্রে সাটায়া পড়ে ফেলছে। গ্রীকদের দর্শন শাস্ত্র সম্পর্কে তার অগাধ জ্ঞান। তার সাথে কথা বলতে গেলে উল্টা আমার তেল মারতে হয়, নাহইলে মুখ ফুইটা পুচকা কথাই কয় না!

১৯| ২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ১০:৩৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: উদাসী স্বপ্ন ,




এ পর্য্যন্ত মানুষের লব্ধ জ্ঞান পরিপূর্ণ এবং অবিসংবাদিত ভাবে পরম সত্য ( পরম কি, তা নিয়েও কথা থাকে ! ) নয় ।

প্রচন্ড ভালো লেখা তবে এর পাঠক সীমিত । যে মন্তব্যগুলো এসেছে আর তার যে জবাব আপনি দিচ্ছেন তাতে জানার পরিধি বাড়ছে ।

তবে এই কাটখোট্টা পোস্টে একটু হিউমার করি ------ জানার কোনও শেষ নেই , জানার ইচ্ছে বৃথা তাই........... :(
( হীরক রাজার দেশে )
++


২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ১১:২৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আনতে আনতে আনোয়ার
খেলতে খেলতে খেলোয়াড়
জানতে জানতো জানো.....?

২০| ২৪ শে জুন, ২০১৬ রাত ১১:৩৪

Jahirul Sarker বলেছেন: এখন তো আমার ঘুম ধরায় দিলেন। ঘুম থেইকা উইঠা ঠান্ডা মাথায় পড়ুম নে।

২৭ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:১৯

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ঘুম বড় মজার জিনিস

২১| ২৫ শে জুন, ২০১৬ রাত ১২:৫১

জেন রসি বলেছেন: মুক্তমনা হইতে হইলে নাস্তিক হতে হবে এটা আমি কখন বললাম? এখানে আপনারা শব্দটা বলে আপনি আমাকে কোন গোষ্ঠীতে ফেলতে চাইলেন ঠিক বুঝলাম না। মুক্তমনা মানে এমন কেউ যে অন্ধবিশ্বাসী না। কে ইশ্বরে বিশ্বাসী আর কে বিশ্বাসী না এটা নিয়েও আমার মাথা ব্যাথা নাই। ধর্ম পালনও যার যার ব্যাক্তিগত ব্যাপার। তবে কেউ যদি কাল্পনিক ইশ্বরের নামে কোন মেটাফিজিক্স কারো উপর আরোপ করার চেষ্টা করে তখন নিজের জন্য হইলেও সরব হইতে হয়।

আমি দর্শন দিয়ে ইশ্বরের মোকাবেলা করেছি এইটা আপনাকে কে বলল? তবে আমি শুধু আপনার মত ফিজিক্স দিয়ে উত্তর খুঁজিনি। সব কিছু দিয়েই খুঁজেছি। কারন এটা শুধু ফিজিক্সের সাথে সম্পর্কিত না। সমাজবিজ্ঞান আর মনোবিজ্ঞানের সাথেও সম্পর্কিত। কারন ইশ্বরের ধারনা মূলত আসছে ধর্মের মূল ভিত্তি হিসাবে। অর্থাৎ কাল্পনিক সমাধান। সে সব কাল্পনিক সমাধান আসছে ধর্মপ্রচারকদের মাধ্যমে। এখন আমিও আপনার মত ক্লাস নাইনে থাকতেই পদার্থ বিজ্ঞান আর জীব বিজ্ঞান পড়েই বুঝে ফেলেছি ধর্মপ্রচারকদের যেমন সুপার হিউম্যান ভাবা হয় সেটা ফিজিক্স এবং জীববিজ্ঞানের সূত্র মাইনা সম্ভব না। কারো পক্ষে মুক্তিবেগ ভেদ করা সম্ভব না। তাইলে কেন মানুষ এগুলা বিশ্বাস করে এটার উত্তর সাইন্সে নাই । এসবের উত্তর পাইলাম সমাজবিজ্ঞান আর মনোবিজ্ঞানে। আমিও সেই ক্লাস নাইন থেকেই নাস্তিক। তখন ইশ্বরের কনসেপশন বলতে প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের কনসেপশনই বুঝতাম। আরেকটু বড় হইয়া আরেক ধরনের কনসেপশনের খোঁজ পেলাম। আইনস্টাইন,হকিংস সহ তারা একজন ডিজাইনার থাকতে পারে এমন ধারনার কথা বলেছেন। তবে তারা শুধুই একটা ধারনার কথা বলেছেন। সেটাকে পরম এবং বিজ্ঞান সম্মত সত্য বইলা আরোপ করার চেষ্টা করেন নাই। হকিংস এখন পুরাই ইউ টার্ন নিয়ে ফেলেছেন। তাই ইশ্বরের ব্যাপারটা আমার কাছে একটা ধারনা মাত্র। কাল্পনিক ফ্যাক্ট।

তবে যদি সেই ইশ্বরের ধারনার নামে এবং ইশ্বরের কিতাবের নামে সত্য আরোপ করার চেষ্টা করা হয় তবে সেটা বিপদজনক। সেটা অন্য বিতর্ক। সেখানে সমাজবিজ্ঞান আর মনোবিজ্ঞানও চলে আসবে।

এখন আবার বইলৈন না ইশ্বর আর ধর্ম কেন আনলাম। আপনি এনেছেন বলেই আনলাম।

আর মুক্তমনা হতে হলে নাস্তিক হইতে হবে এই স্টেটমেন্ট আমি কোথায় দিলাম? আমিত আপনাকেও মুক্তমনা মনে করি। কারন আপনি অন্ধবিশ্বাসী না হয়ে ফিজিক্স দিয়ে গডের অস্তিত্ব খুঁজে ফিরছেন। আবার আসিফ কিংবা তসলিমাকে মনে করি মৌলবাদী ;)

যাইহোক আমার সবগুলো কমেন্টের কিছু পয়ৈন্ট আপনি ভুল বুঝেছেন। এটাকে আমার বোঝাতে পারার অক্ষমতা হিসাবেই ধইরা নিলাম।

হ্যাপী ব্লগিং। :)




২৭ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:৩৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এই পোস্টে ঈশ্বরের প্রসঙ্গ আমি আনি নাই যদিও এই পোস্টের কনসেপ্ট ঈশ্বরের থাকা না থাকা বিতর্ক থেকেই এসেছে। কিন্তু আপনি যেটাই বলেন এখানে ঈশ্বর আনাটা কতটা যুক্তিযুক্ত? স হজ ভাষায় একটা ঘটনা বলি, ল্যাপ্লাসের নাম শুনেছেন নিশ্চয়ই, সে ছিলেন একজন পাড় নাস্তিক। তার মূল কাজ ছিলো জাগতিক ও মহাজাগতিক কাজ নিয়ে গননা করা। এবং সে যখন গ্রহ নক্ষত্রের কক্ষপথ তথা সুর্যগ্রহন ও চন্দ্রগ্রহনের ওপর ভিত্তির করে দুনিয়ার কক্ষপথ ও ভৌগলিক দিক নির্দেশনার ওপর লেখা বই নেপোলয়নকে দেন তখন তার ডায়লগ ছিলো অনেকটা এমন যে মহাবিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য তার কোনো হাইপোথিসিসের প্রয়োজন নেই। এখানে হাইপোথিসিস বলতে ঈশ্বরকে বুঝাইছেন। এখন আপনি যদি ল্যাপ্লাস ট্রান্সফরমেশনের কোর্স করতে গিয়ে বার বার এই কথাটাই বলেন ঈশ্বরের কোনো দরকার নাই এই ট্রান্সফরমেরখিসাব কষার, তাহলে কতটা হাস্যকর?

সিম্পল জিনিস, ফেসবুকের পোস্ট ছিলো ঈশ্বর নিয়ে যেটা ওখানেই খতম। ওখানে কিছু লোক পদার্থবিজ্ঞানকে মেটাফিজিক্স মনে করে, যারা এমন মনে করে তাদের জ্ঞানের দৌড় নিয়ে সন্দেহ আছে। এরপরে দেখলাম সে আরও গানিতিক এনালাইসিসের সাথে আরো ফ্যাদলা অর্থহীন কপিপেস্টের কথা আর পিঠচাপড়া চাপড়ি। আমি এটা এজন্য ওখানে আর যাই নাই, যারা জোর করে বিজ্ঞান নিয়ে চোখ বুজে থাকে আর নিজের নীতির বিরুদ্ধে টান পড়লে বিজ্ঞানরেও ধর্ষন করবে মেটাফিজিক্স বলে তাদের গ্রুপে সময় দেয়া পন্ডশ্রম। তাই ওটার সমাপ্তি ওখানেই।

এটা ব্লগে এজন্য পোস্ট করেছি, আমি তাদের জন্যই যারা নিজের স্বার্থে বিজ্ঞানকে ধর্ষন করতে চায় তাদের সাথে সরাসরি একাডেমিক আলাপ। এখানে আমি বার বার বলছি ঈশ্বর এখানে মূখ্য কোনো কাহিনী নয়। তারপরও উদাহরন হিসেবে মেনে নেই তারপরও ঈশ্বরকে দিয়ে কোনো কথা বলা মানে হলো মূল প্রসঙ্গ থেকে ঘুরায় ফেলা।

আলোচনার বিষয় বস্তু কি?

আধুনা পদার্থবিজ্ঞান মেটাফিজিক্স কিনা!

ঈশ্বর এখানে কি জন্য আসলো?

এটা একটা ধারনা বা বিশ্বাস, হাইপোথিসিসও না, এর কোনো বৈজ্ঞানিক মডেল নাই, ব্যাখ্যা নাই। যেখানে গানিতিক পদার্থবিজ্ঞান হাইপোথিসিস হলেও এর পেছনে অনেক বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষন এবং ল্যাব স্টাডিজ নিহিত আছে। আর মেটাফিজিক্স হলো দর্শন যেটা আমরা জানতে পেরেছি অণ্তলজী আর এপিস্টেমোলজি থেকে। তো একটা বিশ্বাসকে কিভাবে উদাহরন হিসেবেও টেনে আনেন দুটো সম্পূর্ন ভিন্ন বিষয়ের সাথে সেটার শক্ত কোনো ব্যাকগ্রাউন্ড নাই।

আপনি যোগসূত্র অবশ্যই পাবেন, কারন জগতের সবকিছুই সম্পর্কযুক্ত এই যেমন আমি যদি একটা সিগারেট খাই তাহলে তা এন্টার্কটিকার বরফ গলাবে। ভাই এই যুক্তি দেবার জন্য পোস্ট লিখি না, তর্কও করি না। আবারও বলছি পোস্টের সাথে সম্পর্কযুক্ত থাকুন, নাহলে কমেন্ট করার দরকার নাই।

ধন্যবাদ, হ্যাপী ব্লগিং


আর মুক্তমনা মানেই যে নাস্তিক না, এটা আমি প্রথম জানলাম। জানানোর জন্য ধন্যবাদ। আপনি ঠিক বলেছেন এই পয়েন্টে

২৭ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৩

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আরেকটা কথা, আইনস্টাইন যখন ঈশ্বরের ধারনা বাতিল করেননি তখন কিজন্য করেননি সেটা আমার জানা ছিলো। আবার হকিং যতক্ষন সে ধারনা পোষন করেছিলেন তার পুরোপুরিই আমার বোধগম্য। এবং যখন তিনি ঈশ্বর ও দর্শন দুটার পিছেই লাথী মারলেন তখনও জানি কুন কুন হাইপো বা গানিতিক মডেলের ওপর নির্ভর করে সেটা বলেছেন। তার কিছু পরেই একটা এক্সপেরিমেন্ট থেকে দেখানো হয় যায় শূন্য থেকে কিভাবে মহাবিশ্বের সৃষ্টি যেটা নিয়ে আমার একটা পোস্ট আছে। যদি শোয়েন্কার প্রসেস নিয়ে অনেক প্রশ্ন আছে। আমি দর্শনকে পুছি না, কারন দর্শন কোয়ান্টাম ওয়ার্ল্ডে অক্ষম। গনিত পদার্থবিজ্ঞান এখনো সক্ষম। যেটা অকার্যকর মাইক্রোওয়ার্লডে সেটা আমার কাছে অপাংক্তেয় আর সৃষ্টি রহস্য উন্মোচনের সবচেয়ে কার্যকরী পন্থা হলো এই বিজ্ঞান যেটা নাস্তিক বা মুক্তমনারা সবাই স্বীকার না করলেও এখন সবচেয়ে বেশী সংখ্যক লোকই স্বীকার করে। এজন্য দেখবেন আমাদের দেশে পদার্থবিজ্ঞানে চান্স পেলে মনে করে তার কপাল পুড়ছে আর বাইরের দেশে যদি এই বিষয়ে এপ্লাই করতে যান ওয়েটিং লিস্টেও সীট থাকবে না।

প্রসঙ্গ হলো ঈশ্বর আমার পোস্টে অপাংক্তেয়। দয়াকরে পোস্টের বাইরে এমন কোনো প্রসঙ্গ টানবেন না যেটা পোস্টের সাথে সংযুক্ত না।ঈশ্বর শুধুই একটা ধারনা, যার কোনো গানিতিক মডেলই নাই। ঈশ্বর কিভাবে মেটাফিজিক্সেও যায় তার ওপর ভালো কোনো পীয়ার রিভিউড লিটারেচারও নাই।

তো যে পোস্টের বক্তব্য শুধু দুটো বিষয় ঘিরেই সেখানে ঈশ্বর নামক অপ্রাসঙ্গিক জিনিস টেনে তুলে আনবেন না। ফেসবুকের টা ফেসবুকেই সাড়েন। আমারে গালি দেন, আমার ব্লগ পোস্টটাকে ক্ষমা করেন

২২| ২৫ শে জুন, ২০১৬ ভোর ৪:৩৪

এস বি সুমন বলেছেন: অনেক তথ্যবহুল পোস্ট । অনেক কিছু জানতে পেলাম,মাগার সম্পূর্ণটা এত সহজে মাথায় ঢুকছে না । :)

২৭ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: মাথায় ঢুইকা লাভ নাই। এসব বাতিল হওয়া দর্শন শাস্ত্রকে কেউ এখন তেমন দাম দেয় না। যতকম পড়বেন দর্শন তত ভালো।

২৩| ২৫ শে জুন, ২০১৬ ভোর ৬:৪০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আপনার ও জেন রসি মহোদয়ের মধ্যে রসি টানাটানি খেলাটা বেশ উপভোগ্য় হয়েছে । দুজনের লিখা ও বিজ্ঞতাপুর্ণ কমেন্ট থেকে বেশ কিছু বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া গেছে । এ ধরণের লিখা ব্লগের মানকে নিয়ে যায় অনেক উচ্চতায় । শিক্ষনীয় থাকে অনেক কিছু । বিষয় ভিত্তিক পন্ডিতদের লিখাগুলি নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য হয়ে উঠে খুবই উপকারী । মেটাফিজিক্সের আওতাধীন থিউরী সমুহের বিস্তৃতি অনেক , দিন তিন তা কেবলিই বেড়েই পাচ্ছে দেখতে পাচ্ছি ।
এ ক্ষুদ্র জ্ঞানে এই অতি দুরুহ বিষয়ে আগে শুধু জানতাম এরিসটটল আদিতে মেটাফিজিক্সকে তিনটি শাখায় শ্রেণীবদ্ধ করেছিলেন যথা :
অনটোলজি ( অস্তিত্ব সংজ্ঞা , সত্ত্বা শ্রেণীবিন্যাস এবং পরিবর্তনের প্রকৃতি প্রভৃতি অধ্যয়ন)
পাকৃতিক থিউলজি ( ঈশ্বর, ধর্ম এবং বিশ্বের প্রকৃতি , ঐশ্বরিক অস্তিত্ব, সৃষ্টি সম্পর্কে প্রশ্ন, এবং অন্যান্য বিভিন্ন ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক বিষয়ের অধ্যয়ন)
বিশ্বজনিন বিজ্ঞান (যুক্তিবিজ্ঞান এবং যুক্তির মূলনীতিবিষয়ে অধ্যয়ন)
পরবর্তীতে মেটাফিজিক্সের ব্যপ্তি ক্রমান্বয়ে আরো বাড়ে এর মধ্যে স্থান করে নেয়
স্তিত্ব ও চেতনা
মন ব্যাপার
অবজেক্টস এবং তাদের প্রোপার্টি
পরিচয়তা ও পরিবর্তন
স্থান ও সময়
ধর্ম ও আধ্যাত্মিকতা
প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাবনা
সারাংশ অবজেক্টস ও গণিত
নিয়তিবাদ ও স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি
বিশ্বতত্ত্ব এবং সৃষ্টিতত্ব
সময়ের আবর্তে এর ব্যপ্তি বাড়তে বাড়তে এর তাত্বিক জগত ক্রমান্বয়ে শাখা প্রশাখা বিস্তার করেই চলেছে যথা :

অজ্ঞাবাদ
নিরীশ্বরবাদ
পরমাণুবাদ
শ্বরবাদ
নিয়তিবাদ
বাস্তববাদ
অস্তিত্ববাদ
শ্বরবাদ
আদর্শবাদ
বুদ্ধিবৃত্তিবাদ
প্রকৃতিবাদ
অদ্বৈতবাদ
একেশ্বরবাদ
স্বাভাবিকতা
সংজ্ঞাবাদ
ধ্বংসবাদ
বিষয়মুখতা
সর্বেশ্বরবাদ
একাধিকত্ব
বহুদেববাদ
বাস্তববাদ
খণ্ডতাবাদ
অপেক্ষবাদ
আত্মজ্ঞানবাদ
অধ্যাত্মবাদ
ঈশ্বরবাদ বা আস্তিকতা
উদ্দেশ্যমূলকতাবাদ
তবে উদাসী ভাইএর লিখায় যা জনা গেল তা আরো বিস্ময়কর তা হল আজ হতে ৪.৫ মিলিয়ন বছর পর যখন পৃথিবী পুরোপুরি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে তখন মানবজাতীকে তার নিজের অস্তিত্বকে বাচিয়ে রাখার টেনশন আর করতে হবে না।
তাই এখন এমন একটি মেটাফিজিক্স থিউরী আমাদের দরকার যা আমাদেরকে সহিসালামতে ৪.৫ মিলিয়ন বছর পার করে দিবে। ততদিনে আমরা মেটাফিজিকসএর উপর বিজ্ঞজনদের দড়ি টানাটানি উপভোগ করি প্রাণ ভরে ।
অনেক ধন্যবাদ এমন জটিল একট বিষয়কে আমাদের মত সাধারণ পাঠকদের নিকট উপভোগ্য করে তোলার জন্য ।
ভাল থাকার শুভ কামনা থাকল

২৭ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৮

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তাই এখন এমন একটি মেটাফিজিক্স থিউরী আমাদের দরকার যা আমাদেরকে সহিসালামতে ৪.৫ মিলিয়ন বছর পার করে দিবে। ততদিনে আমরা মেটাফিজিকসএর উপর বিজ্ঞজনদের দড়ি টানাটানি উপভোগ করি প্রাণ ভরে ।


মানবজাতীর রক্ষার জন্য মেটাফিজিক্সের মতো বাতিল বিষয়ের কুনো দরকার দেখি না। আমি দরকার দেখি এলান মাস্ক বা নাসা যে কোনো একজন সফল ভাবে মঙ্গলে মানুষ পাঠিয়ে ওখানে শস্য উৎপাদন করুক। যদি ওটা করা সম্ভব হয় আর পানির পরিমান বেশ ভালোভাবেই পাওয়া যায় তাহলে আমাদের প্রথম ধাপটা সম্পন্ন হবে। ২০৪০ এর পর তখন এলএইচসি ও আইএলসির বদৌলতে যে টেকনোলজির উন্নয়ন করতে পারবো তখন হয়তো জীবনের খোজের জন্য কেপলারের সিরিয়ালের যেসব বাসযোগ্য গ্রহ পাওয়া যাচ্ছে সেখানে মানবজাতীর একটা বীজ বুনে দেয়া যাবেক্ষন!

তাই সবাই আমরা এক সাথে বলি ফিজিক্সের জয় হোক

২৪| ২৬ শে জুন, ২০১৬ রাত ৯:৩৬

মহসিন ৩১ বলেছেন: একটা গল্প মনে এল ; একটি শিশু পানিতে পড়েছে ; আশপাশে অনেক লোক জড় হয়ে দেখছে আর আহা আহা করছে। কিন্তু কেউই তাকে সাহায্য করতে পানিতে নামে না। হটাত একজন ঝাপ দিয়ে পানিতে পড়লো । ...। তারপর যথারীতি দুইজনেই তোলা হলে সবাই তখন ওই লোকটাকে প্রশংসা করল, ভাই আপনার মত লক হয় না ; ইত্যাদি ইত্যাদি । লোকটা রাগত সরে বলল " এবার বল ( গালি দিয়ে )... আমারে লাথি দিয়া পানিতে ফালাইছে " :)

২৭ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৯

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: উপভোগ্য কৌতুক!

২৫| ২৭ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৮

বিজন রয় বলেছেন: আপনি, জের রসি, গেম চেঞ্জার, ডঃ এম এ আলী, আপনারা অনেক জ্ঞানী।

সুন্দর আলোচনা।

২০ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:২০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনারেও একটা ধনে পাতা

২৬| ২৭ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৫:২২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ । যত কথাই বলেন , মঙ্গল বা কেপলারে নতুন যে কোন গ্রহেই যান না কেন মেটাফিজিক্স যাবে পিছে পিছে । কামনা করি জয় হোক পদার্থের , তবে অপদার্থতো যাবে পদার্থের সাথে তার কি হবে ?
ভাল থাকার শুভেচ্ছা থাকল ।

২৭ শে জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৩০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনার জন্যও শুভেচ্ছা

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.