নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোন সুস্পষ্ট প্রমাণের সাথে মতভেদ করা আল্লাহ মহাশাস্তির কারণ বলেছেন?

০৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:৪৯




সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সহিহ আল বোখারী, ২৮৮৯ নং হাদিসের (জিহাদ অধ্যায়) অনুবাদ-
২৮৮৯। হযরত মুয়াবিয়া (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহ যাকে কল্যাণ দানের ইচ্ছা করেন, তাঁকে তিনি দীন সম্পর্কে ফিকাহ (গভির জ্ঞান) দান করেন। আল্লাহ প্রদানকারী আর আমি বন্টনকারী। আমার এ উম্মত তাদের বিরোধীদের উপর চিরদিন বিজয়ী হবে। এ অবস্থায় আল্লাহর চূড়ান্ত সমাধান এসে যাবে।

সহিহ মুসলিম, ৪৫৭৬ নং হাদিসের (কিতাবুল ইমারাহ) অনুবাদ-
৪৫৭৬। হযরত জাবির ইবনে সামুরা (রা.)কর্তৃক বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহকে (সা.) বলতে শুনেছি, বারজন খলিফা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ইসলাম পরাক্রান্ত অবস্থায় চলতে থাকবে। তারপর তিনি যে কি বললেন, তা’ আমি বুঝতে পারিনি। তখন আমি আমার পিতার নিকট জিজ্ঞাস করলাম তিনি কি বলেছেন? তিনি বললেন নবি করিম (সা.) বলেছেন, তাঁদের সকলেই হবে কোরাইশ বংশোদ্ভুত।

* ওটা আল্লাহর অনুগ্রহ। ওটা আল্লাহ রাসূল (সা.) ও সাহাবার (রা.) শুরাকে দান করেছেন। ওটা ছিল ফিকাহ। রাসূল (সা.) ও সাহাবার (রা.) শুরার প্রধান রাসূলকে (সা.) আল্লাহ ব্যবসায় হিকমাত ও সামরিক হিকমাত দান করেছেন। আখারিনের শুরাকেও আল্লাহ ফিকাহ দান করেছেন। আখারিনের শুরা প্রধানকে আল্লাহ ব্যবসায় হিকমাত দান করেছেন।সবচেয়ে পরাক্রান্ত আমিরের শুরাকেও আল্লাহ ফিকাহ দান করেছেন। সেই আমির সামরিক হিকমাত প্রাপ্ত ছিলেন।

আখারিনের শুরা প্রধান রাসূলের (সা.) সাথে মিলিত হননি, তিনি তাবেঈ ছিলেন এবং তাঁর শুরা সাহাবার (রা.) সাথে মিলিত হননি, তাঁরা তাবে তাবেঈ ছিলেন। এমন শুরা তাবেঈ ইমাম আবু হানিফা (র.) ও তাঁর তাবে তাবেঈ শুরা। শুরা প্রধান ইমাম আবু হানিফা (র.) ব্যবসায় হিকমাত প্রাপ্ত ছিলেন।

তৃতীয় শুরা প্রধান সবচেয়ে পরাক্রান্ত আব্বাসীয় কুরাইশ খলিফা আমির তাবে তাবেঈ হারুনুর রশিদ সামরিক হিকমাত প্রাপ্ত ছিলেন। তাঁর শুরাও তাবে তাবেঈ ছিলেন।

প্রথম শুরা প্রধান ফিকাহ বন্টনকারী এবং তাঁর শুরা ফিকাহ বিস্তারক। দ্বিতীয় শুরা প্রধান ফিকাহ সংগ্রহকারী ও সংকলক এবং তাঁর শুরাও সংকলিত ফিকাহ বিস্তারক। তৃতীয় শুরা দ্বিতীয় ফিকাহ পরিশোধক এবং তৃতীয় শুরা প্রধান পরিশোধীত ফিকাহ অনুমোদক। এ ফিকাহের সাথে মতভেদ মহাশাস্তির কারণ। মুসলিম এ অপরাধ পরিত্যাগ করলে তারা আবার মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে।

আমি দ্বিতীয় আহমদ। আমি একটা শুরা পেলে আমি পরিশোধীত ফিকাহ সংস্কার করতে পারি। যারা ব্যবসায় হিকমাত প্রাপ্ত তারা এর ব্যবস্থা করবেন। তারা তা’ না করলে মুসলিম অমুসলিমের তাবেদারী থেকে রেহাই পাবে না।

সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০১। মরুবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে তাদের কেউ কেউ মুনাফিক। মদীনাবাসীদের মধ্যেও কেউ কেউ মোনাফেকী রোগে আক্রান্ত। তুমি তাদের সম্পর্কে জান না। আমরা তাদের সম্পর্কে জানি।আমারা সিগ্র তাদেরকে দু’বার শাস্তি দেব। এরপর তারা মহা শাস্তির দিকে যাত্রা করবে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছে তার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য, তারা শপথ করেই বলবে তারা ভাল কিছু করার জন্যই ওটা করেছে; আর আল্লাহ সাক্ষি দিচ্ছেন নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

* কোন কিছুকে ফিকাহ বলতে হলে এর স্বপক্ষে কোরআন-হাদিস থাকতে হবে।কারো মনগড়া কথা ফিকাহ নয়। সুতরাং আল্লাহ এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে উপস্থাপিত কোন কিছু ফিকাহ নয়। আল্লাহ এবং তাঁর আয়াতে সাব্যস্ত ফিকাহ হানাফী ফিকাহ। এর পরিবর্তে উপস্থাপিত হাদিস বাতিল।কারণ সেইসব হাদিস আল্লাহর সুন্নাত নয়। ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মোনাফেক রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) নামে বহু হাদিস রচনা করেছে। সুতরাং কেউ কোন কিছুকে হাদিস আখ্যা দিলেই তাতে উত্তেজিত হওয়ার কিছু নাই। কোরআন দিয়ে পরখ করে দেখতে হবে ওটা আসলেই কোন হাদিস নাকি মিথ্যা কথা। ওটা হাদিস হলে ওটা শুরা ও আমিরের মাধ্যমে পরিশোধন ও অনুমোদন করা হয়নি কেন? পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে ওটার প্রচারক শুরা ও আমিরের মাধ্যমে ওটার পরিশোধন ও অনুমোদন করেনি। এসব ষড়যন্ত্রীর হিসাব আল্লাহ অবশ্যই নিবেন।এরা আহলে বাইতের আব্বাসীয় খলিফা থেকে বেশী দামী কি করে হয়? ওদের অহংকারের কারণে ওরা বিভ্রান্তকারী হয়েছে।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯

রাজীব নুর বলেছেন: আহারে--- কোনো মন্তব্য নেই।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: উল্টাপাল্টা মন্তব্য করার চেয়ে মন্তব্য না করাই ভালো।

২| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:১৩

অগ্নিবাবা বলেছেন: মুমিনরাতো আর চাচার পোস্ট পড়ে দেখে না, চাচার পোস্ট মাথার উপর দিয়ে উড়ে চলে যায়।
আমিই হলাম গিয়ে চাচার একমাত্র মহাফ্যান। চাচা পোস্ট দিলেই ফাল দিয়ে আসি।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ব্লগে মুমিন সংখ্যা খুবই কম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.