নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভুলস্রোতের মাঝি

ভুলস্রোতের মাঝি › বিস্তারিত পোস্টঃ

জিনের সাথে প্রথম স্বাক্ষাৎ

১৫ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৫:৪০

ক্লাশ ৯ এর ফাইনাল পরীক্ষা শেষ করে গ্রামের বাড়িতে ( মানে দাদা বাড়িতে )বেড়াতে গিয়েছি ঈদের ছুটিতে । ঈদের সময় আমার দাদা বাড়িতে অনেক মজা হয়। সব কাজিনরা চলে আসে। পুরো বাড়ির পরিবেশটাই অন্যরকম হয়ে যায়। কিন্তু ঈদ ছারা এই বাড়ির পরিবেশটা একেবারে ভুতুরে টাইপের্। আসলে আমার দাদা বাড়িটা বরিশাল জেলার একেবারে শেষ সীমানায় অবস্থিত একটি অজপারাগায়ে। উন্নতির কোন ছোয়া এখানে খুজে পাওয়া মুশকিল। কিন্তু গ্রামের মানুশ গুলো খুব ভাল। আমার দাদা গ্রামের বিত্তশালীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।তাই অনেক জায়গা নিয়ে বাড়ি করেছিলেন উনি। একসময় এই বিশাল বাড়িতে মানুষের অভাব ছিলনা । কিন্তু আমার বাবা,চাচারা সবাই লেখা পড়া শেষে যার যার কর্মস্থলে স্থায়ি হয়েছেন বলে আস্তে আস্তে বিশাল বাড়িটি শুন্য হতে থাকে। এখন কেবল বাড়িটি পাহাড়া দিতে হাতেগোনা কয়েকজন বসবাস করেন। কিন্তু ঈদ,কিংবা কোন ছুটির মৌসুমে আবার বাড়িটি প্রাণ ফিরে পায়।



এবার বাড়িতে এসে আরও বেশি ভাল লাগছে,কেননা আমার আগেই আমার সব থেকে প্রিয় কাজিন আতিক চলে এসেছে । প্রথম কয়েকদিন ওর সাথে হেভি মাস্তি করে কাটালাম। দুজনেরি পরীক্ষা শেষ ,তাই সারাদিন খেলাধুলা আর টইটই করে সারা গ্রাম ঘুরে ফিরে কাটালাম। দিন যত যাচ্ছিল আমাদের আনন্দের পরিমানটাও তত বারছিল। একিতো ঈদ ঘনিয়ে আসতেছে,তার উপরে অন্য কাজিনদের চলে আসার সময় হয়ে আদছিল। আমরা আসলে ঈদের বেশ কিছুদিন আগে উপস্থিত হইছিলাম। যাইহোক,আমাদের এক কাজিন যে ছেলেমেয়ে সহ গ্রামের বাড়িতেই স্থায়িভাবে থাকেন ,উনি এসে যানালেন আগামিকাল সন্ধ্যায় উনি এক ফকির ডেকে জিন নামাবেন। জিন দিয়ে নাকি ভাবি এবং উনার মেয়ের চিকিৎসা করাবেন। উনি বল্লেন যে আমরা ইচ্ছে করলে সেখানে উপস্থিত থাকতে পারি,কিন্তু কোন দুষ্টামি করা যাবেনা। তাহলে জিন রেগে গিয়ে আমাদের ক্ষতি করতে পারে। আমরাতো উনার কথা শুনে দারুন উৎসাহবোধ করলাম।

বল্লাম যে কোনরকম দুষ্টামি করবনা। এটা আসলে আমাদের দুজনের জন্যেই দারুন এক এডভ্যাঞ্চার হবে বলে দুজনেই দারুন উত্তেজনায় একটি দিন পার করলাম। পরের দিন আমার বড় ভাইকেও এই বিষটি জানালাম। আমাদের সবার কাছে এই বিষটি একদম নতুন বলে ভাইয়াও অনেক আগ্রহি হল। যদিও বলেছিলাম দুষ্টামি করবনা। কিন্তু আমরা ৩ জনে মিলেই বুদ্ধি বের করতে লাগলাম কিভাবে এই ফকিরের জিন নামানোর রহস্য ধরা যায়।কেননা আমাদের ৩ জনের কেউই বিশ্বাস করতাম না যে মানুষ জিনকে নামাতে পারে । আর তারা এসে সবার সামনে কারও চিকিৎসা করতে পারে। তো অনেক ভেবে চিন্তে বের করলাম যে জিন যখন আসবে তখন আমাদের কাছে গোপনে রাখা ছোট্ট টর্চ লাইট জ্বেলে দেখব আসলেই ওটা জিন কিনা। ভাইয়ার কাছে মোবাইল ছিল।সে বলল যে ওইটার আলো জ্বেলে সেও দেখবে। যাইহোক ,এই করতে করতে সন্ধ্যা হয়ে এল। আমরা আমাদের মত প্রস্তুত হতে থাকলাম ।



অত:পর সন্ধ্যা নেমে আসল,আমাদের সাথে আরও একজন যোগ হলেন। তিনি আমাদের ছোট মামা। তিনি এ বিষয়ে অভিজ্ঞ। তাই তাকে দলে পেয়ে আমাদের উৎসাহ আরও প্রবল হল। রাত ঠিক ৮ টার দিকে আমাদের বাড়িতে ফকির এসে উপস্থিত হলেন। ফকির কে দেখে একটা ধাক্কার মত খেলাম । কারন আমরা যেরকম লোক আশা করেছিলাম উনি তার পুরাই বিপরিত। আমরা ধরে নিয়েছিলাম লোকটা বড় ঢিলাঢালা পাঞ্জাবি পাজামা পরা অবস্থায় আসবে। মুখে থাকবে বড় বড় দাড়িঁ । পুরাই একটা আধ্যাতিক ভাব থাকবে চেহারায়। কিন্তু যিনি এলেন তার ভিতরে কোন আধ্যাতিক ভাবতো ছিলই না বরং ক্লিন শেভ করা আর লংগি,শার্ট পরা এক মাঝ বয়সি ভদ্রলোক। যাইহোক,এতে আমাদের উৎসাহ আরও বাড়ল। কারন আমরা ধরেই নিলাম এই লোক ভাওতাভাজি ছারা আর কিছুই করবেনা। আমরা উনার চালাকি ধরার জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করতে লাগলাম। আর আমাদের ভিতরে চলছিল এক অদ্ভুত রোমাঞ্চকর অনুভুতি। এরি মধ্যে আসেপাশের বাড়ির লোকজনও খবর পেয়ে চলে এসেছে আমাদের বাড়ি। অনেকেই আবার চিকিৎসা নিতেই চলে এলেন। গ্রামে আবার এসব বিষয়ে সবার অনেক আগ্রহ। আমাদের ধৈর্যে আর কুলাচ্ছিলনা। ফকির বাবা তার কর্মের জোগারযর্ন্তে অনেক সময় নিচ্ছিলেন। জিন নাকি কি বিষয় নিয়ে ক্ষুত ক্ষুত করছিল। পরে জানলাম যে কয়েক মাস আগে আমার ঐ কাজিনের ১ মাস বয়সি একটা বাচ্চা মারা গেছে,জিন এ জন্য নামতে চাচ্ছেনা। এটা শোনার পর আমাদের মধ্যে আশা ভঙ্গের ছাপ দেখা দিল। কিন্তু অনেক জল্পনা কল্পনার পরে রাত ১০ টার অবশেষে ফকির বাবা ঘোষণা দিল জিন নামতে রাজি হইছে। এটা শোনার পর আমদের মাঝে আবার হারানো উৎসাহটা ফিরে এল।



রাত ১০ টায় আমরা সবাই একটা অন্ধকার রুমে ঢুকে অপেক্ষা করতে লাগলাম। কিছুক্ষন পরে ফকির বাবা রুমে ঢুকলেন। ঘর তখনো অন্ধকার্।

ঘরে ঢুকেই সবাইকে বল্লেন যার যার কাছে মোবাইল এবং টর্চ লাইট আছে উনাকে দিয়ে দিতে । আর লোহা জাতীয় কিছু থাকলে তাও দিয়ে দিতে। সবাই উনার কথা মত যার কাছে এসব জিনিস ছিল সব দিয়ে দিল। শুধু আমরা তিনজন ছারা। আমাদের মধ্যে ভাইয়া একটা মোবাইল লুকিয়ে রেখেছিল। আর আমার -আতিকের কাছে ছিল ছোট্ট একটা টর্চ। ফকির বাবা সবার কাছ থেকে জিনিসপত্র নিয়ে নিয়ে জিজ্ঞেস করলেন আর কিছু বাকি আছেভকিনা?আমরা সবাই বল্লাম না। ঠিক তখন ফকির বাবা আমাদের অবাক করে দিয়ে বল্লেন যে আমাদের তিনজনের কাছে একটা মোবাইল আর একটা টর্চ আছে যেন ওটা দিয়ে দেই। আমরা উনার কথা শুনে পুরা থ বনে গেলাম। কি আর করা,আগত্যা আমাদের জিনিসগুলো উনার হাতে সোপর্দ করলাম। আর প্রচন্ড অবাক হয়ে অন্ধকারেই ফকির বাবার দিকে তাকিয়ে থাকলাম।





ফকির বাবা এর পরে আমাদের আর কিছু বল্লেননা। ধ্যানে বসে গেলেন। উনার এই সুপার ন্যাচারাল পাওয়ার দেখে একটু অবাক হলেও দমে যাওয়ার পাত্র আমরা নই। তাই আমরা ভাল ভাবে দেখতে থাকলাম উনি কি করেন। কোথায় উনার ত্রুটি খুজে পাওয়া যায়।

বেশকিছুটা সময় এমনি পার হয়ে যাওয়ার পর আমরা হঠাৎ তীব্র বেলীফুলের ঘন্ধ পাওয়া শুরু করলাম। আশেপাসের সবাই বলাবলি করছিল তারা চলে এসেছে। গন্ধটা তীব্র থেকে আরও তীব্রতর হল। আমরা তিনজনের কেউই ঘন্ধের কোন কুলকিনারা খুজে পেলামনা । পাশ থেকে মামা বলল আসার আগে ওরা এমনি ঘন্ধ ছরায়। আমরা তাদের আসার অপেক্ষায় তাকিয় রইলাম অন্ধকার পানে। হঠাৎ ঘরদোর কাপিয়ে কি যেন আমাদের অন্ধকার রুমে ঢুকলো। তার আগে বলে নেই আমরা যে ঘরটায় ছিলাম তা ছিল কাঠের তৈরি,তার পাটাতন ও ছিল কাঠের এবং আলগা। আর সেই আলগা পাটাতনের উপরে রাখাছিল অনেক শুকনো শুপারি। তো যে জিনিসটা ঘরে ঢুকলো সেটা সেই আলগা পাটাতন ঝাকি দিয়ে সব সুপারি ফেলে দিল আর সুপারি গুলো ছুরে মারল আমাদের সবার গায়ে। এরপর কোথাথেকে যেন lলাঠির মত কি একটা এনে শুরু করল এলোপাথারি মারা। কিন্তু কারও গায়ে লাগছিলনা। সবাই দেখলাম তখন সেই অদ্ভুত জিনিসটাকে ঠান্ডাহতে বলল,কেউ কেউ দেখলাম তার কাছে ক্ষমাও চাচ্ছে। আমরা তিনজনই কেমন যেন একটু ভিতু বনে গেলাম। আমাদের ভিতরের উৎসাহটাও দমে গেলো ক্ষানিকটা । সেই আজিব জিন নামক প্রাণীটা হঠাৎ শান্ত হয়ে কিছুক্ষণ পরেই ফকির কে ইচ্ছেমত কিলঘষি মারতে আরম্ভ করল। আবার শুনলাম সবাই মাফ চাচ্ছে। আমার ভাবিকে শুনলাম জিনটাকে আপা বলে সম্বধন করছে ।বুঝলাম যিনি এসেছেন তিনি মহিলা। যাইহোক কিছুক্ষণ কিলঘুষি মেরে জিন শান্ত হল। আর সবাইকে উদ্দেশ্য করে সালাম দিল। এই প্রথম তার কথা শুনলাম। এরপরে উনি আগে থেকে যাদের চিন্তেন তাদের কুশলাদি জিজ্ঞেস করলেন। উনি কথা বলছিলেন আস্তে আস্তে আর পুরুষরা মেয়েলি কন্ঠে কথা বললে যে ভয়েচ শুনায় সেই ভয়েচে । আমার কাছে এই বিষয়টা খটকা লাগলো। কিন্তু প্রথমেই একটু ঘাবরে যাওয়ায় আর হাতে কিছু না থাকায় চুপচাপ খালি দেখেই গেলাম,কছু বলতে পারলামনা ।





এরপর শুরু হল উনার চিকিৎসা সেবা দেওয়া। চিকিৎসার সময় উনি কোন রোগব্যাধি নিয়ে প্রশ্নো করেননি। কাউকে বিভিন্ন ছূরা পরতে বল্লেন,কাউকে কিছুপারিপার্শ্বিক কথা জিজ্ঞেস করছিলেন। আর ট্রিটমেন্ট বলতে সবাইকেই বললেন ওই ফকিরবাবার কাছে দিয়ে দিবেন,আর কাউকে কাউকে ধমক ধামকি দিয়ে এখানে সেখানে চলাফেরা করতে নিষেধ করলেন। চিকিৎসার একপর্যায়ে পাশের বাড়ির একটি মেয়েকে জোরে চর মারলেন ঠিকভাবে ছূরা পাঠ করতে পারেনি বলে।

একসময় একে একে সবার চিকিৎস শেষ হলে ভাবি ওই মহিলা জিন সাহেবার সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে বললেন আমরা এইরকম আসরে নতুন। হয়ত জিনের প্রথম কর্মকান্ডে ভয় পেয়েছি তাই যেন তিনি আমাদের ভয়টা ভেঙে দেন। ভাবির এই কথা শুনে মহিলা জিন সাহেবা আমাদের তিনজনকেই বললেন ,'আমি আসার আগেতো এই তিনজনতো অনেক পট পট করছিল,এখন চুপ কেন?' আমরা তিনজনের কেউই প্রথমে কিছু বলতে পারলামনা । পরে ভাইয়া বলল আপনি প্রথমেই এমন ভয় দিলেন কিভাবে কথা বলব। তাছারা আপনাকে দেখতেও পাচ্ছিনা। তাই কি ভাবে কথা কথা বলব।

জিনটা এই কথা শুনে কোন আর উত্তর দিলোনা। শেষমেশ ভাবি বলল আমাদের গায়ে ফু দিয়ে ভয় দুর করে দিতে। জিনটা ভাবির কথা মত আমাদের গায়ে ফু দিলো। যদিও তখন শীতকাল চলছিল তবুও ঘাবরে যাওয়ায় একটু ঘামছিলাম। কিন্তু জিনটা যখন ফু দিলো তখন কেমন যেন একটা ঠান্ডা হাওয়া এসে গায়ে লাগলো। আর আমাদের ভয়টা কেমন যেন একটু কমে গেলো। এরপরে ভাবি আবার তার জিন আপাকে বললেন আমরা নতুন আসছি তাই মিষ্টি খাওয়াতে। কিন্তু তার জিন আপা বলল এরপর যখন আসবে তখন নিয়ে আসবে। তাই আমাদের আর জিনের মিষ্টি খাওয়া হল না।

সবশেষে ভাবি তার জিন আপাকে বলল তার জন্য ডাব পেরে রেখেছে,যাওয়ার সময় যেন খেয়ে যায়। কিন্তু তার জিন আপা ডাবের পানি খেতে অস্বীকৃতি জানায়,কেননা এই ঠান্ডায় সে ডাবের পানি খেয়ে ফ্রিজ হতে চায়নি। তারপর সবাইকে সালাম দিয়ে সেই জিন আপা বিদায় নিলেন। আর আমরা আবার সেই বেলী ফুলের তীব্র গন্ধটা পেলাম। যাবার সময়ে জিন আপা ফকির বাবার ঘুম ভাঙিয়ে দিয়ে গেলেন। যেটা বলা হয়নি সেটা হল জিন আসার সাথে সাথে ফকির বাবা অচেতন অবস্থায় মেঝেতে পরেছিল। জিন চলে যাওয়ার সময় উনার চেতনা ফিরিয়ে দিয়ে যায়। আর তারঅপর আমরা উনার গায়ে পানির ছিটা দিতে উনি উঠে বসেন।



এই ছিল আমার জিনের সাথে প্রথম স্বাক্ষাতের ঘটনা। কিছু বিষয়ে আজও মনের মাঝে ক্ষটকা রয়ে গেছে,কিন্তু আবার কিছু বিষয়ে আবার কোন ক্ষটকার কারন খুজে পাইনি। আসলে প্রথম ঘটনা আমার মনে জিন বিষয়ে পুরাই একটা দ্বিধার ভিতরে ফেলে দিয়ে গিয়েছিল। । ।



( সমাপ্ত )

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৩

এস.কে.ফয়সাল আলম বলেছেন: বাকীটুকু কোথায় ?????????


এই রকম পোষ্ট সিরিজ দেয় ঠিক না :(

২| ১৫ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪০

অহনাব বলেছেন: ২ লাইন দিয়া বলেন "চলবে" ...পড়ার মুডটাই নষ্ট করে দিলেন।

৩| ১৫ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৭

সুলাইমান হাসান বলেছেন: মাইনাস X( X( X( X(

৪| ১৫ ই মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩৯

ভুলস্রোতের মাঝি বলেছেন: স্যরি পাঠকগন।
এই গল্পটা একবারেই পোস্ট করার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু একটু ব্যাস্ততার কারনে সম্ভব হইনি। আসলে আমি একজন অনিয়মিত এবং নতুন লেখক। সময় সুজোগ পেলে মাঝে মাঝে লিখি। তাই আমার এই অনিচ্ছাকৃত ভুলটুকুকে সবাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আসা করি। ধন্যবাদ। । ।

৫| ১৫ ই মে, ২০১৩ রাত ১০:১৫

ভুলস্রোতের মাঝি বলেছেন: গল্পটি একবারেই পোস্ট করা হল।

৬| ১৬ ই মে, ২০১৩ সকাল ১০:২৩

মেহেদী_বিএনসিসি বলেছেন: আপ্নি যে দাদাবাড়ির কথা বলেছেন.........আসলে সেটা কোথায় ? বরিশালের শেষ সীমানার অজপাড়াগায়ে মানে কোথায়.......একটু বিস্তারিত আশা করছি।

৭| ১৬ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৮

ভুলস্রোতের মাঝি বলেছেন: এটা বানারিপাড়া উপজেলার অন্তর্গত একটি গ্রাম। নাম হল কলাভিটা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.