নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সব কিছু নিয়াই নাড়াচাড়া করি তবে ভেঙে পড়ার ভয় নাই।

মো: ফজলুল হক পিয়াশ

ওয়েব সাইট ডেভেলপার এবং সফটওয়্যার ডেভেলপার, ভিশন ষ্টুডিও সফটওয়্যার।

মো: ফজলুল হক পিয়াশ › বিস্তারিত পোস্টঃ

সহীহ হাদীস । (বুখারী শরীফ)

১৫ ই জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৫:২০

১) ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহে অসাল্লাম) একবার মদীনা বা মক্কার কোন এক বাগানের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি মন দুব্যাক্তির আওয়াজ শুনতে পেলেন, যাদের কবরে আযাব হচ্ছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহে অসাল্লাম) বললেন: এদের দুজনকে আযাব দেয়া হচ্ছে, অথচ কোন বড় গুনাহের জন্য এদের আযাব দেয়া হচ্ছে না। তারপর তিনি বললেন: হ্যাঁ, এদের একজন তার পেশাবের নাপাকি থেকে সতর্কতা অবলম্বন করতো না। আর একজন চোগলখুরী করত। তারপর তিনি একটি খেজুরের ডাল আনালেন এবং তা ভেঙ্গে দু’খন্ড করে প্রত্যেকের কবরের উপর একখন্ড রাখলেন। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হল, ইয়া রাসূলুল্লাহ! এরুপ কেন করলেন? তিনি বললেন: হয়ত তাদের আযাব কিছুটা লাঘব করা হবে, যতদিন পর্যন্ত এ দুটি না শুকায়।



২) সূওয়ায়দ ইবনুন নুমান (রা) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন: খায়বার যুদ্ধের বছর আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে অসাল্লাম) এর সাথে বের হলাম। সাহবা নামক স্থানে পৌছে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে অসাল্লাম) আমাদের নিয়ে আসরের সালাত আদায় করলেন। সালাত শেষে তিনি খাবার আনতে বললেন। ছাতু ছাড়া আর কিছু আনা হলো না। আমরা তা খেলাম এবং পান করলাম। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে অসাল্লাম) মাগরিবের জন্য দাঁড়িয়ে কুলি করলেন; তিনি (নতুন) উযূ করলেন না।



৩) আয়িশা (রা) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে অসাল্লাম) বলেছেন: সালাত আদায়ের অবস্থায় তোমাদের কারো যদি তন্দ্রা আসে তবে সে যেন ঘুমের রেশ কেটে না যাওয়া পর্যন্ত ঘুমিয়ে নেয়। কারণ, তন্দ্রাবস্থায় সালাত আদায় করলে সে জানতে পারবে না, সে কি ক্ষমা চাইছে, না নিজেকে গালি দিচ্ছে।



৪) যদি ঈমান থাকে তাহলে হয়তবা বিশ্বাস করবেন -



পৃথিবীর সেরা সম্পদশালীদের তালিকাঃ



* মুকেশ আম্বানী, মোট সম্পদের পরিমাণ: ২৭$ বিলিয়ন, প্রতিষ্ঠান-পেট্রোকেমিক্যাল

* ই. বাতিস্তা, সর্বমোট সম্পদের পরিমাণ: ৩০$ বিলিয়ন, প্রতিষ্ঠান-মিনিং অয়েল

* এমানসিও অরটেগা, সম্পদের পরিমাণ: ৩১$ বিলিয়ন, প্রতিষ্ঠান-জারা



* লক্ষী মিত্তাল, মোট সম্পদের পরিমাণ: ৩১.১$ বিলিয়ন, স্টীল ব্যবসা

* ল্যারী এলিসন, মোট সম্পদ: ৩৯.৫ বিলিয়ন, প্রতিষ্ঠান-অরাকল

* বার্নার্ড আরনল্ট, মোট সম্পদের পরিমাণ: ৪১$ বিলিয়ন, প্রতিষ্ঠান-LVMH



* ওয়ারেন বাফেট, মোট সম্পদের পরিমাণ: ৫০$ বিলিয়ন

* বিল গেটস, মোট সম্পদের পরিমাণ: ৫৬$ বিলিয়ন, প্রতিষ্ঠান-মাইক্রোসফট

* কার্লোস স্লীম, মোট সম্পদের পরিমাণ:৭৪$ বিলিয়ন, টেলিকম ব্যবসা



* যে ব্যাক্তি ফজরের দু রাকআত সুন্নাত সালাত আদায় করে ।



আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,

রাসূল (সা) বলেছেনঃ ফজরের পূর্বের দু' রাকআত (সুন্নাত) সালাত পৃথিবী ও পৃথিবীর সমস্ত সম্পদ অপেক্ষা উত্তম"



অন্য বর্ণনায় বলা হয়েছে, ঐ দুরাকআত (সুন্নাত সালাত) আমার নিকট দুনিয়ার সবকিছু থেকে অধিক প্রিয়।



[সহীহ মুসলিম হাদীস/২৫, মিশকাত হা/১১৬৮]



--------------------------------------------------------------------------



৫) রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন: হযরত

মূসা (আ: ) কে আল্লাহ বললেনঃ

হে মূসা! তুমি কি এটা চাও যে,

আমি তোমার ঘরে তোমার সাথে থাকি?

এই শুনে হযরত মূসা (আ) আল্লাহর

উদ্দেশে সিজদায় রত হলেন; তারপরে বললেনঃ হে আল্লাহ!

আপনি আমার সাথে আমার

ঘরে কিভাবে থাকবেন?

আল্লাহ বললেন: হে মুসা!

তুমি কি জান না-- আমাকে যে স্মরণ

করে আমি তার সঙ্গী হই? আর আমার বান্দা আমাকে যেখানে মনে করে,

সেখানেই আমাকে পেয়ে যায়।



[হাদীসে কুদসী]



ধন্যবাদ।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই জুলাই, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৭

পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ
শুভকামনা
আল্লাহ আমাদের রহমত ও হেদায়েত দিন ।।

২| ১৫ ই জুলাই, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২২

নাজমুল শািকল বলেছেন: পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ
শুভকামনা
আল্লাহ আমাদের রহমত ও হেদায়েত দিন ।।

৩| ১৫ ই জুলাই, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৩

রিওমারে বলেছেন: ১) ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহে অসাল্লাম) একবার মদীনা বা মক্কার কোন এক বাগানের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি মন দুব্যাক্তির আওয়াজ শুনতে পেলেন, যাদের কবরে আযাব হচ্ছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহে অসাল্লাম) বললেন: এদের দুজনকে আযাব দেয়া হচ্ছে, অথচ কোন বড় গুনাহের জন্য এদের আযাব দেয়া হচ্ছে না। তারপর তিনি বললেন: হ্যাঁ, এদের একজন তার পেশাবের নাপাকি থেকে সতর্কতা অবলম্বন করতো না। আর একজন চোগলখুরী করত। তারপর তিনি একটি খেজুরের ডাল আনালেন এবং তা ভেঙ্গে দু’খন্ড করে প্রত্যেকের কবরের উপর একখন্ড রাখলেন। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হল, ইয়া রাসূলুল্লাহ! এরুপ কেন করলেন? তিনি বললেন: হয়ত তাদের আযাব কিছুটা লাঘব করা হবে, যতদিন পর্যন্ত এ দুটি না শুকায়। :P :P

সহীহ হাদিস--- তার মানে ভ্যাজাল হাদিস ও আছে??

১ গন্ডমুর্খ মানুষ যা শোনে তাই বিশ্বাস করে।যুক্তি প্রমানের ধার ধারে না।

২ কোরানের কোণ সুরা বা আয়াতে কবরে আজাব হবে এই জাতীয় আয়াত আসে নাই ।থাকলে উল্লেখ করার অনুরোধ রইল।

৩ এই গুলো নবীর নামে মিথ্যা অপবাদ ছাড়া আর কিছু নয়।

৪ কথিত হাদিস মতে আল্লাহর হুকুমে যদি কবরে আজাব হয়ে থাকে তা হলে নবী তা বন্দ করার কে?? এটা কি আল্লার বিরোধিতা করার সামিল নয়।
৫ নবী কোরানের বাহিরে কোণ কথা বা কাজ করেন নাই। তা হলে এই হাদিস গুলোর ভিত্তি কি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.