| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
একদিন খুব ভোরবেলা আমাদের বাসার দরজায় প্রচন্ড করাঘাত শুনে ঘুম ভেঙ্গ গেল আমার। মার সাথে সাথে দরজা পর্যন্ত এসে উৎসুক মুখে চেয়ে রইলাম। সাধারণত পাঠকদার মা আমাদের বাসায় কাজ করার জন্য দুপুর ১২ টার দিকে না হলেও তার একটু পর আসত। সেইদিন ভোর ৬ টা না বাজতেই দরজা খোলার পর দেখি সে দাড়িয়ে আছে। চোখ দুটি প্রচন্ড রকম লাল আর ফোলা। পরনে শাড়িটার বেশ কয়েক জায়গায় ছেড়া। ওনার পিছনেই খালি পায়ে দাড়িয়ে ছিল পাঠকদা। মা কিছুক্ষণ হতভম্ব চোখে দেখে নিলেন দুজনকে। আর তারপর বুঝে নিলেন ঘটনা কি ঘটেছে! পাঠকদাদের সঙ্গে একই বস্তিতে থাকা রইসুদ্দীন নামের এক লোককে ঘিরে সন্দেহ দানা বেঁধে কিছুদিন যাবৎ ই সংসারে চলছিল নানা রকম অশান্তি, তারই ফল হয়ত গত রাতে ওনাকে ভোগ করতে হয়েছে।
মা দুজনকে ভেতরে ডেকে নিলেন। শুধু চোখ দুটোই লাল আর ফোলা না, সারা শরীর জুরে এখানে সেখানে ক্ষত চিন্হ। একটা মানুষ কতটা পাশবিক হলে এতটা অত্যাচার করতে পারে! শুনেছি পাঠকদার বাবা তার প্রথম স্ত্রীর সাথে ছাড়াছাড়ি হবার পর প্রায় ৫৫ বছর বয়সে পাঠকদার মাকে বিয়ে করেন।এদিকে পাঠকদার মা ছিল সুন্দরী আর বয়সও যথেষ্ট কম।মা অবশ্য পরে বলেছিলেন পাঠকদার মায়ের ও দোষ কম নয়। রইসুদ্দীন নামের লোকটার সাথে তার মেলামেশার কথা সে নিজেই মাকে বলেছে। এমনকি মা নিজেও রইসুদ্দীন নামের লোকটিকে আমাদের বাসার নিচে দেখেছেন বেশ কয়েকবার, আর দেখেছেন পাঠকদার মাকে তার সাথে কথা বলতে।মা এনিয়ে ওকে সতর্কও করেছিলেন।
যাই হোক, আমি একবার পাঠকদার মায়ের সাথে তাদের বস্তিতে যাই।সেখানে বস্তি সংলগ্ন একটি মন্দীর ছিল। তখন মন্দীরে চলছিল দূর্গাপূজার অনুষ্ঠান। আমি দেখতে দেখতে অনেকটা কাছে চলে গিয়েছিলাম। এটি ছিল আমার জীবনের প্রথম কোনো মন্দীরে যাওয়া। এত কাছ থেকে দেবী দূর্গাকে দেখতে পাব কখনো ভাবি নি। একটা সময় দেখলাম মন্দীর থেকে বেরিয়ে কিছু লোকজন প্রসাদ দিচ্ছে।পাঠকদার মা আমাকে প্রসাদ এনে দিল। অন্যদিকে কিছু তরুন যুবকের দল কাঁঠাল ছুড়ে ছুড়ে দিচ্ছল সবাইকে। আমি অবশ্য কাঠাল খাই নি, কারণ কাঁঠাল আমার পছন্দ না।
০১ লা অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৮:৫২
ফোয়ারা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
২|
০১ লা অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৯:১৬
অর্বাচীন পথিক বলেছেন: ভাল লাগলো আপনার পাঠকদার আর তার মায়ের কাহিনী
০১ লা অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৯:১৮
ফোয়ারা বলেছেন: ধন্যবাদ
৩|
১১ ই অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৩:৩১
জর্জ মিয়া বলেছেন: অসত্য কে যতই রসিয়ে উপস্থাপন করা হোক না কেন সেখানে গোজামিল থাকবেই । এ যেন ইছলাম ধর্মেরই প্রতিরূপ। নবি মোহাম্মদ মিথ্যাচার করতে গিয়ে যেমন একের পরে এক গোঁজামিল দিয়েছেন লেখকও তার ব্যক্তিক্রম নন। যোগ্য উম্মত আপনি ফোয়ারা
৪|
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১২:৫৮
মাসূদ রানা বলেছেন: ঘটনা শুনে চুখে বারি চলে আসলো
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১১:০০
ফোয়ারা বলেছেন: কি আর বলব মাসুদ রানা ভাই ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৮:৪৮
প্রামানিক বলেছেন: বয়সের কারণেই হয়তো পাঠকদার মায়ের এই ঘটনা। সুন্দর কাহিনী। ধন্যবাদ।