নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আহলে হাদিস বিরোধী পোষ্টে ব্লগে লাইক না থাকলেও গ্রুপে লাইক পাঁচ হাজার আটশত

১৭ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৪



হাদিস প্রেমিক হলো নাস্তিক ও আহলে হাদিস। উভয় দল হাদিস দিয়ে মুসলিমদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। আমি যেহেতু মুসলিমদের হেদায়াতের জন্য কাজ করি সেহেতু আমাকে আহলে হাদিস বিরোধী পোষ্টটি লিখতে হলো। ব্লগে পোষ্টটি আলোচিত পাতায় ছিল। এখনো এটি আমার ব্লগ বাড়ির উপরের দিকে আছে। আমি এটি ত্রিশটি গ্রুপে পোষ্ট করেছি। তবে ছোট একটি গ্রুপে এটির রাইক বেশী পড়েছে।তাতে পনের হাজার ছয়শত রিচে পাঁচ হাজার আটশত লাইক পড়েছে। ১০৩ শেয়ার ও ১৬৩ কমেন্ট আছে। গ্রুপটিতে ওপার বাংলার দাদাবাবুরাও লিখেন। আমি চাই গ্রুপটি জনপ্রিয় হোক। ছয়হাজার তিনশত সদস্যের গ্রুপটির কিয়েটর এ এডমিন আমি নিজে।গ্রুপের পোষ্ট লিংক মন্তব্যের ঘরে দেখুন।


ক্লিক


মন্তব্য ২১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৫

নতুন বলেছেন: ফেসবুকে কেউ সুবহানাল্লান না বরে যাবেন না বলে পোস্ট দিলেও লাইক কমেন্ট দেবে।

ব্লগে ধর্মীয় আলচনা নিয়ে এখন সময় নস্টের মতন ব্লগার কম আছে।

১৭ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: এটা সুবহানাল্লান বলা পোষ্ট নয়। এটা একটা গেষ্ঠির বিরোধীতা সংক্রান্ত পোষ্ট।

২| ১৭ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: Click This Link

১৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০২

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: পাঠক পোষ্টটি পছন্দ করেছেন বলেই পোষ্টে তাদের রাইকের জোয়ার দেখা যাচ্ছে। ব্লগারগণ চেতনা শানিত করতে গিয়ে অচেতন হওয়ায় ব্লগে তাদের সক্রিয়তা কম।

৩| ১৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: ফেসবুকে সব ছাগল পাগল। ব্লগে সব ছাগল পাগল নয়।

১৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫৮

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: তারাও অন্য পোষ্টে তেমন লাইক কমেন্ট করে না। সুতরাং আপনার মন্তব্য যুক্তি সংগত নয়।

৪| ১৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৪

রানার ব্লগ বলেছেন: একটা সময় দেখতাম জামাতের লোক আহলে হাদিসের লোক দেখলেই তামাশা করতো, সুজুগ পাইলে প্যাদানী দিতো কিন্তু আজকাল দেখি আহলে হাদিসের লোক এরা কোলে নিয়া ঘুরছে। বড্ড তাজ্জবের কথা।

১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:১৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:


আল্লাহ ইসলামের দায়িত্ব ওলামার হাতে ছেড়েছেন এবং রাসূলের (সা.) দায়িত্ব ছিল রেসালাহ

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৯। অতঃপর আল্লাহর অনুগ্রহ এই যে, তুমি তাদের প্রতি কোমল হৃদয়। তুমি কর্কশ ভাষী কঠোর হৃদয় হলে তারা তোমার কাছ থেকে সরে পড়তো। অতএব তুমি তাদেরকে ক্ষমা কর ও তাদের জন্য ক্ষমা চাও, আর কাজের বিষয়ে তাদের সথে পরামর্শ কর। এরপর সিদ্ধান্তে উপনিত হলে আল্লাহর উপর ভরসা কর। আর আল্লাহ ভরসাকারীগণকে ভালোবাসেন।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৪৯ হুজরাত, ১০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০। মু’মিনগণ পরস্পর ভাই ভাই; সুতরাং তোমরা ভাইদের মাঝে ইসলাহ (শান্তি স্থাপন) কর, আর আল্লাহকে ভয় কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৫। আল্লাহ, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই।তিনি চিরঞ্জীব চির বিদ্যমাণ।তাঁকে তন্দ্রা অথবা নিদ্রা স্পর্শ করে না।আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সমস্তই তাঁর।কে সে যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর নিকট সুপারিশ করবে? তাঁর সামনে পিছনে যা কিছু আছে তা’ তিনি জানেন।তাঁর ইচ্ছা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কিছুই কেউ আয়ত্ব করতে পারে না।তাঁর ‘কুরসী’ আকাশ ও পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত।এ দু’টির হেফাজত তাঁকে ক্লান্ত করে না।আর তিনি পরম উচ্চ-মহিয়ান।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

* যারা নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে আল্লাহ এমন ওলামা পছন্দ করেন।কাজের বিষয়ে তাদের সথে পরামর্শ করতে আল্লাহ রাসূলকে (সা.) আদেশ করেছেন। আল্লাহর আদেশ অনুযায়ী বদর বন্দীর ঐচ্ছিক বিষয়ে রাসূল (সা.) তাঁর ওলামা পরিষদের অভিমত আহবান করেন। ওলামা পক্ষে হযরত ওমর (রা.) বন্দীদের হত্যার অভিমত প্রকাশ করেন যাতে ওলামার মৌন সম্মতি ছিল। কিন্তু রাসূল (সা.) এতে সম্মত না হওয়ায় ওলামা রাসূল (সা.) পক্ষে ওলামা বন্দী মুক্তিতে সম্মত হলে আল্লাহ রাসূলকে (সা.) তিরস্কার করে বন্দীমুক্তি অনুমোদন করেন।উক্ত ঘটনায় ওলামা বুঝতে পারেন ঐচ্ছিক বিষয়ে রাসূলের (সা.) সিদ্ধান্ত সঠিক নাও হতে পারে।সেজন্য গাদির খুমে রাসূল (সা.) হযরত আলীকে (রা.) মাওলা ঘোষণা করলেও ওলামা রেসালাতের মাওলা বিষয়ে ওলামা হযরত আলীকে (রা.) মাওলা হিসাবে গ্রহণ করেননি। কারণ রাসূলের (সা.) রেসালাতের দায়িত্ব প্রাপ্তির বয়স ছিল চল্লিশ বছর। কিন্তু হযরত আলীকে যখন মওলা বলা হয় তখন তাঁর বয়স ছিল তেত্রিশ বছর। সেজন্য সত্যবাদীর সাথে থাকার আল্লাহর আদেশ অনুযায়ী রেসালাতের মাওলা হিসাবে ওলামা হযরত আবু বকরকে (রা.) গ্রহণ করেন। এ ক্ষেত্রে আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে রাসূলের (সা.) হাদিস বাতিল হয়। তথাপি হযরত আলী (রা.) ওলামা সিদ্ধান্ত মেনে হযরত আবু বকরের (রা.) হাতে বাইয়াত গ্রহণে বিলম্ব করায় আল্লাহ হযরত আলীর (রা.) নিরাপত্তা তুলে নেন। পরে তিনদল মুসলিম কাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয় যাদের একদল তাঁকে হত্যা করে।এক দল মুসলিম হযরত ইমাম হাসানের (রা.) সাথে যুদ্ধ করতে আসে। তিনি ইসলাহের মাধ্যমে তাদের সাথে বিবাদ মিটিয়ে নেন। একদল মুসলিম হযরত ইমাম হোসেনের সাথে কারবালায় যুদ্ধ করতে আসে। তারা তাঁর মাথা কেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়।এসব ঘটনায় শিয়ায়ে আলী ঘটিত হয়। যারা বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে। আল্লাহ তাদের হত্যার ব্যবস্থা করেছেন। তাদের সাথে মুসলিমদের যুদ্ধ চলমান আছে। কিন্তু হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও রাসূলের (রা,) আব্বাসীয় আহলে বাইত ওলামা পক্ষে শিয়ায়ে আলী হওয়া থেকে বিরত থাকে। আল্লাহ তাদেরকে ও তাদের হানাফী অনুসারিদেরকে রহমত ও বরকতে মুড়িয়ে নেন। আল্লাহ তাঁদেরকে ও তাঁদের আব্বাসীয় অনুসারি দেরকে প্রায় বারশত বছর মুসলিম বিশ্বের রাজত্ব প্রদান করেন। এখনো তাদের তুর্কীরা বীর, আফগানরা অজেয়, বাংলাদেশীরা গেরিলা যোদ্ধা এবং পাকিস্তানীদের হাতে আছে অনবিক অস্ত্র। বিশ্বের দুই তৃতীয়াংশ জনসংখ্যা হয়ে বিশ্ব শাসনে অন্য মুসলিম থেকে তারা অনেক বেশী এগিয়ে আছে। তাদের সাথে মতভেদে যারা বিভেদে লিপ্ত তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।তাদের সে মহাশাস্তি হলো জাহান্নাম। বেলায়াতের ক্ষেত্রে বয়সের বিষয় না থাকায় বেলায়াতের ক্ষেত্রে হানাফীরা হযরত আলীকে (রা.) মাওলা মানে। এ ক্ষেত্রে তাঁর অনুসারী খাজা মাঈনদ্দীন চিশতি (র.) মোহাম্মদ ঘুরীর সাথে তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে ভারতে পৃথিরাজের সাথে জয়ী হয়। তারা ভারতে মুসলিম শাসন কায়েম করে। এখন এ অঞ্চলে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ নামে দুটি মুসলিম রাষ্ট্র আছে। যাদের মুসলিম জনসংখ্যা মুসলিম বিশ্বে বৃহত্তম।শিয়া পক্ষে হত্যা এবং ওলামা পক্ষে রহমত ও বরকত। সংগত কারণে আল্লাহ ইসলামের দায়িত্ব ওলামার হাতে ছেড়েছেন এবং রাসূলের (সা.) দায়িত্ব ছিল রেসালাহ। কারণ রাসূলের (সা.) ইন্তেকাল হয়েছে, কিন্তু ওলামা কেয়ামত পর্যন্ত স্থায়ী। আল্লাহ নিজে চিরস্থায়ী। সেজন্য তিনি ইসলামের দায়িত্ব তাদের হাতে ছেড়েছেন যারা বেশী স্থায়ী। তারা রাসূলের (সা.) ওয়ারিশ ওলামা। রাসূলের (সা.) সম্পদ এলেমের ওয়ারিশ হয়েছেন ওলামা। ইন্তেকালের পর কারো নিজের সম্পদের মালিকানা থাকে না, বরং তাঁর সম্পদের মালিক হয়ে যায় তাঁর ওয়ারিশ। সুতরাং এখন রাসূলের (সা.) এলেমের মালিক তাঁর ওয়ারিশ ওলামা। সুতরাং রাসূল (সা.) পক্ষে ওলামা বিরোধীতা সংগত নয়। অহানাফীরা এটা করে জাহান্নামের যাত্রী। এখন ওলামা পক্ষে কোরআন মানসুখ ও হাদিস বাতিলের বিধান মানা ফরজ এবং ওলামা বিরোধীতা হারাম। যারা মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিসের পক্ষ নিয়ে ওলামা বিরোধীতায় লিপ্ত মুসলিমদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টির দায়ে তাদের জন্য জাহান্নাম অবধারিত। ওলামা এখন হানাফী পক্ষে। কারো বিশ্বাস না হলে গণে দেখ। মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিসের পক্ষ নিয়ে তাদের সাথে মতভেদের কোন সুযোগ ইসলামে নাই। যারা এটি করে তারা মূলত খান্নাছ।

৫| ১৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৩৭

শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনার মত লোকেরা ইসলাম ধর্মটাকে উপহাসের বিষয় করে ফেলেছেন। কিন্তু সেটা কোন ভাবেই বুঝতে পারছেন না।

১৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২১

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: বুঝাতে না জানলে কেউ বুঝে কেমন করে?

৬| ১৮ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।

১৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:০৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:


আলেম নয় ওলামার মতে হেদায়াত

সূরাঃ ২ বাকারা,৩১ নং থেকে ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩১। আর তিনি আদমেকে (আ.) সব জিনিসের নাম শিখালেন। তারপর সেগুলো ফেরেশতাদের সামনে হাজির করলেন। তারপর বললেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে আমাকে এসব বস্তুর নাম বলে দাও।
৩২। তারা বলেছিলো, আপনি মহান পবিত্রময়। আপনি আমাদেরকে যা শিক্ষা দিয়েছেন এর বাইরে আমাদের কোন জ্ঞান নেই। নিশ্চয়ই আপনি সর্ব জ্ঞানী, মহাকৌশলী।
৩৩। তিনি বললেন হে আদম! তুমি তাদেরকে ঐসবের নাম বলে দাও!এরপর যখন সে তাদেরকে ঐগুলোর নাম বলে দিলো, তখন তিনি (আল্লাহ) বললেন, আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, নিশ্চয়ই আমি আকাশ ও পৃথিবীর অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে জানি। আর তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর আমি তাও জানি।

সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ১৯ নং থেকে ২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৯। হে আদম! তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস কর।আর যা খুশী খাও। আর এ গাছের কাছে যেও না।তাহলে তোমরা যালিমদের মধ্যে গণ্য হবে।
২০। অতঃপর তাদের লজ্জাস্থান যা তাদের নিকট গোপন রাথা হয়েছিল তা’ তাদের কাছে প্রকাশ করার জন্য শয়তান তাদেরকে কুমন্ত্রণা দিল। আর সে বলল, তোমরা না আবার ফেরেশতা হয়ে যাও, অথবা এখানে স্থায়ী হয়ে যাও সেজন্য তোমাদের রব এ গাছ সম্বন্ধে তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন।
২১। সে তাদের নিকট কসম করে বলল, আমিতো তোমাদের নছিহতকারীদের একজন।
২২। এভাবে সে তাদেরকে ধোকা দিয়ে নীচু করল।তৎপর যখন তারা সে বৃক্ষফলের মজা গ্রহণ করল তখন তাদের লজ্জাস্থান তাদের নিকট প্রকাশ হয়ে পড়ল।আর তারা নিজেদেরকে জান্নাতের পাতা দ্বারা আবৃত করতে লাগল।তখন তাদের রব তাদেরকে ডেকে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে এ গাছের কাছে যেতে মানা করিনি? আর আমি কি বলিনি যে শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য দুশমন?

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

* আল্লাহ প্রশিক্ষিত বড় আলেম হলেন হযরত আদম (আ.)। তিনি শয়তানের ধোকায় পড়েছিলেন। আল্লাহ প্রশিক্ষিত বড় আলেম রাসূলের (সা.) একটি মতে আল্লাহ নিজেই একমত হতে পারেননি। সেজন্য আল্লাহ আলেম বাদ দিয়ে ওলামার মান্যতা সব্যস্ত করেছেন।আর রাসূলের দায়িত্ব রেসালাহ। আল্লাহর আনুগত্য, রাসূলের আনুগত্য হবে ও আমিরের অনুসরন হবে ওলামার অনুসরনের মাধ্যমে। সুতরাং ওলামার মতের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হবে। যারা ওলামার মতের সাথে মতভেদ করে তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে। এ মহাশাস্তি হলো জাহান্নাম। এ ক্ষেত্রে আল্লাহর ক্ষমা ছাড়া জাহান্নাম মুক্তির পথ নাই। এ ক্ষেত্রে আল্লাহর পূর্ব বিধানে রাসূল (সা.) ও সাহাবার (রা.) ক্ষমার বিধান থাকায় এ ক্ষেত্রে তাঁরা ক্ষমা পাবেন। ওলামার মত কি?

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৪৯ হুজরাত, ১০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০। মু’মিনগণ পরস্পর ভাই ভাই; সুতরাং তোমরা ভাইদের মাঝে ইসলাহ (শান্তি স্থাপন) কর, আর আল্লাহকে ভয় কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

* ওলামার শুরায় গঠিত অভিন্ন ফিকাহ ওলামার মত। এর একটি দৃষ্টান্ত হযরত আবু বকরের (রা.) খেলাফত, এটি সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতে গঠিত। এমতের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হবে। কারণ এ মতে আয়াত ও হাদিসের সাথে ওলামার মত যুক্ত আছে। হযরত আলী (রা.) ওলামার এ মত মেনে নিতে বিলম্ব করায় আল্লাহ হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইতের উপর থেকে নিরাপত্তা তুলে নেন। তারপর তিন দল মুসলিম হযরত আলীর (রা.) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, তাদের একদল তাঁকে হত্যা করে। হযরত ইমাম হাসানের বিরুদ্ধে এক দল মুসলিম যুদ্ধ করতে আসে। হযরত ইমাম হাসান (রা.) ইসলাহের মাধ্যমে তাদের সাথে যুদ্ধ এড়াতে সক্ষম হলেও একদল মুসলিম কারবালায় হযরত ইমাম হোসেনের (রা.) মথাকেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়। যারা হযরত আলীর (রা.) শিয়া হয় তারা বহু শিয়ায় বিভক্ত হয়। আল্লাহ তাদের হত্যা ও যুদ্ধের ব্যবস্থা করেছেন। তারা চিরকাল এর মধ্যেই আছে।

সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

* হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবির (সা.) ওহী বাহক আহলে বাইত হযরত আব্বাস (রা.) ওলামার মতে অমত করেননি কোন দিন। কারণ নারী ও চল্লিশের কম বয়সি আহলে বাইত ওহীবাহক হয় না। আল্লাহ হযরত আব্বাসকে (রা.) মুসলিমদের অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র রেখেছেন।ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় রাসূলের (সা.) এ আব্বাসীয় আহলে বাইত ও তাদের অনুসারী হানাফী থেকে আল্লাহ বিরানব্বই জন মুসলিম বিশ্ব শাসক নিযুক্ত করেন। তাদের সবাই ছিলেন ওলামার মতের অনুসারী।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।

* ইসলামের দ্বিতীয় পর্বের ওলামা আখারিন। তাঁরা হলেন তাবে তাবেঈ। তাঁদের ইমাম আবু হানিফা (র.) তাঁদের ওলামা পরিষদের মাধ্যমে প্রথম অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করেন। তাবে তাবেঈ গণের আব্বাসীয় আমির হারুনুর রশিদ তাঁদের ওলামা পরিষদের মাধ্যমে প্রথম সংকলিত অভিন্ন ফিকাহ পরিশোধন করে হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদন করলে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এর অনুসারি হয়। এখন এ হানাফী পাকিস্তানের হাতে আছে শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখার আনবিক অস্ত্র। হানাফী তুর্কীরা বীর, আফগানরা অজেয় এবং বাংলাদেশীরা গেরিলাযোদ্ধা। বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ জন সংখ্যা হানাফী হয়ে বিশ্ব শাসক হওয়ার দৌড়ে হানাফীরা এগিয়ে আছে। ওলামা গঠিত হানাফী মাযহাবের সাথে আছে ছিয়াশি মুসলিম বিশ্ব আমির। আলেম গঠিত অহানাফীদের সাথে কোন বিশ্ব মুসলিম আমির নাই। এখানেই আলেম ও ওলামার পার্থক্য। সংগত কারণে ওলামা বিরোধী ও আলেমের অনুসারি অহানাফীদের জাহান্নাম মুক্তির কোন ব্যবস্থা নাই।

৭| ১৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:২১

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: রানার ব্লাগারের সাধারণ এক কমেন্টের জবাবে আপনি বিশাল এক কমেন্ট করেছেন, এত বড় কমেন্ট করার জন্য আপনাকে নো-বেইল পুরুষ্কার দেওয়া উচিৎ।

এতদিন ধরে ব্লগিং করছেন অথচ ইসলাম যে একটা ভুঁয়া বিষয় এটাই এখন পর্যন্ত বুঝতে পারলেন না?

১৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:



আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-৩৩)

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ২ নং আয়াতের অনুবাদ-
২।তোমার প্রতিপালকের নিকট হতে তোমার প্রতি যা ওহি হয় তুমি তার অনুসরন কর।তোমরা যা কর আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক অবগত।

* রাসূল (সা.) ওহীর অনুসরন করেছেন। ইন্তেকালের পর রাসূলের (সা.) এলেমের মালিক হলেন তাঁর ওয়ারিশ ওলামা। সুতরাং রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের পর ওহী ও রাসূলের (সা.) অনুসরন হবে রাসূলের (সা.) ওয়ারিশ ওলামার অনুসরনের মাধ্যমে। কারণ ইন্তেকালের পর রাসূল (সা.) আর তাঁর সম্পদ এলেমের মালিক থাকেননি। ইন্তেকালের পর কেউ তার সম্পদের মালিক থাকে না। ইন্তেকালের পর রাসূলের (সা.) সম্পদ এলমের মালিক তাঁর ওয়ারিশ ওলামা হওয়ায় তাঁদের অনুসরনের বাইরে রাসূলের (সা.) এলেম আয়াত ও হাদিসের অনুসরন সঠিক নয়। রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের পর ওলামার অনুসরনের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়। রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের পর ওলামার অনুসরনের পরিবর্তে মানসুখ আয়াত, বাতিল হাদিস ও ওলামার অনুসারি না হওয়া আলেমের অনুসারি হতে গিয়ে লোকেরা পথভ্রষ্ট ও জাহান্নামী হয়েছে।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। হে নবি! আল্লাহকে ভয় কর এবং কাফিরদের ও মুনাফিকদের আনুগত্য করবে না। আল্লাহ তো সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

* মোনাফেকের প্ররোচনায় ওলামা সিদ্ধান্তে আমির নির্বাচিত হওয়া হযরত আবু বকরের (রা.) হাতে বাইয়াত গ্রহণে হযরত আলী বিলম্ব করলে হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইতের উপর থেকে আল্লাহ নিরাপত্তা তুলে নেন। তাঁদের বিরুদ্ধে মুসলিম দল সমূহ যুদ্ধ করতে থাকে এবং তাঁরা নিহত হতে থাকেন। হযরত আলীর (রা.) শিয়া বিভিন্ন শিয়ায় বিভক্ত হতে থাকে। তাদের বিরুদ্ধে মুসলিম দল সমূহের যুদ্ধও চলমান খাকে।তাদের হত্যা কান্ডও থেমে যায়নি। তাদের হত্যাকান্ডের ধারাবাহিকতায় ইদানিং আলী খামেনী নিহত হন।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর তুমি ভরসা কর আল্লাহর উপর, আর উকিল হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট।

* রাসূলের (সা.) আহলে বাইত তাঁর চাচা আব্বাস (রা.) মোনাফেকের ভরসা না করে আল্লাহর ভরসা করলে আল্লাহ তাঁর উকিল হয়ে যান। তিনি ও তাঁর আহলে বাইত ও তাঁদের অনুসারি হানাফীদেরকে আল্লাহ রহমত ও বরকতে মুড়িয়ে দেন। তারা মুসলিম বিশ্ব শাসন করে প্রায় বারশত বছর। এখনো তাদের বীর তুর্কী, অজেয় আফগান, আনবিক শক্তির মালিক পাকিস্থান ও গেরিলা যোদ্ধা বাংলাদেশী মুসলিমদের হতাশায় খানিকটা আশার আলো। বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ জন সংখ্যা হওয়ার ক্ষেত্রেও হানাফী এগিয়ে।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ১৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৩। আর তাদের একদল বলেছিল, হে আহলে ইয়াছরিব! এখানে তোমাদের কোন স্থান নেই।তোমরা ফিরে চল, এবং তাদের মধ্যে একদল নবির নিকট অব্যহতি প্রার্থনা করে বলতেছিল, আমাদের বাড়ী ঘর অরক্ষিত, অথচ ঐগুলি অরক্ষিত ছিল না, আসলে পলায়ন করাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য।

* হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবির (সা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় ও তাদের অনুসারি হানাফীদের মধ্যে মধ্যে পলায়নের বিষয়টি নাই। ছোট্ট বাংলাদেশ! তারাও ভারতের পেটের ভিতর হজম না হয়ে স্বাধীন আছে।আব্বাসীয়রা উমাইয়াদের ধ্বসিয়ে দিয়ে হানাফী অনুসারি সহ মুসলিম বিশ্বে রাজত্ব করেছে প্রায় বারশত বছর তাদের দলে আছে বিরানব্বই মুসলিম বিশ্ব আমির। অহানাফী কোন দলে কোন মুসলিম বিশ্ব আমির নেই। ওহীতে আমিরের অনুসরনের কথা আছে। তাহলে যে সব দলে কোন মুসলিম বিশ্ব আমির নাই তাদের দলকে আর কিভাবে সঠিক বলা যায়?

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ২১ নং আয়াতের অনুবাদ-
২১। তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও আখিরাতকে ভয় করে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্য রাসুলুল্লাহর মধ্যে রয়েছে (উসউয়ায়ে হাসানা) উত্তম আদর্শ।

* রাসূলের (সা.) উত্তম আদর্শ ছিল অভিন্ন ফিকাহ। রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের পূর্বে রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরাম (রা.) দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের পর মোনাফেক নিজের কথাকে হাদিস হিসাবে প্রচার করে রাসূলের (সা.) অভিন্ন ফিকাহ নষ্ট করে। তারপর সাহাবায়ে কেরাম (রা.) পরস্পরের সংঙ্গে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজারে নিহত হন। কারবালায় মুসলিম দাবীদার একদল লোক তাদের নবির (সা.) নাতির মাথা কেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়। অবশেষে আব্বাসীয়রা ইয়াজিদদের উমাইয়া শাসনের অবসান ঘটায় এবং অভিন্ন ফিকাহ হানাফী মাযহাব চালু করে যাতে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম ঐক্যবদ্ধ হয় এবং আছে। যারা তাদের সাথে মতভেদে লিপ্ত হয় তাদের বাহাত্তর দলে কোন মুসলিম বিশ্ব আমির না থাকায় তাদেরকে সঠিক বলার সুযোগ নাই।কারণ ইসলামে আমিরের অনুসরনের বাধ্যবাধকতা আছে।ইসলাম বিশ্বধর্ম হওয়ায় সেই আমির অবশ্যই মুসলিম বিশ্ব আমির হওয়া বাধ্যতা মূলক। সৌদী বাদশাকে মানে না সকল সালাফী। ইরানের ইমামকে মানে না সকল শিয়া। কিন্তু হানাফী বিশ্ব আমির গণকে মেনেছে সকল হানাফী। এখানেই অন্যদের সাথে হানাফীদের পার্থক্য। এ হানাফী আমিরগণ আবার হযরত আব্বাসের (রা.) মাধ্যমে রাসূলের (সা.) সাথে যুক্ত।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
২২। যখন মুমিনগণ ‘আল আহযাব’ বা সম্মিলিত বাহিনীকে দেখল, ইহারা বলে উঠল, ইহা তো তা’ আল্লাহ ও তাঁর রাসুল আমাদেরকে যার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিলেন এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসুল সত্যই বলে ছিলেন। এতে তাদের ঈমান ও আনুগত্য বৃদ্ধি পেল।

* সম্মিলিত বাহিনী দেখেছে তুর্কী ও আফগান হানাফী। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সম্মিলিত বাহিনীর প্রস্তুতির কথা শুনা যাচ্ছে। তথাপি তাদের কেউ হেরে যাওয়ার জন্য বসে নাই। তাদের মথা উঁচু রাখার যথেষ্ট মনবল মৌজুদ আছে। হিন্দুস্থানের যুদ্ধে তাদের হেরে যাওয়ার কথা নয়।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বায়াত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

* রাসূলের (সা.) ওহীবাহক আহলে বাইত তাঁর চাচা আব্বাস (রা.)। কারণ নারী ও চল্লিশের কম বয়সি আহলে বাইত ওহী বাহক হওয়ার কথা নয়। সুতরাং উম্মতের অভিযোগ থেকে আল্লাহ তাঁকে সম্পূর্ণ পবিত্র রেখেছেন। তারপর আল্লাহ ইসলামের নেতৃত্ব তাঁর আহলে বাইত ও তাঁদের অনুসারি হানাফীদের হাতে তুলে দিয়েছেন। আগামীতেও তাদের হাতেই ইসলামের নেতৃত্ব ফিরে আসবে- ইনশাআল্লাহ। মুসলিমদের মধ্যে তাদের েচেয়ে বেশী উপযুক্ত আর কোন পক্ষ নাই।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৫। নিশ্চয়ই মুসলিমিন ও মুসলিমাত, মুমিনিন ও মুমিনাত, অনুগত পুরুষ ও অনুগত নারী, সত্যবাদী পুরুষ ও সত্যবাদী নারী, ধৈর্যশীল পুরুষ ও ধৈর্যশীল নারী, রোজা রাখা পুরুষ ও রোজা রাখা নারী, যৌনাঙ্গ হেফাজতকারী পুরুষ ও যৌনাঙ্গ হেফাজতকারী নারী। আল্লাহর অধিক যিকিরকারী পুরুষ ও আল্লাহর অধিক যিকিরকারী নারী- এদের জন্য আল্লাহ প্রস্তুত রেখেছেন ক্ষমা ও মহা প্রতিদান।

* দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম হানাফী যতবেশী আল হামদুলিল্লাহ বলে ততবেশী আর কোন পক্ষ বলে কি? এটাইতো সবচেয়ে বড় সত্য কথা ও যিকির। সুতরাং হানাফী থেকে বেশী সঠিক হওয়া অন্য কোন দলের পক্ষে সম্ভব নয়।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৬। আল্লাহ ও তাঁর রাসুল কোন বিষয়ে নির্দেশ দিলে কোন মুমিন পুরুষ কিংবা মুমিন নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন সিদ্ধান্তের অধিকার থাকবে না। কেহ আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের অমান্য করলে সে তো স্পষ্টই পথভ্রষ্ট হবে।

* আল্লাহ ও রাসূলের নির্দেশ আমির অনুমোদীত ও অনুসারিত অভিন্ন ফিকাহ। যা ছাড়া মুসলিম ঐক্য সম্ভব নয়। এটা হানাফীদের থাকায় এবং অহানাফীদের না থাকায় হানাফীদের হেদায়াত প্রাপ্ত ও অহানাফীদেরকে পথভ্রষ্ট না বলে উপায় নাই।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৪৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৫। হে নবী! আমি তো তোমাকে পাঠিয়েছি সাক্ষীরূপে এবং সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারীরূপে।

* নবির (সা.) অভিন্ন ফিকাহ কারা মানে? যাদের হাদিস ও ফিকাহ আমির অনুমোদীত ও অনুসারিত নয় নবি (সা.) তাদের পক্ষে কি সাক্ষী দিবেন? আল্লাহ তো মুসলিম বিশ্ব আমিরের অনুসরন ফরজ করেছেন। আব্বাসীয় আমিরগণতো হযরত ইব্রাহীমের (রা.) ও মহানবির (সা.) আহলে বাইত ছিলেন। ইব্রাহীমের (আ.) মিল্লাত হয়ে ইব্রাহীমের (রা.) আহলে বাইতের অনুসারী না হয়ে ইব্রাহীমের (আ.) মিল্লাত কিভাবে থাকা যায়? হযরত ইব্রাহীমের (রা.) ও মহানবির (সা.) আহলে বাইত থেকে তাঁদের বিরোধীরা বেশী উপযুক্ত ঠিক কিভাবে? তাদের সঠিকতার কি সনদ আছে? তাহলে রাসূল (সা.) তাদের পক্ষে কিভাবে সাক্ষী দিবেন?

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৪১ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪১। হে মুমিনগণ তোমরা আল্লাহর অধিক যিকির কর।

* আল্লাহর অধিক যিকির হানাফী করে নাকি অন্য কোন দল করে? তাহলে তারা হানাফী থেকে বেশী সঠিক কিভাবে হয়?

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৪৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৬। আল্লাহর অনুমতিক্রমে তাঁর দিকে আহবানকারীরূপে এবং উজ্জ্বল প্রদীপরূপে।

* হানাফীরা রাসূলকে (সা.) হেদায়াতের উজ্জ্বল প্রদীপরূপে যতটা স্থাপন করেছে অন্যরা এর ধারেকাছেও নাই।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৪৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৭। তুমি মুমিনদিগকে সুসংবাদ দাও যে, তাদের জন্য আল্লাহর নিকট রয়েছে মহাঅনুগ্রহ।

* মুশরিক আরবের পর মুশরিক ভারতে হানাফীরাই ঈমানের পরীক্ষায় পাস করে মুমিন সাব্যস্ত হয়।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৪৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৮। আর তুমি কাফির ও মুনাফিকদের কথা শুনবে না, তাদের নির্যাতন উপেক্ষা করবে এবং নির্ভর করবে আল্লাহর উপর।আর উকিল হিসেবে আল্লাই যথেষ্ট।

* মুনাফিকরা নিজের কথাকে হাদিস হিসাবে প্রচার করেছে। তাদের অনুসারি সালাফী ও আহলে হাদিস। তাদের ফিকাহ ও হাদিস মুসলিম বিশ্ব আমির কর্তৃক অনুমোদন করিয়ে নেয়নি। এরা একটাই অহংকারী। হযরত ইব্রাহীমের (রা.) ও মহানবির (সা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় মুসলিম বিশ্ব আমির থেকে এদের মর্যাদা বেশী কি করে হয়? সংগত কারণে এদেরকে অহংকারী না বলে উপায় নেই। আর অহংকারী ইবলিশকে আল্লাহ কাফের বলেছেন।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৬। নিশ্চয়ই আল্লাহ ও ফিরিশতাগণ নবির প্রতি দরূদ পাঠ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরাও নবির প্রতি দরূদ পাঠ কর এবং তাঁকে যথাযথভাবে সালাম জানাও।

* নবিকে (সা.)যথাযথভাবে সালাম জানানো আল্লাহর আদেশ। ওলামা এর নিয়ম ঠিক করলে এর বিরোধীতার সুযোগ কই? তথাপি হানাফীরা এ ক্ষেত্রে হানাফী বিরোধীতা করে।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। মুনাফিক এবং যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে এবং যারা নগরে গুজব রটনা করে, তারা বিরত না হলে আমরা নিশ্চয়ই তাদের বিরুদ্ধে তোমাকে প্রবল করব।এরপর এ নগরে তোমার প্রতিবেশীরূপে তারা স্বল্প সময় থাকবে।

* আজব অহানাফী মুনাফিক গুজব ছড়িয়েও হাজার বছরে হানাফী সংখ্যা দুই তৃতীয়াংশ থেকে কমাতে পারেনি। তাদের বিপক্ষে আল্লাহ চিরকাল হানাফীদের প্রবল করেই রাখলেন। তথাপি তারা হানাফীর সঠিকতা না বুঝলে বুঝতে হবে তাদের হেদায়াত আল্লাহর কাম্য নয়।

৮| ২০ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৮

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:


আলেম নয়, চল্লিশ বছর বয়সি এবং শুরা বিশিষ্ট আহলে যিকর ওলামা অনুসরন- এটাই ইসলাম

আলেম নয়, আল্লাহ, রাসূল (সা.) ও আমির মানবেন
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরাঃ ২১ আম্বিয়া, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। তোমার পূর্বে আমি ওহীসহ পুরুষ পাঠিয়েছিলাম; তোমরা না জানলে আহলে যিকরকে (যিকর সমৃদ্ধ)জিজ্ঞাসা কর।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

সূরাঃ ৫৪, কামার ১৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৭। কোরআন আমি সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

* কোরআনের সহজ উপদেশ আলেম নয়, চল্লিশ বছর বয়সি এবং শুরা বিশিষ্ট আহলে যিকর ওলামার অনুসরনে ইসলাম পরিচালিত হবে। কারণ চল্লিশের কম বয়সি এবং নারী ওহী বাহক নন।আর আলেমের অনুসরন বাতিল হয় শুরার শর্তের কারণে।সুতরাং আলেম নয়, ইসলামে আল্লাহ ও রাসূলের (সা.) আনুগত্য এবং আমিরের অনুসরন চলবে চল্লিশ বছর বয়সি এবং শুরা বিশিষ্ট আহলে যিকর ওলামা অনুসরনে। এটাই ইসলাম। এর বাইরে ইসলাম নাই। আখারিন বা তাবে-তাবেঈ যুগে চল্লিশ বছর বয়সি এবং শুরা বিশিষ্ট আহলে যিকর ওলামা পাওয়ার কথা আল্লাহ বলেছেন।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

* আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ প্রথম সংকলিত হয় ইমাম আবু হানিফার (র.) নেতৃত্বে তাবে তাবেঈনের শুরায়। তবে এ শুরায় তাবেঈ ইমাম আবু হানিফা (র.) থাকায় এটি কোরআনের শর্তের সাথে শতভাগ মিলেনি।

সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৩। তোমরা একত্রে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে ধর! আর বিচ্ছিন্ন হবে না। তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর।যখন তোমরা শত্রু ছিলে তখন তিনি তোমাদের অন্তরে প্রীতি সঞ্চার করেছেন, ফলে তাঁর দয়ায় তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে গেলে।তোমরাতো অগ্নি কুন্ডের প্রান্তে ছিলে, আল্লাহ উহা হতে তোমাদেরকে রক্ষা করেছেন। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নিদর্শনসমূহ স্পষ্টভাবে বিবৃতকরেন যাতে তোমরা সৎপথ পেতে পার।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।


* হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবির (সা.) আব্বাসীয় আহলে বাইত ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় মুসলিম বিশ্ব ইমাম তাবে তাবেঈ খলিফা ও আমির হারুনুর রশিদের শুরায় ইমাম আবু হানিফার (র.) শুরায় সংকলিত আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ পরিশোধীত ও হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদীত হয়। যাতে ঐক্যবদ্ধ হয় দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম। যাদের ছিয়াশি জনকে আল্লাহ মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমতা প্রদান করেছেন। তার আগে রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের সময় থেকে মুসলিমদের মাঝে ফিতনা ছড়াতে থাকে। হযরত আলীর (রা.) খেলাফতে এটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তখন তিন দল মুসলিম হযরত আলীর (রা.) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। তাদের এক দল হযরত আলীকে (রা.) কাফের ফতোয়া দিয়ে হত্য করে।হযরত আলী (রা.) পক্ষের এক দল হযরত আলীর (রা.) শিয়া গঠন করে বিভিন্ন শিয়ায় বিভক্ত হয়েছে। আল্লাহ তাদের জন্য যুদ্ধ ও হত্যার ব্যবস্থা করেছেন। এখনো শিয়ারা যুদ্ধের চক্র ভেদ করে বেরিয়ে আসতে পারেনি।এমন ফিতনাতেও আল্লাহ হযরত আব্বাসকে (রা.) মুসলমানদের যাবতীয় অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র রাখলেন। তাঁর আহলে বাইত ও তাদের হানাফী অনুসারিদের বিরানব্বইজনকে মুসলিম বিশ্ব শাসক বানালেন। আব্বাসীয় হানাফী অনুসারি পাকিস্তানের হাতে আছে শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখার আনবিক অস্ত্র। তাদের তুর্কীরা বীর, আফগানরা অজেয়, বাংলাদেশীরা গেরিলাযোদ্ধা। বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ জন সংখ্যা হয়ে বিশ্বে শাসনেও এগিয়ে যাচ্ছে হানাফীরাই। অহানাফী অনুসারি নয় কোন মুসলিম বিশ্ব আমির। সুতরাং অহানাফী নয় মান্যতা হবে হানাফী ওলামার।

সূরাঃ ২ বাকারা,৩১ নং থেকে ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩১। আর তিনি আদমেকে (আ.) সব জিনিসের নাম শিখালেন। তারপর সেগুলো ফেরেশতাদের সামনে হাজির করলেন। তারপর বললেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে আমাকে এসব বস্তুর নাম বলে দাও।
৩২। তারা বলেছিলো, আপনি মহান পবিত্রময়। আপনি আমাদেরকে যা শিক্ষা দিয়েছেন এর বাইরে আমাদের কোন জ্ঞান নেই। নিশ্চয়ই আপনি সর্ব জ্ঞানী, মহাকৌশলী।
৩৩। তিনি বললেন হে আদম! তুমি তাদেরকে ঐসবের নাম বলে দাও!এরপর যখন সে তাদেরকে ঐগুলোর নাম বলে দিলো, তখন তিনি (আল্লাহ) বললেন, আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, নিশ্চয়ই আমি আকাশ ও পৃথিবীর অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে জানি। আর তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর আমি তাও জানি।

সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ১৯ নং থেকে ২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৯। হে আদম! তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস কর।আর যা খুশী খাও। আর এ গাছের কাছে যেও না।তাহলে তোমরা যালিমদের মধ্যে গণ্য হবে।
২০। অতঃপর তাদের লজ্জাস্থান যা তাদের নিকট গোপন রাথা হয়েছিল তা’ তাদের কাছে প্রকাশ করার জন্য শয়তান তাদেরকে কুমন্ত্রণা দিল। আর সে বলল, তোমরা না আবার ফেরেশতা হয়ে যাও, অথবা এখানে স্থায়ী হয়ে যাও সেজন্য তোমাদের রব এ গাছ সম্বন্ধে তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন।
২১। সে তাদের নিকট কসম করে বলল, আমিতো তোমাদের নছিহতকারীদের একজন।
২২। এভাবে সে তাদেরকে ধোকা দিয়ে নীচু করল।তৎপর যখন তারা সে বৃক্ষফলের মজা গ্রহণ করল তখন তাদের লজ্জাস্থান তাদের নিকট প্রকাশ হয়ে পড়ল।আর তারা নিজেদেরকে জান্নাতের পাতা দ্বারা আবৃত করতে লাগল।তখন তাদের রব তাদেরকে ডেকে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে এ গাছের কাছে যেতে মানা করিনি? আর আমি কি বলিনি যে শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য দুশমন?

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

* আল্লাহ প্রশিক্ষিত বড় আলেম হলেন হযরত আদম (আ.)। তিনি শয়তানের ধোকায় পড়েছিলেন। আল্লাহ প্রশিক্ষিত বড় আলেম রাসূলের (সা.) একটি মতে আল্লাহ নিজেই একমত হতে পারেননি। সেজন্য হানাফী আলেম বাদ দিয়ে হানাফী ওলামার অনুসরন ইসলাম হিসাবে সাব্যস্ত হবে। শিয়ারা আলেম হযরত আলীর (রা.) শিয়া গঠন করে ঐক্যবদ্ধ না হয়ে বহু শিয়ায় বিভক্ত হয়েছে। সুতরাং হানাফীরা ওলামা থেকে বিচ্ছিন্ন আলেমের অনুসরনের চিন্তা বাদ দিবে। যেথায় যত বেশী ওলামা সেথায় তত বেশী ইসলাম। সুতরাং ওলামার সর্ববৃহৎ দলের সাথে সংযুক্ত থাকা বুদ্ধিমাণের কাজ।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

* ওলামার অনুসরন ইসলাম সাব্যস্ত হওয়ায় এর পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হবে। সুতরাং মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস দিয়ে কেউ ওলামার সাথে মতভেদে লিপ্ত হলে তারা ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে জাহান্নামী হবে।

২১ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:

ওলামার অনুসারি নয় এমন পীর হলো ইবলিশ

সূরাঃ ২ বাকারা, ৩৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৪। আর যখন আমরা ফেরেশতাগণকে বলেছিলাম, তোমরা আদমকে সিজদা কর তখন ইবলিশ ছাড়া সবাই সিজদা করে ছিল। সে অগ্রাহ্য করলো, আর অহংকার করলো এবং কাফেরদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেল।

সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ১৯ নং থেকে ২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৯। হে আদম! তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস কর।আর যা খুশী খাও। আর এ গাছের কাছে যেও না।তাহলে তোমরা যালিমদের মধ্যে গণ্য হবে।
২০। অতঃপর তাদের লজ্জাস্থান যা তাদের নিকট গোপন রাথা হয়েছিল তা’ তাদের কাছে প্রকাশ করার জন্য শয়তান তাদেরকে কুমন্ত্রণা দিল। আর সে বলল, তোমরা না আবার ফেরেশতা হয়ে যাও, অথবা এখানে স্থায়ী হয়ে যাও সেজন্য তোমাদের রব এ গাছ সম্বন্ধে তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন।
২১। সে তাদের নিকট কসম করে বলল, আমিতো তোমাদের নছিহতকারীদের একজন।
২২। এভাবে সে তাদেরকে ধোকা দিয়ে নীচু করল।তৎপর যখন তারা সে বৃক্ষফলের মজা গ্রহণ করল তখন তাদের লজ্জাস্থান তাদের নিকট প্রকাশ হয়ে পড়ল।আর তারা নিজেদেরকে জান্নাতের পাতা দ্বারা আবৃত করতে লাগল।তখন তাদের রব তাদেরকে ডেকে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে এ গাছের কাছে যেতে মানা করিনি? আর আমি কি বলিনি যে শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য দুশমন?

* হযরত আদমের (আ.) আগে ওলামা ছিলেন ফেরেশতা। তখন নিজেকে পীর মনে করেছে ইবলিশ।ওলামা আদমকে (আ.) সিজদা করলেও ইবলিশ আদমকে (আ.) সিজদা না করে ইবলিশ হয়েগেল। তারপর যার জন্য সে ইবলিশ হলো তাঁকেও সে তার মুরিদ বানালো। পরে হযরত আদম (আ.) ইবলিশের মুরিদগিরি পরিত্যাগ করে আল্লাহর অনুগত হয়ে তাঁর নবি হয়েছেন। শয়তানের মতই ওলামার অনুসরন পরিত্যাগকারী আলেম ইবলিশ হয়ে যায়।

সূরাঃ ২ বাকারা,৩১ নং থেকে ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩১। আর তিনি আদমেকে (আ.) সব জিনিসের নাম শিখালেন। তারপর সেগুলো ফেরেশতাদের সামনে হাজির করলেন। তারপর বললেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে আমাকে এসব বস্তুর নাম বলে দাও।
৩২। তারা বলেছিলো, আপনি মহান পবিত্রময়। আপনি আমাদেরকে যা শিক্ষা দিয়েছেন এর বাইরে আমাদের কোন জ্ঞান নেই। নিশ্চয়ই আপনি সর্ব জ্ঞানী, মহাকৌশলী।
৩৩। তিনি বললেন হে আদম! তুমি তাদেরকে ঐসবের নাম বলে দাও!এরপর যখন সে তাদেরকে ঐগুলোর নাম বলে দিলো, তখন তিনি (আল্লাহ) বললেন, আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, নিশ্চয়ই আমি আকাশ ও পৃথিবীর অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে জানি। আর তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর আমি তাও জানি।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৯। অতঃপর আল্লাহর অনুগ্রহ এই যে, তুমি তাদের প্রতি কোমল হৃদয়। তুমি কর্কশ ভাষী কঠোর হৃদয় হলে তারা তোমার কাছ থেকে সরে পড়তো। অতএব তুমি তাদেরকে ক্ষমা কর ও তাদের জন্য ক্ষমা চাও, আর কাজের বিষয়ে তাদের সথে পরামর্শ কর। এরপর সিদ্ধান্তে উপনিত হলে আল্লাহর উপর ভরসা কর। আর আল্লাহ ভরসাকারীগণকে ভালোবাসেন।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

* আল্লাহ প্রশিক্ষিত ওলামা ছিলেন ফেরেশতা। তাঁরা ইবলিশের ধোঁকায় পড়েননি।কিন্তু আল্লাহ প্রশিক্ষিত বড় আলেম হযরত আদম (আ.) ইবলিশের ধোঁকায় পড়েছেন। আল্লাহ প্রশিক্ষিত সবচেয়ে বড় আলেম মহানবির (সা.) একটি কাজেও আল্লাহ একমত হতে পারেননি।সেজন্য আল্লাহ মহানবিকেও (সা.) তাঁর পরিষদের ওলামার সাথে পরামর্শ করে কাজ করতে আদেশ করেছেন। তারপর যে সব ওলামা নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে আমাদের জন্য তাঁদের অনুসরন সাব্যস্ত করেছেন। সুতরাং আল্লাহর আনুগত্য, রাসূলের (সা.) আনুগত্য ও আমিরের অনুসরন হবে ওলামার অনুসরন অনুযায়ী।বেলায়াতের প্রধান হযরত আলীর (রা.) শিয়া হয়ে শিয়ারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে। সুতরাং বেলায়াতের ছোট সদস্য পীরের সরাসরি অনুসরনে বিভিন্ন দলে বিভক্ত হওয়া ছাড়া উপায় নাই। কিন্তু আল্লাহ অভিন্ন পথে চলতে আদেশ করেছেন।তারজন্য ওলামার অনুসারি পীরের অনুসারী হওয়া আবশ্যক।যে পীর ওলামার অনুসারি নয় সে পীর ইবলিশ বিধায় তার অনুসরনে জান্নাত লাভের কোন সম্ভাবনা নাই।


৯| ২২ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:



এখন রাসূলের (সা.) নামে প্রচারিত মোনাফেকের ইসলাম নয়, এখন আল্লাহর অনুগ্রহের আখারিনের ইসলাম গৃহিত হবে

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০১। মরুবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে তাদের কেউ কেউ মুনাফিক। মদীনাবাসীদের মধ্যেও কেউ কেউ মোনাফেকী রোগে আক্রান্ত। তুমি তাদের সম্পর্কে জান না। আমরা তাদের সম্পর্কে জানি।আমারা সিগ্র তাদেরকে দু’বার শাস্তি দেব। এরপর তারা মহা শাস্তির দিকে যাত্রা করবে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছে তার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য, তারা শপথ করেই বলবে তারা ভাল কিছু করার জন্যই ওটা করেছে; আর আল্লাহ সাক্ষি দিচ্ছেন নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।

* ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মোনাফেক নিজের কথাকে হাদিস হিসাবে প্রচার করে রাসূলের (সা.) ইসলাম নষ্ট করে।সেজন্য আল্লাহ তাঁর অনুগ্রহ হিসাবে আখারিনের ইসলামের ব্যবস্থা করেন। সেজন্য এখন রাসূলের (সা.) নামে প্রচারিত মোনাফেকের ইসলাম গৃহিত না হয়ে আল্লাহর অনুগ্রহের আখারিনের ইসলাম গৃহিত হবে।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।

* আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ ছিল রাসূলের (সা.) ইসলাম। তিনি এটি সংকলন করলে মোনাফেক তাদের কথাকে হাদিস হিসাবে প্রচার করে রাসূলের ইসলাম নষ্ট করতে সক্ষম হতো না।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

* প্রথম খলিফা আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ সংকলনের সময় পাননি। অন্য খলিফা ও ইমামগণ আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ সংকলনের সময় পেয়েওে এটি সংকলন করেননি। আল্লাহ তাঁদের নিরাপত্তা তুলে নিয়ে তাদের হত্যাকান্ডের ব্যবস্থা করেছেন। সাহাবায়ে কেরামের (রা.) কেউ আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ সংকলন না করে ফেরজে কেফায়া তরক করেছেন। তাঁরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজারে নিহত হয়েছেন। তাতে সাহাবা মুমিন থাকলেও অসাহাবা কাফের হয়ে যায়। এতে কাফের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। সেজন্য কারবালায় হযরত ইমাম হোসেন (রা.) তাঁর প্রতিপক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি। তারা তাঁর মাথা কেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

* অবশেষে আখারিন তথা তাবে তাবেঈর শুরা গঠন করে ইমাম আবু হানিফা (র.) অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করলেন। কিন্তু তিনি নিজে তাবে তাবেঈ না হওয়ায় তাঁর সংকলিত অভিন্ন ফিকাহ পরিশোধনের দরকার ছিল।

সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

* অবশেষে হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবির (সা.) আব্বাসীয় আহলে বাইত ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় মুসলিম বিশ্ব ইমাম আমির ও খলিফা হারুনুর রশিদের শতভাগ আখারিন তথা তাবে তাবেঈর শুরায় ইমাম আবু হানিফা সংকলিত অভিন্ন ফিকাহ পরিশোধীত হলে তিনি এটি হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদন প্রদান করেন। পরে আল্লাহ আব্বাসীয় ও তাদের হানাফী অনুসারীদেরকে তাঁর রহমত ও বরকতে মুড়িয়ে দেন। তখন তাদের থেকে মুসলিম বিশ্বের শাসক হন ছিয়াশি শাসক। ইহুদী ও হিন্দু শাসন থেকে এখন আমরা বুঝি আব্বাসয়ি ও হানাফী মুসলিম শাসন মুসলিমদের জন্য কতটা নেয়ামত ছিল।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

* আখারিন অনুসারি হানাফী পাকিস্তান শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখার আনবিক শক্তির অধিকারী। হানাফী তুর্কীরা বীর। হানাফী আফগান অজেয়। হানাফী বাংলাদেশী গেরিলা যোদ্ধা। বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ জনসংখ্যা হয়ে বিশ্ব শাসনের পথেও হানাফীরা অন্যদের থেকে এগিয়ে।হানাফীদের অগ্রপথিক মহানবির (সা.) চাচা হযরত আব্বাস ছিলেন মহানবির (সা.) ওহীবাহক আহলে বাইত। কারণ ওহীবাহক হকে পুরুষ ও চল্লিশ বছর বয়সী হতে হয়। হযরত আলী (রা.) ও হযরত আয়েশার ক্ষেত্রে এশর্ত অনুপস্থিত ছিল। কারণ তাঁদের একজন ছিলেন নারী এবং অপর জনের বয়স ছিল তেত্রিশ বছর। তাঁরা পরস্পর যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছেন। কিন্তু হযরত আব্বাসকে (রা.) আল্লাহ মুসলমানদের সকল অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র রেখেছেন। তাঁর আহলে বাইত ও তাঁদের অনুসারী হানাফী থেকে আল্লাহ মুসলিম বিশ্বের শাসক বানিয়েছেন বিরানব্বই জন। রাসূলের (সা.) পর আল্লাহ আমিরের আনুগত্য ফরজ করেছেন। আখারিনে তারাই ছিলেন আব্বাসীয় ও হানাফী মুসলিম বিশ্ব শাসক। অহানাফী দলে কোন মুসলিম বিশ্ব শাসক নাই। সুতরাং রাসূলের (সা.) নামে প্রচারিত মোনাফেকের ইসলাম নয়, বরং এখন আল্লাহ স্বীকৃত আব্বাসীয় ও হানাফীদের আখারিনের ইসলাম গৃহিত হবে। যা কোরআনে উল্লেখিত আখারিন তথা তাবে তাবেঈ গঠিত। এটি আল্লাহর সুন্নাত বিধায় এর পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হবে। অহনাফীরা মূলত মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস দ্বারা হানাফী বিরোধীতায় লিপ্ত। যার অনুসারি নয় কোন মুসলিম বিশ্ব আমির। সুতরাং হানাফী বিরোধীদের ইসলামকে সঠিক ইসলাম বলার কোন সুযোগ নাই।


২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:


আল্লাহ ইসলাম বিষয়ে আহলে হাদিস ও আহলে কোরআনকে জিজ্ঞাস না করে আহলে যিকরকে জিজ্ঞাস করতে বলেছেন কেন?

সূরাঃ ২১ আম্বিয়া, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। তোমার পূর্বে আমি ওহীসহ পুরুষ পাঠিয়েছিলাম; তোমরা না জানলে আহলে যিকরকে (যিকর সমৃদ্ধ)জিজ্ঞাসা কর।

সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

* কোরআন এবং এর বিবরণ হাদিসের কোন ক্ষেত্রে কোনটি মানসুখ এবং কোনটি মানসুখ নয় সেটা আহলে যিকর জানেন বিধায় ইসলামের কোন বিষয়ে না জানলে আল্লাহ আহলে যিকরকে জিজ্ঞাস করতে বলেছেন। তিনি ইসলামের কোন বিষয়ে আহলে কোরআন বা আহলে হাদিসকে জিজ্ঞাস করার যোগ্য মনে করেননি।কারা আহলে যিকর?

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

* নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে এমন আমিরের অনুসারি চল্লিশ বছর বয়সি পুরুষ ওলামা আহলে যিকর। কারণ চল্লিশের কম বয়সি পুরুষ এবং নারী ওহী বাহক নয়। সুতরাং ওহী বিষয়ে তাদের উপদেশ অপ্রয়োজনীয়।

সূরাঃ ২ বাকারা,৩১ নং থেকে ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩১। আর তিনি আদমেকে (আ.) সব জিনিসের নাম শিখালেন। তারপর সেগুলো ফেরেশতাদের সামনে হাজির করলেন। তারপর বললেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে আমাকে এসব বস্তুর নাম বলে দাও।
৩২। তারা বলেছিলো, আপনি মহান পবিত্রময়। আপনি আমাদেরকে যা শিক্ষা দিয়েছেন এর বাইরে আমাদের কোন জ্ঞান নেই। নিশ্চয়ই আপনি সর্ব জ্ঞানী, মহাকৌশলী।
৩৩। তিনি বললেন হে আদম! তুমি তাদেরকে ঐসবের নাম বলে দাও!এরপর যখন সে তাদেরকে ঐগুলোর নাম বলে দিলো, তখন তিনি (আল্লাহ) বললেন, আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, নিশ্চয়ই আমি আকাশ ও পৃথিবীর অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে জানি। আর তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর আমি তাও জানি।

সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ১৯ নং থেকে ২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৯। হে আদম! তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস কর।আর যা খুশী খাও। আর এ গাছের কাছে যেও না।তাহলে তোমরা যালিমদের মধ্যে গণ্য হবে।
২০। অতঃপর তাদের লজ্জাস্থান যা তাদের নিকট গোপন রাথা হয়েছিল তা’ তাদের কাছে প্রকাশ করার জন্য শয়তান তাদেরকে কুমন্ত্রণা দিল। আর সে বলল, তোমরা না আবার ফেরেশতা হয়ে যাও, অথবা এখানে স্থায়ী হয়ে যাও সেজন্য তোমাদের রব এ গাছ সম্বন্ধে তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন।
২১। সে তাদের নিকট কসম করে বলল, আমিতো তোমাদের নছিহতকারীদের একজন।
২২। এভাবে সে তাদেরকে ধোকা দিয়ে নীচু করল।তৎপর যখন তারা সে বৃক্ষফলের মজা গ্রহণ করল তখন তাদের লজ্জাস্থান তাদের নিকট প্রকাশ হয়ে পড়ল।আর তারা নিজেদেরকে জান্নাতের পাতা দ্বারা আবৃত করতে লাগল।তখন তাদের রব তাদেরকে ডেকে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে এ গাছের কাছে যেতে মানা করিনি? আর আমি কি বলিনি যে শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য দুশমন?

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৯। অতঃপর আল্লাহর অনুগ্রহ এই যে, তুমি তাদের প্রতি কোমল হৃদয়। তুমি কর্কশ ভাষী কঠোর হৃদয় হলে তারা তোমার কাছ থেকে সরে পড়তো। অতএব তুমি তাদেরকে ক্ষমা কর ও তাদের জন্য ক্ষমা চাও, আর কাজের বিষয়ে তাদের সথে পরামর্শ কর। এরপর সিদ্ধান্তে উপনিত হলে আল্লাহর উপর ভরসা কর। আর আল্লাহ ভরসাকারীগণকে ভালোবাসেন।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

* আল্লাহ প্রশিক্ষিত চল্লিশের কম বয়মি বড় আলেম হযরত আদম (আ.)শয়তানের ধোকায় পড়েছিলেন।আল্লাহ প্রশিক্ষত সবচেয়ে বড় আলেম রাসূলের (সা.) একটি মতে আল্লাহ একমত হতে পারেননি। তিনি তাঁকে ওলামার সাথে কাজের বিষয়ে পরামর্শ করার আদেশ প্রদান করেছেন।চল্লিশের কম বয়সি আলেম হযরত আলীর (রা.) শিয়া হয়ে শিয়ায়ে আলী বহু শিয়ায় বিভক্ত হয়েছে। আল্লাহ তাদের জন্য যুদ্ধ ও হত্যাকান্ডের ব্যবস্থা করেছেন। তাদের সাথে মুসলিম ও অমুসলিমদের যুদ্ধ চলতেই থাকে। আল্লাহ মানুষ হতে সুরক্ষা প্রদান করেন না। কিন্তু চল্লিশের বেশী বয়সি রাসূলের (সা.) চাচা হযরত আব্বাসকে (রা.) আল্লাহ মানুষ হতে সুরক্ষা প্রদান করেছেন। মানুষের অভিযোগ থেকে আল্লাহ তাঁকে সম্পূর্ণ পবিত্র রেখেছেন। আল্লাহ এ ইব্রাহীম বংশিয় রাসূলের (সা.) আহলে বাইত ও তাঁদের হানাফী অনুসারী থেকে বিরানব্বই জনকে মুসলিম বিশ্বশাসক বানিয়েছেন। আল্লাহ তাদেরকে রহমত ও বরকতে মুড়িয়ে নিয়েছেন। বরকতের কারণে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম হানাফী। তাদের পাকিস্তানের কাছে আছে শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখার আনবিক অস্ত্র। তাদের তুর্কীরা বীর। আফগানরা অজেয়। বাংলাদেশীরা গেরিলা যোদ্ধা। বিশ্ব জন সংখ্যার একতৃতীয়াংশ হয়ে বিশ্ব শাসক হওয়ার পথেও হানাফীরা এগিয়ে। তাদের দলে ছিল মুসলিমদের ছিয়াশি বিশ্ব আমির। অহানাফী বাহাত্তর দলে কোন মুসলিম বিশ্ব আমির নাই। সুতরাং অনুসরন করার মত ওলামা হলো চল্লিশ বছর বয়সি পুরুষ ওলামা। তারাই আহলে যিকর। তাদের যারা শুরা ভিত্তিক কাজ করে ইসলাম বিষয়ে কোন কিছু না জানলে তাদেরকে জিজ্ঞাস করতে হবে। বিধি অনুযায়ী তাদের মতের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হবে। ইসলাম নিয়ে মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস দিয়ে অহেতুক গলাবাজি করা আল্লাহ আহলে হাদিস ও আহলে কোরআনকে ইসলাম বিষয়ে জিজ্ঞাস করা যাবে না।

১০| ২৪ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:


রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের পর আমির, ওলামা ও আউলিয়া- কাকে মানবেন?

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

সূরাঃ ১০ ইউনুস, ৬২ থেকে ৬৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬২। সাবধান! আল্লাহর আওলিয়াদের কোন ভয় নেই।আর তারা দুঃখিতও হবে না।
৬৩। যারা ঈমান আনে এবং তাকওয়া অবলম্বন করে
৬৪। তাদের জন্য আছে সুসংবাদ দুনিয়া ও আখিরাতে। আল্লাহর বাণীতে কোন পরিবর্তন নাই। উহাই মহাসাফল্য।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

* রাসূলের (সা.) পর আমিরের অনুসরনের কথা আছে, কিন্তু ওলামা রাসূলের (সা.) ওয়ারিশ। সুতরাং ওলামা অভিমতের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হবে। সুতরাং ওলামা অভিমতের বাইরে আমির, আউলিয়া ও আলেমের অনুসরন ইসলাম নয়।ওলামা অভিমতে প্রথম খলিফা (আমির) হযরত আবু বকর (রা.)। তাঁর হাতে বাইয়াত গ্রহণে হযরত আলীর (রা.) বিলম্বে আল্লাহ তাঁর উপর থেকে নিরাপত্তা তুলে নিয়েছেন। তিন দল মুসলিম তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে এবং তাদের একদল তাঁকে হত্যা করেছে।যারা তাঁর শিয়া হয়েছে তারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে। আল্লাহ তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও তাদের হত্যাকান্ডের ব্যবস্থা করেছেন। তারপর থেকে মুসলিম-অমুসলিম সবাই তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে এবং তাদেরকে হত্যা করছে। তাদের বন্ধুরাও এর থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। কারা ওলামা?

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।


সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।

* আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের বাহক যারা শুরার মাধ্যমে কাজ করে তেমন চল্লিশ বছর বয়সি পুরুষ সাহাবা (রা.) এবং আখারিন (তাবে তাবেঈ) যাদের সাথে হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও রাসূলের (সা.) আহলে বাইত মুসলিম বিশ্ব ইমাম (আমির) যুক্ত তারা ওলামা। কারণ নারী ও চল্লিশের কম বয়সিরা ওহী বাহক নয়। ইসলাম বিষয়ে তাদের অভিমত অপরাধ। তাবে তাবেঈ ওলামার সাথে যুক্ত ছিলেন হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবির (সা.) আব্বাসীয় আহলে বাইত মুসলিম বিশ্ব আমির হারুনুর রশিদ। তিনি অভিন্ন হানাফী ফিকাহ পরিশোধন করে হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদন করলে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম ও পঁচাশি মুসলিম বিশ্ব আমির এর অনুসারী হয়। অহানাফীদের সাথে থাকেনি কোন মুসলিম বিশ্ব আমির। সুতরাং হানাফীর বাইরে কোন ওলামা নাই।হানাফী পাকিস্তানের হাতে আছে শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখার পারমানবিক অস্ত্র। তাদের তুর্কীরা বীর। তাদের আফগানরা অজেয়। তাদের বাংলাদেশীরা গেরিলা যোদ্ধা। বিশ্ব জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ জন সংখ্যা হয়ে বিশ্ব শাসনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে হানাফিরাই।সুতরাং হানাফীর বাইরে রাসূলের (সা.) ওয়ারিশ ওলামা তালাশ করা মূর্খতা।

২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৮

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:


সালেহীনদের অনুসারি সালাফী এবং সহিহ হাদিসের অনুসারি আহলে হাদিস মুসলমানদের অন্যতম প্রধান পথভ্রষ্ট গুষ্ঠি

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।


সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০১। মরুবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে তাদের কেউ কেউ মুনাফিক। মদীনাবাসীদের মধ্যেও কেউ কেউ মোনাফেকী রোগে আক্রান্ত। তুমি তাদের সম্পর্কে জান না। আমরা তাদের সম্পর্কে জানি।আমারা সিগ্র তাদেরকে দু’বার শাস্তি দেব। এরপর তারা মহা শাস্তির দিকে যাত্রা করবে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছে তার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য, তারা শপথ করেই বলবে তারা ভাল কিছু করার জন্যই ওটা করেছে; আর আল্লাহ সাক্ষি দিচ্ছেন নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

* রাসূলের (সা.) নেতৃত্বে ওলামার শুরায় গঠিত অভিন্ন ফিকাহ ছিল আল্লাহর দ্বীন।রাসূলের (সা.) সময় এর সাথে যারা মতভেদে লিপ্ত হতো তারা ছিল মোনাফেক। রাসূলের (সা.) পর আমিরের শুরায় গঠিত অভিন্ন ফিকাহ আল্লাহর দ্বীন। রাসূলের (সা.) পর আমিরের শুরায় গঠিত অভিন্ন ফিকাহের সাথে যারা মতভেদে লিপ্ত তারা হলো মোনাফেক। তাদেরকে সালেহ মনে করে তাদের অনুসারী হলে মুমিন না হয়ে মোনাফেক হতে হয়। কে সালেহ কে মোনাফেক সেটা মানুষ নয় বরং আল্লাহ ভালো জানেন। সেজন্য কোন লোককে সালেহ মনে করে তার অনুসারি হওয়া ইসলাম নয়। মোনাফেক ছিল সালেহ এর দক্ষ অভিনেতা। ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এরা নিজের কথাকে হাদিস হিসাবে প্রচার করতো। সুতরাং যারা আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ বাদ দিয়ে মোনাফেকের হাদিসের অনুসারি হয়ে আহলে হাদিস হয়েছে তারা মহানবির (সা.) অনুসারি না হয়ে অজ্ঞাতে মোনাফেকের অনুসারি হয়েছে। আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়। মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস দ্বারা মোনাফেক সালেহ লোকদেরকে বিভ্রান্ত করে মোনাফেক সালাফী বানায় এবং মোনাফেকের হাদিসের অনুসারি আহলে হাদিস বানায়। সেজন্য অভিন্ন ফিকাহ বিরোধী সালাফী ও আহলে হাদিস সুনিশ্চিতভাবে পথভ্রষ্ট।

সূরাঃ ২ বাকারা,৩১ নং থেকে ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩১। আর তিনি আদমেকে (আ.) সব জিনিসের নাম শিখালেন। তারপর সেগুলো ফেরেশতাদের সামনে হাজির করলেন। তারপর বললেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে আমাকে এসব বস্তুর নাম বলে দাও।
৩২। তারা বলেছিলো, আপনি মহান পবিত্রময়। আপনি আমাদেরকে যা শিক্ষা দিয়েছেন এর বাইরে আমাদের কোন জ্ঞান নেই। নিশ্চয়ই আপনি সর্ব জ্ঞানী, মহাকৌশলী।
৩৩। তিনি বললেন হে আদম! তুমি তাদেরকে ঐসবের নাম বলে দাও!এরপর যখন সে তাদেরকে ঐগুলোর নাম বলে দিলো, তখন তিনি (আল্লাহ) বললেন, আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, নিশ্চয়ই আমি আকাশ ও পৃথিবীর অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে জানি। আর তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর আমি তাও জানি।

সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ১৯ নং থেকে ২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৯। হে আদম! তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস কর।আর যা খুশী খাও। আর এ গাছের কাছে যেও না।তাহলে তোমরা যালিমদের মধ্যে গণ্য হবে।
২০। অতঃপর তাদের লজ্জাস্থান যা তাদের নিকট গোপন রাথা হয়েছিল তা’ তাদের কাছে প্রকাশ করার জন্য শয়তান তাদেরকে কুমন্ত্রণা দিল। আর সে বলল, তোমরা না আবার ফেরেশতা হয়ে যাও, অথবা এখানে স্থায়ী হয়ে যাও সেজন্য তোমাদের রব এ গাছ সম্বন্ধে তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন।
২১। সে তাদের নিকট কসম করে বলল, আমিতো তোমাদের নছিহতকারীদের একজন।
২২। এভাবে সে তাদেরকে ধোকা দিয়ে নীচু করল।তৎপর যখন তারা সে বৃক্ষফলের মজা গ্রহণ করল তখন তাদের লজ্জাস্থান তাদের নিকট প্রকাশ হয়ে পড়ল।আর তারা নিজেদেরকে জান্নাতের পাতা দ্বারা আবৃত করতে লাগল।তখন তাদের রব তাদেরকে ডেকে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে এ গাছের কাছে যেতে মানা করিনি? আর আমি কি বলিনি যে শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য দুশমন?

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

* আল্লাহ প্রশিক্ষিত বড় সালেহ হযরত আদম (আ.) শয়তানের ধোকায় পড়েছেন।সবচেয়ে বড় সালেহ রাসূলের (সা.) সাথেও আল্লাহ একটি বিষয়ে একমত হতে পারেননি। সাহাবায়ে কেরামের (রা.) বড় সালেহ হযরত আলীর (রা.) শিয়া বিভিন্ন শিয়ায় বিভক্ত হয়েছে। আল্লাহ তাদের জন্য যুদ্ধ ও হত্যাকান্ডের ব্যবস্থা করেছেন।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৪৯ হুজরাত, ১০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০। মু’মিনগণ পরস্পর ভাই ভাই; সুতরাং তোমরা ভাইদের মাঝে ইসলাহ (শান্তি স্থাপন) কর, আর আল্লাহকে ভয় কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।

* ওলামার শুরার অভিন্ন ফিকায় সত্যবাদী হযরত আবু বকর (রা.) খলিফা হলে গাদির খুমের হাদিসের কারণে হযরত আলী (রা.) তাঁর হাতে বায়াত গ্রহণে বিলম্ব করেন। তাতে আল্লাহ তিনি ও তাঁর আহলে বাইতের নিরাপত্তা তুলে নেন। তিন দল মুসলিম হযরত আলীর (রা.) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং একদল তাঁকে কাফের ফতোয়া্ দিয়ে হত্য করে। তাঁর পুত্র হযরত ইমাম হাসান (রা.) ইসলাহের মাধ্যমে যুদ্ধ এড়ালেও হত্যা এড়াতে পারেননি। একদল মুসলিম হযরত আলীর (রা.) পুত্র হযরত ইমাম হোসেনকে স্বপরিবারে হত্যা করে এবং হযরত ইমাম হোসেনের মাথা ইয়াজিদকে প্রদান করে। সাহাবায়ে কেরামের (রা.) অভিন্ন ফিকায় খলিফা হওয়া যরত আবু বকর (রা.) ছাড়া অন্য খলিফাগণ ও ইমামগণের সবাই হত্যাকান্ডের শিকার হন। হযরত মুয়াবিয়া (রা.) খলিফা না হয়ে বাদশা হয়ে কত্যাকান্ড থেকে রক্ষা পান। তখন তাঁদের দোষ ছিল অভিন্ন ফিকাহ মংকলন সা করা। অবশেষে আখারিনের ইমাম আবু হানিফা (র.) অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করে আমিরের অমান্যতার কারণে হত্যাকান্ডের শিকার হন। তারমানে ইসলামে অভিন্ন ফিকাহ মানলেই হবে না, তার সাথে আমিরকেও মানতে হবে।

সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

* আখারিনের (তাবে তাবেই) ইমাম আবু হানিফার (র.) পর তাদের আমির হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও রাসূলের (সা.) আব্বাসীয় আহলে বাইত ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আব্বাসী খলিফা হারুনুর রশিদ ইমাম আবুহানিফার (র.) অভিন্ন ফিকাহ পরিশোধন করে হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদন করেন। ইমাম আবু হানিফা তাবে তাবেঈ ছিলেন না বলে তাঁর শুরা আখারিনের শতভাগ বিশুদ্ধ শুরা ছিল না। কিন্তু খলিফা হারুনুর রশিদের শুরা ছিল আখারিনের শতভাগ বিশুদ্ধ শুরা। সুতরাং এ শুরায় পরিশোধীত হানাফী মাযহাব শতভাগ বিশুদ্ধ হয়েছে। এরপর আল্লাহ আব্বসীয় খলিফা ও তাদের হানাফী অনুসারি থেকে ছিয়াশি জন মুসলিম বিশ্ব আমির নিয়োগ দান করেন। অহানাফী থেকে আল্লাহ একজনও মুসলিম বিশ্ব আমির নিয়োগ করেননি। আল্লাহ যেহেতু মুসলিম বিশ্ব আমিরের অনুসরন ফরজ করেছেন সেহেতু মুসলিম বিশ্ব আমিরের অনুসরনে হানাফী মাযহাবের অনুসারি হওয়া ফরজ। এর বিরোধী সালেহ আসলে মোনাফেক এবং এর বিরোধী হাদিস মূলত মোনাফেকের হাদিস। সুতরাং হানাফী বিরোধী সালেহ ও হাদিস মেনে হেদায়াত পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই। সুতরাং মোনাফেক সালেহ এবং তাদের হাদিসের অনুসারী আহলে হাদিস সুনিশ্চিতভাবে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান পথভ্রষ্ট গুষ্ঠি। হানাফী বিরোধী হাদিস মূলত সেই হাদিস যা ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে রচনা করে প্রচার করা হয়েছে এবং পরে এগুলোকে আবার সহিহ আবরণ দেওয়া হয়েছে। অজ্ঞ লোকেরা এসব না বুঝে তথাকতিথ সালাফী ও আহলে হাদিসের অনুসারি হয়ে তাদের সাথে জাহান্নামের যাত্রী হচ্ছে।

১১| ২৬ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪০

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:

শুরার মাধ্যমে কাজ করা চল্লিশের বেশী বয়সি পুরুষ ওলামার সাথে থাকা আলেম, আউলিয়া ও আমিরের অনুসারি হবেন

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে ওলামাই (আলেমরা) তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।

* শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করা চল্লিশের বেশী বয়সি পুরুষ ওলামার সাথে থাকার কারণ তাদের কারো দ্বারা মিথ্যা প্রকাশ পেলে তাদের অন্যরা এটা সংশোধন করে বিধায় দলগতভাবে তারা সত্যবাদী। আর সত্যবাদীদের সাথে থাকার বিষয়ে আল্লাহর স্পষ্ট আদেশ রয়েছে। চল্লিশ বছরের বেশী ও পুরুষ হওয়া শর্তের কারণ চল্লিশ বছরের বেশী ও পুরুষ হওয়া ওহী বাহক হওয়ার শর্ত।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৪৯ হুজরাত, ১০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০। মু’মিনগণ পরস্পর ভাই ভাই; সুতরাং তোমরা ভাইদের মাঝে ইসলাহ (শান্তি স্থাপন) কর, আর আল্লাহকে ভয় কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

সূরাঃ ২১ আম্বিয়া, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। তোমার পূর্বে আমি ওহীসহ পুরুষ পাঠিয়েছিলাম; তোমরা না জানলে আহলে যিকরকে (যিকর সমৃদ্ধ)জিজ্ঞাসা কর।

* আল্লাহর সুস্পষ্ট বার্তা সত্যবাদীদের সাথে থাকা, শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করা চল্লিশের বেশী বয়সি পুরুষ ওলামার সিদ্ধান্তে খলিফা হওয়া সত্যবাদী হযরত আবু বকরের (রা.) বাইয়াত গ্রহণে বিলম্বের কারণে হযরত আলীও (রা.) তাঁর আহলে বাইতের উপর থেকে আল্লাহ নিরাপত্তা তুলে নেন। তারপর তিনদল মুসলিম তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। যাদের একদল তাঁকে কাফের ফতোয়া দিয়ে হত্যা করে। তাঁর পুত্র ইমাম হাসান (রা.) ইসলাহের মাধ্যমে যুদ্ধ ঠেঁকাতে পারলেও হত্যা ঠেঁকাতে পারেননি। তাঁর পুত্র হযরত ইমাম হোসেন (রা.) যুদ্ধ ও হত্যা কোনটাই ঠেঁকাতে পারেননি। তাঁদের শিয়া বহু দলে বিভক্ত হয়েছে। আল্লাহ তাদের ও তাদের বন্ধুদের যুদ্ধ ও হত্যার ব্যবস্থা করেছেন। এখন মুসলিম-অমুসলিম সবাই তাদের সাথে যুদ্ধ করে তাদেরকে হত্যা করে। নারী হওয়ার কারণে হযরত আয়েশা (রা.) ইসলামী নেতৃত্বে সাফল্য পাননি। অন্য নারী যারা নেতৃত্বে সাফল্য পেয়েছেন তাঁরা ইসলামী নেত্রী নন।

সূরাঃ ২ বাকারা,৩১ নং থেকে ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩১। আর তিনি আদমেকে (আ.) সব জিনিসের নাম শিখালেন। তারপর সেগুলো ফেরেশতাদের সামনে হাজির করলেন। তারপর বললেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে আমাকে এসব বস্তুর নাম বলে দাও।
৩২। তারা বলেছিলো, আপনি মহান পবিত্রময়। আপনি আমাদেরকে যা শিক্ষা দিয়েছেন এর বাইরে আমাদের কোন জ্ঞান নেই। নিশ্চয়ই আপনি সর্ব জ্ঞানী, মহাকৌশলী।
৩৩। তিনি বললেন হে আদম! তুমি তাদেরকে ঐসবের নাম বলে দাও!এরপর যখন সে তাদেরকে ঐগুলোর নাম বলে দিলো, তখন তিনি (আল্লাহ) বললেন, আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, নিশ্চয়ই আমি আকাশ ও পৃথিবীর অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে জানি। আর তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর আমি তাও জানি।

সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ১৯ নং থেকে ২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৯। হে আদম! তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস কর।আর যা খুশী খাও। আর এ গাছের কাছে যেও না।তাহলে তোমরা যালিমদের মধ্যে গণ্য হবে।
২০। অতঃপর তাদের লজ্জাস্থান যা তাদের নিকট গোপন রাথা হয়েছিল তা’ তাদের কাছে প্রকাশ করার জন্য শয়তান তাদেরকে কুমন্ত্রণা দিল। আর সে বলল, তোমরা না আবার ফেরেশতা হয়ে যাও, অথবা এখানে স্থায়ী হয়ে যাও সেজন্য তোমাদের রব এ গাছ সম্বন্ধে তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন।
২১। সে তাদের নিকট কসম করে বলল, আমিতো তোমাদের নছিহতকারীদের একজন।
২২। এভাবে সে তাদেরকে ধোকা দিয়ে নীচু করল।তৎপর যখন তারা সে বৃক্ষফলের মজা গ্রহণ করল তখন তাদের লজ্জাস্থান তাদের নিকট প্রকাশ হয়ে পড়ল।আর তারা নিজেদেরকে জান্নাতের পাতা দ্বারা আবৃত করতে লাগল।তখন তাদের রব তাদেরকে ডেকে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে এ গাছের কাছে যেতে মানা করিনি? আর আমি কি বলিনি যে শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য দুশমন?

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

* আল্লাহ প্রশিক্ষিত সেরা মানুষ হযরত আদম (আ.) শয়তানের ধোকায় পড়েছেন। আল্লাহর প্রশিক্ষিত সাইয়েদুল মুরসালিন মহানবির (সা.) অন্তত একটি মতের সাথে আল্লাহ একমত হননি। সুতরাং ওলামার সাথে না থাকা আলেম, আউলিয়া, পীর ও আমিরের আনুগত্য সঠিক নয়। ইয়াজিদের আনুগত্যের সমস্যা এখানে। কারণ সে ওলামার শুরার সিদ্ধান্তে আমির হয়নি। একই কারণে তার পিতা হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ওলামা কর্তৃক আমির খেতাব না পেয়ে বাদশা খেতাব পেয়েছেন।

সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৯। অতঃপর আল্লাহর অনুগ্রহ এই যে, তুমি তাদের প্রতি কোমল হৃদয়। তুমি কর্কশ ভাষী কঠোর হৃদয় হলে তারা তোমার কাছ থেকে সরে পড়তো। অতএব তুমি তাদেরকে ক্ষমা কর ও তাদের জন্য ক্ষমা চাও, আর কাজের বিষয়ে তাদের সথে পরামর্শ কর। এরপর সিদ্ধান্তে উপনিত হলে আল্লাহর উপর ভরসা কর। আর আল্লাহ ভরসাকারীগণকে ভালোবাসেন।

* আখারিন তথা তাবে তাবেঈ শুরার অভিমত সঠিক হওয়া বিষয়ে সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতে বার্তা আছে। হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবির (সা.) আব্বসীয় আহলে বাইত ইব্রাহীম বংশিয় মুসলিম বিশ্ব শাসক হারুনুর রশিদের শুরা ছিল শতভাগ আখারিন তথা তাবে তাবেঈ শুরা। উক্ত শুরায় ইমাম আবু হানিফার (র.) অভিন্ন ফিকাহ পরিশোধীত হয়ে হানাফী মাযহাব নামে গৃহিত হলে পঁচাশি মুসলিম বিশ্ব আমির এর অনুসারি হয়। তাঁদের সাথে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম হানাফী হয়। যারা হানাফী নয় তাদের সাথে কোন মুসলিম বিশ্ব আমির ছিল না। সুতরাং অহানাফী আলেম, আউলিয়া ও আমিরের অনুসরন ইসলাম নয়। হানাফীদের মাঝেও যারা ওলামার মতে চলে না এমন আলেম, আউলিয়া, পীর ও আমিরের অনুসারি হওয়া যাবে না। কারো একক মত রাসূলের (সা.) মত যেখানে আল্লাহর পছন্দ হয়নি সেখানে কে তার একক মতের অনুসারী হতে মুসলিমদেরকে উপদেশ দেয়? এমন লোক আলেম, পীর, ওলী, আমির নয় বরং ইবলিশ। সুতরাং হানাফী ওলামার শুরা গঠন কর, তারপর সেই শুরার মত প্রচার কর। কারণ এর বাইরে ইসলাম নাই। কে তাইমিয়া, কে বিন বায, কে আলবানি এসব ইসলামে বলার বিষয় নয়। রাসূলও (সা.) শুরার মতে চলতেন। তাঁর যে মত শুরার মত ছিল না তাঁর সে মত সঠিক না হওয়া ছিল আল্লাহর মত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.