নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বোকা মানুষের কথায় কিই বা আসে যায়

বোকা মানুষ বলতে চায়

আমি একজন বোকা মানব, সবাই বলে আমার মাথায় কোন ঘিলু নাই। আমি কিছু বলতে নিলেই সবাই থামিয়ে দিয়ে বলে, এই গাধা চুপ কর! তাই আমি ব্লগের সাহায্যে কিছু বলতে চাই। সামু পরিবারে আমার রোল নাম্বারঃ ১৩৩৩৮১

বোকা মানুষ বলতে চায় › বিস্তারিত পোস্টঃ

হুমায়ূন আহমেদের জমিদার বাড়ী "নুহাশ পল্লী"তে একদিন (হুমায়ূন আহমেদ মৃত্যু দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি)

১৯ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:১৭





গত বছর হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুদিবসে লেখা - পাঠক সৃষ্টির কারিগর । আগ্রহীরা পড়ে দেখতে পারেন।



কিংবদন্তী কথাসাহিত্যক হুমায়ুন আহমেদ ব্যক্তিগত উদ্যোগে নুহাশ পল্লী প্রতিষ্ঠা করেন। ঢাকার ধানমণ্ডিতে তার বাসস্থান হলেও তিনি সুযোগ পেলই নুহাশ পল্লীতে চলে আসতেন সময় কাটাতে। কখনো আসতেন সপরিবারে, কখনো আসতেন বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে রাতভর আড্ডা দিতে। প্রতি বছর ১লা বৈশাখে নুহাশ পল্লীতে বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হতো। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে হোতাপাড়া বাজার। সেখান থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে পিরুজালী গ্রাম। ওই গ্রামেই ১৫ বছর আগে ৪০ বিঘা জায়গা নিয়ে নুহাশ পল্লী তৈরি করেন হুমায়ুন আহমেদ।



রাজধানীর অদূরে গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে এক দুর্গম এলাকায় প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ নুহাশ পল্লী গড়ে তুলেছেন। সেখানকার নানা স্থাপনা আর অসংখ্য ফলজ, বনজ গাছের পাশাপাশি তিনি বানিয়েছেন ঔষধি গাছের বাগান। সব মিলিয়ে মনের মতো করেই ছেলের নামে রাখা নুহাশ পল্লীকে এক স্বপ্নজগত করে তুলেছেন হুমায়ূন আহমেদ। তাই আড়াইশ প্রজাতির সবুজ গাছের সেই নন্দন কাননে বারবারই ছুটে গেছেন তিনি। নুহাশ পল্লীতেই হুমায়ূন আহমেদ গড়ে তুলেছেন স্যুটিং স্পট, দিঘি আর তিনটি সুদৃশ্য বাংলো। একটিতে থাকতেন আর বাকি দুটি ছিল তার শৈল্পিক চিন্তাধারার আরেক রূপ। শানবাঁধানো ঘাটের দিঘির দিকে মুখ করে বানানো বাংলোর নাম দিয়েছেন ‘ভূত বিলাস’। দুর্লভসব ঔষধি গাছ নিয়ে যে বাগান তৈরি করা হয়েছে তার পেছনেই রূপকথার মৎস্যকন্যা আর রাক্ষস। আরো রয়েছে পদ্মপুকুর, অর্গানিক ফর্মে ডিজাইন করা অ্যাবড়োথেবড়ো সুইমিং পুল।



গত বছর এই ঈদের পর পর আমি এবং আমার দুই কাজিন মিলে যাই ‘নুহাশ পল্লী’ ভ্রমনে। এক কাজিন আবার হুমায়ুন আহমেদ এর মহা ভক্ত, কলেজের বই কেনার টাকা দিয়ে হুমায়ুন আহমেদ এর উপন্যাস কেনে, বুঝেন অবস্থা। তো আমরা প্রথমে ভাওয়াল রাজবাড়ী এবং ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে বেড়িয়ে নিয়েছিলাম। তারপর ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের গেট হতে বের হয়ে রাস্তার ওপারে গিয়ে একটি হিউম্যান হলারে উঠলাম হোতাপাড়ার উদ্দেশে। তবে সরাসরি মনিপুর অথবা পিরুজালিগামী হিউম্যান হলারও পেতে পারেন, সেক্ষেত্রে নেমে পরবেন পিরুজালী সরকার বাড়ী চৌরাস্তায়, হিউম্যান হলারের ড্রাইভারকে বলবেন নুহাশ যাওয়ার রাস্তায় নামাতে।



আমরা হোতাপাড়া এসে আরেকটি হিউম্যান হলারে করে পিরুজালী চৌরাস্তায় নেমে পরলাম। এখানে নেমে সরকার বাড়ী চৌরাস্তার জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করলাম। নামাজ শেষে পালা এখন দুপুরের খাবারের। হোতাপাড়া বা পিরুজালী চৌরাস্তায় কোন খাবারের হোটেল নাই। কিছু রিকশাচালক পরামর্শ দিলে পিরুজালি থেকে ভেতরে কয়েক কিলোমিটার দুরের কোন এক বাজারে যেয়ে খেয়ে আসতে, সেখানে নাকি অনেকগুলো খাবার হোটেল রয়েছে। আবার আরেক জায়গায় যাওয়ার ঝক্কি বাদ দিয়ে শুকনো খাবার দিয়ে কাজ সারার সিদ্ধান্ত নিলাম। কিন্তু বিধিবাম, আশেপাশের প্রতিটি ড্রাইফুড দেখলাম এক্সপায়ার ডেট পার করেছে, পাউরুটি জাতীয় কিছু খাবারে দেখলাম ছত্রাক আক্রমন করেছে কিন্তু তবুও তা দোকানের সামনে ঝুলিয়ে রেখেছে। শেষে এক কিশোর রিকশাচালক জানালো নুহাশপল্লীর গেটে তেহারি বিক্রি করে, সেখানে গিয়ে খেতে। পিরুজালী হতে ত্রিশটাকা ভাড়ায় ব্যাটারিচালিত রিকশায় রওনা হলাম নুহাশপল্লীর উদ্দেশে। মিনিট দশেকের এই জার্নি খুবই উপভোগ করলাম। রিকশাগুলো ব্যাতিক্রম। প্লাস্টিক বডির চওড়া সিটগুলোর হুড একেবারে পরে গিয়ে বডির পেছনে ঝুলে থাকে, ফলে সিটের চারিদিকে পুরোটাই খোলা। সাধারণ রিকশার তুলনায় একটু বেশী গতিতে ছুটে চলা সরু পথে, শরীর ছুয়ে যায় মৃদু বাতাস।



নুহাশের গেটে পৌঁছে তেহারি পেলাম না, তবে সাদা ভাত, ছোট মাছের চচ্চরি, আলু ভর্তা আর ডাল দিয়ে জম্পেশ খেলাম। দুইশত টাকা টিকেট কেটে ঢুকতে হয় নুহাশ পল্লীর ভেতর, যা আমার কাছে একটু বেশীই ভনে হয়েছে। যাই হোক টিকেট কেটে ভেতরে ঢুকলাম। ভেতরে ঢুকতেই হাতের ডানদিকে রয়েছে একটি মা ও বাচ্চার মূর্তি, তার পাশে একটি ছাউনি। সেখানে দেখলাম “অন্যপ্রকাশ” এর স্বত্বাধিকারী মাজহারুল ইসলাম পরিবার নিয়ে বসে আছে, হুমায়ূন ভক্ত আমার খালাত ভাই হুমায়ূন পুত্র নিনিদকেও দেখেছে।



ছাউনির পাশেই রয়েছে একটি কঙ্কালের মূর্তি যার নিচের পাটির একটি দাঁত পড়ে গেছে, আর সেই দাঁতের আকারে মূর্তির নীচে রয়েছে একটি সুইমিংপুল। কঙ্কালের মুখ হতে সুইমিংপুলে পানি পড়ছে, সুইমিংপুলের সেই পানি কৃত্রিমউপায়ে নীলাভ করা হয়েছে। সুইমিংপুলের পাশেই রয়েছে ছোট একটা কটেজ টাইপের রুম, হুমায়ূন আহমেদ নুহাশ পল্লীতে এসে এখানেই থাকতেন। কটেজের অপর পাশেই রয়েছে দুটি নকশাদার টেবিল-চেয়ার পাতা, যার প্রথমটির পাশে রয়েছে একটি কৃষ্ণকায় নগ্নবক্ষা নারীমূর্তি।



আরেকটু এগিয়ে গেলে পাবেন “বৃষ্টি বিলাস” নামক কটেজটি। এটির ছাদ টিনের তৈরি যেন বৃষ্টির সময় বৃষ্টির শব্দ উপভোগ করা যায়। সুন্দর নকশা, ফলস সিলিং দেয়া কটেজটির আউটলুক সুন্দর। একটু ভেতরে আরেকটি কটেজ রয়েছে যার নাম “ভূত বিলাস”। দুই রুমের আধুনিক এই কটেজটির পেছনে ছোট পুকুর রয়েছে যার চারিদিক সুন্দর ঘাসে মোড়া ঢাল দিয়ে ঘেরা, এই ঢালের চারিদিকে রয়েছে গাছ-গাছালী।



“ভূত বিলাস”এর পাশ দিয়ে একটি নড়বড়ে কাঠের সাকো রয়েছে পুকুরের মাঝখানের ছোট্ট একটুকরো দ্বীপাকারের ভূখণ্ডে যাওয়ার। সেখানে পুকুরের মাঝখানে একটি গাছের তলায় দুটি কাঠের বেঞ্ছি রয়েছে। আমরা তিনজন সেখানে গান শুনলাম কিছুক্ষন বসে বসে। চমৎকার অনুভুতি।

ভূত বিলাসকে একপাশে রেখে অন্য পাশে রয়েছে দুটি দোলনা, স্লিপার; বাচ্চাদের মনোরঞ্জনের জন্য। বাচ্চাদের মনোরঞ্জনের জন্য আরও রয়েছে কিছু ডাইনোসর, মানব ভূত, মারমেইড সহ বিভিন্ন ভাস্কর্য। এর পাশে পুকুরের কিনারে আরেকটি মাটির ঘর রয়েছে।



তার পাশেই রয়েছে বৃক্ষপ্রেমী হুমায়ূন আহমেদের সেই বিখ্যাত বাগান যেখানে তিনি জড়ো করেছিলেন নানান ধরনের বৃক্ষসমূহ। এপাশ দিয়ে প্রধান ফটকের দিকে এগিয়ে গেলে পাবেন হুমায়ূনের সলিল সমাধি। মূল ফটকের বাইরে দিয়ে সেখানে যাওয়ার জন্য পৃথক পথ রয়েছে। এছাড়া নুহাশ পল্লীর সবুজ ঘাসে মোড়া চত্বরের মাঝখানে রয়েছে একটি ছোট্ট বটগাছ সদৃশ গাছ যার কাণ্ডর চারিদিকে বাঁধানো চত্বর। আরেকটু সামনে একটি গাছের উপর দুটি ছোট্ট বাঁশের বেড়ার তৈরি ঘর, যা শৌখিন হুমায়ূনকে রেপ্রেজেণ্ট করে। সামনে রয়েছে আরেকটি ছাউনির নীচে বিশাল কাঠামোর দাবার কোর্ট যার ফুট দুয়েক উঁচু উঁচু ঘুটি। জমিদারী কারবার কাকে বলে। পুরো নুহাশ পল্লী ঘুরে দেখার পর আপনি বলতে বাধ্য হবেন, নুহাশ পল্লী আসলেই একটি আধুনিক জমিদার বাড়ী। আর তাইতো লেখার শিরোনামে বলেছি “হুমায়ূন আহমেদের জমিদার বাড়ী”।



বিকাল চারটা নাগাদ বের হয়ে এলাম নুহাশ পল্লী হতে। রিকশাযোগে পিরুজালী এসে একটি হিউম্যান হলারে সরাসরি চলে এলাম গাজীপুর চৌরাস্তায়। এখান হতে ঢাকাগামী বাসে করে নিজ ডেরায়। সাথে নিয়ে এলাম আনন্দময় একগুচ্ছ স্মৃতি। আজ এই দিনে মনে পড়ে গেল একটি গানের কথা, ‘মরিলে কান্দিস না আমার দায়...’।



































































































তথ্যসুত্রঃ উইকিপিডিইয়া

মন্তব্য ২৩ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (২৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:২৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ভালো লাগলো, মনে হলো নুহাশ পল্লী ঘুরে এলাম।

১৯ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:৩৮

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ধন্যবাদ সোনা ভাই।

২| ১৯ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:২৮

বোকামানুষ বলেছেন: যাওয়া হয়নি এখনো এই জায়গায় যাওয়ার অনেক ইচ্ছে

পোষ্টে ভাল লাগা ++++

১৯ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:৩৯

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ধন্যবাদ বোকামানুষ, মিতা আমার। :) একবার গিয়ে ঘুরে আসতে পারেন।

৩| ১৯ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:২৯

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর পর ‌'সাহিত্যিকের মৃত্যু এবং আমাদের গদগদে আবেগ' শিরোনামে একটি গদ্য রচনা করেছিলাম। আজ গদ্যটি স্মরণ করছি। যারা পড়েননি তাদের পড়ার আহবান জানাই।
Click This Link

১৯ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:৪২

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ধন্যবাদ। পড়েছিলাম তখনই আপনার লেখাটি, কমেন্টও বোধহয় করেছিলাম। একটু কেমন যেন ক্যাচাল ছিল যতদূর মনে পড়ে। (ভাই আপ্নে আবার মাইন্ড খাইয়েন না প্লিজ :) )

৪| ১৯ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:৪৩

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: নুহাশ পল্লীতে যাওয়ার সুযোগ হয়নি। তবে আপনার এই পোস্ট কিছুটা হলেও দুধের স্বাদ ঘোলে মেটালো।
ধন্যবাদ।

১৯ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:৪৫

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: শুভকামনা রইল আপনার প্রতি।

৫| ১৯ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:৫৪

বেকার সব ০০৭ বলেছেন: নুহাশ পল্লীতে আজ পর্যন্ত যেতে পারিনাই, দেখার মত সুন্দর একটা জায়গা শুনেছি। সময় করে একাদিন ভ্রমন করে আসব

হুমায়ূন আহমেদের কথা মনে পরলে খুব খারাপ লাগে।

হুমায়ূন আহমেদ মৃত্যু দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি

১৯ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:৫৮

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: ধন্যবাদ বেকার সব ০০৭

৬| ১৯ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৪:০৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ট্যাকা থাকলে কত্ত কিছু করা যায়! ;)

আবার ট্যাকার অভাবে কত্ত মাইনসে না খাইয়া রয়!!!!!!!!

বুঝতেছীনা.. প্রশংসা করুম?

না নিন্দা করুম!!!

যার হাতে অঢেল ক্ষমতাছিল লাখো কোটি মানুষকে প্রভাবিত করার; তিনি কি কেবলই ব্যক্তিক চিন্তায়ই বিভৌর ছিলেন?
ভাবতেও কেমন অবাক লাগে!!!!

তবে আয়োজন খুব সৌন্দর্য্য!! বড়ই সৌন্দর্য্য!!!!

১৯ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৪:১৩

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: সহমত। কিন্তু তারপরও উনার লেখা ভালো লাগে। ব্যাক্তি হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে আমারো অনেক অভিযোগ ছিল, আছে।

ধন্যবাদ প্রিয় বিদ্রোহী ভৃগু, ভালো থাকবেন।

৭| ১৯ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৪:১৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: এই জায়গাটায় কখনও যাওয়া হয় নি। আধুনিক কালের জমিদারই বটে! যাবো কোনদিন।

২০ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:৪০

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: হুম হামা ভাই। আমি গত বছর বেড়িয়ে এসেই একটা লেখা লিখেছিলাম ভাওয়াল রাজার রাজবাড়ী টু হুমায়ূন আহমেদের জমিদার বাড়ী

যেদিন যাবেন, পথে গাজীপুর সাফারি পার্কটাও ঘুরে আসবেন। নুহাশ পল্লী ঘুরে দেখতে ঘণ্টাখানেকের বেশী লাগে নাতো... তাই।

৮| ১৯ শে জুলাই, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:১২

কেএসরথি বলেছেন: তার অনেক লেখার সাথে দ্বিমত প্রকাশ করতাম, আবার একই সাথে তার লেখা সব বইগুলোই একের অধিক বার আগ্রহ নিয়ে পড়েছি (এখনও পড়ি)।

২০ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:৪১

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: মনের কথা বলেছেন ভাইজান। :(

৯| ১৯ শে জুলাই, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:২৯

সুমন কর বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। তবে, হাসান ভাইয়ের সাথে সহমত।
আধুনিক কালের জমিদারই বটে!

২০ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:৪২

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ সুমন কর :P :)

১০| ১৯ শে জুলাই, ২০১৪ রাত ১০:৫১

স্বপ্নবাজ অভি বলেছেন: আমার দেখা সব জোছনার আলো , আমার বৃষ্টি ভেজা সব গুলো অনুভূতি এই লোকটাকে উতসর্গ করা অনেক দিন থেকেই , এই লোকটাই আমাদের জোছনা দেখা , বৃষ্টি দেখা শিখিয়েছেন , পাঠ্য বইয়ের বাইরে বই পড়া শিখিয়েছেন !

২০ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:৪৪

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: সহমত প্রিয় অভি।

অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

১১| ২০ শে জুলাই, ২০১৪ দুপুর ২:০৮

সোহানী বলেছেন: লিখাটি পড়ে ভালো লেগেছে... অন্তত আপনার চোখে নুহাশ পল্লী দেখা হলো।

তবে সহমত বিদ্রোহী ভৃগু । একসময় পাগলের মতো হুমায়ুন পড়তাম। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে লিখা ও ব্যাক্তি হুমায়ুনের ও মূল্যায়ন শুরু করলাম। যদিও তা একান্ত নিজস্ব মতামত তারপর ও মনে হয় আজ যদি হুমায়ুন শাওনকে বিয়ের মাধ্যমে নৈতিক স্খলন না হতো তাহলে হয়তো দেশের প্রতিটি মানুয়ের হ্রদয়ে তাঁর স্থান হতো.... এছাড়া ও আমি তাকেঁ ভোগ বিলাসী হুমায়ুন হিসেবে ও দেখি।

দূ:খিত, একজন মৃত সব কিছুর উর্ধে তারপর ও হুমায়ুন এর মতো সেলিব্রেটিরা যুগ যুগ সমালোচনার মাঝে বেচেঁ থাকে। ধন্যবাদ।

২০ শে জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:৪৮

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: তবে সহমত বিদ্রোহী ভৃগু । একসময় পাগলের মতো হুমায়ুন পড়তাম। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে লিখা ও ব্যাক্তি হুমায়ুনের ও মূল্যায়ন শুরু করলাম। যদিও তা একান্ত নিজস্ব মতামত তারপর ও মনে হয় আজ যদি হুমায়ুন শাওনকে বিয়ের মাধ্যমে নৈতিক স্খলন না হতো তাহলে হয়তো দেশের প্রতিটি মানুয়ের হ্রদয়ে তাঁর স্থান হতো.... এছাড়া ও আমি তাকেঁ ভোগ বিলাসী হুমায়ুন হিসেবে ও দেখি।

দূ:খিত, একজন মৃত সব কিছুর উর্ধে তারপর ও হুমায়ুন এর মতো সেলিব্রেটিরা যুগ যুগ সমালোচনার মাঝে বেচেঁ থাকে। ধন্যবাদ।


সম্পূর্ণ একমত। অনেক কষ্ট পেয়েছিলাম সেই শাওনকে বিয়ের ঘটনায়। শাওন আমার ব্যাচমেট ছিল। ওর জায়গায় নিজেকে কল্পনা করলে এখনো কান্না পায়।


সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে

১২| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:০৬

মিনহাজ উল ইসলাম বলেছেন: সংক্ষেপে যা যা দেখতে পাবেন-
হুমায়ুন আহমেদ এর মাজার।
সুইমিংপুল
মা ও শিশুর মূর্তি
হুমায়ুন আহমেদ এর বাসভবন হোয়াইট হাউজ
লীলাবতী দীঘি
ঔষধী বাগান
লীলাবতীর মূর্তি
বৃষ্টিবিলাস
ভূতবিলাস
পদ্মাপুকুর
হুমায়ুন আহমেদ এর মাজার।
সুইমিংপুল
মা ও শিশুর মূর্তি
হুমায়ুন আহমেদ এর বাসভবন হোয়াইট হাউজ
লীলাবতী দীঘি
ঔষধী বাগান
লীলাবতীর মূর্তি
বৃষ্টিবিলাস
ভূতবিলাস
পদ্মাপুকুর
বিস্তারিত পড়তে- ঘুরে আসুন নুহাশ পল্লী

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.