| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বিবেকের দংশনে জাস্টিন বিবার এবং সাঁইবাবার গ্যাংনাম আচার
গ্যাংনাম জ্বরে দুনিয়া ভোগে , দুনিয়ার মানুষ আমিও ভুগি ।
ঘুম ভাঙল। রোজ সকালে একটা লেসার ডিসপ্লে দেওয়ালে সময় জানান দেয়। আজকে দিল না। হয়তো ব্যাটারি শেষ হয়ে গিয়ে থাকবে। খুব গাঢ় ঘুম ভাঙলে এক একসময় স্মৃতি কিছুটা এলোমেলো হয়ে থাকে, কিন্তু তাই বলে সময় নষ্ট করলে তো আর চলে না। বিশেষ করে অনুপমের তো চলেই না। তাঁর গোটা দিনটাই ঘড়ির কাঁটার সাথে চলে।
খোদ লন্ডনে এসে কোম্পানির বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজারের দায়িত্তটা নেওয়ার পর থেকেই ব্যস্ততা তার অনেকটা সময় কিনে নিয়েছে। একটুও সময় নষ্ট করার উপায় নেই। বালিশের তলায় হাত ঢোকালেন অনুপম। এখানেই রাখা থাকে তাঁর নতুন ব্ল্যাকবেরী। বিছানায় বসেই তিনি চোখ বুলিয়ে নেন সকালের এপোয়েন্টমেন্টের ওপরে। রোজই ল্যাপটপ থেকে পরের দিনের সমস্ত রিমাইন্ডার সিংক্রোনাইহ হয়ে থাকে, যাতে সকালে উঠে ল্যাপটপ খুলতে না হয়। সে সঙ্গে এক নজরে দেখে নেওয়া যায় সকালের ইমেলগুলোকেও। যদিও ছোট স্ক্রিনে পড়তে একটু অসুবিধেই হয়, লিখতেও। তবু কাউকে কাউকে তাড়া দেওয়ার থাকলে সেটা চট করে সেরে নেওয়া যায়। সিগনেচারের নিচে লেখা থাকে ইমেলটি ব্ল্যাকবেরী থেকে করা হয়েছে, বানান বা গঠনগত বৈষম্য অগ্রাহ্য করবেন। এক লাইনের মেলে কাউকে হুকুম করতে বড় ভালই লাগে তাঁর। বিশেষতঃ যখন জানেন তাঁর একলাইনের মেলে হুড়োহুড়ি পড়ে যাবে।
কিন্তু আজকে তাকেও যথাস্থানে পাওয়া গেল না। তবে কি ওটা কালকে রাতে স্টাডিতেই ফেলে এসেছেন? একটা হাঁক দিলেন, ‘কোথায় গেলে?’ কিন্তু কোন সাড়া পেলেন না।
মনটা ছটফট করে উঠল, কোন বড় রকমের গন্ডগোল হয়নি তো? সকালের কোন এপয়েন্টমেন্ট মিস হয়ে যাচ্ছে না তো? পা দুটো নামালেন বিছানা থেকে। আরে, এটা তো তাঁদের বিছানাই নয়। বিছানা তো দূর, এটা তো বেডরুমটাই নয়। অনুপম আরেকবার চেঁচিয়ে উঠলেন, ‘বেবী, হোয়্যার আর ইউ?’ নাহ, কোন সাড়াশব্দ নেই।
পায়ে পায়ে বাথরুমের দিকে এগিয়ে গেলেন অনুপম। চোখমুখ ধুয়ে আগে ফ্রেশ হয়ে তারপর না হয় ভাবা যাবে। সিঙ্কে গরম আর ঠান্ডা দুটো কলের জলই খুলে দিলেন। চোখে মুখে প্রথম দুবার জলের ঝাপটা দেওয়ার পরেই বাঁ হাতে কবজির দিকে নজর গেল তাঁর। হাতটা খালি। এমনিতে ক্যাসিওর হান্ড্রেড মিটার ওয়াটার রেসিট্যান্ট ঘড়িটা তো সবসময়ই হাতে পরাই থাকে, চব্বিশ ঘন্টা। একটা বড় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন অনুপম। এতক্ষনে সব মনে পড়েছে। কর্মব্যস্ততার দিনগুলোতে তিনি এমনভাবে জড়িয়ে পড়েন ঘড়ির কাঁটার সাথে সাথে, যে তৃষা এবার ছুটি কাটাতে এসে ঘড়িটা পরতেই দেয়নি।
বাথরুম থেকে বেরিয়ে লবিতে এসে দাঁড়ালেন। বাইরে লেকডিস্ট্রিক্টের সুন্দর সকাল। একটু এগিয়ে ওয়ার্ডসওয়ার্থ কটেজ়টা দেখা যাচ্ছে। সামনে দুটো পাহাড়ের মিলনস্থল। একটা নদী কুলকুল করে বইছে। আরও আরেকবার কবজির দিকে তাকালেন অনুপম। বুঝতে পারলেন দিনের মধ্যে কয়েকবার অজান্তেই চোখ চলে যাবে কবজির দিকে।
২|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:২৮
প্লিওসিন অথবা গ্লসিয়ার বলেছেন: ওরে আইডি !
৩|
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:০৭
এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল স্বর্ণা বলেছেন: ওরে আইডি !
৪|
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১৬
নোবিতা রিফু বলেছেন: ওরে আইডি !
৫|
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১৭
গেমার বয় বলেছেন: ঠেলা !!!
৬|
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:২৮
তামিম ইবনে আমান বলেছেন:
এপিক নিক
৭|
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৩৬
টেকনো(মুভি এডিশন) বলেছেন: ওরে আইডি !
৮|
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:২২
এ যুগের শ্রীকান্ত বলেছেন: আইডি টা আসলেই বেশি জোশ
পেলাস
৯|
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:২৯
অনিমেষ রহমান বলেছেন: ভালো লেগেছে দিনপঞ্জী।
১০|
২১ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:০৫
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ওরে আইডি !
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:২২
রাজসোহান বলেছেন: গল্পের মানে কি?