নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ইমান

৫রহেজগার

শিক্ষক।ধর্ম পরাই। অত্যন্ত পরহেজগার এবং ইমানদার।

৫রহেজগার › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঈমানি দায়িত্ব এবং কিছু পরামর্শ

১১ ই মে, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৭

মৌলানা সফি সাহেবের নেতৃত্বে ধর্ম হেফাজতের ধূয়া তুলে যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা এবং বিএনপি জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য ইসলামি ঢাকা অবরোধ এবং মতিঝিল সাপলা চত্তরে ইসলামি জলসা এবং আশপাশ এলাকায় ইসলামি ভাংচুর এবং জালাও পোরাও অনুষ্ঠান সম্পন্ন হল। আমাদের মত ঈমানদার বান্দারা, যাদের গুজব থেকে শুরু করে সবকিছু বিশ্বাস করার অপরিসীম ক্ষমতা আল্লাহ্‌ পাক দিয়েছেন তারা আল্লাহ্‌র প্রিয় বান্দা, পীর, বুজুর্গ, ওলামা, মাসায়েকদের নেতৃত্বে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ অবোরোধ এবং ইসলামি সন্ত্রাসের শাশ্বত শিক্ষা নুতন ভাবে ইপলব্দি করলাম। অনেক মুরতাদ ব্লগার হয়ত এই শান্তিপূর্ন ইসলামি জ্বালাও পোড়াওকে নাস্তিকদের জ্বালাও পোড়াওর সাথে এক করে দেখার চেষ্টা করবেন। ইসলাম শান্তির ধর্ম, তাই ধর্ম রক্ষার জন্য ঈমানদাররা ঈমানী দায়িত্বের অংশ হিসেবে ইসলামি মিথ্যচার, ইসলামি মানুষ খুন, ইসলামি ধর্ষন থেকে শুরু করে সব কিছু করার অধিকার রাখে। হয়ত পবিত্র কোর্‌আনে মজিদের কোন পবিত্র আয়াতে এ ব্যাপারে নির্দেশনা আছে। ইসলামি চিন্তাবিদ পীর মাসায়েক এবং ওলামাকেরামগন এ ব্যাপারে অবগত আছেন বিধায়, ইসলাম রক্ষার প্রয়োজনে আন্দোলনের সময় ইসলামি মিথ্যচার, ইসলমি খুন, ইসলামি ধর্ষন, ইসলামি জ্বালাও পোড়াও করে থাকেন এবং ঈমান্দারদের এইসব ঈমানী দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করে থাকেন। ১৯৭১ সালে পবিত্র ইসলাম ধর্ম, ইসলামি চিন্তাবিদ, পীর মাসায়েক এবং ওলামাকেরামগনদের এতিম করে এ অঞ্চল ছেড়ে যাবে বলে হুমকি দিয়েছিল বলে, তখন পীরেকামেল, ওলামাকেরামগন ইসলাম রক্ষায় ইসলাম রক্ষাকারী পাকিস্তান সামরিক বাহিনীকে সাহায্য করতে ঈমানি দায়িত্বের অংশ হিসেবে কোন্‌ ধরনের কর্মকান্ড করেছিল তা নিশ্চই ঈমান্দার বান্দারা ভুলে যায়নি বা যেতে পারে না। সেই ৭১ এর দিন গুলোতে ঈমান্দারগন জীবনের মায়া ত্যগ করে বিভিন্ন ইসলামি শান্তিপূর্ণ কর্মকান্ডে ঝাপিয়ে পরেছিলেন বলে, ইসলাম ধর্ম অভিমাল ভূলে এদেশে থেকে গিয়েছিল। ৭১ সালে ঈমান্দারদের ত্যাগ তিতিক্ষার ফলশ্রুতিতে আজ আমরা ধর্মকে সবকিছুর উপরে এমনকি আমাদের শরীরের প্রতিটি রক্ত বিন্দু কনা যে দেশের মাটি আলো বাতাসের নির্যাস, সে মাতৃভূমির উপরে স্থান দিতে সক্ষম হচ্ছি। যাদের ত্যাগ এবং কর্মকান্ডের মহিমায় ইসলাম এ দেশে থেকে গেছে, নাস্থিকরা আজ শুধু তাদের বিরুদ্ধাচরন করেই ক্ষান্ত হয়নি, আজ তাদের বিচারের কাটগড়ায় দাড় করিয়ে মৃত্যুদন্ড দেয়ার মত অপরাধ সংগটিত করছে। এমতাবস্তায় নিশ্চই ইসলাম আবার চলে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে। পিরেকামেল আল্লামা আহমেদ সফি ও অন্যান্য ওলামা মাসায়েক গন এবং ঈমান্দারগন ইসলামের চলে যওয়ার হুমকির কথা নিশ্চই জানতে পারাতে আবার অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ জ্বালাও পোড়াও এবং খুনভাল (খারাবি) শুরু করেছেন এবং ঈমান্দারদের আহ্বান জানাচ্ছেন এই ইমানি দায়িত্বে সামিল হওয়ার জন্য। পবিত্র বদর যুদ্ধের মত বিভিন্ন পবিত্র ধর্ম যোদ্ধাদের নাম বুকে নিয়ে জীবন বাজি রেখে ধর্ম রক্ষার জন্য যারা শান্তিপুর্ণভাবে বিধর্মীদের, বেঈমানদের, খুন নির্যাতন করেছিল, অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে স্বাধীনতার পক্ষের বেঈমানদের মা বোনের ইজ্জত নিতে হয়েছিল, ইসলামি ধর্ষন করেছিল তাদের রক্ষায় হেফাজতে ইসলামের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে যদি ইসলামি খুন, জালাও পোড়াও, মিথ্যাচারিতা, গুজব সৃষ্টি এবং গুজব প্রচার না করে থাকি, ইসলাম আবারও রাগ করে দেশ ছেড়ে পকিস্তান বা আফগানিস্তানে চলে যেতে পারে। তাই এখনই আমাদের ঈমানি দায়িত্বের ব্যপারে সচেতন হতে হবে।

ঈমানি দায়িত্বের অংশ হিসেবে ঈমান্দার ভাইদের প্রতি কিছু দায়িত্ব পালনের অনুরোধ রইল।

ইসলামি কায়দায় যতভাবে সম্ভব প্রচার করতে হবে ৫ মে মতিঝিলে ৪২০ হাজার মানুষকে এ জালিম সরকার খুন করেছে। দুই বা তিন হাজার মানুষের খুনের গুজব মানুষকে ঈমানি দায়িত্ব পালনে উদবুদ্ধ করতে যথেষ্ট নয়। যাদের ঈমান যথেষ্ঠ জোরালো নয়, তারা হয়ত প্রশ্ন করে বসতে পারে, মৃতরা গেল কোথায়? ওদের বুঝাতে হবে, প্রতিটি মানুষের মৃত্যুর সাথে সাথে আল্লাহ পাক তাদের শহীদ হিসেবে গ্রহন করে মতিঝিল থেকে সরাসরি জান্নাতে নিয়ে গেছেন। নাস্তিকদের সমাজে থাকার কারনে অনেকে নাস্তিকদের মত প্রশ্ন করতে পারে, শহীদদের আত্মীয়রা কোথায়? বুঝাতে হবে, শহীদের আত্মীয় স্বজনের সাথে আল্লাহ্‌পাক সরাসরি যোগাযোগ করে শহীদদের নিরাপদে জান্নাতবাসী হওয়ার খবর নিশ্চিত করার কারনে সবাই খোশ মেঝাজে আছেন, তাই কেউ আর শহীদদের মরদেহের খবর নিচ্ছেন না। আর আমাদের এখন বেশি বেশি প্রচার করতে হবে, ৫ মে আল্লাহ পাক বুজুর্গ আল্লামা সফিকে মাসুম বাচ্ছা এবং দৃষ্টিহীন করে দেয়াতে, উনি বুঝতে পারেন্‌নি। উনি যেহেতু তখন মাসুম বাচ্ছা, তাই উনাকে সবাই ভুল বুঝিয়েছেন, উনি আসলে ৫ মে, ইসলামি খুনাখুনি এবং ইসলামি জ্বালাও পোড়াও করতে চান্‌নি। আমরা ঈমানদাররা পীরে কামেল সফিকে ধোয়া তুলসী পাতা হিসেবে জনগনের সামনে ইপস্থাপন করে রাখতে পারলে, পরবর্তি শান্তিপূর্ণ ইসলামি রাহাযানিতে ওনাকে আমরা আবার সফলভাবে নেতৃত্বে পাব। আল্লাহ্‌ তুমি সব ঈমানদারদের ঈমানি দায়িত্ব পালন থেকে দেশকে রক্ষা কর। আমিন!!

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.