নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পাতালপুরী থেকে দৈত্যটা যখন বেরুলো!

কল্পতরী

কল্পলোকের চাবি কোথায় পাই?

কল্পতরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

খুব কি প্রয়োজন ছিলো?

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:১৯



গেল বছর বিজয়ের মাস, ১৭ তারিখ খামার বাড়ি কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে আওয়ামীলীগ আয়োজিত মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই অদ্ভূত শাড়ি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়েছিলো।

বিতর্কের কারন হল, একটা স্বার্বভৌম দেশের কেন্দ্রে থাকা ব্যাক্তিত্বের গায়ে এমন একটি ডিজাইন কী কাকতালীয়? নাকি অন্য কিছু? সন্দেহবাদীরা এক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে ছিলেন তাতে সন্দেহ নেই। কারন বাংলাদেশের ব্যাপারে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ইন্ডিয়ার 'গুন্ডে' দৃষ্টিভঙ্গি একেবারেই শুরু থেকে দেখা গেছে। এমনকি মহান মুক্তিযুদ্ধকে 'ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ'(!) বলে প্রচার করতে গিয়ে প্রায়ই তারা পাক-আর্মির আত্মসমর্পন অনুষ্ঠানের ছবি ব্যবহার করে। এক্ষেত্রে পাকিস্তান ও ভারত নামের দুই ধর্মভিত্তিক দেশই এককন্ঠে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক মুহুর্তকে বিতর্কিত করে যাচ্ছে। সে সময় ভারতের আধিপত্যের বিরোধীতা করে স্বয়ং বঙ্গবন্ধুও ভারতপ্রধানের ক্ষোভের কারন হন। ইন্দিরা গান্ধীর অনুরোধ অমান্য করে তিনি ওআইসিতে যুক্ত হন। সেকুলার বাংলাদেশ গঠনের যুক্তিতে ভারত অস্থায়ী সরকারের সাথে করা চুক্তির নামে এই বাধা প্রদান করেছিলো। সে চুক্তি পরে বাতিল করে দেন বঙ্গপুরুষ মহান নেতা শেখ মুজিবুর রহমান। যে চুক্তির ধারা মতে এদেশের সীমান্ত প্রহরা, মুদ্রা, শাসন ব্যবস্থার মত স্পর্ষকাতর অনেক ব্যাপারে শর্ত দিয়েছিলো ভারত।

আজ বিশেষ পরিস্থিতিতে নেপালের আভ্যন্তরীন ব্যাপারে ভারত যা করছে সেসময় বাংলাদেশের ব্যাপারেও ঠিক তাই করতে চেয়েছিলো। বঙ্গবন্ধু দেখিয়ে গেছেন কী করে বাংলাদেশ তার স্বার্বভৌমত্বকে উপভোগ করে যাবে। তিনি প্রথম ভারতের মাটিতে পা দিয়েই ইন্দিরা গান্ধীর উদ্দেশ্যে এই কঠিন প্রশ্নটি করেছিলেন- 'কবে নাগাদ বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সৈন্য সরবে'? একদিকে ভারতের নিঠুর অভিলাষ নিয়ে বাংলাদেশের অনেক মহান কান্ডারিরা যেমন নানান দুশ্চিন্তায় গুজরান করতেন, ঠিক তেমন সে দৃশ্যায়ন মঞ্চস্থ করে অনেক ভিলেনও এদেশের জনগনের সাথে প্রতারণার জাল বুনেছিলেন।

সে যাই হোক। ভারতের প্রতারণা ও দাদাগীরি দেখিয়ে যেভাবে এদেশের মানুষকে পাকিস্তান গেলানো হয়, সেভাবেই প্রধানমন্ত্রীর শাড়ি দেখিয়ে পাকিস্তান গেলানোর নাটক মঞ্চায়নের পথ যেন তৈরি করা হল ২০১৪র বিজয়ের মাসে। অন্যদিকে সচেতন মানুষের দুঃশ্চিন্তাও বেড়ে গেল, রাজনীতিবিদদের ক্রম সাম্রাজ্যবাদের আশ্রয় গ্রহণের প্রবনতার কারনে। এনিয়ে হাজার বক্তব্য, যুক্তি বা পাল্টা যুক্তি আসতে পারে। কিন্তু সাম্রাজ্যবাদী ভারতের সিকিম দৃষ্টান্ত মাথায় রেখেই এমন কাজটি একজন প্রধানমন্ত্রীর করা আদৌ উচিৎ কিনা, এমন প্রশ্ন একজন সাধারন ভোটার হিসেবে করার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিটি নাগরিকের আছে।

আজ রাজনীতির নামে দেশটা যেন পাকিস্তানী আর ভারতীয় দিয়ে ভরে ফেলা হচ্ছে! এখানে বাংলাদেশী তারুন্যের জাগরন যেন মিডিয়া কাভারেজ পাবেনা! মনে রাখতে হবে- ভারত সবসময় ১৯৭১ এর ভারত নয়, নেপালে দেখা ২০১৫ এর ভারত আর সম্প্রতি দেখা 'গুন্ডে' ভারত চরিত্র নিয়ে অবশ্যই ভাবতে হবে।


বাংলাদেশের ভুখন্ডগত মূল্য বাংলাদেশীদের কাছে আপন মায়ের সমান! তাই মুক্তিযুদ্ধের সহায়তাকে 'ভগবানের আশির্বাদ' ভেবে ভারতকেই 'ভগবান' বানাবার ভয়াবহতাও আমাদের সামনে থাকবে। মুক্তিপাগল মাতৃভক্তরা স্বাধীনতায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো 'স্বাধীনতা আসতই'।
রাজনৈতিক সহায়তা কখনো আন্তরিক সহায়তা যে নয়, তাও আমরা গুন্ডের আচরনে বুঝে নিয়েছি। বাংলাদেশ সিকিম হবেনা। বাংলাদেশ একটি বিশ্ময় হয়ে বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে থাকবে।
১৬ কোটি বাংলাদেশের এই ভূখন্ড বিশ্বের ৭ম বৃহৎ মানুষের ভুখন্ড। ৩২ কোটি হাত এ দেশের স্বাধীনতাকে সচল রাখবে। এদেশ নিজেই একটা বিপুল বাজার। এই বাজার তো আমাদেরই! রাজনীতিবিদদের অবশ্যই এখানে বাংলাদেশীদের ওপর ভরসা রাখতে হবে।

শক্তি হিসেবে ৩২ কোটি হাতকে অগ্রগন্য বিবেচনা না করলে যেকোন দলই কালের গর্ভে হারিয়ে যেতে বাধ্য হবে। মানুষ নিজেরাই প্রভুভক্ত রাজনীতির অনন্য বিকল্প আরেক রাজনীতি হয়ে উঠবে। গণরাজনীতি।

মন্তব্য ১৯ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৯) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:১৯

রানার ব্লগ বলেছেন: ভারত বা পাকিস্থান দুইটাই জাত কেউটে, ছোবোল এরা মারবেই।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:২৭

কল্পতরী বলেছেন: আমরা জাতিসত্বায় অনন্য। এটাই যথেষ্ট। আর এর ভিত্তিতেই 'কারো প্রতি শত্রুতা নয়, সকলের প্রতি বন্ধুত্ব' শ্লোগানের প্রয়োগ করতে হবে। বিদেশী দালালগোষ্ঠীদের চিহ্নিত করে জনতার কাতারে এনেই বিচার করা উচিৎ।

২| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:২৬

বুকা ছেলে বলেছেন: জয় বাংলা
জয় ভারত মাতা
ভারতের জণ্যেই মিয়া স্বাধীনতা পাইলেন আর এখন ভারতের গোয়া চাটবেন না তা কি হয় ? !

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:২৮

কল্পতরী বলেছেন: আমরা জাতিসত্বায় অনন্য। এটাই যথেষ্ট। আর এর ভিত্তিতেই 'কারো প্রতি শত্রুতা নয়, সকলের প্রতি বন্ধুত্ব' শ্লোগানের প্রয়োগ করতে হবে। বিদেশী দালালগোষ্ঠীদের চিহ্নিত করে মুক্তিকামী জনতার কাতারে এনেই বিচার করা উচিৎ!


ধন্যবাদ।

৩| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৩৯

অতঃপর হৃদয় বলেছেন: তারা সব কিছুই করতে পারে :)

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪২

কল্পতরী বলেছেন: আমাদের উচিৎ আমাদের নিয়ে ভাবা। সকল ঋণ শোধ হয়ে গেছে। গুন্ডে, সিকিম, নেপালের পর রাজনৈতিক ঋণ সমাপ্ত।

৪| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৫৭

গেম চেঞ্জার বলেছেন: বুকা ছেলে বলেছেন: জয় বাংলা
জয় ভারত মাতা
ভারতের জণ্যেই মিয়া স্বাধীনতা পাইলেন আর এখন ভারতের গোয়া চাটবেন না তা কি হয় ? !


এরা পাকিদের পা চাটতে না পেরে ভারতের চাটতে বলছে। হায়রে মুর্খের দল!! তোরা মানুষ হবি কবে বল?

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৩

কল্পতরী বলেছেন: আমরা জাতিসত্বায় অনন্য। এটাই যথেষ্ট। আর এর ভিত্তিতেই 'কারো প্রতি শত্রুতা নয়, সকলের প্রতি বন্ধুত্ব' শ্লোগানের প্রয়োগ করতে হবে। বিদেশী দালালগোষ্ঠীদের চিহ্নিত করে মুক্তিকামী জনতার কাতারে এনেই বিচার করা উচিৎ।

ধন্যবাদ।

৫| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৪৫

কমরেড মাহমুদ বলেছেন: ক তে কল্পতরী, তুই রাজাকার, তুই রাজাকার..
আম্নেরে ৫৭ ধারায় প্যাদিয়ে ৪৯ ধারায় রাষ্টপতির ক্ষ্মমা প্রার্থনা নাকচ করিয়ে ফাসি দেওয়া হপে...

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৩

কল্পতরী বলেছেন: আমরা জাতিসত্বায় অনন্য। এটাই যথেষ্ট। আর এর ভিত্তিতেই 'কারো প্রতি শত্রুতা নয়, সকলের প্রতি বন্ধুত্ব' শ্লোগানের প্রয়োগ করতে হবে। বিদেশী দালালগোষ্ঠীদের চিহ্নিত করে মুক্তিকামী জনতার কাতারে এনেই বিচার করা উচিৎ।

ধন্যবাদ।

৬| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১১

উচ্ছল বলেছেন: ভারত দাবী করে, ১৯৭১ এ যুদ্ধ হইছে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে
পাকিস্তানও একই দাবী করে।
তাহলে ফাঁকতালে কয়েক লাখ বাংলাদেশী মরলো কেন?
এই ভূ-খন্ড থেকে ৭১-এ পাকি পলাইছে, এখন ভাড়ৎ কবে পলাইবে সেই অপেক্ষায় আছি।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৩

কল্পতরী বলেছেন: আমরা জাতিসত্বায় অনন্য। এটাই যথেষ্ট। আর এর ভিত্তিতেই 'কারো প্রতি শত্রুতা নয়, সকলের প্রতি বন্ধুত্ব' শ্লোগানের প্রয়োগ করতে হবে। বিদেশী দালালগোষ্ঠীদের চিহ্নিত করে মুক্তিকামী জনতার কাতারে এনেই বিচার করা উচিৎ।

ধন্যবাদ।

৭| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১২

আহমেদ ফিরোজ- বলেছেন: একাত্তরে পাকিস্তান আমাদের বিপক্ষ থাকায় এখনো কিছু চেতনাবাজ নিজেদের ভারতপ্রীতি আর যত আকাম কুকাম ঢাকতে অন্যকে আজাইরা ফাকি দালাল মালাল ট্যাগ দিয়ে অস্থির। পাকিস্তান নিজেকেই সামাল দিতে পারছে না। সেখানে বাংলাদেশ নিয়ে ভাবার সময় আছে?? বস্তুত বর্তমানে বাংলাদেশের একমাত্র এবং কেবলমাত্র শত্রু হচ্ছে ভারত ভারত এবং ভারত।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৩

কল্পতরী বলেছেন: আমরা জাতিসত্বায় অনন্য। এটাই যথেষ্ট। আর এর ভিত্তিতেই 'কারো প্রতি শত্রুতা নয়, সকলের প্রতি বন্ধুত্ব' শ্লোগানের প্রয়োগ করতে হবে। বিদেশী দালালগোষ্ঠীদের চিহ্নিত করে মুক্তিকামী জনতার কাতারে এনেই বিচার করা উচিৎ।

ধন্যবাদ।

৮| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৪

কল্পতরী বলেছেন: আমরা জাতিসত্বায় অনন্য। এটাই যথেষ্ট। আর এর ভিত্তিতেই 'কারো প্রতি শত্রুতা নয়, সকলের প্রতি বন্ধুত্ব' শ্লোগানের প্রয়োগ করতে হবে। বিদেশী দালালগোষ্ঠীদের চিহ্নিত করে মুক্তিকামী জনতার কাতারে এনেই বিচার করা উচিৎ।

ধন্যবাদ।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:২১

কল্পতরী বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

৯| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:১৬

বিপরীত বাক বলেছেন: ভারতের প্রদেশ গুলোর কোনটাই তেমন খারাপ নেই।।

উমম.... মন্দ হয় না।।

যে জাতির নিজস্বতা নেই, স্বকীয়তা নেই, দেশপ্রেম নেই, মানবতাবোধ নেই, জাতিগত আত্মমর্যাদা নেই, বিচারবোধ নেই, নৈতিকতা নেই, বিবেক নেই, সততা নেই,....... সে জাতির অন্যের শাসনে থাকাটাই মঙ্গলজনক ও সামগ্রিক ভাবে লাভজনক।। অন্তত পার্থিব জীবন টা সুখে কাটানো যাবে।।

আর বার্মা ও মন্দ দেশ নয়।। ওটাতে গেলেও চলবে।।

সর্বোপরি কোন সংজ্ঞা তে এটা কোন জাতির পর্যায়ে পড়ে না।।

বেশি চিন্তা করিয়েন না।। নাকে তেল দিয়ে আরামসে ঘুমান।। মাথা ক্লিয়ার থাকবে।।
ব্লগার " চাদগাজী "সাহেবের ভাষায় বললে বলি, " ফার্মের মুরগী কম খান।" ওটাতে গ্রোথ হরমোনের প্রয়োগ মাত্রাতিরিক্ত।।

চোর বাটপার জোচ্চোর জালিয়াত লুটেরা তস্কর ঘুষখোরে ভরা এই মরার দেশ কেউ নিবে না।। নিজের ঘাড়ে এরকম অভিশপ্ত বোঝা কোন দেশই টানবে না।।

নিশ্চিন্ত থাকেন।। আর অহেতুক উস্কানি ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন।।।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:২১

কল্পতরী বলেছেন: আমি সাধারনত কোন দালালকে সৈহ্য করতে পারিনা। ব্লগে তো আর কিছু বলা যায় না। শুধু বলি, একটা ইন্ডিয়ান দালাল দেখলাম। এদেশটা যদি ফালতুই হবে তাহলে এদেশে কি করছেন? ইন্ডিয়া যান। X( দাদাদের সাথে গরু সেবা শুরু করেন। অথবা পাকিস্তানও যেতে পারেন। বাংলাদেশ তো ফালতু তাইনা?


৭১ এ আপনার মত দালালরাই 'উস্কানি', 'গৃহযুদ্ধ', 'গ্যাঞ্জাম' বলে পাছা দেখায়া হাটত।

১০| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৪৮

বিপরীত বাক বলেছেন: কথায় কথায় ৭১ টানা বর্তমানে একটা ম্যানিয়া হয়ে দাড়িয়েছে। যেটা কে সহজ ভাষায় বলে মানসিক অসুস্থতা।।
আমি যেগুলো নেই বলেছি সেগুলো সবি ছিল ৭১ পর্যন্ত।। এখন সেগুলোর প্রেতাত্মা আছে শুধু।। না থাকা টা বা চলে যাওয়া টা দোষের কিছু না। তবে সেটা স্বীকার না করা টা অবশ্যই কিছুটা দোষের।।

ইন্ডিয়া বিরোধিতা টা দোষের কিছু নয়। সেটাই স্বাভাবিক। পৃথিবীর বেশিরভাগ প্রতিবেশী দেশের মধ্যে কিছুটা রেষারেষি থাকে।।

সমস্যা হলো আপনাদের মত একচোখা, সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি,, স্বার্থকেন্দ্রিক চিন্তা ধারার মত মানুুষ দের নিয়ে।।

শুধু আওয়ামী লীগের ভারতপ্রীতি কে হাইলাইট করতে গিয়ে হুঁশ জ্ঞান হারিয়ে গেছে।। এটাতে ভারত বিরোধিতা টা হয়ে গেছে আওয়ামী বিরোধিতা।। পুরোটাই হাস্যকর।।

আওয়ামী লীগ তো লিখিত চুক্তিতে সই করে।। আর অন্য দলগুলো যে ক্ষমতার লোভে সাদা কাগজে সই করে রেখে এসেছে ওপারদেশে সেটা দেখেন না।?? অন্যরা যে ভারতের দিকে পাছা ফাক করে রেখে বাংলাদেশের দিকে মুখ দিয়ে ঘেউ ঘেউ করে ভারত বিরোধিতা করে সেটা আপনার একচোখা দৃষ্টি দেখতে পারে না।??

খালি শেখ হাসিনার টাই চোখে পড়ে??
খালেদা তো ভারতীয় বংশোদ্ভুত।। খালেদার মা ২০০৭-৮ এ মরার পর আসল ঠিকানা বের হয়েছে।। কবর ও দিয়েছে গিয়ে ওই ভারতের মাটিতে।। আর এরশাদ তো পয়দাই হইছে ভারতের কুচবিহারে।।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.