| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৃস্টিকর্তাকে সৃস্টি করছে কে ??
আমার মনে হয়, মহান আল্লাহ্ তালার অস্তিত্ব সৃষ্টি টাইপের কনসেপ্ট এর বাইরে। কারণ মানুষ বা চিন্তা শক্তি সম্পন্ন যে সব প্রাণি সম্পর্কে আমরা জানি তাদেরকে আল্লাহ্ ইনডিভিজুয়ালি যতটুকু জ্ঞান দিয়েছেন তার বাইরে চিন্তা করার ক্ষমতা তাদের নেই। মানুষ যতই চেষ্টা করুক মানুষের চাইতে উন্নত কিছুর পর্যায়ে নিজেকে নিয়ে যেতে পারবে না। তাই এইটা ১ টা কমন সেন্স এর বিষয় যে, যে তোমার মত লেটেষ্ট মডেলের একটা জিনিস বানাইতে পারে তার উপাদান / অস্তিত্ব / সত্বা অবশ্যই তোমার চিন্তা শক্তির অনন্য।
যেমন ধরেন:
মানূষ স্মার্ট ফোনের উন্ন্য়ন ঘটাইতে ঘটাইতে একটা সময় হয়তো এমন হইবো যে স্মার্ট ফোন নিজে নিজে হাইট্যা যাইয়া নিজের পুটকিতে চার্জার লাগাইয় চার্জ হইয়া আইবো ! নিজে নিজে দোকানে গিয়া ফ্লেক্সি লোড হইয়া আইয়া কইবো উস্তাদ লন কতা কন ফ্লেক্সি লোড হইয়া আইছি ৫০ টেকার কম তাই ১ টেকা বেশি নিছে। তারো কিছুদিন পর হয়তো নিজেরা নিযেগো নস্ট পার্টস পাতি বদলাইতে পারবো। তারো কিছুদিন পরে হয়তো ওরা এতোই উন্নত হইবোযে ওগো মইধ্যেউ আম্লিগ বিম্পি জামাত হইবো তারপর ওগো মইদ্দ্যেও নাস্তিক ব্লগার / নাস্তিক হইবো এবং নিযেগো ম্ইদ্যে বলাবলি করবো আমার তো উপোরোল্লেখিত বাল ফালাইতে কুনো সমষ্যা হয়না কারন আমার প্রসেসর ৫০/কোর ৫০০০ গিগাহার্জ, RAM ২০০ টেরাবাইট তার মানে হইলো আমারে যে বানাইছে তার প্রসেসর RAM ইগ্লা মুনি হয় আমার চাইতে ২০০০০০০০০ গুন বেশি আর ইন্টেলের চাইতিও ভালা কম্পানির তাইন্যে ????
মিজাত টা তহন কিমুন লাগবিয়ানে ??? লাডি দিয় পিডায়া ডিসপ্লে ভাইঙ্গা কুটি কুটি করতে মুন্চাইবো না ????
চিন্তার কিছু নাই, খালি বুজানোর লাইগি কইলাম। আল্লাহ্ তায়ালা মাইনষের চাইতে এতই মহান যে আমরা তারে নিয়া যত উল্টা পাল্টা প্যাক প্যাক ই করি আমগো মাফ কইরা চইলা ফিরা খাইতে দেয় আলহামদুলিল্লাহ্।
১০ ই জুন, ২০১৩ সকাল ১১:৫৮
কৈশর বলেছেন: ঠিকি তো !!
২|
১০ ই জুন, ২০১৩ সকাল ১১:৩০
মূসা আলকাজেম বলেছেন: গুড পোষ্ট।
এই প্রশ্নের আরেকটু বিস্তারিত জবাব আছে এই লিংকে।
উপরের লিংকের ৪৫ নং কমেন্ট থেকে কিছু অংশ এখানে তুলে দিলাম।
আপনার আরেকটা প্রশ্ন আছে। সৃষ্টি কর্তা কে সৃষ্টি করলো কে?
প্রশ্ন হওয়ার যোগ্যতা বলতে একটা কথা আছে। ধরুন আপনি একটা বই বাধিয়েছেন। যে লোকটা বইটা বাধিয়েছেন তার নাম ধরুন মুরশেদ। এখন আপনাকে একজন প্রশ্ন করল বইটা বাধিয়েছে কে? আপনার উত্তর হবে নিশ্চই মুরশেদ। এখন আবার যদি লোকটা প্রশ্ন করে মুরশেদ কে বাধিয়েছে কে? আপনার কাছে কি কোন উত্তর আছে? নিশ্চই না। কারন কি ? কারন প্রশ্নটা ঠিক হয় নি। মুরশেদ এর ক্ষেত্রে বাধানোর প্রশ্ন টা আসে না। আসে কি। মুরশেদ কে সৃষ্টি করেছে কে? এবার উত্তর টা কি হবে। নিশ্চয়ই সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহ তা'আলা। এখন যদি প্রশ্ন করেন সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছে? তখন প্রশ্নটা কি "মুরশেদ কে বাধিয়েছে?" এ রকম হয়ে গেল না? অর্থাৎ দেখতে হবে প্রশ্ন হওয়ার যোগ্যতা আছে কি না । অর্থাৎ সৃষ্টিকর্তার ক্ষেত্রে এই প্রশ্ন টা প্রযোজ্য নয়। আর যে প্রশ্নটাই ভুল তার তো আর উত্তর পাওয়া যাওয়া সম্ভব না।
.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।।।
সর্বশেষ ৩নং জবাব এবং সবচেয়ে গোছানো জবাব নেয়া হয়েছে এই পোষ্টের ২৫ নং কমেন্ট থেকেঃ
এরপর একটা প্রশ্ন এসেছে যে, স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করলো? তিনি কোথা থেকে আসলেন? এই প্রশ্নের জবাব তিন ভাগে দিচ্ছি। একটু মনোযোগ দিন প্লীজ।
১- প্রথম কথা হলো, এটা একটা বাড়তি প্রশ্ন। স্রষ্টার অস্তিত্বতো আগে দেখানো যুক্তির আলোকেই প্রমাণিত হয়ে গেছে। তার অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়ে যাবার পর তার সম্পর্কে বাড়তি অনেক কিছুই জানার থাকতে পারে। যেমন তারও কোন স্রষ্টা আছে কিনা? তিনি ঘুমান কিনা? তিনি কি খাবার খান কিনা? ইত্যাদি । কিন্তু এসব বাড়তি কোন প্রশ্নের উত্তর যদি আমরা না পাই, তার মানে কিন্তু এই না যে, তিনি নাই। তার অস্তিত্বতো আগের যুক্তির আলোকেই প্রমাণিত হয়ে গেছে। সেই যুক্তি খণ্ডন না করলে তার অস্তিত্ব অপ্রমাণিত হবেনা। এইসব বাড়তি প্রশ্নের উত্তর জানতে পারলে ভালো, না জানলেও কোন ক্ষতি নেই; তার অস্তিত্ব প্রমাণিতই থাকবে।
২- দ্বিতীয় কথা হলো, স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করলো, এই প্রশ্নের মাঝে একটা ফাঁক আছে।সেটা হলো প্রশ্নকারী বিনা প্রমাণে আগেই ধরে নিয়েছে যে, স্রষ্টাকে সৃষ্টি করা হয়েছে; তিনি একসময় ছিলেননা। যেমন নাকি আপনি যদি জিজ্ঞাসা করেন যে, স্রষ্টা কি খান? এর মানে হলো, আপনি আগেই বিনা প্রমাণে ধরে নিয়েছেন যে স্রষ্টার খেতে হয়। আবার আপনি যদি জিজ্ঞাসা করেন যে, স্রষ্টার সন্তান কয়জন? এর মানে হলো, আপনি আগেই বিনা প্রমাণে ধরে নিয়েছেন যে, স্রষ্টার সন্তান আছে। অথচ এরকম বিনা প্রমাণে কিছু ধরে নিয়ে, তার উপর ভিত্তি করে প্রশ্ন করা একেবারেই অযৌক্তিক। যেমন নাকি কেউ পরীক্ষাই দেয়নি, অথচ আপনি তাকে জিজ্ঞাসা করছেন পরীক্ষাতে কত পেয়েছো।
তাই স্রষ্টার অস্তিত্ব প্রমাণিত হবার পর, তাকে কে সৃষ্টি করলো এই প্রশ্ন করার আগে আপনাকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে, তিনি একসময় ছিলেন না, তাকে পরে সৃষ্টি করা হয়েছে। এটা প্রমাণ না করে তাকে কে সৃষ্টি করলো, এই প্রশ্ন করা একেবারেই অযৌক্তিক। যেমন নাকি আমরা আগে প্রমাণ করেছি যে, এই মহাবিশ্ব একসময় ছিলোনা, পরে অস্তিত্বে এসেছে।
৩- তৃতীয় কথা হলো, নাস্তিকরা যেহেতু এটা কখনোই প্রমাণ করতে পারবে না এবং সম্ভবও নয় যে, স্রষ্টার শুরু আছে ; তাই পোষ্টদাতা নিজেই আগে বেড়ে উল্টো প্রমাণ করেছেন যে, স্রষ্টার কোন সৃষ্টিকর্তা থাকা সম্ভব নয়। কেননা স্রষ্টারও যদি কোন সৃষ্টিকর্তা থাকে তাহলেতো সেই সৃষ্টিকর্তারও আরেকজন স্রষ্টা লাগবে। আবার তারও আরেকজন লাগবে। এভাবে চলতেই থাকবে পিছনের দিকে অসীম ধারা। অথচ এটা অসম্ভব, বর্তমানে বিদ্যমান এমন কোন কিছুর পিছনের দিকে কোন অসীম ধারা থাকতে পারেনা। তাহলেতো বর্তমানে বিদ্যমান বস্তুটির অস্তিত্বে আসার পালা বা সুযোগই কখনো আসতোনা। যেমন ধরেন এই মহাবিশ্ব হলো X, তার স্রষ্টা হলো A, আবার A এর স্রষ্টা হলো B, আবার B এর স্রষ্টা হলো C এভাবে অসীম ধারা চলা অসম্ভব। অবশ্যই এক জায়গায় থামতে হবে, যার কোন স্রষ্টা নেই, যার কোন শুরু নেই। এটা বুঝার জন্য কিছু উপমা দিচ্ছি । মনযোগ দিয়ে পড়ুন। ধরুন, আপনি বাসে উঠার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন, আপনার সামনে যদি ৫০০জন থাকে, তাহলে আপনি ৫০০জনের পরে বাসে উঠার চান্স পাবেন। যদি আপনার সামনে ১০০০ জন থাকে তাহলে আপনি ১০০০জনের পরে বাসে উঠতে পারবেন। কিন্তু যদি আপনার সামনে অসীম সংখ্যক লোকের লাইন থাকে , তাহলে কি আপনার বাসে উঠার পালা কখনো আসবে? না, কখনো আসবে না। কেননা , অসীম সংখ্যক লোকেরও বাসে উঠা শেষ হবেনা, আর আপনারও বাসে উঠার পালা কখনোই আসবেনা। এবার উল্টাভাবে চিন্তা করুন। ধরুন, একটা লোক তার সামনের লোকদের বাসে উঠার পরে সে বাসে উঠেছে। এখন এই লোকটা কত জনের পর উঠেছে? যত জনের পরেই উঠুকনা কেন, সেটার অবশ্যই একটা সীমা আছে। একথা বলা যাবেনা যে, সে অসীম সংখ্যক লোকের পর বাসে উঠেছে। কেননা তার সামনে যদি অসীম সংখ্যক লোকই থাকতো, তাহলেতো সেই অসীম সংখ্যক লোকেরও কোনদিন বাসে উঠা শেষ হতোনা, আর তারও কোনদিন বাসে উঠার পালা আসতনা। কিন্তু যেহেতু তার পালা এসেই গেছে, বাসে যেহেতু সে উঠেই গেছে; এটাই অকাট্য প্রমাণ যে সে সসীম ও নির্দিষ্টসংখ্যক কিছু লোকের পর বাসে উঠেছে। ঠিক তেমনি এই মহাবিশ্ব যেহেতু অস্তিত্বে এসেই গেছে, এটাই অকাট্য প্রমাণ যে এই মহাবিশ্বের অস্তিত্বের পিছনে কারণের কোন অসীম লাইন নেই । বরং শুরুতে এমন একজন স্রষ্টা আছেন যার পিছনে আর কোন স্রষ্টা নেই। সহজ করে বুঝাতে চেষ্টা করলাম, কিন্তু পারলামনা মনে হয়। যাক আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে বুঝার তওফিক দান করুন । আমীন।
১০ ই জুন, ২০১৩ সকাল ১১:৫৯
কৈশর বলেছেন: ধন্যবাদ
৩|
১০ ই জুন, ২০১৩ সকাল ১১:৩৪
মূসা আলকাজেম বলেছেন: মহাবিশ্বের শুরু এবং স্রষ্টার অস্তিত্বের অকাট্য প্রমাণ।
আল্লাহ্র অস্তিত্বঃ আস্তিক ও নাস্তিকের যুক্তিতর্কঃ আমার উপলব্ধি -৩
৪|
১০ ই জুন, ২০১৩ সকাল ১১:৪৮
নিয়েল হিমু বলেছেন: সরল মনে সহজ ভাবে বলছেন ভাল । কিন্তু ভাষাটা আরো সহজ করতে পারতেন । ভার টাইপ হয়ে গেছে ।
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই জুন, ২০১৩ সকাল ১০:৩৩
জাহি বলেছেন: স্মার্ট ফোন নিজে নিজে হাইট্যা যাইয়া নিজের পুটকিতে চার্জার লাগাইয় চার্জ হইয়া আইবো !