| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সোনা এটি দুষ্প্রাপ্য পদার্থ এ কথা আমাদের সকলের জানা। সম্প্রতি একটা গবেষনায় জানা গেছে আমাদের পৃথিবীতে সোনার মোট পরিমান মাত্র ১৭১৩০০ টন। এই সোনা ছরিয়ে আছে পৃথিবী বিভিন্ন সোনার খনিতে।
এখানে আমি পৃথিবীর তিনটি বৃহৎ সোনার খনির বিবরন আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম।
গ্রাসবার্গ খনিঃ এর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের নাম Freeport-McMoRan Copper & Gold । বিশেষঞ্জদের মতে গ্রাসবার্গ খনিই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সোনার খনি। এটা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় তামার খনিও।
গ্রাসবার্গ খনিটি ওসেনিযা মহাদেশের পাপুয়া নিও গিনিতে অবস্থিত। ১৯৯০ সালে এই খনি থেকে সোনা উত্তোলন শুরু হয় এবং ২০১৬ সাল পর্যন্ত এই খনি থেকে উত্তোলন করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে এই খনিতে মোট সংবক্ষিত সোনার পরিমান ছিল ৬.৫ মিলিয়ন আউন্স। খনি পরিচানাকারি কম্পানির মতে ২০১৩ সালে এই খনি থেকে ১.২৫ মিলিয়ন আউন্স সোনা উত্তোলন করা হবে।
ওয়ানকোচা খনিঃ পেরুর আনদেস পর্বতমালায় আবস্থিত ওয়ানকোচা খনি লেটিন আমেরিকার বৃহত্তম সোনার খনি। এটি ১৯৯৩ সালে আবিষ্কৃত হয়। এর তিনটি সকৃয় খনি আছে। এই খনি থেকে এখন পর্যন্ত মোট ২৬ মিলিয়ন আউন্স সোনা উৎপন্ন হয়েছে।
এই খনি পরিচালনা কম্পানির নাম Newmont Mining । ২০১২ সালে এই খনি থেকে ১.৩৪৬ মিলিয়ন আউন্স সোনা উত্তোলন করা হয়েছে এবং একন পর্যন্ত ৩ মিলিয়ন আউন্স সোনা মজুদ আছে।
গ্লোডস্ট্রাইক খনিঃ গ্লোডস্ট্রাইক খনিটি অমেরিকার নর্থওয়েস্ট্রান অঞ্চলের নিভাদা অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত এবং Barrick Gold কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত। এটি ১৯৮৭ সালে চালু করা হয়। ২০১২ সালে এই খনি থেকে ১.১৭ মিলিয়ন আউন্স সোনা উত্তোলন করা হয়। যার বাজার মুল্য ৫৪১ ডলার প্রতি আউন্স। এবছর খনি পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানটি ০.৮৭ মিলিয়ন থেকে ০.৯৪ মিলিয়ন আউন্স সোনা উত্তোলনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করেছে। যার বর্তমান বাজার মূল্য ৬৮০ থেকে ৭০০ ডলার পতি আউন্স। কেম্পানি ধারনা করছে এই খনিতে আরও ১২.৩ মিলিয়ন আউন্স সোনা মজুদ আছে।
©somewhere in net ltd.