নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তুমি আমার রাতবন্দিনী। ধূসর স্বপ্নের অমসৃণ সুউচ্চ দেয়াল তুলে তোমাকে আমি বন্দী করেছি আমার প্রিয় কালোর রাজত্বে। ঘুটঘুটে কালোর এই রাজত্বে কোন আলো নেই। তোমার চোখ থেকে বের হওয়া তীব্র আলো, আমার হৃদয়ে প্রতিফলিত হয়ে সৃষ্টি করে এক অপার্থিব জ্যোৎস্না।

জাদিদ

ব্যক্তিগত ব্লগ।

জাদিদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ব্লগারদের মানবতাবোধ, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের স্বভাব কি হারিয়ে যাচ্ছে? সবাই কি সব কিছুতে সহনশীল হয়ে যাচ্ছে?

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:১৩

গত কয়েকদিনে দেশে বেশ কয়েকটি ধর্ষন ও হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিটি ঘটনা এতটাই পৈশাচিক ও বর্বর যে আমি ভেতরে ভেতরে প্রতি মুহুর্তে ক্ষত বিক্ষত হয়েছি ঐ নির্যাতিতদের কথা ভেবে। অদ্ভুত এক ক্রোধ তৈরী হয়েছে নিজের ভেতরে।

সাভারে এক বখাটের প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেয়াতে এক কিশোরী মেয়ে হত্যা করা হয়েছে। মেয়েটি তার ভাইয়ের সাথে হাসপাতালে যাচ্ছিলো চিকিৎসা সেবার জন্য। নিজেকে ঐ ভাইয়ের জায়গায় দেখতে পাচ্ছি।

সিলেটের এমসি কলেজে ছাত্রলীগের কর্মীদের দ্বারা এক দম্পতি নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন। নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে স্বামীকে নামিয়ে
মারধর করা হয়েছে আর দলবেঁধে ধর্ষন করা হয়েছে স্ত্রীকে। মাত্র তিন মাস আগে বিবাহ হওয়া এই দম্পত্তি সিলেটের হজরত শাহপরানের মাজার জেয়ারত করতে গিয়েছিলো। আমি নিজেকে ঐ স্বামীটি জায়গায় দেখতে পাচ্ছি।

আপনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি, ডাক্তার বলল রক্ত প্রয়োজন। আপনার স্ত্রী ছুটছেন রক্তের জন্য। একজন সহযোগীতার হাত বাড়ালেন। বললেন, আমার সাথে চলুন, আমি রক্ত জোগাড় করে দিবো। আপনার স্ত্রী সেখানে গেলেন আর ধর্ষনের স্বীকার হয়ে আসলো। আমি নিজেকে ঐ স্বামীর জায়গায় ভাবার আর সাহস পাচ্ছি না।

সাহস রাখুন, আরো ঘটনা আছে। খাগড়াছড়িতে এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী তরুনীকে ধর্ষন করা হয়েছে। আমি আর বিস্তারিত বর্ণনায় যাচ্ছি না।

অধিকাংশ ঘটনায় জড়িত আছে ছাত্রলীগের সদস্যরা। ছাত্রলীগ দিন দিন প্রমান করছে - এরা পৃথিবীর অন্যতম বর্বর, নিষ্ঠুর, পৈশাচিক ও হিংস্র একটি সংঘটন। ক্ষেত্র বিশেষে এরা ছাত্র শিবিরের চেয়েও ভয়ংকর। এদেরকে থুতু দিলে অন্য পিশাচদের কি দিবো? অন্য জানোয়ারদের কি দিবো?

একটা সময় ছিলো যখন ব্লগাররা শুধু অনলাইনে নয়, অফলাইনেও প্রতিবাদ করতেন। দুই চারজন হলেও সম্মিলিত হয়ে প্রতিবাদ জানাতেন এই ধরনের বর্বরতার, অন্যায়ের। সেখান প্রতিবাদ থেকে ব্লগাররা অনেক কিছু শিখতে পেরেছেন, আয়োজন করতে পেরেছিলেন - দেশের অন্যতম সেরা প্রতিবাদ শাহবাগ মুভমেন্ট। কিন্তু বর্তমান ব্লগারদের মধ্যে খুবই কম ব্লগারদেরই দেখা যাচ্ছে সমসাময়িক এই সব বর্বরতা নিয়ে লিখতে, প্রতিবাদ করতে। অথচ এখন অফলাইন তো দুরে থাক, অনলাইনেও তেমন কোন প্রতিবাদ দেখি না।

ব্লগাররা এখন ব্যস্ত আছে প্রেমের কবিতা লেখায়, গল্প লেখায়। চারিদিকে ফুল লতাপাখি এবং ধর্মীয় চমৎকার সব পোস্ট মিলিয়ে একটি আধ্যাতিক ও অন্যন্য সুন্দর পরিবেশ বিরাজ করছে। এখন পর্যন্ত একটা মাত্র কবিতা দেখেছি, যেখানে প্রতিবাদ আছে। অল্প দুই একটা পোস্ট দেখেছি, সেখানে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

ব্লগে কি তারুন্য ধারন করে এমন কেউ নেই? কেউ কি বলতে পারেন না - আসুন আমরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করি। একজন হলে একজন, দুইজন হলে দুইজন তাও রাস্তায় নামি। অন্তত নিজের পরবর্তী প্রজন্মের কাছে বলার মত কিছু একটা থাকা দরকার। আমাদের আগের প্রজন্মের অনেক বলার মত গল্প আছে, আমাদের তো কিছুই নেই।

কেউ আসুক বা না আসুক - আমি খুব দ্রুত একদিন রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাবো। আমার সন্তান, আমার কন্যার জন্য আমাকে চেষ্টা করতে হবে একটা ভালো বসবাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যাওয়ার জন্য। অন্তত আমি লজ্জা নিয়ে মরতে চাই না। আমার কন্যার চোখে চোখ রেখে বলতে চাই - মাগো আমি চেষ্টা করেছিলাম।

যারা মন চাইবে তাঁরা ফুল লতা পাতা নিয়ে কবিতা কিংবা রোমান্টিক কোন গল্প লিখুন।
আর আমার লেখা পড়ে বলুন -
- কাভা বা জাদিদ আপনি এগিয়ে যান, আপনার সাথে আমরা আছি।
অথবা বলুন - আপনাকে স্যালুট!!
কিংবা বলুন - দারুন উদ্যোগ। প্লাস। সাথে আছি। ( আর কখনও দেখা নেই)

মন্তব্য ৬৪ টি রেটিং +২৬/-০

মন্তব্য (৬৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:২৪

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: বাঙালি জাতি চরম নিষ্ঠুর হয়ে পড়েছে | শুধু ধর্ষণ ও হত্যাকান্ডই নয়, আরো অনেকধরণের পৈশাচিক কর্মকান্ড এরা করে থাকে | একটি নিষ্ঠুর ও দুর্নীতিপরায়ণ জাতির কাছ থেকে মানবতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কিভাবে আশা করা যায় ?

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:২৯

জাদিদ বলেছেন: এত নিষ্ঠুর, মানবতাহীন মানুষ ১০ বছর আগেও হয়ত ছিলো না। আমরা হয়ত একটি যুদ্ধের মধ্যে আছি, সামাজিক সাংস্কৃতিক যুদ্ধ। কিন্তু কেউ বুঝতে পারছি না। ২০১৩ সালের জানুয়ারী মাসে এই ব্লগে ধর্ষন বিরোধী মুভমেন্ট হয়। ব্লগাররা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করে। সব মিলিয়ে ৪০/৫০ জন হয়ত। সেই সময়ের তুলনায় খুবই নগন্য উপস্থিতি। কিন্তু সেখানে সেদিন যারা উপস্থিত ছিলো, তারা প্রত্যেকেই একটা শান্তি নিয়ে বাড়ি ফেরত গিয়েছিলো যে, আমরা অন্তত্ বসে ছিলাম না। আমরা প্রতিবাদ করেছি।

আমাদের দেখাদেখি আরো অনেকেই পরে রাস্তায় নেমেছিলো, ছাত্র ইউনিয়ন মিছিল করেছিলো। কিন্তু এখন চেয়ে দেখা ছাড়া আর কিছু নেই।

২| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৩৮

জাহিদ হাসান বলেছেন: গতকালকে সিলেটের ঘটনায় আমি প্রতিবাদ করে পোস্ট দিয়েছি আজকে একটু আগে।

হালচাল- ৩ এই নামের পোস্টটি দেখুন। ধন্যবাদ।

চলুক অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৩৯

জাদিদ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। দেখেছি।

৩| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৪৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


ব্লগারদের সীমিত পরিবেশে হলেও প্রতিবাদ করতে হবে। আগে আমাদের ইউনিভার্সিটির শিক্ষকেরা প্রতিবাদ করতেন, এখন শিক্ষকেরাও ধর্ষণ মামলার আসামী!

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৩৯

জাদিদ বলেছেন: শিক্ষকরা এখন আর আগের মত নেই।

৪| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৫৩

নীল আকাশ বলেছেন: সামাজিক সমস্যা নিয়ে আমি নিয়মিতই লিখি। সিলেটের ঘটনা নিয়ে আমি বিভিন্ন তথ্য যোগাড় করছি। এই বিষয় নিয়ে লিখতে আমি পিছিয়ে আসবো না।
শিবির খারাপ, শিবির রগ কাটে, এরা রাজাকারে সন্তান! সব কিছুই সত্য!
এবার আমাকে বলুন তো কবে কোন পত্রিকাতে দেখেছেন এইসব নরপশুরা ছাত্রলীগের ছেলেদের মতো এইসব ক্রমাগত ধর্ষন, যৌন নির্যাতন করে বেড়াতে? ইভটিজিং করতে?
আমি নিজেও একসময় শিবিরের পোলাপাইনরে ক্যাম্পাসে দৌড়ের উপর রাখতাম।
এখন মনে হচ্ছে হুদাই এইসব করছি। এই মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় অসভ্য আর জানোয়ারের ছাত্র সংংঘটন হচ্ছে ছাত্রলীগ।
যার ধর্ষনের সেঞ্চুরী করে সেটা সেলিব্রেট করে এবং তারপর সরকারী চাকুরী পায়,
তাদের কাছে আপনি এইসব ঘটনার চেয়ে ভালো আর কি আশা করেন?
প্রকাশ্যে বিশ্বজিত হতাযার বিচার কি হয়েছে কি এই দেশে? সাগর রুনি?

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৩১

জাদিদ বলেছেন: ছাত্র শিবিরের সাথে ছাত্রলীগের তুলনা হবে না। এরা প্রতিযোগীতায় লিপ্ত আছে কে কাকে পরাজিত করবে। ১৯৭১ এ শিবিরের পুর্ব পুরুষরা যে পরিমান হত্যা আর ধর্ষন করছে, তাতে তাদের নতুন করে হত্যার আর ধর্ষন খিদে পাইতে আরো কিছুদিন সময় লাগবে। তারপরও নতুন অনেক শিবির ছানাদের দেখা যায় কোরান শিক্ষা দিতে গিয়ে ৮ বছরের বাচ্চাকে ধর্ষন করতে। আর এটাই শিবিরের সাথে অন্য দলগুলোর পার্থক্য। এরা খোদ আল্লাহকে বিক্রি করে। এই ঘটনাটি সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার ঘটনা। এটা ঘটে ২০১৭ সালের আগষ্ট মাসে। আপনি যদি রেফারেন্স চান আমি কয়েকশ বৈধ রেফারেন্স দিতে পারব।

শুধুমাত্র ক্ষমতার কারনে একটা সময় যে ছাত্রলীগকে প্রশ্রয় দেয়া হয়েছে, যাচাই বাছাই না করে যে সব কর্মীকে যুক্ত করা হয়েছে, সেটার ফলাফল হচ্ছে এই বর্বরতা, এই হিংস্রতা। ক্ষমতাসীন দলকে তাদের অঙ্গ সংঘঠনরা ব্যবহার করে কোন অন্যায় করে নাই, এই দৃষ্টান্ত বাংলাদেশে নাই।
আপনি তো বুয়েটের ছাত্র ছিলেন, আপনার নিশ্চয় সাবেকুন নাহার সনির কথা মনে আছে? আমাদের চট্রগ্রামের মেয়ে। ১৯৯৯ সালে ভর্তি হন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমি-কৌশল বিভাগে। বুয়েট পলাশী বাজার প্রভৃতি এলাকার চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল ক্যাডাররাই দেখভাল করতো। তখনকার সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টগর ছিলো টেন্ডার বানিজ্যের অন্যতম নিয়ন্ত্রক। আর সেন্ট্রালের সভাপতি পিন্টু ভাইয়ের লোক মুকি ছাত্রদল বুয়েট শাখার সভাপতি।
বুয়েটে প্রাধান্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ক্ষমতা ও অর্থলিপ্সু ছাত্র নামধারী এই দুই ক্যাডারবাহিনীর সংঘর্ষের মাঝে পড়ে গুলিবিদ্ধ হন সনি, খুব সম্ভবত বেলা তিনটায় মারা যান।

আমরা সেই সময় দেখেছিলাম ভিসির কি নির্লজ্জ মিথ্যাচার। তিনি দম্ভ করে বলেছিলেন - বুয়েটে কোন সন্ত্রাসী নেই, ওরা বহিরাগত’- সত্যকে অস্বীকার করতে হয় না, ক্যান্সারের জীবানুকে মেরে ফেলতে হয়, একে নিয়ন্ত্রন করার কিছু নেই। সেই সময় বিএনপি সরকার এই সত্য স্বীকার করে নি, তারা আজকে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বিলুপ্ত। আজকেও যারা ছাত্রলীগের কার্যক্রমকে অস্বীকার করবে, কঠোর শাস্তির মুখোমুখি আনবে না, এরাও সামনে হারিয়ে যাবে কালের আবর্তনে।

৫| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:০১

শাহ আজিজ বলেছেন: ডিজিটাল আইনে এখন ওয়ারেনট ছাড়াই তুলে নিয়ে যাবে গেস্টাপো বাহিনী ।

এই ভয়েই সবাই চুপ হয়ে গেছে ।

আমি নানাবিধ রোগে শোকে জর্জরিত , নির্যাতন , জেল সইতে পারব না ।

তবু বলি "ঐ কুত্তাদের যেখানেই পাবেন হত্যা করুন" ।

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৪১

জাদিদ বলেছেন: ঐ কুত্তাদের যেখানেই পাবেন হত্যা করুন।

শাহ আজিজ ভাই - আপনাদের অনুপ্রেরনাতেই সামনে এগিয়ে যাবো। এই ব্লগের অনেকেই জানে না, আপনার সাথে তো আমার রাজপথেই দেখা। আপনাদের কাছ থেকেই তো দেখেছি কিভাবে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করতে হয়, প্রতিবাদ করতে হয়।

যদিও এই গল্প ব্লগারদের কাছে এখন রুপকথার মত মনে হবে।

৬| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:১৪

আমি সাজিদ বলেছেন: জাদীদ ভাই, আমার ইউনিভার্সিটি লাইফের শুরু থেকে মাঝ পর্যন্ত একটা সময় কেটেছে ছাত্রলীগকে খুব কাছ থেকে দেখে। আমি পর্যায় ক্রমে ইউনিভার্সিটি লেভেলের ছাত্রলীগ, এরপর জেলা ছাত্রলীগকে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি৷ জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিগুলোর ভেতরে কারা কারা বসে সেগুলোও দেখেছি। এই ব্লগে আমার আইডি খোলার সময় আমি ছিলাম এমন একজন যে যে কোন যুক্তিতেই একাত্তর নিয়ে আসতাম, তাও সাত বছর আগের ঘটনা। ইউনিভার্সিটি লাইফের শুরুর আগের কথা বলা যায় সেগুলোকে। এখন আমার চেয়ে কেউ এই ব্লগে ছাত্রলীগকে ঘৃণা করে কি না আমার জানা নাই। আমি তো ভেতরে দেখেছি, জানি কেমক্ন সন্ত্রাসী সংঘটনে রুপান্তর ঘটেছে এককালের প্রগতিশীল এই সংঘটনের। যদি বলি দক্ষিন এশিয়ার অন্যতম সন্ত্রাসী সংঘটনগুলোর মধ্যে অন্যতম ছাত্রলীগ এবং আওয়ামীলীগের অন্যান্য অঙ্গ সংঘটনগুলো, তাহলে বোধহয় ভুল হবে না। বঙ্গবন্ধু কোন আদর্শকে যদি ধারন করে থাকেন তাহলে তাঁর সেই আদর্শের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এই ছাত্রলীগ সহ অন্য সংঘটনগুলো এখন।

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৩৯

জাদিদ বলেছেন: আমি জানি সাজিদ। তুমি আমার সাথে এই নিয়ে একটা সময় হয়ত রাগ বা অভিমানও করেছিলে। তোমার এই পরিবর্তন হয়েছে কারন তোমার বিবেক আছে। তুমি আমি যেমন বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসি, তাঁর আদর্শকে শ্রদ্ধা করি তাই আমাদের পক্ষে এই অন্যায় মেনে নেয়া সম্ভব নয়। বঙ্গবন্ধুর কারনে আওয়ামীলীগের উপর আমার সফট কর্ণার ছিলো। কিন্তু ছাত্রলীগের বাড়াবাড়ি দেখে এই সফট কর্ণার এখন আর নেই। যেদিন দেখলাম শাবিতে জাফর ইকবাল স্যারকে পিটাইলো, গর্ভবতী শিশু পৃথিবীতে আসার আগে গুলিবিদ্ধ হইল, এমন কোন অপকর্ম নাই যেখানে ছাত্রলীগের নাম আসে না, সেদিন থেকে আমি এদেরকে ঘৃণা করি।

নিজের আদর্শ বজায় রেখে এই দেশে কেউ কোন ছাত্রসংঘটনের রাজনীতি করতে পারবে না। আওয়ামীলীগ এখনও কিছুটা বেঁচে আছে শেখ হাসিনার জন্য, যেদিন তিনি মারা যাবেন, সেদিন আওয়ামীলীগের কফিনে পুরো পেরেক মারা হয়ে যাবে। মানুষের অভিশাপ বড় কঠিন জিনিস। এই থেকে যেমন রাজাকার আলবদর বাহিনীর সদস্যরা মুক্তি পায় নি, রক্ষা পায় নি ফাঁসির দড়ি থেকে, তেমনি এই ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগও রক্ষা পাবে না সাধারন মানুষের অভিশাপ আর বিচার থেকে। একদিন না একদিন বিচার হবেই।

আমি একদিন রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করব। সম্ভব হলে যোগ দিও। এর আগের বারেও তো তুমি মনে হয় ছিলে!!

৭| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:১৪

করুণাধারা বলেছেন: আপনি একটা প্ল্যাকার্ডে ধর্ষকের শাস্তি চেয়ে কিছু কথা লিখে রাস্তায় দাঁড়ালে আপনার সাথে আরো ৪০/৫০ মানুষকে পাবেন যারা আপনার সাথে এই জঘন্য অন্যায়ের প্রতিবাদ করবেন, আপনারা হয়তো অনশনেও যাবেন বিচার দাবি করে, তারপর নিশ্চয়ই আপনাদের বিচারের আশ্বাস দেয়া হবে, আপনারা ঘরে ফিরে যাবেন আশ্বস্ত হয়ে যে এমন ঘটনা আর ঘটবে না। কিছুদিন পর নতুন কোন ধর্ষণের ঘটনা ঘটবে, আবার কেউ রাস্তা দাঁড়াবে, আবার আশ্বাস, আবার ধর্ষণ...

সেই যে হযরত আলীর দশ বছরের মেয়েটা ধর্ষিত হয়েছিল, বিচার না পেয়ে হযরত আলী মেয়ে সহ ট্রেণের নীচে ঝাঁপ দেয়। এটা কি প্রতিবাদ ছিল না? কোন প্রতিকার হয়েছে? প্রতিদিন অনেক মেয়ে ধর্ষিত হচ্ছে, বিচারহীনতার ফল এটাই। তনু, রূপা, নুসরাত... এদের ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে, তার বিচার হয়নি। তাই আমার মনে হয় প্রতিবাদ করে লাভ হয়না, কিন্তু সামুর মত এমন একটা প্লাটফর্ম যখন পেয়েছি তখন প্রতিবাদ জানাই, দেখুন আমিও তিন বছর আগে পোস্ট দিয়েছিলাম,view this link যে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পোস্ট, তার লিঙ্ক দিয়েছি সাথে।

এই তিন বছরে অগুনতি ধর্ষণ হয়েছে, কিছুদিন তা নিয়ে হৈচৈ হয়েছে, তারপর সবাই ভুলে গেছে।

আপনার কন্যা, আর এদেশের সকল কন্যাশিশু আর নারীদের প্রতি শুভকামনা জানাই।

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৪৫

জাদিদ বলেছেন: আপু, মাঝে মাঝে দমবদ্ধ হয়ে আসে। নিজেকে প্রচন্ড ছোট মনে হয়। আগে কখনও চাইতাম না এই দেশ ছেড়ে চলে যাবার জন্য, কিন্তু ইদানিং মেয়েটা হবার পর আমার মনে হয়, এই দেশ ছেড়ে চলে যাওয়াই ভালো।

প্রতিবাদ আপু একটি চলমান প্রক্রিয়া। অনেকটা শুষ্ক খড়ের মাঝে আগুনের স্ফুলিঙ্গের মত। কখন যে আগুন ধরে যায় ঠিক নেই। তবে একদিন আগুন ধরবে এটা নিশ্চিত। একদিন মিথ্যেবাদী রাখালের দৌরাত্য কেটে যাবে, সত্যি বাঘ আসবে। তাই আমি প্রতিবাদ করে যেতে চাই। আপনারা পাশে থাকলে, অন্যকে সাহস যোগালে অবশ্যই আমরা পারব।

আচ্ছা আপু, আপনি বলুন - ধর্ষকদের কি শাস্তি দেয়া প্রয়োজন? আপনি কি চান ধর্ষকদের শাস্তি হিসাবে?

৮| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:২৪

আমি সাজিদ বলেছেন: আমি যতোদূর জানি মিডিয়ায় এই ঘটনা চলে আসাতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা মিউচুয়াল করতে পারে নি। এমন একটা ঘটনা মিডিয়ায় এসেছে কিন্তু সিলেটের ওই জায়গাটায় অনেকবার এমন ঘটেছে। ছাত্রলীগের ছেলেপেলেরাই করেছে। কিন্তু এমন একজন আছেন যাকে সৎ বলে প্রচার করে সব অসৎ কাজ যায়েজ করা হয়। এটাতেও এই ছেলেপেলেদের পরিবারের ইতিহাস বের করে দেখানো হবে এরা সহী ছাত্রলীগ নয়।

সাথে আছি। প্রতিবাদ হোক।

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৪৮

জাদিদ বলেছেন: ধন্যবাদ সাজিদ। হ্যাঁ মিডিয়ায় চলে আসায় এখন ধামা চাপা দেয়া যায় নি। এটাও বলার চেষ্টা হবে এরা কেউ সহি লীগ কর্মী নয়। ধরা খাইলে কেউ আর লীগের কর্মী থাকে না। আর এমসি কলেজে প্রচুর অপরাধমুলক কর্মকান্ড হয়, এই সবের কোন প্রতিকার হয় না। পুরো দেশটাই মাঝে মাঝে তামিল ছবির মত মনে হয়।

৯| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৩৮

আহমেদ জী এস বলেছেন:
জাদিদ,




আপনার এমন আক্ষেপ যথার্থ এবং সঙ্গত।
সামুর ব্লগারদের অন্তরে আপনার মতোই আগুন জ্বলছে নিয়ত।
কিন্তু ব্লগে এখন ব্লগারদের উপস্থিতি কম এবং লেখার সংখ্যাও কম এটাও মাথায় রাখতে হবে। তাছাড়া এসব নিয়ে তুখোড় প্রতিবাদ করার পরিবেশ এবং পরিনতি কোনটাই এখন আর মোটেও ঝুকিমুক্ত নয় ( আগেও ছিলোনা ), এটাও আমাদের মনে রাখতে হবে, এব্ং তা দিনের মতোই পরিষ্কার বরং ঝুকি আগের চেয়েও মারত্মক।
তারপরেও এই স্বল্প পরিসর ও অনেক অনেক সীমাবদ্ধতা নিয়ে অনেকেই কিন্তু নিজেদের প্রতিবাদী মুখটাকেই দেখিয়ে গেছেন।
যেমন -
যাযাবর জোনাকি র লেখা কবিতা “আমাদের মেরুদণ্ড”তে পরাজিত বোধের কথা লেখা আছে ।এও এক ধরনের প্রতিবাদ।
আলমগীর সরকার লিটন এর লেখা “পথ সৈনিক”কবিতায় তিনি গর্জে উঠতে বলেছেন পথের মানুষকে।

“সিলেটে এমসি কলেজে স্বামীকে বেঁধে তরুনীকে গনধর্ষণ- সাধারণ মানুষ যা ভাবছেন” লেখায় রাজীব নুর, প্রকারন্তরে মানুষের দৃষ্টি ফেরাতে চেয়েছেন এসব অপকর্মের দিকে , বলেছেন সোচ্চার হতে।
“এমসি কলেজ কেলেঙ্কারি: পত্রিকায় অখ্যাত বাপ” শিরোনামের লেখায় Masterda, একটি বোধ জাগিয়ে তোলার কথা বলেছেন।
“এ কেমন স্বাধীনতা !” য় পারভীন শীলা কিছু প্রশ্ন রেখেছেন।

“আজকের হালচাল” নিয়ে লিখেছেন জাহিদ হাসান।

ব্লগারদের উপস্থিতি আর লেখার পরিমানের তুলনায় এ সংখ্যাও কিন্তু নেহাৎ কম নয়।
আপনার এই আহ্বান ব্লগারদের আরো সাহসী হতে অনুপ্রেরণা যোগাবে নিঃসন্দেহে। এখানকার মন্তব্যেও ব্লগারদের ভেতর জ্বলতে থাকা আগুনের স্ফুলিংগের দেখা মিলেছে কিন্তু।

আপনাকে স্যালুট বলার কিছু নেই , একজন সচেতন এবং বিবেক বোধ সম্পন্ন মানুষের মতোই আপনি আপনার কথা বলেছেন। আশা করি আপনার কন্ঠে কন্ঠ মিলিয়ে আরও আরও কন্ঠ যোগ হবে এই লজ্জার হাত থেকে আমাদের বাঁচিয়ে একটি বাসযোগ্য সমাজ রেখে যাওয়ার তীব্র আকাঙ্খা থেকে ।
ব্লগাররা এসবে মনে হয় কখনই পিছিয়ে ছিলেন না এবং এখনও নেই।

প্রতিবাদের ভাষা এবং জোর হয়তে কমেছে বিভিন্ন কারনে কিন্তু তারপরেও প্রতিবাদ আছে এবং তা থাকবে আপনার এবং আপনাদের মতো বিবেকবান মানুষদের সাহচর্য্যে।

শুধু আপনার লেখাটি দেখেই লগ ইন হয়েছি এবং মন্তব্য করছি তাড়াহুড়ো করে । হয়তো অসংগতি থাকতে পারে , সেজন্যে ক্ষমাপ্রার্থী।

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৫২

জাদিদ বলেছেন: প্রিয় জি এস ভাই! আপনাকে ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য। আমিও ঐ লেখাগুলো দেখেছি। আমি খুব চাই আগের মত রাস্তায় নামার আহবান জানিয়ে কেউ লিখুক। সময় দিন তারিখ নির্ধারিত হোক। আমরা আমাদের সামর্থ্য মত প্রতিবাদ করি। নিশ্চয়ই ব্লগাররা সমাজের সচেতন অংশ। আমার দম বন্ধ লাগছে জিএস ভাই, এত অনাচার, অপরাধী মনোভাব আমাদের দেশের তরুনদের মধ্যে ঢুকে গেলো? এই বর্বরতার শিক্ষা আমরা কিভাবে পেলাম? কিসের জোরে নিজেকে অপরাধী ভাবে না ঐ কুলাঙ্গারগুলো??

দেখি একদিন রাস্তায় প্ল্যাকার্ড নিয়ে নামব! প্রতিবাদ জানাবো!

১০| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১৭

নতুন বলেছেন: মানুষ এখন এইসব দেখতে অভস্ত হয়ে গেছে।

তাই অনুভুতিগুলি ভোতা হয়ে যাচ্ছে দিন দিন।

কোন দেশে একটা দল যখন দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকে তখন তারা দানবের মতন হয়ে যায়।

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:০১

জাদিদ বলেছেন: কঠিন সত্য।

১১| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১৮

করুণাধারা বলেছেন: ধর্ষকদের শাস্তি চাইবো না আমি!! যখন প্রতিটা ছোট মেয়েকে দেখলেই আশঙ্কিত হতে হয়, এই মেয়েটি ধর্ষণের শিকার না হয়ে বাঁচতে পারবে তো!!

ধর্ষকের কী শাস্তি চাই? ক্রসফায়ার। হয়ত বলবেন ক্রসফায়ার দিয়ে কোন সমস্যার সমাধান হয় না, কিন্তু আমার মনে আছে এরশাদের সময় এসিড নিক্ষেপ খুব বেড়ে গিয়েছিল। তখন দুজন এসিড নিক্ষেপকারীর দ্রুত বিচারে ফাঁসি হয়েছিল, তার পর থেকে এসিড নিক্ষেপ কমে এসেছিল।

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:০৩

জাদিদ বলেছেন: আমি আরো কঠিন কোন শাস্তি চাই আপু! আরো কঠিন এবং বর্বর!
এদেরকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হবে এবং এদের পরিবারের সবার কপালে অমোচনীয়ভাবে কালিতে লিখে দিতে হবে 'এই ব্যক্তি ধর্ষনকারীর পরিবার)

১২| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১৯

আমি সাজিদ বলেছেন: না ভাইয়া থাকা হয়নি কোনটায়। উত্তরবঙ্গে গণজাগরণমঞ্চের লিফলেট বিতরন করতে গিয়ে ( ২০১৩ সালে, প্রথম বর্ষে) যে ঠেঙ্গানি খেয়েছিলাম, সেটার পরে আর সরাসরি প্রতিবাদে যাইনি কোথাও। উত্তরবঙ্গ তো ছাড়লামই ২০১৯ এ। ব্লগারদের কোন প্রতিবাদে যাওয়ার ইচ্ছে রাখি।

গনজাগরণ মঞ্চ, হাহা, ভাবতে গেলেই মনে হয়, কতোজনের এসাইলামের রাস্তা খুলে গেল এটাকে বিক্রি করে!

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:০৪

জাদিদ বলেছেন: হ্যাঁ, আমরাও দেখেছি অনেক কিছু। কিছু আর নাই বা বলি।

১৩| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:০৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: একে কি সহনশীলতা বলবেন না বিবশতা!
অন্যায় আর জুলুম যখন মাত্রাতিরিক্ত হয়ে মাৎসানায়ে বদলে যায়
তখন মানুষ বিবশ হয়ে যায়। ভয়, শংকা, অনিশ্চয়তা, নেতৃত্বহীনতা, স্বৈরাচারিতার নিত্য পীড়নে।

আর প্রতিবাদ দূরে থাক সামাণ্য ভিন্নমতে এই ব্লগেই তো কম কিছু হয়নি। কত জন ব্লগার গুম হয়েছিলেন?
তাদের খবর কে রেখেছে? মাত্র দুজনকে সামনা সমানি পেয়েছি। উনাদের যে অবস্থা যেমন অর্থনৈতিক, তেমনি মানসিক।
আজো সে সব কথা জিজ্ঞেস করলেই যেন কেঁপে কেঁপে ওঠেন মনে করতেই!
গুম হবার জ্বালা, নিহমত হবার জ্বালা জানে শুধু পরিবার। নি:স্ব রিক্ত হয়ে পথে বসে যায়!

তাই বলেকি সবাউ চুপ থাকবো? মেনে নেব সব অন্যায়? এ চেতনা থাকলে্ কি একাত্তরে স্বাধীনতা পেতাম?
হ্যা এখানেই কথা। একাত্তরে জীবন দানের যে স্বপ্ন ছিল যে নেতৃত্ব ছিল তা আজ নেই।
কেন জীবন দিচ্ছে যে দিচ্ছে সেও জানেনা- সে জীবন দান তো অর্থহীনতায় পর্যবসিত হয়।

নেতৃত্বের শুন্যতা এক বিশাল ব্লাকহোল হয়ে শুষে নিচ্ছে নীতি নৈতিকতা, বিবেক, স্বপ্ন।
মধ্যরাতের ভোট ছিল যার শুরু আজ তার পরিণতি বাস্তবায়িত হচ্ছে মাত্র।
এই মধ্যরাতের অবৈধ ভোটের মাধ্যমে যে স্বৈরাচারিতর জন্ম আর বিকাশ তার স্বপক্ষে ব্লগেই বহু লেখা এসেছে।
প্রতিবাদকারীদের হতে হয়েছে কোনঠাসা।

যখন প্রধান বিচারপতিকে মধ্যরাতে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়, সেখানে আপনি ন্যায় বিচার আশা করেন কিভাবে?
যখন দলান্ধতাই একমাত্র যোগ্যতা! সেখানে এমন অনাচার অবিচারই শেষ পরিণতি।
এতো একদিনের দূর্ঘটনা নয়- গত ১০ বছরের স্বৈরাচারিতা আর অন্যায়ের কর্মফল মাত্র।

বিচ্ছিন্ন মানববন্ধ খেলাতো দেখছি নিত্য প্রেসক্লাবের সামনে! কি হয়?
দুটো মিডিয়া কাভারেজ তাও প্রচুর বল থাকলে! নয়তো তাও নয়! আসে চলে যায়। আশ্বাস আর বিশ্বাসের টম এন্ড জেরি গেম চলে।
ঐ যে বলেছেন ক্যান্সারের জীবানু লুকিয়ে লাভ নেই। সেটাই কথা। বর্তমান অবস্থার কোন উপশম নেই নির্মুল ছাড়া।
সুস্থ, জবাবদিহীতার, জনগণের নির্বাচিত সরকারে প্রত্যাবর্তনই পারে খানিকটা নিরাময় দিতে। পূর্ন নিরাময়ে চাই পূর্ণ বিপ্লব।


২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:৪৩

জাদিদ বলেছেন: পরিস্থিতি আসলেই খুব ভয়ংকর। এখন পর্যন্ত কোন ধর্ষনের ঘটনায় কোন শাস্তি হয়েছে বলে আমার জানা নেই। আপনি পেলে আমাকে মনে করিয়ে দিয়েন।

আমি আগে ভোটের অধিকার চাইতাম, সোচ্চার ছিলাম। এখন আর হইনা। কারন লাভ নাই, যাহা লাউ তাহাই কদু। ভোট আসলে আমাদের জন্য কিছু না, ভোট আসলে রাজনৈতিক দলগুলোর টাকা পয়সা বৃদ্ধির একটি সুযোগ ছাড়া আর কিছু নয়। এটা কঠিন বাস্তব। এই দেশ নিয়ে কোন দল সঠিকভাবে চিন্তা করে বলে আমি বিশ্বাস করি না।

আমি দল মত বুঝি না, সিলেটের ঘটনার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চাই। এখন পর্যন্ত ৪ জন অপরাধী ধরা পড়েছে। এদের সকলের মৃত্যুদন্ড চাই।

১৪| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:১৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সেম সেম সেম!

ধন্যবাদ জাদিদ ভাই আপনাকে পোস্টটি দেওয়ার জন্য। তবে এর আগে বর্বরোচিত ঘটনাটি নিয়ে অনেকগুলো পোস্ট এসেছে। এ বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত অভিমত,ইন্ডিভিজুয়াল পোস্ট ইতিপূর্বে যা এসেছে সেগুলোকে লিংক দিয়ে এই পোস্টটি স্টিকি করলে সামুর পক্ষ থেকে একটা বৃহত্তর প্রতিবাদ জ্ঞাপন করা যাবে।
দিল্লির নির্ভয়া ধর্ষণ মামলা ছাড়া মনে করতে পারছিনা অতীতে কখনও উপমহাদেশে ধর্ষণ কেসে নিগৃহীতা যথোপযুক্ত বিচার পেয়েছে বলে। লোকদেখানো আসামি ধরা ধরা বা কোর্টে চালান দেয়া সবি ঘটে। কিন্তু দুদিন পরে আন্দোলন থেমে গেলে আবার ব্যাকডোরে সোনার টুকরো ছেলেগুলো যে যার জায়গায় ফিরে যায়।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৫২

জাদিদ বলেছেন: যা বললেন, এটাই বাস্তব। আমরা এইবার এমনটা চাই না। আমরা চাই দৃষ্টান্ত মুলক বিচার হোক। নইলে এই জাতি ধ্বংস হয়ে যাবে।

১৫| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:২৩

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: এ দেশে আপনার এই প্রতিবাদী পোস্ট কেবল ব্লগের কিছু মানুষই পড়বেন। আর কিছু হবে না। প্রশাসন এতই অথর্ব হয়ে গেছে যে ধর্ষণের শাস্তি নিশ্চিত করা দূরে থাক, এসবের খোঁজ খবর রাখারও প্রয়োজন মনে করে না।

আমার বয়স এখন ৬৬ বছর চলছে। নানারকম রোগ ব্যাধি ছাড়াও সাংসারিক বাধা বিঘ্ন আছে। তারপরেও বলছি, ব্লগার কমিউনিটির অন্তত দু' তিনশো মানুষের যদি সমাবেশ ঘটানোর উদ্যোগ কেউ নিতে পারেন, তাহলে আমি তাদের সাথে দাঁড়িয়ে প্রেস ক্লাবের সামনে বা শাহবাগে প্রতিবাদে শামীল হতে রাজি আছি। অনশন কর্মসূচিতেও আপত্তি নাই। যা হয় হবে। জীবনের বেশির ভাগ সময় কেটে গেছে। অবশিষ্ট সময়টুকু জেলখানায় কেটে গেলে কি যায় আসে? আর র‍্যাব পুলিশের নির্যাতনে যদি মরেই যাই তো যাবো। কত মানুষই তো এভাবে মরছে।

আপনি বা অন্য কেউ যদি উদ্যোগ নিতে পারেন তো একটু সময় হাতে নিয়ে বলবেন। আমি ঢাকায় চলে আসবো। লেখালেখি করে কিছু হবে না।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:২৫

জাদিদ বলেছেন: প্রিয় হেনা ভাই, আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা। এইভাবে বললে অনেক সাহস বাড়ে। আমরা কিছু আয়োজন করলে আপনাকে জানাবো। আমরা প্রতিটি বাসায় বাসায় ধর্ষনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে পারি। আমি একটা পরিকল্পনা করছি। ইনশাল্লাহ সামনে সেটা জানাবো।

১৬| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:৪০

আখেনাটেন বলেছেন: জাদিদ ভাই, গতকাল শাহদীন মালিকের ব্ক্তব্যটা শুনেছেন নিশ্চয়। এদেশে কিছু মানুষের ও গোষ্ঠীর সমালোচনা করা এখন ভীষণ কঠিন হয়ে গেছে। এই 'কঠিন' শব্দটার অর্থ ব্যাপক বিস্তৃত। ভোগবাদী সমাজে এর আগে মানুষ দায়বদ্ধতা থেকে অনেক প্রতিবাদ করেছে। এখন মনে হচ্ছে সেগুলো ইতিহাস।

এখন রকেটের মতো নিজের পেছনে আগুন না লাগলে আমরা আর ঊর্ধ্বগামী হতে পারি না, কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া। সেই মানসিকতা, মানবিকতা, মনুষত্ব, মহত্ত ধারণ করার মানুষ প্রতিনিয়ত কমে যাচ্ছে। ব্যাপারটা এমন যে, চাচা আপনা প্রাণ বাঁচা। কি শখ! শুধু শুধু বিপদে পা বাড়িয়ে! আর এই বিপদের ক্ষেত্র কিন্তু 'রাষ্টযন্ত্র' নিজেই সৃষ্টি করেছে। স্বৈরশাসনের পর গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সময় থেকে দেশের বাক-স্বাধীনতার উপর এতটা দমন-পীড়ন কখনই ছিল না। পত্রিকাওয়ালারা পর্যন্ত আর কঠোর সমালোচনা করতে পারে না। নানামুখি আইন পা বেঁধে ফেলেছে।

আর ঐ যে বললাম, মানুষও নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর দরকার মনে করছে না। কারণ তাড়াতে গিয়ে বেচাল হলে বনদস্যুদের হাতে মাথাটা জমা দিতে হতে পারে। ফলে সবাই চুপ করে দেখে যাচ্ছে।

কয়দিন আগেই আমি একটি প্রতিবাদস্বরূপ লেখা ব্লগে প্রকাশ করলাম, প্রান্তিক মানুষের উপর রাষ্ট্রযন্ত্রের ন্যাক্কারজনক দমনপীড়নের। পাঠকেরা এ ধরনের লেখা তো খায় না, সাথে কিছু অর্বাচীন কুতর্কের জন্যও প্রস্তুত থাকে। এই হচ্ছে সমাজের অবস্থা। এখন সবাই আমরা রকেটের মতো নিজের পশ্চাদদেশে আগুন লাগার অপেক্ষা করতে থাকি, যখন আগুন লাগবে তখনই শুধু উড়ব মানে প্রতিবাদ করব।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৩১

জাদিদ বলেছেন: আখেনাটেন ভাই, আমি একটা প্রতিবাদ মুভমেন্টের পরিকল্পনা করছি। একটা খসড়া দাঁড় করিয়ে আপনাদের সকলের সাথে শেয়ার করতে চাই। রাস্তায় যেহেতু নামতে পারছি না, অন্তত এইভাবে চেষ্টা করতে দোষ কি?

ব্লগে আপনাকে সাথে একজন ব্লগার অত্যন্ত অসভ্য আচরন করেছে। এটা খুবই দৃষ্টিকটু ও অশোভন ছিলো। এই সব অর্বাচিনরা খুব সহজে হারিয়ে যায়। এদের নিজেদের অহংকার এদেরকে প্রতিনিয়ত খেয়ে ফেলে, এটা সেটা নিজেরাই জানে না।

১৭| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: জাদিদ ভাই শুধু এটুকুই বলি- আপনার সাথে আছি।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৩১

জাদিদ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৮| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৩২

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: যে কোন বিষয় থেকেই একদল মানুষ লাভবান হয়েছে মাত্র, স্বাধীনতার পর থেকে মানুষ কম প্রান দেয় নাই, কম পথে নামে নাই। কার্যত এখন আসলে এই খারাপ কাজ গুলো যারা করে তারাই ক্ষমতাসীন। ফলে এদের ক্ষমতার কথা এখন সবাই জানে। নিজকে এখন আর কেহ ভিক্টিক বানাতে চায় না, কারনে এতে ওরাই লাভবান হয়। মানুষ এখন বুদ্ধিমান, যদিও এই বুদ্ধি বুমেরাং হবে এক সময়ে।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৩২

জাদিদ বলেছেন: চরম সত্য বলেছেন উদারাজী ভাই! এই ক্ষমতা কি মরন থেকে বাঁচাতে পারবে? পারবে জবাবদিহী থেকে মুক্ত করতে? কোন ভয় নাই।

১৯| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:১৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: বর্তমান সময়টা এখন এমন এক গোলক ধাধায় আটকে আছে প্রতিবাদ যারা করবে তাদেরও মূল্য দিতে হয় বলে বর্তমানে প্রতিবাদ হয়ে গেছে অত্যন্ত নিম্নগামী।

বিচারহীনতা ও যথা কাজের তথা শাস্তি না হওয়াই এর প্রধান কারণ।

আর সমাজ যদি অপরাধীর অপরাধ ঢাকতে সহায়তা করে তবে এমন অমাবিকতার দৃশ্য রোজ রোজ ভেসে উঠবে দেশের কোথাও না কোথাও।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৯

জাদিদ বলেছেন: বিচারহীনতা এতটাই অবিশ্বাস্য পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, মাঝে মাঝে মনে হয় আমরা কোন তৃতীয় শ্রেনীর হিন্দি সিনেমায় আছি।

২০| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৩৬

পলাতক মুর্গ বলেছেন: সামুর মডারেটররা ব্লগটারে একটা মুরগির ফার্ম বানাইলাইছে, প্রতিবাদ করতে বন মোরগ লাগে, ফারমের মুরগা দিয়া প্রতিবাদ হয় না।

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৪

জাদিদ বলেছেন: কিভাবে এমনটা হয়েছে বলে আপনি মনে করছেন?

২১| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৪০

সোহানাজোহা বলেছেন:




আর কিছুদিন পর ব্লগে প্রতিবাদ বিহীন শুধু ছবি লতা পাতা ফুল এসব পোস্ট আসবে কারণ আছে। এবং কারণের পেছনে যথার্থ যুক্তিও আছে। ব্লগে একটি পোস্ট বা একটি মন্তব্যতে আক্রমণাত্বক মন্তব্য যখন শুরু হয় তখন বুঝতে হবে সামান্য লেখায় যদি এমন হয় তাহলে সামনা সামনি কেমন হতে পারে!

বাস্তব আর সিনেমা এক নয়। সিনেমাতে ৫-৭ জনকে ধরাশায়ী করা কোনো সমস্যা নয়, বাস্তবে হয়তো পাঁচ সাতজনের সাথে খালি হাতে পেরে উঠবো না কিন্তু আমি প্রমিজ করে বলছি প্রশাসিনের শক্তি লাগবে না আমার নিজ শক্তিতে “সত্যপীরের” মতো অন্তত এক দুজন লোকের নাকের হাড় সহ পাজরের হাড় ভেঙ্গে দেওয়া সম্ভব। - আমি কারাতে ব্লু বেল্ট।

=== === ===
বাংলাদেশে মেয়েদের কারাতে জুডো শিখা সহ সাথে ধারালো অস্ত্র রাখা কতোটা জুরুরী হয়েছে তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। আমি আমার আব্বার ভাষায় বলছি - “এভাবে চলতে থাকলে একদিন যখন রাজপ্রাসাদে আক্রমণ হবে সেদিন রাজদরবার কি করবেন? একদিন রাজকন্যা ধর্ষণ হবেন না তার নিশ্চয়তা কে দেবে?
=== === ===

আইনের হাতে যদি হাতকড়া থাকে তাহলে যা হবার তা হয়েছে। আইনের হাত থেকে হাতকড়া খুলে দিন। এই সাতজনের রক্ত পানি করে দেওয়া মাত্র ৩০ মিনিটের বিষয়। দুঃখজনক বিষয় সাতজন লম্পটের ছয়জনের মুখে আল হেলালী দাড়ি! - এরা হুজুর মোল্লাহ বা মাদ্রাসার ছাত্র নয়! - এদের পরিচয়, এরা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় পালিত চরিত্রহীন লম্পট।

মেয়েটির অতীত ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না, তবে একটি কাজ সম্ভব, আর তা হচ্ছে ন্যায় বিচার এবং দৃষ্টান্তমূলক ন্যায় বিচার। উক্ত সাতজনের কমপক্ষে সাত বছরের সশ্রম কারাদন্ড সহ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে ছোট্টা একটি অপারেশন করে এই বার্স্টার্ডদের পুরুষত্বহীন করা হোক।

--------------------------------------------------------------
আপনার অনুমতি পেলে আমি বিস্তারিত লিখে পোস্ট দিবো।
--------------------------------------------------------------

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:২৯

জাদিদ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। মন্তব্যের শেষে যা বলেছেন। আমিও সেটা সমর্থন করি। শুধু এদের পুরুষত্বহীন করলে কাজ হবে না। এদেরকে পরিবারকে বয়কট করা শেখাতে হবে। অনেকেই বলবেন, একের শাস্তি অন্য কেন যেন পাবে? কারন বিষয়টার একটা মানসিক প্রতিক্রিয়া আছে, যে পরিবার তার সন্তানকে নারীদেরকে সম্মান দেয়া শেখাতে পারে না, সেই পরিবারকে অবশ্যই জনবিচ্ছিন্ন করা উচিত।

আর মন্তব্যের শুরুতে যা লিখেছেন সেটা সকলের জন্যই অনভিপ্রেত ও কাম্য নয়। নিশ্চয়ই ব্লগ কারো প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা বা শারিরিক শক্তিমত্তা দেখানোর জায়গা নয়, ব্লগ আমাদের মানসিক সৃজনশীলতা, বুদ্ধিমত্তা, রুচিশীলতা, ধৈর্য্য ও ইতিবাচক সকল গুনাবলি শেখার জায়গা। আলোচনায় জায়গা নির্দিষ্ট থাকা উচিত, এখানে কারোই উচিত নয় পরিবারকে অযাচিতভাবে টেনে আনা। বাবা মাকে সকলের শ্রদ্ধা করতে হবে। আমাদের এক ব্লগার ছিলেন যিনি সারাক্ষন নিজের সরকারী চাকুরীর দম্ভ প্রকাশ করে বলার চেষ্টা করতেন, উনাকে শ্রদ্ধা করতে হবে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, আমাদের সামহোয়্যারইন ব্লগে এমন একজন সরকারী উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তি ব্লগিং করতেন, যিনি নিজের পরিচয় নুন্যতমভাবে প্রকাশ হতে দেন নি। আমি খুব আশ্চর্যভাবে এবং দৈবক্রমে তাঁর সাথে সাক্ষাতের সৌভাগ্য অর্জন করেছিলাম। দেখেছিলাম প্রকৃত জ্ঞানী এবং ক্ষমতাবানরা বিনয়ী হয়।

যাইহোক, কেউ যদি ব্লগে নীতিমালা বিরুদ্ধ কোন মন্তব্য করে তাহলে নিশ্চয়ই ব্লগ টিম এই ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহন করবে। আমি মনে করি, আমাদের ব্লগ টিম যে কোন প্রভাবমুক্তভাবে কাজ করতে সক্ষম।

আর যে কোন বিষয়ে লেখার জন্য কেন আমার অনুমুতির প্রয়োজন পড়বে? আপনি তো একজন নিরাপদ ব্লগার। ফলে নিশ্চিতে আপনার পছন্দের বিষয়ে আপনি লিখে ফেলুন।

২২| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৪৩

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: কয়েকজন ধর্ষক হয়তো ধরা পরবে। আরও তো বহু ধর্ষক রয়ে গেলো যারা ধরা ছোঁয়ার বাইরে এরা ভবিষ্যতে একই কাজ করে যাবে। সান্ত্বনা হিসাবে দুই একটা শাস্তি দেয়া হয় বাকিরা অন্যায় করেই যাচ্ছে বা যাবে। একটা গণ জোয়ার দরকার যেন এই ধরণের কাজ করতে কেউ সাহস না পায়।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩৬

জাদিদ বলেছেন: হ্যাঁ ভাইয়া একটা কঠিন গণ জোয়ার দরকার!! এই ধর্ষন আর নিতে পারছি না।

২৩| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৪৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ধর্ষন তো নতুন কোন ইস্যু না জাদিদ ভাই। যতদিন না ক্ষমতাসীনরা কোন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করবে......এটা চলতেই থাকবে। ক্ষমতাসীনদের পোষ্যরা যখন এসব করে, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না পায়, তখন সমাজের সাধারন বিকৃতকামীরাও উৎসাহ পায়। এই সমস্যার সমাধান ক্ষমতাসীনদের হাতে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের একটা প্রস্তাবনা দেখলাম। ধর্ষকদেরকে ধরে খোজা করে দেয়া। কাজেই ক্রসফায়ার কিংবা এই জাতীয় কোন পদক্ষেপ না নেয়া পর্যন্ত এটা চলতেই থাকবে।

সমস্যা হলো, ছাত্রলীগের এসব অপকর্ম নিয়ে কথা বলতে গেলেই কান টানলে মাথা আসার মতো ঘটনা ঘটবে। সেটা করতে গেলেই ডিজিটাল আইনের ঘড়গ নেমে আসবে। বাংলাদেশে আজ পর্যন্ত কোন ক্ষমতাসীনরাই এর বিরুদ্ধে দাড়ায়নি। নির্দিষ্ট কিছু ঘটনা মিডিয়াতে ফলাও হলেই শুধুমাত্র কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়। কিছু লেখালেখি হয়, টক শোতে গরম গরম বক্তব্য শোনা যায়, রাজপথে কিছু মিছিল হয়......ব্যাস, ওই পর্যন্তই। সমস্যা কিন্তু সমস্যার জায়গাতেই থাকে।

একজন নারী হিসাবে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কি কিছু একটা করা উচিত না? উনি চাইলেই পারেন। কিন্তু করেন না। কেন? এর কারন অনেক গভীরে। বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আমরা লেখালেখি তো বহুদিন ধরেই করছি। দৃশ্যমান কোন উন্নতি কি দেখছেন? আমি তো দেখি না। এই হতাশা প্রকাশ করলে বিপদ, চেপে রাখা ছাড়া কোন উপায় নাই। অপেক্ষা শুধুই আরেকটা নতুন ঘটনা সামনে আসার। এটাই আজকের বাংলাদেশের বাস্তবতা।

০২ রা অক্টোবর, ২০২০ রাত ২:৪২

জাদিদ বলেছেন: বাংলাদেশে বর্তমানে ধর্ষনের সংস্কৃতির বিরাজ করছে। এই সংস্কৃতি ধরে রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
রাস্তা ঘাটে তো বটেই ঘরে থেকেও লাভ নেই। ছাত্রলীগের নেতা বা কর্মীদের চোখে পড়লে বুঝবেন চিলের ছোঁ কি জিনিস। চিল তো শুধু মুরগীর বাচ্চা বা বড়জোর ছোট সাইজের মুরগী তুলে নেয় কিন্তু আমাদের ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা ছোট বড় যুবা, কিশোরী, বৃদ্ধা কোন কিছু বাছ বিছার করেন না। তাদের শিকারের হাত তাদের 'জিনিস' এর চেয়েও লম্বা।
আইনের শাসন বাংলাদেশে আছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর যেমন তৎকালীন সরকার খুনীদের ইনডেমনিটি দিয়ে দায় মুক্ত করছে তেমনি বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থাও মনে হয় ছাত্রলীগের কিছুটা ইনডেমনিটি দিসে। লোক লজ্জার ভয়ে পুরো ইনডেমনিটি মনে হয় দিতে পারে নাই। নইলে সেটাও দিতো। ফলে যে কোন অপরাধ হইলে জনগনকে শান্ত করার জন্য ছাত্রলীগের চুনোপুটি থেকে ঝাটকা সাইজের কিছু নেতা বা পাতি নেতাকে আমরা গ্রেফতার হইতে দেখি। আর খুব বেশি বেয়াদপ মানে নিজেদের লেঞ্জায় পা দেয়ার অপরাধে কেজিখানেক ওজনের কিছু নেতাকে মাঝে মাঝে কোরবানী করা হয়।
এইটাই আমাদের দেশে আইনের শাসন। কাউকে ছাড় দেয়া হয় নাই। জনগন এই শাসন দেখে ভয়ে ছ্যার ছ্যার করে মুতে দেয়। সংবাদপত্রে চলে স্বমেহনের উৎসব - দেশে আইনের শাসন আছে।

২৪| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৫০

মিরোরডডল বলেছেন:



কাভা, পোষ্টে মেনশন করা ঘটনাগুলো খুবই ভয়াবহ এবং নৃশংস । মনের ভেতরে ক্ষোভ আক্রোশ থাকাটা খুব স্বাভাবিক । বিশেষ করে একজন কন্যা সন্তানের বাবা হিসেবে এটা অবশ্যই ভাবায়, মেয়েদের জন্য কতোটা ইন্সিকিউরড একটা সমাজে আমরা বাস করি । নিরাপত্তা যেখানে দুর্লভ ।

ব্লগার ধুলোর পোষ্টে একবার লিখেছিলাম, মানুষ শৈশবের স্মৃতিচারণ করে আর আমি আমার শৈশব ভুলে থাকতে চাই । সুন্দর মেমরিজের পাশাপাশি একটা নাইট মেয়ার চলে আসে তাই ছোটবেলায় ফিরে যেতে চাইনা ।
সময় হলে কখনও এই পোষ্টের ২৭ নম্বর মন্তব্যটা পড়বে কাভা ।

জীবনের একটা পরিস্থিতিতে ক্ষমতায় থাকা প্রসাশনের পোষ্য সন্ত্রাসীদের ভিকটিম হয়েছিলাম । অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি সবাই প্রতিবাদ করতে ভয় পায় আর করেই বা কি হয় ! যাদের কাছে জাস্টিস আশা করে প্রতিবাদ করবে সব জায়গায় তাদেরই লোক থাকে । আর এটাই তাদের স্ট্রেংথ যার বলে তারা এরকম করতে পারে । ক্ষমতার অপব্যবহার, সমাজের এই অভিশপ্ত দিকটা থেকে কিভাবে যে মুক্তি মিলবে, সেটার উত্তর আসলেই জানা নেই !


০২ রা অক্টোবর, ২০২০ রাত ২:৪৮

জাদিদ বলেছেন: ঐ যে বললাম, আমরা একটা ধর্ষনের সংস্কৃতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। বিচার নেই বলেই ধর্ষনের ঘটনা বাড়ছে। এই বিষয়ে এত নির্বিকার রাষ্ট্রযন্ত্র এই প্রথম দেখলাম।

২৫| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৪৭

রামিসা রোজা বলেছেন:
কয়েকদিন হয়তো খুব প্রতিবাদ হবে , নিউজ হবে কিন্তু
কষ্টটা কি জানেন ভাই এদের বিচার হয়না । একজন
নারী হয়ে আমি নিজেও দিনের বেলায় এমন কোন কোন
জায়গা আছে একা যেতে ভয় পাই ।
আমাদের নিরাপত্তা কোথায় , নিরাপত্তা নাই ।

০২ রা অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:৩৫

জাদিদ বলেছেন: হ্যাঁ। এই যে দেখুন না। আমি নিজেই ভুলে গেছি।

২৬| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



খুবই গুরুত্বপুর্ণ একটি প্রতিবাদি পোষ্ট ।
ধর্ষকদের কঠোর থেকে কঠোরতম সাজা হোক ।
সাজা হোক এর মদদদাতা ও পৃষ্ঠপোষকদের ।
ধরা হোক ধর্ষক সহ এর পিছনের কুশিলবদের ।
মুখোষ উন্মোচন করা হোক ধর্ষন কর্মকান্ড গুলিকে
কেন্দ্র করে কারা কি ধরনের রাজনৈতিক ফায়দা
উঠাতে চায় বিবিধ প্রকারে। এম সি কলেজের সংগঠিত
দর্শকদের শাস্তির বিষয়ে ছাত্রলীগকেই রাস্তায় দেখা যায়
বেশী সোচ্চার হতে । এ ধরনের ধর্ষন কর্মকান্ড গুলি
বিশেষ কোন উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যে পরিকল্পিত ভাবে
ঘটানো হচ্ছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হোক বিশদভাবে।
ধর্ষনের মত কলংক জনক কর্মকান্ড গুলিকে নিয়ে নিরপেক্ষ
ভাবে তদন্ত করে এর জন্য দায়ী সকলকে আনতে হবে
পাদ প্রদীপের নীচে । ডালা পালা ছেটে ধর্ষন বন্ধ করা
যাবেনা , গাছের গোড়াটাকে কাটতে হবে সঠিকভাবে
তাদের কৃতকর্ম নিরোপন করে ।

ষ্পষ্ট ভাষায় জানাতে চাই ধর্ষনের বিরোদ্ধে
আপনার প্রতিবাদি কর্মসুচীর সাথে আছি ও
থাকবোও ভবিষ্যতে ।

পোষ্টটি প্রিয়তে গেল ।

শুভেচ্ছা রইল



২৭| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এই ব্লগেই মাঝে মধ্যে কিছু মন্তব্য দেখে কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলি। লিঙ্কের পোষ্টের ৯ নং মন্তব্য দেখেন। view this link

মানিক নিজে স্বীকার করেছে। পত্রিকার খবর অনুযায়ী সে ইউরোপের কোন একটা দেশে নাকি আছে, তার ঘটানো অপরাধের জন্য সে নিজেও নাকি এখন অনুতপ্ত। সে'সময়ে সবাই জানতো, সে ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে আসা ছাত্রীদের সাথেই মূলতঃ এই অপকর্ম করতো। আর এখন বলা হচ্ছে, বাস্তবে সে ধর্ষক কি না সেটা প্রমানিত নয়। কোন ভিক্টিম অভিযোগও করে নি, মামলাও করেনি। কিন্তু বিরোধীদের বক্তৃতায় টকশোতে বার বার উঠে আসে। অপরাধী নিজে অপরাধ স্বীকার করলে আর কি প্রমান লাগে, আমার জানা নাই। কেউ কি ব্যাখ্যা করবেন? X(

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:২৪

জাদিদ বলেছেন: উনি মানসিকভাবে অসুস্থ একজন প্যাথেটিক সাইকো। উনার ব্যাপারে কিছু বলার নেই। আমি চাই যাদেরকে তিনি সাপোর্ট করেছেন, তাদের দ্বারা তার এমন কিছু হোক, সেদিন তাঁকে তার ডায়লগগুলোই বলব।

২৮| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫০

জুন বলেছেন: কাভা আপনার মনে আছে কি না কাশ্মীরের কাঠুয়া গ্রামে আসিফা নামে ৮ বছর বয়সী মেয়েটি ৫ দিন ধরে ক্রমাগত গন ধর্ষনের শিকার হয়ে শেষে মৃত্যু বরণ করেছিল নিষ্ঠুর ভাবে । এই ধর্ষকের দলে বাবা ছেলে ছাড়াও ছেলের বন্ধু সহ ৬/৭ জন ছিল । শেষ পর্যন্ত মাদক খাইয়ে অচেতন করা শিশুটিকে মাথায় পাথরের বাড়ি মেরে হত্যা করেছিল সেই সব নর পশুরা । তাদের বিচার হয়েছিল কি না আমার জানা নেই তবে তার বিচার চেয়ে ভারত জুড়ে আন্দোলন হয়েছিল । সে সময় আমি লিখেছিলাম আসিফা তোমার প্রতি যে অত্যাচার হয়েছে তার সমতুল্য শাস্তি দুনিয়ার কোথাও নেই ।
স্বনামধন্য ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নরপশুদের কথা বলতে গিয়ে আজও আমি এই কথা বলতে চাই এই যে অল্প বয়সী বৌটি তার স্বামীর সাথে ঘুরতে গিয়ে যে জঘন্য অত্যাচারের সন্মুখীন হলো এর বিচার কি আমাদের সরকারের হাতে আছে ? হলেও হয়তো যাবজ্জীবন বা ফাসীও যদি হয় তারপরও রঙ্গীন স্বপ্ন মাখা সেই বধুটির সামাজিক মানসিক নিপীড়নের কাছে তা তুচ্ছ। সেই দোযখের মত যদি তাদের গরম কড়াইতে ফেলে পোড়ানো হতো তাহলে বোধ হয় ঘরের ভেতর লুকিয়ে থাকা এই সব নিরীহ মেয়েরা একটু হলেও মনে শান্তি পেতো । অনেক কিছু লিখতে ইচ্ছে করলেও লিখতে ঘৃনা হয় এদের কথা মনে করে ।
জাস্টিস ডিলেইড ইজ জাষ্টিস ডিনাইড এই পন্থা অনুসরন করে হয়তো নরকের এই পশুর দল উল্লাস করবে যেমন করছে আবরারের হত্যাকারীরা , করছে বিশ্ব্যজিতের হত্যাকারীরা । এমন শত শত পশুর উল্লাসে এই প্রিয় দেশ আজ ধর্ষিত ।

০২ রা অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:৩৭

জাদিদ বলেছেন: প্রিয় জুন আপু, আপনার কথাতেই জবাব দিচ্ছি -
জাস্টিস ডিলেইড ইজ জাষ্টিস ডিনাইড এই পন্থা অনুসরন করে হয়তো নরকের এই পশুর দল উল্লাস করবে যেমন করছে আবরারের হত্যাকারীরা , করছে বিশ্ব্যজিতের হত্যাকারীরা । এমন শত শত পশুর উল্লাসে এই প্রিয় দেশ আজ ধর্ষিত ।

আর এই কারনেই প্রতি বছর পাল্লা দিয়ে ধর্ষনের সংখ্যা বাড়ছে। আমার সত্যি ব্যাপারটা অসহ্য লাগছে, দম বন্ধ হয়ে আসতেছে।

২৯| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
রাষ্ট্রের কি কোন দায়িত্ব নাই?

৩০| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:০৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: জাদিদ,





বেশ কিছু মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ও আমার মন্তব্যে আপনার করা প্রতিমন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বলতেই হয় -----
একটি রাষ্ট্রে যখন রাজনৈতিক সহ সকল ক্ষমতার “চেক এ্যান্ড ব্যালান্স” নষ্ট হয়ে যায় তখন সমাজ-রাষ্ট্র ভারসাম্য হারিয়ে একদিকে হেলে পড়ে। আর তখন হেলে পড়া পাল্টাটাই বিপদ জনক ভাবে ভারী হয়ে ওঠে । এবং সে অবস্থানটি ধরে রাখতে, নিরঙ্কুশ ক্ষমতার জোরেই সে হেলে পড়া পাল্লাটাকে আরো ভারী করে তুলতে পাল্লাধারীরা সচেষ্ট হয়ে ওঠে । এই পাল্লার ওজন আরো বাড়াতে তখন ফাঁকফোঁকড় গলে সুবিধাবাদীরা সে পাল্লাতেই চড়ে বসে ওজন বাড়ায়। তখন সম্ভব অসম্ভব সব নিষ্ঠুরতা , অত্যাচারের হাতিয়ারে শান দিয়ে সুবিধাবাদীরা ঝুলে পড়া পাল্লার লোকজনদের বুঝিয়ে দেয় যে, এ পাল্লার ওজন কমবেনা আর, বাড়তেই থাকবে। পাল্লার লোকজনও সে ওজন ধরে রাখতে পাল্লায় উঠে পড়া সবার জন্যে আরও ওজন বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়, নিজেদের স্বার্থেই, যেন পাল্লাটি কোন অবস্থাতেই ভারসাম্য ফিরে না পায়।
এতো ওজনের ফলে বিবেক-বোধ, সুস্থ্য মন-মানসিকতা, আইন শৃঙ্খলার দড়ি দিয়ে যে পাল্লাটি একসময় গড়ে উঠেছিলো তার দড়িদড়া সব ছিঁড়ে যায়। সমাজ-রাষ্ট্র এই ছিঁড়ে যাওয়া রুখতে পারেনা কিছুতেই বা রুখে দিতে চায়ও না। কারন , ক্ষমতা বলে কথা!
ওজন কমিয়ে পাল্লাকে দড়িদড়া ছিঁড়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে পাল্লার ভারসাম্য ফিরিয়ে আনবে কোন বোকা ?

তাই সমাজ-রাষ্ট্র অপ্রতিরোধ্য নিষ্ঠুরতা , অত্যাচারে তলিয়ে যেতে থাকে। বিবেক -সততা- আইনের প্রয়োগ ও তার প্রতি শ্রদ্ধা-বিচার এর সবই তখন মুখ থুবড়ে পড়ে। সমাজ -রাষ্ট্র তখন ভোগবাদীতে পরিনত হয় নিরঙ্কুশ ভাবেই। অপ্রতিরোধ্য ভাবেই সমাজ-রাষ্ট্রে তখন বিচরণ করে অনাচার।

একা বা মুষ্টিমেয় কয়েকজনের পক্ষে এই অনাচার -অবিচারের জগদ্দল পাথরটাকে ঠেলে সরানো সম্ভবপর নয়। চাই, সমাজ-রাষ্ট্রের সর্বস্তর থেকেই একযোগে এই পাথর সরানোর কাজে বল প্রয়োগ করা।

৩১| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:০৭

আমেনা বেগম চৌধুরী বলেছেন: এ সাত বেজন্মা ধর্ষকের বিচার হলে দেশে ন্যায় বিচার আশা করা যাবে, নতুবা ধরে নিন ধর্ষকের কাছে সবাই জিম্মি।

একক ব্যক্তি যেমন সমাজ নষ্ট করতে পারেন না তেমনি একক ব্যক্তি বা ব্যক্তি উদ্যেগ সমাজ পরিবর্তনও করতে পারেন না। সমাজ নষ্ট বা ভালো করার জন্য একটি বৃহত্তর জনগোষ্টি প্রয়োজন। ছাত্রলীগ দীর্ঘদিন যাবত জঘন্য কাজে জড়িত।

ব্লগার ডঃ এম এ আলী, আহমেদ জী এস, জুন, আখেনাটেন এর সাথে একমত পোষন করছি।

বিশেষ অনুরোধ: ব্লগে নোংরা মন্তব্যকারী নোংরা আক্রমণকারীদের প্রতিহত করুন। ব্লগার সোহানাজোহা’র উল্লেখিত পোস্টে সত্যপীর এর মন্তব্যগুলো একজন ধর্ষকের প্রতিচ্ছবি।

৩২| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: আমার বিশ্বাস আমাদের দেশটা একদিন খুব সুন্দর হবে। এই দেশে সবাই নিরাপদ থাকবে। সেই দিন খুব দূরে নয়।

৩৩| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:২৪

আমেনা বেগম চৌধুরী বলেছেন: আমি আরো কঠিন কোন শাস্তি চাই! আরো কঠিন এবং বর্বর! এদেরকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হবে এবং এদের পরিবারের সবার কপালে অমোচনীয়ভাবে কালিতে লিখে দিতে হবে 'এই ব্যক্তি ধর্ষনকারীর পরিবার - একমত পোষন করছি। আপনার পাশে আছি ভাইয়া।

৩৪| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৫১

মা.হাসান বলেছেন: আমি আশঙ্কায় ছিলাম, এই ঘটনার পর ঘটনাকে জাস্টিফাই করে কেউ পোস্ট দেয় নাকি। হয়তো বলবে মেয়েটি কি কারণে ঐ জায়গায় গিয়েছিলো, কিংবা দাবি করবে সরকার খুব আন্তরিক, একারনেই অপরাধীরা ধরা পড়েছে।

নারী কোথায় নিরাপদ? ব্লগে সবচেয়ে পরিশিলিত মানুষেরা থাকার কথা। এই ব্লগেও নারীরা নিরাপদ না। শায়মা, মিরোরডল, কবিতা পড়ার প্রহর - এরকম আরো কেউ কেউ নিয়মিত ভাবে নোঙরা আক্রমনের শিকার হচ্ছেন । (আমার কমেন্টের এই অংশটিকে অভিযোগ হিসেবে না দেখার অনুরোধ করবো। আমার জানা মতে মডারেশন টিম তাদের সামান্য লোকবল নিয়ে ব্লগকে পরিচ্ছন্ন রাখতে যথা সাধ্য চেষ্টা করেন। আমি শুধু আমাদের সাধারণ চরিত্রের কথা বলতে চাচ্ছি ।)

কিছুদিন আগে পত্রিকায় দেখেছি- শতকরা প্রায় ৮৫টি ধর্ষনের ঘটনা ভিকটিম বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে চেপে যাওয়া হয়। পত্রিকায় আসে খুব কম। যা আসে এর মধ্যে হয়তো দুই একটি নিয়ে কিছুদিন হৈচৈ হয়। আবার নতুন ইস্যু চলে আসে। আপনি বলেছেন- কোন ঘটনার বিচার হতে দেখেন নি। ২৫-৩০ বছর আগের ইয়াসমিন হত্যা ছাড়া বিচার হয়েছে এমন আর কোনো ঘটনার কথা আমারো মনে পড়ে না।

যে ঘটনা গুলো রিপোর্ট হয়, পুলিশ দেখা যায় আসামী খুঁজে পায় না। সব আসামীরই কি রাজনৈতিক পরিচয় আছে? মনে হয় না। কিছু দিন আগে উইলস লিটিল ফ্লাওয়ার স্কুলের এক ছাত্রিকে এক দরজি খুন করলো। পুলিশকে ঘটনা আগেই জানানো হয়েছিলো। কিন্তু পুলিশ নিশ্চুপ।

আমার এলাকায় একজন প্রভাবশালী লোকের ১৫ বছরের ছেলে মেয়েদের স্কুলের সামনে নগ্ন হয়ে ঘুরোফেরা করতো। কোনো বিচার নেই। আমার চাচাতো ভাই তার ক্লাস এইটে পড়ুয়া মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দিয়েছে। বাল্য বিবাহ সবাই শখ করে দেয় না।

সেঞ্চুরিয়ান মানিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার ইয়ারমেট ছিলো। ঘনিষ্টতা ছিলো না, দু একবার আলাপ হয়েছে। সেঞ্চুরির ঘটনা সত্য। তবে আমরা সকলে পরের ঘটনা জানি না। খুব উপরের নির্দেশে মানিককে একটি সরকারি চাকরি দেয়া হয় (সম্ভবত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে) । কত উপরের নির্দেশ? ১৬ নম্বর মন্তব্যে আখেনাটেন ভাই শাহদিন মালিকের কথা বলেছেন- কিছু নাম উচ্চারণ করা সম্ভব না। (যতদূর শুনেছি মানিক অনেক বছর আগে মারা গেছে। যাচাই করার আগ্রহ হয় নি)।

সিলেটের ছাত্রদের এই ঘটনা এই প্রথম না। যেমনটা সাজিদ ভাই শুরুতে বলেছেন- স্থানীয় পর্যায়ে মিটমাটের চেষ্টা চলছিলো। এর আগেই পত্রিকায় চলে এসেছে। পুলিশ ধর্ষকদের গ্রেফতার করলো। তদবিরবাজদের কি হবে?

এর আগে আগুন দেবার ঘটনার পর পুলিশ কালো বেড়াল মন্ত্রীর চাপে কিছু করতে পারে নি। এখন কালো বেড়াল আর নেই। এখন এতদিন ধরে ঘটনা ঘটছিলো, কারা চাপা দিচ্ছিলো?

পুলিশ আসামী ধরার পর কি হবে? বাদিদের হয়রানি করা হবে। হুমকি আসবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মামলা তুলে নেয়া হবে। অথবা পুলিশ মামলার এভিডেন্স নষ্ট করবে। এটাও না হলে লোয়ার কোর্ট থেকে মামলা হায়ার কোর্টে যাবে। সুপ্রিম কোর্টে যাবে। কয়জন মহিলা ধৈর্য নিয়ে মামলার সাক্ষ্য দেবেন? ধর্ষন মামলার ভিক্টিমকে আসামী পক্ষের উকিল কি ধরনের প্রশ্ন করে আপনার ধারণা আছে কি না জানা নেই। শুধু বলবো ঐ সব প্রশ্ন শুনলে ভিক্টিমের মনে হয় তিনি নতুন করে ধর্ষিত হচ্ছেন।

এত সবের পরেও যদি কেউ বিচার পায় তখন দেখা যাবে সরকার কয়দিন পর অপরাধীকে সাধারণ ক্ষমা দিয়ে দিয়েছে।

রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে অনাচার রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গেছে। যা কিছু আমাদের প্রটেকশনের হতে পারতো সব আমরা নষ্ট করে ফেলেছি। নির্বাচন কমিশন ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। দুদক একটা তামাশার রাবার স্ট্যাম্প। রাষ্ট্রপতির কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যেয়ে জোক বলা। পিএসসিতে দলীয় আনুগত্য ছাড়া নিয়োগ নাই। সরকারি চাকরি প্রার্থির বাবা-মা-দাদা-দাদিও কোনোদিন বিরোধি দলে থাকলে চাকরি নাই। হাইকোর্ট সম্পর্কে বলা সমীচীন না, শুধু বলবো অতীতে এখানে জাল সার্টিফিকেট ওয়ালা বিচারপতি নিয়োগ পেয়েছেন, অতীতের খুনের মামলার আসামী নিয়োগ পেয়েছেন।

ব্লগ আর কয় জন পড়ে- এই কারণে সরকার ব্লগের প্রতি তেমন বিরূপ না। নচেত কুঞ্জবনে যাওয়া নেতাদের নাম প্রকাশ করে সাংবাদিক জেলে আছেন।

নিজের কথা বলি, অনুভুতি নষ্ট হয়ে গেছে। প্রতিবাদ অর্থহীন মনে হয়।

৩৫| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:০৮

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ধর্ষকের বিচার প্রক্রিয়া এত হাস্যকর যে,
সমাজের ভুক্তভুগিরা উল্টো আতন্ক ও মানসিক চাপে পড়েন
তাই এই অবস্হার পরিবর্তন ঘটেনি, আর প্রভাবশালি, রাজনৈতি ক চাপ
তো আছেই ।

............................................................................................................
অতএব, আমাদের গাছের গোড়া না কেটে মাথায় পানি ঢালার ব্যবস্হা নিলে
সমাধান আসবেনা ।

৩৬| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ রাত ৯:১৯

স্থিতধী বলেছেন: জাদিদ ভাই, এই শ্রদ্ধেয় শিক্ষকের একটি সাক্ষাৎকার কি নিতে পারে সামু কর্তৃপক্ষ এবং তা প্রচার করতে পারে সামু ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে? ভাবনাটি আপনাকে জানিয়ে রাখলাম।

৩৭| ২৫ শে অক্টোবর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৬

সোহানী বলেছেন: ব্লগে অনিয়মিত হবার কারনে লিখাটা চোখ এড়িয়ে দিয়েছিল।

আপনি খেয়াল করেছেন কিনা জানি না, আমার লিখার বড় অংশই নারী ও শিশু নির্যাতন নিয়ে। পেশাগত কারনে এ বিষয়ে কাজ করতে যেয়ে যা দেখেছি তা দেখে আসি হতবাক। আর তাই এ বিষয়ে সুযোগ পেলেই লিখি। কারন আমার যে আর কোন ক্ষমতা নেই।

তবে আমি হাজারবার বলবো, ওই মানিকের বিরুদ্ধে বিচারহীনতাই দেশের এ অরাজকতার জন্য প্রথমে দায়ী।। তারপর এ সোনার ছেলেরা দেখলো, এরকম কিছু করলেতো দারুন পুরস্কার মিলে। তাই তারই দেখানো পথে হাটতে শুরু করলো বাকিরা।

আমার একটাই প্রশ্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে, এই এক মানিক আপনাকে কি দিয়েছে?
কিছুই দেয়নি বরং নিয়েছে কোটিগুন। অথচ এ এক মানিকের বিচার না হবার কারনে এখনো সাধারন মানুষ থুথু ছিটায়।

আমি আছি আপনার সাথে যে কোন কিছুর সাথে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.