নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্যের কণ্ঠস্বর

বিশুদ্ধ জ্ঞানের সন্ধানে...

হায়দার

একজন সাধারণ মানুষ...

হায়দার › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইসলামই নারীর নিরাপত্তা দেয় (ভিডিও)

২২ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:০৩

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

ইসলাম এবং ইসলামের বিধান নারীকে কী নিরাপত্তা দেয় এই ভিডিওটি তার প্রমাণ। একবার দেখলেই যে কোন বিবেকবান মানুষ তা পরিষ্কার বুঝতে পারবেন।

https://www.youtube.com/watch?v=mgw6y3cH7tA

আমি জানি, এরপরও কিছু মানুষ বিষয়টি স্বীকার করতে চাইবে না। তাদের জন্য আফসোস!

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:১৯

নতুন বলেছেন:

ভারতেও এই নারী ১০ ঘন্টায় কোন মন্তব্য শুনতে হয়নাই... তাহলে কি এই ভাবেও চলা ভাল?

মানুষকে সু শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে... আর আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে...

আপনার শহরে কেউই প্রভাবশালীর মেয়েকে টিজিং করতে সাহস পায়না... কিন্তু গরীবের মেয়ে যেই পোশাখই পরুক না কেন তাকে অনেক সমস্যা মোকাবেলা করতে হয়...

সমাজে ছেলেদের অন্যায়ের বিচার হয়না বলেই নারীদের বোরকা পড়ে থাকতে হয়...

সমস্যা ছেলেদের/পিতাদের/সমাজনেতাদের.... নারীদের না..

২| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:২৯

হায়দার বলেছেন: নতুন,
আমি জানি আপনার মতো কিছু মানুষ সহজ সত্যটা কখনই সহজভাবে নিতে পারবেন না। আপনার দেয়া ভিডিওটি দিয়ে কি পোস্টে দেয়া ভিডিওটি ও এর যুক্তিটি নস্যাৎ করা যায়।
পৃথিবীতে অনেক ক্ষুদ্র সমাজ আছে যেখানে কাপড়ই পড়া হয় না। সেখানে উলঙ্গ হয়ে চললেও কেউ তাকাবে না। আমার বক্তব্যটি হলো যেখানে খোলামেলা পোশাকে নারীর নিরাপত্তার ঝুঁকিটি খুবই প্রকট ও প্রচ্ছন্ন, সেখানেও নিরাপত্তা দেয় ইসলাম নির্দেশিত পোষাক।
আপনি পুরুষ হয়ে থাকলে এই দুই পোষাক পড়া নারীর পার্থক্যটা খুব ভালকরেই জানেন। কিন্তু আপনার শিক্ষা আপনাকে সেই সত্যটা বলার সাহস দেয়নি।

৩| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১:৫২

নতুন বলেছেন: হায়দার ভাই...

আমি কয়েকটি দেশ/সমাজ দেখেছি যেখানে আইনের প্রয়োগ ভাল... তাই নারীরা তাদের স্বাধীন পোষাখ পড়তে পারে...

তাই নারীর নিরাপত্তায় পোষাখের চেয়ে ঐ সমাজের পুরুষদের নিয়ন্ত্রনের বেশি দরকার...

আপনি যেমন ১টি ভিডিও দিয়েছেন... ৫ঘন্টার.>> আমার ভিডিওতেও ১০ ঘন্টায় কোন কমেন্ট শোনেনি মেয়েটি... তাহলে পোষাখের উপকারিতা কই?? সমাজের পাথ`ক... মানুষের পাথ`ক...

আপনারা যতবেশি নারীকে বোরকা পড়াতে চান... ততটা কিন্তু সমাজের পুরুষের অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন না...

আমি কখনোই নারীকে অশালীন পোষাক পড়াকে সমথ`ন করিনা... কিন্তু আরেক জনের অন্যায় আচরনের প্রতিবাদ না করে...নারীকে বোরকায় ঢাকা কোন সমাধান মনে করিনা..

৪| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৪ ভোর ৬:০৮

কলাবাগান১ বলেছেন: "আপনারা যতবেশি নারীকে বোরকা পড়াতে চান... ততটা কিন্তু সমাজের পুরুষের অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন না... "

৫| ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:২৬

হায়দার বলেছেন: নতুন ভাই,

অপ্রয়োজনীয় তর্কে আমার দারুণ অবিশ্বাস ও অনাস্থা। সত্যটা অনেকের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, যুক্তি যুক্তি খেলাটাই তাদের পছন্দ। যে যুক্তিতে হৃদয়বৃত্তি অনুপস্থিত, সেখানে যুক্তিতর্ক করাটা সময়ের অপচয়। আপনার মন্তব্যটা এখন পর্যন্ত মানবিক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে বলে মনে হলো। তাই জবাবটা লিখছি। তাছাড়া লিখতাম না। কারণ এই তর্কটা ব্লগে নতুন না। আমরা সবাই এর পক্ষে বিপক্ষের যুক্তিগুলি কমবেশি জানি।

আপনার দেখা দেশ/সমাজগুলো সম্পর্কে সবাই আমরা কমবেশি জানি। আইনের প্রয়োগ ও সুশিক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কখনও এক বিন্দুও সন্দেহ পোষণ করেছি বলে মনে পড়ছে না। এই যুক্তিটি আপনি বারবার কেন দিচ্ছেন, বুঝতে পারছি না। যেহেতু দিয়েছেন তাই আরো একটা কথা আপনাকে বলি। পাল্টা মন্তব্যের আশায় বলছি না। নারী প্রসঙ্গের বাইরেও বিষয়টা সত্যি। সুশিক্ষা, আইনের প্রয়োগ ও শৃঙ্খলার অবশ্যই প্রয়োজন আছে। কিন্তু মননের দিক দিয়ে একটা জাতি আসলেই কতটা 'সুশিক্ষিত' সে পরিচয় পাবেন সেখানে, যেখানে আইন অনুপস্থিত। আইনের প্রয়োগ না থাকলেই যদি কারো মধ্যে বর্বরতা উঁকি দেয়, তাহলে আইনের উপস্থিতিতে সে যতই সভ্য হোক না কেন, আসলে সে বর্বর। উদাহরণ দিতে চাচ্ছি না। সত্যিই জানতে চাইলে আপনি নিজেই তা খুঁজে পাবেন। আমি আসলে সেই ইসলামের কথা বলতে চেয়েছি যেই ইসলামি সমাজে একজন রূপসী তরুণী "সানা থেকে হাজরা মাউত" পর্যন্ত একাকি ভ্রমণ করেছেন। কিন্তু হিংস্র প্রাণী ছাড়া আর কাউকে ভয় করতে হয়নি। সেই সমাজেও কিন্তু আইনের প্রয়োগ ছিল। কিন্তু আইনটাই মুখ্য ছিল না। ভেতরের পরিবর্তনটা ছিল প্রধান। এখনকার চরমতম "নিরাপদ" সমাজেও কি মানুষের মধ্যে সেই 'সুশিক্ষা' খুঁজে পাবেন? ভেবে দেখবেন।

নারীর জন্য এই পোষাকটি উত্তম- এর অর্থ পুরুষদের অপকর্মের স্বীকৃতি দেয়া নয়। এই ব্যাখ্যাটি সেই পুরুষতান্ত্রিক ব্যক্তিরাই দিতে চেষ্টা করেন যারা নিজেদের প্রবৃত্তির কারণে নারীর সচেতনতার জায়গাটি সচেতনে এড়িয়ে যেতে চান। সহজ করে বলি। নারীর নিরাপত্তার জন্য পুরুষ ও নারীর উভয়ের করণীয় আছে। এখানে নারীর পোশাকের প্রসঙ্গ তুলেছি মানে পুরুষের করণীয় অস্বীকার করছি- এটা কি অদ্ভুত অনুসিদ্ধান্ত হলো না? বস্তুত কোরানে দেখবেন পুরুষকে আগে বলা হয়েছে তার দৃষ্টিকে সংযত রাখতে। নারীকে বলা হয়েছে পরে। প্রসঙ্গক্রমে এখানে আমি নারীর প্রসঙ্গেই কথা বলছি। পুরুষের প্রসঙ্গে নয়। রবীন্দ্র সাহিত্যের আঙ্গিক নিয়ে আলোচনা মানে তার রচনার বিষয়বস্তুকে তাচ্ছিল্য, অবজ্ঞা বা অস্বীকার করা নয়। যদিও দুটি খুবই সম্পুরক বিষয়। আশা করি বিষয়টি পরিস্কার করতে পেরেছি।

পাল্টা ভিডিওর ভিত্তিতে আপনি প্রশ্ন করেছেন "তাহলে পোশাকের উপকারিতা কই?" এর খুব সুস্পষ্ট উত্তর আগের মন্তব্যে দিয়েছি। হয়তো ধরতে পারেননি। উত্তরটা আপনার বিবেকের কাছে। পুরুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি এই দুই পোশাকের নারীর প্রতি একই প্রতিক্রিয়া দেখাবে না। একটি পোশাক অন্যটির চেয়ে নারীকে বেশি নিরাপদ বোধ দেবে, সঙ্কোচ কমাবে। সেটি কোনটি বলার অপেক্ষা রাখে না। নিজেকে প্রশ্ন করুন, উত্তর পাবেন। আমাকে জিজ্ঞাসা করতে হবে না। ভারতে কেউ ১০ ঘন্টা হাঁটলে বা স্পেনে বা ব্রাজিলে কেউ উলঙ্গ হয়ে নিরাপদে ১০০ দিন হাঁটলেও এই প্রশ্নের উত্তর একই পাবেন। আমি সেই উত্তরের কথা বলছি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.