| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ভন্ড লোকেরা আলেম সেজে ইসলাম প্রচার করে, কিন্তু আসলে তারা মূর্খ, বিদাতী নয়তো ধর্মব্যবসায়ী ভন্ড। এই ছবিটা বিভিন্ন ইসলামের নাম করে ধোঁকাবাজ লোকেরা বিভিন্ন পেইজে প্রচার করেছে, এটা নাকি রাসূল (সাঃ) এর কবর। এটা সম্পূর্ণ বানোয়াট, মিথ্যা কথা, কবর পূজারীদের ধোঁকা। রাসুল (সাঃ) কবর পাকা করার হয়নি, যারা হজ্জ করতে গেছেন তারা সকলেই জানেন। ছবির এই কবরটি রাসুল (সাঃ) এর কবর না, এটা হল সূফি সম্রাট, বিদাতী কবি জালাল উদ্দিন রুমির কবর।
কবর পূজারিরা এই কবরকে নাবিয়ে কারিম (সাঃ) এর কবর বলে মুসলমানদেরকে ধোঁকা দিচ্ছে এবং কবর পূজার দিকে দাওয়াত দিচ্ছে। রাসুল (সাঃ) কবর পাকা করতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেনঃ জাবির (রাঃ) বলেন, “আল্লাহ্র রাসুল (সাঃ) কবর পাকা করতে, বসার স্থান হিসেবে ব্যবহার করতে এবং কবরের উপর দালান বানাতে নিষেধ করেছেন।” ছবিটার দিকে লক্ষ্য করে দেখুন, এর চারপাশে লাইট দিয়ে সাজানো। অথচ আল্লাহর রাসুল (সাঃ) এর সমস্ত কাজ যারা করবে তাদের প্রতি লানত করেছেন।
কবরের সামনে লাইট বা বাতি জ্বালানো হারাম সাব্যস্ত করে রাসূলে কারীম (সাঃ) ইরশাদ করেছেনঃ “হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর নবী (সাঃ) লানত করেছেন অধিক কবর যিয়ারতকারীনী নারীদের উপরে, এবং সেসব লোকদের উপর যারা কবরকে মসজিদ বানায় (কবরকে সেজদা করে, কবরকে কেন্দ্র করে মসজিদ বানায় বা কবরে নামায পড়ার জায়গা বানায়) এবং সেখানে বাতি জ্বালায়।”
(জামি তিরমীযীঃ ২/১৩৬)
এইরকম উঁচু পাকা কবর থাকলে রাসুল (সাঃ) সেটা ভেঙ্গে ফেলার আদেশ দিয়েছেনঃ আবুল হাইয়াজ আল আসাদী থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেনঃ আলী বিন আবু তালিব রাদিআল্লাহু আনহু আমাকে বলেন যে, “আমি কি তোমাকে সেই দায়িত্ব দিয়ে প্রেরণ করব না, যেই দায়িত্ব দিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে প্রেরণ করে ছিলেন ? তাহলো তুমি যেখানেই প্রতিমা ও ভাস্কার্য দেখবে ভেঙ্গে ফেলবে এবং যেখানেই উঁচু কবর দেখবে সেটা ভেঙ্গে মাটির সাথে সমান করে দেবে।”
(সহীহ মুসলিমঃ ২২১৫)
আশা করি, বক্তব্য পরিষ্কার। কবর পূজারীরা রাসুল (সাঃ) এর আদেশ মানেনা, বরং আমরা যদি তাদেরকে রাসুল (সাঃ) আদেশ মেনে শিরক-বেদাত ছেড়ে খাঁটি ইসলামের দিকে আসার দাওয়াত দেই উলটা গালি-গালাজ করে।
বিঃ দ্রঃ
২|
২৭ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:০৭
এম.এ.কাশেম অনিক বলেছেন: Thankyou brother .
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা নভেম্বর, ২০১৪ ভোর ৬:৩২
ইমরান আশফাক বলেছেন: সিলেটের হযরত শাহ্জালালের মাযার এবং খুলনার খান জাহান আলীর মাযার ধুলায় মিশায় দিয়ে বাংলাদেশে এই অভিযান শুরু করা যেতে পারে। আহাম্মকরা বুঝে না যে উনাদের ক্ষমতা নেই আমাদেরকে দোয়া করার বরং উনারা আমাদের দোয়ার প্রত্যাশী। একমাত্র আমাদের নবীজি ছাড়া আর কারও এবং এমনকি অন্য কোন নবীদেরও কারও জন্য সুপারিশ করার ক্ষমতা নেই।
ইসলাম মেনে চলতে হবে এবং বিদাত থেকে দূরে থাকতে হবে। পোস্টে +++++