| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
* রাসূল (সা.) কিতাব ও হিকমাতের শিক্ষা প্রদান করায় কিতাব ও হিকমাতের উভয় শিক্ষায় শিক্ষিতগণ হলেন বেশী এলেম প্রাপ্ত।ব্যবসায় হিকমাত পাওয়ার পর রাসূলকে (সা.) আল্লাহ কিতাব প্রদান করায় এবং কিতাব থেকে আল্লাহ হিকমাতকে বেশী গুরুত্ব দেওয়ায় নিজের শত্রু, আল্লাহর শত্রু ও অদৃশ্য জীবাণু শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখার সামরিক ও চিকিৎসা হিকমাত এবং ব্যবসায় হিকমাত প্রাপ্তগণ হলেন মধ্যম এলেম প্রাপ্ত। আর শুধুমাত্র কিতাবের এলেমপ্রাপ্তগণ হলেন অল্প এলেম প্রাপ্ত। এসব আলেম মতভেদ ও বিভেদের মাধ্যমে মুসলিম জাতিকে আল্লাহর মহাশাস্তির (জাহান্নাম)দিকে পরিচালিত করে।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।
সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।
* আল্লাহ ফিকাহ দিয়ে ভয় প্রদর্শন করতে ও সাবধান হতে বলায় কোরআন ও হাদিস সহযোগে গঠিত ফিকাহের এলেম কিতাবের সবচেয়ে বেশী এলেম। ফিকাহ বিহীন শুধুমাত্র কোরআন ও হাদিসের এলেম প্রাপ্তগণ হলেন অতি অল্প এলেম প্রাপ্ত। এসব অল্প এলেম প্রাপ্তগণ মুসলিম জাতিকে সবচেয়ে বেশী বিভ্রান্ত করে। ইমাম আবু হানিফার (র.) ব্যবসায় হিকমাতের সাথে ফিকাহের এলেম যোগে তিনি বড় আলেম ছিলেন। আমির হারুনুর রশিদের সামরিক হিকমাতের সাথে ফিকাহের এলেম যোগে তিনি বড় আলেম ছিলেন। ইমাম আবু হানিফার (র.) শুরায় সংকলিত এবং আমির হারুনুর রশিদের শুরায় পরিশোধীত এবং আমির হারুনুর রশিদ অনুমোদীত ফিকাহ হলো আল্লাহ এবং তাঁর আয়াতে গঠিত ফিকাহ। এরসাথে মতভেদ করা কোন কিছু ফিকাহ নয়, বরং বাতিল হাদিস। সঠিক ফিকাহ বিরোধী বাতিল হাদিসের আলেম হলো জাহেল। এরা মুসলিম জাতিকে আল্লাহর সিরাতাম মুসতাকিম থেকে সরিয়ে বিভিন্ন পথে জাহান্নামের পথে পরিচালিত করে।
©somewhere in net ltd.