নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হুসেইন গনী

হুসেইন গনী › বিস্তারিত পোস্টঃ

এনালগ মাল্টিমিটারের সাহায্যে বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স কম্পোনেন্ট টেস্ট করা শিখুন এবং হয়ে যান একজন টেকনিশিয়ান (পর্ব-১)

১৪ ই মে, ২০১৪ দুপুর ১২:০২

আসসালামু আলাইকুম।

ইলেক্ট্রনিক্স সম্বন্ধে হালকা ধারনা থাকলে আপনিও হতে পারবেন একজন টেকনিশিয়ান।অর্থাৎ ইলেকট্রনিক কম্পোনেন্ট সম্বন্ধে হালকা ধারনা এবং টেষ্ট করার নিয়ম জানা থাকলে আপনি নিজেই যে কোনো সার্কিটের নষ্ট হওয়া কম্পোনেন্টটি পরিবর্তন করে সার্কিটটি পূনরায় সক্রিয় করতে পারবেন।অথচ ইন্টারনেট অনেক ঘেটেও ইলেকট্রনিক কম্পোনেন্ট টেষ্টের উপর বাংলায় কোন ভালো পোষ্ট দেখতে পাইনি। তাই আমি নিজেই লেখা শুরু করলাম। আজ সহজ ভাষায় ডায়োড ও ডায়োডের টেস্ট নিয়ে লিখলাম।আশা করি পাঠকেরা উপকৃত হবেন।



ডায়োড কি? এর প্রয়োগ

সহজ কথায়, ডায়োড একটি সেনিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা এ.সি কে ডি.সি তে পরিণত করে।

অন্য কথায়,ডায়োড একটি সেনিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা একটি পি-টাইপ ও একটি এন-টাইপ কৃষ্টাল বা কেলাস পাশাপাশি যুক্ত করে গঠন করা হয়।

এখন পাঠকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, পি-টাইপ কৃষ্টাল, এন-টাইপ কৃষ্টাল, পি-এন জাংশান-এগুলো কি?

ব্যাখ্যায় না গিয়ে সোজা কথায়, পি-টাইপ হচ্ছে পজিটিভ চার্জযুক্ত অঞ্চল বা হোল এবং এন-টাইপ হচ্ছে নেগেটিভ চার্জযুক্ত অঞ্চল বা ইলেক্ট্রন।আর পি-টাইপ ও এন-টাইপ কৃষ্টাল পাশাপাশি যুক্ত করলে হয়ে গেল পি-এন জাংশান।



প্রয়োগঃ

1. রেকটিফায়ার ডায়োড হিসাবে

2. সিগনাল ডায়োড হিসেবে বিভিন্ন কম্যুনিকেশন সার্কিটে।

3. ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজেশন সার্কিটে জিনার ডায়োড ব্যবহার হয়।

4. রেডিও এবং টিভি রিসিভারে ভোল্টেজ কন্ট্রোল্ড টিউনিং সার্কিটে ভ্যারাকটর ডায়োড ব্যবহার হয়।

5. বিভিন্ন ধরণের লজিক সার্কিটে।







ডায়োডের এনোডের(+) সাথে মাল্টিমিটারের পজিটিভ(লাল প্রোব) এবং ডায়োডের ক্যাথোডের(-) সাথে মাল্টিমিটারের নেগেটিভ(কালো প্রোব) সংযোগ করলে ডায়োডটি ফরোয়ার্ড বায়াস প্রাপ্ত হয়।

উল্লেখ্য যে, এনালগ AVO মিটারের লাল প্রোবটি মিটারের অভ্যন্তরীণ ব্যাটারীর নেগেটিভ প্রান্তে এবং কালো প্রোবটি পজেটিভ প্রান্তের সাথে যুক্ত তাই যখন ডায়োডের ক্যাথোড লাল প্রোবের সাথে এবং এনোড কালো প্রোবের সাথে যুক্ত হয় তখন ডায়োডটি ফরোয়ার্ড বায়াস প্রাপ্ত হয়



ডায়োডটি ফরোয়ার্ড বায়াস প্রাপ্ত অবস্থায়,

১)যদি মিটারের কাটাটি না নড়ে তাহলে ডায়োডটি ওপেন(নষ্ট)।

২)যদি মিটারের কাটাটি ‘০’ এর আশেপাশে থাকে তাহলে ডায়োডটি শর্ট(নষ্ট)।

৩)যদি মিটারের কাটাটি নড়লো কিন্তু ‘৩’এর আশেপাশে আসল না তাহলে লিকি(নষ্ট)।

৪)যদি মিটারের কাটাটি ‘৩’ এর আশেপাশে থাকে তাহলে ডায়োডটি ফরোয়ার্ড বায়াস প্রাপ্ত অবস্থায় ভালো

এবার রিভার্স বায়াস প্রাপ্ত অবস্থায় চেক করতে হবে।

রিভার্স বায়াস প্রাপ্ত অবস্থায় যদি মিটারের কাটাটি নড়ে তাহলে ডায়োডটি নষ্ট।

এবার নষ্ট সার্কিটের (রেডিও-টিভির) খারাপ ডায়োডগুলো পরিবর্তন করে ফেলুন।

ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন।

আগামীতে অন্যান্য কম্পনেন্ট নিয়ে ধারাবাহিক পোষ্ট দেওয়ার আশা রেখে আজ বিদায় নিচ্ছি।

আল্লাহ হাফেয



ছবি- ইন্টারনেট

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে মে, ২০১৪ রাত ১২:৪৮

জাফরুল মবীন বলেছেন: ওয়ারাইকুম আসসালাম।অনেক ভালো লেগেছে।এ বিষয়ে ধারাবাহিক পোষ্ট আশা করছি।অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।

২| ২৭ শে মে, ২০১৪ রাত ১২:৫০

জাফরুল মবীন বলেছেন: ভুল সংশোধনঃ‘ওয়ারাইকুম’ এর পরিবর্তে ‘ওয়ালাইকুম’ হবে।

২৮ শে মে, ২০১৪ বিকাল ৪:৪৬

হুসেইন গনী বলেছেন: কমেন্ট করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।আপনি ও আমি দু'জনেই এই সাইটে নতুন ব্লগার।আশা করি আমরা একে অপরের ব্লগে নিয়মিত উপস্থিত থাকব

৩| ২৭ শে মে, ২০১৪ রাত ১:৩৭

দাইমারু বলেছেন: Thank you

২৮ শে মে, ২০১৪ বিকাল ৪:৪৭

হুসেইন গনী বলেছেন: you are most welcome

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.