| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দুরের পাখি
ফারুক ওয়াসিফ সিন্ড্রোম : লক্ষণসমূহ ১ > সকালে ঘুম থেকে উঠে পেট ক্লিয়ার না হওয়া : ইঙ্গ-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্ত । ২ > রাস্তায় হাঁটতে গেলে ভুল করে ড্রেনের পানিতে পা দিয়ে দেওয়া : সিআইএ মোসাদের ষড়যন্ত্র । ৩ > বউএর জাঙ্গিয়া ময়লা : স্থানীয় জাঙ্গিয়া শিল্পের বিরুদ্ধে সাম্রাজ্যবাদী কর্পোরেট বেনিয়াদের আক্রমণ । ৪ > দেশপ্রেম এবং গর্বের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নষ্টামি সহ্য না করা : ডিসকোর্স ইন্টারকোর্স না বুঝা ফ্যাসিবাদ নাযি জাতীয়তাবাদ ।
চ্যাপ্টার -১
চ্যাপ্টার -২
আমার পিচ্চি খালাতো বইন অন্তু । (নাম রাখা হৈছিলো অনন্ত, সেইটা সবার মুখে মুখে অন্তু হৈয়া গেলো) পিচ্চি থাকতে মারাত্নক ছটফইট্যা স্বভাবের ছিলো । খরগোশের মত । সারাক্ষণ লাফালাফি, নাচানাচি । একদিন দুপুরে এইরকম নাচানাচিতে বিরক্ত হৈয়া খালা কয়, যা হুইত্যি যা, হিডা দিমু নইলে অ-ঙ্গা (যা শুতে যা, পিটাবো নাইলে এখন ) । ডর খাইয়া অন্তু গেলো শুইতে । কিছুক্ষণ পর কাঁথার নিচ থাইকা মুখ বাইর কৈরা কয়, আম্মু আঁ-র হোতা আইয়েন্না ত । (আম্মু , আমার শোয়া আইতাছে নাতো ) । খালাতো টাশকি, কি ভার্ব বানাইলো তার মাইয়া । হাসতে হাসতে আমগো দুইজনের অবস্থা কাহিল । তারপর এই মুখ সেই মুখ করতে করতে আমাগো পুরা গোষ্ঠিতে এখন এইটা একটা ক্যাচ ফ্রেইজ, ঘুম না আসলেই, হোতা আইয়েন্না ত ।
নোয়াখাইল্যা ভাষার ব্যাকরণ প্রচেষ্টার এই চ্যাপ্টারে থাকবে, সেইসব শব্দের অভিধান, যেইগুলার উৎপত্তির মূল আন্দাজ করা যায়, কিন্তু বিচ্যুতির পরিমাণ এত বেশি যে, বিচ্যুতির ধারা পুরাপুরি ফলো করা যায় না সেইসব শব্দের অভিধান ।
আর উচ্চারণের টিপস হিসাবে বরাবরের মত,
কেবলমাত্র আঞ্চলিক শব্দের উচ্চারণের জন্য এই লেখার কমন নিয়ম
১ : সকল একক 'চ' এর উচ্চারণ , সাইকেল শব্দের 'স' এর মত হবে । যুক্তাক্ষরের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে প্রমাণ বাংলার নিয়মেই অর্থাৎ বাচ্চা কাচ্চা সাচ্চা এসবের উচ্চারণের মতই হবে । বিশেষ ক্ষেত্রে উল্লেখ করে দেয়া হবে ।
২ : বর্ণ বা সিলেবলের পরে হাইফেন (-) এর উচ্চারণ হবে : আগের সিলেবলের , স্বরবর্ণের দীর্ঘায়িত উচ্চারণ, আগের সিলেবলে স্বরবর্ণ না থাকলে দীর্ঘায়িত 'অ' এর উচ্চারণ হবে ।
যেমন "বা-ইলা " (মসুর) শব্দের উচ্চারণ হবে বা+ আ + ইলা (ব এর পরে দীর্ঘ আ)
"ব-লা" (অলক্ষি, বান্দর এইজাতীয় গালি অর্থে) শব্দের উচ্চারণ হবে ব+অ+লা (ব এর পরে দীর্ঘ অ)
কিছু কিছু সম্মোচ্চারিত শব্দের একসেন্টের পার্থক্যের মাধ্যমে ভিন্ন অর্থ বুঝানো হয় । কিন্তু একসেন্ট লেখার মাধ্যমে বুঝানো যায় না । আশেপাশের কোন নোয়াখাইল্যাকে অনুরোধ করে একসেন্ট গুলা কিলিয়ার হৈতে পারেন ।
১ : ব্যক্তিবাচক সর্বনাম
আন্ডা = আমাদের, আমরা (দুই অর্থেই)
তোন্ডা = তোমাদের, তোমরা
আঙ্গো = আমাদের, তোঙ্গো = তোমাদের (আঞ্চলিক ভ্যারিয়েশন)
এতে = এইলোক (এতেরা = এরা)
হেতে = সেইলোক, সে (হেতেরা = তারা)
ইতি = এই মেয়ে (মহিলা) (ইতিরা = এরা (স্ত্রীবাচক))
হিতি = সেই মেয়ে (মহিলা) (হিতিরা = তারা (স্ত্রীবাচক))
অডা/ অ-ডা = এই , এই-ই (সম্বোধন এবং ধমকার্থে, পুরুষবাচক)
অডি/ অ-ডি = এই, এই-ই (সম্বোধন এবং ধমকার্থে স্ত্রীবাচক)
(নোট : অডা এবং অডি দুইটাই তুচ্ছার্থে, অতএব বায়োজ্যেস্ঠদের সম্বোধনার্থে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন)
অ-বা = এই-ই (সম্বোধনার্থে ,বায়োজ্যেষ্ঠ পুরুষ এবং স্ত্রী দুইক্ষেত্রেই)
২ : স্থানবাচক সর্বনাম
ইঁ-নে = এইখানে / আঞ্চলিক ভ্যারিয়েশন : এইডে = এইখানে
হিঁ-নে = সেইখানে / আঞ্চলিক ভ্যারিয়েশন : হেইডে = সেইখানে
কন্ডাই = কোনখানে (কোথায় > কোনঠায় > কোনডাই > কন্ডাই)
ইঁয়ানো = এইখানে ; হিয়ানো = সেইখানে (আঞ্চলিক ভ্যারিয়েশন)
আঞ্চলিক ভ্যারিয়েশন : কন্ডে = কোথায় (কোথায় > কোনঠায় > কোনঠে > কনডে)
ইঁ-ন্দি = এইখান দিয়ে
হিঁ-ন্দি = সেইখান দিয়ে
কনান দি = কোনখান দিয়ে
মুই = দিকে
এমুই = এইদিকে
হেমুই = সেইদিকে
কনমুই = কোনদিকে
উতুর মুই = উত্তরদিকে (একইভাবে দশ দিকের জন্য)
৩ : এডভার্ব (বিশেষণের বিশেষণ/ক্রিয়া-বিশেষণ/ভাব-বিশেষণ)
এইচ্চা = এইরকম
হেইচ্চা = সেইরকম
কেইচ্চা = কোনরকম
অঁ-ঙ্গা = এখন
হেঁ-ত্তে = তখন
কঁ-ত্তে = কখন
গঁ-দি (হাঁটা) = জোরে (হাঁটা)
এক্কেরে = একেবারে
৪ : পদাশ্রিত নির্দেশক (আর্টিকেল/ দিস/দ্যাট....)
এগুন = এইগুলা, এরা
হেগুন = সেইগুলা, তারা
কনগুন = কোনগুলা, কারা
ইঁ-ন/ইয়েন = এইটা
হিঁ-ন/হিয়ান = সেইটা
কনান = কোনটা
এদ্দুর/এদ্দুরি/ একদ্দুর = এতটুকু
হেদ্দুর / হেদ্দুরি/ হেকদ্দুর = ততটুকু
কদ্দুর/ কদ্দুরি = কতটুকু
এক্কেন = একখান
দুইআন = দুইখান
তিনআন = তিনখানা (বাকি সব একই রকম, সংখ্যার পরে 'আন' প্রত্যয় যোগে, ব্যতিক্রম: হাঁচকান(হাঁচআন ও চলে), সাতকান(হাতআন ও চলে) দশকান বিশকান তিরিশকান চল্লিশকান এইভাবে হাইটকান পর্যন্ত, এর পর থেকে আবার শুধু আন প্রত্যয় যোগে)
৫ : ভার্ব (মৌলিক)
চঁডা = পা দিয়ে মাড়ানো
চোবা = থাপ্পর দেয়া
মুইরগানি = পায়ের গোড়ালি দিয়ে লাথি দেয়া
মু-ইয়ানি = হাতের মুষ্ঠি দিয়ে কিলানো
----------------------------------------------------------------------------
সকল ব্যাকরণবিদ ভাষাবিদগো কাছে ক্ষমা চাইতাছি । আমি ভাবছিলাম আপনেগো কাম খুঊঊউব সোজা । যেকোন মফিজেও পারবো । এখন হাঁড়ে হাঁড়ে বুঝতাছি কাম কত কঠিন ।
ভিক্ষা চাইনা মা, কুত্তা সামলান অবস্থা । ধন্যবাদ কারে দিমু , নিজেরে নিজে ধন্যবাদ দিই । এত্ত ঝামেলার কাম হৈব স্বপ্নেও ভাবি নাই । ভাই-বইনেরা আপনেগো ইনপুট বন্ধ কৈরেন না । তাইলে কোনদিনও কমপিলিটতো দূরের কথা আংশিক কিছু একটাও বানাইতে পারুম না । আপনেগো পিলিজ লাগে , যার যা জানা আছে যোগ করেন । নিজের যোগ করা শব্দ এডানো হয় নাই দেইখা রাগ কৈরেননা । কাম অনেক, চেক টেক কৈরা সবারটাই যোগ করা হৈব । পুরা পরমিজ ।
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৯
দুরের পাখি বলেছেন: সাব্বাশ । পরথম ।
২|
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: ইঁ-নে আঁ-ই কি কইতাম
পার্ছি নাকি?
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৯
দুরের পাখি বলেছেন: কি কইতাম ডা হৈব , কিয়া কইতাম । তয় থ্যান্কু , ভালু জিনিস মনে করায়া দিছেন । কিয়া/ কিতা এইগুলাও এডাইতে হৈব ।
৩|
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২২
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: খিক খিক ভুল করলেও দর্কারী জিনিস মনে পৈড়া যায় ![]()
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৬
দুরের পাখি বলেছেন: হ আপনের প্রস্তুতি ভালো । সিরিজ শেষ হওনের পরে পরীক্ষা লওয়া হৈব । হেইডাত বালা করতে হৈব । নাইলে চটকা চিবাদি হিডুম ।
৪|
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭
নির্জন রহমান বলেছেন: খারাপ না , চলে... নোয়াখাইল্যা কথা কিছুটা হলেও শিখা যাবে।
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৮
দুরের পাখি বলেছেন: শিখেন ।
৫|
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩১
নাজনীন১ বলেছেন: চইর তলে হান্দাই রইছে - ডুকি রইছে - ঢুকে আছে - অনুপ্রবেশ অর্থে।
চোবা - চোপা মানে তর্ক অর্থে জানি,
চোবাড় দিমু - থাপ্পড় দিমু,
মু-ইয়ানি -> মুইক্কানি বলি আমরা
চেগাই রইছে - দু পা ফাঁক করে দাঁড়িয়ে থাকা
কি-ই - জবাবে 'জ্বী' বলার ক্ষেত্রে
বগর বগর - বক বক অর্থে, বেশী কথা বলা
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৫
দুরের পাখি বলেছেন: চোবা করা মানে তর্ক করা সেইটা এডানো হৈবেক ।
চোবা দিমু / চোবাড দিমু , থাপ্পর দেয়া অর্থে দুইটাই চলে ।
সেঁধিয়ে > সান্দিয়ে > হান্দিয়ে > হান্দাই (বিবর্তন ট্র্যাক করা যায়)
৬|
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭
ডি এস এন হীরা বলেছেন: হেঁতেরে দইন্যবাদ দিলে কম অই জাইবো। হেঁলাস +
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬
দুরের পাখি বলেছেন: ঠ্যান্কু ।
৭|
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮
নাজনীন১ বলেছেন: ঠাডাই - জোরে
লেইঞ্জা - বন বিড়াল বা বাগডাশকে বলে, মুরগী চুরি করে নিয়ে যায়।
খাঁতা - কাঁথা
উরমি/ উরমুই - উপরের দিকে (ওঠার সময়, তাকানোর সময়)
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭
দুরের পাখি বলেছেন: ঠাডাই
ঠাঁটিয়ে > ঠাডাই
লেইঞ্জাটা নয়া শুনলাম । ক্রস রিফারেন্স দরকার ।
৮|
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬
গরীব বলেছেন: চেগাই রইছন কিল্লাই? সালাই যান।
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭
দুরের পাখি বলেছেন: চেগাই রইলাম কই আবার ।
৯|
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭
নাজনীন১ বলেছেন: জাল -- জা অর্থে
খাজলি - চুলকানি
মালশা - ভাতের মাড় ঝরায় যে পাতিলে
মাড় গালা - মাড় ঝরানো
হুন্দা দেবা / দেআ যায় - ফুটা / ছিদ্র দেখা যায়, কান হুন্দানি - কান ফুটানো
ভাত / তরকারী / পানি উতরানি - পানি ফুটে উঠা/ বলগ উঠা,
চা-সেন , হানি উতরাইছেনি? --- দেখ্তো, পানি ফুটছে নাকি?
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮
দুরের পাখি বলেছেন: চেক এবং ক্রস রেফারেন্সের পর যথোপযুক্ত চ্যাপ্টারে যোগ করা হবে ।
১০|
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:
ভাইডি কিছু বিষয়ে আপনার দৃষ্টি আকর্শন করছি।
১ : ব্যক্তিবাচক সর্বনাম
আন্ডা = আমাদের, আমরা (দুই অর্থেই
............................................................................................
ভাইডি........এখানে
আঙ্গো = আমাদের বেলায় ব্যবহৃত হয়।
...............................................................................................
২ : স্থানবাচক সর্বনাম
ইঁ-নে = এইখানে / আঞ্চলিক ভ্যারিয়েশন : এইডে = এইখানে
হিঁ-নে = সেইখানে / আঞ্চলিক ভ্যারিয়েশন : হেইডে = সেইখানে
...........................>>
ইয়ানো = এইখানে অর্থে> যেমন ঃ তুই ইয়ানো আয়।
হিয়ানো = সেইখানে অর্থে>যেমন ঃ তুই হিয়ানো যা।
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫২
দুরের পাখি বলেছেন: আন্ডা, তোন্ডা এইগুলা আমাদের অঞ্চলে , আমরা এবং আমাদের দুই অর্থেই চলে । আঞ্চলিক ভ্যারিয়েশন আছে টুকটাক । সেইটা পুরা সিরিজের কমেন্টগুলা খেয়াল করলে দেখবেন ।
আঙ্গো/তোঙ্গো যোগ করতাছি ।
ইয়ানো / হিয়ানো যোগ করতাছি ।
১১|
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৫
বাসার বলেছেন: আন্নেগো বাড়ী কোনাই?
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৬
দুরের পাখি বলেছেন: চৈদ্দগেরাম ।
১২|
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৭
নাজনীন১ বলেছেন: পাতিল কাঁচাই খাওয়া - পাতিলের তলায় লেগে থাকা জিনিস নখ দিয়ে তুলে খাওয়া, যেমন দুধের সর বা পায়েশ বা সুজি কাঁচাই খাওয়া
কাইম - বাঁশের কঞ্চি
গাঁতা - গর্ত
সুরগা - তরকারীর ঝোল
হর অইছে - ফর্সা হইছে (মেঘ সরে আকাশ পরিষ্কার হওয়া, আলো হওয়া)
আবুনা কতা - আবোল-তাবোল কথা
* হেঁঞ্জা (আগের পর্বে) - তরকারী কাটার পরে যে অংশগুলো (খোসা) ফেলে দেয়া হবে, সেটাকেও বলি
ভালো লাগছে, বার বার আসছি আপনার পোস্টে এবং দেখছি আর কি কি শব্দ আমি জানি না। অনেক শব্দ নতুন শুনছি। মজার এবং জটিল উদ্যোগ।
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭
দুরের পাখি বলেছেন: আবুনা কতাডা নতুন শুনলাম । হেঞ্জার এই নতুন অর্থডাও ঠিকাছে । যাচাইবাছাইয়ের পর যোগ করা হবে । আরো বারবার আসুন । অনেকঅনেক ধন্যবাদ ।
১৩|
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬
বেঁচে আছি বলেছেন: আমার বাড়ি ও চৌদ্দগ্রাম।
১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:০৬
দুরের পাখি বলেছেন: চৌদ্দগ্রামের কোথায় ?
১৪|
১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:১৫
মাহমুদ৬৯ বলেছেন: নাজনীন১ এর চেষ্টা দেখে ভালো লাগছে।
আসলেই কাজ যতটা সহজ মনে করা হয়েছিলো ততটা সহজ নয়। তারপর চালিয়ে যান। শেষ করতে পারলে একটা ভিত্তি দাঁড়িয়ে যাবে।
১৫|
১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৩
বেঁচে আছি বলেছেন: চৌদ্দগ্রাম সদর
শ্রীপুর-কাজি বাড়ি
১৬|
১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৫
শয়তান বলেছেন: ভার্ব সেকশনডা অক্করে মৌলিক হৈসে ।
১৭|
২০ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫
নাজনীন১ বলেছেন: হিঁড়া - বসার পিঁড়ি,
হিঁড়া - মাটির ঘরের বাইরের মেঝের বাড়তি অংশটুকু (হিঁড়া মাটি দিয়ে লেপা)
তুন - থেকে (হিয়ান তুন আইছে/ লইছে)
হর - আলো , দুধের সর
বঁই - সিনেমা , বইকেও বলে
আদামনি পাতা (আগের পোস্টে) - থানকুনি পাতা
১৮|
২৪ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০২
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: বস..আপনার লিখা খালি জমতাছে। আপনি নাকি আমার কাজের এলাকায় বেড়াতে আইবেন। কবে -কখন-সময় জানায়েন।
২৫ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২১
দুরের পাখি বলেছেন: আরে শুভ্র ভাই, জুলাইয়ের প্রথম সপ্তায় দেশে যাওনের কথা আছিলো । কিন্তু একটু প্যাঁচ লাগছে ।
আর আপনেওতো বোধহয় এতদিন থাকবেন না ঐখানে । জাবিতে কি থাকেন ? প্রতিবারই দুএকবার যাওয়া হয় জাবিতে ।
১৯|
২৫ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৫৮
পাললিক মন বলেছেন: ভাষা ভিত্তিক নোয়াখালী তিন ভাগে বিভক্ত। ১৯৪৭ পূর্ব সীমানার আলোকে চিন্তা করলে ব্যাপারটা ক্লিয়ার হবে।
১। দক্ষিন ত্রিপুরা, ফেনীর পরশুরাম ও ছাগলনাইয়ার বেশীরভাগ অন্চল, করেরহাটের হেঁয়াকো বাজার অবধি ও মজার ব্যাপার হলেও সন্দীপ। এই উপ-নোয়াখালীভাষাকে চাটিগাঁইয়া ভাষা বলে। শুধু ভাষা নয়, সংস্কৃতি, খাদ্যাভাসেও ফারাক আছে। বিশেষ একটা সুখবর হল- এ ভাষায় একটি রেডিও স্টেশন আছে। রেডিও বিলোনিয়া, ত্রিপুরা। সীমান্তের কাছাকাছি FM Tuning করলে পাবেন।
২। অরিজিনাল অকৃত্রিম নোয়াখাইল্যা ভাষা। কেন্দ্র মাইজদি। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম, লাকসাম, নাংগলকোট, ফেনীর সদর, সোনাগাজি, দাগনভুইয়া, প্রায় পুরা নোয়াখালি জিলা।
৩। ভোলার টানযুক্ত নোয়াখালীর ভাষা। সংগত কারনে তা মেঘনার পুর্বতীর বরাবর এলাকার ভাষা।
২০|
২৯ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৫১
নো্য়াখাইল্লা ভ্যাম্পায়ার বলেছেন: আন্নেরে ঠ্যানকু
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৪
তনুজা বলেছেন: +১
১ম