| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সবাই বলে আমি খুব রাগী একটা মানুষ। আমিও এতদিন তাই-ই বিশ্বাস করে এসেছি।
কিন্তু ইদানিং খুব সহজে রাগী না আমি।গায়ে লাগানোর মত কথা বললেও গায়ে লাগাই না।চিল্লা-পাল্লা করি নাহ।
দিন দিন খুব শান্ত হয়ে যাচ্ছি।মাথা প্রচন্ড রকমের ঠান্ডা থাকে।যা করি ঠান্ডা মাথায় করি।সুস্থ মস্তিষ্কে।যার ফল হয় ভয়াবহ।খুবই ভয়াবহ।
এমনতো ছিলাম না আমি!
যা করতাম রাগের মাথায় করে ফেলতাম। হুট করে যেমন রাগতাম,তেমনি হুট করেই রাগ পড়ে যেত। তাহলে এখন কেন হয়না?কিসের কমতি আমার ভেতর?কোনো কিছু কি ভুল হচ্ছে আমার?নাকি আমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে! দিনকে দিন পাগল হয়ে যাচ্ছি নাতো আবার !
এরকম চিন্তা করতে করতেই মিলু বিছানা থেকে উঠলো। নিজের হাতে চা বানিয়ে বারান্দায় গিয়ে বসলো। দুপুরে ঘুমানোর চেষ্টা করেও লাভ হয়নি।বরং উল্টোটা ঘটেছে। ওর খুব মাথা ধরেছে।তাই বসন্তের পড়ন্ত ঝকঝকে দুপুরও তার কাছে অসহ্য লাগছে।
এমন সময় হঠাত শাশুড়ির ডাক। এই ভর দুপুরে কে যেন দরজায় করা নেড়েই চলেছে।
স্বামী জাকির আর শাশুড়িকে নিয়ে ছোট্ট সংসার মিলুর। বিয়ের এক মাসের মাথায় শশুর গত হন। ছেলে বলতে জাকির একাই।ছোট-খাটো একটা সংস্থায় চাকরি করে।অফিসে। বাসায় শুধু শাশুড়ি আর মিলু ছাড়া আর কেউ নেই। কদিন হলো মিলুর শাশুড়ির শরীরটাও খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। হাঁটাচলায় অসুবিধা। তাই বাধ্য হয়ে মিলুকেই দরজা খুলতে হলো। প্রচন্ড অনিচ্ছা থাকা সত্তেও উঠে গিয়ে দরজা খুলে পুরাই হতবাক সে। তাকে প্রচন্ড ঘাবড়ে দিয়ে দরজার ওপাশে হাসি মুখে দাঁড়িয়ে আছে তার শশুর।
মিলুর কথা বলার কোনো জো নেই। হাত-পা আটকে গেসে। কিছু বলবে,সে শক্তিটা পর্যন্ত হারিয়ে ফেলেছে ও। প্রচন্ড ভয় আর অবিশ্বাস নিয়ে ঠিক কতক্ষণ সে তার শশুরের দিকে এভাবে তাকিয়ে রইলো তা তার মনে নেই।একসময় তার টনক নড়ল। নাড়াচাড়া দিয়ে উঠলো মিলু। কিন্তু তখনও তার শশুর ঠিক একই জায়গায় দাড়িয়ে। হাসি এতটুকুও ম্লান হয়নি।
১৬ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ১:২৫
জয়া হাসান বলেছেন: ভেতরে থাকলেতো চলবে! মনের ভুলে এটুকু লিখে ফেলেছিলাম।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ১:০০
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: চলুক?