নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

কিতাবের শিক্ষার সাথে হিকমাতের শিক্ষার সংযোগ না হলে কেউ আলেম না হয়ে ত্বলেবুল এলেম থাকে

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৪৫



সূরাঃ ৫৫ রাহমান, ১ নং ও ২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। আর রাহমান (পরম মেহেরবান)।
২। তিনিই শিক্ষা দিয়েছেন কোরআন।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। নিশ্চয়ই আমি তোমাকে দিয়েছি সুস্পষ্ট বিজয়।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।

* রাহমান রাসূলকে (সা.) কিতাব শিক্ষা দিয়েছেন ব্যবসায় হিকমাত শিক্ষার পর এবং রাসূল (সা.) উম্মীদেরকে কিতাবের সাথে সামরিক হিকমাত শিক্ষা দিয়েছেন, যাতে তাঁদের ও আল্লাহর শত্রুরা তাঁদের নিকট পরাজিত হয়েছে।আর আল্লাহ হিকমাত শিক্ষায় প্রচুর কল্যাণ থাকার কথা বলেছেন।সংগত কারণে কিতাবের শিক্ষার সাথে হিকমাতের শিক্ষার সংযোগ না হলে কেউ আলেম না হয়ে ত্বলেবুল এলেম থাকে। যারা হিকমাতের শিক্ষা বিহীন লোকদেরকে ত্বলেবুল এলেমের বদলে আলেম বা আল্লামা বলে তারা মিথ্যাবাদী। মুসলিমদেরকে এসব মিথ্যাবাদীর সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

* আল্লাহ ফিকাহের মাধ্যমে ভয় প্রদর্শন করতে ও সাবধান হতে বলায় আল্লাহর সুন্নাতের কিতাব হলো ফিকাহ। এটি আল্লাহ আখারিনের শুরা প্রধান ইমাম আবু হানিফাকে (র.) দান করেছেন ব্যবসায় হিকমাত শিক্ষার পর। রাসূলকেও (সা.) আল্লাহ কোরআন শিক্ষা দিয়েছেন ব্যবসায় হিকমাত শিক্ষার পর। হযরত ওসমান (রা.) কোরআন সংকলন করেছেন ব্যবসায় হিকমাত শিক্ষার পর।সুতরাং ব্যবসায় হিকমত শিক্ষাগ্রহণ না করে যারা ফিকাহ শিক্ষালাভের দাবী করেছে তাদের কেউ সত্যবাদী নয়। ইমাম আবু হানিফার (র.) মত যোগ্য লোক না পাওয়ার কারণে রাহমান তাঁর পূর্বের কোন লোককে ফিকাহ শিক্ষা প্রদান করেননি। ইমাম আবু হানিফা (র.) রাহমান থেকে ফিকাহ শিক্ষা লাভ করেছেন রাহমাণের অনুগ্রহ হিসাবে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

* ইব্রাহীম বংশীয় আহলে বাইত আব্বাসীয় আমির হারুনুর রশিদ ইমাম আবু হানিফার (র.) শুরায় সংকলিত ফিকাহ তাঁর শুরায় পরিশোধন করে অনুমোদন করলে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এর অনুসারী হয়। আমির অনুমোদীত ফিকাহের সাথে যারা মতভেদে লিপ্ত হয় তারা লোকদেরকে আল্লাহর সিরাতাম মুসতাকিম থেকে বিচ্ছিন্ন করে বিভিন্ন পথে জাহান্নামের পথে পরিচালিত করে।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

* আল্লাহ এবং তাঁর আয়াতে সাব্যস্ত তাঁর সুন্নাত ফিকাহের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়। আল্লাহ এবং তাঁর আয়াতে সাব্যস্ত আমির অনুমোদীত ফিকাহের সাথে যারা মতভেদে লিপ্ত তারা মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস দিয়ে আমির অনুমোদীত ফিকাহের সাথে মতভেদে লিপ্ত হয়। এরা তাদের মতভেদের দলিল হাদিসকে সহিহ সহিহ বলে চিৎকার করে। অথচ বাতিল সহিহ হাদিস আল্লাহ এবং তাঁর আয়াতে সাব্যস্ত আমির অনুমোদীত ফিকাহের পরিবর্তে গৃহিত হওয়ার যোগ্য নয়। এ অকাজ যারা করে তাদের কেউ মূলত কোন আলেম নয়। এদের সবাই হলো স্রেফ জাহেল।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

* কিতাব থেকে আল্লাহ হিকমাতের গুরুত্ব বেশী দিয়েছেন। ব্যবসায়, চিকিৎসা ও সামরিক হিকমাতে মুসলিম জাতি পিছিয়ে পড়ায় মুসলিম জাতি অমুসলিম জাতির তাবেদারে পরিণত হয়েছে।আল্লাহ তাঁদের দূরবস্থা লাঘবে কোন ফেরেশতা পাঠাচ্ছেন না। গাজার লোকেরা তো আমির অনুমোদীত ফিকাহ মানে না। আল্লাহ তাদের সাহায্যে পাঁচ হাজার ফেরেশতা পাঠালে ইসরাইল তাদের কোন ক্ষতি করতে সক্ষম হত না। আমি এসব বুঝি কিতাব শিক্ষার পর আইসিটি হিকমাত শিক্ষার পর।সুতরাং আলেম হতে কিতাব শিক্ষার আগে অথবা পরে ব্যবসায়, সামরিক, চিকিৎসা ও আইসিটি ইত্যাদি যেকোন একটি হিকমাতের শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। নতুবা হিকমাতের শিক্ষা বিহীন কিতাবের শিক্ষায় শিক্ষিতদেরকে আলেম না বলে ত্বলেবে এলেম বলা যেতে পারে। আর কিতাবের শিক্ষার মধ্যেও আমির অনুমোদীত ফিকাহ থাকা বাধ্যতা মূলক। আমির অনুমোদীত ফিকাহ বাদ দিয়ে যারা কিতাবের শিক্ষা গ্রহণ করে তাদেরকে ত্বলেবুল এলেমও বলা যায় না। এরা হলো জাহেল। এরাই মতভেদের মাধ্যমে মুসলিম জাতিকে বিভেদ উপহার দিয়ে তিহাত্তর দলে বিভক্ত করেছে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সহিহ আল বোখারী, ৬৫৭২ নং হাদিসের (কিতাবুল ফিতান)-
৬৫৭২। হযরত ওসামা ইবনে যায়েদ (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবি করিম (সা.) মদীনার এক সুউচ্চ অট্টালিকার উপর আরোহন করে বললেন, আমি যা কিছু দেখছি, তোমরা কি তা’ দেখছ? তারা বলল, জী না। তিনি বললেন, আমি দেখছি যে, তোমাদের ঘরের ভিতরে বৃষ্টি পাতের ন্যায় ফিতনা পতিত হচ্ছে।

* সাহাবায়ে কেরাম (রা.) ফিকাহ সংকলন ও শিক্ষার ব্যবস্থা না করায় আল্লাহ তাঁদের পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত না হওয়ার ইচ্ছা করেননি। ফলে তাঁরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজারে নিহত হয়েছেন। এসব যুদ্ধে কিছু লোক মুমিন থেকে কিছু লোক কাফের হয়ে গেছে। এভাবে কাফের সংখ্যা ব্যাপক বেড়ে যাওয়ায় কারবালায় জান্নাতের যুব নেতা ইমাম হোসেন (রা.) তাঁর প্রতিপক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি। তারা তাঁর মাথা কেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়। মদীনাবাসী এ ঘটনার প্রবিাদ করায় ইয়াজিদ তাঁদেরকে লাঞ্চিত করে। তখন মদীনার ঘর সমূহের ভিতরে বৃষ্টি পাতের ন্যায় ফিতনা পতিত হয়। আমির অনুমোদীত ফিকাহ প্রচারের পর দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এর অনুসারী হয়ে মুমিন দলে সামিল হয়। যারা এ ফিকাহ অস্বীকার করে তারা কাফের হয়ে জাহান্নামী দলে সামিল হয়। কারণ তাদের মতভেদ কোনি আমির অনুমোদন করেননি।

সূরাঃ ২ বাকারা, ৩৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৪। আর যখন আমরা ফেরেশতাগণকে বলেছিলাম, তোমরা আদমকে সিজদা কর তখন ইবলিশ ছাড়া সবাই সিজদা করে ছিল। সে অগ্রাহ্য করলো, আর অহংকার করলো এবং কাফেরদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেল।

* পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে লোকেরা আমির অনুমোদীত ফিকাহের সাথে মতভেদে লিপ্ত হয়ে মুসলিম জাতিকে তিহাত্তর দলে বিভক্ত করে কাফের হয়। এদের কোন ইবাদত আল্লাহর দরবারে গৃহিত হয় না। এদের জন্য মহাশাস্তি (জাহান্নাম) রয়েছে।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:২২

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: যারা মোটে আলেম নয়, তাদেরকে আল্লামাও বলা হয়। বিনিময়ে তারা মুসলিম জাতিকে বিভ্রান্ত করে। সংগত কারণে এ সচেতনতা মূলক পোষ্টটি ফেসবুকের বড় বড় গ্রুপ সমূহে দেওয়া হয়েছে। ব্লগে পাঠক না পেলে পরে আমি আমার এ জাতীয় পোষ্ট সমূহ ব্লগ থেকে তুলে নিয়ে থাকি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.