নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাসূলের (সা.) একমাত্র অনুসরনীয় আহলে বাইত তাঁর চাচা হযরত আব্বাস ইবনে আব্দুল মোত্তালিব (রা.)

০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩




সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

সূরাঃ ২১ আম্বিয়া, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। তোমার পূর্বে আমি ওহীসহ পুরুষ পাঠিয়েছিলাম; তোমরা না জানলে আহলে যিকরকে (যিকর সমৃদ্ধ)জিজ্ঞাসা কর।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

* অনুসরনীয় করার জন্য আল্লাহ আহলে বাইতকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করেন। ওহীর বাহক পুরুষ বিধায় অনুসরনীয় আহলে বাইতগণ পুরুষ হবেন। ওহীর বাহকগণের বয়স চল্লিশ বছর হওয়ায় অনুসরনীয় আহলে বাইতগণ চল্লিশ বছর বয়সী হবেন। চল্লিশের কম বয়সী হযরত ইসাকে (আ.) আল্লাহ ওহীর বাহক করে আবার তাঁকে তাঁর কাছে তুলে নিয়েছেন। চল্লিশের বেশী বয়সে আবার তাঁকে পৃথিবীতে মানুষকে পথদেখাতে পাঠানো হবে। রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের সময় রাসূলে তাঁর চল্লিশের বেশী বয়সী একমাত্র পুরুষ আহলে বাইত ছিলেন তাঁর চাচা হযরত আব্বাস ইবনে আব্দুল মোত্তালিব (রা.)। রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের পর তিনি একুশ বছর বেঁচে ছিলেন। মুসলিমদের মাঝে তিনি কোন বিভেদ সৃষ্টি করেননি।আল্লাহ তাঁকে মানুষ থেকে রক্ষা করেছেন।তাঁর বংশধরগণকে আল্লাহ প্রায় সাড়ে সাতশত বছর মুসলিম বিশ্বের রাজত্ব প্রদান করেন। তার আগে খোলাফায়ে রাশেদার খেলাফত ছিল ত্রিশ বছর। উমাইয়া রাজত্ব ছিল নব্বই বছর। প্রায় দেড় কোটি বর্গ কিলোমিটারের এবং প্রায় সাড়ে সাতশত বছরের এত্তবড় রাজত্ব ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আর কোন পক্ষ পায়নি।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

* রাসূলের (সা.) অন্য আহলে বাইতের মধ্যে পুরুষ আহলে বাইত হযরত আলী (রা.) রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের সময় তেত্রিশ বছর বয়সী ছিলেন। মুসলিমদের তিনটি দল তাঁর সাথে মতভেদ এবং যুদ্ধেলিপ্ত হয়। অবশেষে খারেজীরা তাঁকে হত্যা করে। আল্লাহ মানুষ হতে তাঁকে রক্ষা করেননি। তাঁর পুত্র হযরত ইমাম হাসানকে (রা.) তাঁর স্ত্রী হত্যা করে। কারবালায় তাঁর পুত্র হযরত হোসেনের (রা.) মাথা কেটে ইয়াজিদের লোকেরা তাকে উপহার দেয়। ফেরেশতার বদলে হোসেনী ব্রাহ্মণ ইমামের পক্ষে যুদ্ধ করে তাঁকে রক্ষা করতে পারেনি। এরপর হযরত আলী (রা.) বংশের ইমামগণ হত্যাকান্ডের শিকার হতে থাকেন। ইদানিং হযরত আলী (রা.) বংশের ইমাম আলী খামেনীকে হত্যা করে ইসরায়েল।ইমাম আলী খামেনীর দেশ ইরানের পক্ষে ফেরেশতা যুদ্ধ করছে না। তারা আযানেই অন্য মুসলিমদের সাথে মতভেদ ও বিভেদে লিপ্ত হয়েছে।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৮৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮৬। আল্লাহ কারো উপর এমন কোন কষ্ট দায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না যা তার সাধ্যাতীত।সে ভাল যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। সে মন্দ যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। হে আমাদের প্রতিপালক যদি আমরা ভুলে যাই অথবা আমাদের ত্রুটি হয় তবে আমাদেরকে পাকড়াও করো না। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের পূর্ববর্তিগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করবেন না।হে আমাদের প্রতিপালক এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই।আমাদের পাপ মোছন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে জয়যুক্ত করুন।

* আল্লাহর পথ হলো অভিন্ন পথ। বিভিন্ন পথ অনুসরনে তাঁর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু হযরত আলী (রা.) পক্ষের আহলে বাইত বিভিন্ন শিয়ায় বিভক্ত হয়েছে ।তাদের কোন দায়িত্ব রাসূলের (সা.) নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।ঘটনা হলো মতভেদ করা যেমন অপরাধ, তেমনি মতভেদ নিরসনে কাজ না করাও অপরাধ।সেই অপরাধে জামায়াত নেতাগণকে আল্লাহ মানুষ থেকে রক্ষা করেননি। হযরত আলীর (রা.) আহলে বাইত সৈয়দ আব্বদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সৈয়দ বাহাদুর শাহ ও সৈয়দ রেজাউল করিম ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। আহলে বাইত এত্ত দলে বিভক্ত হলে মানুষের পক্ষে তাদের অনুসারী হওয়া অসম্ভব। আহলে বাইতগণের মতভেদের অপরাধের কারণে মুসলমানগণ বিশৃঙ্খল অবস্থায় অমুসলিমদের হাতে মার খাচ্ছে।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৩। তোমরা একত্রে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে ধর! আর বিচ্ছিন্ন হবে না। তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর।যখন তোমরা শত্রু ছিলে তখন তিনি তোমাদের অন্তরে প্রীতি সঞ্চার করেছেন, ফলে তাঁর দয়ায় তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে গেলে।তোমরাতো অগ্নি কুন্ডের প্রান্তে ছিলে, আল্লাহ উহা হতে তোমাদেরকে রক্ষা করেছেন। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নিদর্শনসমূহ স্পষ্টভাবে বিবৃতকরেন যাতে তোমরা সৎপথ পেতে পার।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

* আব্বাসী এ কাফের ও কাফের বললে তো হবে না। মুসলমানদেরকে ঐক্যবদ্ধ করার যথাযথ চেষ্টা না করলে আল্লাহ তাঁর ফতোয়াগিরি ছুটিয়ে দিতে পারেন। এমনকি তাঁকে জাহান্নামেও নিক্ষেপ করতে পারেন। তারপর তো বলবেন আমি যাদেরকে কাফের বললাম তাদের সাথে আমিও কেন জাহান্নামে? সুতরাং মরার আগেই যার যা করার সেটা করে জান্নাত্তের ব্যবস্থা করতে হবে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.