নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন সংস্কারপন্থী দেশপ্রেমিক বাঙালি। - [email protected]

হাবিব ইমরান

ভালো লাগে নিয়মতান্ত্রিক স্বাধীনতা। অবাধ স্বাধীনতা বিশৃঙ্খলার অন্যতম কারণ, তাই অপছন্দ। পাশাপাশি ভালো লাগে প্রচুর পড়তে, জানতে, ভাবতে এবং স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াতে। ধার্মিকতা আর বকধার্মিকতার ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি বিলকুল বিরক্তিকর।

হাবিব ইমরান › বিস্তারিত পোস্টঃ

আজ বিশ্ব দর্শন দিবস : ‘রাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান উন্নয়নের পাশাপাশি নাগরিকদেরও নৈতিক মূল্যবোধের উন্নয়ন প্রয়োজন’

২১ শে নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩



২০০২ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব দর্শন দিবস চালু করে।
২০০৫ সালে ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনে ঘোষণা করে প্রতিবছর নভেম্বর মাসের তৃতীয় বৃহস্পতিবার দর্শন দিবস পালিত হবে।
আজ ২১ নভেম্বর ২০১৯, দিবসটি উদযাপন করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

কেন দর্শন দিবস?
- অনেক চিন্তাবিদ বলেছেন যে ‘কৌতূহল’ দর্শনের ভিত্তি। প্রকৃতপক্ষে, দর্শন মানুষের নিজের প্রাকৃতিক প্রবণতা এবং বহিঃসত্তা বা বিশ্বজগত নিয়ে বিস্মিত।
- ইউনেস্কো দর্শননীতি ও মূল্যবোধগুলির (গণতন্ত্র, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার ও সমতা) ধারণাগত ভিত্তি সরবরাহ করে, যার ওপর বিশ্ব শান্তি নির্ভর করে। দর্শনশাস্ত্র শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের এই খাঁটি ভিত্তিকে একীভূত করতে সহায়তা করে।

বাংলাদেশ এবং নৈতিক মূল্যবোধ : বিশ্ব শান্তির গলার কাঁটা

বর্তমান সময়ে যে হারে মানবিক মূল্যবোধ এবং নৈতিকতার অবনতি ঘটছে অদূরভবিষ্যতে এর জন্য ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে তা ধারণা করতে জ্যোতিষী হওয়ার প্রয়োজন নেই। তা নিঃসন্দেহেই বলা যায়। এমনকি তার ভার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেই মাথাপেতে নিতে হবে। এর জন্য দায়ী থাকবে বর্তমান প্রজন্ম। বর্তমান প্রজন্ম কোনভাবেই এর দায় এড়াতে পারবে না। এই দায় এড়ানোর প্রক্রিয়াটাও হবে অনৈতিক।
বলতে গেলে বর্তমান সময়ের অনৈতিকতা বিশ্ব শান্তির গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, এই অনৈতিক মানুষগুলোই বহিঃবিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম নষ্ট করেছে প্রতিনিয়ত। ফলে বিশ্ব শান্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে।

বর্তমান সময়ের সমাজের সবচেয়ে খারাপ কাজ যেভাবে বাড়ছে, (যেমন- দুর্নীতি, চুরি, ডাকাতি, টেণ্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, লুটতরাজ, গুম, খুন, ধর্ষণ সহ যাবতীয় অপরাধ) তাতে দিন দিন মানবিকতাও গাণিতিকহারে লোপ পাচ্ছে। পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র এর ফলে দিন দিন ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

মানুষের নৈতিকতার অবনতি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এটা গলা উঁচিয়ে বর্তমান সময়ে বলতে গেলে অনেক বড় কলিজা লাগে। কারণ, অনৈতিকতা চর্চাকারীরা এটা অনৈতিকপন্থায় প্রতিরোধ করে। ফলে সমাজে- রাষ্ট্রে অভিযোগকারী মারধর, হত্যা, গুম এর স্বীকার পর্যন্ত হচ্ছে।

এসবের জন্য দায়ী কে? ব্যক্তি নাকি রাষ্ট্র?
আমার মতে উভয়েই দায়ী। রাষ্ট্র প্রশ্রয় দিয়েছে, তাই ব্যক্তি একই অপরাধ বারবার করার সাহস পেয়েছে।
একটা অপরাধী স্বাভাবিক সুস্থ মানুষ হতে পারে না। সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ কখনো অনৈতিকতা চর্চা করতে পারে না। রাষ্ট্র তা কঠোরভাবেই মোকাবেলা করা উচিৎ।

বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রেও বর্তমানে ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে। এটা প্রশংসনীয়। কিন্তু রাষ্ট্রের উচিৎ ছিলো ক্রমবর্ধমান উন্নয়নের পাশাপাশি নৈতিকতা উন্নয়নের জন্যও কাজ করা। অপরাধীকে প্রশ্রয় না দিয়ে তার অপরাধ অনুযায়ী কঠোর শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা।
মানতে দোষ নেই, রাষ্ট্র সকল জনগণের নৈতিকতা পর্যালোচনা করতে সক্ষম নয়। কিন্তু কঠোর আইন এবং তার বাস্তবায়ন হয়তো তার হার ৮০-৮৫% এ নামিয়ে আনতে পারবে সক্ষমভাবে। যদি এর মোকাবেলা করতে না পারে সক্ষমভাবে, তাহলে অদূরভবিষ্যতে দেশের জন্য কি অপেক্ষা করছে তা সহযে অনুমেয়। এবং তা ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই নয়।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৩০

রাজীব নুর বলেছেন: এদেশের মানুষ অমানবিক। নিষ্ঠুর।
এরা শুধু নিজেরটা বুঝে।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০২

হাবিব ইমরান বলেছেন: প্রিয়,

এ জাতি মূল ধারা থেকে আসেনি। এ জাতির সমস্যা রক্তে। বহু জাতির রক্ত নিয়ে এ জাতি গঠিত। যারাই এদেশে, এই উপমহাদেশে শাসন করতে এসেছে, বাণিজ্য করতে এসেছে তারাই তাদের ভবিষৎ প্রজন্ম রেখে গেছে এদেশে। কেউ বিয়ে করে, কেউ আবার প্রেম করে, কেউ আবার ধর্ষণের মাধ্যমে দিয়ে গেছে।
যার আচরণ যত বেশি খারাপ নৈতিকভাবে, বুঝতে হবে সে ধর্ষণের ফসল।

একটা জাতি কিভাবে এতোটা অসভ্য আর ইতর হতে পারে?
নৈতিকতাবর্জিত মানুষ মানুষই নয়। নৈতিক হতে তো আর ধর্ম লাগে না।

২| ২২ শে নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: বাংলাদেশে ভালো মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। খুঁজতে গেলে অণুবীক্ষণ যন্ত্র লাগবে । আর অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে কেবল জীবাণু জাতীয় প্রাণী গুলোকে দেখা যায়।

মানুষ দেখতে হবে সাদাচোখে । আর সাদাচোখে বাংলাদেশের কোন মানুষ দেখা যায় না।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২৯

হাবিব ইমরান বলেছেন:
প্রিয়,

এ জাতির সমস্যা রক্তের, নৈতিকতার না। শঙ্কর জাত মানেই রক্তের সমস্যা। রক্তের মধ্য দিয়ে বেশিরভাগ সময় ভাইরাস আদানপ্রদান হয়, এ জাতি সেরকম একটা ভাইরাস। সব জাতির খারাপ অভ্যাসগুলো একত্রিত হয়ে বাঙালি নামক ভাইরাসটি আবিষ্কার হয়েছিলো। এ জাতির কোন ভালোদিক নাই।

পঙ্গপালের সাথে এ জাতির অনেক মিল আছে। গাধা-ভেঁড়ার সাথেও কিছুটা মিলে যায়। পঙ্গপাল যেদিকে যায় দলবল নিয়েই যায়। কই যায় না যায় তার কোন খবর নাই। ঠিক এ জাতিরও একই দশা। হুজুগে দশা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.