| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
(আকাশে মেঘ করেছে এই উপলক্ষে অনেক পুরোনো লিখা, ব্লগে দিলাম।)
"বিন্দু আমি তুমি আমায় ঘিরে
বৃত্তের ভেতর শুধু তুমিই আছো
মাতাল আমি তোমার প্রেমে
তাই অর্থহীন সবই যে প্রেম লাগে।
বৃহস্পতির বলয় ঘিরে
শনিতে আজ আমি পৌছে গেছি
তোমার প্রেমে পাগল হয়ে
পাগলামির ভাব সম্প্রসারণ করছি।"
১।।।
বর্ষার কাল মেঘের মতই যেন ঘন কাল চুল। হৃদয় পাগল করে দেওয়া মাতাল ঠোঁট। নিস্পাপ নিস্কলঙ্কময় সেই মাতাল চাহনী। শুভ্র তুষারের মত সেই হাসি।মায়াবিনী। মায়াময়। হৃদয়হরিণী। অপরূপ। সুহাসিনি। সে এক মেঘলা মেয়ে।বলেছিলাম তাকে, "ভালবাসি"হৃদয়স্পন্দন বন্ধ করা এক চাহনিতে সে বলেছিল, "ভালোবাসো? কি করে বুঝব?"
আমি বলিনি কিছুই তাকে। পৃথিবী সমান ভালোবাসা প্রকাশের ভাষা যে আমার জানা নেই।
সে বলল, "রক্তিম পদ্ম এনে দাও আমায়, ভালবাসবো তোমায় আমিও"
তাচ্ছিল্যের একটি হাসি দিয়ে বলেছিলাম, এ আর এমন কি?
একটি। শুধু মাত্র একটি রক্তিম পদ্মের জন্য আমি পাড়ি দিলাম ঐ হিমালয়, লড়াই করলাম ঐ দুরন্ত ষাঁড়ের সাথে, সাঁতার কাটলাম ঐ ভিসুবিয়াসের অগ্নি জলে, রঞ্জিত করলাম নাঙ্গা হাত ঐ হাঙ্গরের রক্তে। হাজার বছর ধরে খুজে ফিরলাম একটি মাত্র রক্তিম পদ্ম।অবশেষে। হ্যা অবশেষে।অবশেষে নিজের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে ফোটালাম রক্তিম পদ্ম। এ যেন বিশ্ব জয়ের হাসি তখন আমার মুখে।ফিরে এলাম আমার আমার সেই প্রিয় মেঘলা মেয়ের কাছে। দিলাম তারে আমার রক্ত রাঙ্গা সেই রক্তিম পদ্ম। সে জানল না এই পদ্মের জন্য আজ আমার ধমনি রক্ত শূন্য। মৃত প্রায় আমি যেন হৃদস্পন্দন ফিরে ফেলাম মেঘলা মেয়ের মুখে এক চিলতে হাসি দেখে।কি সহজে মেঘলা মেয়ে আমায় বলল, "চিনলাম না তোমায় ওগো বিদেশী, কে তুমি?"
কষ্ট যে পেয়েছি তা কিন্তু নয়। আমার হাজার বছরের কষ্ট মুছে গিয়েছিল ঐ অপার্থিব মায়াবি হাসি দেখে। শুধু কষ্ট মেঘলা মেয়ে আমায় চিনল না।
২
শূন্য হাতে ফিরে এলাম আমি। নতুন করে তৈরি করলাম নিজেকে। নতুন আমি গেলাম আমার সেই পুরনো মেঘলা মেয়ের কাছে। সেই মেঘলা মেয়ে। বর্ষার কাল মেঘের মতই যেন ঘন কাল চুল। হৃদয় পাগল করে দেওয়া মাতাল ঠোঁট। নিস্পাপ নিস্কলঙ্কময় সেই মাতাল চাহনী। শুভ্র তুষারের মত সেই হাসি।মায়াবিনী। মায়াময়। হৃদয়হরিণী। অপরূপ। সুহাসিনি। সে মেঘলা মেয়ে।বলেছিলাম তাকে হৃদয়ের সবটুকু উজাড় করে, "ভালবাসি"হৃদয়স্পন্দন বন্ধ করা এক চাহনিতে সে বলেছিল, "ভালোবাসো? কি করে বুঝব?"আমি বলিনি কিছুই তাকে। পৃথিবী সমান ভালোবাসা প্রকাশের ভাষা যে আমার জানা নেই। সে বলল, "এনে দাও এক চিলতে সুখ আমায়, ভালবাসব তোমায় আমিও"মেঘলা মেয়ে কথা দিল। সে আমার হবে। কথা দিলো।এক চিলতে, শুধু এক চিলতে সুখের সন্ধানে পারি দিলাম আমি ঐ সপ্তনভমণ্ডল, ঐ সাগর সেঁচে বানালাম মরুভূমি, মেঘের প্রতিটি জলকনাকে বন্দি করলাম এক চিলতে সুখের আশায়। হাজার বছর খুঁজে বেরুলাম এক চিলতে সুখ।
অবশেষে। হ্যাঁ অবশেষে।অবশেষে নিজের জীবনের সুখের শেষ বিন্দুটুকু আহরণ করে পেলাম এক চিলতে সুখ।আর দেরি করলাম না। ছুটে চলে এলাম আমার মেঘলা মেয়ের কাছে। সমর্পণ করলাম আমার সমস্ত সুখ তার তরে। মেঘলা মেয়ে শুধুই হাসল।আমায় চিনতে পরে নি সে। সে ভুলে গিয়েছে আমার কথা। ভুলে গিয়েছে আমায়। ভুলে গিয়েছে আমার অস্তিত্ব। এক চিলতে সুখের আশায় না থেকে সে খুঁজে পেয়েছে সাগর সমান সুখ কোন এক সুখের জাদুকরের কাছে।
কষ্ট পেয়েছি? কেন কষ্ট পাবো? ভালবাসার অপর নামই যে কষ্ট।
তবুও ভালবাসি তোমায় মেঘলা মেয়ে। আজও মেঘলা দিনের মাতাল হাওয়ায় তোমায় মনে পড়ে। রোদেলা দিনে তৃষ্ণা পেলে তোমায় মনে পড়ে। বিকেলে খেলার মাঠের দুরন্ত শিশুদের দেখে তোমায় মনে পড়ে। গোধূলির শেষ আলোয় তোমায় মনে পড়ে। রাতের নির্জনতায় তোমায় মনে পড়ে। নির্ঘুম একাকিত্বে তোমায় মনে পড়ে। কুয়াশা মাখা স্নিগ্ধ ভোরে তোমায় মনে পড়ে। আজও মনে পড়ে............
" জাগরণে তারে না দেখিতে পাই
থাকি স্বপনের আশে,
ঘুমের আড়ালে যদি ধরা দেয়
বাধিব স্বপন পাশে।।
এত ভালবাসি এত যারে চাই
মনে হয় নাতো সে যে কাছে নাই,
যেন এ বাসনা ব্যাকুল আবেগে
তাহারে আনিবে ডাকি।
দিবস রজনী আমি যেন কার
আশায় আশায় থাকি।।"
মেঘলা মেয়েরা বুঝি এমনই????
২|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ২:০০
হাসান সবুজ বলেছেন: কাঁচা হাতের লিখনী। ভুলত্রুটির জন্য ক্ষমাপ্রার্থি।
আর অনুভুতি? তারা তো বেঁচে থাকে মেঘলা মেয়ের মাঝেই। ভাল থাকুক বেঁচে থাকা অনুভূতিগুলো, ভাল থাকুক অনুভুতি বাঁচিয়ে রাখা মানুষগুলো.....
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ভোর ৪:১৮
কালনী নদী বলেছেন: আমারতো তাই মনে হয়। তবে আপনার লিখনি শ্যামা মেয়ের মেঘলা আকাশের এক চিলতে ঝলকের মতোন। সূর্যোদয়ে শুরু আর সোর্যাস্থে শেষ আসলে অনুভুতির শেষ নেই তা প্রতিনিয়তই চলছে আর চলবেই. . . . প্রাপ্তিহীন অনুভুতিগুলোর ঠিকানা হয়তো এখনো অজানা!