| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সংবিধান তৈরি করা হয় মানবাধিকার রক্ষা এবং জনগণের সামাজিক ও অর্থনৈতিক মানোন্নয়নের জন্য। আজ আমাদের সংবিধানে ভারতীয় পরামর্শে পরিবর্তন এনে এদেশের জনসাধারণকে নিক্ষেপ করা হয়েছে চরম এক জিল্লতিপূর্ণ দুঃখ-কষ্টের মধ্যে। আমাদের সমস্ত গার্মেন্টসের অর্ডার চলে যাচ্ছে ভারতে। হাজার হাজার গার্মেন্টস মালিক আজ ঋণের বোঝায় জর্জরিত। লক্ষকোটি গার্মেন্টস শ্রমিক বেকার হয়ে অনাহারে ও অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে। আমার ইচ্ছা হয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করতে- এত হত্যা, গুম ও নির্যাতন না করে আপনি যা চান তাই দ্রুত করুন। দেশটিকে লেন্দুপ দর্জির মতো ভারতের কাছে হস্তান্তর করুন। আর কষ্ট সহ্য হচ্ছে না। এদেশের হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে রায়ট বাঁধিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ হত্যা করা এবং সেসব হত্যাকান্ডের জন্য বিরোধীদলকে দায়ী করা থেকে বিরত থাকুন।
আমরা একে অপরের শত্রু নই, আপনি বিরোধীদলকে দায়ী করার জন্যই ওসব জঘন্য কাজগুলো করছেন। প্লিজ! আপনি এই মরণখেলা বন্ধ করুন। গণতন্ত্র ও সৈরতন্ত্রের মধ্যে তফাৎ কি, তা বোঝার চেষ্টা করুন। যেভাবে আপনি ভারতীয় দিকনির্দেশনায় দেশ চালাচ্ছেন, তাতে এদেশকে ভারতীয় অঙ্গরাজ্যে পরিণত করতে বেশি সময় লাগবে না। খিলাফত কি, তা আপনি বুঝবেন না। কোনকিছু না বুঝেই আপনি মদীনা সনদের কথা বলেন। যে গণতন্ত্র কি তাই বোঝেনা, খেলাফত কি তা বোঝার তো প্রশ্নই আসে না। আমি আপনার এবং আপনার পরিবারের ধ্বংস কামনা করি। অতিদ্রুত যেন খোদায়ী গযব আপনার, আপনার পরিবার এবং আপনার দলের উপর নাযিল হয়। এই মুহূর্তে মহান আল্লাহ পাকের নিকট আম্লীক ব্যতীত সকল দেশবাসীর একমাত্র আবেদন- মহান আল্লাহ পাক নিপীড়িত জনগণের আর্জি দ্রুতই কবুল করেন।
বর্তমান সময়ের নিপীড়িত
বাংলাদেশী হিন্দু-মুসলিম জনগোষ্ঠী
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ৯:০৮
সাবাব ইকবাল বলেছেন: তারা যেহেতু বলেছে এইটা দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ মানে দ্বিতীয় একাত্তর তাহলে একাত্তরের পরবর্তী বিষয়গুলোও পুনরাবৃত্তি হবে। সেই হিসেবে পরবর্তী ধাপ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট।