নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ফোয়ারা

ফোয়ারা › বিস্তারিত পোস্টঃ

অনেকদিন পর সুষুপ্ত পাঠক\'দা কে নিয়ে আমার স্মৃতিকথা

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:১৫



আপনারা অনেকেই হয়তো সুষুপ্ত পাঠকের নাম শুনে থাকবেন। আজ থেকে প্রায় ২০/২২ বছর আগের কথা। নিরাপত্তার খাতিরে ওনার আসল নাম এবং পরিচয় গোপন করছি। কারনটা আপনারা হয়তো অনেকেই জেনে থাকবেন। জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ওনার খ্যাতিটাই ওনার নিরাপত্তার জন্য এখন হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে ওনার সর্বাঙ্গিক সাফল্য এবং মঙ্গল কামনা করছি।
ফিরে যাই যা বলছিলাম সেই প্রসঙ্গে, আজ থেকে প্রায় ২০/২২ বছর আগে ওনার সাথে আমার দেখা হয় আমাদের দোতলা ফ্ল্যাটে। ওনার মা আমাদের বাসায় কাজ করতেন। মাসিক ৩০০ টাকায় মোটামুটি সব কাজই করে দিতেন। আর আমার আম্মাও ছিলেন ভালো মানুষ। সেই সুবাদেই পাঠকদার মা তার সমস্ত সাংসারিক জটিলতা আমার মায়ের সাথে শেয়ার করতো। সেই সময় পাঠকদার বয়স কত হবে বলতে পারছিনা। তার মা কাজের সময় তাকে আমাদের সাথে রাখতেন, মাঝে মাঝে টুকটাক কাজও করে দিতে হতো পাঠকদাকে.....দোকানে পাঠানো, মাঝেমাঝে বাজারে যাওয়া এইসব আরকি। মাঝে মাঝে বাজার থেকে ফিরলে যে টাকা বাচতো, তার থেকে কিছু টাকা মা পাঠকদাকে দিতেন। ঈদ আসলে পাঠকদার মা আর পাঠকদার জন্য মা কাপড় চোপড় কিনে দিতেন। কোনো ঈদে পাঠকদার মার জন্য না পারলেও পাঠকদার জন্যতো থাকতোই।
ঈদের কথা আসায় আর একটা বিষয় মনে পরলো। আমাদের দুটি ধর্মীয় উৎসবেই অর্থাৎ ঈদ-উল-ফিতর এ যাকাত এবং ঈদ-উল-আযহায় কুরবানিকৃত মাংসের ৩ ভাগের ২ ভাগ আত্মীয় স্বজন আর গরীব দুখীদের দানের কথা বলা হয়েছে। আমি আমার মাকে সবসময়ই এই দায়িত্ব সততার সাথে পালন করতে দেখেছি। যাই হোক, পাঠকদার মা আমাদের বাসায় কাজ করতেন বলেই ওনার জন্য আলদা করে কুরবানির মাংস মা সবসময়ই রেখে দিতেন। সেই মাংস পেয়ে উনি যে কি পরিমান খুশি হতেন! একবার গরুর গোশত রান্না করে আমাদের জন্যও নিয়ে আসছিলেন....এবং বলা বাহুল্য ওনার রান্নার হাত কিন্তু যথেষ্টই ভালো। যাই হোক সেই পাঠকদাকে দেখলাম ঈদের কিছুদিন আগে থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত কুরবানি নিয়ে ইনিয়ে বিনিয়ে অনেক কথা লিখতে। এতে দেখলাম অনেকেরই ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে, তবে আমার ধর্মীয় অনুভূতিতে কিন্তু আঘাত লাগেনি। বরং আমি একটু অবাক হয়েছি।এক সময়কার ময়লা ছেঁড়া আপনার সেই সার্ট থেকেও যে দুর্গন্ধ ছড়াতো পাঠক দা!

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২৪

বিপ্লব৯৮৪২ বলেছেন: আপনি যদি তাকে চেনেন, তাহলে পরিচয় প্রকাশ করেন। তার ফেসবুক থেকে ছবি নিয়ে এইরকম পোস্ট দেয়া ঠিক না। আপনার সাথে তার যুগল ছবি দেখান।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৫৮

ফোয়ারা বলেছেন: তার সাথে আমার কেনো, তার মায়েরও কোনো যুগল ছবি আছে কিনা সন্দেহ.....আর তাছাড়া ওর পরিচয় কেনো প্রকাশ করা যাবেনা তা আমি আগেই বলেছি। কষ্ট করে আরেকবার দেখে নিন। ধন্যবাদ :) বিপ্লব৯৮৪২

২| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩৯

ব্রাইট স্‌মাইল্‌ বলেছেন: আপনি যে বোকার স্বর্গে বাস করেন তা বুঝতে কারো এতটুকু বেগ পেতে হয়না। শুধু তাই নয়, আপনি একজন হিংশুক, হীনমন্য এবং মিথ্যুক লোক। আপনি মনে করছেন আপনার এইসব মিথ্যা আর গাজাখুরি গাল গল্প লোকজন বিশ্বাস করে বগলে তালি বাজাবে। লোকজন আপনার মতো এতো মহা মূর্খ নয়।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৫৯

ফোয়ারা বলেছেন: পরবর্তীতে ওনার মানে পাঠকদার মার সাথে ওনার বাবার সম্পর্কের ধরন এবং সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে একটি ধারাবাহিক লিখা দিব আশা করছি......অবশ্যই আমি যতটুকু জানি এবং শুনেছি তা থেকেই। উদ্দেশ্য: আমার দেখা নিম্নবিত্ত সমাজে নারীর দুর্ভোগ। সাথে থাকবেন আশা করছি। @ব্রাইট স্‌মাইল্‌

৩| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৩০

আলেক্সান্ডার বলেছেন: ভালো লাগলো লেখাটি । আপনার দাদাটির(সুষুপ্ত পাঠক) জন্য সহানুভুতি রইল :)


২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৫৭

ফোয়ারা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে :) আলেক্সান্ডার

৪| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১২

সজীব আকিব বলেছেন:
হীনমানসিকতা প্রসূত বলদামি এরেই কয়।

৫| ১১ ই অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৩:২৬

জর্জ মিয়া বলেছেন: এরকম মিথ্যাচারের কারন কি আসলে বোধগম্য। হীনমানসিকতাই এর পেছনে দায়ী। লেখক যে কতটা নিচু মানসিকতার সেটা এখানেই প্রকাশ পায়। কর্তৃপক্ষকে এই বিষয় টা নজরে আনার জন্য অনুরোধ করছি। কেন এরকম মিথ্যাচার , বিশেদাগারপূর্ন লেখা প্রকাশ করেছেন লেখক ?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.