নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সব কিছু নিয়াই নাড়াচাড়া করি তবে ভেঙে পড়ার ভয় নাই।

মো: ফজলুল হক পিয়াশ

ওয়েব সাইট ডেভেলপার এবং সফটওয়্যার ডেভেলপার, ভিশন ষ্টুডিও সফটওয়্যার।

মো: ফজলুল হক পিয়াশ › বিস্তারিত পোস্টঃ

রোযা না রাখার ভয়ানক শাস্তি।

১৪ ই জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৪:১৮

হাদীসে কুদসীতে রয়েছে, আবূ হুরায়রা রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘আল্লাহ বলেছেন, রোযা ছাড়া আদম সন্তানের প্রতিটি কাজই তার নিজের জন্য; শুধু রোযা ছাড়া। কারণ, তা আমার জন্য। তাই আমিই এর প্রতিদান দেব। রোযা ঢাল স্বরূপ। রোযা রাখার দিন তোমাদের কেউ যেন অশ্লীলতায় লিপ্ত না হয় এবং ঝগড়া বিবাদ না করে। যদি কেউ তাকে গালি দেয় অথবা তার সাথে ঝগড়া করে তাহলে সে যেন বলে আমি রোযাদার। যাঁর হাতে মুহাম্মদের জীবন তাঁর শপথ! অবশ্যই (অনাহারের দরুণ সৃষ্ট) রোযাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মিশকের সুগন্ধির চেয়েও সুগন্ধিময়। রোযাদারের জন্য রয়েছে দু’টি আনন্দের সময় : একটি হলো ইফতারের সময় আর অপরটি (কিয়ামতের দিন) তার প্রভুর সাথে সাক্ষাতের সময়।’ [বুখারী : ১৯০৪; মুসলিম : ২৭৬২]



হযরত আবু উমামা রা. বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা: ) বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। স্বপ্নে দেখলাম আমার নিকট দুই ব্যাক্তি আগমন করল। তারা আমাকে বলল, আপনি পাহাড়ের উপরে উঠুন। আমি বললাম, আমি তো উঠতে পারবো না। তারা বলল, আমরা আপনাকে সহজ করে দিব। আমি উপরে উঠলাম। যখন পাহাড়ের সমতলে পৌছালাম, হঠাত ভয়ঙ্কর আ্ওয়াজ শুনতে পেলাম। আমি বললাম, এসব কিসের আ্ওয়াজ? তারা বলল, এটা জাহান্নামীদের আর্তনাদ। তারপর তারা আমাকে নিয়ে এগিয়ে চলল। হঠাত কিছু লোক পেলাম, যাদেরকে তাদের পায়ের মাংসপেশী দ্বারা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এবং তাদের মুখের দুই প্রান্ত ছিড়ে ফেলা হয়েছে এবং তা থেকে রক্ত ঝড়ছে।



আমি বললাম, এরা কারা? তারা বলল, যারা ইফতারের সময় হ্ওয়ার আগেই রোযা ভেঙ্গে ফেলে।

- সহীহ ইবনে খযাইমা, হাদীস :১৯৮৬; সহীহ ইবনে হিববান, হাদীস : ৭৪৪৮;



আল্লাহ আমাদেরকে সহীহভাবে রোযা রাখার তৌফিক দান করুন। আমিন।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৩

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: রোজার নামে যারা ভণ্ডামি করে, তাদের পরিণতি কি?
পড়ার আহবান জানাই
হ্যাপি মাহে রমজান, ক্ষুধা ও খাদ্য বিলাস শুভ হোক
Click This Link

২| ১৪ ই জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৬

বাংলাদেশী দালাল বলেছেন: আল্লাহ আমাদেরকে সহীহভাবে রোযা রাখার তৌফিক দান করুন। আমিন।

৩| ১৪ ই জুলাই, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৩

রিওমারে বলেছেন: হযরত আবু উমামা রা. বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা: ) বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। স্বপ্নে দেখলাম আমার নিকট দুই ব্যাক্তি আগমন করল। তারা আমাকে বলল, আপনি পাহাড়ের উপরে উঠুন। আমি বললাম, আমি তো উঠতে পারবো না। তারা বলল, আমরা আপনাকে সহজ করে দিব। আমি উপরে উঠলাম। যখন পাহাড়ের সমতলে পৌছালাম, হঠাত ভয়ঙ্কর আ্ওয়াজ শুনতে পেলাম। আমি বললাম, এসব কিসের আ্ওয়াজ? তারা বলল, এটা জাহান্নামীদের আর্তনাদ। :P :P

কেয়ামত সম্পন্ন হওয়ার পরে নির্ধারন হবে কে জান্নাতে যাবে আর কে জাহান্নামে যাবে। কেয়ামত তো এখন ও সম্পন্ন হয় নাই তাহলে কারা জাহান্নামে চিৎকার করতে ছিল??

এই সব ছাগল মার্কা হাদিস বলে নবীর মহাত্য ক্ষুন্ন করার কি মানে??

একমাত্র কান্ডজ্ঞানহীন মানুষ এ গুলো বিশ্বাস করবে।।

১৫ ই জুলাই, ২০১৩ সকাল ৮:৪২

মো: ফজলুল হক পিয়াশ বলেছেন: দেখুন ভাই, এটা একটা হাদীস। যার রেফারেন্স আছে (- সহীহ ইবনে খযাইমা, হাদীস :১৯৮৬; সহীহ ইবনে হিববান, হাদীস : ৭৪৪৮; )

এটা আমার কথা নয়।

আরেকটা কথা (আমি রাসুলুল্লাহ্ (সা: ) বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। স্বপ্নে দেখলাম আমার নিকট দুই ব্যাক্তি আগমন করল।)

সে স্বপ্নে দেখেছিলেন।

এর থেকে কি আপনি কিছু বুঝতে পারতেছেন?

আপনি স্বপ্নে দেখতে পারেন আপনি জান্নাতে চলে গেছেন। আসলে কি তাই?

আপনি আপনার কমেন্ট করার আগে এইটুকু চিন্তা করলেই আপনি আপনার উত্তর পেয়ে যেতেন।

আল্লাহ্ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন। আমিন।

ধন্যবাদ।

৪| ১৪ ই জুলাই, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২১

রেজওয়ানা আলী তনিমা বলেছেন: বাংলাদেশী দালাল বলেছেন: আল্লাহ আমাদেরকে সহীহভাবে রোযা রাখার তৌফিক দান করুন। আমিন।

৫| ১৫ ই জুলাই, ২০১৩ সকাল ৯:১৭

আরজু পনি বলেছেন:

হাদীস গ্রন্থের মধ্যে আমি সহীহ বুখারী শরীফকেই ভরসা করে থাকি ।

আর খেয়াল করেছি, হাদীস গ্রন্থ গুলোর মধ্যে সিহাহ সিত্তা হিসেবে যে ক্রম আছে তার উপরের দিকের গুলো ফলো করাই ভালো ।।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.