| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মো: ফজলুল হক পিয়াশ
ওয়েব সাইট ডেভেলপার এবং সফটওয়্যার ডেভেলপার, ভিশন ষ্টুডিও সফটওয়্যার।
১. ইফতার এবং সেহরির নিয়ত করা
ইফতার এবং সেহরির সময় নিয়ত এর উদ্দ্যেশ্যে মুখ দিয়েদুআউচ্চারণ করা শরীয়ত সম্মত নয়। ইফতার এবং সেহরির যে সকল দুআ আমাদের দেশে প্রতি বছর ইসলামিক ক্যালেন্ডারগুলিতে প্রকাশিত হয় সেগুলো বিদআত। ইফতার অথবা সেহরির জন্য নির্দিষ্ট কোন দুআ সহিহ হাদিস এ নেই। এক্ষেত্রে শুধু মনে মনে নিয়ত করলেই ইনশাআল্লাহ হবে।
২. রোযা ভাঙতে দেরি করাঃ
আমাদের অনেকেই ইফতারের সময় মাগরিবের আযান শেষ হওয়া পর্যন্ত বসে থাকেন, আযান শেষ হলে রোযা ভাঙেন। সূর্য অস্ত যাবার পর আযান দেওয়ার সাথে সাথে রোযা ভাঙা সুন্নাহ সম্মত। আনাস(রাঃ) বলেন,“রাসুলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এটাই করতেন।(মুসলিম)
৩. ইফতার বেশি খেতে গিয়ে মাগরিবের নামায জামাআত ধরতে না পারাঃ
আমরা অনেকেই ইফতারিতে এত বেশি খাবার নিয়ে বসি যে সেগুলো শেষ করতে গিয়ে মাগরিবের জামাআত ধরতে পারিনা। এটা একেবারেই অনুচিত। রাসুল(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কয়েক টুকরা খেজুর মুখে দিয়ে ইফতার ভেঙে অতঃপর মাগরিবের নামাজ এর জন্য চলে যেতেন। নামাজ শেষ করে এসে আমরা ফিরে এসে ইচ্ছা করলে আরও কিছু খেতে পারি।
৪. আমাদের দুআ কবুল হওয়ার সুযোগ ছেড়ে দেওয়াঃ
সিয়াম পালনকারী ব্যক্তির দুআ রোযা ভাঙার সময় আল্লাহর নিকট কবুল হয়ে থাকে। রাসুল(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেন,“তিন ধরনের ব্যক্তির দুআ ফিরিয়ে দেওয়া হয়না- ১)একজন পিতার দুয়া, ২)রোযাদার ব্যক্তির দুয়া, ৩)মুসাফিরের নামাজ”।(বায়হাকি)
আমরা এই সময়ে দুআ না করে বরং খাবার পরিবেশন,কথাবার্তা ইত্যাদি নিয়ে ব্যস্ত থাকি। আমাদের চিন্তা করা উচিৎ কোনটা আমাদের দরকার- খাবার নাকি দুআ কবুল হওয়া ?
৫. রোযা রাখা অথচ নামাজ না পরাঃ
সিয়াম পালনকারী কোন ব্যক্তি নামাজ না পরলে তার সিয়াম কবুল হয়না। রাসুল(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেন,“সালাত(নামাজ) হচ্ছে ঈমান এবং কুফর এর পার্থক্যকারী”।(মুসলিম)
আসলে শুধু সিয়াম নয়,সালাত(নামাজ) না পরলে কোন ইবাদতই কবুল হয়না।
রাসুল(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেন,“যে আসরের সালাত পরেনা, তার ভাল কাজসমূহ বাতিল হয়ে যায়।”(বুখারি)
২|
১৫ ই জুলাই, ২০১৩ সকাল ১১:০০
অবাক েরাবট বলেছেন:
ইফতার অথবা সেহরির জন্য নির্দিষ্ট কোন দুআ সহিহ হাদিস এ নেই। একদম সত্য কথা , কিন্তু সহজে কাউকে বুঝানো যায়না ।
১৫ ই জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১২:২০
মো: ফজলুল হক পিয়াশ বলেছেন: ইনশাআল্লাহ । সবাই বুঝবে যদি আমরা বুঝাতে পারি। নিশ্চয়ই আল্লাহ সবাইকে সঠিক বুঝ দান করেন।
৩|
১৫ ই জুলাই, ২০১৩ সকাল ১১:১০
হাসিবুল ইসলাম বাপ্পী বলেছেন: +++++++++++++++++
ধইন্না
৪|
১৫ ই জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১২:১৬
বাংলাদেশী দালাল বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট।
৫|
১৫ ই জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১:১৫
উষা বলেছেন: ইফতার অথবা সেহরির জন্য নির্দিষ্ট কোন দুআ সহিহ হাদিস এ নেই। একদম সত্য কথা , কিন্তু সহজে কাউকে বুঝানো যায়না ।
দেশের ৯৫% মুসলিম ভাই ও বোনেরা আপনার এই বক্তব্যের সাথে একমত নয়, তাহলে কি তারা সবাই বিপথগামী?
দেশের জাতীয় মসজিদ তথা ৯৫% মসজিদে ২০ রাকাত খতম তারাবী আদায় করা হচ্ছে, এটা কি ঠিক? না ৮ রাকাত তরাবী আদায় করা ঠিক?
সহিহ হাসিদ কোনটি আর ভুল হাদিস কোনটি?
আহলে হাদীস কি? বিস্তারিত বলবেন কি?
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই জুলাই, ২০১৩ সকাল ১০:০৯
নিজাম বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। রোজা রাখার নিয়ত করা ও ইফতারের নিয়ত করা জরুরী নয়। কেউ যদি পড়ে পড়তে পারে, কিন্তু এটাকে জরুরী মনে করা অবশ্যই গুনাহের কাজ।