নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

শরিয়ত অনুযায়ী চরমোনাইকে ২০২৬ নির্বাচনে ভোট দেওয়া হারাম এবং গণতন্ত্র বিষয়ে আব্বাসী মিথ্যা কথা বলায় তাঁর সঙ্গ ত্যাগ করা মুমিনগণের দায়িত্ব

২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৩৭




সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৬। দ্বীনের মধ্যে কোন জবরদস্তি নেই। নিশ্চয়ই ভ্রন্তি খেকে সঠিক পথ প্রকাশ হয়েছে। অতএব যে লোক তাগুতের বিরোধিতা করবে এবং আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করবে সে দৃঢ়তর রজ্জুকে শক্ত করে ধরলো যা কখনো ছিঁড়ে যাবে না এবং আল্লাহ হলেন সর্বশ্রোতা মহাজ্ঞানী।

সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।

সহিহ আল বোখারী ১ নং হাদিসের (কিতাবুল ঈমান) অনুবাদ-
১। হযরত আলকামা ইবনে ওয়াককাস লাইছি (র.) বলেন, আমি শুনেছি, ওমর ইবনে খাত্তাব (রা.) মসজিদের মিম্বরে উঠে বলেছিলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) কে বলতে শুনেছি, সকল কাজেই নিয়ত অনুযায়ী হয়। আর প্রত্যেক ব্যক্তি যা নিয়ত করে, তাই পেয়ে থাকে। কাজেই যার হিজরত দুনিয়া লাভ বা কোন মহিলাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে হয়েছে, তার হিজরত তদোদ্দেশ্যেই হয়েছে।

* দ্বীনের মধ্যে (ইসলাম) কোন জবরদস্তি নেই এবং রাসূল (সা.) ওহী অনুযায়ী কাজ করতেন বিধায় শরিয়া আইনে (ইসলামী আইন) দেশ চালাতে রাসূল (সা.) মদীনা সনদে মদীনা রাষ্ট্রের সকল পক্ষের সম্মতি স্বাক্ষর গ্রহণ করেছেন।সেই সকল পক্ষের মধ্যে মদীনার ইহুদী ও খ্রিস্টান ছিল। সুতরাং শরিয়া আইনে বাংলাদেশ চালাতে বাংলাদেশ সনদে বাংলাদেশের সকল পক্ষের সম্মতি স্বাক্ষর গ্রহণ করা জরুরী। সেই সকল পক্ষের মধ্যে বাংলাদেশের হিন্দু, খ্রিস্টান ও বোদ্ধ পক্ষ থাকবে। রাষ্ট্রের কোন পক্ষের উপর শরিয়া আইন চাপিয়ে দেওয়া শরিয়ত সম্মত নয়। গণতন্ত্র হলো সংখ্যা গরিষ্ঠের মত সংখ্যা লঘিষ্টের উপর চাপিয়ে দেওয়া। এ পদ্ধতিতে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়ে সংখ্যা গরিষ্ঠের মতে দেশ চালাতে হয়। এ পদ্ধতিতে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়ে শরিয়া আইনে দেশ চালানো সংখ্যা গরিষ্ঠের সাথে প্রতারনা। কারো সাথে প্রতারণা করাও শরিয়ত সম্মত নয়। বাংলাদেশ সনদ প্রস্তুতের অংশ হিসাবে কেউ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতা লাভের চেষ্টা করলে সেটা জায়েজ হবে। তবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েই শরিয়া আইন চালু করা জায়েজ হবে না। বিদ্যমান আইনে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়ে বিদ্যমাণ আইনেই দেশ চালাতে হবে। পরে সকল পক্ষের সম্মতিতে বাংলাদেশ সনদ গৃহিত হলে বিদ্যমাণ আইন বাতিল হবে। কারণ সকল পক্ষের স্মতির মধ্যে সংখ্যা গরিষ্ঠের মত গণতন্ত্রও থাকে। সেজন্য এমতাবস্থায় গণতন্ত্রের সাথে প্রতারণা হয় না। চরমোনাই গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়ে শরিয়া আইন চালানোর কথা বলছে বিধায় চরমোনাই শরিয়ত সম্মত পদ্ধতিতে শরিয়া আইনে বাংলাদেশ চালানোর কথা বলছে না। সুতরাং শরিয়ত অনুযায়ী চরমোনাইকে ২০২৬ নির্বাচনে ভোট দেওয়া হারাম।কারণ চরমোনাই স্পষ্ট করেই বলেছে তারা ২০২৬ নির্বাচনে জয়ী হলে শরিয়া আইনে দেশ চালাবে। তারমাণে তারা সংখ্যা গরিষ্ঠের মত সংখ্যা লঘিষ্টের উপর চাপিয়ে দিবে। যা সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৬ নং আয়াত অনুযায়ী হারাম।

সূরাঃ ৪ নিসার ৭৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭৫। তোমাদের কি হলো, তোমারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করছো না? অথচ নারী-পুরুষের এবং শিশুদের মধ্যে যারা দূর্বল তারা বলে, হে আমাদের রব আমাদেরকে অত্যাচারী অধিবাসীদের এ নগর থেকে বের করে দিন। আর আপনার কাছ থেকে আমাদের জন্য ওলী (অভিভাবক) এবং আপনার কাছ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী পাঠান।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৮৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮৬। আল্লাহ কারো উপর এমন কোন কষ্ট দায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না যা তার সাধ্যাতীত।সে ভাল যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। সে মন্দ যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। হে আমাদের প্রতিপালক যদি আমরা ভুলে যাই অথবা আমাদের ত্রুটি হয় তবে আমাদেরকে পাকড়াও করো না। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের পূর্ববর্তিগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করবেন না।হে আমাদের প্রতিপালক এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই।আমাদের পাপ মোছন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে জয়যুক্ত করুন।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।

* অত্যাচারীর হাত থেকে অত্যাচারিতকে রক্ষা করার প্রক্রিয়া আল্লাহ দ্রুত করতে বলেছেন। বাংলাদেশে বাংলাদেশ সনদ দ্রুত প্রস্তত করা সম্ভব নয়। কিন্তু গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়ে বিদ্যমাণ আইনেও অত্যাচারিতকে রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়। এ কাজে গণতন্ত্র হারাম হওয়া কোভা্বেই সম্ভব নয়। পাইকারি ভাবে গণতন্ত্রকে হারাম বলে ড. এনায়েত উল্লা আব্বাসী মূলত ইসলাম বিষয়ে মিথ্যা কথা বলছেন। আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী এ বিষয়ে মুমিনগণ অবশ্যই ড. এনায়েত উল্লা আব্বাসীর সঙ্গ ত্যাগ করবেন। জামায়াত জোট ও বিএনপি জোট ইনসাফের কথা বলছে। এ কাজে যে জোটকে জনগণের যোগ্য ও বিশ্বস্ত মনে হবে তারা সে জোটকে ভোট দেওয়া অপরাধ নয়।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.