| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হুমায়রা হারুন
মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব শুধু প্রযুক্তিতে নয়, বরং মননের বিনিময়ে। ব্লগে যোগাযোগের মধ্যে সেই শ্রেষ্ঠত্বেরই প্রকাশ ঘটে। আপনি যখন লেখেন, মন্তব্য করেন, কিংবা অন্যের ভাবনা পড়েন — আপনি তখন মানব প্রজাতির মননে অংশ গ্রহন করেন।
'Mathematics of consciousness is not linear, it is exponential.'
..Commander Asthar Sheran
------Galactic Federation of Light
চেতনা বা মানুষের বোধের বৃদ্ধি সাধারণভাবে সোজাসাপ্টা পথে, সমান হারে পরিবর্তিত/পরিবর্ধিত হয় না। বরং, চেতনা কোনও একসময়ে হঠাৎ করে অনেক বেশি, অনেক দ্রুত হারে বাড়তে পারে।
আরো বিস্তারিত ভাবে বললে -চেতনার বিকাশে গতি ও মাত্রা, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, ধাপে ধাপে, সমান হারে হয় না।
কোনো পর্যায়ে গিয়ে সময়ের সঙ্গে অনেক দ্রুত বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়।
***
২৩ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৪০
হুমায়রা হারুন বলেছেন: সহমত
২|
২৩ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:৪৫
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
এমন একটি জটিল বিষয়কে ছোট কয়েক লাইনে পোস্ট দিলে পাঠকের বোধের আবস্থা নীচের মন্তব্য কারির মত
হবে, কোথায় বাকবাড়ী আর কোথায় পাকপারি মতন ।
তাই আপনার পোস্টের লেখার বিষয়ে কিছু বলার আগে বিষয়টির গুড়া ধরে একটু টান দিলাম ।
আশতার (কখনও “আশতার শেরান” নামেও পরিচিত) এমন একটি নাম, যা একটি ভিনগ্রহী সত্তা বা সত্তাগোষ্ঠীকে
বোঝাতে ব্যবহৃত হয় , যাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের দাবি অনেকেই করেছেন।
ইউএফও-সংক্রান্ত যোগাযোগকারী জর্জ ভ্যান ট্যাসেল প্রথম ব্যক্তি, যিনি ১৯৫২ সালে আশতারের কাছ থেকে বার্তা
পাওয়ার দাবি করেন।
ভ্যান ট্যাসেলের মাধ্যমে আশতারের পরিচিতি পাওয়ার পর, আরও অনেক মাধ্যম (মিডিয়াম) আশতারের সঙ্গে
যোগাযোগের দাবি করতে শুরু করেন। একসময় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় যে, ডজনখানেক মানুষ আশতারের সঙ্গে
যোগাযোগের দাবি করছিলেন এবং তারা পরস্পরবিরোধী বার্তা উপস্থাপন করছিলেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি
প্রচারিত কিছু বার্তা ব্যর্থ প্রমাণিত হয়, যখন সেগুলোতে অন্য গ্রহে উন্নত সভ্যতার বিকাশ এবং পৃথিবীতে শিগগিরই মহাকাশযানের( উফুর ) অবতরণের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল যা বাস্তবে ঘটেনি।
আশতারকে সাধারণত স্বর্ণকেশী চুল ও ইউরোপীয় বৈশিষ্ট্যযুক্ত মানবসদৃশ রূপে চিত্রিত করা হয়; এই কারণে
তাকে নর্ডিক এলিয়েন হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে।
আশতার আন্দোলনকে গবেষকরা ইউএফও-ভিত্তিক ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপ হিসেবে অধ্যয়ন করেন।
আশতারকে অন্তর্ভুক্ত করে এমন একটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর উদাহরণ হলো চেক ইউনিভার্স পিপল, যারা যিশু ও
শ্রীকৃঞ্চ অন্যান্য ব্যক্তিত্বের সঙ্গে আশতারকেও শ্রদ্ধা করে; তাদের একটি ওয়েবসাইট ডোমেইনের নাম হলো
ashtar-sheran।
এখন আসা যাক আপনার পোস্টের কথামালায় । আপনার পোস্টে উল্লেখিত বক্তব্য Mathematics of
consciousness is not linear, it is exponential মূলত একটি রূপকধর্মী ধারণা, যা চেতনার বিকাশকে
গণিতের ভাষায় ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে। এখানে এক্সপোনেনশিয়াল বা সূচকীয় বৃদ্ধি বলতে অবশ্যই বোঝানো
হয়েছে যে মানুষের বোধ বা চেতনা ধীরে ধীরে সরলরৈখিকভাবে বাড়ে না; বরং নির্দিষ্ট কিছু মুহূর্তে তা হঠাৎ করে
দ্রুত ও বহুগুণে বিস্তৃত হতে পারে।
বস্তুনিষ্ঠ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, এই ধারণাটি আংশিকভাবে আধুনিক মনোবিজ্ঞান ও জ্ঞানবিজ্ঞানের কিছু তত্ত্বের
সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। উদাহরণস্বরূপ, শেখার প্রক্রিয়ায় insight” বা হঠাৎ উপলব্ধি একটি স্বীকৃত ঘটনা, যেখানে দীর্ঘ
সময়ের ধীর প্রস্তুতির পর ব্যক্তি হঠাৎ করেই একটি জটিল বিষয় স্পষ্টভাবে বুঝতে সক্ষম হয়। একইভাবে, স্নায়ু
বিজ্ঞানে নিউরাল নেটওয়ার্কের পুনর্গঠন বা neuroplasticity এর ফলে নির্দিষ্ট সময়ে দ্রুত জ্ঞানগত পরিবর্তন
ঘটতে পারে।
তবে, গ্যালাক্টিক ফেডারেশন বা Commander Asthar Sheran এর মতো উৎসগুলো বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত
নয় এবং এগুলোকে প্রমাণভিত্তিক জ্ঞানের অংশ হিসেবে গণ্য করা যায় না। তাই এই বক্তব্যকে একটি দার্শনিক বা
আধ্যাত্মিক রূপক হিসেবে বিবেচনা করাই যুক্তিযুক্ত, বৈজ্ঞানিক সত্য হিসেবে নয়।
মোট কথায় বলা যায়, চেতনার বিকাশ সবসময় সমান হারে ঘটে না, এটি কখনো ধীর, কখনো দ্রুত হতে পারে,
এই ধারণাটি বাস্তবসম্মত। কিন্তু এটিকে সূচকীয় গাণিতিক নিয়ম হিসেবে উপস্থাপন করা একটি কাব্যিক বা দার্শনিক
ব্যাখ্যা, যার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি সীমিত এবং আরও প্রমাণের প্রয়োজন রয়েছে।
দেখা যাক এ ভবিষ্যতে কী প্রমান আমাদের নিকট হাযির করা হয় ।
মুল্যবান একটি বিষয়ে পোস্টদিয়ে কিছু আলোচনা শেয়ার করার সুযোগ তৈরী করে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
ঈদ শুভেচ্ছা রইল
২৩ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭
হুমায়রা হারুন বলেছেন: Ashthar এর ব্যকগ্রাউন্ড বর্ণনা করে দেবার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আলী ভাই। আমি চেয়েছিলাম তাদের সাম্প্রতিক চ্যানেল্ড্ ম্যাসেজ, এই পোস্টের মাধ্যমে একটু একটু করে বাংলায় উপস্থাপন করবো । কিন্তু সময় পাই নাই।
যাই হোক।
ওনাদের ফ্লিট ওহাইও , টেক্সাস, ইন্ডিয়ানা তে বেশী করে দেখা যাচ্ছে কিছুদিন ধরে। কানাডার অ্যাালবার্টা-তে দেখা গেছে। বোদ্ধারা 'মিট্যিওর'-বলে সেগুলোকে আখ্যায়িত করছে। তাই ফ্লিটগুলো 'অর্ব' আকারে জিমন্যাস্টদের মত অংগ- ভঙ্গিমা প্রদর্শন করছে। যেন গতানুগতিক 'মিট্যিওর' বলে উড়িয়ে না দিতে পারে।
প্রফেসি আছে, গ্যালাক্টিক ফেডারেশানের 'ফ্লিট' ২০২৬ সালে আকাশে প্রতীয়মান হবে। বা বলা যায় আমরা এতই সচেতন হবো যে, আমরা তাদের উপস্থিতি টের পাবো। কারণ তারা সব সময়ই আকাশে ঘুরে বেড়াতো। [আমদের 'লোকাল গ্যালাক্সি'র ছায়াপথগুলোর দেখভাল ওনারা করে থাকেন ।] আমরা যদিও মানসিক ভাবে দেখতে পাবার যোগ্য তখন ছিলাম না।
২০২৭ সালে তারা সামনা সামনি আসবে, কথা বলবে, (যদি আমাদের অ্যসেন্সান এভাবে এক্সপোনেনশিয়ালি বাড়তে থাকে।)
আবারো অসংখ্য ধন্যবাদ।
মেসেজ এর ট্রান্সক্রিপ্ট এর লিঙ্ক ম্যাসেজ ফ্রম গ্যালাক্টিক ফেডারেশান
৩|
২৩ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৬
অপ্সরা বলেছেন: ঈদ মুবারাক আপুনি!!! ![]()
২৩ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:০৬
হুমায়রা হারুন বলেছেন: অনেক আদর তোমাকে সোনামণি।
ঈদ মুবারক।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:৪০
রাজীব নুর বলেছেন: মানুষ যদি তার বিবেকটাকে সব সময় জাগ্রত রাখতে পারে, তাহলেই সব সমস্যার হয়ে যায়।
বিবেক জাগ্রত থাকলে মানুষ মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকতে পারে। আপনি খেয়াল করে দেখবেন, নামাজ মানুষকে মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখতে পারছে না। নামাজ পড়েও মানুষ ঘুষ খাচ্ছে, মার্কেটে ভিড়ের মধ্যে মেয়েদের ধাক্কা দিচ্ছে।
এজন্য বিবেকটা জাগ্রত রাখতে পারলে মানুষ হয়ে উঠবে মানবিক এবং হৃদয়বান। মানবিক এবং হৃদয়বান মানুষই শ্রেষ্ঠ মানুষ।