| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হযরত মুহাম্মাদ (স.) এর নবুয়াতের ১৫তম বর্ষে দ্বিতীয় হিজরীতে রোজা ফরজ হয়। সকলপ্রকার পাপ-পঙ্কিলতা থেকে মুক্তি পাবার জন্য প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলিম নর-নারীর জন্য রোজা রাখা ফরজ। রোজা শুধু শেষ নবীর উম্মতদের উপরই ফরজ ছিলনা যা পূর্ববর্তী নবীর উম্মতদের প্রতিও ফরজ ছিল।
পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ্ রাববুল আলামিন বলেন, ‘‘হে ঈমানদারগণ! তেমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে। যেমনিভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতদের ওপর। যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো। (সূরা বাকারাহ-আয়াত নং-১৮৩)।
রোজা শুধু আমাদের তাকওয়া অর্জনের জন্য। আর তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমেই মুক্তির পথ খুঁজে পাওয়া সম্ভব। তাই পরিপূর্ণ তাকওয়াবান মানুষ হিসেবে নিজেকে তৈরির জন্য মানব জীবনে রমযানের গুরুত্ব অনেক।
রোজা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ তথা মৌলিক ভিত্তির মধ্যে অন্যতম একটি ভিত্তি। রোজা ফার্সি শব্দ। আরবি শব্দ হলো আসসাওম। বাংলায় রোজার অর্থ হলো-বিরত থাকা, সংযম করা, কঠোর সাধনা করা ইত্যাদি।
১০ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১:৪২
মারুফ ফািহম বলেছেন: আগেও কিছু লিখেছি। সামনে আরো লিখবো ইনশাল্লাহ। ধারাবাহিক ভাবে লিখতেছি। তাছাড়া লিখাতে খুব ভালোনা। অন্য যায়গা থেকেও দেখে লিখতে হচ্ছে।
২|
১০ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১:২৯
শাহানা বলেছেন: যেমন আশুরার দিন ইহুদীরাও রোজা রাখে একদিন। এই কারনে এই দিনে রোজা রাখতে হলে মুসলমানদের ২ দিন রোজা রাখতে বলা হয়েছে।
১০ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১:৪২
মারুফ ফািহম বলেছেন: ঠিক তাই।
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১:০৩
সাহোশি৬ বলেছেন: তারপর?