| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হাবীব ইমন
গতকাল তোমার পত্র পেলুম। খুউব এলোমেলো। আনমরা ভরা। পত্রের প্রতিটি অক্ষরে অক্ষরে আমাকে নিয়ে তোমার প্রশংসার উল্লাস। আমি তা নই। আমি সাধারণ। সূর্যই একমাত্র শক্তি। অথচ বন্দনা করি জোছনার। গোলাপ আকর্ষণীয় সুন্দর। সবার কাছে প্রিয়, অথচ শাদামাটা কাশফুল। দ্যাখে না কেউ শুভ্র-শাদা ঐ কাশফুলের সৌন্দর্য। আমি ঠিক সেই কাশফুল হতে চাই।
কোনো পৌরাণিখ বিশ্বাস বা ভাবাদর্শ পোষণ, লালন, সংরক্ষণ কি রাষ্ট্রের দায়িত্ব? রাষ্ট্র যদি কোনো ভাবাদর্শ চালিয়ে দেয় তার অধিবাসীদের ওপর, তাহলে তা হবে ভাবাদর্শগত স্বৈরাচার। সব ধরনের ভাবাদর্শই সন্দেহজনক ও পীড়নমূলকই নয়, সেগুলো মানুষকে করে রাখে অন্ধ, তার মননশীলতাকে ব্যাহত করে তাকে বিকশিত হতে দেয় না। ... পৌরাণিক ভাবাদর্শের যদিও কোনো ভূমিকা নেই মানুষের জীবনে, তবু তা আজও শক্তিমান হয়ে আছে রাষ্ট্রযন্ত্রগুলোর পাহারায়। জ্ঞানীর জ্ঞানের থেকে রাষ্ট্রের কাছে বেশি মূল্যবান হয়ে আছে অন্ধের ভুল বিশ্বাস। আজকের বিজ্ঞানের যুগেও পৌরাণিক বিশ্বাসগুলোকে প্রবল করে তোলা হচ্ছে, মাতিয়ে তোলা হচ্ছে, মানুষকে পৌরাণিক বিশ্বাস দিয়ে; পরিহাসের বিষয় হচ্ছে, অসামান্য বৈজ্ঞানিক আবিস্কারগুলোই ব্যবহৃত হচ্ছে পৌরাণিক বিশ্বাসগুলো প্রচারে। পৌরাণিক বিশ্বাসগুলোর পক্ষে যেকোনো অসত্য প্রচার করা যায়, এবং প্রচার করা হচ্ছে নিয়মিত, কিন্তু চরম সত্যও বলা যায় না, যা বিরুদ্ধে যায় পৌরাণিক বিশ্বাসের।
:: হুমায়ুন আজাদ, ধর্মানুভূতির উপকথা
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৯:২৭
দিশার বলেছেন: সময় উপযোগী বক্তব্য .