নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি স্যার জোসেফ গোয়েলবস,হিটলারের তথ্যমন্ত্রী।

আমি জোসেফ গোয়েলবস, হিটলারের তথ্মন্ত্রী ছিলাম আগে , পুনঃজন্মের মাধ্যমে আবার এলাম পৃথিবীতে। দুনিয়ার সকল মিডিয়া দেখি আমাকে ওদের গুরু বানিয়েছে। বর্তমানে সামুতে ব্লগাই।

কায়েস_

আমি স্যার জোসেফ গোয়েলবস। হিটলারের সাবেক মন্ত্রীসভার প্রভাবশালী তথ্যমন্ত্রী। পুনঃজন্মের মাধ্যমে এখন পৃথিবীতে। আপাতত সামুতে আছি।

কায়েস_ › বিস্তারিত পোস্টঃ

১৯৭১ সালে নারীদের উপর বিভৎস যৌননির্যাতন, প্লীজ এটা এড়াবেন না।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৫:১৮

একাত্তরে পুরো ৯ মাস পাকিস্তানি সৈন্যরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে ঘটনাস্থলে, কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে বাঙালি নারীদের ধরে নিয়ে গিয়ে দিনের পর দিন আটকে রেখে ধর্ষণের যে ঘটনা ঘটিয়েছে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা গণধর্ষণ। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে বাড়ির পুরুষ সদস্য, স্বামীদের হত্যা করার পর নারীদের উপর ধর্ষণ নির্যাতন চালাতো পাকিস্তানী সৈন্যরা। ৯ থেকে শুরু করে ৭৫ বছরের বৃদ্ধা কেউই পাকিস্তানী সৈন্য বা তাদের দোসরদের হাত থেকে রক্ষা পায়নি। সুসান ব্রাউনি মিলার তার গ্রন্থের ৮৩ পাতায় উল্লেখ করেছেন, কোনো কোনো মেয়েকে পাকসেনারা এক রাতে ৮০ বারও ধর্ষণ করেছে। ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির “যুদ্ধ ও নারী” গ্রন্থ থেকে জানা যায়, এক একটি গণধর্ষণে ৮/১০ থেকে শুরু করে ১০০ জন পাকসেনাও অংশ নিয়েছে। একাত্তরের ভয়াবহ ধর্ষণ সম্পর্কে একমাত্র জবানবন্দিদানকারী সাহসিক ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী তার সাক্ষাৎকারে (একাত্তরের দুঃসহ স্মৃতি, সম্পাদনা শাহরিয়ার কবির) জানান, “রাতে ফিদাইর (উচ্চ পদস্থ পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তা) চিঠি নিয়ে ক্যাপ্টেন সুলতান, লে. কোরবান আর বেঙ্গল ট্রেডার্সও অবাঙালি মালিক ইউসুফ এরা আমাকে যশোরে নিয়ে যেত। যাওয়ার পথে গাড়ির ভেতরে তারা আমাকে ধর্ষণ করেছে। নির্মম, নৃশংস নির্যাতনের পর এক পর্যায়ে আমার বোধশক্তি লোপ পায়। ২৮ ঘন্টা সঙ্গাহীন ছিলাম”।



পাকিস্তানি সৈন্যদের ধর্ষণের বীভৎসতার ধরন সম্পর্কে পুনর্বাসন সংস্থায় ধর্ষিতাদের নিবন্ধীকরণ ও দেখাশোনার সঙ্গে যুক্ত সমাজকর্মী মালেকা খান জানান, সংস্থায় আসা ধর্ষিত নারীদের প্রায় সবারই ছিল ক্ষত-বিক্ষত যৌনাঙ্গ। বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে ছিড়ে ফেলা রক্তাক্ত যোনিপথ, দাঁত দিয়ে ছিড়ে ফেলা স্তন, বেয়োনেট দিয়ে কেটে ফেলা স্তন-উরু এবং পশ্চাৎদেশে ছুরির আঘাত নিয়ে নারীরা পুনর্বাসন কেন্দ্রে আসতো।



পাকিস্তানি সৈন্যরা আমাদের নারীদের একাত্তরে কতো বীভৎসভাবে ধর্ষণসহ যৌন নির্যাতন করেছে তার ভয়াবহতা সবচেয়ে বেশী ধরা পড়ে ১৮ ফেব্র“য়ারীর ৭৪ সালে গৃহীত রাজারবাগ পুলিশ লাইনে একাত্তরে সুইপার হিসেবে কাজ করা রাবেয়া খাতুনের বর্ণনা থেকে। প্রামান্যকরন প্রকল্পের অষ্টম খন্ডে গ্রন্থিত ঐ বর্ণনায় কয়েকটি অংশ: রাবেয়া খাতুন জানান, ‘উন্মত্ত পান্জাবি সেনারা নিরীহ বাঙালী মেয়েদের শুধুমাত্র ধর্ষণ করেই ছেড়ে দেয় নাই অনেক পশু ছোট ছোট বালিকাদের ওপর পাশবিক অত্যাচার করে ওদের অসার রক্তাক্ত দেহ বাইরে এনে দুজনে দুপা দুদিকে টেনে ধরে চড়াচড়িয়ে ছিড়ে ফেলে ছিল। পদস্থ সামরিক অফিসাররা সেই সকল মেয়েদের ওপর সম্মিলিত ধর্ষণ করতে করতে হঠাৎ একদিন তাকে ধরে ছুরি দিয়ে তার স্তন কেটে, পাছার মাংস কেটে, যোনি ও গুহ্যদ্বারের মধ্যে সম্পূর্ণ ছুরি চালিয়ে দিয়ে অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে ওরা আদন্দ উপভোগ করতো । ’ রাবেয়া খাতুনের আরেকটি বর্ণনায় জানা যায়, ‘ প্রতিদিন রাজারবাগ পুলিশলাইনের ব্যারাক থেকে এবং হেডকোয়ার্টার অফিসে ওপর তলা থেকে বহু ধর্ষিত মেয়ের ক্ষত-বিক্ষত বিকৃত লাশ ওরা পায়ে রশি বেধে নিয়ে যায় এবং সেই জায়গায় রাজধানী থেকে ধরে আনা নতুন মেয়েদের চুলের সঙ্গে বেধে ধর্ষণ আরম্ভ করে দেয়।

বাই, সাকসেস স্টোরীস (Success Stories)





১১/১১/১৯৭১

কি দেখলাম? দেখলাম, অগণিতমৃতদেহ। চক্ষু স্থির হয়ে গেল। সংযত

হলাম। ভালো করে দেখলাম। এবারদেখলাম সব লাশ মেয়েদের। উলঙ্গ

অবস্থায়। অধিকাংশই যুবতী এবং দুইতিনদিন আগের মৃতদেহবলে মনে হলো। ভালো করে নজরকরে দেখলাম, অধিকাংশ মৃত নারীরপেটে সন্তান পচনশীল অবস্থায়আছে। মৃতদেহগুলো এক স্তূপে ১০ জন ১৫ জন

করে রাখা হয়েছে।



এভাবে পাহাড়ের উপর বিভিন্নস্থানে অনেক স্তূপ করে রাখা হয়েছে।আমার সঙ্গী একজন অজ্ঞানহয়ে পড়ে গেল। আমি কোনরকমে সংজ্ঞা রেখে একে একে সবমৃতদেহ গূনে দেখলাম এক হাজারবিরাশিটি হতভাগ্য যুবতীর মৃতদেহ।এই অর্ধগলিতলাশগুলো দেখে মনে হলো অধিকাংশেরপেটে ছুরি দ্বারা আড়াআড়িভাবে আঘাতকরে বধ করা হয়েছে…



পরে জানতে পারি, এইযুবতী মেয়েদের চট্টগ্রামক্যান্টনমেন্টে পাক হানাদার

সৈন্যদের ভোগের জন্য বিভিন্নজায়গা থেকে এনে আটকরাখা হয়েছিল।এদের অধিকাংশইশিক্ষিতা ও ভদ্রঘরেরমেয়ে মনে হয়েছিল। দীর্ঘদিন আটকরাখার ফলে তারা অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় ওভোগের অযোগ্য হওয়ায়হত্যা করে অজ্ঞাত স্থানে এনে ফেলে দিয়েছে।



– - – পাহাড়তলীর হত্যাকান্ড/ এ,কে,

এম আফছার উদ্দীন ( ১৯৭১ঃ ভয়াবহ

অভিজ্ঞতা বই থেকে )

Click This Link



মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৫:২৪

বিডি ফুল বলেছেন: এদের উত্তর সূরিরাই এখন আবার দেশে ভয়াবহ ধর্ষণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে , হারামীর বাচ্ছারা এই দেশে থাকার উপযুক্ত না।

২| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৫:২৭

পুংটা বলেছেন: X(

৩| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:২২

রিফাত হোসেন বলেছেন: হাইল হিটলার্।

হীটলার কে শোওনে গ্রুইসি। ণড়কে ফুইরার কেমন আছে?
তার প্রতিদিনের ফ্রুঈওষ্টুক এ কোন ঝামেলা হএছে নাতো?

আশা করি বিধাতা তাকে ভালই নরকের আপ্যায়নে ক্রুটি কর্ছে না . :)

৪| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:২৫

রিফাত হোসেন বলেছেন: Fফুল সাহেব আমার তো মনে হয় বিহারীরা জড়িত বেশী!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.