নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পুষে রাখে যেমন ঝিনুক খোলসের আবরনে মুক্তোর সুখ, তেমনি তোমার নিবিড় ছোঁয়া ভিতরের এই বন্দরে

কথার ফুলঝুরি!

ও আমার চাঁদের আলো, আজ ফাগুনের সন্ধ্যাকালে ধরা দিয়েছ যে আমার পাতায় পাতায় ডালে ডালে॥

কথার ফুলঝুরি! › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিয়ের জন্য মেয়ে দেখা |-) (ছোট গল্প)

২৭ শে জুন, ২০১৮ রাত ১১:২২



আজকে সকাল থেকেই সুমার মনটা খুব বিষিয়ে আছে। কলেজ থেকে আজকে সবাই পিকনিকে যাচ্ছে নুহাশ পল্লী তে । বন্ধু বান্ধবী সবাই মিলে অনেক পরিকল্পনা করে শেষ মুহূর্তে এসে সুমাকে সেটা বাতিল করতে হল। জায়গা টি তে অনেকদিন থেকেই খুব যাওয়ার ইচ্ছে কিন্তু যাওয়া হচ্ছিল না, শেষ পর্যন্ত যখন সুযোগ হল তাও আবার কলেজ থেকে পিকনিকে, সেটি কিনা বাতিল করতে হল ?
কিন্তু তাও কেন ? দেখতে আসবে তাকে আজকে। না সুমা অসুস্থ বলে কেউ তাকে দেখতে আসছেনা কিংবা গরুর মত সুমার দুইটা শিং ও গজায়নি যে সবাই তাকে দেখতে আসবে।

কিন্তু তারপরেও হাটে গরু ছাগল কেনার মত কিংবা বাজার থেকে কোন পণ্য কেনার মত যাচাই বাছাই করতে তাকে আজকে দেখতে আসবে ছেলেপক্ষ।

ছেলে আমেরিকাতে থাকে। খুব অল্প সময়ের জন্য দেশে এসেছে বিয়ে করতে। বিয়ে করে কিছুদিন পরেই চলে যাবে আবার। তারপর কাগজপত্র ঠিকঠাক করে বউ নিয়ে যাবে সেখানে।

সুমার এক চাচী প্রস্তাব টি এনেছে। ছেলে নাকি দেখতে রাজপুত্র আর লাখে একটা। চাচী যেভাবে ছেলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ যেন এমন ছেলে দুনিয়াতে একটাই। আর সুমা যেন বন্যার পানিতে ভেসে এসেছে।

প্রথমে শুক্রবারে ডেট ঠিক করা হয়েছিল কিন্তু ওইদিন নাকি তাদের আরেক জায়গায় মেয়ে দেখতে যাওয়ার কথা। তাই আজ ই আসতে হল। ঘুরে ফিরে পিকনিক এর দিন টা তেই ?

সুমার মা গতকাল থেকে রান্নাঘরেই পরে আছে। পোলাও, রোষ্ট, গরুর মাংস, খাসীর মাংস, মাছ ভাজা, সবজি, পায়েশ, সেমাই এসব ভালো ভালো খাবারের গন্ধে ঘর ভরে গিয়েছে।

আর বাবার তো চেহারাই দেখতে পাচ্ছেনা ঠিকমত। বেচারা একবার এটার জন্য দোকানে যাচ্ছে আরেকবার ওটার জন্য। আর সুমার চাচা-চাচী ও ফুপা-ফুপি দের খোঁজ খবর নিচ্ছে কে কখন আসছে।

আর বেচারি ছোট বোন কাজের মেয়ে টা কে নিয়ে ঘরের কোথায় ধুলো বালি আছে তা ধংস করার অভিযানে নেমেছে।

সুমার মা রান্নার ফাঁকে ফাঁকে এসে সুমার খোঁজ খবর নিয়ে যাচ্ছে। সুমা শাওয়ার নিল কিনা, উপ্টান লাগাল কিনা। গতকাল ১৫০০ টাকা দিয়ে ফারজানা শাকিল পার্লার থেকে হোয়াইট নিং ফেসিয়াল করিয়ে এনেছে মেয়েকে। মেয়ের গায়ের রঙ টা একটু চাপা বলে আগে অনেকগুলো ভালো ভালো ছেলে হাতছাড়া হয়ে গিয়েছে। এবারের টা কোনমতেই হাতছাড়া হতে দেওয়া যাবেনা।
আমেরিকার ছেলে বলে কথা।

বাসার এই দৃশ্য আজকেই প্রথম না। কলেজে উঠার পর থেকেই দু এক মাস পর পরই এমন হচ্ছে। প্রথম প্রথম খুব ই বিরক্ত লাগত সুমার। বিয়ে হবে কি হবেনা তার কোন ঠিক ঠিকানা নেই অথচ ছেলেপক্ষ দেখতে আসবে এই উপলক্ষে বাবা মা আর বোনটা খেঁটে মরে আর এত শাহী খানাপিনার আয়োজন করতে গিয়ে বাবা মা এর এতগুলো টাকা খরচ করতে হয়।

সবচেয়ে বড় কথা সুমার নিজেকে তখন কোরবানির হাটের গরু ছাগল মনে হয়। কোরবানির গরুগুলো কে ও যেমন কোরবানির আগে খাইয়ে দাইয়ে মোটা তাজা করে, চকচকে করে বিক্রির জন্য হাটে নিয়ে আসা হয় তেমনি এই বিয়ে এবং পাত্রপক্ষ দেখতে আসার হলে সুমার ও এক ই অবস্থা হয়।

খাওয়া দাওয়া কর, মোটা তাজা হও, তারপর সাজগোজ করে পাত্রপক্ষের সামনে হাজির হও।
যে ক্রেতা বেশী দাম বলবে বিক্রেতা যেমন তার কাছে গরু বিক্রি করে বাবা মা ও তেমনি যে ছেলের আয় রোজগার বেশী এমন ছেলের কাছে মেয়ে বিয়ে দিতে চায়।
আর ছেলেপক্ষ, মানে ক্রেতা, যে মেয়ে দেখতে বেশী সুন্দর আর মোটা তাজা তাকেই নির্বাচন করে বিয়ের জন্য।

গরু আর সুমার মধ্যে পার্থক্য শুধু একটাই, গরু মাথায় ঘোমটা দেয়না আর সুমা মাথায় ঘোমটা দেয়।

একটা বিষয় সুমা বোঝে না। বিয়ের বয়স হওয়ার পর থেকেই চাচী আর পাশের বাড়ির আন্টি গুলো দেখলেই বলে "এত শুকনা কেন? খাওয়া দাওয়া করোনা? শাশুড়ি তো পছন্দ করবেনা, জামাই ছেড়ে দিবে" আরও কত কি।

কোথায় বলবে, স্বভাব চরিত্র ভালো কর, গুণবতী হও, আচার আচরন ভালো কর তা না, দেখা হলেই এত শুকনা কেন? আরে বাবা, বিয়ে করবে নাকি গরু ছাগল কিনবে যে মোটা তাজা হতে হবে।

সুমার চাচী আসলো বিকেল ৩ টার পর। এসেই প্রথমে ঢুকল সুমার ঘরে। মা এর মত সে ও সুমার রূপচর্চার খোঁজ খবর নিতে লাগলো। সুমা একটা সবুজ রঙ এর জামা পরবে বলে বের করে রেখেছিল। সেটি দেখেই তো চাচীর চোখ বড় বড়।

"ও মা! তুমি সালোয়ার কামিজ পরবে? তা ও আবার সবুজ রঙ এর। তোমার গায়ের রঙ এর সাথে তো এই রঙ টি ঠিক যাচ্ছেনা। আর ও কালো দেখাবে তোমাকে। ভালো কোন শাড়ি নেই তোমার? "

সুমা বলল "চাচী, আমার তো শাড়ি পরার অভ্যাস নেই। আর তেমন কোন শাড়ি ও নেই আমার"

চাচী বলল "শাড়ি আমি এনে দিচ্ছি। কিন্তু সালোয়ার কামিজ পরা চলবে না। ছেলের মা পুরনো আমলের মানুষ। শাড়ি ই পরতে হবে"
চাচীর কথায় অনিচ্ছা সত্ত্বেও সুমা কে শাড়ি পরতে হল।

বিকেলের দিকে আসলো ফুপি। তিনি রান্নাঘর আর ডাইনিং টা দেখে সুমার ঘরে ঢুকল। সুমার শাড়ি টা দেখে কেমন কেমন করতে লাগলো। শাড়িটা ঠিক পছন্দ হয়নি ফুপির। সুমা ভয় পাচ্ছিলো, এই বুঝি ফুপি বলে বসে যে এই শাড়ি চলবে না, অন্য শাড়ি পরতে হবে।

সন্ধ্যার আগে সব মুরব্বীরা হাজির। এবার অপেক্ষা সেই কাঙ্ক্ষিত পাত্রপক্ষের জন্য।
মাগরিব এর পর তারা আসলো। আধা ঘণ্টা পর সুমার ডাক পরল।

বিশাল এক ঘোমটা দিয়ে সুমা হাজির হল তাদের সামনে। তার পাশে পাশে ছোট বোন টা ও যাচ্ছিল। সুমার চাচী ওমনি বলে উঠল "তুমি কোথায় যাচ্ছ? বড় আপু কে দেখতে আসলে তুমি কখন ও সামনে যাবেনা"
কথা টা শুনে সুমা ও তার বোন দুজনের ই মন খারাপ হয়ে গেল।

সুমা সোফায় বসে আছে মাথা নিচু করে। সামনে থেকে একটার পর একটা প্রশ্নের তীর ছুটে আসছে।
"তোমার নাম কি? কোথায় পড়াশোনা কর? তোমরা কয় ভাই বোন? তোমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি? বিয়ের পর কি চাকরী করার ইচ্ছা আছে? "
সব ই সুমার পরিচিত প্রশ্ন। প্রতিবার ই এসব কমন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় সুমা কে, আর সুমাও রোবটের মত একটার পর একটা প্রশ্নের জবাব দিয়ে যায়।

কিছুক্ষণ পর ছেলের মা বলে উঠল "মামনি, তোমার ঘোমটার জন্য তো চুল দেখা যাচ্ছেনা ভালো মত। চুল কি ছোট নাকি বড়? "
সুমা ভয় পেয়ে গেল। ও মা! এখন কি আবার সবার সামনে চুল খুলে দেখাতে হবে নাকি।

ছেলের এক ভাতিজা এসেছে সাথে। সে তার ট্যাব দিয়ে এই বিচিত্র দৃশ্য ভিডিও করছে। সেটি দেখে সুমার আরও মেজাজ খারাপ হয়ে গেল।

এসবের মাঝেই সুমা চট করে ছেলের দিকে একবার তাকিয়ে নিল। ঠিক ওই সময়েই ছেলের চোখে চোখ পরে গেল সুমার। সুমা ও ছেলে দুজনেই লজ্জা পেয়ে চোখ নামিয়ে নিল।

আরও ১০-১৫ মিনিট ইন্টার্ভিউ চলার পর আসলো সবচেয়ে বিরক্তির আর লজ্জার সেই মুহূর্ত ।
কথাবার্তা শেষ করে সুমা উঠতে যাবে এমন সময়ে ছেলের মা সুমার হাতে ১ হাজার টাকার দুটি চকচকে নোট গুজে দিল। সুমা নিতে চাইল না কিন্তু বরাবর ই অনিচ্ছা সত্ত্বেও নিতে হয় আর তখন আরও বেশী লজ্জায় সুমার মাথা নিচু হয়ে আসে।

সুমা ভেবে পায়না ঠিক কোথা থেকে বিয়ের জন্য মেয়ে দেখতে আসলে মেয়ের হাতে টাকা দেয়ার এই প্রচলন টা শুরু হয়েছে। আর দেয় ই বা কেন? মেয়েরা কি চিড়িয়াখানার জন্তু জানোয়ার যে তাদের কে দেখতে হলে টাকা দিতে হবে টিকিট কাটার মত?

কথা বার্তা ও খাবারের পর্ব শেষ করার পর ছেলেপক্ষ বিদায় নিল।

সুমার ছেলে টা কে খারাপ লাগেনি। যদিও এই একবার এক ঝলক দেখে সারা টা জীবন এর জন্য একজন যোগ্য সঙ্গী খোঁজা ও পুরোপুরি অপরিচিত একজন মানুষের সাথে বিয়ের মত একটা সম্পর্কে জড়ানো সুমার কাছে কেমন অযৌক্তিক লাগে কিন্তু কি আর করার। আমাদের ঐতিহ্যটাই তো এমন।

দুইদিন চলে গেল। কিন্তু কোন খবর এখন ও সুমা জানতে পারলো না। রাতে যখন মা বাবা কথা বলে সুমা পাশের ঘর থেকে কান পেতে থাকে যদি কোন পজিটিভ খবর পায়। ছেলেটিকে সুমার ভালো লেগেছে। তাই সুমা মনে মনে চাইছে ওপাশ থেকে যেন কোন পজিটিভ খবর আসে।

৪-৫ দিন পর সুমার মা খুব মন খারাপ করে বলল, ছেলেপক্ষ সুমা কে পছন্দ করেছে কিন্তু দুইদিন আগেই সুমার চাচী জানতে পারে ছেলে আমেরিকা তে একটা বিয়ে করেছিল কিন্তু সেই বিয়ে ভেঙ্গে গিয়েছে। ছেলের নাকি স্বভাব ভালো না। কিন্তু আসলেই কি ধরনের ভালো না তা জানতে পারেনি।
এতদিন পর একটা ছেলে পক্ষ মেয়ে টা কে পছন্দ করল আর সেখানে কিনা ছেলেই ভালো না।

বিয়েটা হচ্ছেনা জেনে সুমার মনটা খারাপ হয়ে গেল। ছেলেটাকে তার কেন জানি ভালো মনে হয়েছিল। কিন্তু সে কিনা মিথ্যাবাদী? আর সাথে সাথেই সুমার মনে হল, তাহলে এইবার ই তো শেষ নয়, আবার ও না জানি কতবার সুমাকে ওইরকম সং মেখে আজব এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে। আর এই ছেলের মত অন্য ছেলে ও যদি এমন কিছু লুকায়? কাকে বিশ্বাস করবে সুমা?

সুমা অনার্স ২য় বর্ষে পড়ে। তার আসে পাশে কোন ছেলে যে তাকে পছন্দ করেনি তা নয়। কিন্তু সুমার আবেগ আর মায়া অনেক বেশী। যদি কোন ছেলে কে ভালবেসে ফেলে আর সেখানে বিয়ে নিয়ে পরিবার এর মধ্যে কোন সমস্যা হয় কিংবা ছেলে টা যদি তাকে ধোঁকা দেয় তখন সুমা যে কষ্ট পাবে তার চেয়ে পরিবার যেখানে বিয়ে দিবে সেটাই তো ভালো। কিন্তু সেখানে ও এই মিথ্যা?

সুমা বসে বসে ভাবতে থাকে, কোথায় আর কার কাছে গিয়ে পরবে সে। আর কাকেই বা বিশ্বাস করবে।

বিঃ দ্রঃ গল্প লেখার কোন অভ্যাস নেই। আমি লেখক নই। সামু তে এসে লেখা শিখছি :P এটা আমার লেখা প্রথম গল্প। তবে গল্প লিখলাম না কি লিখলাম আর কেমন লিখলাম তা আমার পাঠক বন্ধু রা ভালো বলতে পারবে। যারা লেখা টি পড়বে তাদের সুচিন্তিত মতামত আশা করছি। কারও যদি ভালো না ও লাগে সেটা ও জানতে চাই। যেন পরের লেখা গুলো তে নিজেকে শুধরে নিতে পারি।

(গল্পের বিষয়বস্তু টা অনেক কমন। প্রতি টি মেয়ের জীবনেই এমন অভিজ্ঞতা থাকে। গল্প হলেও আমার এ লেখাটির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিয়ের জন্য মেয়ে দেখা এবং এটিকে কেন্দ্র করে একটা মেয়ের মনের ভাবনা আর তাঁকে যে বিরক্তিকর একটি পরিস্থিতি তে পরতে হয় সেটি কে তুলে ধরা। তাই বিয়ের জন্য মেয়ে দেখা নিয়ে আমাদের সমাজ ও পরিবারের সব কমন বিষয়গুলোকেই আমি আমার লেখায় নিয়ে এসেছি)


মন্তব্য ৩৮ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৩৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে জুন, ২০১৮ রাত ১১:৩০

সূচরিতা সেন বলেছেন: সুন্দর গল্প ভালো লাগল। তবে কিছু কিছু স্থানে টাইপ মিশিং যেমন
সুমা বসে বসে ভাবতে থাকে, কোথায় আর কার কাছে গিয়ে পরবে সে। আর কাকেই বা বিশ্বাস করবে। এরকম
দেখে দেখে একটু ঠিক করে নিন।

২৭ শে জুন, ২০১৮ রাত ১১:৩৭

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: সূচরিতা সেন আপু, আপনাকে আজ প্রথম পেলাম আমার লেখায়। ভালো লাগলো আপনাকে পেয়ে। এমন বন্ধু খুজে পাওয়া কঠিন যে কিনা নির্দ্বিধায় শুধরে দেয়।
অনেক ধন্যবাদ আপু।

২| ২৭ শে জুন, ২০১৮ রাত ১১:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার লেখা গল্প খুব মন দিয়ে পড়লাম।
এরকম গল্প কয়েক লাখ লেখা হয়েছে। গল্পে নতুন কিছু পেলাম না।
যুগ যুগ ধরে সুমারা এভাবেই চলছে।

এরকম ঘটনা নিয়ে অসংখ্য নাটক হয়েছে, সিনেমা হয়েছে। গল্প উপন্যাস লেখা হয়েছে।

তবে যে সমস্ত পুরুষেরা এভাবে বিয়ে করে তাদেরকে আমার ছোটলোক বলে মনে হয়।

২৭ শে জুন, ২০১৮ রাত ১১:৪৫

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: হা ভাইয়া, পরিচিত প্লট এর পরিচিত লেখা :P তবে আমার আসল উদ্দেশ্য ছিল গল্পের মাধ্যমে মেয়ে দেখার মত এমন একটি অদ্ভুত পরিস্থিতি টা কে তুলে ধরা ।
প্রথম প্রথম তো :P

৩| ২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ১২:০৩

শামচুল হক বলেছেন: চমৎকার গল্প। ধন্যবাদ

২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১০:১৪

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: গল্প পড়া ও মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ শামচুল হক ভাইয়া।

৪| ২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ২:৩৩

:):):)(:(:(:হাসু মামা বলেছেন: ভালো ভালো লেখা পোস্ট করুন। গল্প কবিতা না পরলে রাজনীতি নিয়ে লেখুন।

২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১০:১৬

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: "ভালো ভালো লেখা পোস্ট করুন" চেষ্টা করি ভাইয়া বাকি টা পাঠক বলতে পারবে তাদের কাছে ভালো লাগে কি লাগেনা ।

"গল্প কবিতা না পরলে রাজনীতি নিয়ে লেখুন" আমার যে রাজনীতি বিষয় টা ভালো একদম ই ভালো লাগেনা ভাইয়া।

৫| ২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ২:৪৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: গরু আর সুমার মধ্যে একটাই পার্থক্য সুমা মাথায় ঘোমটা দেয় কিন্তু গরু দেয় না। গল্পের এ লাইনটি সবচেয়ে ভাল লেগেছে। গল্প লেখায় এটাই যে আপনার প্রথম প্রচেষ্টা তা পড়তে পড়তে বুঝতে পেরেছি। আমাদের সমাজের একর্টি অতি পরিচিত প্লট নিয়ে লেখা বাস্তব ঘটনা এগুলো।

আমি বলবো না, এরকম অনেকেই তো লেখেছেন। এমন অনেক সিনেমা, নাটক আছে। কারণ, প্রথম লেখাগুলো পরিচিত প্লট থেকে লেখেন। লেখার একেবারে শুরুতে নতুন প্লট নিয়ে লেখা অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব নয়। নতুন লেখকরা পরিচিত প্লট নিয়ে লেখে লেখে হাত পাকান। একটা সময় নিজে থেকেই নতুন কিছু লেখতে উদ্যোগী হন। সাহস ও যোগ্যতা হয়।

আপনি লেখতে থাকুন। থেমে থাকলে চলবে না। নতুন হিসাবে এ গল্পটিতে আমি এ+ দিলাম। যত লেখবেন লেখার মান তত ভাল হবে। গল্পে লাইক B-) B-) দিলাম। ভবিষ্যতের জন্য শুভ কামনা রইলো।

২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১০:২৬

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: চমৎকার মন্তব্য এর জন্য অনেক ধন্যবাদ প্রিয় কাওসার ভাইয়া।
আসলে ভাইয়া, গল্প হলেও আমার এ লেখাটির মূল উদ্দেশ্য ছিল বিয়ের জন্য মেয়ে দেখা এবং এটিকে কেন্দ্র করে একটা মেয়ের মনের ভাবনা আর তাঁকে যে বিরক্তিকর একটি পরিস্থিতি তে পরতে হয় সেটি কে তুলে ধরা।
তাই এই বিষয় টি কে ঘিরে সব কমন কমন বিষয় গুলোই আমি নিয়ে এসেছি লেখায়। যেমন, বড় বোন কে দেখতে আসলে ছোট বোন কে সামনে যেতে না দেওয়া, মেয়েদের বিয়ের বয়স হলে খালা চাচী দের কাছে থেকে অমূলক মন্তব্য আসা, আর ইদানিং দেখতে আসলে সাথে আসা বাচ্চা গুলো সেই দৃশ্য ভিডিও ও করে, এই বিষয় গুলোই আমি নিয়ে আসতে চেয়েছি লেখায়। একটি গল্পের মাধ্যমে আমাদের অতি পরিচিত কিন্তু একটি মেয়ের জন্য খুব ই বিরক্তিকর এই বিষয় টা কে তুলে ধরাই ছিল আমার এই লেখার উদ্দেশ্য।

৬| ২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৩:০৫

দরজার ওপাশে আমি বলেছেন: অলরেডি দামী ব্লগাররা আপনাকে সাজেশন দিয়ে গেছে আর আমি মন্তব্য করছি আপনাকে সাহস দেওয়ার জন্য । কাওসার সাহেব ভাল বলেছেন । আপনি চেষ্টা করেছেন , নিশ্চয় একদিন অনেক ভাল জমজমাট গল্প লিখবেন আশা করি । ভালো থাকবেন

২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১০:২৮

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: "অলরেডি দামী ব্লগাররা আপনাকে সাজেশন দিয়ে গেছে আর আমি মন্তব্য করছি আপনাকে সাহস দেওয়ার জন্য" আপনার কোন সাজেশন থাকলে ও দিতে পারেন ভাইয়া। আপনাদের সাজেশন অনুসরন করলেই না পরের লেখা গুলো ভালো হবে আরও।

৭| ২৮ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৪:৩০

জহিরুল ইসলাম সেতু বলেছেন: শুরু করেছেন, শেষ তো নয়?

সুমারা যেদিন নিজের পায়ে দাঁড়াবে, পাত্রপক্ষের প্রশ্নের জবাবের পাশাপাশি পাত্রকেও সাহস করে প্রশ্ন করবে, জীবনটার ভার অন্যের ছেড়ে না দিয়ে নিজের উপর নিতে শিখবে, সেদিনই সুমাদের মুক্তি।

লিখে যান, একসময় আরো সুন্দর লিখবেন। তবে গল্প পড়াটা যদি বাড়ান, নিজেই সমৃদ্ধ হবেন। লিখবেনও ভাল। শুভ কামনা আপনার জন্য।

২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১০:৩১

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: "শুরু করেছেন, শেষ তো নয়?" হাহা! সব গল্পের ই তো শেষ আছে ভাইয়া। তবে আমার এ লেখার যে উদ্দেশ্য টা ছিল তা এই পর্যন্তই সীমাবদ্ধ।
তবে লেখার শেষে লেখাটি লেখার উদ্দেশ্য টা একটু লেখা উচিত ছিল বলে মনে হচ্ছে, তাহলে পাঠকদের বুঝতে সুবিধা হতো যে অতি কমন একটা বিষয় নিয়ে আমি কেন গল্প লিখেছি।

৮| ২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ৯:৪৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভ সকাল আপু। প্রথম গল্প হলেও আমার ভালো লেগেছে। কিছু টাইপোর দিকে একটু লক্ষ্য দেবেন। সহব্লগার অনেকেই ইতিমধ্যে পরামর্শ দিয়েছে। সেটা খেয়াল করুন, আর আরও লিখুন।


শুভ কামনা জানবেন।

২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১০:৩৪

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: আপনাকে ও শুভ সকাল পদাতিক ভাইয়া। গল্প ভালো লেগেছে জেনে আমার ও ভালো লাগল ভাইয়া।

"টাইপোর দিকে একটু লক্ষ্য দেবেন" জী ভাইয়া, তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে কিছু ভুল হয়ে গিয়েছে। পরের বার অবশ্যই খেয়াল রাখব।

আসলে ভাইয়া, গল্প হলেও আমার এ লেখাটির মূল উদ্দেশ্য ছিল বিয়ের জন্য মেয়ে দেখা এবং এটিকে কেন্দ্র করে একটা মেয়ের মনের ভাবনা আর তাঁকে যে বিরক্তিকর একটি পরিস্থিতি তে পরতে হয় সেটি কে তুলে ধরা।

৯| ২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১১:৩৭

সিগন্যাস বলেছেন: আমার মেয়ে দেখার বিষয়ে কোন অভিজ্ঞতা নাই :) :) :)

আমার মনে হয় একমাত্র এইদেশেই মেয়েদেরকে বিয়ের নামে বিক্রি করা হয়।গ্রামের স্কুলে পড়ার সময় ক্লাস নাইনের এক আপুর সাথে পরিচয় হয়েছিল।উনার মেধা,বুদ্ধিমত্তা দেখে ভয়ানক মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।নিশ্চিতভাবেই ঐ আপুটা অনেক বড় কিছু হতে পারতো।কিন্তু কয়েকদিন পরেই আপুটার বিয়ে হয়ে যায়।পরে লজ্জায় কখনো স্কুলে আসেনি।
এই গল্পটা খুবই সুন্দর হয়েছে।অনেক চিন্তা করে লিখেছেন বোঝায় যাচ্ছে।আপনার জন্য এতোগুলো শুভকামনা

২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১১:৫২

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: 'আমার মেয়ে দেখার বিষয়ে কোন অভিজ্ঞতা নাই" তাতে কি । অভিজ্ঞতা হয়ে যাবে :P যাকে দেখতে আসে তার অভিজ্ঞতা জঘন্য হলেও যারা বা যে ছেলে, মেয়ে দেখতে আসে তার অভিজ্ঞতা মনে হয় খারাপ হয়না। কত কত মজার মজার খাবার খাওয়া যায় =p~

"ক্লাস নাইনের এক আপুর সাথে পরিচয় হয়েছিল।উনার মেধা,বুদ্ধিমত্তা দেখে ভয়ানক মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।নিশ্চিতভাবেই ঐ আপুটা অনেক বড় কিছু হতে পারতো।কিন্তু কয়েকদিন পরেই আপুটার বিয়ে হয়ে যায়।পরে লজ্জায় কখনো স্কুলে আসেনি' হা , আমার নিজের ও স্কুল জীবনের এমন অনেক বান্ধবী আছে।

"এই গল্পটা খুবই সুন্দর হয়েছে।অনেক চিন্তা করে লিখেছেন বোঝায় যাচ্ছে" যদি আসলেই ভালো লেগে থাকে খুব খুশী হব আর যদি আপুর মন খারাপ হবে বলে ভালো বলে থাকেন তাহলে বলব ভালো না লাগলে ও আমি সেটি জানতে চাই যেন ভুল টা শুধরে পরের লেখাগুলো আরও ভালো করতে পারি :P
আসলে গল্প টা অনেক কমন, তেমন বিশেষ কিছু নেই কিন্তু আমার লেখার উদ্দেশ্য বিচার করলে হয়তো খারাপ না । হাহা :P

১০| ২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১১:৪৬

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন:
নানী গো

জীবনে কোন মেয়ে দেখবার যাই নাই :P বিয়ে তো দূরের কথা।মনে হয় আমার বিয়ে ফুল ফুটার আগেই তা ছাগল খেয়েছে নিয়েছে। :( ;) গল্প ভালো লিখেছেন।

২৮ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:০৬

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: "জীবনে কোন মেয়ে দেখবার যাই নাই" হাহা! অভিজ্ঞতা নেই তাতে কি ? অভিজ্ঞতা হতে কতক্ষণ :P আর নিজের জন্য না হলেও বড় ভাই দের জন্য মেয়ে দেখতে গেলে তখন না হয় কিছুটা অভিজ্ঞতা নিয়ে নেয়া গেল =p~

"মনে হয় আমার বিয়ে ফুল ফুটার আগেই তা ছাগল খেয়েছে নিয়েছে" হাহাহা! আর আমার বিয়ের ফুল ফুটবে যে গাছে সেই গাছ ই নাই :P

"গল্প ভালো লিখেছেন" জেনে ভালো লাগল :D

১১| ২৮ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৫:৪১

অচেনা হৃদি বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো আপু । সামুর ব্লগার আপুরা কেন যে মেয়েদের কষ্টগুলো নিয়ে ব্লগে এরকম গল্প লিখেন না কে জানে ! মেয়েদের ব্যপার নিয়ে তো মেয়েদেরকেই লিখতে হবে ।

আচ্ছা আপু, সব আমেরিকান পাত্রই কি এরকম দুই বিয়েওয়ালা ? আমি আরেক আমেরিকান গাধা দেখেছিলাম, সে নাকি আমেরিকাতে বাধ্য হয়ে একটা বিয়ে করেছিল । পরে সেটা ভেঙ্গে যায় । দেশে এসে উনি আবার বিয়ে করেন ।

নাহ, আমেরিকান বাঙ্গালিরা এমন হলে তো শেষ পর্যন্ত লস এঞ্জেলসের আশা আমাকে ছেড়েই দিতে হবে দেখছি ! :(

২৮ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৬

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: "মেয়েদের ব্যপার নিয়ে তো মেয়েদেরকেই লিখতে হবে" হা ঠিক বলেছেন আপু। মেয়েরাই তো লিখবে মেয়েদের নিয়ে ।

"আচ্ছা আপু, সব আমেরিকান পাত্রই কি এরকম দুই বিয়েওয়ালা ? আমি আরেক আমেরিকান গাধা দেখেছিলাম, সে নাকি আমেরিকাতে বাধ্য হয়ে একটা বিয়ে করেছিল । পরে সেটা ভেঙ্গে যায় । দেশে এসে উনি আবার বিয়ে করেন" হাহাহা! মজা পেলাম :P আসলে আপু সব মানুষ তো আর একরকম হয়না , তবে যারা বিদেশে থাকে এমন ছেলের ক্ষেত্রে অনেক বেশী খোঁজ খবর নিয়ে বিয়ে দেওয়া উচিত। বিশেষ করে বিদেশে যেখানে অবস্থান করে সেখানের খোঁজ।
তবে বিদেশী গুলোকে আমার একদম বিরক্ত লাগে X((

"নাহ, আমেরিকান বাঙ্গালিরা এমন হলে তো শেষ পর্যন্ত লস এঞ্জেলসের আশা আমাকে ছেড়েই দিতে হবে দেখছি" হাহা। না আপু আশা ছাড়বেন না :P আমার আত্মীয় ও পরিচিত দু একজন আছে ওখানে । তারা তো ভালো কিন্তু শুধু প্রস্তাব আনা গুলোই ওইরকম হয় কেন আল্লাহ্‌ জানে। :P

১২| ২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৮:১১

নাজিম সৌরভ বলেছেন: ভালো লাগলো গল্পটা পড়ে ! এ+ দিলাম ।

২৯ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৮

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: গল্প ভালো লেগেছে জেনে খুশী হলাম নাজিম ভাইয়া।
অনেক ধন্যবাদ আমার লেখা পড়া ও মন্তব্য করার জন্য।

১৩| ২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৯:২১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: @ অচেনা হৃদি,


আচ্ছা আপু, সব আমেরিকান পাত্রই কি এরকম দুই বিয়েওয়ালা ? আমি আরেক আমেরিকান গাধা দেখেছিলাম, সে নাকি আমেরিকাতে বাধ্য হয়ে একটা বিয়ে করেছিল । পরে সেটা ভেঙ্গে যায় । দেশে এসে উনি আবার বিয়ে করেন ।

নাহ, আমেরিকান বাঙ্গালিরা এমন হলে তো শেষ পর্যন্ত লস এঞ্জেলসের আশা আমাকে ছেড়েই দিতে হবে দেখছি ! :(

এমনটা ভাবার কোন কারণ নেই। এগুলো জাস্ট ব্যতিক্রম ঘটনা মাত্র। B-) B-)। সো, ডুন্ট ওরিড এ্যাট অল; সামওয়ান স্পেশাল ইজ ওয়েটিং ফর সামওয়ান স্পেশাল।

২৯ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪০

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: হা ভাইয়া, সবাই একরকম নয়। সেই আশাই তো একমাত্র ভরসা :P

১৪| ২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ৯:২৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: লেখিকার বিয়ে ভাগ্য নিতান্ত খারাপ না। B-) :D
আমেরিকান পোলা পছন্দ করেছে; এটা গর্ব করার মতো ঘটনা বটে।

ওয়েট............ মেনি মোর কামিং নেক্সট B-)!!

২৯ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৩

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: হাহা! ভাইয়া , খারাপ না মন্দ তা উপরওয়ালা ই ভালো বলতে পারবে :P তবে লেখিকার বিদেশে থাকে এমন পাত্র পছন্দ নয় আর না আরেঞ্জ বিবাহ :P

১৫| ২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ১২:৪৮

জহিরুল ইসলাম সেতু বলেছেন: "শুরু করেছেন, শেষ তো নয়?" দুঃখিত, আমি যা আপনাকে বলতে চেয়েছি আপনার কাছে তা ভুলভাবে পৌঁছেছে।
আমি বলতে চেয়েছিলাম, গল্প লেখা শুরু করেছেন মাত্র। এটাই তো আপনার শেষ গল্প লেখা নয়।
আর আপনি বুঝেছেন গল্পের প্লট বিষয়ে। :D আপনি গল্পের যেখানে শেষ করেছেন করতেই পারেন, এ নিয়ে আমি কিছু বলিনি আপু।

চর্চা চালিয়ে যান, বেশি করে লিখুন, পাঁচটা গল্প লিখে বাছাই করে যেটা সবচেয়ে ভাল মনে হয় আপনার কাছে সেটাই পোষ্ট দিন। দেখবেন অনেক এগিয়েছেন।
শুভেচ্ছা :)

২৯ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৪

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: হাহাহা! তাইতো বলি ভাইয়া কেন এমন টা বলল :P আর আমিও একটা গাধীর মত কি বুঝলাম :(( যাই হোক, কোন ব্যাপার না :P
আসলে ভাইয়া লেখালিখি কখন ও করিনি। শখের বশে কবিতা লিখতাম আগে। এখন সামু তে থেকে থেকে আপনাদের থেকে শিখছি লেখা :P আর গল্প তো কখন ও লিখিনি। এটাই প্রথম। যদিও এই লেখার উদ্দেশ্য ছিল একটা গল্প আকারে বিয়ের জন্য মেয়ে দেখার অদ্ভুত বিষয়টিকে তুলে ধরা। তবে প্রথম প্রথম তো ভুল একটু হবেই আর ভুল করতে করতে এবং আপনাদের পরামর্শ অনুসরন করতে করতে ইনশাআল্লাহ সামনের দিনগুলো তে লেখা আরও ভালো হবে।

১৬| ২৯ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৬:২০

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: কথা আপু, আমার কাছে পরিচিত প্লট বিষয়টি খুব একটা বড় ব্যাপার না। কোথাও পড়েছিলাম যে পৃথিবীতে মাত্র ১০ টি মৌলিক গল্প আছে, বাকিসব সেগুলোর আশেপাশে, সেগুলোর সন্তান হয়ে এসেছে। হাহা। যাই হোক, এধরণের বিষয় পরিচিত হলেও কোন লাভ তো হচ্ছেনা। যাদের চোখ খোলার জন্যে লেখা তাদের তো চোখ খুলছে না। তাই হাজারবার মেয়েরা লিখুক এমন প্লট নিয়ে। মেয়েদের পয়েন্ট অফ ভিউ ঠিকভাবে প্রকাশ হওয়া ভীষনই জরুরি।

আপনার লেখার এবং মন্তব্যের সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হচ্ছে ঝরঝরে, সাবলীল ভাব। পড়তে কখনো আটকাতে হয়না, একঘেয়ে লাগেনা। এজন্যে আমি আপনার পোস্টগুলো খুব মজা করে পড়ি।

পাত্রী দেখা ব্যাপারটা আসলে খারাপ কিছু না। দুটো পরিবার, দুটো ছেলে মেয়ে একে অপরের সাথে দেখা করবে বিয়ের ব্যাপারে, খুবই ভালো ব্যাপার। সমস্যাটি হচ্ছে ছেলেপক্ষের বেশি বেশি করাটা। হেঁটে দেখাও, চুল দেখাও এসব না করে মেয়েটিকে মানুষের মতো ট্রিট করলে ভালো হতো। যেমন আজকাল অনেকক্ষেত্রে ছেলে মেয়ে ও পরিবার রেস্টুরেন্টে দেখা করছে। বিষয়টি আমার ভালো লাগে কেননা তাতে মেয়ের পরিবারকে বিশাল আয়োজন করতে হচ্ছেনা। আর বিলটাও দুটি পরিবারের অর্ধেক করে দেওয়া উচিৎ! ছেলেপক্ষের কোন এক্সট্রা টাকা দেওয়া উচিৎ না। স্বাভাবিক, আন্তরিক কথাবার্তা হওয়া উচিৎ দু পরিবারে। পাত্রী দেখা নয়, বিষয়টি হোক পাত্র পাত্রী দেখা

আর শেষে মেয়েটির মনের দ্বিধাটি ভীষনই বাস্তব। প্রেমের বিয়ে হোক বা পারিবারিক, প্রচুর পরিমাণে রিস্ক থাকে মন ভাঙ্গার, অত্যাচারিত হবার। যে দিকেই যাক না কেন, প্রতিটি মেয়ের মন শক্ত রাখা উচিৎ যেকোন পরিস্থিতিতে।

পোস্টে লাইক।
ভালো থাকুন আপু।

২৯ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০২

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: আপু আপনি বরাবর ই খুব সুন্দর গুছিয়ে মন্তব্য করেন। ভালো লাগে খুব এবং বুঝি যে আপনি লেখা টি পরেছেন মনোযোগ দিয়ে।
এবং আপনি আমার লেখা পড়েন জেনে খুশী হলাম।

আসলেই আপু পাত্রী দেখাটা খারাপ কিছুনা আর বিয়ে করতে হলে তো দেখতেই হবে। হা রেস্টুরেন্ট এর বিষয়টা আমার ও ভালো লাগে। কারন এই দেখা দেখি নিয়ে একটা মেয়ের পরিবারকে অনেক আয়োজন করতে হয়, আর একাধিক পাত্রের জন্য দেখাদেখি হলে ততবার ই তো সেই একইরকম ঘটা করে আয়োজন করতে হয় এবং রেস্টুরেন্ট এ দেখাদেখির বিষয়টি হলে সে ক্ষেত্রে মেয়ে টি কে ও খুব একটা জড়তা নিয়ে থাকতে হয়না।

১৭| ২৯ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১১:১১

নাজিম সৌরভ বলেছেন: গল্পটি পড়ে ভালো লেগেছিল, তাই আবারো পড়লাম ।
গল্পের বিষয়বস্তুর সাথে আমি পরিচিত । আমার বোনদের বিয়ে হয়েছে, আবার কিছু বোনদের দেখাদেখি চলছে । এসব দেখাদেখির নানা পর্যায়ে বোনদের কেমন লাগে তা আমরা ভাইয়েরা বুঝি ।
সকল বোনদের জীবন কণ্টকমুক্ত হোক ।

২৯ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৬

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: খুবই ভালো লাগলো ভাইয়া যে আপনি গল্প টি আবার পড়েছেন।
হা ভাইয়া, গল্পের বিষয়বস্তু তো আমাদের দেশের প্রতিটি মেয়ের জীবন এবং প্রতিটি মেয়ের পরিবারের কাহিনী। আসলে ভাইয়া, বিয়ে করতে হলে তো দেখাদেখি করতেই হবে কিন্তু তারপরেও এই বিষয় টি একটি মেয়ের জন্য খুব অস্বস্তিকর। তাই মেয়েপক্ষ ও ছেলেপক্ষ উভয়ের ই বিষয়টির দিকে খেয়াল করা উচিত যেন মেয়েটি আরও বেশী অস্বস্তি তে পরে না যায়। এবং বিয়ের ক্ষেত্রে যেন কোন কিছু লুকনো না হয়।

১৮| ৩০ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৩২

রোকনুজ্জামান খান বলেছেন: আমার ব্লগে এক বার ঘুরে আসার অনুরোধ রইল।
আপনাদের অনুপ্রেরণাই আমাদের মত নতুন ব্লগার দের এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে ।
@ধন্যবাদ

৩০ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:২৪

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: অবশ্যই যাব আপনার ব্লগে রোকনুজ্জামান খান ভাইয়া।

"আপনাদের অনুপ্রেরণাই আমাদের মত নতুন ব্লগার দের এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে " আমিও সামু তে নতুন, ভাইয়া :P তবে আপনার জন্য রইল শুভকামনা।

১৯| ৩০ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৫৩

রাকু হাসান বলেছেন: সুমাদের এভাবে বারবার দেখা টা ভাল লাগে না ,প্লট ভাল ছিল ।
আপনার জন্য শুভকামনা থাকবে ..

৩০ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:৩২

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: "সুমাদের এভাবে বারবার দেখা টা ভাল লাগে না" আসলেই ভাইয়া ভালো লাগেনা :(( কিন্তু এটাই আমাদের সংস্কৃতি। আর বিয়ে করতে হলে তো দেখাদেখি করতেই হবে ।

অনেক ধন্যবাদ রাকু হাসান ভাইয়া আপনার মন্তব্য এর জন্য।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.