| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৯৬ আলাক, ১ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন
২। সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ হতে
৩। পড় তোমার রব মহামহিমাম্বিত
৪। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।
সূরাঃ ৫৫ রাহমান, ১ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। আর রাহমান (পরম মেহেরবান)।
২। তিনিই শিক্ষা দিয়েছেন কোরআন।
৩। তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন।
৪। তিনিই তাকে শিখিয়েছেন বাইয়ান (ভাব প্রকাশ করতে)।
* রাহমান কলমের সাহায্যে কোরআন ও বাইয়ান শিক্ষা দিয়ে থাকেন। বাইয়ান শিক্ষা কেমন?
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৩৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৯। আর তোমরা তাদের বিরুদ্ধে কিতাল (যুদ্ধ) করতে থাকবে যতক্ষণ না ফিতনা দূরীভূত হয় এবং আল্লাহর দ্বীন সর্বত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।অতঃপর যদি তারা বিরত হয় তবে তারা যা করে আল্লাহতো এর দর্শক।
সূরাঃ ৪৯ হুজরাত, ১০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০। মু’মিনগণ পরস্পর ভাই ভাই; সুতরাং তোমরা ভাইদের মাঝে ইসলাহ (শান্তি স্থাপন) কর, আর আল্লাহকে ভয় কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
২০১। আর তাদের মধ্যে কিছু লোক বলে, হে আমাদের রব! আমাদেরকে ইহকালে কল্যাণ দান করুন এবং পরকালে কল্যাণ দান করুন। আর আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন হতে রক্ষা করুন।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
* ফিতনা দূরীভূত করতে কিতাল (যুদ্ধ) করতে থাকতে হয়। ইসলাহ (শান্তি স্থাপন) এর প্রস্তাব পেলে কিতাল (যুদ্ধ) থামাতে হয়। কারণ রাহমানের ইচ্ছা সবার কল্যাণ। কিন্তু কিতাল (যুদ্ধ)হলো ধ্বংস। সুতরাং ইসলাহ (শান্তি স্থাপন) এর প্রস্তাব পেলে কিতাল (যুদ্ধ) থামাতে হবে।ইসলাহ (শান্তি স্থাপন) এর প্রস্তাব পাওয়ার পর কিতাল (যুদ্ধ)চালিয়ে গেলে কাফের হতে হয়।সুতরাং সিফফিন যুদ্ধের খারেজী সুনিশ্চিতভাবে কাফের। উক্ত বাইয়ান পেতে তিন সূরার চারটি আয়াত সাজিয়ে লিখতে হয়েছে। এটা হলো রাহমানের কোরআন ও বাইয়ান শিক্ষা। রাহমান আমাকে এটা শিক্ষা দিয়েছেন। লিখা ছাড়া এ শিক্ষা সম্ভব নয়।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৩। তোমরা একত্রে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে ধর! আর বিচ্ছিন্ন হবে না। তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর।যখন তোমরা শত্রু ছিলে তখন তিনি তোমাদের অন্তরে প্রীতি সঞ্চার করেছেন, ফলে তাঁর দয়ায় তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে গেলে।তোমরাতো অগ্নি কুন্ডের প্রান্তে ছিলে, আল্লাহ উহা হতে তোমাদেরকে রক্ষা করেছেন। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নিদর্শনসমূহ স্পষ্টভাবে বিবৃতকরেন যাতে তোমরা সৎপথ পেতে পার।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
* সিফফিনে হযরত আলী (রা.) ঐক্যের পক্ষে থাকায় এবং বিভেদের পক্ষে না যাওয়ায় হযরত আলীর (রা.) খেলাফত শুদ্ধ। কিন্তু খেলাফতে বিভেদ সৃষ্টি করায় হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) শাসন খেলাফত না হয়ে রাজত্ব হয়েছে। তাঁর পুত্র ইয়াজিদের শাসনও রাজত্ব। তাকে খলিফা না মেনে জান্নাতের যুব নেতা হযরত ইমাম হোসেন সঠিক ছিলেন। যারা তাঁর সাথে মতভেদে লিপ্ত হয়ে তাঁকে হত্যা করেছে তারা সুনিশ্চিতভাবে কাফের ছিল। উক্ত হত্যাকান্ডের বিচার না করে ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় ইয়াজিদ জালেম সাব্যস্ত হয়ে মানব জাতির ইমামের পদ থেকে বরখাস্ত হয়েছে। সাহাবায়ে কেরাম (রা.) আল্লাহর ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের প্রতিশ্রুতি প্রাপ্ত বিধায় জালেম ইয়াজিদ সাহাবার (রা.) অনুসারী তাবেঈ নয়। তাকে তাবেঈ বলা কুফুরী। জালিম ইয়াজিদ অন্যায় ভাবে মদীনার সাহাবা (রা.) ও তাবেঈ (র.) গণকে হত্যা ও লাঞ্চিত করায় ইয়াজিদ সুনিশ্চিতভাবে কাফের। এ জঘণ্য কাফের মদীনার হেরেমকে হত্যার জন্য হালাল করেছে। তথাপি তাকে কাফের মনে না করার সংগত কোন কারণ নাই। কারণ আল্লাহর হারামকে হালাল করা সুস্পষ্ট কুফুরী।
©somewhere in net ltd.