নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ইমান

৫রহেজগার

শিক্ষক।ধর্ম পরাই। অত্যন্ত পরহেজগার এবং ইমানদার।

৫রহেজগার › বিস্তারিত পোস্টঃ

হেফাজতের দায়িত্ব তোমার

২০ শে এপ্রিল, ২০১৩ ভোর ৫:২৯

হে ঈমান্দার বন্দুগন তোমরা নিশ্চই বুঝতে পেরেছ, মহান সৃষ্টিকর্তা অবুয শিশুকে যে ধার্মীয় পরিবেশে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছে সে সেই পরিবেশের নিয়ম কানূন, ভাষা সংস্কৃতি, আচার আচরন এবং সর্বোপরি সেই পরিবেশের ধর্মকে গ্রহন করেছে। অবস্থিত পরিবেশের বাইরের কোন কিছূই সে অবুঝ শিশুর পক্ষে জানা যে অসম্ভব সে ব্যপারে সুস্থ মানুষের দ্বিমত থাকার কথা নয়। যে শিশু বাংলা ভাষাভাষী হিন্দু পরিবারের হিন্দু পরিবেশে জন্মেছে, বেড়ে উঠলে সে বাংলাভাষী হিন্দুই হবে, সেই শিশুর পক্ষে কখনও ফার্সীভাষী খৃষ্টান হয়ে গড়ে ওঠা সম্ভব নয়। যে শিশু ফিলিস্থিনী খৃষ্টান পরিবারে জন্ম নিয়েছে, সে শিশু বড় হলে পবিত্র আরবী ভাষী খৃষ্টান হবে। তার পক্ষে জার্মান ভাষী ধর্মভীরু মুসলমান হওয়া অসম্ভব। পৃথিবীর মানবজাতীর ইতিহাসে এমন ঘটনার একটি নজিরও নেই যে উদাহরণ দিয়ে দেখানো যাবে, এক পরিবেশে জন্ম নিয়ে বেড়ে উঠে সম্পূর্ন ভিন্ন পরিবেশের মানুষের মত আচরন করছে। কারণ এটা সম্ভব নয়। এইযে একটি শিশুকে এক অমুসলিম পরিবেশে সৃষ্টি করে অমুসলিম মানুষ হিসেবে গড়ে তুল্‌ল। তার দায় যুক্তিসঙ্গতভাবে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ সোব্‌হান আলা তায়ালা ছাড়াতো কাউকে দেয়ার উপায় নেই। আমাদের মত ভাগ্যবান, যারা ধর্মপ্রাণ মুসলমান পরিবারে জন্ম নিয়ে অত্যন্ত পরহেজগার মুসলিম হিসেবে ধর্মকে সবকিছুর উপরে স্থান দিতে সক্ষম হয়েছি, তারাতো, পরম করুনাময় আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলআমিনের ইচ্ছা ছাড়া কোন ঘটনা ঘটতে পারে বলে বিশ্বাস করি না। একটি শিশু ইচ্ছে করেতো মুসলিম পরিবার বাদ দিয়ে অন্য পরিবারে জন্ম নিতে যায়নি। একজন মানব শিশুকে কাফেরের ঘড়ে জন্ম দিয়ে কাফেড় হিসেবে গড়ে তোলার সমস্ত দায় আল্লাহ করিমের উপর যদি আমরা না দিই, তাহলে আমাদের জাগ্রত বিবেকের কাছে আমরা দায়ী হয়ে থাকব। যে বাঙ্গালি ব্লগাররা মুসলিম হয়েও ধর্ম বিরূদ্ধ কাজে লিপ্ত, আল্লাহ পরওয়ার দেগার এবং রাসুলে পাকের বিরুদ্ধে লিখে, আল্লাহ সোব্‌হান আলা তা আলা নিশ্চয় তাদের এমন পরিবেশে জন্ম দিয়েছে এবং গড়ে তুলেছে যেখানে সে হয়ত অযৌক্তিক কোন বিষয়কে গ্রহন করার সুন্দর এবং পবিত্র ক্ষমতা হাড়িয়ে ফেলেছে, যা একজন প্রকৃত ঈমানদারের জন্য অপরিহার্য। এই ক্ষেত্রে এই লোক গুলোর কোন ক্ষমতা নেই অন্য কিছু করার। একান্তে বসে যুক্তি দিয়ে ছিন্তা করলে, এই লোকগুলোর এ পরিণতির জন্য আল্লাহ সোব্‌হান আলা তায়ালার উপর দায়দায়িত্ব না দিয়ে উপায় থাকে না। কিন্তু আমরা যারা অযৌক্তিক কোন বিষয়কে গ্রহন করার অসাধারন ক্ষমতার অধিকারী, ঐ অযৌক্তিক কোন বিষয়কে গ্রহন করার ক্ষমতাহারা মানুষ গুলোর উপর ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে আমাদের পবিত্র ঈমান থেকে নিশ্চই দূরে সরে যাচ্ছি। আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলআমিন নিশ্চই আমাদের চেয়ে ভাল জানেন, কেন ঐ লোক গুলোর যে কোন কিছু গ্রহন করার ক্ষমতা হ্রাস করেছেন বা রহিত করেছেন। এই অক্ষম লোক গুলোর উপর ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে, আমরা আল্লাহ্‌র ইচ্ছার বিরুদ্ধে দাড়িয়ে আমাদের ঈমানকে দুর্বল করে দিচ্ছি। আল্লাহ্‌ আমাদের বুঝার তৌফিক দান করুক! আমিন।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.