নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সব কিছুর মধ্যেই সুন্দর খুঁজে পেতে চেষ্টা করি............

জুল ভার্ন

সামু, আমার প্রিয় সামু-প্রত্যাশা পুরণে ব্যার্থতার ভারে নূহ্য! বর্তমান সামু কোনো দিন প্রত্যাশিত ছিলনা-তাই আপাতত সামু চর্চা বন্ধ। আপাতত সামু নষ্টদের দখলেই থাকুক। যদি মডারেটর চান-তাহলেই সামু আবার ফিরে আসবে স্বমহিমায়, ফিরে আসবো আমিও অনেকের মতই।ভালো থেকো প্রিয় বন্ধুরা। সকলের জন্য শুভ শুভ কামনা। * প্রানবন্ত কল্পনাশক্তির প্রয়োগে স্বচ্ছ ভাবনা আর বাস্তবতার মিশেলে মানুষ ক্রমশই সংকীর্ণ আর ক্ষুদ্র গন্ডিতে আবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। সব কিছু ছোট হয়ে যাচ্ছে, ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের চিন্তা শক্তি- ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের মন। আসুন পারস্পরিক মূল্যবোধ বিনিময়ে নিজ নিজ ভুলগুলো শুধরে নিয়ে নিজেকে বিকশিত করি।

জুল ভার্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

দুই আনার জমিদার, ভাব দেখায় ষোলো আনা!

২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:১৯

দুই আনার জমিদার, ভাব দেখায় ষোলো আনা!

আমাদের বিল্ডিংয়ে একজন ফ্ল্যাট মালিক আছেন যিনি মাঝারি সাইজের আমলা.....ক্ষমতার দম্ভে আর অহংকারে সবাইকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে হরহামেশাই। আমার ছাদ বাগান নিয়েও কটাক্ষ করে। "৩০/৪০ টাকা দামের ২/৩ কেজি শীম/বরবটির জন্য সারা বছর ছাদে পরে থাকেন!"- এমন কথা প্রায়শই বলে তৃপ্তি পায়।

আমাদের ছাদ বাগানে নানান প্রজাতির ফুল ছাড়াও মৌসুমি শাকসব্জীর মধ্যে শীম, বরবটি, করল্লা, ঢেঁড়শ, দুন্ধল, ঝিংগা, পুঁইশাক, লাউ শাক, লেটুস পাতা, কুমড়া, কুমড়াশাক, কলমি শাক, কচু শাক, বেগুন, টমেটো, কাচা মরিচ, পেয়ারা, লেবু, ক্যাপসিকাম ইত্যাদি অল্প পরিমাণে হয়- যা রাসায়নিক সার মুক্ত বিশুদ্ধ শাক-স্বব্জী, ফল বিল্ডিং এর সবাই মিলে কম করে হলেও খেতে পারি।
আমার আব্বা বলতেন, 'ভালো জিনিস সবাইকে নিয়ে খেতে হয়'....! নিজেরা খেয়ে পরিমাণে অল্প হলেও প্রতিবেশীদের দিতে পারি- এ এক অপার আনন্দ! ফসল ফলানোর আনন্দ টাকা দিয়ে কেনা যায়না- সেকথা কে বোঝাবে ওই অর্বাচীন আমলাকে।
আসলে আমার ছাগ বাগানে কথা জানান দিতেই এই পোস্ট লিখিনি। হিংসা এবং ক্ষমতার দম্ভে কেউ কেউ কতোটা উন্মাদ হতে পারে তার একটা উদাহরণ দিতেই এই পোস্টঃ-

বিকেলে আমি যখন লিফটে নিচে নেমেছি....তখন আমাদের বিল্ডিংয়ের একজন ফ্ল্যাট ওনার স্ত্রীকে নিয়ে বাসায় ফিরতে লিফটে ওঠেন। লিফটে ঢুকেই দুইজন চীৎকার করে কেয়ার টেকারকে ডেকে বলে- "লিফটের ভিতরে গোবরের দুর্গন্ধে ঢোকা যাচ্ছেনা... লিফটে গোবর তুলেছে কে? তোমরা কিসের ডিউটি করো- সবগুলাকে বিদায় করে দেবো....."!

কেয়ার টেকার দৌঁড়ে এসে বিনয়ের সাথে বলে, "স্যার, লিফটে কেউ গোবর তোলেনায়...."- আমরা সবাই ডিউটিতেই ছিলাম...."।
আমলা সাহেব হুংকার দিয়ে বললেন, "তোমরা সবাই ফাঁকিবাজি করো, ঠিকমতো ডিউটি করোনা- গতরে চর্বি জমেছে... চর্বি কমানোর ব্যবস্থা করতেছি"! আমলা গিন্নী আর একধাপ এগিয়ে কেয়ার টেকারকে আংগুল উঁচিয়ে হুংকার দিলেন- "এটা আমার বাবার যায়গা, কেউ যদি ভেবে থাকে ফ্ল্যাট কিনেই জমিদার হয়ে গিয়েছে- তাহলে মস্তবড়ো ভুল করবে। আমার সহ্যের সীমা কেউ অতিক্রম করলে ভালো হবেনা- সবাইকে জানিয়ে দাও"!

আমি তখনও ব্যপারটা বুঝতে পারিনি, মাঝারি মানের আমলা এবং তার স্ত্রী কেন এভাবে চিৎকার এবং তাফালিং করলেন(যদিও এভাবে তারা প্রায়শই করেন)! আমি আমার কাজে চলে যাই। কিছুক্ষণ পর যখন বাসায় ফিরে আসি তখন কেয়ার টেকারকে জিজ্ঞেস করি- 'কেউ কি দুর্গন্ধযুক্ত কোনো কিছু লিফটে তুলেছে? আমিতো কোনো গন্ধ পাচ্ছিনা....'!

কেয়ার টেকার বললো, "স্যার আপনি ছাদ বাগানের জন্য গোবর -মাটি আনিয়ে ছিলেন..., যা ----(আমলা) স্যার বাইরে যাবার সময় দেখেছেন... স্যার মনে করেছেন সেগুলো লিফটে করে ছাদে তুলেছে। আমরাতো সেগুলো লিফটে তুলিনি, সিড়ি দিয়েই সব বস্তা ছাদে তোলা হয়েছে"।

শেষের ঘটনা এখন বর্ননা করছিঃ- আমলা/ আমলা স্ত্রীর চিতকারের পর এবং কেয়ার টেকারের কাছে বিস্তারিত শুনে আমি সিসি টিভির ভিডিও রেকর্ড চেক করে দেখেছি। ছাদ বাগানের গাছে জৈব সার দেওয়ার জন্য আমি সাভার থেকে কয়েক বস্তা শুকনো গোবর সার, সরিষার খৈল এবং মাটি আনিয়ে ছিলাম। দুপুর দেড়টার সময় মিনি ট্রাকে করে যখন সার, মাটি ট্রাক থেকে দুইজন লেবার আন লোড করে বাড়ির সামনে রাখছিলো তখন ক্ষমতাবান আমলা তার স্ত্রীকে নিয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন। তিনি সিকিউরিটি গার্ডদের কিছু জিজ্ঞেস করেন তারপর তার স্ত্রী নাক চেপে দৌড়ে গাড়িতে উঠে চলে যান....পেছনে আমলা সাহেব।

পুনশ্চঃ আমাদের বর্তমান ফ্ল্যাট ভবনটি ২০০০ সনে নির্মিত। ভবন নির্মাণের আগে যিনি ভবনের জমির মালিক ছিলেন তিনি ডেভেলপার এর সাথে ৫০%-৫০% শেয়ারে ১৬টি ফ্ল্যাটের আবাসিক বিল্ডিং করিয়ে দুইটি ফ্ল্যাট রেখে দেন। নিজের ভাগের বাকী ছয়টি ফ্ল্যাট এককালীন ছয় কোটি টাকায় ডেভেলপারের কাছেই বিক্রি করে দেন। ডেভেলপারের ভাগের ৮টি ফ্ল্যাট এবং একদা ভুমি মালিকের ৬টি ফ্ল্যাট আমরা আটজন ক্রেতা কিনে নেই এবং যারযার ফ্ল্যাটে নিজেরা থাকি এবং অবশিষ্ট ফ্ল্যাট ভাড়া দেই।

'একদা ভূমি মালিক'র মেয়ের গৃহশিক্ষক ছিলেন আলোচ্য আমলা। বৈবাহিক সূত্রে তিনি স্ত্রীর উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া একটা ফ্ল্যাটের বাসিন্দা। আর আমলা সাহেবের স্ত্রী হচ্ছেন খণ্ডিত জমিদার। ১৬ ভাগের দুই ভাগ জমিদার হয়েও আগের সেই জমিদারী ভাব এখনো যায় নায়। নিজেকে এখনো ষোলো আনা জমিদার ভেবে ড্রাইভার, সিকিউরিটি গার্ড, ক্লিনারদের ডেকে নিষ্ফল আস্ফালন আর হুংকার দেন- "এই বিল্ডিয়ের জমির মালিক আমার বাবা"!

উল্লেখ্য যে, "দেশের সব বড়ো বড় পুলিশ- র‍্যাব অফিসার, আওয়ামী লীগের মন্ত্রী, এমপি, স্থানীয় আওয়ামী নেতারা আমলা গিন্নীর আত্মীয়"- যা শুনতে শুনতে আমাদের তাচ্ছিল্যতা বেড়ে গিয়েছে (বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে বিএনপি'র সকল মন্ত্রী এমপি রা তাদের আত্মীয় ছিলেন)।

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:৩৩

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: আমার ছাদ বাগান নিয়েও কটাক্ষ করে। "৩০/৪০ টাকা দামের ২/৩ কেজি শীম/বরবটির জন্য সারা বছর ছাদে পরে থাকেন!
এই ব্যটার মানুষিকতা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া গেলো।

"এই বিল্ডিয়ের জমির মালিক আমার বাবা"!
এই মহিলাকে জানিয়ে দেয়া উচিত যে তারা বাবার আর জমির মালিক নেই। মোট জমির ১৬ ভাগের দুই ভাগ জমির মালিক আছেন তার বাবা। বাকি ১৪ ভাগ জমির মালিকানা এখন অন্য ফ্লাট মালিকদের।

২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:৫১

জুল ভার্ন বলেছেন: আসলে ওরা অবুঝ নয়। একদার রাজ্য হারানোর শোক ভুলে থাকার ব্যর্থ চেষ্টা অমন অসার আস্ফালন! আমরা গুরুত্ব দেইনা।

২| ২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:৩৬

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:

আমলা ও উনার সহধর্মিণী কতবছর যাবৎ এমন ব্যবহার করে আসছে?

২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:৫৪

জুল ভার্ন বলেছেন: সহধর্মিনীর আস্ফালন শুরু থেকেই চলছে। তবে ওনার সাবেক প্রাইভেট টিউটর মানে বর্তমান স্বামী যখন দুই স্তরে প্রোমোশন পেয়ে বর্তমান স্তরে পৌঁছেছে- তখন আগ্রাসী মনোভাবও প্রোমোশন পাচ্ছে।

৩| ২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:৩৬

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: এদের আস্ফালন কোন দিনই বন্ধ হবেনা; এরা অন্ধ, এরা বিবেক বর্জিত আবর্জনা।

২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:৫৫

জুল ভার্ন বলেছেন: না এদের স্বভাব আচরণের পরিবর্তণ কোনোদিন হবেনা।

৪| ২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:৩৭

রানার ব্লগ বলেছেন: হা হা হা !!! নিত্য দিনের ঘটনা !!! আমি বনশ্রী থাকি এখানে এই টাইপ লোক অনেক গুনে শেষ করা যাবে না !!!

২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:৫৬

জুল ভার্ন বলেছেন: এমন প্রতিবেশীর সাথে বসবাস কতোটা যন্ত্রণার তা ভূক্তভোগী ছাড়া কেউ বুঝবেনা।

৫| ২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:৪৫

খাঁজা বাবা বলেছেন: সব জায়গায় এমন কিছু লোক থাকেই।

২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:৫৬

জুল ভার্ন বলেছেন: অত্যন্ত বিপদজনক!

৬| ২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: সূর্যের চেয়ে বালি গরম।
ঢাকা শহরের প্রতিটা এলাকায় এই শ্রেনির মানুষ রয়েছে।

২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:৫৯

জুল ভার্ন বলেছেন: অত্যন্ত অশান্তির প্রতিবেশী!

৭| ২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:৪৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ভাইজান আপনার ছাদ বাগানের সঙ্গে আমি ইতিপূর্বে পরিচিত তবে আপনার বিল্ডিং এর জমিদারিনী কন্যা ও ওনার গৃহশিক্ষক আমলার আস্ফালনের পরিচয় এই প্রথম জানলাম।নিঃসন্দেহে দুজনেই মানসিক রোগী।

২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ১:০৩

জুল ভার্ন বলেছেন: আমার শখের ছাদ বাগানের সুখ কেড়ে নিচ্ছে এই দম্পতি! বাগানের ফলজ গাছ এবং ফল নষ্ট করতো গোপনে। বাধ্য হয়ে চার হাজার স্কয়ার ফুটের ছাদ বাগানে চারটা সিসি ক্যামেরা লাগিয়েছি। এখন ধরা পরার ভয়ে গাছ-ফল নষ্ট করতে পারেনা তাই মুখ চালায় বেশী! =p~

ধন্যবাদ ভাইয়া।

৮| ২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ১:২৯

অপু তানভীর বলেছেন: এটা তো জানা কথাই অফিসার থেকে তাদের বউদের গরম বেশি । এখানেও সেটারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে ! ক্ষমতা চলে গেলে এদের স্থান যে কোন দিকে যাবে সেটা খেয়াল করে না ! আমলামী সারা জীবন থাকবে না । যখন চলে যাবে কিভাবে যে এদের মানুষ আস্তাখুড়ে ছুড়ে ফেলবে তখন এরা বুঝবে !

২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ২:০৪

জুল ভার্ন বলেছেন: বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে যারা সচিব, অতিরিক্ত সচিব হয়েছেন, স্বাভাবিক নিয়মে পদন্নোতি হলে এদের অনেকেরই সর্বচ্চ উপ সচিব হতেন। ঠিক একই ভাবে স্বাভাবিক নিয়মে পদন্নোতি হলে পুলিশ বিভাগের ডি আই জি পদ মর্যাদার অফিসারগণ এডিশনাল পুলিশ সুপার হয়েই থাকতেন। এরা যোগ্যতার চাইতে, প্রত্যাশার চাইতে অনেক বেশী পেয়েছেন বলেই এদের অনেকেই বড়ো অফিসার হয়েও সেই ছোটলোকি মানষিকতার পরিবর্তন করতে পারেননি। এদের অনেকেই উচ্চতর পদে পদন্নোতি পেয়েও এখনো কাজ করছেন কমপক্ষে দুই ধাপ নিদের কর্মকর্তার টেবিলে। তবে দুই একজন যোগ্য লোকেরও পদন্নোতি হয়েছে সেকথা অস্বীকার করাত সুযোগ নাই।

৯| ২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ১:৩৭

আমি ব্লগার হইছি! বলেছেন: এদের বেশী গুরুত্ব দিবেন না। এদের মতো লোকজনকে আমি ড্রাইভার, দারোয়ানের কাছে অপমাণিত হতে দেখেছি। ছাদের বাগান পরিবেশ এর জন্যে অনেক উপকারি। আপনার বাগানের জন্যে শুভ কামনা।

২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ২:১২

জুল ভার্ন বলেছেন: মুখে না বললেও এরা সৎ মানুষের কাছে পদে পদে ঘৃণীত প্রাণী বিশেষ। আমার আলোচ্য আমলা যখন সহকারী সচিব থেকে উপ সচিব পদন্নোতি পেয়েছিলেন তখন ফ্ল্যাট ওনার্স এসোশিয়েশনের মিটিং এ প্রস্তাব করেছিলেন- 'বাড়ির লিফট ড্রাইভার, গার্ড, ক্লিনার, বাড়ির বুয়ারা ব্যবহার করতে পারবেনা!'
তারপর আমি সাইজ করেছিলাম.... সেই থেকে আমার উপর ক্ষ্যাপা!

আমার ছাদ বাগান বন্ধ করতে অনেক চেষ্টা করেছিলো। কিন্তু বছর দুই আগে সাভার এলাকায় এক উন্মাদ বাড়িওয়ালী এক ভাড়াটিয়ার ছাগ বাগানের গাছ কেটে ফী জেলে গিয়েছিলো - মিডিয়ায় তা দেখে নিজেদের ধ্বংশাত্মক কাজ থেকে গুটিয়ে নিলেও চোপা বন্ধ করেনি।

ধন্যবাদ।

১০| ২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ১:৪০

ফয়সাল রকি বলেছেন: একদা সপ্তম শ্রেণীর এক পিচ্চির গৃহশিক্ষক ছিলাম! এছাড়া গৃহশিক্ষক হবার আর কোনো অভিজ্ঞতা নাই B:-)

২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ২:১৭

জুল ভার্ন বলেছেন: বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আমি একাধিক টিউশনী করেছি। ছাত্রী এবং ছাত্র পড়িয়েছি। আমার স্টুডেন্টদের মধ্যে অনেকেই পেশাগত জীবনে বিখ্যাত হয়েছেন। আবার কুখ্যাত "লেদার লিটন" কেও আমি পড়িয়েছিলাম। লেদার লিটন অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলো। জুনিয়র বৃত্তি পরিক্ষায় ট্যানেন্টপূল বৃত্তি পেয়েছিলো।

১১| ২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ২:২৭

ঋণাত্মক শূণ্য বলেছেন: বেচারী হীনমন্যতায় ভুগে :( ডাক্তার দেখানো উচিৎ। তার বরও সরকারী কামলা হয়ে ঘরজামাই থাকে দেখে সেও হীনমন্যতায় ভুগে। দুইজনেরই ডাক্তার দেখানো উচিৎ।

২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ২:৪৯

জুল ভার্ন বলেছেন: একদম সঠিক অবজার্ভেশন।

১২| ২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ২:২৯

প্রতিদিন বাংলা বলেছেন: ওই মহিলার রক্তে সমস্যা আছে (বংশ পর্যায়ক্রমে প্রকৃত ভুস্বামীরা এমন হবার কথা নয় ! )
প্রবাদ বাক্য -(উপায় নেই )
একদিন ঝিকে মেরে বৌকে বুঝান !

২৩ শে মে, ২০২২ বিকাল ৩:০৩

জুল ভার্ন বলেছেন: কিভাবে এমন সঠিক উপলব্ধিতে আসতে পারলেন!
সত্যিই মহিলার পারিবারিক ব্যকগ্রাউন্ড অত্যন্ত পুওর। বাবা ছিলেন দোকানদার, তবে ব্যবসায়ীক দূরদর্শী ছিলেন। বর্তমান যে জমিতে আমাদের বিল্ডিং এই ১৬ কাঠা আয়তনের জমিটা তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কিনেছিলেন ৩০০০ টাকায় যে দোকানে তিনি সেলস ম্যানের জব করতেন সেই নন বেংগলী মালিকের থেকে(আসলে কিনেছিলেন না ঠ্যাকাইয়া লিখে নিয়েছেন- আল্লাহ মালুম)। এমন আরও একাধিক জমি এভাবে সেই মালিকের থেকে কিনেছিলেন বদমাইশী করে। সবগুলোতেই ১২/১৬ তলা মাল্টি স্টোর্ড বিল্ডিং। তিন ছেলে সন্তানের কেউ কলেজের চৌকাঠ ছুঁতে পারেনি। একমাত্র মেয়েটা নাকি ইংরেজীতে অনার্স-মাস্টার্স! যদিও তার কথায়, আচরণে এইট পাশের বেশী মনে হয়না।

আমাদের বিল্ডিং এর ৮ জন ক্রেতাই স্বপরিবার উচ্চ শিক্ষিত এবং সমাজের প্রতিষ্ঠিত। আমাদের দুর্ভাগ্য, আমরা ওদের অসভ্যতামীর জবাব দিতে পারিনা।

১৩| ২৩ শে মে, ২০২২ দুপুর ২:৫৪

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপনার ছাদ বাগানের জন্য শুভ কামনা।

২৩ শে মে, ২০২২ বিকাল ৩:০৪

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।

১৪| ২৩ শে মে, ২০২২ বিকাল ৪:২১

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: যে যতটুকু নয় তার চেয়েও বেশী শো অফ করা একটা ফ্যাশানে পরিণত হয়েছে।

২৪ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:১৪

জুল ভার্ন বলেছেন: এটা ফ্যাশন নয়, অহংকার এবং বখাটপনা।

১৫| ২৩ শে মে, ২০২২ বিকাল ৪:৩৬

শাহ আজিজ বলেছেন: গৃহ শিক্ষক হতে ঘর জামাই ।

২৪ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:১৫

জুল ভার্ন বলেছেন: চল্লিশ পঞ্চাশ দশকে এটাই ছিল এদেশের মুসলিম পরিবারের ঐতিহ্য।

১৬| ২৩ শে মে, ২০২২ বিকাল ৪:৪৫

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
এগুলারে পাত্তাই দিবেন না। চলতে থাকুক ছাদ বাগান।

২৪ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:১৭

জুল ভার্ন বলেছেন: আমরা পাত্তা দেইনা বরং উপহাস কর প্রত্যাখ্যান করি।

১৭| ২৩ শে মে, ২০২২ বিকাল ৫:৩৯

প্রতিদিন বাংলা বলেছেন: অভদ্রদের জবাব দেয়াও ভদ্রতা
হাতে/পেটে/ক্ষমতায় না পারলে
অডিও ভিডিওর সাহায্য নিয়ে ,ছাদে একবার চা পার্টির আয়োজন করে ,মনিটরে দেখান ও সাবধান হতে বলুন বিনয়ের সাথে। ...অন্যথায় ....!?

১০০%

২৪ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:২১

জুল ভার্ন বলেছেন: আমাদের ছাদে ৪০০ স্কয়ার ফিটের সুস্বজ্জিত একটা কমুনিটি স্পেস আছে- যেখানে আমরা যারযার প্রয়োজনে গেটটুগেদার করি।

১৮| ২৩ শে মে, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:১৯

আমি ব্লগার হইছি! বলেছেন: শাহ আজিজ বলেছেন: গৃহ শিক্ষক হতে ঘর জামাই

এটা তো আবহমান বাংলার চিরন্তন ঐতিহ্য।

২৪ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:২১

জুল ভার্ন বলেছেন: একদা ঐতিহ্য ছিল কিন্তু এখন এই কালচার নাই বললেই চলে।

১৯| ২৩ শে মে, ২০২২ রাত ৯:৩৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুল ভার্ন,




বাস-টেম্পুর ভেতরে বাইরে লেখা - " ব্যাবোহারে ভংসের পরিচয়" কথাটি মনে পড়লো। :|

২৪ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:২৩

জুল ভার্ন বলেছেন: ওদের বংশই নাই- ব্যবহার শিখবে কি করে!

২০| ২৩ শে মে, ২০২২ রাত ১০:১০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ১১ নং মন্ত্যবেসহমত।

২৪ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:২৪

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

২১| ২৪ শে মে, ২০২২ দুপুর ১২:৫৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: সকালে পড়ে গেছি। এত দেমাগী ও পাওয়ারফুল ফেইক বাড়িওয়ালীর পাওয়ারে তো দেখি টিকে থাকাই মুশকিল। বাট, মুখের উপরে যদি ধমক দিয়ে একবার বলা শুরু করেন, ওদের ফণা নেমে যাবে।

২৪ শে মে, ২০২২ দুপুর ১:১৯

জুল ভার্ন বলেছেন: সেই চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলে চামচা, এলাকার বখাটে চাঁদাবাজ, হিরোইঞ্চি গুলোকে লেলিয়ে দেয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.